বনশ্রীতে মাদরাসা শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত ম র দে হ উদ্ধার, পা য়ু প থে অস্বাভাবিক চিহ্ন
Neuron Nursing Admission Information
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Neuron Nursing Admission Information, Education, Dhaka.
নিউরন নার্সিং কোচিং বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীদেরকে নার্সিং ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত করে। নিউরন নার্সিং কোচিং এর লক্ষ্য হলো নার্সিং শিক্ষার্থীদেরকে তাদের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করা। �নার্সিং (ডিপ্লোমা ও বিএসসি) ভর্তি প্রস্তুতি প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে....
�নার্সিং(বিএসসি) কোর্সের জন্য ভর্তি যোগ্যতাঃ SSC এবং HSC উত্তীর্ণ হতে হবে। SSC ও HSC সর্বমোট জিপিএ ৭.০০ থাকতে
20/05/2026
নাটোরের জেলখানা থেকে জামিনে বের হয়ে ঢাকা চলে আসে জাকির, সাথে স্ত্রী স্বপ্না। পেশায় রিকশা মেকানিক। উঠে পল্লবীর একটি বহুতল বাড়িতে।
জাকিরের চোখ পড়ে পাশের ফ্ল্যাটের আট বছর বয়সী এক শি 'শুর উপর।
রামিসা নামের ঐ শিশুটি বড় বোনের সাথে প্রতিদিন স্কুলে যায়। আজ সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় সিঁড়ি থেকে নিখোঁজ হয় রামিসা । শুরু হয় চারপাশে খুঁজাখুজি। উপরের ফ্ল্যাটের সামনে রামিসার জুতার একটি দেখতে পেয়ে ওর মা দরজায় নক করে। কিন্তু কোন সাড়াশব্দ নাই। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। কিন্তু কেউ খুলছে না। পুরো বাড়ির লোকজন জড়ো হয়। এক পর্যায়ে ৯৯৯ লাইনে কল করে পুলিশকে ডাকা হয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ভিতর ঢুকে ছোপ ছোপ র ' ক্ত দেখে। র :ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে খাটের নিচে মাথা বিহীন ছোট্ট একটা দেহ পায়। খ ন্ডিত মাথা পায় বাথরুমে। মায়ের সামনে মেয়ের দুই টুকরো শরীর, কি বি :ভৎস দৃশ্য।
পুলিশ জাকিরের বউ স্বপ্নাকে আটক করলে সে জানায় তার স্বামীর বি 'কৃত লালসার শিকার হয় রামিসা। ছোট্ট মেয়ের প্রচুর র :ক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে হ 'ত্যা করে। লা 'শ গু 'ম করতে মাথা আলাদা করে দুই জায়গায় ফেলে দেওয়ার প্ল্যান করে।
জাকির আবারো জামিনে বের হবে, কারন বাংলাদেশের ' ্ধ'
রাতের ভ্রমণে ১০টি সতর্কতা
বাদল সৈয়দ
সম্প্রতি আমাদের এক তরুণ সহকর্মী বুলেট বৈরাগী রাতে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। কুমিল্লা পৌঁছে সিএনজিতে বাড়ি যাওয়ার পথে তিনি ছিনতাইকারীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন।
এ ধরনের দুর্ভাগ্যজনক খবর আমরা প্রায়ই শুনি। সে প্রেক্ষিতে এই রাতে ভ্রমণের ব্যাপারে এই সতর্কতামূলক পোস্ট—
১) যথাসম্ভব ট্রেনে ভ্রমণ করুন। বাসের তুলনায় ট্রেন অপেক্ষাকৃত নিরাপদ।
২) একা ভ্রমণ না করাই ভালো। সম্ভব হলে সঙ্গে কাউকে রাখুন।
৩) নারী ও শিশু নিয়ে গভীর রাতে ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।
৪) কোথায় যাচ্ছেন, কোন গাড়িতে উঠেছেন, সিট নম্বর কত—এসব তথ্য এবং গাড়ির ছবি ও নম্বর বিশ্বস্ত কাউকে পাঠিয়ে রাখুন।
৫) শেয়ারের গাড়ি বা সিএনজিতে উঠবেন না। চালকসহ গাড়ির ছবি তুলে পরিচিত কারো কাছে পাঠিয়ে দিন। ড্রাইভার ছবি তুলতে আপত্তি করলে সেই গাড়িতে না ওঠাই ভালো। উবার বা রাইড শেয়ার ব্যবহার করলে গাড়ির নম্বর মিলিয়ে নিন।
৬) বিশ্বস্ত কারো সঙ্গে লাইভ লোকেশন শেয়ার করুন। চলতি পথে প্রকাশ্যে টাকা-পয়সা বের করা থেকে বিরত থাকুন।
৭) অপরিচিত কারো ব্যাগ বহন করবেন না। কার ব্যাগে কী আছে, আপনি জানেন না। সাহায্য করতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারেন। (এটি যেকোনো ভ্রমণের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য)
৮) অপরিচিত কারো দেওয়া খাবার বা পানি খাবেন না। ফোনে পর্যাপ্ত চার্জ আছে কি না, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হোন।
৯) ভোর হওয়ার আগে গন্তব্যে পৌঁছে গেলে রেলস্টেশন বা বাস কাউন্টারে অপেক্ষা করুন। লোকজন চলাচল শুরু হলে বের হন।
১০) উটকে নিরাপদে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো সেটিকে বেঁধে রাখা। তেমনি, রাতের ভ্রমণের ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সে সময় ভ্রমণ না করা।
বুলেট বৈরাগীর মা তাঁর অপেক্ষায় ছিলেন।
তাঁর স্ত্রী অপেক্ষায় ছিলেন।
তাঁর শিশুপুত্র বাবার অপেক্ষায় ছিল।
কিন্তু তিনি তাঁদের কাছে ফিরতে পারেননি।
একটি দুর্ঘটনার জের একদিন বা দুদিনে শেষ হয় না—যুগের পর যুগ এর ভার বইতে হয়। কখনো কখনো তা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎই ধ্বংস করে দেয়।
তাই, দয়া করে সাবধান হোন।
আমি আমার অনুজ সহকর্মীর আকস্মিক প্রয়ানে গভীর শোক প্রকাশ করছি।
ছবি: বুলেট বৈরাগী। প্রথম আলোর সৌজন্যে।
ইবোলার সংক্রমণ: বিশ্বে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করল ডব্লিউএইচও
বাংলাদেশের একমাত্র জেলা বগুড়া। যে জেলা ৩ বার রাজধানীর তকমা পেয়েছে। কিন্তু কেন???
★ প্রচীন বাংলাদেশের প্রথম রাজধানী বগুড়ার মহাস্থান।
★ সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী বগুড়া।
★ উত্তরবঙ্গের রাজধানী বগুড়া।
রংপুর রাজশাহী তে ১টি ক্যান্টনমেন্ট থাকলেও বগুড়ায় কেনো ২টি ক্যান্টনমেন্ট জানেন কি?
উত্তরটা লুকিয়ে আছে বগুড়ার অনন্য ভূ-রাজনৈতিক অবস্থানে।
পাকিস্তান আমল থেকেই একটি প্রবাদ চালু ছিল: "বগুড়া দখল মানে পুরো উত্তরবঙ্গ দখল।"
কারণটা খুব সহজ:
কৌশলগত অবস্থান: বগুড়াকে অবরুদ্ধ করলে উত্তরবঙ্গের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বগুড়া হচ্ছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার।
প্রতিরক্ষা কৌশল: রাজশাহী ও রংপুর বিভাগীয় শহর হলেও সামরিকভাবে বগুড়া অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরবঙ্গকে নিরাপদ রাখতে হলে বগুড়াকে রক্ষা করা অপরিহার্য। এই অপরিহার্য গুরুত্বের কারণেই এখানে দুইটি ক্যান্টনমেন্ট গড়ে তোলা হয়েছে, যা রাজশাহী বা রংপুরের চেয়েও বেশি সামরিক গুরুত্ব বহন করে।
অর্থনৈতিক শক্তি: অর্থনৈতিক দিক থেকেও বগুড়া উত্তরবঙ্গের অন্যতম শক্তিশালী কেন্দ্র।
বগুড়ার এই অপরিহার্য পরিচয় দেশের অনেকের কাছেই অজানা। আমাদের উচিত, উত্তরবঙ্গের এই "হৃৎপিণ্ড" এর প্রকৃত গুরুত্ব সবার সামনে প্রচার করা। বগুড়ার অবদানকে খাটো করে দেখার সুযোগ নেই। 🇧🇩
নতুন করারোপের পরিকল্পনা এনবিআরের:-
১৬৫ সিসির মোটরসাইকেল থাকলেই বছরে গুনতে হবে ১০ হাজার টাকা
টাকার জন্য ভর্তি হতে পারোনি এমন এক জন এর জন্য সুবর্ণ সুযোগ। চাইলে ফরিদপুরে B.Sc in Nursing এ সম্পূর্ণ ফ্রি স্কোলারশিপ এ ভর্তি হতে পারবা।এমন কেউ থাকলে Farid Matubber, Sir এর সাথে যোগাযোগ করতে পারো।
10/05/2026
বসুন্ধরার অত্যাচার দেখে নেন কেন সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হতে চায় না?? বসুন্ধরায় বাড়ি একজন আইনজীবী বন্ধুর আমার কাছে পাঠানো তথ্য।
বসুন্ধরার মত বাটপাড় চাদাবাজ সারা দেশে দ্বিতীয়টি নেই। এটাকে দেশের ভিতরে আরেকটা দেশ বলা যায়।
যার প্রধান কার্যালয় এবিজি টাওয়ার, যার পুরোটাই চাদাবাজির আখড়া।
আপনি এখান থেকে আপনার মালামাল বের করবেন, তার অনুমতি লাগবে,
নিজের মালামাল ঢুকাবেন , তার অনুমতি লাগিবে।
আপনি আপনার প্লট বেচবেন, কাঠা প্রতি ৫ লাখ তাকে দিতে হবে,
আপনি নিজের জমি নিজে ডেভেলপমেন্ট করবেন, কাঠাপ্রতি ৫ লাখ তাদের দিতে হবে,
আপনার জমি কোন কোম্পানিকে ডেভেলপমেন্ট করতে দিবেন, কাঠাপ্রতি ১০ লাখ ঐ কোম্পানি থেকে চাদা নিবে।
আপনি আপনার ল্যান্ডের মাটি কাটবেন?
তাদের নির্ধারিত লোককেই এই কাজ দিতে হবে, মার্কেট রেট আছে ৬ টাকা তাদের লোককে দিতে হবে ১৮ টাকা। আপনার ল্যান্ডের মাটি আবার তাদের নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে হবে, বসুন্ধরার বাহিরেও নেওয়া যাবে না। ট্রাক ভাড়াও আপনাকে বহন করতে হবে।
আপনার রাবিশ ফেলবেন তাদের লোকদের দিয়েই ফেলতে হবে। ২০০০/- প্রতি ট্রাক। ট্রাক ড্রাইভারদের আবার ঘুস না দিলে তারা আপনার রাবিশ নিবে না।
আপনি রেডিমিক্স ডালাই করবেন? তাদের রেডিমিক্স নিতে হবে, মার্কেট রেট ৩৪০/- তাদের রেট ৩৯০/-
আবার বাহিরে থেকে কিনলে রাত ১২ টার পর ট্রাক ঢুকাইতে পারবেন, সকাল ৬ টার আগেই ডালাই করতে না পারলে আর ঢালাই করতে দিবে না, অথচ তাদের থেকে নিলে ২৪ ঘন্টা ডালাই করতে পারবেন।
আপনি পাইল করবেন? তাদের লোককে দিতে হবে, মার্কেট রেট ১৫০ তারা নিবে ২৫০।
আপনি রাজউক অনুমোদন নিয়ে বিল্ডিং করতে পারবেন না, সেটা আবার তাদের কথিত ইঞ্জিনিয়ার থেকে অনুমোদন করিয়ে কাটসাট করিয়ে তারপর করতে পারবেন।
আপনি কোন গেট টুগেদার বা বিয়ে শাদির অনুষ্ঠান করতে পারবেন না, তাদের কমিউনিটি সেন্টারে করতে হবে। বা বসুন্ধরার বাহিরে করতে হবে।
নিজ বিল্ডিং এ ছোটখাটো জন্মদিন অনুষ্ঠান করতে চাইলেও তাদের কাছে লিখিত অনুমোদন নিতে হবে।
আপনি ময়লা বিল দিবেন? তাদের নির্ধারিত লোককেই দিতে হবে, মাসে ৫০০/-
আপনার গ্যাস সিলিন্ডার লাগবে?
বসুন্ধরার গ্যাস সিলিন্ডারই নিতে হবে। যদি সাপ্লাই নাও থাকে তাহলে উপোস থেকে মরে যাবেন, বাহিরে থেকে অন্য কোম্পানি আনতে পারবেন না।
আপনার ডিশ ইন্টারনেট লাগবে?
তাদের নির্ধারিত কোম্পানি থেকে নিতে হবে। আবার রেট বেশী, সার্ভিস স্লো।
আপনি রাতে জরুরী ১০০ ফিট মাদানি রোডে দিয়ে যাবেন।
তারা যাইতে দিবে না। গেট বন্ধ।
৩০০ ফিট দিতে ঘুরে যাইতে হবে, তাও আবার আগাখান রোড দিয়ে। অন্য গেটও বন্ধ।
নর্থ সাউথ, এআইইউবি ভার্সিটির সড়ক ইচ্ছাকৃত ভাবে তারা নিয়ন্ত্রণ করে, বন্ধ করে। অথচ নর্থসাউথের যমুনার দিকে গেট খুলে দিলে এই এলাকার ৮০% যানজট কমে যায়।
নামে বেনামে আপনার কর্মচারীদের তারা ধরে নিয়ে যায়, আটক রাখে। আপনার লোকদের ও আপনাকে তারা হয়রানি করে। মনে হবে এক নরকের পাহারাদারের অধিনে আছেন।
এরকম আরও ১০০ টা ফিরিস্তি দিতে পারবো।
এবার বলেন কেনো আপনি দেশের ভিতরে আরেকটা দেশে থাকবেন? কেনো আপনি সিটিকরপোরেশনের বাহিরে থাকবেন?
দ্বিমত থাকলে আপনার সুবিধা অসুবিধা নিয়ে যুক্তিযুক্ত মন্তব্য করেন, বসুন্ধরার দালালি কইরেন না।
Copy adv
থ্যালাসেমিয়া একটি জটিল বংশগত রক্তরোগ, যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে, পিতা-মাতা উভয়েই থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক হলে তাঁদের সন্তানের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধি, সময়োপযোগী পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
এবারের থ্যালাসেমিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, 'আর আড়াল নয়: রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি'।
বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ দিবসটি থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রতিরোধ এবং আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।
বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহক বলে ধারণা করা হয়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সরকার 'প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম' এই নীতি অবলম্বন করেছে। থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধে এই নীতি সবচেয়ে বেশি কার্যকর।
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার একটি জনমুখী ও আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রোগীর স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য নিয়ে সরকার নাগরিকদের জন্য 'ই-হেলথ কার্ড' চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।
'ই-হেলথ কার্ড' চালু হয়ে গেলে এই কার্ডের মাধ্যমেই নাগরিকগণ নিজেদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জানতে সক্ষম হবেন। একইসঙ্গে একজন রোগী গ্রাম কিংবা শহর, যেখানেই চিকিৎসা গ্রহণ করুন না কেন, 'ই-হেলথ কার্ড'-এর মাধ্যমে চিকিৎসক সংশ্লিষ্ট রোগীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য-তথ্য দ্রুত জানতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ বলছেন, দুইজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক না হলে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার হয় না। সুতরাং, থ্যালাসেমিয়ার মতো দুরারোগ্য রক্ত রোগ প্রতিরোধে, বিশেষ করে থ্যালাসেমিয়ার জিন-বাহকদের মধ্যে বিবাহের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্র- সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আমি সরকারের পাশাপাশি সকল পেশাজীবী, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গণমাধ্যম, অভিভাবক এবং সচেতন নাগরিক সমাজকে এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির আহ্বান জানাচ্ছি।
আমি বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
c মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ।
শুভেন্দু কে বলছি, বাংলাদেশ একটা স্বাধীন রাষ্ট্র। গুজরাটি কিংবা বোম্বের মানুষের কাছে সব সময় নিষ্পেষিত পশ্চিম বঙ্গের বাঙ্গালী সেই স্বাধীনতার স্বাদ কোনদিন পায় নাই, পাবেও না।মোহাম্মদ আলী জিন্নাকে ধন্যবাদ তিনি বাংলাদেশের মানুষকে শুভেন্দুদের হাত থেকে বাঁচিয়ে গিয়েছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Dhaka
6271