Life Changing Moto

Life Changing Moto Islam is the code life. You want to be create a perfect identity of your life just follow the Life Changing Moto.

ছোট বেলা থেকে আমি টুকটুক লেখালেখি করতাম এটা আমাকে যারা চিনেন তারা জানেন তার প্রমাণ ফেসবুকে আমি এখনো মাঝেমাঝে টুকটাক লেখালেখি করি আমাকে যারা ফলো করেন তারা বিষয়টা জানেন।
তখন আমি ক্লাস ৮ কি ৯ এ পড়ি প্রচুর লুকিয়ে লুকিয়ে ডাইরির পাতা ভরে ভরে লিখতাম। একদিন
বড় ভাইয়ের কাছে ডাইরি সহ ধরা খেলাম। আসলে আমি পড়াশুনা বাদ সেই বয়সেই প্রচুর লেখালেখি করতাম। বিশ্বাস করবেন না আমার স্কুল ও প্রাইভেটের খাতার উপরে ও নিচে ডানে ও বামে ফাঁকা জায়গাগুলে বাদ যেত না শুধু লেখা আর লেখা।
যাইহোক বড় ভাইয়ের হাতে যখন আমার লেখা গেলো তখন তো আমি শেষ আজ আমার লুকানে প্রতিভার বুঝি আজই ১২ টা বাজবে খুব টেনশন উঠান ভরতি মানুষ।
যদিও বড় ভাই তেমন কিছু বলে নাই শুধু বলছে এগুলো কলেজে গিয়ে লিখবি এখন মন দিয়ে পড়। আমার মনে হয় তারও লেখাগুলো পছন্দ হয়েছিল।
সেখানে আমার লেখক জীবনের ইতি ঘটে।
বড় পরিবর্তন টা আসে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর। তখন ইসলামিক টিভি নামে একটা চ্যানেল ছিলো এবং ডাঃ জাকির নায়েকের পিচ টিভি ও সম্প্রচার হতো এখন দুটোই বন্ধ । আমি বেশিরভাগ সময় এই চ্যানেল নিয়েই পড়ে থাকতাম। ডাঃ জাকির নায়েক হাফিজাহুল্লা ও ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহমাহুল্লা আল্লাহ তাকে বেশেহত নসিব করুক এদের বয়ান আমি এত এত শুনতাম যা বলার বাইরে। ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহমাহুল্লা বেশিরভাগ সময় বলতেন বই পড়ে শিখেন নিজের চোখে হাদিস দেখে তারপর আমল করলে আমলে মজা পাওয়া যায়। যারা যুবক আছ বসে কেন আছ প্রচুর পড়াশোনা করতে হবে। তাদের অনুপ্রেরণায় আমার বই পড়া শুরু। এতটাই প্রভাবিত হয়েছিলাম সেই সময়েই আমার ভাগনে বয়সে ২ বছরের বড় রাজিবকে নিয়ে চলে আসলাম। ও তখন ঢাকায় চাকরি করত। যদিও সেও রাস্তা ঘাট এতটা চিনে না সারাদিন না খেয়ে কত জায়গায় কতজনকে যে জিজ্ঞেস করেছি না চিনলেমযা হয় সেক বিরল অভিজ্ঞতা। অবশেষে আমরা দুইজন সোজা চলে আসলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশন মানে ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে। এসেই মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি শরীফ, সুনানে আবু দাউদসহ ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহমাহুল্লার রাহে বেলায়েত, হাদিসের নামে জালিয়াতি, মোনাজাত এরকম অনেকগুলো কিতাব কিনে নিলাম।
বিশ্বাস করেন সে কি আগ্রহ নিয়ে পড়েছি ততকালীন সময় হাদিসের নাম্বার সহ মুখস্থ। যে কেউ কোন হাদিস বললে রেফারেন্স সহ বলে দিতাম।
এই আমার বই পড়া শুরু আসতে আসতে আরো কওমী অঙ্গনের অনেক ওলামাদের সাথে উঠাবসা করতে করতে বইয়ের প্রতি আলাদা একটা ভালোবাসা যা অন্য সবকিছুর থেকে বেশি।
বই পড়ে অনেক গুলো ফায়েদা বা লাভ বলতে পারেন। বই পড়লে প্রচুর কনফিডেন্স বাড়ে। আমলে মজা পাওয়া যায়। যেকোন মজলিসে বসলে আপনি যখন কোন কথা বলবেন সবাই হা করে তাকিয়ে মনোমুগ্ধ হয়ে আপনার কথা শুনবে এক কথায় আপনি সবার মধ্যেমণি হয়ে থাকবেন।
তাই সবার কাছে উদাত্ত আহবান আসুন প্রচুর পরিমাণে বই পড়ি। বইকে আপন করে নেই। দুনিয়ায় ও আখিরাতে সম্মানিত হবেন ইনশাআল্লাহ।

18/07/2023
29/05/2023

আহলে কুরআনের উদ্দেশ্য কী কারা এদের গুরু
এটা কী ষড়যন্ত্র নাকি বুঝের ভুল সবকিছু এই অধম স্টাডি শুরু করেছি। সবার কাছে দোয়া ও তথ্য চাই।

এটাই জীবন
29/05/2023

এটাই জীবন

23/05/2023

"মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয়"
---------------------------------------------------------------
একদিন নবী করিম (সাঃ)-এর একজন সাহাবী মারা গেলেন। রাসূল পাক (সাঃ) উনার জানাজা পড়ালেনI তারপর একদল সাহাবী মৃতদেহ কবর দেয়ার জন্য কবরস্থানে নিয়ে আসলেনI সবার সাথে আমাদের নবী করিমও (সাঃ) হেঁটে হেঁটে আসলেনI

দুই জন সাহাবী কবর খুঁড়তে শুরু করলেনI
সবাই মৃত দেহকে ঘিরে বসে আছেনI
কবর খনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করছেনI
সবাই চুপচাপ, নীরব ও শান্ত একটি পরিস্থিতিI

নবীজি গভীর মনোযোগ দিয়ে কবর খোঁড়া দেখছিলেন একটু পর সবার দিকে তাঁকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, "তোমরা কি জানো, মানুষ মারা যাওয়ার পর, তাঁর আত্মার কি হয় ?"

সবাই খুব আগ্রহ নিয়ে নবীজি কে বললেন,
-ইয়া রাসূলুল্লাহ ! আমাদেরকে বলুনI

নবীজি একটু চুপ করে থাকলেনI সবাই উনার কাছে এসে ঘিরে বসলেনI মৃত্যুর পর আত্মার কি হয়, এই তথ্য তাঁদের জানা ছিল নাI আজ সেটা নবীজির মুখে শুনবেনI কত বড় সৌভাগ্যI শুনার জন্য সবাই অধীর আগ্রহে নবীজির কাছে এসে বসলেনI

তিনি একবার কবরের দিকে তাকিয়ে মাথাটা তুলে আকাশের দিকে তাকালেন
তারপর তিনি গল্পের মত করে বলতে শুরু করলেনI

"শুনো, যখন মানুষ একেবারেই মৃত্যু শয্যায়, তখন সে মৃত্যুর ফেরেস্তাকে দেখে ভয় পেয়ে যায়I কিন্তু যে বিশ্বাসী ও ভালো মানুষ তাকে মৃত্যুর ফেরেস্তা হাসি মুখে সালাম দেনI তাকে অভয় দেন এবং মাথার পাশে এসে ধীরে ও যত্ন করে বসেনI তারপর মৃত প্রায় মানুষটির দিকে তাকিয়ে বলেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! তুমি তোমার পালনকর্তার ক্ষমা ও ভালোবাসা গ্রহণ করো এবং এই দেহ থেকে বের হয়ে আসোI

মুমিনের আত্মা যখন বের হয়ে আসে তখন সে কোন ধরণের ব্যথা ও বেদনা অনুভব করে নাI
নবী আরো একটু ভালো করে উদাহরণ দিয়ে বললেন,
-মনে করো একটা পানির জগ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর উপর থেকে এক ফোঁটা পানি যেমন নিঃশব্দে উপর থেকে নিচে নেমে আসে ঠিক তেমনি নীরবে ও কষ্ট ছাড়াই আত্মাটি তার দেহ থেকে বের হয়ে আসেI
সেই সময় দুইজন অন্য ফেরেস্তা বেহেস্ত থেকে খুব সুগন্ধি মাখানো একটা নরম সুতার সাদা চাদর নিয়ে আসেন এবং তারা আত্মাটিকে সেই চাদরে আবৃত করে আকাশের দিকে নিয়ে যান I

তারা যখন আকাশে পৌঁছেন তখন অন্য ফেরেস্তারা সেই আত্মাটিকে দেখার জন্য এগিয়ে আসেনI
কাছে এসে সবাই বলেন, সুবহানাল্লাহ ! কত সুন্দর আত্মা, কি সুন্দর তার ঘ্রান !
তারপর সবাই জানতে চান,
-এই আত্মাটি কার ?
উত্তরে আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারা বলেন,
-উনি হলেন, "ফুলান ইবনে ফুলান"
(নবী আরবিতে বলেছেন, বাংলায় হলো, "অমুকের সন্তান অমুক" )
বাকি ফেরেস্তাগন তখন আত্মাটিকে সালাম দেয়, তারপর আবার জিজ্ঞেস করে,
-উনি কি করেছেন ? উনার আত্মায় এতো সুঘ্রাণ কেন ?
আত্মা বহন কারী ফেরেস্তা গন তখন বলেন,
-আমরা শুনেছি মানুষজন নিচে বলা-বলি করছে, উনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন, আল্লাহর ভালো বান্দা, অনেক দয়ালু, মানুষের অনেক উপকার করেছেন I

এতটুকু বলার পর নবী একটু থামলেনI

তারপর সবার দিকে ভালো করে দৃষ্টি দিয়ে, উনার কণ্ঠটা একটু বাড়িয়ে বললেন, এই কারণেই বলছি, সাবধান ! তোমরা কিন্তু মানুষের সাথে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে নাI

তুমি মারা যাওয়ার পর মানুষ তোমার সম্পর্কে যা যা বলবে, এই আত্মা বহনকারী ফেরেস্তারাও আকাশে গিয়ে ঠিক একই কথা অন্যদেরকে বলবেI

এই কথা বলে তিনি আবার একটু চুপ করলেন, কবরটার দিকে দৃষ্টি দিলেনI

আবার বলতে শুরু করলেনI

এই সময় মানুষ যখন পৃথিবীতে মৃত দেহকে কবর দেয়ার জন্য গোসল দিয়ে প্রস্তুত করবে তখন আল্লাহ তা'আলা আত্মা বহনকারী ফেরেশতাদেরকে বলবেন, "যাও, এখন তোমরা আবার এই আত্মাকে তার শরীরে দিয়ে আসো, মানুষকে আমি মাটি থেকে বানিয়েছি, মাটির দেহেই তার আত্মাকে আবার রেখে আসো I সময় হলে তাকে আমি আবার পুনরায় জীবন দিবো I"

তারপর মৃতদেহকে কবরে রেখে যাওয়ার পর দুইজন ফেরেস্তা আসবেনI তাদের নাম মুনকার ও নাকিরI
তারা মৃতের সৃষ্টিকর্তা, তার ধর্ম ও নবী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন I

মুনকার নাকির চলে যাওয়ার পর,
আত্মাটি আবার অন্ধকার কবরে একাকী হয়ে যাবেI
সে এক ধরণের অজানা আশংকায় অপেক্ষা করবেI কোথায় আছে? কি করবে? এক অনিশ্চয়তা এসে তাকে ঘিরে ধরবেI

এমন সময় সে দেখবে, খুব সুন্দর একজন তার কবরে তার সাথে দেখা করতে এসেছেনI
তাঁকে দেখার পর আত্মাটি ভীষণ মুগ্ধ হবেI এতো মায়াবী ও সুন্দর তার চেহারা, সে জীবনে কোনদিন দেখেনিI

আত্মাটি তাকে দেখে জিজ্ঞেস করবে,
-তুমি কে ?
সেই লোকটি বলবে,
-আমি তোমার জন্য অনেক বড় সু- সংবাদ নিয়ে এসেছি, তুমি দুনিয়ার পরীক্ষায় উর্তীর্ণ হয়েছো, তোমার জন্য আল্লাহ তা'আলা জান্নাতের ব্যবস্থা করেছেন, তুমি কি সেটা একটু দেখতে চাও?
আত্মাটি ভীষণ খুশি হয়ে বলবে,
-অবশ্যই আমি দেখতে চাই, আমাকে একটু জান্নাত দেখাওI
লোকটি বলবে,
-তোমার ডান দিকে তাকাওI
আত্মাটি ডানে তাকিয়ে দেখবে কবরের দেয়ালটি সেখানে আর নেইI সেই দেয়ালের দরজা দিয়ে অনেক দূরে সুন্দর বেহেস্ত দেখা যাচ্ছেI
বেহেস্তের এই রূপ দেখে আত্মাটি অনেক মুগ্ধ হবে ও প্রশান্তি লাভ করবেI
এবং সেখানে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে লোকটিকে জিজ্ঞেস করবে,
-আমি সেখানে কখন যাবো? কিভাবে যাবো?
লোকটি মৃদু হেসে বলবেন,
- যখন সময় হবে, তখনই তুমি সেখানে যাবে ও থাকবেI আপাততঃ শেষ দিবস পর্যন্ত তোমাকে অপেক্ষা করতে হবেI ভয় পেও নাI আমি তোমার সাথেই আছিI তোমাকে আমি সেইদিন পর্যন্ত সঙ্গ দিবোI

আত্মাটি তখন তাকে আবারো জিজ্ঞেস করবে,
-কিন্তু তুমি কে ?
তখন লোকটি বলবে,
-আমি তোমার এতদিনের আমল, পৃথিবীতে তোমার সব ভালো কাজের, তোমার সব পুণ্যের রূপ আমি, আজ তুমি আমাকে একজন সঙ্গীর মত করে দেখছোI আমাকে আল্লাহ তা'আলা তোমাকে সঙ্গ দেয়ার জন্যই এখানে পাঠিয়েছেনI
এই কথা বলে, লোকটি আত্মাটির উপর যত্ন করে হাত বুলিয়ে দিবেন
এবং বলবেন,
-হে পবিত্র আত্মা ! এখন তুমি শান্তিতে ঘুমাওI নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নাওI

এই কথা বলার পর, আত্মাটি এক নজরে বেহেস্তের দিকে তাঁকিয়ে থাকবে এবং একসময় এই তাকানো অবস্থায় গভীর প্রশান্তিতে ঘুমিয়ে পড়বেI

নবীজি এতটুকু বলে আবার একটু থামলেনI
সাহাবীরা তখন গায়ের কাপড় দিয়ে ভেজা চোখ মুছলেনI

(বুখারী ও মুসনাদের দুইটি হাদিস অবলম্বনে)

সংগৃহীত।

আল্লাহ আমাদের পবিত্র আত্মা হওয়ার তাওফিক দান করুন.........আমীন।

12/05/2023

হায় আমার মৃত্যুই যদি আমার চূড়ান্ত ফায়সালা হতো। হিসাব নিলে তো পার পাবো না ১০০% আটকে যাবো জাহান্নাম নিশ্চিত।

10/05/2023

এত কষ্টে জীবন যাপন করা মানুষগুলো শুধু আল্লাহর জন্য এত ত্যাগ তারপরও দেখেন মুখে কী হাসি!!

আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম-শাইখ! আমি বই পড়ি। কিন্তু শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না।শাইখ আমার দিকে একটি খেজুর...
26/04/2023

আমি একবার আমার শাইখকে অভিযোগ করলাম-
শাইখ!
আমি বই পড়ি।
কিন্তু শেষ করার পর আমার কিছুই মনে থাকে না।

শাইখ আমার দিকে একটি খেজুর বাড়িয়ে দিয়ে বললেন-
এটা চিবিয়ে খাও। আমি তাই করলাম।

শাইখ: এখন শারিরীক কোন বৃদ্ধি টের পাচ্ছো?
আমি: না তো!

শাইখ: তুমি অনুভব না করলেও খেজুরটি
(এর সারাংশটুকু)
কিন্তু আলাদা আলাদা হয়ে তোমার রক্ত, মাংস, হাড্ডি, চামড়া, চুল ও নখে পরিনত হয়েছে।
ঠিক এমনিভাবে আমরা যখন কোন বই পড়ি তখন তা আমাদের অগোচরেই আমাদের ভাষাকে শক্তিশালী করে,
জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে,
চরিত্রকে শুদ্ধ করে,লেখনী ও বাচনভঙ্গি উন্নত করে।

-শাইখ সালমান আল আওদাহ (হাফি.)

22/04/2023

ঈদ মোবারক

Address

Lalbag Dhaka
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Life Changing Moto posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share