Ssc-2001 Batch

Ssc-2001 Batch

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ssc-2001 Batch, Education, Dhaka.

30/08/2024

মহান ব্যক্তিদের জীবনের কিছু মজার ঘটনা ।

☀️ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের আর্থিক অনটনের সময় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ওনাকে আর্থিক সাহায্য করতেন।
একদিন এক মাতাল বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কাছে সাহায্য চাইতে এলে বিদ্যাসাগর বললেন, "আমি কোন মাতালকে সাহায্য করি না।"
কিন্তু আপনি যে মধুসুদনকে সাহায্য করেন তিনিও তো মদ খান - মাতালের উত্তর।
তখন বিদ্যাসাগর উত্তর দেন, "ঠিক আছে আমিও তোমাকে মধুসূদনের মত সাহায্য করতে রাজী আছি তবে তুমি তার আগে একটি “মেঘনাদ বধ” কাব্য লিখে আন।"

☀️অনেক বছর আগের কথা। সে সময় আমেরিকান ট্রেনগুলো বেশ ধীরগতিতে চলত। লেট করত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সকাল ৮টার ট্রেন রাত ৮টায় আসবে কি না সে বিষয়ে সবাই থাকত সন্দিহান।
এমনই এক সময়ে বিখ্যাত রম্যসাহিত্যিক মার্ক টোয়েন একবার কোথাও যাওয়ার জন্য ট্রেনে চেপে বসে ছিলেন।
কিছুক্ষণ পর কামরায় উঠল টিকিট চেকার। মার্ক টোয়েন গম্ভীর মুখে চেকারের দিকে একটা 'হাফ টিকিট' বাড়িয়ে দিলেন। বুড়ো মানুষের হাতে 'হাফ টিকিট' দেখে টিকিট চেকার অবাক! তাঁর প্রশ্ন, 'কী মশাই, আপনি হাফ টিকিট কেটেছেন কেন? গোঁফ, মাথার চুল সবই তো সাদা। আপনি কি জানেন না চৌদ্দ বছরের বেশি হলে আর হাফ টিকিট চলে না?'
মার্ক টোয়েনের সোজা জবাব, "যখন ট্রেনে চড়েছিলাম, তখন তো বয়স চৌদ্দই ছিল। কে জানত, ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছতে এত লেট করবে!"

☀️‘পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘুরছে’ সে সম্পর্কে একবার বক্তৃতা করছিলেন বারট্রান্ড রাসেল। বক্তৃতার মাঝখানে এক বৃদ্ধলোক দাঁড়িয়ে রাসেলের কথার প্রতিবাদ করে বললেন, "ওহে তরুণ তুমি বেশ বুদ্ধিমান এতে কারো সন্দেহ নেই। তবে পৃথিবী যে চ্যাপ্টা আর তা কচ্ছপের পিঠে করে বয়ে বেড়াচ্ছে তা মনে করেছ আমরা জানিনা!"
রাসেল বৃদ্ধের কথা শুনে অবাক হলেন। প্রশ্ন করলেন, "ঠিক আছে, তাহলে আপনি এবার বলুন, ওই কচ্ছপটা কিসের ওপর দাঁড়িয়ে আছে?"
বৃদ্ধ একটু ঘাবড়ে গিয়ে বললেন, "হুঁ, আমি তোমাকে বলে দিই আর তুমি তা শিখে ফেল আর
কী! সেটা হতে দেবনা।"

☀️শান্তিনিকেতনের অধ্যাপক নেপাল রায়কে
রবীন্দ্রনাথ একবার লিখে পাঠালেন, "আজকাল আপনি কাজে অত্যন্ত ভুল করছেন। এটা খুবই গর্হিত অপরাধ।
এজন্য কাল বিকেলে আমার এখানে এসে আপনাকে দণ্ড নিতে হবে।"
চিন্তিত, শঙ্কিত নেপালবাবু পরদিন শশব্যস্ত হয়ে কবির কাছে উপস্থিত হলেন। আগের রাতে দুশ্চিন্তায় তিনি ঘুমাতে পারেননি। এখনো তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ উৎকণ্ঠার মধ্যেই বসিয়ে রেখেছেন কবিগুরু।
অবশেষে পাশের ঘর থেকে একটি মোটা লাঠি হাতে আবির্ভূত হলেন কবি।
নেপালবাবুর তখন ভয়ে কাণ্ডজ্ঞান লুপ্তপ্রায়।
তিনি ভাবলেন, সত্যি বুঝি লাঠি তাঁর মাথায়
পড়বে। কবি সেটি বাড়িয়ে ধরে বললেন, "এই নিন আপনার দণ্ড! সেদিন যে এখানে ফেলে গেছেন, তা একদম ভুলে গেছেন তো?"

☀️টমাস আলভা অ্যাডিসনের গ্রামোফোন আবিষ্কার উপলক্ষে এক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
এক তরুণী তাঁর বক্তৃতায় অ্যাডিসনকে অযথাই আক্রমন করে বসল, "কী এক ঘোড়ার ডিমের যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন, সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেই থাকে। আর তাই নিয়ে এত মাতামাতি! ইতিহাস আপনাকে ক্ষমা করবে না…।"
তরুণী বলেই যাচ্ছে, থামার কোনো লক্ষণ নেই।
অ্যাডিসন চুপ করে শুনে গেলেন। পরে বক্তৃতা দিতে উঠে তিনি বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনি ভুল করছেন। আসলে সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করার যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন ঈশ্বর। আমি যেটা আবিষ্কার করেছি সেটি ইচ্ছেমতো থামানো যায়।"

28/08/2024

একবার সম্রাট আকবর এক রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি সম্রাটকে গালিগালাজ করছিল। রক্ষীরা তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। পরদিন তাকে সম্রাটের সামনে আনা হলো। সম্রাট জিজ্ঞেস করলো, "তুমি আমাকে গালিগালাজ করছিলে কেন? লোকটি উত্তর দিলো, "আমি তো আপনাকে গালি দিইনি”। সম্রাট বললেন, "আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম, নিজ কানে শুনেছি।" সম্রাটের এ কথা শুনে, লোকটি বললো, "হয়তো আপনি উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু আমি উপস্থিত ছিলাম না। কারণ আমি তখন মদপান করে মাতাল ছিলাম।"

মদপান করলে, মানুষ হুঁশ বা চেতনা হারিয়ে ফেলে। রাগান্বিত অবস্থায়ও মানুষ তার হুঁশ হারিয়ে ফেলে। এই "অচেতনতাকে" কেবল চেতনা দ্বারাই দূর করা যায়।

“ক্রোধ ও অহংকার কে পায়ের তলায় নিয়ে এসো। এগুলোকে "মই” এ রূপান্তর করো এবং উচ্চতায় উঠে যাও"।

মাওলানা রুমী (রহ.)।

"ক্রোধ ও অহংকার"কে যখন আপনি পায়ের তলায় পিষে ফেলবেন, তখন আপনি হয়ে যাবেন "শান্ত ও কোমল"। আর একটি প্রশান্ত আত্মাই কেবল পরমাত্মার প্রেম ধারণে সক্ষম।

কোনো এক উর্দু শায়ের চমৎকার বলছেন,

"আতা হ্যায় গুস্সা জব,

ম্যায় দেখতাহু মুজকো

আয়নে মে। ইতনা মাজবুর ম্যায় কিউ হুঁ, কি আপকো বাসা নেহি সাকতি আপনে দ্বীল মে!!"
"যখন ক্রোধ আসে, নিজেকে তখন আয়নায় দেখি আর নিজেকে প্রশ্ন করি, আমি এতটা অক্ষম কেন যে, তোমার 'প্রেম' হৃদয়ে স্থান দিতে পারিনি!!" যখন কেউ রাগ করে, তখন তার শরীরের গ্রন্থিগুলো বিষ ছড়িয়ে দেয়। ফলে সমগ্র রক্ত তখন "ক্রোধের" বিষে বিষাক্ত হয়ে যায়। তখন আপনি যা করেন, তা বেহুঁশি অবস্থাতেই করেন।

28/08/2024

একবার এক সম্রাট তার প্রধান ওজির বাছাই করতে চাইলেন। সারা রাজ্য থেকে তিনজন জ্ঞানী ব্যক্তিকে নির্বাচিত করা হলো। কিন্তু সম্রাটের প্রয়োজন একজন। তিনি এই তিনজন থেকে সবচেয়ে জ্ঞানী লোকটিকে বেছে নিতে একটি চমৎকার পদ্ধতি গ্রহণ করলেন। তিনি তিনজনকে একটি কামরায় রেখে, বাইরে থেকে দরজা লাগিয়ে দিলেন। তাদের প্রত্যেককে একটি করে বই দেয়া হলো। বলা হলো, এই বইয়ে বলা আছে, কীভাবে দরজা খোলা যাবে। তিনজনের মধ্যে যে সকালে প্রথম বেরিয়ে আসতে পারবে, তাকেই ওজির নিয়োগ দেয়া হবে। দুজন বই নিয়ে পড়তে শুরু করে দিয়েছে। তৃতীয়জন, আরাম করে ঘুমাচ্ছে। ভোর পর্যন্ত, প্রথম দুজন বইটি তন্ন তন্ন করে পড়েও দরজা খোলার কোন সূত্র পেলো না। তৃতীয়জন ঘুম থেকে উঠেই সুন্দর করে দরজা খুলে বেরিয়ে যায়। যারা বই পড়ে দরজা খোলার সূত্র খুঁজছিল, তারা জিজ্ঞেস করলো, কীভাবে খুললে? তৃতীয় লোকটি উত্তর দিল 'দরজা তো খোলা-ই ছিল, ভেজানো ছিল মাত্র'। তুমি, 'দরজা খোলা নাকি তালা মারা', সেটা না দেখেই বই নিয়ে বসে গেছ। সম্রাট, তৃতীয়জনকেই ওজির নিযুক্ত করলেন।

জীবন এক লীলা এবং জীবন এখানে সদা বর্তমান। কিন্তু আপনি পড়ে আছেন অতীত ও ভবিষ্যতে। জীবনকে লীলা হিসেবে গ্রহণ করলে জীবন হয়ে উঠে রঙিন। এমন নয় যে, "জীবন লীলা নয়," কিন্তু আমি আপনাকে বাধ্য করছি লীলা হিসাবে গ্রহণ করতে! জীবন লীলা-ই আপনি মানলেও, না
মানলেও। "জীবন লীলা" এ কথার অর্থ হলো, প্রভু যেভাবে চালাচ্ছেন, সেভাবেই চলা। প্রভুর ইচ্ছার অনুকূলে চলা। প্রভুর ছন্দের সাথে তাল মিলিয়ে চলা। তিনি সুখ দিচ্ছেন, সেটাও অকপটে, আনন্দ চিত্তে মেনে নাও। নিজেকে নিজের মধ্যে না রেখে, তার হাতের পুতুল হয়ে যাওয়া-ই প্রেমের ধর্ম।

যখন আপনি কোনো প্রয়োজনে কিছু করেন, সেটা আর লীলা নয়। লীলা অর্থ "কোনো ফল লাভের আশা ছাড়া যা করা হয়, সেটাই লীলা"। ছোট শিশু, ধুলোবালি দিয়ে ঘর বানায়, খেলা করে। এটাতে তার কোনো অভীষ্ট (Purpose) নেই। সুতরাং এটা তার লীলা হয়ে গেছে। জীবনের প্রতিটি কর্মই যদি লীলা হিসেবে গ্রহণ করা যায়, তখন সেখানে শিশুর মতোই অনাবিল আনন্দ লাভ হয়। এটাকেই "গীতায়" নিস্কাম কর্ম" বলা হয়েছে।

আপনি যা করেন সবই ফল লাভের আশায় বা প্রয়োজনে করেন। আপনি বেঁচে আছেন ভোগের প্রয়োজনে। বিয়ে করেন সন্তানের প্রয়োজনে। খাদ্য গ্রহণ করেন। স্বাদ নেবার প্রয়োজনে। ইবাদত করেন বেহেশতের প্রয়োজনে এমনকি আপনি ফানাফিল্লাহ/ নির্বাণ/ মোক্ষ চান, অশান্তি থেকে মুক্তির প্রয়োজনে। আপনার ভালো মন্দ প্রতিটি কর্মের পেছনে প্রয়োজন লুকানো।

তাই জীবন হয়ে গেছে কঠোর। তাই আপনার জীবনে আনন্দের ফুল ফোটে না।

28/08/2024

এক জমিদার সাহেব মক্কা, মদিনা ঘুরে এলেন। গর্বের সঙ্গে সবাইকে জানালেন যে, তিনি এই পুণ্যযাত্রা থেকে "ক্রোধ" ত্যাগ করে এসেছেন। সবাই ধন্য ধন্য করতে লাগলো। বন্ধুরা এলেন শুভেচ্ছা জানাতে। এমন সময় বাড়ির চাকর জাহাঙ্গীর চা দিতে দিতে জিজ্ঞেস করলো হুজুর - এই পুণ্য যাত্রায় আপনি কী ত্যাগ করে এসেছেন? কোমল কণ্ঠে জমিদার উত্তর দিল, "ক্রোধ"। একটু পর জাহাঙ্গীর আবার এলো। জিজ্ঞেস করলো, হুজুর, কী যেন ত্যাগ করে এসেছেন? জমিদার কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বললো, "ক্রোধ"। ঘণ্টা খানেক পরে জাহাঙ্গীর খানা দিতে দিতে আবার সেই প্রশ্নটি করলো। জমিদার গর্জে উঠে বললেন, "তুই কি কানে কম শুনিস?" একবার তো বলেছি "ক্রোধ" ত্যাগ করে এসেছি। জাহাঙ্গীর সন্ধ্যাকালে জমিদারের কাছে আসতে দেখেই, জমিদার রাগে গজগজ করতে করতে বললেন, "কুত্তার বাচ্ছা, আবার যদি জিজ্ঞেস করিস, কী ত্যাগ করে এসেছি, তাহলে তোকে খুন করেই ফেলবো"। জাহাঙ্গীর যেতে যেতে হাসছে আর বলছে, হুজুর আর জিজ্ঞেস করবো না।

যখনি আপনার মনে রাগ উঠে, আপনি তাকে দেখুন। যেভাবে আকাশে মেঘ জমা হয়। রাগের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেবার দরকার নেই। আপনি শুধু সজাগ থাকুন, হুঁশে থাকুন, (Be Conscious)। তখন দেখবেন "ক্রোধ" বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আলোতে যেভাবে অন্ধকার বিলীন হয়ে যায়, তেমনি হুঁশ বা সচেতন অবস্থায় ক্রোধ বিলীন হয়ে যায়।

10/04/2024

সকলকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা
ঈদ মোবারক l

26/11/2023
28/06/2023

Eid mubarok everyone

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka
১২১৭