Aashfak Dipu

Aashfak Dipu

Share

Breathing is Happiness

22/06/2025

RBI Recruitment Syllabus :: Most Brilliant in the South Asia Region.

যদি BB-AD রিক্রুটমেন্ট মডিফাই করা হয়, RBI সিলেবাসটা নীতিনির্ধারকদের কাছে অনুকরণীয় মনে হতে পারে।

🟧 RBI Grade -B:: Recruitment Test Syllabus 🟧
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖

The recruitment exam for RBI Grade B consists 3 phases:

Phase-I :: Prelims :: 200 MCQ :: 120 Min
Phase-II :: Mains :: 300 Marks :: 330 Min
Phase-III :: Interview :: 75 Marks

🟢 Phase-I :: Prelims Syllabus 🟢
➖➖➖➖➖➖➖➖➖

1️⃣ General Awareness 1️⃣
-----------------------
The major topics of General Awareness revolve around the Indian Economy and Financial Systems.

RBI Grade B syllabus for General Awareness is given below:

a) Banking, Financial & Economic News, Banking Terminology, Recent RBI News like Monetary policies, Important guidelines, Financial & Economics News, Economics terms, etc.

b) Current Affairs: both national and international, sports, awards, summits & conferences, schemes, agreement & deals, etc.

c) Static GK: like Parks, Dam, Thermal Power Plants, Mountains, Temples, Stadiums, Airports, etc.

2️⃣ English Language 2️⃣
----------------------

Topics in the English Language section are given below:

1. Reading Comprehension
2. Cloze Test
3. Para jumbles
4. Spotting Error
5. Phrase Replacement / Error Spotting
6. Paragraph Completion
7. Fill in the Blanks (Vocabulary)

3️⃣ Quantitative Aptitude 3️⃣
-------------------------

Topics in the QA section are given below:

Simplification
Profit & Loss
Mixtures & Alligations
Ratio & Proportion
Simple Interest & Compound Interest
Surds & Indices
Work & Time
Time & Distance
Train, Boats & Streams
Mensuration – Cylinder, Cone, Sphere
Percentage
Number Systems
Number Sequence & Series
Permutation, Combination & Probability

Data Interpretation (Missing DI, Pie Chart, Caselet DI, Mix DI)

Data Sufficiency

4️⃣ Reasoning Ability 4️⃣
---------------------
RBI Grade B Reasoning Ability syllabus is given below:

Syllogism
Seating Arrangement
Linear Arrangement
Puzzle
Input-Output
Logical / Analytical Reasoning
Data Sufficiency
Inequality
Coding-Decoding
Miscellaneous Questions

🔵 Phase-II :: Mains Syllabus 🔵
➖➖➖➖➖➖➖➖➖

Paper 1: Economic and Social Issues ::Syllabus
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

1️⃣ Growth and Development: Measurement of growth: National Income and per capita income-Poverty Alleviation and Employment Generation in India-Sustainable Development and Environmental issues.

2️⃣ Indian Economy: Economic History of India-Changes in Industrial and Labour Policy, Monetary and Fiscal Policy since reforms of 1991-Priorities and recommendations of Economic Survey and Union Budget-Indian

3️⃣ Money and Financial Markets: Linkages with the economy-Role of Indian banks and Reserve Bank in the development process, Public Finance - Political Economy, Industrial Developments in India, Indian Agriculture-Services sector in India.

4️⃣ Globalization: Opening up of the Indian Economy, Balance of Payments, Export-Import Policy, International Economic Institutions, IMF and World Bank, WTO, Regional Economic Cooperation; International Economic Issues.

5️⃣ Social Structure in India: Multiculturalism, Demographic Trends, Urbanisation and Migration,

6️⃣ Gender Issues-Social Justice: Positive Discrimination in favour of the underprivileged, Social Movements, Indian Political System, Human Development, Social Sectors in India, Health and Education.

🟠 Paper 3 :: Finance and Management🟠
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

🅰️ Finance
~~~~~~~~

The questions on Finance will be asked from the following topics:

1️⃣ Financial System

Regulators of Banks and Financial Institutions

Reserve Bank of India- functions, and conduct monetary policy

Banking System in India

Structure and concerns

Financial Institutions-SIDBI, Exim Bank, NABARD, NHB, etc

Changing landscape of banking sector
Impact of the Global Financial Crisis of 2007-08 and the Indian response

2️⃣ Financial Markets

Primary and Secondary Markets (Forex, Money, Bond, Equity, etc.), functions, instruments, recent developments.

3️⃣ General Topics

Risk Management in Banking Sector

4️⃣ Basics of Derivatives

Global financial markets and International

Banking-broad trends and latest developments
Financial Inclusion

Alternate source of finance, private and social cost-benefit, Public-Private Partnership

5️⃣ Corporate Governance in Banking Sector, the role of e-governance in addressing issues of corruption and inefficiency in the government sector

The Union Budget-Concepts, approach, and broad trends

6️⃣ Inflation: Definition, trends, estimates, consequences, and remedies (control): WPI, CPI -components, and trends

Striking a balance between inflation and growth through monetary and fiscal policies

7️⃣ FinTech

🅱️ Management
~~~~~~~~~~

1️⃣ Fundamentals of Management & Organizational Behaviour:

Introduction to management,

Evolution of management thought: Scientific, Administrative,

Human Relations and Systems Approach to Management;

Management functions and Managerial roles;

Nudge Theory,

2️⃣ Meaning & Concept of Organizational Behaviour;

Personality: Meaning, Factors Affecting Personality, Big Five model of Personality,

Concept of Reinforcement, Perception: Concept, Perceptual Errors.

Motivation: Concept, Importance, Content theories (Maslow’s need theory, Alderfers’ ERG theory, Mc Cllelands’ theory of needs, Herzberg’s two-factor theory) and Process Theories (Adams equity theory, Vrooms expectancy theory).

3️⃣ Leadership:

Concept, Theories (Trait, Behavioural, Contingency, Charismatic, Transactional and Transformational Leadership;

Emotional Intelligence: Concept, Importance, Dimensions.

Analysis of Interpersonal Relationship: Transactional Analysis, Johari Window,

Conflict: Concept, Sources, Types, Management of Conflict;

4️⃣ Organizational Change: Concept, Kurt Lewin Theory of Change,

5️⃣ Organizational Development (OD): Organisational Change, Strategies for Change,

6️⃣ Theories of Planned Change (Lewin’s change model, Action research model, Positive model).

7️⃣ Ethics at the Workplace and Corporate Governance: Meaning of ethics, why ethical problems occur in business.

8️⃣ Theories of ethics: Utilitarianism: weighing social cost and benefits, Rights and duties, Justice and fairness, ethics of care, integrating utility, rights, justice and caring,

9️⃣ An alternative to moral principles: virtue ethics, teleological theories, egoism theory, relativism theory,

🔟 Moral issues in business: Ethics in Compliance, Finance, Human Resources, Marketing, etc.

1️⃣1️⃣ Ethical Principles in Business: introduction, Organization Structure and Ethics, Role of Board of Directors, Best Practices in Ethics Programme, Code of Ethics, Code of Conduct, etc.

1️⃣2️⃣ Corporate Governance: Factors affecting Corporate Governance, Mechanisms of Corporate Governance

1️⃣3️⃣ Communication: Steps in the Communication Process, Communication Channels, Oral Vs Written Communication, Verbal versus non-verbal Communication, upward, downward and lateral communication; Barriers to Communication,

1️⃣5️⃣ Role of Information Technology.

Photos from Aashfak Dipu's post 16/05/2025

Written for SO 2022 & Onwards
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

আসন্ন সিনিয়র অফিসার ২০২২ ভিত্তিক রিটেন প্রস্তুতি এবং তৎপরবর্তী অফিসার জেনারেল ও অফিসার ক্যাশের কথা মাথায় রেখে আমাদের চলমান Signature 425 ব্যাচের রিটেন মডিউল আরেকটু বড় পরিসরে সাজানো হয়েছে।

একইসাথে এমসিকিউ + রিটেন সমন্বিত ব্যাচ Signature 325 এর ভর্তি চলমান থাকবে আর একসপ্তাহ। ক্লাস শুরু হচ্ছে আজকে থেকেই।

আগ্রহীদের জন্য সংযুক্ত পিকচারে শর্ট কোর্স ও ক্লাস প্ল্যান শেয়ার করা হলো। বিস্তারিত জানতে সংযুক্ত থাকুন আজ রাতের প্রথম সেশনে, রাত ১০.০০ টায়।

বিস্তারিত জানতে: হোয়াটসঅ্যাপ করুন 01711386157

সিগনেচার পরিবারে স্বাগত।।

23/04/2025

১। আর্থিক খাতের সংস্কারে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের ফলাফল মূল্যায়ন করুন।

অথবা,

অর্থনৈতিক সংস্কার এবং সরকারের সঠিক নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে অর্থনীতি - মূল্যায়ন করুন।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

দীর্ঘ তিন বছর ধরে চলা অনমনীয় মুল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্থানে, তিন বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়ানো মাসিক রেমিট্যান্স আয়ের নতুন রেকর্ডের হাত ধরে অবশেষে বাড়তে শুরু করেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, চলতি অর্থ বছরের প্রথমার্ধে গত বছরের চেয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৩%, ব্যাংকিং খাতের অনিয়ন্ত্রিত লুটপাট বন্ধ হওয়ায় এই খাতে ফিরতে শুরু করেছে বহুকাঙ্ক্ষিত সুশাসন ও স্থিতিশীলতা। দেশের আর্থিক খাতে এরকম ইতিবাচক নানান পরিবর্তনের স্বীকৃতি মিলেছে আইএমএফ এর 'ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক' এর এপ্রিল মাসের মূল্যায়নে - আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়াতে পারে ৫.২% এবং প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে হতে পারে ৬.৫%। হতশ্রী আর্থিক খাত বিনির্মানে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ, তৎপরতা ও নীতির প্রতি জনগনের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে; একইসাথে বাড়ছে প্রত্যাশার পারদ।

ব্যাংক খাত ও পুঁজি বাজারের লাগামহীন জালিয়াতি ও লুটপাট, অপরিমিত অর্থপাচার ও হুন্ডির দৌরাত্ম, অনিয়ন্ত্রিত দূর্নীতি ও রাজস্ব ব্যয়, সামঞ্জস্যহীন রাজস্ব ও মুদ্রানীতির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার নিয়ন্ত্রণহীন বিনিময় হার ও রিজার্ভ সংকটের পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে পিষ্ট হয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনমান, উৎপাদনশীলতা ও দেশের অর্থনীতি। দীর্ঘ প্রায় ৩ বছরের দিশাহীন সামষ্টিক অর্থনীতি ও আর্থিক খাতে চলমাান সংকটের উত্তরণ ঘটতে চলেছে বর্তমান সরকারের চলমান আর্থিক সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সময়োপযোগী ও সঠিক নীতিগত সিদ্ধান্তের ফলে।

নিয়ন্ত্রণহীন ঋণ জালিয়াতি ও লুটপাটের ফলে আমানতকারীদের আস্থার সংকটে ভুগতে থাকার প্রেক্ষাপটে দেশের একচতুর্থাংশ ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন ও নেতৃত্বে পরিবর্তন এনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যার ফলে এই খাতের উপর জনগনের আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে গঠিত ব্যাংকিং টাস্কফোর্সের গৃহিত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের ফলে সুশাসনের ধারায় ফিরছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ। দীর্ঘ একযুগ ধরে পুঁজিবাজারে চলমান অচলাবস্থা এবং পুঁজি লোপাট বন্ধ হয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নেতৃত্বের পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, ডেপুটি গভর্নরগণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এর পরিচালনা পর্ষদ এবং রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর পর্ষদ পুনর্গঠন ও নতুন নেতৃত্বের হাত ধরে বন্ধ হয়েছে লুটপাট ও আর্থিক অব্যবস্থাপনা; ফিরছে স্থিতিশীলতা এবং স্বস্তি।

অতীতে রাজনৈতিক মদদে আগ্রাসী হয়ে ওঠা হুন্ডির দৌরাত্ম কমেছে; বৈধ ব্যাংকিং পথে ফিরছে রেমিট্যান্সের অর্থ। প্রথমবারের মতো চলতি বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আয়ের সম্ভাবনা দেখছে বাংলাদেশ, যার ফলে ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। বাজারে ডলারের চাহিদা ও যোগানের ভারসাম্য ফিরতে শুরু করেছে বিধায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রয়েছে এবং ক্রমান্বয়ে দেশের আমদানি সক্ষমতা পূর্বাবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা বাড়ছে।

ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতি এবং দূর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত ও বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরতের বিষয়ে সরকারের তৎপরতায় পাচারকৃত অর্থ ফেরতের সম্ভবনা সৃষ্টি হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও বিএফআইইউ এর অবিচলিত তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে এসেছে দুর্নীতি ও অর্থ পাচার। ফলে ধীরে ধীরে আর্থিক খাতের উপর ফিরছে জনগণের আস্থা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে অর্থনীতি।

বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজিত বিনিয়োগ সম্মেলন 'বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২৫' সরকারের একটি সময়োপযোগী এবং প্রশংসিত উদ্যোগ। কাংখিত ডাবল ডিজিট আর্থিক প্রবৃদ্ধি, ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতিতে পৌঁছানোর স্বপ্ন, চার মিলিয়ন বেকারের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উচ্চ মাথাপিছু আয় এবং দারিদ্র নির্মুলের অব্যাহত প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে বিকল্পহীন বৈদেশিক বিনিয়োগের খোঁজে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আন্তরিক তৎপরতা আশাবাদী করছে সবাইকে।

বৈদেশিক সম্পর্কের বহুমাত্রিক পুনর্বিন্যাস, উন্নয়ন সহযোগীদের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্কোন্নয়ন, নতুন বানিজ্য অংশীদার ও সম্পর্কের খোঁজ এবং দেশের বিনিয়োগ পরিকাঠামোর গুনগত মনোনয়নের মধ্যে দিয়ে অধিকতর বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সহজতর শর্তে বৃহৎ উন্নয়ন ঋণ সুবিধা পেতে আস্থা অর্জনের চলমান প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে দেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারের প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়েছে। এসব প্রচেষ্টা ও সংস্কারের মধ্য দিয়ে দেশকে উৎপাদনের আঞ্চলিক পরাশক্তি এবং পূর্ব ও পশ্চিমের সেতুবন্ধরূপে গড়ে তোলার সরকারি পরিকল্পনা নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে জনগন, দেশ ও দেশের অর্থনীতিকে।

সুশাসন ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আর্থিক খাতের স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। সরকারের অব্যাহত কর্মতৎপরতা আশান্বিত করছে আর্থিক খাতের দীর্ঘ মেয়াদি কাঠামোগত সংস্কারের সফলতার সম্ভাবনাকে। উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার চিরায়ত স্বপ্ন পূরণের পথে বর্তমান সরকারের মাত্র ৯ মাসের সময়কাল যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস এবং আশাবাদ সৃষ্টি করতে পেরেছে দেশ ও আপামর মানুষের কাছে নিঃসন্দেহে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়কাল এবং চলমান আর্থিক চ্যালেঞ্জের বহুমাত্রিক সংকট বিবেচনায় আর্থিক খাতের পুনরুদ্ধারে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের সঠিকতা, কার্যকরিতা ও সক্ষমতা এখন পর্যন্ত ভূয়সী প্রশংসার দাবি রাখে সন্দেহাতীতভাবে।

লেখা: Aashfak Dipu

26/03/2025

সামরিক শক্তি বিকাশের নতুন দিগন্তে বাংলাদেশ
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

Global Firepower Index অনুযায়ী বাংলাদেশ ২০২৫ সালে সামরিক শক্তির বিচারে ১৪৫ টি দেশের মধ্যে ৩৫ তম এবং দক্ষিন এশিয়ায় ৩য় শক্তিশালী দেশ। একই তালিকায় ২০২৪ এ বাংলাদেশ ছিল ৩৭ তম এবং ২০২৩ এ ৪০ তম স্থানে। সামরিক খাতে বাজেটের দিক থেকে ৫৬ তম স্থানে থাকা বাংলাদেশ সামরিক শক্তিতে ক্রমাগত উন্নতির পথে হাঁটছে।

সামরিক সামর্থ্যের তালিকায় ভারত ৪ নং এবং পাকিস্তান ১২ নং পজিশনে আছে। বাংলাদেশের ঠিক উপরে ৩৪ তম পজিশনে আছে উত্তর কোরিয়া এবং ঠিক নিচে ৩৬ তম স্থানে আছে নেদারল্যান্ডস।

একই ইনডেক্সের তথ্য মতে, ১৪৫ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশঃ

No 1: Paramilitary Forces এর সংখ্যায় বিশ্বের ১ নং (৬৮ লাখ)

No 34: Active Military Personnel (১৬৩,০০০) এর ভিত্তিতে ৩৪ তম।

No 25 & 29: Navy Personnel (25,100) এবং Airforce Personnel এর ভিত্তিতে যথাক্রমে ২৫ ও ২৯ তম।

No 11: Frigates (7) এবং Corvettes (6) এর সংখ্যার ভিত্তিতে ১১ তম।

No 16: Submarine (2) এর সংখ্যার ভিত্তিতে ১৬ তম।

বাংলাদেশ এখন ২৪ তম বৃহৎ অস্ত্র আমদানিকারক দেশ।

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীতে গত ২০১৮-২৩, পাঁচ বছরে ভূমি থেকে আকাশে উৎক্ষেপনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম ও মানববিহীন ড্রোনসহ অন্তত ২৩ ধরনের নতুন আধুনিক প্রযুক্তির যুদ্ধ সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়েছে । চীন ও তুরস্কসহ ১২টি দেশ থেকে গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশ এসব যুদ্ধাস্ত্র ক্রয় করেছে। 'ফোর্সেস গোল ২০৩০' এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে এসব যুদ্ধাস্ত্র ক্রয় করা হয়েছে। চীনের সাথে প্রযুক্তি সহায়তার মাধ্যমে নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা বিকাশের সাথে সাথে ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

চীন বাংলাদেশ সামরিক সম্পর্ক
~~~~~~~~~~~~~~~~~~

স্বাধীনতার ৩ বছর সাড়ে আট মাস পর ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে চীন ৩৭ তম দেশ হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় এবং সেদিন থেকে চীন ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের শুরু। ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্য পদ পেতে বিরোধিতা করা চীনই এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বানিজ্যিক সহযোগী।

১৯৭৫ সালের শেষে ও ১৯৭৬ সালের শুরুতে চীন–বাংলাদেশ সম্পর্কের যে ভিত্তি রচিত হয়েছিল তার প্রধান অবলম্বন ছিল নিরাপত্তা ইস্যু। সেই কুটনৈতিক সম্পর্কের ৫ দশক অতিবাহিত হওয়ার পথ-পরিক্রমায় কালক্রমে বাংলাদেশ হয়েছে চীনা অস্ত্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা।

২০২৫ এ এসে চীন বাংলাদেশ সামরিক সম্পর্কের বিশ্বস্ততা ও বিস্তৃতি পৌঁছেছে এক অনন্য উচ্চতায়। এবার বাংলাদেশ পেতে যাচ্ছে চায়নার লাইট মিলিটারি টেকনোলজি এবং চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ গড়তে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার নতুন ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেস। মিলিটারি টেকনোলজি শেয়ারিং এর এই সম্পর্কের হাত ধরে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ হয়তো বিশ্ববাজারে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির নতুন ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

১। বাংলাদেশে চীনা অস্ত্র ক্রয়ের ইতিহাস

১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত চীনের প্রতিরক্ষা সহায়তা বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় এবং ওই সময়ে চীন বাংলাদেশের চাহিদার ৭৮ শতাংশ অস্ত্র সরবরাহ করে। ১৯৮০ সালের মধ্যে চীন বাংলাদেশকে ৩৬টি টাইপ-৫৯ ট্যাংক সরবরাহ করে।

২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চীনের মোট অস্ত্র বিক্রির ১১ শতাংশের ক্রেতা ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের ২৬তম বৃহত্তম অস্ত্র ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ ২০১৯-২০২৩ সাল পর্যন্ত চীন থেকে তার মোট ক্রয়কৃত অস্ত্রের প্রায় ৭২ শতাংশ কিনেছে।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট এর তথ্য অনুসারে, ২০১০-২০১৯ সাল পর্যন্ত চীন থেকে অস্ত্র ক্রয়ে ২৫৯ কোটি ডলার ব্যয় করেছে বাংলাদেশ। ঢাকা বেইজিং থেকে গুরুত্বপূর্ণ যেসব অস্ত্র কিনেছে তার মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক টহল জাহাজ, কর্ভেট, ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান এবং ভূমি থেকে আকাশ এবং জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ভিটি-৫ হালকা ট্যাঙ্ক এবং এমবিটি-২০০০ প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের মতো আধুনিক এবং অত্যাধুনিক চীনা অস্ত্র ব্যবহার করে।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী কে-৮-এর মতো অত্যাধুনিক প্রশিক্ষক চীনা জেট ফাইটার বাহিনীতে সংযুক্ত করেছে এবং এফএম-৯০ এর মতো স্বল্পপাল্লার এয়ার ডিফেন্স সারফেস এয়ার মিসাইল সিস্টেম চালু করেছে।

২০১৬ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২০৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যে একজোড়া চীনা মিং ক্লাস সাবমেরিন এবং সারফেস জাহাজ বহরের জন্য একটি নতুন প্রজন্মের চীনা টাইপ ০৫৬ স্টিলথ কর্ভেট কিনেছে। কক্সবাজারের পেকুয়ায় চীন সাবমেরিন ঘাঁটিও নির্মাণ করেছে।

২০১৮ সালে বাংলাদেশ চীনের সঙ্গে একটি সামরিক চুক্তিতে প্রবেশ করে, যার মধ্যে কে-৮ ডব্লিউ মধ্যবর্তী প্রশিক্ষণ জেট ক্রয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। পরের বছর চীন তাদের নৌবাহিনী থেকে বাংলাদেশকে দুটি টাইপ ০৫৩ (জিয়াংওয়েই-টু) ফ্রিগেট প্রদান করে, যেগুলোকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বিএনএস উমর ফারুক এবং বিএনএস আবু উবাইদাহ নামকরণ করা হয়।

বাংলাদেশ ২০২১ সালে চীন থেকে এফ-৭ বিজিআই বিমান আমদানি করেছে, যা অত্যাধুনিক মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ পুরনো যুদ্ধবিমানগুলো আপগ্রেড করার কথা বিবেচনা করছে এবং এক্ষেত্রে চীনের J-10C একটি ভালো বিকল্প হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনী আপগ্রেডের প্রথম পর্যায়ে প্রথম ধাপে ১৬টি J-10C ফাইটার কেনার কথা বিবেচনা করছে।

এছাড়া বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত প্রায় ৭৫ শতাংশ লজিস্টিক সাপোর্ট চীন থেকে আমদানি করা হয়।

২। চীন বাংলাদেশ সামরিক সহায়তা চুক্তি

২০০২ সালে উভয় দেশ সামরিক প্রশিক্ষণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনসহ একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করে। চীন হলো প্রথম কোন দেশ যারা বাংলাদেশের সাথে প্রথম এ ধরনের সামরিক চুক্তি করেছে।

২০১৪ সালে দুই দেশ সামরিক সহযোগিতার বিষয়ে চারটি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার মধ্যে একটি ছিল একটি চুক্তি যেখানে পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ এবং সরবরাহসহ সামরিক সহায়তা প্রদান করবে। পিএলএ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসে একটি ভাষা ল্যাব স্থাপনে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।

৩। চায়নিজ মিলিটারি টেকনোলজি শেয়ারিং

১১ মার্চ, ২০২৫ এ 'ন্যাশনাল ইমেজ অব চায়না ইন বাংলাদেশ' নামের একটি গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে যে, চীন ছোট ও মাঝারি আকারের অস্ত্র যেমন রাইফেল, রকেট, রকেট লঞ্চার, ম্যানপ্যাড, হালকা ইউটিলিটি যানবাহন ইত্যাদির জন্য বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি এবং বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডে প্রযুক্তি হস্তান্তর করেছে। চীনা প্রযুক্তিতে এসব সমরাস্ত্র এখন বাংলাদেশে তৈরি হবে যা একটি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ঘাঁটি (ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেস) গড়ে তোলার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।

এর আগে ২০১২ সালে চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে প্রথমবারের মতো স্থানীয়ভাবে প্যাট্রোল জাহাজ নির্মাণ করে । এরপর এটিকে নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়।

তুরস্কের সাথে সমরাস্ত্র সহায়তা সম্পর্ক
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

১৯৮১ সালের ঢাকায় তুরস্ক ও বাংলাদেশ সামরিক প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ও সেনাবাহিনীর যৌথ সহায়তার বিষয়ে একটি চুক্তি সাক্ষর করে। সে চুক্তির উপর ভিত্তি করে তুরস্কের সাথে বাংলাদেশের নৌ বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে। তুরস্ক নৌবাহিনী বহু বছর বাংলাদেশের নৌবাহিনীর স্পেশাল অপারেশন ফোর্স SWADS কে ট্রেনিং দিয়ে আসছে। সেই আশির দশক থেকেই বাংলাদেশ তুরস্কের তৈরি অস্ত্র ব্যবহার করছে। তখন বিশেষ করে ভারী অস্ত্র বা আর্টিলারি গান কিনেছে বাংলাদেশ।

২০০৪ সালে মিলিটারি ট্রেনিং এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশও প্রতিরক্ষার জন্য তুরস্কের সামরিক সরঞ্জাম আমদানি করছে। গত পাঁচ বছরে তুরস্ক থেকে অন্তত ১৫ ধরনের আধুনিক সমরাস্ত্র কিনেছে বাংলাদেশ যার মধ্যে রয়েছে কাবলার মিসাইল সিস্টেম, অটোকার কোবরা লাইটার, মাল্টি ভেহিক্যাল, মিডিয়াম রেঞ্জ গাইডেড, মাল্টিপল রকেট লঞ্চারসহ বিশ্ব কাঁপানো বায়রাক্তার ড্রোন। দেশটির প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন চতুর্থ।

২০১৮ সালে তুরস্কের Dronmarket নামক একটা কোম্পানি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ১.৫ (দেড়) বিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে ৫০০ টি ড্রোন সরবরাহ করে। একই বছর তুরস্কের METEKSAN কোম্পানির তৈরি ৬ টি Retinar PTR রেটিনার পিটিআর নামক স্থল নজরদারি রাডার কিনে বাংলাদেশ।

২০১৯ সালে তুরস্কের কোম্পানি ইলেকট্রোল্যান্ড ডিফেন্স থেকে ৫ টি খান নামক রিমোট কন্ট্রোলড বোম্ব ডিসপোসাল রোবট কিনে বাংলাদেশ।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে তুরস্কের মিসাইল প্রস্তুত কারক কোম্পানি রকেটসানের সাথে বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর একটা ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২১ সালের জুন মাসে রকেটসান তার TRG-300 Kaplan/টাইগার MLRS রকেট লাঞ্চার সিস্টেম বাংলাদেশকে সরবরাহ করে। ১২০ কিলোমিটার পাল্লার এই TRG-300 kaplan মিসাইলের ১৮টি ইউনিট পায় বাংলাদেশ। এটাই এখন বাংলাদেশের হাতে থাকা সবচেয়ে দীর্ঘ পাল্লার মিসাইল । বাংলাদেশ তুরস্ক থেকে ১ রেজিমেন্ট (১৮ ইউনিট) T-300 kasirga মাল্টিপল রকেট লাঞ্চার সিস্টেম কিনেছে।

ডিফেন্সিয়া ডট নামে সামরিক একটি ওয়েবসাইটের তথ্য বলছে, বাংলাদেশ তুরস্কের কাছ থেকে এয়ারক্রাফট, এরিয়াল ভেহিক্যাল, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, আর্মার্ড ভেহিক্যাল, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, আর্টিলারি সিস্টেম, ইলেকট্রিক্যাল ওয়ারকেয়ার সিস্টেম, রেডিও কমিউনিকেশন সিস্টেম ক্রয়ের বিষয়ে অতীতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

টিআরজি থ্রি জিরো জিরো নামের একটি মিসাইল সিস্টেম ২০২১ সালের জুনের ২১ তারিখে বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয় বলে তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক টুইট বার্তায় বলা হয়েছে। ২০১৯ সালেও বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, নৌবাহিনীও মিসাইল সিস্টেম কিনেছে দেশটি থেকে।

১০৫ ও ১৫৫ মিলিমিটারের আর্টিলারি শেল উৎপাদনের প্রযুক্তি বাংলাদেশকে হস্তান্তরের নজির স্থাপন করে তুরস্কের প্রতিরক্ষা কোম্পানি। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর ৩ হাজারের বেশি সদস্য তুরস্ক থেকে উন্নত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া কোরের জন্য ২৬টি হালকা ট্যাংক কেনার জন্য তুর্কি ফার্ম Otokar Otomotiv V Savunma Sanai A.S এর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ট্যাংকগুলি ২০২৫ সালে সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে (হিন্দুস্তান টাইমস)।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা প্রস্তাব
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

চীনের সামরিক প্রযুক্তি শেয়ারিং চুক্তির প্রাক্কালে বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা দিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এক্ষেত্রে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম কীভাবে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে, সে বিষয়ে আলোচনা করতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোয়েল পি ভাওয়েল ২৪ ও ২৫ মার্চ, ২০২৫ (সোম ও মঙ্গলবার) বাংলাদেশ সফর করেছেন।

সামরিক শক্তিতে সহায়তায় মার্কিনিদের এই আশ্বাস এসেছে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরের প্রথম দিনে। সহজেই অনুমেয় যে চীনের সামরিক সহায়তা নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছে খোদ আমেরিকাকেও।

চীন, আমেরিকা এবং তুরস্কের মতো পরাশক্তিদের থেকে সামরিক সহায়তা প্রাপ্তি এবং সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের আগ্রহ প্রকাশ অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে গ্রহনযোগ্য করে তুলবে। সামরিক শক্তির বিকাশ এবং সক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণ ও আত্মনির্ভরতা অর্জনের পথ অনেকটাই সুগম হবে বলে আশা করা যায়।

Sources:
~~~~~~

https://www.globalfirepower.com/countries-listing.php

https://www.kalbela.com/world/asia/175193

https://www.bd-pratidin.com/editorial/2024/07/15/1010426

https://www.dailyjanakantha.com/national/news/759391

http://sorwaralam.com/?p=47

https://www.google.com/amp/s/www.bbc.com/bengali/articles/c28vkejwld4o.amp

https://www.google.com/amp/s/www.rupalibangladesh.com/special-report/29498/amp

https://www.banglatribune.com/national/889759/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka