Online Learning -অনলাইন লার্নিং

Online Learning -অনলাইন লার্নিং

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Online Learning -অনলাইন লার্নিং, Tutor/Teacher, Dhaka.

20/12/2024
20/12/2024
Photos from Online Learning -অনলাইন লার্নিং's post 16/12/2024

লজ্জাবতী গাছ

লজ্জাবতীর বোটানিক্যাল নাম মিমোসা পুডিকা। গাছটির নাম লজ্জাবতী হলেও অনেকের কাছে এটি লাজবন্তী গাছ নামেও পরিচিত। লজ্জাবতী গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ, স্পর্শকাতর লতাবিশেষ। দেখতে একধরনের কাঁটাযুক্ত উদ্ভিদ বা আগাছার মত । আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এর নানামুখী উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে।

লজ্জাবতী গাছের কেন এত লজ্জা?

ভূপেন্দ্রনাথ সান্যালের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই থেকে জানা যায়, লজ্জাবতী গাছের পাতার গোড়া পানি ও খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ থাকে। এ অবস্থায় পাতা কেউ ছুঁয়ে দিলে সেটি সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে। কারণ স্পর্শ থেকে গাছে এক ধরনের তড়িৎ প্রবাহ ছড়িয়ে পড়ে। এ তড়িৎ প্রবাহের কারণে পাতার গোড়ায় থাকা পানি ও খনিজ বের হয়ে আসে।

ভূপেন্দ্রনাথ সান্যালের উদ্ভিদবিজ্ঞান বই থেকে আরও জানা যায়, পাতার গোড়া থেকে পানি ও খনিজ বের হয়ে আসার কারণে লজ্জাবতীর কাণ্ড বা শাখাগুলো আর সোজা থাকতে পারে না। যে কারণে নুয়ে পড়ে। যে কারণে মানুষ মনে করে, লজ্জাবতী গাছ ভীষণ লাজুক।

লজ্জাবতী গাছের ঔষধি গুনাবলী

তবে আপনি জানেন কি লজ্জাবতী গাছ শুধু লাজুকই নয়, এতে লুকিয়ে রয়েছে হাজারো গুণের রহস্য। আসুন জেনে নিই এ গাছের নানা রহস্যময়ী গুণ সম্পর্কে

 বায়ুমন্ডলে নাইট্রোজেন ফিক্স করে যার ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়।
 পাহাড়ি অঞ্চলে মাটির কাভার প্যাড হিসেবে মাটির ক্ষয় বা ইরোশন রোধ করে।
 দাঁত ও মাড়ির ক্ষত সাড়াতে লজ্জাবতী গাছের পাতা ও মূল পরিষ্কার করে পানিতে ১৫ মিনিট সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁত ও মাড়ির ক্ষত দূর হবে।
 ডায়রিয়া, আমাশয় রোগে এ গাছের শিকড় বেটে গুড়ো করে খাওয়া হয়।
 কফ দূর করতে
 নাক ও কান থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে
 যেকোনো প্রদাহ, জ্বালাপোড়া, আলসার, কুষ্ঠ কিংবা যৌন রোগ থেকে মুক্তি পেতে লজ্জাবতী গাছের ব্যবহার করা হয়।
 শ্বাসকষ্ট, আলসার, অর্শ বা পাইলস, পেট ফাঁপা, বদহজম ও যেকোনো ক্ষত সারাতে এ গাছের রস খুব কার্যকর।

14/12/2024

মাথায় টাক আছে বলেই বাংলার মানুষ আদিকাল থেকে এ পাখিকে মদনটাক বলে আসছে। অতিকায় এ পাখির পুচ্ছ ও ডানায় বৈঠার মতো বড় বড় পালক থাকলেও মাথা প্রায় পালকহীন। বরগুনার আমতলীসহ দক্ষিনাঞ্চলে মদনটাক পাখি এখন আর দেখা যায় না। অপ্রতুল বাসস্থান, জলবায়ুর পরিবর্তন, ইকোসিস্টেম ও ফুড চেইনে সমস্যা হওয়ায় এদের অস্তিত্ব আজ বিলুপ্তির পথে।
বড় নদ-নদী ও সুন্দরবনে কদাচিৎ দেখা মেলে। এ দেশে টিকে থাকা পাখিগুলোর মধ্যে এ পাখিই সবচেয়ে বড়। এটি জলচর পাখি হিসেবেও পরিচিত। প্রাপ্তবয়স্ক মদনটাকের পিঠ উজ্জ্বল কালো। শরীর সাদা বর্ণের। ডানার গোড়ায় কালো রং থাকে। পালকহীন মুখের চামড়া ও ঘাড় লালচে। গলা হলদে বা লালচে। চোখ সাদা কিংবা ধূসর। পা লম্বা। পায়ের পাতা, নখর ও পা সবুজে ধূসর থেকে কালো।

13/12/2024
13/12/2024
Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Dhaka

Opening Hours

Monday 17:15 - 00:00
Tuesday 17:15 - 00:00
Wednesday 17:15 - 00:00
Thursday 17:15 - 00:00
Friday 17:15 - 00:00
Saturday 17:15 - 00:00
Sunday 17:15 - 00:00