Arfat Chowdhury

Arfat Chowdhury

Share

BCS CADRE | WRITER | CAREER CONSULTANT

30/07/2026

এআই কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে চাকরির ভবিষ্যৎ
কী ক্যারিয়ার ডেস্ক
এআই কি মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে ? নাকি এটি শুধু কাজের ধরন বদলে দেবে ? এ প্রশ্ন এখন কর্মজীবনের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় । এক পক্ষ বলছে , এআই চাকরি কেড়ে নেবে । অন্য পক্ষের দাবি , আতঙ্কের কিছু নেই । তাহলে সত্যিটা কী ? এআই কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে , এটি অস্বীকার করার উপায় নেই । তবে সব চাকরি হারিয়ে যাবে না । তবে যাঁরা সময় থাকতে নিজেকে প্রস্তুত করবেন , ভবিষ্যৎ তাঁদেরই । বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫ বলছে , ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ চাকরি বিলুপ্ত হতে পারে । তবে একই সময়ে তৈরি হবে প্রায় ১৭ কোটি নতুন চাকরি । অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত নিট ৭ কোটি ৮০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে । পরিবর্তন নাকি বিলুপ্তি নিয়মমাফিক ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ ধীরে ধীরে এআইয়ের হাতে চলে যেতে পারে । অন্যদিকে মানুষের জন্য আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বিচার- বিশ্লেষণ , সৃজনশীলতা , সমস্যা সমাধান ও যোগাযোগের দক্ষতা । যেমন একজন আইন সহকারী আগে নথি পর্যালোচনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যয় করতেন । এখন সেই কাজ কয়েক মিনিটে করে দিচ্ছে এআই । আবার একজন বিশ্লেষক যে প্রতিবেদন তৈরি করতে তিন দিন নিতেন , সেটি এখন

কয়েক ঘণ্টায় শেষ করা সম্ভব । ফলে প্রশ্ন হলো — বাঁচানো সময় তিনি কীভাবে কাজে লাগাবেন ? যদি এআই আপনার কাজ কমিয়ে দেয় , কিন্তু নতুন দায়িত্ব না আসে , তাহলে বুঝতে হবে আপনার ভূমিকা সংকুচিত হচ্ছে । আর যদি নতুন দায়িত্ব , নতুন দক্ষতা শেখার সুযোগ ও জটিল সমস্যা সমাধানের কাজ বাড়ে , তাহলে বুঝবেন আপনার পেশা বদলাচ্ছে , হারিয়ে যাচ্ছে না । ১. আপনার মূল কাজ এআই সহজেই করতে পারে দিনের অধিকাংশ কাজ যদি একটি ভালো প্রম্পট দিয়েই করানো যায় , তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবার সময় এসেছে । ডেটা এন্ট্রি , সাধারণ প্রতিবেদন লেখা , নিয়মভিত্তিক কনটেন্ট তৈরি বা প্রাথমিক গ্রাহকসেবা এসব ক্ষেত্র ইতিমধ্যে দ্রুত বদলে যাচ্ছে । এর অর্থ এই নয় যে কালই চাকরি চলে যাবে । তবে ভবিষ্যতে এই ধরনের কাজের চাহিদা কমতে পারে ।

২. পুরো খাতেই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে কোনো শিল্প খাতে যদি একই সময়ে কর্মী ছাঁটাই , পুনর্গঠন বা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে , তাহলে সেটি বড় সংকেত । খুচরা ব্যাংকিং , আইনি সেবা , লজিস্টিকসসহ কিছু ক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে । আপনার সহকর্মীরাও যদি একই ধরনের চাপের মুখে পড়েন , তাহলে সমস্যাটি শুধু প্রতিষ্ঠানের নয় , পুরো খাতের ।

ছবি : এআই দিয়ে তৈরি ৩. শেখার পেছনে আগ্ৰহ নয় , কাজ করছে ভয় নতুন কিছু শেখার দুটি কারণ থাকতে পারে । একটি , নিজেকে আরও দক্ষ করে তোলার ইচ্ছা । অন্যটি , চাকরি হারানোর ভয় । যদি দ্বিতীয় কারণ হয় , তাহলে হয়তো আপনার বর্তমান ক্যারিয়ার পরিকল্পনা নতুন করে ভাবার সময় এসেছে ।

৪. নিজের কাজে আগের মতো আনন্দ পাচ্ছেন না এটি অনেক সময় সবচেয়ে বড় সতর্কসংকেত । যে কাজ একসময় আপনাকে আনন্দ দিত , সেটিই যদি এখন এআই সহজে করে ফেলে , তাহলে শুধু টিকে থাকার প্রশ্ন নয় , নতুন প্রশ্নও সামনে আসে— » » আমি কি এই কাজই করতে চাই ? আমার বর্তমান দক্ষতা অন্য কোনো পেশায় কাজে লাগতে পারে ? » » নতুন কিছু শেখার সময় এসেছে ? মানুষকে বোঝানোর ক্ষমতা , জটিল বিষয় সহজ করে ব্যাখ্যা করা , সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং দল পরিচালনার মতো দক্ষতার মূল্য এখনো কমেনি । বরং এআইয়ের যুগে এগুলোর গুরুত্ব আরও বেড়েছে । সবশেষে বলব , নিজেকে একটি প্রশ্ন করুন । আগামীকাল যদি দায়িত্ব বদলে যায় , আমি কী করতে চাই ? সেই কাজের জন্য কি আমি প্রস্তুত ? উত্তর যদি জানা থাকে , তাহলে এগিয়ে আছেন । আর যদি না জানেন , সেটিই এখন প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ।

সোর্স আজকের পত্রিকা

30/07/2026

51st BCS || BCS Written Batch

30/07/2026

BCS written Batch
BCS Helpline
Hotline: 01811110101

Arfat Chowdhury

30/07/2026

🧶৫০তম বিসিএস ভাইভা ভর্তি চলছে...
ক্লাস শুরুঃ
💴 ৩১-জুলাই-২০২৬ (শুক্রবার) বিকাল ৫টা থেকে।
💴 মক ভাইভা: ০১-আগস্ট, বিকাল ৩টা থেকে শুরু!!!

>>ফ্রি রেজিস্ট্রশন করুন
রেজিস্ট্রশন লিংক: https://forms.gle/8dE1sHnuoX5GghFw5

>>রেজিস্ট্রশন চলবে সীমিত সময়ের জন্য।
আপনার আসন নিশ্চিত করুন আজই।

মক ভাইভার বিশেষ সুবিধা:
✔️ অভিজ্ঞ বিসিএস ক্যাডার দ্বারা মক ভাইভ।
✔️ বাস্তব ভাইভা বোর্ডের আদলে প্রস্তুতি।
✔️ ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় ভাইভ।
✔️ দুর্বলতা চিহ্নিতকরণ ও উন্নয়ন পরামর্শ।
✔️ আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও পারফরম্যান্স উন্নয়ন।

🏠 BCS Helpline
The mentor to your dream
দেশের একমাত্র কোচিং যেখানে সকল শিক্ষক বিসিএস ক্যাডার।

চকবাজার শাখাঃ ২ জয়নগর, কলেজ রোড, কেয়ারীর বিপরীতে সিঙ্গারের উপরে (৩য় তলা) চকবাজার,চট্টগ্রাম।
প্রয়োজনেঃ
☎ 01811-110101 (WhatsApp)




#বিসিএস িসিএস

Photos from Arfat Chowdhury's post 30/07/2026
29/07/2026

প্রশাসন, কাস্টমসের পর এবার পররাষ্ট্র ক্যাডার
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন মো. মেহেদী হাসান। তিনি ৪৭তম বিসিএসে পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর আগে তিনি ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন এবং ৪৬তম বিসিএসে কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তাঁর চাকরি পাওয়ার অভিজ্ঞতার কথা শুনেছেন আব্দুন নূর নাহিদ
প্রকাশ: ১৮ জুলাই, ২০২৬

প্রশাসন, কাস্টমসের পর এবার পররাষ্ট্র ক্যাডার মো. মেহেদী হাসান

বিসিএস নিয়ে স্বপ্নের শুরুটা কিভাবে?

—ক্যাডেট কলেজে পড়ার সময় থেকেই সেনাবাহিনীতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু আইএসএসবিতে প্রথমবার স্ক্রিন্ড আউট হই।

দ্বিতীয়বার সুযোগ থাকলেও আর অংশগ্রহণ করিনি। সেদিনই মাকে কথা দিয়েছিলাম, ভবিষ্যতে বিসিএস দিয়ে রাষ্ট্রদূত হব! সেই থেকে বিসিএসের স্বপ্ন। বিসিএসে প্রতিবার পছন্দক্রমে ‘পররাষ্ট্র ক্যাডার’ রেখেছি। প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলাম। অবশেষে সফল হলাম।


শিক্ষাজীবনের অর্জন?

—এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫.০, রাজশাহী বোর্ড। জেএসসি, এসএসসিতে বৃত্তি পেয়েছি। জাতীয় সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় (২০১৫) বিভাগীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হই।

এ ছাড়া বিটিভিতে আয়োজিত জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় (২০২২) রানার্স আপ হয়েছি।


বিসিএসের মূল প্রস্তুতি কখন থেকে শুরু করেছেন?

—মূল প্রস্তুতি শুরু করেছি স্নাতক শেষ করার পর। তবে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের শুরু থেকে প্রচুর টিউশনি করাতাম। জাতীয় পর্যায়ে বিতর্ক এবং কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিজে অংশ নিতাম। এসবের ফলে প্রস্তুতি অনেকটাই এগিয়ে যায়।

আন্ত ক্যাডেট কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং টেলিভিশন পর্যায়ে কুইজ প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশ নিয়েছি। তাই সাধারণ জ্ঞানের প্রস্তুতি পর্বও আগেভাগে হয়ে গেছে।


প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি কৌশল ও রুটিন কেমন ছিল?

—প্রিলিমিনারির প্রস্তুতির সময় বিগত বছরের প্রশ্ন আগে সমাধান করেছি। এরপর প্রতিটি বিষয়ের এক সেট বই সংগ্রহ করেছি। বইগুলো বারবার পড়ে রিভিশন দিয়েছি। প্রতিটি বিষয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ টপিক থাকে, যেখান থেকে প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। সেগুলোকে বাড়তি গুরুত্ব দিয়েছি। অনলাইন বা অ্যাপে নিয়মিত লাইভ পরীক্ষা দিতাম। এর ফলে নেগেটিভ মার্কিং ক্রমে কমে আসে। সময় ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়ে যায়। নিয়মিত পত্রিকা পড়তাম এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নোট করে রেখে দিতাম। ডেটাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়, যেমন—অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, বিভিন্ন সংস্থা ও তাদের সম্মেলন, পরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের চুক্তি, জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি বিষয়গুলো বারবার দেখতাম। প্রতিটি বিষয়ের টপিকভিত্তিক প্ল্যান করতাম। প্রতিদিনের পড়ার রুটিনে তিন-চারটি বিষয় রাখতাম। পরীক্ষার আগে সাধারণ জ্ঞান, বাংলা সাহিত্য, ইংরেজি সাহিত্য বারবার রিভিশন দিয়েছি। আমি একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রিলিমিনারির যে তথ্যগুলো লিখিত পরীক্ষায় কাজে লাগে, সেগুলোর জন্য আলাদা নোট খাতা করেছিলাম। ডেটা, কোটেশন ইত্যাদির পেছনে না ছুটে ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে মনোযোগী ছিলাম। বাসায় বসে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয়ে ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং অনুশীলন করেছি। রিডিং হ্যাবিট বাড়ানোর জন্য নিয়মিত পত্রিকা পড়েছি, ট্রান্সলেশন অনুশীলনের জন্য পত্রিকার সম্পাদকীয় অংশটুকুতে জোর দিয়েছিলাম। রচনার জন্য কিছু ডেটা, পয়েন্ট খাতায় নোট করে রেখেছি এবং এ ক্ষেত্রে আমি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার ভালোভাবে করেছি। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ক্ষেত্রে কনসেপচুয়াল পার্ট ও সমসাময়িক ঘটনাবলিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। বাংলার জন্য সাহিত্য ও ব্যাকরণের ৬০ নম্বর গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে নম্বর তোলা সহজ এবং সহজেই পার্থক্য তৈরি হয়। গণিত ও বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মূলত নবম-দশম শ্রেণির বোর্ড বই এবং সিলেবাস অনুযায়ী এইচএসসি সিলেবাসের কিছু টপিক পড়েছি। ইংরেজি প্রস্তুতির ক্ষেত্রে প্রচুর রিডিং হ্যাবিট ও ভোকাবুলারি বাড়াতে হবে। কারণ ১০০ মার্কসের আনসিন প্যাসেজ আসে। রচনা ও ট্রান্সলেশন প্রতিদিন কিছু না কিছু প্র্যাকটিস করতে হবে। মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। কারণ এ বিষয়টি পার্থক্য করে দেয়। মানসিক দক্ষতার পেছনে আমরা সময় কম দিই। কিন্তু বিষয়টিতে ৫০ নম্বর বরাদ্দ। তাই নিয়মিত মানসিক দক্ষতা অনুশীলনের কোনো বিকল্প নেই। আমার মতে, লিখিত প্রস্তুতির সবচেয়ে কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হচ্ছে অফলাইন মডেল টেস্ট। এর ফলে খাতার প্রেজেন্টেশনের মান বৃদ্ধি, সময়মতো লেখা শেষ করা, প্রশ্নের মান অনুযায়ী উত্তর দেওয়াসহ বহুমুখী দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব। আমি সব সময় ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানে তুলনামূলক বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।



ভাইভায় প্রস্তুতি কেমন ছিল?

—ভাইভার জন্য আলাদাভাবে খুব বেশি প্রস্তুতি নিইনি। অবশ্য বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করার কারণে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। তবে যে জিনিসগুলো একেবারে না পড়লেই নয়, সেগুলো দেখে গিয়েছিলাম; যেমন—জেলা, বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমান চাকরি সংক্রান্ত, ক্যাডার চয়েসের প্রথম তিন ক্যাডার সম্পর্কে বিস্তারিত, পঠিত বিষয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ টপিক, সমসাময়িক বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঘটে যাওয়া ঘটনাসমূহ, বর্তমান সরকারের রাষ্ট্রীয় পলিসি, বাজেট, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং নিজ সম্পর্কে বেশ কিছু অ্যানালিটিক্যাল প্রশ্ন।

কোন বিষয়গুলো অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন?

—ক্যাডেট কলেজে পড়ার ফলে ইংরেজিতে বেশ ভালো দক্ষতা লাভ করার সুযোগ হয়েছে এবং বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক, বিজ্ঞান—এই তিনটি বিষয়ে আমি ইংরেজি ভার্সনে উত্তর দিয়েছি। প্রকৌশল বিদ্যার ছাত্র হিসেবে গণিত ও বিজ্ঞানের প্রস্তুতিতেও খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। এ ছাড়া নিয়মিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও সহশিক্ষামূলক অন্যান্য কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার ফলে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির বেশ কিছু জিনিসের ব্যাপারে জানাশোনা ছিল। নিয়মিত টিউশনি করানোর ফলে বিষয়গুলোর চর্চা ছিল। এগুলোই অন্যদের চেয়ে আমাকে এগিয়ে রেখেছে বলে আমি মনে করি।

Photos from Arfat Chowdhury's post 27/07/2026

পেপার কাট:

Photos from Arfat Chowdhury's post 27/07/2026

আমাদের শিক্ষা ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব:

Photos from Arfat Chowdhury's post 26/07/2026

উচ্চ শিক্ষার কয়েকটি কলাম:

Photos from Arfat Chowdhury's post 25/07/2026

বিসিএস প্রার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকার লিখা সংরক্ষণ:

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


BCS Helpline, Nilkhet, Dhaka
Dhaka
4000