প্রশ্ন : দুআ কবুলের শর্ত ও আদব সমূহ কি কি?
উত্তর : দোয়া কবুলের শর্তাবলী : ১. দো‘আ কারীকে তাওহীদপন্থী হতে হবে অর্থাৎ প্রার্থনাকারীকে আল্লাহর রুবুবিয়্যত, উলূহিয়্যত ও আসমা ওয়াছ ছিফাতের প্রতি একত্ববাদী হতে হবে ২. একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর কাছে দো‘আ করতে হবে। যে কোন ইবাদত খালেছভাবে আল্লাহর জন্য করা না হলে তা আল্লাহ কবুল করেন না ₀₁
৩. তাড়াহুড় না করা যাবে না, বান্দা আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণকর যা ইচ্ছা তা চাইবে, কাকুতি মিনতি করবে। তবে দো‘আর ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া করবে না। নবী ﷺ বলেন, বান্দার দো‘আ ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দো‘আ করে। বান্দার দো‘আ ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা ফলাফল প্রাপ্তিতে তাড়াহুড়া করে।
জিজ্ঞেস করা হলো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাড়াহুড়া বলতে কী বুঝাচ্ছেন? তিনি বললেন, বান্দা বলে যে, আমি দো‘আ করেছি, আমি দো‘আ করেছি। কিন্তু আমার দো‘আ কবুল হতে দেখিনি। তখন সে ব্যক্তি উদ্যম হারিয়ে ফেলে এবং দো‘আ করা ছেড়ে দেয় ₀₂
৪. জীবিকা হালাল হতে হবে। ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহ. বলেন, হালাল খাওয়া, হালাল পান করা, হালাল পরিধান করা ও হালাল খেয়ে পরিপুষ্ট হওয়া দো‘আ কবুল হওয়ার শর্ত। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন, জনৈক ব্যক্তি দীর্ঘ সফর করে উষ্কখুষ্ক চুল নিয়ে ধুলিমলিন অবস্থায় দুই হাত আকাশের দিকে তুলে দো‘আ করে, ইয়া রবব, ইয়া রবব! অথচ তার খাদ্য হারাম, তার পানীয় হারাম, তার পোশাক হারাম, সে পরিপুষ্ট হয়েছে হারাম খেয়ে, তাহলে তার দো‘আ কিভাবে কবুল হবে? ₀₃
৫. দোয়ার মধ্যে পাপের কিছু না থাকা। যেমন, অভিনেতা অভিনেত্রীদের অভিনয়ে উন্নতির জন্য দুআ, চোরের চুরি করতে ধরা না পড়ার দুআ ইত্যাদি। আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া না হওয়া যেমনটি হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, বান্দার দোয়া ততক্ষণ পর্যন্ত কবুল করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বান্দা কোন পাপ নিয়ে কিংবা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা নিয়ে দোয়া করে ₀₄
৬. মনোযোগ সহকারে দোআ করতে হবে। দোয়াকালে দোয়াকারীর মনোযোগ থাকবে এবং যাঁর কাছে প্রার্থনা করা হচ্ছে তার মহত্ত্ব ও বড়ত্ব অন্তরে জাগ্রত রাখবে। নবী ﷺ বলেন, তোমরা জেনে রাখো, আল্লাহ কোন উদাসীন অন্তরের দোয়া কবুল করেন না ₀₅ ৭. সামর্থ্য থাকলে অন্যায় কাজের বিরোধীতা করতে হবে, নবী ﷺ বলেছেন, তোমরা অবশ্যই সৎকাজের আদেশ করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে অন্যথায় আল্লাহ তোমাদের প্রতি শাস্তি নাযিল করবেন অতঃপর তোমরা দুআ করবে কিন্তু তিনি তা কবুল করবেন না ₀₆ ৮. তিন ব্যক্তির দো‘আ কবুল হয় না, যে তার চরিত্রহীনা স্ত্রীকে তালাক দেয় না, যে ঋণ প্রদান করে সাক্ষী রাখে না এবং যে মূর্খ বা বুদ্ধিহীন ব্যক্তি অপচয়কারী এর হাতে অর্থ প্রদান করে ₀₇
দোয়া করার আদব সমূহ :
১. মুনাজাত বা নির্দিষ্ট কোন বিষয়ের উপর দোয়া করার ক্ষেত্রে পূর্বে আল্লাহর যথোপযুক্ত প্রশংসা করা। মুনাজাতের শুরুতে আল্লাহর জন্য প্রশংসা মূলক বাক্য বলা, যেমন : আলহামদুলিল্লাহ বা সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার, সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা ওয়া তা‘আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা- ইলা-হা গাইরুক ইত্যাদি।
এছাড়াও অন্যান্য প্রশংসা মূলক বাক্যও বলতে পারেন এরপর নবী ﷺ এর উপর দরুদ পড়া উচিৎ কারণ হাদীসে এসেছে, নবী ﷺ এর উপর দরূদ না পড়া পর্যন্ত প্রত্যেক দো‘আ আটকে থাকে অর্থাৎ কবুল হয় না ₀₈ একদল আলেমদের মতে সব ক্ষেত্রে দরুদ পড়া বাধ্যতামূলক না তবে দরুদ পড়লে দুআ কবুলের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
২. আল্লাহর সুন্দর নাম ও গুণাবলীর মাধ্যমে দোআ করা উচিৎ কারণ, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সুন্দর নাম সমূহ। সে নামেই তোমরা তাকে ডাক এবং তাঁর নাম সমূহে যারা বিকৃতি ঘটিয়েছে তাদেরকে তোমরা পরিত্যাগ কর ₀₉ ৩. ক্বিবলামুখী হয়ে দো‘আ করা উত্তম। রাসুলুল্লাহ ﷺ ক্বিবলামূখী হয়ে দুআ করেছেন মর্মে হাদীস বর্ণিত হয়েছে ₁₀
৪. দু’হাত উত্তোলন করে দো‘আ করা উত্তম। এ সময় হাতের তালু থাকবে আকাশের দিকে। যেভাবে একজন নতজানু দরিদ্র সাহায্যপ্রার্থী কিছু পাওয়ার আশায় হাত পাতে ₁₁ ৫. দৃঢ়তার সাথে দো‘আ করা, দৃঢ়তার সাথে আল্লাহর কাছে দো‘আ করতে হবে। অর্থাৎ আমি দো‘আ করলাম, আল্লাহ চাইলে কবুল করবেন, নচেৎ নয়। এরূপ মনে করে দো‘আ করা যাবে না। নবী ﷺ বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই এভাবে না বলে, হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ! আপনি যদি চান আমাকে দয়া করুন। বরং সে যেন দৃঢ়ভাবে চায়। কেননা আল্লাহর ওপর জবরদস্তি করার কেউ নেই ₁₂
৬. তিনবার করে দো‘আ করা, খুবই গুরুত্বপূর্ণ হলে দোআটি তিনবার উল্লেখ করা উত্তম। রাসুলুল্লাহ ﷺ দোআর একই বিষয়টি তিন-তিন বার পুনরাবৃত্তি করে আল্লাহর কাছে চেয়েছেন মর্মে হাদীস বর্ণিত হয়েছে ₁₃ ৭. নীরবে-নিভৃতে দোআ করা, নির্জনে ও নিভৃতে দো‘আ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা বিনীতভাবে ও গোপনে তোমাদের রবকে ডাকো, সুরা আরাফ। আল্লাহ তা‘আলা যাকারিয়া আ. এর প্রশংসা করে বলেন, যখন তিনি তার রবকে ডেকেছিলেন নিভৃতে ₁₄
তথ্য সুত্র :
₀₁▴ সুনান নাসাঈ ৩১৪৪ ₀₂▴ সহীহ বুখারী ৬৩৪০ মুসলিম ২৭৩৫ ₀₃▴ সহীহ মুসলিম ২২৩৬ ₀₄▴ তিরমিজি ৩৫৭৩ ₀₅▴ তিরমিজি ৩৪৭৯ সহিহুল জামে ২৪৫ ₀₆▴ তিরমিজি ২১৬৯ ₀₇▴ বায়হাক্বী, সিলসিলাতুছ ছহীহাহ ১৮০৫ ₀₈▴ ছহীহুল জামে ৪৩৯৯ ছহীহাহ ২০৩৫ ₀₉▴ সুরা আ‘রাফ ১৮০ ₁₀▴ সহীহ মুসলিম ৪৪৮০ ₁₁▴ আবু দাউদ ১৪৮৬ ₁₂▴ সহীহ বুখারী ৬৩৩৯ ₁₃▴ সহীহ বুখারী ২৪০ ₁₄▴ সুরা মারিয়াম ০৩ ~ লেখাটি বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং বই থেকে সংগৃহীত ও সম্পাদিত।
আল কুরআন ও সহীহ হাদিস
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from আল কুরআন ও সহীহ হাদিস, Educational consultant, Uttara, Dhaka.
আপনার কি কোনও মেয়েকে তালাক দেওয়া হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর দুই মেয়েকে তালাক দেওয়া হয়েছে।
--
আপনার কি জীবদ্দশায় আপনার কোনও সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবদ্দশায় তার সব সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে শুধু সাইয়্যিদা ফাতেমা [রা.] ছাড়া।
--
আপনার বা আপনার পরিবারের ইজ্জতের উপর কি মিথ্যা রটানো হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর স্ত্রী হযরত আয়েশা [রায.] এর ইজ্জতের উপর মিথ্যা রটানো হয়েছিল, সপ্তম আসমানের উপর হতে তার পবিত্রার ঘোষণা করা হয়েছে।
--
আপনি কি ঋণগ্রস্ত?
রাসুলুল্লাহ ﷺ মৃত্যুবরণ করেছেন অথচ ঋণের কারণে রাসূলের বল্লামটি ইহুদীর কাছে বন্ধকরূপে ছিল।
--
আপনার অবস্থা কি এতোটা নাজুক —একদিনের খাবার ব্যবস্থা করার মতো অর্থ নাই আপনার?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ঘরে মাসকে মাস অতিক্রম হয়েছে চুলায় রান্না করার মতো কিছু ছিল না।
--
আপনি কী পিতা-মাতার কাউকে হারিয়েছেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ বাবা-মা হারিয়ে এতিম অবস্থায় বড় হয়েছেন।
--
আপনাকে কি হত্যা করার প্লান করা হয়েছে?
ইহুদী মুশরিকরা রাসুলুল্লাহ ﷺ কে হত্যা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।
--
আপনার প্রতিবেশি কি আপনাকে কষ্ট দিয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে পুরো দেশ মিলে কষ্ট দিয়েছে। পরিশেষে চক্রান্ত করে নিজ দেশ থেকে বের করে দিয়েছে।
--
আপনাকে কি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে নিজ কওমের লোকেরা গালিগালাজ করেছে, সিজদাহ্ রত অবস্থায় উটের নোংরা ভূরি উপরে তুলে দিয়েছে।
--
আপনার উপর কি খাবারদাবার ও সামাজিক অবরোধ জারি করা হয়েছে?
রাসূল ﷺ ও তার পরিবারকে 'শিআবে' তিনবছর অবরোধ করে রাখা হয়েছে।
--
আপনাকে কি মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা হয়েছে?
রাসূল ﷺ কে তার কওম (জাতি) মিথ্যাপ্রতিপন্ন করেছে।
--
আপনার দাঁত কি ভেঙে ফেলা হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর 'রুবায়ী' দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে।
--
আপনাকে কি এমন কিছুর অপবাদ দেওয়া হয়েছে যেটা আপনি করেন নি?
রাসূল ﷺ কে যাদু ও পাগলামির অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
--
আপনি আল্লাহর ইবাদত করতে গিয়ে কতোটুকু কষ্ট করেছেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ দীর্ঘ সময় নামাজের ক্বিয়াম করার কারণে পা মোবারক ফুলিয়ে ফেলতেন।
আল্লাহুম্মা সাল্লি ও সাল্লিম বারিক আ'লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ ওয়ালা আ'লিহি ওয়া সাহবিহি আজমাঈন...
🟥প্রশ্ন:গিবত থেকে বাঁচার কোনো দুআ আছে কি?
⭕উত্তর : না, গিবত থেকে বাঁচার কোনো দোয়া নেই।
এটা থেকে বাঁচার একটাই উপায়, চুপ করে থাকা। গিবতে অংশগ্রহণ না করা।
অপ্রয়োজনীয় কথা না বলা।
যারা অপ্রয়োজনীয় কথা বলে, তারাই গিবত করে। অপ্রয়োজনীয় কথা না বলে চুপ থাকাই হলো গিবতের মহৌষধ।
আপনি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে পারেন যে, আল্লাহ আপনি আমাকে ক্ষমা করে দেন, গিবত থেকে আমাকে হেফাজত করুন।
আপনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত কথা বলবেন না, তাহলে দেখবেন, আপনি গিবত থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছেন।
*মৃত্যুর প্রস্তুতি নেওয়ার ধাপসমূহ:*
১) ঈমান ও আকিদা বিশুদ্ধ করা অর্থাৎ শিরক, কুফর ও বিদআত থেকে বেঁচে থাকা।
২) আমলে সলেহ করা অর্থাৎ এখলাস যুক্ত আমল এবং সুন্নত অনুযায়ী আমল করা।
৩) বেশি বেশি মৃত্যুকে স্মরণ করা এজন্য কবর জিয়ারত করা এবং জানাজায় অংশ নেওয়া।
৪) তওবায়ে নসুহা করা।
অর্থাৎ
👉তাওবাহ্ একমাত্র আল্লাহর জন্য হতে হবে এবং আল্লাহর কাছে করতে হবে;
👉গুনাহর কাজ করার জন্য অনুতপ্ত ও লজ্জিত হতে হবে;
👉যে গুনাহ হতে তাওবাহ্ করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করতে হবে;
👉ভবিষ্যতে এই গুনাহ আর না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করতে হবে;
👉নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাওবাহ্ করতে হবে;
👉মানুষের অধিকার তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে।
৫) কবর, হাশর এবং পুলসিরাতের বিষয়ে মনের মধ্যে সব সময় চিন্তা রাখা।
৬) সব কাজ আখেরাতমুখী করা অর্থাৎ শুধুমাত্র আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য করা।
৭) বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা।
01/09/2024
31/08/2024
হে আমাদের রব, আপনি হেদায়েত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।
সূরাঃ-আল-ইমরান
আয়াতঃ-০৮
রজব মাসের দু‘আ:
আল্লা-হুম্মা বারিক লানা ফী রজাবা ওয়া শা‘বা-ন, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।
যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যায়, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারীর ব্যবস্থা করে রাখেন। বুখারী -৬৬২
30/12/2023
আসুন সবাই চেষ্টা করি......
রাসুল (সা.)বলেছেন লজ্জাশীলতা ও অল্প কথা বলা ঈমানের দুটি শাখা আর অশ্লীলতা ও বাকপটুতা মুনাফিকির দুটি শাখা।
তিরমিজিঃ২০২৭
‘হে আমার প্রতিপালক! তুমি ক্ষমা কর ও দয়া কর, দয়ালুদের মধ্যে তুমিই তো শ্রেষ্ঠ দয়ালু।’
আল মুমিনূন-১১৮
যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক জীবিকা।
সূরা হাজ্জ্ব -৫০
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Uttara
Dhaka
1230