11/03/2021
English Proficiency Certificate (EPC)
চায়নাতে পড়াশোনার জন্য যারা আবেদন করেন তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মধ্যে যে বিষয়টি খুবই জরুরি সেটি হলো ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেট। যে কোনো দেশে পড়াশোনার জন্য আবেদনের সময় এই সার্টিফিকেট শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেরণ করতে হয়। স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য এই সার্টিফিকেটের গুরুত্ব অনেক । আসুন আমরা এক নজরে দেখে ফেলি এই সার্টিফিকেটের আদি-অন্ত।
English Proficiency Certificate (EPC) আসলে কী?
ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি টেস্ট হলো ইংরেজি ভাষায় একজন শিক্ষার্থী কতটা দক্ষ সেটি যাচাই করা। যারা মাতৃভাষা হিসেবে ইংরেজি শিখে নি, এই ভাষায় তাদের দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য এমন একটি সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা। যেহেতু বিদেশে তাদের পড়শোনার মাধ্যম হবে ইংরেজি, এজন্য শিক্ষার্থীর এই দক্ষতাটুকু অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়।
ইংরেজি ভাষার দক্ষতাকে আমরা ৪ ভাগে ভাগ করতে পারি
1- Poor
2- Fair
3- Good
4- Excellent
এই লেভেলগুলো সাধারণত ইংরেজি বিভিন্ন টেস্টে যেমন IELTS, TOEFL, DUOLINGO এর মাধ্যমে নির্নয় করা হয়ে থাকে।বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ এর জন্য এসব সার্টিফিকেট সাবমিট করা প্রয়োজন হয়ে থাকে।
IELTS: সর্বাধিক প্রচলিত টেস্টঃ
ব্রিটিশ ধাঁচে কেম্ব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় কতৃক গৃহীত এই টেস্টটি সারাবিশ্বে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সির জন্য। পূর্ণরূপে বললে এই নামের পরিচয় দাঁড়ায় International English Language Testing System. সংক্ষেপে একে IELTS বলে। এই টেস্টটি প্রদান করার পর প্রাপ্ত ব্যান্ড স্কোর দিয়ে একজন শিক্ষার্থী সারাবিশ্বে নামিদামি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারবে। ০-৯ পর্যন্ত ব্যান্ড রয়েছে এখানে। সাধারণত যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বাইরে যেতে চান, তারা ৬ ব্যান্ড স্কোর থেকে নিজের কাঙ্খিত যোগ্যতা পরিমাপ শুরু করেন। যারা ৭ কিংবা ৭.৫ কিংবা ৮ স্কোর করতে পারেন, তারা বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মনোনীত হয়ে থাকেন।
ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেটের জন্য এই টেস্ট সারাবিশ্বে সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ও গৃহীত।
এই টেস্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ দুই থেকে তিন মাস লাগে। প্রায়ই অধিকাংশ শহরেই IELTS প্রিপারেশনের জন্য কোচিং সেন্টারগুলো ক্লাস নিয়ে থাকে। তবে নিজে ঘরে বসেই আপনি সহজে প্রিপারেশন নিতে পারবেন এই টেস্টের জন্য
বিশেষত যারা অনার্স /মাস্টার্সের জন্য চায়না বা অন্য কোথাও আবেদন করতে চান, তারা IELTS স্কোর ন্যূনতম ৬.৫ অর্জনের চেষ্টা করবেন। এতে করে স্কলারশিপ প্রাপ্তির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
TOEFL: IELTS সমমানের একটি পরীক্ষা
TOEFL এর পূর্নরুপ Test of English as a Foreign Language। যে সকল শিক্ষার্থী আয়েল্টস এক্সাম না দিয়ে অন্য কোনো মাধ্যমে টেস্ট দিতে চান, তারা সেক্ষেত্রে টোফেল টেস্টের কথা ভাবতে পারেন। আমেরিকান ইউনিভার্সিটিগুলো IELTS এর পরিবর্তে TOEFL টেস্ট প্রেফার করে। চাইনিজ ইউনিভার্সিটিগুলোতেও আপনি এই টেস্টের স্কোর দিয়ে এপ্লাই করতে পারবেন। টোফেল টেস্টে 80-101 এই রেঞ্জের রেজাল্ট করতে পারলে সহজেই চাইনিজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্কলারশিপ পাবেন
DuoLINGO TEST: IELTS/TOEFL অল্টারনেটিভ
বর্তমানে কোভিড মহামারির সময় থেকে শিক্ষার্থীদের বাইরে চলাফেরা বেশ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঠিক এই সময়ে এই টেস্টটি অত্যন্ত জনপ্রিয়তা লাভ করে। স্বল্পসময়ে গৃহীত অনলাইন নির্ভর এই টেস্টটি এখন সারাবিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় এই টেস্টের ফলাফল এখন গ্রহনও করছে। ফলে শিক্ষার্থীরা যারা দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি ও ইকোওমিক দিকগুলো খেয়াল করচেন, তারা নির্দ্বিধায় এই টেস্ট টি দিতে পারেন। ঘরে বসে খুব স্বল্প খরচে টেস্ট দিয়ে মাত্র তিন দিনে ফলাফল পাওয়া যায়।
কোথায় (EPC) টেস্ট করা যায়ঃ
যারা ইপিসি টেস্ট দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে চান, তাদেরকে দেশের কোনো একটি প্রসিদ্ধ সেন্টারে ভর্তি হয়ে নির্দিষ্ট মেয়াদে প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হবে। সাধারণত কয়েক মাসব্যাপী হয়ে থাকে এই প্রশিক্ষণ। এরপর শিক্ষার্থীর যোগ্যতার লেভেল অনুযায়ী তারা একটি ইপিসি সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। এতে খরচ পড়ে ৫-৮ হাজার টাকা।
প্রতিষ্ঠান হিসেবে সাইফুরস, মেন্টরস, এফ এম মেথড, ব্রিটিশ কাউন্সিল, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রসিদ্ধ। এগুলোর কোনো একটিতে আপনারা এই প্রশিক্ষণ নিতে পারেন।
যাদের ইংলিশ টেস্ট দেওয়ার সুযোগ নেই, তারা কী করবেঃ
অনেকেই আছেন যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেই বিদেশে আবেদন করতে চান, অথবা আবেদনের তারিখ শেষের পথে থাকে, তাদের জন্য চট করে উপরোক্ত টেস্টগুলো দেয়া সম্ভব হয় না। তাদের জন্য (EPC) সংগ্রহের একটি ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এটি তেমন মানসম্মত না, কিন্ত কাজ চালিয়ে নেয়ার মত মান অবশ্যই রয়েছে।
1. এক্ষেত্রে যারা অনার্স বা গ্রাজুয়েশন ইংরেজি মাধ্যমে করেছেন, তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে নিজ বিভাগ থেকে Medium of Instruction Certificate গ্রহন করে নিতে পারবেন। এটিই তাদের ইংলিশ প্রফিসিয়েন্সি সার্টিফিকেট হিসেবে গন্য হবে।
2. যারা ইংরেজি মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পড়াশোনা করেছেন, অর্থাৎ ‘এ’ লেভেল পর্যন্ত পড়াশোনা করে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় যেতে চান, তারাও একইভাবে এই সার্টিফিকেট নিয়ে নিতে পারবেন।
মনে রাখবেন, প্রাতিষ্ঠানিক ইপিসি-র মূল্যায়ন কখনোই আয়েল্টস-টোফেল বা ডুও লিংগোর মত ধরা হয় না। ফলে স্কলারশিপ সহ নানা ধরনের সুবিধা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে কোনো একটি টেস্টে অংশ নিয়ে একটি ভালো স্কোর অর্জনের চেষ্টা করতে হবে।
চায়নায় আবেদনের ক্ষেত্রে কোনটি ভালো?
অবশ্যই Duolingo/IELTS/TOEFL। এগুলোর কোনো বিকল্প নেই। কিন্ত যদি কারও পক্ষে এই ধরনের পরীক্ষা দেয়া সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে তিনি কয়েকটি উপায়ে ইপিসি সংগ্রহ করে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, ইপিসি কখনোই প্রসিদ্ধ ইংলিশ টেস্টিং স্কোরগুলোর সমান নয়।
যে কয়েকটি উপায়ে ইপিসি পাওয়া যায় সেগুলো হলো -
1. বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজ বিভাগ থেকে। এক্ষেত্রে মিডিয়াম অফ ইন্সট্রাকশনটি ইপিসি হিসেবে বিবেচিত হয়।
2. ইংরেজি মাধ্যমে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পড়াশোনা করলে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের প্রত্যায়নেও ইপিসি দেয়া থাকে।
3. কোনো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টেস্ট দিয়ে ইপিসি সংগ্রহ করা যেতে পারে।
এই পদ্ধতিগুলো ব্যতীত অন্য কোনো মাধ্যমে ইপিসি সংগ্রহ করলে সেটি গ্রহনযোগ্যতা রাখে না।
নোটারি করা কি ভালো!?
জি, অবশ্যই সুযোগ থাকলে ইপিসি সার্টিফিকেট নোটারাইজ করে নেয়া ভালো। এতে করে গ্রহনযোগ্যতা থাকে বেশি। তবে এক্ষেত্রে তারিখ, সিল, সাইন ইত্যাদি অবশ্যই যুক্ত থাকতে হবে।
10/03/2021
South China University of Technology, Guangzhou.
ARWU: 150 - 200 | US News: 290 | QS: 462
চীনের বিজনেস হাব গুয়াংজুতে অবস্থিত একটি পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয় । সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজীর মোট আয়তন ৩৯১ হেক্টর যা তিনটি ক্যাম্পাস নিয়ে গঠিত - Wushan ক্যাম্পাস, ইউনিভার্সিটি টাউন ক্যাম্পাস, গুয়াংজু ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পাস। চাইনিজ সরকারের Project 985 এবং Project 211 এর একটি বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি এটি। ২০১৬ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি র্যাংকিং টপ ২২ এ স্থান করে নেয় বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রতি বছর ১০০টি দেশের ২ হাজারেরও বেশি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়টিতে পড়াশোনা করতে আসে।
English Medium Bachelor Program
বিশ্ববিদ্যালয়টি ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য নিম্নোক্ত ইংলিশ মিডিয়াম ব্যাচেলর প্রোগ্রাম অফার করে থাকে -
Computer Science and Technology
International Economics and Trade
Business Administration
Environmental Engineering
Biomedical Engineering
Material Engineering (ম্যাথ এবং ইংলিশের টেস্ট দিতে হবে এই সাবজেক্টের জন্য)
Fee Structures
সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজীতে সেলফ ফান্ডিং এ পড়াশোনা করতে নিম্নোক্ত পরিমান খরচ লাগবে।
Application Fee- 450 RMB
Tuition Fee- 26000 RMB/Year
Hostel Fee - 3500 RMB/Year (4 person room)
8000 RMB/Year (2 Person Room)
Insurance Fee- 800 RMB/Year
Visa Extension Fee- 400 RMB/Year
Medical Fee - 450 RMB (only for 1st year)
Scholarships -
ইংলিশ মিডিয়াম ব্যাচেলর প্রোগ্রামে ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টদের জন্য ২ ধরনের স্কলারশিপ এভেইলবল আছে
1- SCUT International Scholarship for Excellence
Type A- Full Tuition Fees free for 4 years
Type B- 50% Tuition Fees free for 4 Years
Type C- 50% Tuition Fees free for 2 years
2- Guangdong Provincial Government Scholarship (10,000 RMB/Year)
এই স্কলারশিপ প্রথম বছর প্রত্যেক স্টুডেন্টই পেয়ে থাকে। এর পরের বছর থেকে এ স্কলারশিপ পেতে হলে ক্লাসে টপ ৮ এর মধ্যে থাকা লাগে।
Required Documents-
এপ্লিকেশনের জন্য নিম্নোক্ত ডকুমেন্টস লাগবে
1- Passport Scan Copy
2- Photo (White Background)
3- HSC Certificates and Transcripts
4- Foreign Physical Examination Form
4- English Proficiency Certificates
6- Two Recommendation Letters
7- Study Plan
8- Bank Statement
9- Application Form
Note- কোন ফেইক ডকুমেন্টস সাবমিট করা যাবেনা।
Deadline- 30 April 2021
10/03/2021
চীনে পড়াশোনার জন্য কি কি ডকুমেন্টস দরকার হয়?
চীনে পড়াশোনা ও স্কলারশিপ এর প্রিপারেশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো ডকুমেন্টস তৈরি করা । এই আর্টিকেলে আমরা দেখব চীনে পড়াশোনা ও স্কলারশিপ এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এর লিস্ট-
আপনি যদি কোন নন ডিগ্রি প্রোগ্রামে অর্থাৎ শর্ট টার্ম চাইনিজ ল্যাংগুয়েজ কোর্স, সামার কোর্স এসবে এনরোল করতে চান তাহলে নিচের ডকুমেন্টস গুলো দরকার হবে-
1- Passport
2- Photo
3- Highest Education Certificate and Transcripts
4- Foreigner Physical Examination Form
5- Non-Criminal Record (Police Clearance)
6- Bank Statement Certificate
ব্যাচেলর ডিগ্রি প্রোগ্রামে এনরোলের জন্য নিচের ডকুমেন্টসগুলো দরকার হয়
1- Passport
2- Photo
3- SSC/DAKHIL Certificates and Transcripts (নোটারাইজড হতে হবে)
4- HSC/Diploma/ALIM Certificates and Transcripts(নোটারাইজড হতে হবে)
5- Foreigner Physical Examination Form
6- Non-Criminal Record (Police Clearance)
7- Language Proficiency Certificate (IELTS/TOEFL/HSK/English Proficiency Certificate)
8- Bank Statement and Bank Solvency (আড়াই লক্ষ টাকার বেশি)
9- Two Recommendation Letters
10- Study Plan (800-1500 words)
11- CV/Resume
12- Guarantor Letter and NID Card (যদি এপ্লিকেন্ট ১৭ বছরের নিচে হয়)
13- Extra-Curricular Activities Certificate (বাধ্যতামূলক না)
মাস্টার্সে পড়াশোনা ও স্কলারশিপের আবেদন করতে যেসব ডকুমেন্টস আপনাকে তৈরি করতে হবে
1- Passport
2- Photo
3- Bachelor Certificates (নোটারাইজড হতে হবে)
4- Bachelor Transcripts(নোটারাইজড হতে হবে)
5- Foreigner Physical Examination Form
6- Non-Criminal Record (Police Clearance)
7- Language Proficiency Certificate (IELTS/TOEFL/HSK/English Proficiency Certificate)
8- Bank Statement and Bank Solvency (আড়াই লক্ষ টাকার বেশি)
9- Two Recommendation Letters
11- Acceptance Letter from Chinese University Professor (যদি লাগে)
10- Study Plan (800-1500 words)
11- CV/Resume
12- Publication (যদি থাকে)
13- Job Experience Certificate (যদি থাকে)
14- Research Paper
15- Extra-Curricular Activities Certificate (বাধ্যতামূলক না)
পিএইচডির জন্য মাস্টার্সের মত একি রকম ডকুমেন্টস এর দরকার হয়। পাশাপাশি অবশ্যই মাস্টার্সের সার্টিফিকেট ও ট্রান্সক্রিপ্ট সাবমিট করা লাগে। উল্লেখ্য যে, পিএইচডি প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য চাইনিজ ইউনিভার্সিটি প্রফেসর থেকে Acceptance Letter নেওয়া বাধ্যতামূলক।
02/03/2021
সায়েম। রংপুর জেলার বিখ্যাত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করেছে। ছোটবেলা থেকেই তার বহির্বিশ্বে উচ্চতর ডীগ্রি অর্জনের ইচ্ছা ছিল। সে এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে স্নাতকে ভালো ফলাফলের চেষ্টা সবসময় করে এসেছে। অবশেষে স্নাতক শেষে তার সিজিপিএ-র ফলাফল হয়েছে 3.76 (4.00)। এটি অত্যন্ত সম্মানজনক একটি স্নাতক স্কোর, তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। ফলাফল লাভের পুর্ব থেকেই সে তার বিষয়ের প্রখ্যাত প্রফেসরদের ই-মেইল করত। এভাবে একদিন সময়ের পরাশক্তি হতে যাওয়া চীনের বিখ্যাত চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অব পলিটিক্যাল সায়েন্স এন্ড ল (CUPL) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তার ফুল ফান্ডেড মাস্টার্স হয়ে যায়। এটি বেইজিঙয়ে অবস্থিত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে পৃথিবীর সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি। স্কলারশিপ হয়ে যাওয়ার পর কয়েক মাসের মধ্যেই সে বিদেশ গমনের জন্য প্রায় সকল প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এই সময় নাগরিক হিসেবে স্বচ্ছতার সনদ হিসেবে একটি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স তার প্রয়োজন হয়েছিল। এটিও সে সময়মত আবেদন করে সংগ্রহ করে ফেলে। আসুন আমরা তার এই পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহের গল্পটি জেনে নিই। কেননা, বিদেশ গমনেচ্ছু প্রায় সকলেরই এই সনদের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আসলে কী?
অনেকেই পুলিশের নাম শুনলেই ভড়কে যান। যদিও ‘চোরের মন পুলিশ পুলিশ’ প্রবাদ আমরা বলে থাকি, কিন্ত বাস্তবে আমরা সকল নাগরিকই এই শব্দে একটু অস্বস্তি বোধ করি। মূলত পুলসিহ ক্লিয়ারেন্স হলো এমন একটি সনদ, যার মাধ্যমে জানা যায় যে সনদধারী নাগরিক রাষ্ট্রের কোনো আইনবিরোধী কাজ করে নি। অথবা কোনো তিনি অপরাধের সাথে জড়িত নন। বিদেশে পড়াশোনার জন্য অথবা ইমিগ্রেশনের জন্য অথবা কর্মক্ষেত্রে গমনের জন্য সকল নাগরিককে এই সনদ সংগ্রহ করে নিতে হয়।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তসমূহঃ
সায়েম পুলিশ ক্লিইয়ারেন্স আবেদনের ক্ষেত্রে অনলাইন পদ্ধতি ব্যবহার করেনি। সে সরাসরি ক্লিয়ারেন্সে সনদের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিসে আবেদন করেছিল। এক্ষেত্রে সে কিছু শর্ত পূরণ করে ক্লিয়ারেন্স আবেদন করেছিল। আসুন দেখি কি কী শর্ত রয়েছে এই আবেদনের ক্ষেত্রে -
১। যিনি সনদ গ্রহন করবেন, তার পাসপোর্টে উল্লেখিত বর্তমান অথবা স্থায়ী ঠিকানার যে কোন একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন / জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় অবস্থিত হতে হবে। যেই অঞ্চলের অফিস থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট আবেদন করে হয়েছে, আবেদনকারীকে অবশ্যই ঐ ঠিকানার বাসিন্দা হতে হবে ।
*যদি আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা পাসপোর্ট না থাকে, তাহলে বর্তমান ঠিকানার স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি কর্তৃক একটি নাগরিক সনদপত্র সংগ্রহ করে আবেদনের সাতে যুক্ত করতে হবে।
২। মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (MRP) ক্ষেত্রে যদি পাসপোর্টে ঠিকানা উল্লেখ না থাকে তবে ঠিকানার প্রমাণ স্বরূপ জাতীয় পরিচয় পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদপত্র/স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর-এর সনদপত্রের ফটোকপি ১ম শ্রেণীর সরকারী গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে ।
৩। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী পাসপোর্টধারী কোন ব্যক্তির পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য তিনি যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের প্রথম পাতার তথ্যসহ স্ক্যান করে সেটির সত্যায়িত কপি তার পক্ষে করা আবেদনের সাথে যুক্ত করতে হবে ।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদিঃ
সায়েমের আবেদনের সময় বেশ কিছু ব্যক্তিগত তথ্য তাকে আবেদনের সাথে যুক্ত করে জমা দিতে হয়েছিল। এক্ষেত্রে কী কী তথ্য একজন আবেদনকারীর প্রয়োজন হয়, তা আমরা এখানে জেনে নিতে পারি।
১। অনলাইনে অথবা সরাসরি আবেদনের জন্য পূরণকৃত আবেদন পত্র । সরাসরি আবেদনের জন্য আঞ্চলিক পুলিশ অফিস বা থানা বা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে এই আবেদনপত্র সংগ্রহ করে নেয়া যাবে।
২। ১ম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
অথবা
বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশী নাগরিকের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি
অথবা
বিদেশী নাগরিকদের ক্ষেত্রে নিজ দেশের জাস্টিস অব পিস (Justice of Peace) কর্তৃক সত্যায়িত পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যানকপি।
৩। বাংলাদেশ ব্যাংক/ সোনালী ব্যাংকের যে কোন শাখা থেকে (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১) কোডে করা ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা মূল্যমানের ট্রেজারী চালান অথবা অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত সার্ভিসচার্জ সহ ফি প্রদান। অনলাইনে ফি প্রদান করলে সেখানেও একটি ই-চালানের কপি পাওয়া যায়। এটিও সংরক্ষণে রাখতে হবে। আবেদনের সময় এটিও যুক্ত করে দিতে হবে। কখনো কখনো ফি প্রদান সংক্রান্ত কাগজের সাথে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধির একটি সত্যায়িত কপিও চাওয়া হয়ে থাকে।
আবেদন করার নিয়ম
সায়েম যেহেতু সরাসরি ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদন করেছিল, ফলে সে প্রথমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে আঞ্চলিক পুলিশ সুপারের অফিসে গমন করে। এরপর সেখান থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে আবেদন জমা দিয়েছিল।
মূলত দুইভাবে আবেদন করা যায়। সরাসরি এবং অনলাইন। শুরুতেই আমরা অনলাইনে আবেদনের পদ্ধতি দেখে নিই।
অনলাইনে যেভাবে আবেদন করতে হবেঃ
সায়েমের মত বিদেশ গমনেচ্ছু বা প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকরা দেশে বা দেশের বাইরে যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনের মাধ্যমে pcc.police.gov.bd ঠিকানায় অথবা বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে (www.police.gov.bd) যেয়ে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স মেন্যুতে ক্লিক করে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। কম্পিউটার কিংবা মুঠোফোনেও আবেদন করা যাবে। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি এবং সরকারি ক্লিয়ারেন্স ফি পরিশোধের চালান কপি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। এক্ষেত্রে একটি সুবিধা হলো, আবেদনকারীর ব্যক্তিগতভাবে থানায় যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। দেশের নাগরিকদের জন্য এটি একটি স্বস্তির সংবাদ বটে!
ধাপ : ১
অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে যে কেউ নিজের জন্য অথবা অন্যের পক্ষে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সংগ্রহের জন্য আবেদন করতে পারবে। নিবন্ধন করার জন্য সরকারি এই ওয়েবসাইটে (pcc.police.gov.bd) সার্ফ করতে পারেন।
ধাপ : ২
নিবন্ধিত ব্যবহারকারী (নিবন্ধন করা না থাকলে শুরুতে করে নিতে হবে।) অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাইটে লগ-ইন করার পর Apply মেনুতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করবেন।
ধাপ : ৩
আবেদন ফরমের প্রথম ধাপে ব্যক্তিগত বিস্তারিত তথ্য, দ্বিতীয় ধাপে বর্তমান এবং স্থায়ী ঠিকানা পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর বর্তমান ঠিকানা যে জেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত সেই ঠিকানায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে।
ধাপ : ৪
আবেদন ফরমের তৃতীয় ধাপে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রমূহের স্ক্যান কপি নির্দিষ্ট আপলোড করতে হবে।
ধাপ : ৫
আবেদন ফরমের চতুর্থ ধাপে আবেদনকারীর প্রদানকৃত সকল তথ্য দেখানো হবে। আবেদনে কোন ভুল থাকলে তা পূর্ববর্তী ধাপসমূহে ফেরত গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। কিন্ত চতুর্থ ধাপে আবেদনটি সাবমিট করার পর আর কোন পরিবর্তন করার সুযোগ থাকবে না। এজন্য খুব সাবধানে এই ধাপে তথ্যগুলো নিশ্চিতভাবে দেখে নিতে হবে।
ধাপ : ৬
চালানের মাধ্যেমে ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণ করে ফি পরিশোধ করে নেয়া যাবে। এই ধাপে ফি পরিশোধ করার জন্য Pay Offline বাটনে ক্লিক করতে হবে। চালানের মাধ্যেমে ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা ফি পরিশোধের উপায় এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে তথ্য দেয়া থাকবে। নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করতে হবে। ফি পরিশোধের চালানের ই-কপি অবশ্যই সংরক্ষণে রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে যে, চালানের মূল কপিটি আপলোড করার আগে অবশ্যই এর উপর অ্যাপ্লিকেশন রেফারেন্স নম্বরটি লিখে দিতে হবে। অন্যথায় আপনার পেমেন্টটি গ্রহণযোগ্য হবেনা এবং আবেদনটি বাতিল হয়ে যাবে।
সর্বশেষ অবস্থা জানুন যে কোন সময় !
আবেদনকারী যে কোনো সময় তার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা অনলাইনে জানতে পারবেন। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর, পুলিশ সুপার কিংবা উপ-পুলিশ কমিশনারের প্রতিস্বাক্ষর এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন হওয়ার পর আবেদনকারী ব্যক্তিগতভাবে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় অথবা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের ওয়ান স্টপ সার্ভিস কাউন্টার থেকে সরাসরি গ্রহন করে নিতে পারবেন। কুরিয়ার বা ডাকে পেতে চাইলে আবেদন করার সময় সেটি উল্লেখ করতে হবে। সে ক্ষেত্রে ডাক বা কুরিয়ার ফি পরিশোধ সাপেক্ষে আবেদনকারী ঘরে বসেই সার্টিফিকেট পেতে পারেন।
অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে একটি কিউআর কোড প্রিন্ট করা থাকে। যে কোনও স্মার্ট ফোন থেকে কিউআর কোড স্ক্যানার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে কোডটি স্ক্যান করলে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটের একটি অনলাইন লিংক পাওয়া যাবে। যেকোনও ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করে লিংকটি ভিজিট করলে ইস্যু করা সার্টিফিকেটের একটি অবিকল ডিজিটাল কপি কম্পিউটারে দেখা যাবে। ফলে এখন থেকে ইস্যুকৃত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট জাল হওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকবে না এবং যে কোন বিদেশি মিশন অনলাইনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট যাচাই করতে পারবে। ২০১৭ সালের শুরু দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেবা কার্যক্রম দেশব্যাপী চালু করা হয়।
সরাসরি আবেদনের প্রক্রিয়াঃ
সায়েমের মত যারা সরাসরি আবেদন করতে চান তারা নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে পারেন।
১। নিকটস্থ আঞ্চলিক জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে ফরম সংগ্রহ করতে হবে।
২। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে যুক্ত করে থানায় জমা দিতে হবে।
৩। সনদ সংগ্রহ করার ঠিকানা দিয়ে আসতে হবে। তবে নিজে সংগ্রহ করাই ভালো। এক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় অথবা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের ওয়ান স্টপ সার্ভিস কাউন্টার থেকে সরাসরি গ্রহন করে নিতে পারবেন।
কে কার পক্ষে আবেদন করতে পারবে!?
একটি বিষয় অনেকে জানতে চান যে, প্রার্থীকেই কি সবসময় আবেদন করতে হবে? উত্তর হলো, না। প্রার্থো নিজেও করতে পারবেন অথবা তার পক্ষ থেকে অন্য যে কেউ আবেদন দাখিল করতে পারবেন। এতে তেমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।
পুলিশ ভেরিফিকেশনঃ
অনেকেই খেয়াল করেন না আবেদনের পর একটি পুলিশ ভেরিকফিকশন হয়ে থাকে। সায়েমের ক্ষেত্রেও সে এটি খেয়াল রাখেনি। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার তার সাথে যোগাযোগ করলে সে নিশ্চিত হয় এবং অফিসারের সাথে সাক্ষাত করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে তাকে সহযোগিতা করে। এক্ষেত্রে একজন আবেদনকারীকে যা যা প্রদর্শন করতে হবে তা আমরা বলে দিচ্ছি -
১। পাসপোর্টের মূল ও সত্যায়িত ফটোকপি।
২। বর্তমান ঠিকানার ইউটিলিটি বিল।
৩। আবেদন ফি-এর চালানের কপি।
৪। ভোটার আইডি অথবা জন্ম সনদ।
৫। স্থানীয় সরকার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে সত্যায়িত সনদ।
অফিসার মহোদয় আপনার এই কাগজপত্র গুলোর ফটোকপি জমা নেয়ার সাথে সাথে মূল কপিও প্রদর্শনের জন্য আদেশ দুতে পারেন। সেক্ষেত্রে এগুলো নিজের কাছে সংরক্ষিত রাখবেন।
সময় লাগে কতদিনঃ
ক্লিয়ারেন্স সনদ পেতে খুব বেশি সময় লাগে না। সায়েমের ক্ষেত্রে লেগেছিল আটদিন। অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বলে যে, সময় এক্ষেত্রে সামান্য বেশি লেগে যায়। তবে সরাসরি আবেদন করলে ৭-১০ দিনের মাঝেই পাওয়া যায় কাঙ্খিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ।
আপনি এখন সনদের অধিকারী!
সায়েমের মত এভাবে আপনিও পেয়ে যাবেন কাঙ্খিত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ বা সরকারীভাবে সনদপ্রাপ্ত একজন নিরপরাধ ও নিষ্পাপ নাগরিক হবার ছাড়পত্র! তাই দেরি না করে আজি আবেদন করুন আপনার পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদন।
26/02/2021
Beautiful East China Normal University