ভৈরবী - Bhoirobee

ভৈরবী - Bhoirobee

Share

Bhoirobee is a non-profit cultural research and performing arts center in Dhaka, Bangladesh.

Focused on youth, we blend theatre, music, and research to preserve heritage, inspire creativity, and foster dialogue for a better world.

21/06/2026

বিশ্ব সংগীত দিবসে বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম এর সুরে বলতে চাই -

গানে বন্ধুরে ডাকি
গানে প্রেমের ছবি আঁকি
আর কিছু চাইনা মনে গান ছাড়া
গান গাই আমার মনরে বুঝাই
মন থাকে পাগল পাড়া ।

আজ ২১ জুন, রবিবার প্রকৃতির এই বিশেষ দিনে বিশ্বের ১২০টিরও বেশি দেশে সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠছেন কোটি মানুষ। পালিত হচ্ছে 'বিশ্ব সংগীত দিবস।

ভৈরবী এর পক্ষ থেকে সকল সংগীতপ্রেমী মানুষকে জানাই সুরেলা শুভেচ্ছা।

স্থিরচিত্র - শমযাত্রা আয়োজনে আমাদের পরিবেশনা

#ভৈরবী

#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

20/06/2026

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়াতন ১৪৩৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে ।

সংগীত, নৃত্য এবং শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিতে ভর্তি চলছে।

এখনই আবেদন করেন - https://forms.gle/qAnaHXqDLULt2iFK7

আবেদনের শেষ সময়: - ৩০ শে জুন ২০২৬

#ভৈরবী

#ধারা

18/06/2026

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়াতন ১৪৩৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে ।

সংগীত, নৃত্য এবং শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিতে ভর্তি চলছে।

এখনই আবেদন করেন - https://forms.gle/qAnaHXqDLULt2iFK7

আবেদনের শেষ সময়: - ২৫ জুন ২০২৬

#ভৈরবী

#ধারা
#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

Photos from ভৈরবী - Bhoirobee's post 18/06/2026

ভৈরবী যাত্রা ২০২৬-এর ঢাকা জোনের নির্বাচিত সদস্যদের অভিনন্দন 🎉

ভৈরবী যাত্রা ২০২৬-এর আবেদন, সাক্ষাৎকার, কর্মশালা ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষে ঢাকা জোনের নির্বাচিত সদস্যদের তালিকা প্রকাশ করা হলো। নির্বাচিত সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ভৈরবী পরিবারে স্বাগতম।

ভৈরবীর সাথে আপনাদের পথচলা হোক সুন্দর, সৃজনশীল ও অর্থবহ। এই যাত্রা শুধু একটি সংগঠনের সাথে যুক্ত হওয়ার নয়; এটি দেশ, মাটি, মানুষ এবং আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতির সাথে নিজেকে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করার একটি অঙ্গীকার।

আমরা চাই, আপনারা দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আচার, ঐতিহ্য ও সৃজনশীল চর্চার অগ্রণী কর্মী হয়ে উঠুন। শিল্প, গবেষণা, নেতৃত্ব ও মানবিক মূল্যবোধের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

আমরা বিশ্বাস করি, দেশের যেকোনো প্রয়োজন, সংকট কিংবা সম্ভাবনার মুহূর্তে আমরা একসাথে কাজ করব দায়িত্ববোধ, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে।

স্বাগতম ভৈরবীর নতুন যাত্রায়।

বি দ্র:
১। যারা চূড়ান্ত নির্বাচিত হোন নি, তাঁদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ। ভবিষ্যতের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ রইল।

২। ঢাকার বাইরের প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ের তারিখ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।

শুভেচ্ছান্তে,
ভৈরবী।

#ভৈরবী

17/06/2026

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়াতন ১৪৩৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি

আবেদনের সময়সীমা:
৩ আষাঢ় – ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
(১৭ জুন – ২৫ জুন ২০২৬)

অনলাইন আবেদন লিংক – https://forms.gle/qAnaHXqDLULt2iFK7

আবেদনপত্র মূল্য : ২০১ টাকা

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়তন একটি গুরুমুখী শিক্ষা প্রকল্প।ভৈরবী মূলত একটি দেশীয় সংস্কৃতি গবেষণা ও গীতরঙ্গ কেন্দ্র। গত সাত বছর ধরে আমরা দেশীয় সংস্কৃতির চর্চা ও প্রচারে কাজ করে আসছে।

এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই শুরু হয়েছে ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়তন। যা ধারা প্রজেক্ট এর অংশ। যেখানে ‘ধারা’ মানে প্রবাহ - যা প্রবাহিত হবে গুরু থেকে শিক্ষার্থীতে।

আমাদের শিক্ষা কার্যক্রম তিনটি ধারায় বিভক্ত
বয়স ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভর্তি গ্রহণ করা হবে :

• আনন্দধারা (শিশু বিভাগ) – বয়স ৭ থেকে ১৪ বছর

• আলোকধারা (প্রাপ্তবয়স্কদের প্রারম্ভিক কোর্স) – বয়স ১৫ থেকে অনূর্ধ্ব ৫০ বছর

• ত্রিধারা (সাধারণ বিভাগ) – বয়স ১২ থেকে ৩২ বছর ( যাদের বেসিক কোর্স করা আছে, শুধুমাত্র তাদের জন্য ত্রিধারা)

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

• সপ্তাহে ১টি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
• অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার পর ফিরতি ই-মেইলে প্রাপ্ত আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে সাক্ষাৎকারের দিনে সঙ্গে আনতে হবে।
• সঙ্গে একটি পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি আনতে হবে।
• আবেদন করার সময় আবেদন মূল্য পরিশোধ বাধ্যতামূলক এবং ট্রান্সাকশন আইডি উল্লেখ করতে হবে।
• শিক্ষার্থীদের ৮০% ক্লাস শ্রেণিকক্ষে এবং ২০% ক্লাস প্রকৃতির মাঝে অনুষ্ঠিত হবে।
• প্রতি বিভাগে ৮০% ব্যবহারিক ও ২০% তাত্ত্বিক শিক্ষা প্রদান করা হবে।
• বার্ষিক মূল্যায়ন মঞ্চ পরিবেশনার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
• কোর্সভেদে শিক্ষাক্রম ৪ মাস থেকে ৩ বছর মেয়াদি হতে পারে।
• যোগ্য শিক্ষার্থীরা টিউশন ফির উপর বিশেষ বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ পাবে-
"বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিম বৃত্তি"
"পণ্ডিত উদয় শঙ্কর বৃত্তি"

টিউশন ফি
ধারা সংগীতালয় ও ধারা নৃত্যালয়
• ভর্তি ফি -২০০০ টাকা,
• মাসিক বেতন ১৫০০ টাকা।

ধারা কণ্ঠালয়
• ভর্তি ফি -২০০০ টাকা,
• মাসিক বেতন ১০০০ টাকা।


যোগাযোগ:
📞 ০১৬৭২-০৮০৭১৭
📞 ০১৭৩৫-৪০২১৩৩
📞 ০১৭৯৯-৪৯৪১৪০

ইমেইল
📧 - [email protected]

📍 ভৈরবী: বাড়ি ৩৩/এ, রোড–৪, ধানমন্ডি, ঢাকা

#ভৈরবী

#ধারা
#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

16/06/2026

আমি কোন বা দেশে গেলে
আমার প্রাণবন্ধুরে পাই......

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়াতন ১৪৩৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে ।

সংগীত, নৃত্য এবং শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিতে ভর্তি চলছে।

এখনই আবেদন করেন - https://forms.gle/qAnaHXqDLULt2iFK7

আবেদনের শেষ সময়: - ২৫ জুন ২০২৬

#ভৈরবী

#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

15/06/2026

আমরা যাহা করি তাই আনন্দে পরিণত হয় ।

ভৈরবী গীতরঙ্গ বিদ্যায়াতন ১৪৩৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি চলছে ।

সংগীত, নৃত্য এবং শুদ্ধ উচ্চারণ ও আবৃত্তিতে ভর্তি চলছে।

এখনই আবেদন করেন - https://forms.gle/qAnaHXqDLULt2iFK7

আবেদনের শেষ সময়: - ২৫ জুন ২০২৬

#ভৈরবী

#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

Photos from ভৈরবী - Bhoirobee's post 14/06/2026

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী আয়োজিত নতুন নাটকের উৎসবে এর আজ ৩য় দিন বাংলা নাটকের গান শীর্ষক আয়োজনে পরিবেশনায় ছিলো - ভৈরবী গীতরঙ্গ দল।

ছবি প্রশংসা - শাদাব শাহরোখ হাই


#ভৈরবী

12/06/2026

ভৈরবী" অনেকের কাছে হয়তো শুধুই একটি শব্দ।
কিন্তু আমাদের কাছে এই তিন অক্ষরের নামটি একটি স্বপ্ন, একটি যাত্রা, একটি পরিবারের নাম।

আপনাদের ভালোবাসা, আস্থা ও বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে ভৈরবী আজ অর্ধযুগের পথ পেরিয়ে ৭ম বর্ষে পদার্পণ করছে।

ঢাকা শহরের অসংখ্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের ভিড়ে ভৈরবী তারুণ্যের শক্তি, সৃজনশীলতা ও সংস্কৃতির প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে। এই পথচলা কখনোই সহজ ছিল না। আপনাদের নিরন্তর সমর্থন, উৎসাহ ও পাশে থাকা আমাদের সাহস যুগিয়েছে প্রতিটি পদক্ষেপে।

আমাদের স্বপ্ন -একদিন ভৈরবী দেশীয় সংস্কৃতির একজন শক্তিশালী ধারক ও বাহক হয়ে উঠবে। আমরা এখনও শৈশব পেরিয়ে ওঠার পথে, কিন্তু একদিন ভরা যৌবনের উদ্যম নিয়ে দেশ থেকে দেশান্তরে ছড়িয়ে দিতে চাই বাংলার শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গল্প। আমরা দেশকে জানতে চাই, চিনতে চাই, আর বিশ্বদরবারে দেশকে পরিচিত করাতে চাই।

এই দীর্ঘ যাত্রায় আপনাদের দোয়া, আশীর্বাদ ও ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ভৈরবীর এই আনন্দঘন উদযাপনের অংশ হোন আপনিও। এই অর্জন শুধু আমাদের নয়, আপনাদেরও।

৭ম বর্ষে পদার্পণের শুভক্ষণে ভৈরবী পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

চলুক আবার নতুন স্বপ্ন, নতুন প্রত্যয় আর নতুন উদ্দীপনায় পথচলা... 💙

#ভৈরবী

#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

11/06/2026

মরমী সাধক উকিল মুন্সীর ১৪১তম জন্মবার্ষিকীতে ভৈরবী এর পক্ষ থেকে জানাই শ্রদ্ধা।
কন্ঠে আমাদের অতি প্রিয় - আকাশ গায়েন।

কথিত আছে ১৯১৫ সালে জালালপুর গ্রাম থেকে কয়েক মাইল দূরে মোহনগঞ্জের বরান্তর গ্রামের এক মসজিদে ইমামতি ও আরবি পড়ানোর কাজে নিযুক্ত হন উকিল মুন্সি। এই সময়ে ইমামতির পাশাপাশি গজল লিখতেন এবং রাত জেগে তা গাইতেন। নিজের গানে নিজেই সুর দিতেন। 'একবার এক লোক বিরক্ত হয়ে এক ব্যক্তি পুলিশের কাছে নালিশ করে। পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যেতে আসলে উকিল পুলিশ নিয়ে গান ধরেন। সে গানে পুলিশ তার নিজের ভিতরে লুকোনো কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পায় এবং পরে কয়েকটি পালা গানের মঞ্চে উকিলের গান শুনে পুলিশ উকিলের মুরিদ হয় যায়'।

সৈয়দ গোলাম রসুল আকন্দ ও সৈয়দা উকিলেন্নেসার দুই সন্তানের মধ্যে উকিল মুন্সি ছিলেন বড়।
শিশুকালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়, ফলে মায়ের সাথে দু’ ভাইয়ের বসবাস বেশিদিন সম্ভব না হওয়ায় কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা থানার ঠাকুর বাড়িতে ফুফুর কাছে আশ্রয় নেন দুই ভাই। ফুফু তাঁর হূদয়ের সবটুকু উত্তাপ দিয়ে ভালোবাসলেও স্বামীর সংসারের বৈরিতার কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁদেরকে আগলে রাখতে পারেন নি। পারেন নি ভাইয়ের পুত্রদের পড়াশোনা করাতে। আর এই বৈরী পরিবেশ চির আবেগী উকিল মুন্সিকে তিলে তিলে গড়ে তোলে সংগ্রামী এক অনন্য মানুষে।

একবার উকিল মুন্সি তার চাচার বাড়ি বেড়াতে যান। সেখানে ধনু নদী পারের এক গ্রামের লবু হোসেনের মেয়ে হামিদা খাতুনের প্রেমে পড়ে যান তিনি। এই প্রেম নিয়ে তিনি লিখেন 'উকিলের মনচোর' নামক একটি গান। তার চাচা এই প্রেমের কথা জানার পর খুবই রাগ করেন। কারন হামিদার বাবা সাধারণ কৃষক। এই দুঃখে উকিল মুন্সি বাড়ি ছেড়ে শ্যামপুর, পাগলাজোড়, জৈনপুরে ঘুরে বেড়ান।

উকিল এক সময় জৈনপুরে থিতু হয়ে এ গ্রামের মসজিদে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত ইমামতি করেন। উকিল মুন্সি নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের বহু স্থানে বৈঠকি বাউলগান ও মালজোড়া বাউলগানের আসর মাতিয়েছেন। ৩১ বছর বয়সে জালালপুর গ্রামের লবু হোসেনের সুন্দরী কন্যা‘র সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

১৯১৬ সালে হামিদা খাতুনের আগ্রহে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক পুত্র, সাত্তার মুন্সী। ১৯৭৮ সালের মাঝামাঝিতে উকিল মুন্সীর স্ত্রী হামিদা খাতুন এবং এর কয়েক মাস পর ছেলে সাত্তার মুন্সী মৃত্যুবরণ করেন। সে বছরই তিনি অসুস্থ হয়ে ১২ ডিসেম্বরে ৯৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি তার বিরহের সুর ও কথা দিয়ে হয়ে উঠেন বিচ্ছেদ সম্রাট।

#ভৈরবী

#সংস্কৃতির_সম্মিলনে_বাঙ্গালির_মননে

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


House No/33A, Road/4, Dhanmandi R/A
Dhaka
1205