১। কত কিলোওয়াট লোড পর্যন্ত 230 ভোল্ট ,
এক ফেজ সরবরাহ অনুমদিত ?
উত্তরঃ- 7.5 কিলোওয়াট লোড পর্যন্ত 230 ভোল্ট ,
এক ফেজ সরবরাহ অনুমদিত.
২। কত কিলোওয়াট লোড পর্যন্ত 440 ভোল্ট ,
তিন ফেজ সরবরাহ অনুমদিত ?
উত্তরঃ-7.5 কিলোওয়াট থেকে 50 কিলোওয়াট লোড পর্যন্ত 440 ভোল্ট , তিন ফেজ সরবরাহ অনুমদিত ।
৩। কত লোডের জন্য 11000 ভোল্ট AC তে service সংযোগ দেবার নিয়ম ?
উত্তরঃ- 50 KW এর উপরে হতে 5 MW পর্যন্ত লোডের ক্ষেত্রে মদম চাপের জন্য 11000 ভোল্ট AC তে service সংযোগ দেবার নিয়ম রয়েছে।
.
Online Engineering School BD
Its a Engineering educational page, where the educational information is being share.
#চলুন_নতুন_কিছু_শিখি......
ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্নত্তোরঃ
১। রীলে কী?
রীলে এমন একটি সয়ংক্রীয় ডিভাইস, যা বৈদ্যুতিক সার্কিট এ কোন ফল্ট সংঘটিত হলে, সার্কিট এর প্রটেকটিভ ডিভাইস গুলো কে সয়ংক্রীয় ভাবে অপারেট করে এবং ফল্টযুক্ত অংশ কে ফল্টবিহীন অংশ হতে আলাদা করে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
২। ১০ টি রিলের নাম
A। প্রাইমারি রিলে B। সেকেন্ডারি রিলে C। ডিরেকশনাল রিলে D। ডিফারেন্সিয়াল রিলে E। থার্মাল রিলে। F। ইলেক্ট্র থার্মাল রিলে G। রিভার্স পাওয়ার রিলে H। সলিনয়েড এন্ড প্লাঞ্জার রিলে I। ডিসট্যান্স রিলে J। ওভার ভোল্টেজ ও ওভার কারেন্ট রিলে .
৩। রিভার্স পাওয়ার রীলে প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অলটারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রীলে। এ রকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রীলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
৪। থার্মাল রীলে
যে রীলে কারেন্ট বৃদ্ধির ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে সাড়া দেয়, তাকে থার্মাল রীলে বলে। এটা সাধারণত মোটর কন্ট্রোল সার্কিট, ব্যালান্স এবং আন-ব্যালান্স থ্রি-ফেজ সার্কিটে ব্যবহার করা হয়।
৫। ডিফারেনশিয়াল রীলে ডিফারেনশিয়াল রীলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রীলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।
৬। HRC ফিউজ HRC= High Rupturing Capacity । উচ্চ কারেন্ট প্রবাহিত হয় এরকম লাইনে যে ফিউজ ব্যবহার হয় সেগুলো HRC ফিউজ। এতে চিনা মাটির তৈরি কেসিং এর মধ্যে ফিউজ তার সংযুক্ত থাকে। ফিউজ তারের চারদিকে বালু বা চক পাউডার এবং কেসিং এর দু-মাথায় দুটি পিতলের ঢাকনা থাকে। ফিউজ তার উভয় ঢাকনার সাথে সংযুক্ত থাকে।
৭। বুখলজ রীলে ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন ত্রুটির প্রটেকশন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটর এর মাঝে পাইপে যে রীলে বসানো থাকে সেটাই বুখলজ রীলে। ত্রুটিজনিত অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে যে গ্যাসের সৃষ্টি হয়, তার চাপেই এই রীলে কাজ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র অয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রীলে ব্যবহৃত হয়।
৮। আর্থিং সুইস কি? ট্রান্সমিশন লাইন রক্ষণাবেক্ষণের সময় লাইনে বিদ্যমান চার্জিং কারেন্টকে মাটিতে পাঠানোর জন্য যে সুইস ব্যবহৃত হয় সেটি আর্থিং সুইস (ES) নামে পরিচিত। আগে আইসোলেটর দিয়ে সার্কিট ডিসকানেক্ট করে আর্থ সুইস দ্বারা লাইনকে আর্থের সাথে সংযোগ করা হয়।
৯। ওয়েভ ট্রাপ কি? সাব-স্টেশনে ব্যবহৃত ক্যারিয়ার সরঞ্জামাদির মধ্যে ওয়েভ ট্রাপ অন্যতম একটি ডিভাইস, যার মাধ্যমে ট্রান্সমিশন লাইনের ওয়েভকে ফিল্টার করা হয়। পাওয়ার লাইনের মাধ্যমেই কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিও পাঠানো হয়, পরবর্তীতে এই ওয়েভ ট্রাপ দিয়ে কমুনিকেশন ফ্রিকুয়েন্সিকে আলাদা করে শব্দ শক্তিতে রুপান্তর করে টেলিফোন বা যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়।
১০। সার্জ ভোল্টেজ কি? পাওয়ার সিস্টেমে হঠাৎ করে খুব অল্প সময়ের জন্য অস্বাভাবিক ভোল্টেজ বৃদ্ধিকে সার্জ ভোল্টেজ বলে। একে ট্রানজিয়েন্ট ভোল্টেজও বলে।
১১। কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর কারেন্ট লিমিটিং রিয়াক্টর বা বিদ্যুৎ সীমিত করন রিয়াক্টর যথেষ্ট ইন্ডাক্টিভ রিয়াক্ট্যান্স বিশিষ্ট এক ধরনের ইন্ডাকটিভ কয়েল। শর্ট সার্কিট অবস্থায় কারেন্টের পরিমাণকে সীমিত রেখে ফল্ট কারেন্টের বিপদমাত্রা নিরাপদ সীমায় নিয়ে আসার জন্য এই রিয়াক্টর লাইনের সাথে সিরিজে সংযোগ করা হয়।
১২। লোড শেডিং যখন চাহিদার তুলনায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ এর পরিমান কম হয়, তখন কোন কোন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রেখে অন্যান্য এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হয়, যাতে ওভার লোডে পুরো সিস্টেম বন্ধ হয়ে না যায়। এ ব্যবস্থাকে লোড শেডিং বলে।
১৩। লোড শেয়ারিং একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের উপর অর্পিত সকল লোড বিভিন্ন প্লান্টের সকল জেনারেটরের মধ্যে যুক্তিযুক্ত ভাবে বন্টন করাকে লোড শেয়ারিং বলে।
১৪। ‘ j ‘ operator কাকে বলে? একটি operator যার মান √-1 কোন ভেক্টরের সহিত মাল্টিপ্লাইং ফ্যাক্টর হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে উক্ত ভেক্টর এর ৯০০ বামাবর্তে ঘূর্ণন নির্দেশ টাকা ‘ j ‘ operator বলে।
১৫। ওহমের সূত্র ওহমের সুত্রঃ স্থির তাপমাত্রায় কোন বর্তনীর মধ্য দিয়ে যে কারেন্ট প্রবাহিত হয়, তাহা ঐ বর্তনীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সহিত সরাসরি সমানুপাতিক এবং রেজিস্টেন্সের সহিত উল্টানুপাতিক। অর্থাৎ I αV or I α1/V or I =V/R.
১৬। কারশফের সূত্র কারশফের কারেন্ট সুত্র (KCL) কোন বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের এক বিন্দুতে মিলিত কারেন্ট সমুহের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য অথবা কোন বিন্দুতে আগত কারেন্ট = নির্গত কারেন্ট। কারশফের ভোল্টেজ সুত্র (KVL) কোন বদ্ধ বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্কের সকল ই.এম.এফ এবং সকল ভোল্টেজ ড্রপের বীজগাণিতিক যোগফল শুন্য।
১৭। ফ্যারাডের সূত্র প্রথম সুত্রঃ একটি তার বা কয়েলে ই. এম. এফ আবিষ্ট হয় তখন, যখন উক্ত তার বা কয়েলের সাথে সংশ্লিষ্ট চৌম্বক ফ্লাক্স বা চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তন ঘটে। .
দ্বিতীয় সুত্রঃ আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বল এর পরিমান চৌম্বক বল রেখার পরিবর্তনের হারের সাথে সরাসরি সমানুপাতিক। উপরোক্ত সূত্র দুটি একত্রে এভাবে লেখা যায়ঃ একটি পরিবাহী এবং একটি চৌম্বক ক্ষেত্রে আপেক্ষিক গতি যখন এরুপভাবে বিদ্যমান থাকে যে, পরিবাহীটি চৌম্বক ক্ষেত্রটিকে কর্তন করে, তখন পরিবাহিতে আবেশিত একটি বিদ্যুচ্চালক বল সংঘটিত কর্তনের হারের সাথে সমানুপাতিক।
১৮। লেনজের সূত্র লিখ। আবেশিত বিদ্যুচ্চালক বলের কারনে পরিবাহী তারে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্ট পরিবাহী তারের চারপাশে একটি চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, যা দারা আবেশিত কারেন্টের উৎপত্তি, উহাকেই (অর্থাৎ পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স) এ (সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্র) বাধা প্রদান করে । যেখানে পরিবাহী স্থির এবং চৌম্বক ক্ষেত্র গতিতে থাকে সেখানে লেনজের সূত্র ব্যবহার হয়। .
১৯। ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল কি? দক্ষিণ হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলি, তর্জনী ও মধ্যমাকে পরস্পর সমকোণে রেখে বিস্তৃত করলে যদি তর্জনী চৌম্বক বলরেখার অভিমুখ এবং বৃদ্ধাঙ্গুলি পরিবাহী তারের ঘূর্ণনের অভিমুখ নির্দেশ করে, তবে মধ্যমা পরিবাহিতে প্রবাহিত আবেশিত কারেন্টের অভিমুখ নির্দেশ করেবে। ইহাই ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল। যেখানে চৌম্বক ক্ষেত্র স্থির এবং পরিবাহী গতিতে থাকে, সেখানে ফ্লেমিং এর রাইট হ্যান্ড রুল ব্যবহার করা হয়। .
২০। মিউচুয়াল ফ্লাক্স কাকে বলে? পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কয়েলের একটিতে কারেন্ট প্রবাহের ফলে সৃষ্ট ফ্লাক্সের যে অংশবিশেষ অন্যটিতে সংশ্লিষ্ট হয়, তাকে মিউচুয়াল ফ্লাক্স বলে। .
২১। এডি কারেন্ট যখন একটি বৈদ্যুতিক চুম্বকের কয়েলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট পরিবর্তিত হতে থাকে, তখন চৌম্বক ক্ষেত্রও পরিবর্তিত হতে থাকে। এই পরিবর্তনশীল ফ্লাক্স কয়েলের তারকে কর্তন করে, ফলে কয়েলে একটি ভোল্টেজের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে এই ফ্লাক্স লৌহ দণ্ডকেও কর্তন করে। ফলে এই লৌহ দণ্ডেও ভোল্টেজের সৃষ্টি হয়। এই ভোল্টেজের কারনে লৌহ দণ্ডে একটি কারেন্ট আবর্তিত হতে থাকে, এই আবর্তিত কারেন্টকেই এডি কারেন্ট বলে।
২২। স্যাগ দুইটি পোল বা টাওয়ারের মধ্যে কন্ডাকটর লাগানো হলে কন্ডাকটরটি কিছুটা ঝুলে পড়ে। পোল বা টাওয়ার দুইটির যে বিন্দুতে কন্ডাকটর লাগানো হয়েছে সেই বিন্দু দুইটির সংযোগকারি কাল্পনিক রেখা হতে কন্ডাকটরটির সর্বোচ্চ ঝুলকে স্যাগ (SAG) বা ঝুল বলে।
২৩। তার ও ক্যাবল তার খোলা বা হালকা ইন্সুলেশন যুক্ত হয় এবং সলিড বা স্ট্রান্ডেড হয়, কিন্তু ক্যাবল সব সময় ইন্সুলেটেড ও স্ট্রান্ডেড হয়।
২৪। A.C.S.R ক্যাবল একে Steel cored aluminium-ও বলে। উচ্চ ভোল্টেজ পরিবহন করার জন্য অ্যালুমিনিয়াম কন্ডাকটরের কেন্দ্রে প্রলেপ যুক্ত ষ্টীল কোর ব্যবহার করে A.C.S.R তার তৈরি করা হয়। এতে অ্যালুমিনিয়াম তারের টান সহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
২৫। লাইটিং এরেস্টার লাইটনিং এরেস্টার বা সারজ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সারজ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।
সংগৃহীত
~কুসংস্কার~
ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি আসে,
মোরগ ডাকলে ভোর।
কুকুর ডাকলে লেজ গুছিয়ে,
ছিটকে পালায় চোর।।
পেঁচা ডাকলে অশুভ হয়,
শকুন ডাকলে মরণ।
হঠাৎ কোন বিপদ নাকি,
কাকের ডাকের কারণ।।
পাখি ডাকলে কুটুম আসে,
মিষ্টি হাতে নিয়ে।
বৃষ্টির মাঝে রোদ হাসিলে,
শেয়াল মামার বিয়ে।।
সত্য-মিথ্যা যাচাই করি,
টিকটিকির টিক ডাকে।
বউ পাগল হয় সেই ছেলেটা,
ঘাম থাকে যার নাকে।।
হঠাৎ করে চোখ কাঁপিলে,
দুঃখ আসে বটে।
বসা নাকি যাবে না ঐ,
ঘরেরই চৌকাটে।।
যাত্রা নাকি অশুভ হয়,
দেখলে ঝাড়ু পথে।
কাড়িকাড়ি টাকা আসে,
চুলকালে ডান হাতে।।
খাবার সময় উঠলে হাঁচি,
কেউতো স্মরন করে।
দুইবার ভাত না নিলে,
তার অকালে বউ মরে।।
ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখিতে
মুরুব্বিদের মানা।
কুসংস্কারে আমরা আজও,
চোখ থাকিতে কানা।।
.................................
#সংগৃহীত......
08/04/2022
প্রশ্নঃ সাব-স্টেশন কি?
উত্তরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
প্রশ্নঃ ১১ কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুইপমেন্ট থাকে?
Ø ট্রান্সফরমার।
Ø LT সুইচগিয়ার।
Ø HT সুইচগিয়ার।
Ø PFI প্লান্ট।
প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?
উত্তরঃ সুইচগিয়ার বলতে সাধারণত ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সুইচিং ব্যবস্থা, নিয়ন্ত্রণ, প্রটেকশন, পরিমাপ ও সিস্টেমে ভারসাম্য রক্ষাকারী সরঞ্জাম এবং ঐ সব সরঞ্জাম স্থাপনের কাঠামো, কক্ষ ও ওয়্যারিং এর সমষ্টিকে বুঝায়। সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং, কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে।
প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?
Ø LT সুইচগিয়ার
Ø HT সুইচগিয়ার
প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উত্তরঃ LT সুইচগিয়ারঃ সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং, কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।
HT সুইচগিয়ারঃ সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং, কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ
MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার।
HT সুইচগিয়ারঃ VCB সার্কিট ব্রেকার।
প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উত্তরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল, যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়, তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।
প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?
উত্তরঃ HT সুইচগিয়ার মূলত: ট্রান্সফরমারকে সাট-ডাউন করানো এবং LT সুইচগিয়ার মূলত: লোডকে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ PFI কি?
উত্তরঃ পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।
প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃষ্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়। এই লসকে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।
প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টেপ সিলেকশন করতে হয়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০ কেভি থেকে ২৫০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা।
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫ কেভি থেকে ২০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা।
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০ কেভি থেকে ৪০০০ কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা।
প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।
প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশকে বলে?
উত্তরঃ ৩৩ কেভি থেকে ১১ কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইনকে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪ কেভি (৪০০ ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইনকে বলা হয় LT সাইড।
প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?
উত্তরঃ
জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১ কেভি, ৩৩ কেভি, ১৩২ কেভি, ২৩০ কেভি, ৪০০ কেভি।
ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০ কেভি, ২৩০ কেভি, ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি, ১১ কেভি।
প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০ কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উত্তরঃ কারন ৪০০০ কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।
আইসোলেটরঃ আইসোলেটর বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইচ, যা অফ লাইনে অপারেটিং করা হয়।
লাইটিং এরেস্টারঃ লাইটনিং এরেস্টার বা সার্জ ডাইভারটার এক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল প্রটেকটিভ ডিভাইস, যা পাওয়ার সিস্টেমে হাই ভোল্টেজকে বা সার্জ ভোল্টেজকে সরাসরি মাটিতে প্রেরন করে।
রিভার্স পাওয়ার রিলেঃ প্যারালেল অপারেশনে কোন অল্টারনেটরের ইনপুট কোন কারনে বন্ধ হলে বা অন্য কোন ত্রুটিতে ঐ অল্টারনেটর যদি বাসবার হতে পাওয়ার নেয় অর্থাৎ উল্টাদিক হতে পাওয়ার নিয়ে অল্টারনেটরটি মোটর হিসাবে কাজ করে তখন যে রিলের মাধ্যমে প্রটেকশন দেয়া হয় তার নাম রিভার্স পাওয়ার রিলে। এরকম অবস্থায় রিভার্স পাওয়ার রিলে এনারজাইজড হয় এবং ঐ অল্টারনেটরের সার্কিট ব্রেকার ট্রিপ করে সিস্টেমকে রক্ষা করে।
বুখলজ রিলেঃ ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন ত্রুটির প্রটেকশন ও সতর্কীকরণ ব্যবস্থার জন্য ট্রান্সফরমার ট্যাংক ও কনজারভেটর এর মাঝে পাইপে যে রিলে বসানো থাকে সেটাই বুখলজ রিলে। ত্রুটিজনিত অতিরিক্ত কারেন্ট হতে সৃষ্ট উত্তাপে ট্রান্সফরমার ট্যাংকে যে গ্যাসের সৃষ্টি হয়, তার চাপেই এই রিলে কাজ করে থাকে। অর্থাৎ শুধুমাত্র অয়েল কুলিং ট্রান্সফরমারে এই রিলে ব্যবহৃত হয়।
ডিফারেনশিয়াল রিলেঃ ডিফারেনশিয়াল রিলে এমন এক ধরনের ডিভাইস, যা দুই বা ততোধিক ইলেকট্রিক্যাল মান বা দিকের ভেক্টর পার্থক্য, যখন একটি আগে থেকেই নির্ধারিত মানের চেয়ে বেশি বা কম হয় তখন এই রিলে কাজ করে সিস্টেমকে বা ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রকে রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ ড্রপ আউট ফিউজ কি?
যে সব ক্ষেত্রে ফিউজ লিংক, ফিউজ ক্যারিয়ার সহ প্রতিটি অপারেশনের পর ড্রপ আউট হয়। ফিউজ লিংক থেকে যদি ফিউজের ক্যারিয়ার এসে ঝুলতে থাকে এবং লাইনের উভয় টার্মিনাল পৃথকীকরণ হয়, এ ধরনের ফিউজকে ড্রপ আউট ফিউজ বলে।
প্রশ্নঃ ফিউজিং কারেন্ট কি?
উত্তরঃ সর্বনিন্ম যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহিত হলে ফিউজ তার গলে যায় তাকে ঐ ফিউজের ফিউজিং কারেন্ট বলে। এই কারেন্টের মান ঐ ফিউজের ফিউজিং এলিমেন্ট কারেন্ট রেটিং এর বেশি হয়।
প্রশ্নঃ কারেন্ট রেটিং অফ ফিউজিং এলিমেন্ট কি?
উত্তরঃ ফিউজ তার অতিরিক্ত গরম না হয়ে বা গলে না গিয়ে ম্যাক্সিমাম যে পরিমান কারেন্ট বহন করতে সক্ষম, তাকে ঐ ফিউজের কারেন্ট রেটিং বলে।
প্রশ্নঃ ফিউজের কাট অফ কারেন্ট কি?
উত্তরঃ শর্ট সার্কিট কারেন্ট সর্বোচ্চ যে মানে পৌঁছার পূর্বে ফিউজ তার গলে যায়, তাকে ঐ ফিউজের কাট অফ কারেন্ট বলে।
প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কাকে বলে?
উত্তরঃ সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষন যন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।
প্রশ্নঃ সিমেট্রিক্যাল ফল্ট কি?
উত্তরঃ সিস্টেমে যে ফল্টের কারণে থ্রি-ফেজ সিস্টেমে প্রতিটি ফেজে সমান ফল্ট কারেন্ট প্রবাহিত হয়, এ রকম ফল্টকে সিমেট্রিক্যাল ফল্ট বলে।
প্রশ্নঃ বাসবার কি?
উত্তরঃ বাসবার এক ধরনের তামা বা এলুমিনিয়ামের তৈরি পরিবাহী পাত, বার বা রড, যা এক বা একাধিক সার্কিটে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ ও বিতরন করে।
প্রশ্নঃ বাস কাপলার কি?
উত্তরঃ বাস কাপলার মূলত: সার্কিট ব্রেকার ও আইসোলেটর এর সমন্বয়ে গঠিত। যা এক বাস এর সাথে অন্য বাসের সংযোগ এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ ক্যাবলের R.M মানে কি বোঝায়?
উত্তরঃ RM=round conductor multi wire or stranded wire.
প্রশ্নঃ কোন ধরনের সুইচগিয়ারে ACB ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ (LT Switchgear) লো-ভোল্টেজ লাইনে ACB ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কত প্রকার এবং কি কি?
উত্তরঃ সাবস্টেশন লাইনে মূলত: চার প্রকার সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB
প্রশ্নঃ HT/LT সুইচগিয়ারে কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ HT/LT সুইচগিয়ারে মূলত
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য VCB সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য LBS ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ LBS, VCB, MCCB, MCB, ACB কি?
উত্তরঃ
LBS (Load Break Switch)
MCB (Miniature Circuit Breaker)
MCCB (Moulded Case Circuit Breaker)
ACB (AIR Circuit Breaker)
VCB (Vacuum Circuit Breaker)
প্রশ্নঃ বাস-বার কি?
উত্তরঃ মোটামুটি সবাই জানি বাসবার হচ্ছে এক ধরনের তামা (copper) বা অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum) এর তৈরি পরিবাহির পাত বা পরিবাহির বার অথবা পরিবাহির রড। বাসবার একাদিক ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট থেকে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ করে এবং বিতরন করে।
প্রশ্নঃ কিসের উপরের ভিত্তে করে বাস বার সিলেকশন করা হয়?
উত্তরঃ লাইনের কারেন্টের উপর ভিত্তি করে বাসবার সিলেকশন করা হয়।
প্রশ্নঃ কেন বাসবার সিলেকশনের ক্ষেত্রে কপার নেয়া হয়?
উত্তরঃ কারন কপারের ইফেসিয়েন্সি অনেক বেশি এবং লস কম হয়।
প্রশ্নঃ CT & PT কি?
উত্তরঃ CT কারেন্ট ট্রান্সফরমার আর PT পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার।
প্রশ্নঃ সাবস্টেশন লাইনে CT & PT কিভাবে কানেকশন করা হয়?
উত্তরঃ CT সিরিজে কানেকশন দেয়া হয় এবং PT প্যারালালে কানেকশন দেয়া হয়
প্রশ্নঃ CT কত প্রকার ও কি কি?
উত্তরঃ কারেন্ট ট্রান্সফরমার ৩ ধরনের।
* Wound Current Transformer.
* Toroidal Current Transformer.
* Bar-type Current Transformer.
প্রশ্নঃ CT 5P 20 30VA রেটিং মানে কি বোঝায়?
উত্তরঃ
5= % of Error
P= Protection Class
20=Multiply by 20 line current
30VA= Barden of circuit breaker
প্রশ্নঃ CT & PT কোন ধরনের ট্রান্সফরমার?
উত্তরঃ CT & PT হচ্ছে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার।
প্রশ্নঃ CT & PT পার্থক্য কি?
উত্তরঃ হাই কারেন্ট পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত কারেন্ট থেকে রক্ষা করে।
হাই ভোল্টেজ পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোল্টেজ থেকে রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ CT & PT তে কোন ধরনের রিলে ব্যবহার করা হয়?
উত্তরঃ IDMT Relay, Deferential relay, Directional relay etc
প্রশ্নঃ সাবস্টেশানে কেন পাথর ব্যবহার করা হয়?
১) Ground Potential Rise (GPR) কমানোর জন্য। উচ্চ ভোল্টেজের লাইন হতে গ্রাউন্ডে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। পাথর গ্রাউন্ডের রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি করে উক্ত কারেন্টকে নিয়ন্ত্রণ করে।
২) Step Potential এবং Touch Potential কমানোর জন্য। উচ্চ ভোল্টেজের কোন ফিল্ডে গতিশীল কোন দু'পায়ের স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুইপায়ের মধ্যবর্তী ভোল্টেজকে Step Potential বলা হয়। সাবস্টেশানের গ্রাউন্ডিং দুর্বল হলে অথবা পটেনশিয়াল ইনব্যালেন্স অবস্থার সৃষ্টি হলে; সাবস্টেশানে হাটার সময় দুইপায়ের মধ্যবর্তী স্থানে ভোল্টেজ ডিফারেন্স সৃষ্টি হয়ে শক পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পাথর থাকলে রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়, শকের ঝুঁকি কমে। Touch Potential হচ্ছে কোন ইলেক্ট্রিক্যাল যন্ত্র হাতে ধরে কাজ করার সময় মানুষের হাত ও পায়ের মধ্যবর্তী ভোল্টেজ। এই ভোল্টেজ বেশি হলে বৈদ্যুতিক শক পায় মানুষ।
৩) সাবস্টেশানে ঘাস ও আগাছা জন্মানো রোধ করে পাথর। পাথরের পরিবর্তে মাটি থাকলে দ্রুত গাছপালা উঠে। বৃষ্টি হলে কাঁদামাটিতে পিচ্ছিল হয়ে যায়।
৪) পাথর ব্যবহারের কারনে সাপ, ইঁদুর, ব্যাঙ এবং অন্যান্য ছোটপ্রানীর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এদের চলাচলের কারনে উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি শর্ট সার্কিট হয়ে যেতে পারে।
৫) পাথরে লিকেজ তেল জমতে পারে না। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমে।
৬) পাথর কংক্রিট ঢালাইয়ের চেয়ে খরচ কম এবং পাথর সরিয়ে সহজে গ্রাউন্ডিং পরিবর্তন ও নতুন গ্রাউন্ডিং করা যায়।
সাব-স্টেশন ক্যালকুলেশন করতে #লোড ক্যালকুলেশান:
আমরা একটি লোড ধরে নিলাম = 624.368 KW = 624.368/0.8 = 780.46 KVA সাব-স্টেশন ক্যালকুলেশন করতে ৪ টি ধাপ অনুসরন করতে হবে।
1.Transformer Selection
2. LT Switchgear Selection
3. HT Switchgear Selection
4. PFI Panel Selection
Selection এখানে আমাদের যত KVA লোড তার কাছাকাছি 3 Phase Transformer Selection করতে হবে।
এখানে আমাদের লোড = 780.46 KVA বাজারে সাধারনত নি¤œ মানের KVA Transformer পাওয়া যায়।
100 kVA, 200 KVA, 250 KVA, 315 KVA,400 KVA, 500 KVA, 630 KVA,750 KVA,800 KVA,1000 KVA, 1250 KVA.
সুতরাং আমাদের 800 KVA Transformer লাগবে।
Switchgear Selection:
Transformer Capacity কে 1.4 (approx.) গুন দ্বারা করলে LT Switchgear এর capacity পাওয়া যায়।
সুতরাং 800 KVA Transformer এর জন্য LT Switchgear লাগবে = 800 x 1.4 = 1120 A
Switchgear Selection :
HT Switchgear Capacity Selection বলতে এখানে মুলত Breaker Selection কে বুঝায় । Transformer 630 KVA এর নিচে হলে LBS আর Transformer 630 KVA বা তার বেশি হলে (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং এখানে 800 KVA Transformer এর জন্য (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।
Panel Selection :
Transformer Capacity কে 0.6(sine thita) দ্বারা গুন করলে PFI Panel এর capacity পাওয়া যায়। সুতরাং 800 KVA এর জন্য PFI Panel হবে = 800 x 0.6=480 KVAR.
এবিসি লাইসেন্স এ আসার মতো কিছু প্রশ্ন
১। সুইচ বোর্ড এর অবস্থান নিয়েছে হতে কত উপরে হওয়া উচিত ?
উঃ 1.2 হতে 1.5 মিটার অথবা 4থেকে5 ফুট ।
২। পাওয়ার সাব সার্কিটে সর্বোচ্চ কত ওয়াট লোড থাকতে পারে ?
উঃ ৩০০০ ওয়াট
৩। মেগারের সাহায্যে সর্বনিম্ন কত রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা যায় ?
উঃ ৫০০ কিলো ওহম।
৪। পাওয়ার লোড এ ব্যবহৃত ক্যাবল এর সর্বনিম্ন সাইজ কত ?
উঃ ৩/২০
৫। তার বা ক্যাবলের ইনসুলেশন গ্রেট কিসের উপর নির্ভর করে ?
উঃ এদের কারেন্ট বহন ক্ষমতার উপর।
৬। ওয়েস্টার্ন ইউনিট জয়েন্ট কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উঃ ওভারহেড লাইনে ।
৭। সার্ভিস লাইন এর সর্বনিম্ন তারের সাইজ কত ?
উঃ ৪.৫ আর এম
৮। একাধিক খেয়ে বিশিষ্ট তারে কি জয়েন্ট করা হয়?
উঃ সিম্পল স্প্লাইস।
৯। বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং কাকে বলে ?
উঃ বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারের সুশৃংখল সাজানো ব্যবস্থাকে ওয়ারিং বলে ।
১০। মেইন সুইচ সাধারণত কত ভোল্টেজ এর হয় ?
উঃ ২৫০ এবং ৪০০ ভোল্টেজ।
১১। সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং এ পাইপ এর সর্বনিম্ন বয়স কত ?
উঃ ১/২"
১২। কোন জয়েন্ট বেশি টান সহ্য করতে পারে ?
উঃ ওয়েস্টার্ন ইউনিট জায়েন্ট ।
১৩। সাব-স্টেশনে আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া উচিত ?
উঃ সর্বোচ্চ ১ ওহম এর বেশি হওয়া উচিত নয় ।
১৪। এইচআরসি ফিউজ কোথায় ব্যবহার করা হয় ?
উঃ পি এফ আই বোর্ডে ।
১৫। এলটি ক্যাবলের ভোল্টেজ গ্রেটিং কত ?
উঃ ১০০০ ভোল্টেজ পর্যন্ত।
১৬। সাবমেরিন ক্যাবল কোথায় ব্যবহার করা হয় ?
উঃ নদী ও সাগরের নিচ দিয়ে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার পরিবহনের জন্য ।
১৭। ডিস্ক ইনসুলেটর রেজিস্ট্যান্স কত ?
উঃ একটি ডিস্ক দেশের জন্য 11kv
১৮। ডায়নামো কি ?
উঃ ডিসি জেনারেটর ডায়নামো বলে ।
১৯। স্ট্যাটার ছাড়া কি টিউবলাইট জ্বালানো সম্ভব ?
উঃ হ্যাঁ সম্ভব ।
২০। সুইচ অফ করা সত্ত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাওয়া যায় কেন ?
উঃ সুইচ ফেজে সংযোগ না করে নিউটনের সংযোগ করা হয়েছে
২১। টিউব লাইটের দুইদিকে জ্বলে থাকে পূর্ণভাবে জ্বলে না কারণ কি ?
উঃ টিউবের ভিতরে প্রয়োজনীয় গ্যাস নেই অথবা পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না ।
২২। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি ?
উঃ ক্যাপাসিটর দুর্বল অথবা বেয়ারিং জ্যাম অথবা কয়েলের ইন্সুলেশন দুর্বল ।
২৩। সিলিং ফ্যান পূর্ণবেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উঃ পাখার ব্লেড-এর বাক কম অথবা সিলিং হতে খুবই নিকটে ।
২৪। 3 ফেজ 20 হর্সপাওয়ার মোটর এর ক্রয় কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার 10 হর্সপাওয়ার 3 ফেজ মোটর ব্যবহার করা যাবে কি ?
উঃ হ্যাঁ , তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে ।
২৫। কোন ট্রান্সফরমারের কেবলমাত্র একটি কোয়েল থাকে ?
উঃ অটো ট্রান্সফর্মার ।
সংগৃহীত.....
এবিসি লাইসেন্স এ আসার মতো কিছু প্রশ্ন
১। সুইচ বোর্ড এর অবস্থান নিয়েছে হতে কত উপরে হওয়া উচিত ?
উঃ 1.2 হতে 1.5 মিটার অথবা 4থেকে5 ফুট ।
২। পাওয়ার সাব সার্কিটে সর্বোচ্চ কত ওয়াট লোড থাকতে পারে ?
উঃ ৩০০০ ওয়াট
৩। মেগারের সাহায্যে সর্বনিম্ন কত রেজিস্ট্যান্স পরিমাপ করা যায় ?
উঃ ৫০০ কিলো ওহম।
৪। পাওয়ার লোড এ ব্যবহৃত ক্যাবল এর সর্বনিম্ন সাইজ কত ?
উঃ ৩/২০
৫। তার বা ক্যাবলের ইনসুলেশন গ্রেট কিসের উপর নির্ভর করে ?
উঃ এদের কারেন্ট বহন ক্ষমতার উপর।
৬। ওয়েস্টার্ন ইউনিট জয়েন্ট কোথায় ব্যবহার করা হয়?
উঃ ওভারহেড লাইনে ।
৭। সার্ভিস লাইন এর সর্বনিম্ন তারের সাইজ কত ?
উঃ ৪.৫ আর এম
৮। একাধিক খেয়ে বিশিষ্ট তারে কি জয়েন্ট করা হয়?
উঃ সিম্পল স্প্লাইস।
৯। বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং কাকে বলে ?
উঃ বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারের সুশৃংখল সাজানো ব্যবস্থাকে ওয়ারিং বলে ।
১০। মেইন সুইচ সাধারণত কত ভোল্টেজ এর হয় ?
উঃ ২৫০ এবং ৪০০ ভোল্টেজ।
১১। সারফেস কন্ডুইট ওয়্যারিং এ পাইপ এর সর্বনিম্ন বয়স কত ?
উঃ ১/২"
১২। কোন জয়েন্ট বেশি টান সহ্য করতে পারে ?
উঃ ওয়েস্টার্ন ইউনিট জায়েন্ট ।
১৩। সাব-স্টেশনে আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া উচিত ?
উঃ সর্বোচ্চ ১ ওহম এর বেশি হওয়া উচিত নয় ।
১৪। এইচআরসি ফিউজ কোথায় ব্যবহার করা হয় ?
উঃ পি এফ আই বোর্ডে ।
১৫। এলটি ক্যাবলের ভোল্টেজ গ্রেটিং কত ?
উঃ ১০০০ ভোল্টেজ পর্যন্ত।
১৬। সাবমেরিন ক্যাবল কোথায় ব্যবহার করা হয় ?
উঃ নদী ও সাগরের নিচ দিয়ে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার পরিবহনের জন্য ।
১৭। ডিস্ক ইনসুলেটর রেজিস্ট্যান্স কত ?
উঃ একটি ডিস্ক দেশের জন্য 11kv
১৮। ডায়নামো কি ?
উঃ ডিসি জেনারেটর ডায়নামো বলে ।
১৯। স্ট্যাটার ছাড়া কি টিউবলাইট জ্বালানো সম্ভব ?
উঃ হ্যাঁ সম্ভব ।
২০। সুইচ অফ করা সত্ত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাওয়া যায় কেন ?
উঃ সুইচ ফেজে সংযোগ না করে নিউটনের সংযোগ করা হয়েছে
২১। টিউব লাইটের দুইদিকে জ্বলে থাকে পূর্ণভাবে জ্বলে না কারণ কি ?
উঃ টিউবের ভিতরে প্রয়োজনীয় গ্যাস নেই অথবা পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না ।
২২। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি ?
উঃ ক্যাপাসিটর দুর্বল অথবা বেয়ারিং জ্যাম অথবা কয়েলের ইন্সুলেশন দুর্বল ।
২৩। সিলিং ফ্যান পূর্ণবেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উঃ পাখার ব্লেড-এর বাক কম অথবা সিলিং হতে খুবই নিকটে ।
২৪। 3 ফেজ 20 হর্সপাওয়ার মোটর এর ক্রয় কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার 10 হর্সপাওয়ার 3 ফেজ মোটর ব্যবহার করা যাবে কি ?
উঃ হ্যাঁ , তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে ।
২৫। কোন ট্রান্সফরমারের কেবলমাত্র একটি কোয়েল থাকে ?
উঃ অটো ট্রান্সফর্মার ।
প্রশ্নের মধ্যে কোন ভুল থাকলে সংশোধন করে দিবেন ইনশাআল্লাহ....
সংগৃহিত......
ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়াবলী
👉ওহমের সূত্র:- কোন সার্কিটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ঐ সার্কিটের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক অর্থাৎ V∞I বা V=IR ।
👉কারেন্ট:- পরিবাহির মধ্যদিয়ে ইলেক্ট্রনের প্রবাহকে বলা হয় কারেন্ট ।কারেন্টের একক অ্যাম্পিয়ার সংক্ষেপে Amp বা A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
👉ভোল্টেজ:- ইলেক্ট্রন গুলোকে স্থানচুত্য করার জন্য প্রয়োজনীয় চাপকে ভোল্টেজ বলা হয় । ভোল্টেজের একক ভোল্ট Volt বা V।
👉রেজিস্টেন্স:- কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা ভোল্টেজ চলাচলে যে বাধা প্রাপ্ত হয় তাই রেজিস্টেন্স, সার্কিটের মধ্যে রেজিস্টর ব্যবহার করা হয় প্রয়োজনীয় বাধা দানের জন্য। রেজিস্টেন্সের একক ওহম(Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
এসি(AC): অলটারনেটিং করেন্ট।
ডিসি(DC):ডাইরেক্ট কারেন্ট।
👉ফ্রিকুয়েন্সি:- কোন পরিবর্তনশীল রাশি প্রতি সেকেন্ট যতগুলি সাইকেল সম্পন্ন করে তাকে ফ্রিকুয়েন্সি বলে ।
👉পাওয়ার ফ্যাক্টর:- অল্টারনেটিং কারেন্ট এবং ভোল্টেজ এর মধ্যবর্তী ফেইজ অ্যাংঙ্গেল এর Cosine মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে অথবা এসি সার্কিটের Active Power ও Apparent Power এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে ।
👉করোনা কি:- যখন দুইটি কন্ডাক্টরের স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশী অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়ি এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হয় তখন এক বিশেষ পর্যায়ে কন্ডাক্টরের চার পার্শের বাতাস আয়নিত হয় এবং বাতাসের ইনসুলেশন স্ট্রেস ভেঙ্গে যায় । এই অবস্থায় কন্ডাক্টর এর চারিদিকে হালকা অনুজ্জ্বল বেগুনী রশ্মী দেখা দেয়, হিস হিস শব্দ হয় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয় এই ঘটনাকেই করোনা বলা হয় ।
👉স্কিন ইফেক্ট কি:- এসি বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহীর ভিতরে প্রবেশ না করে যে ধর্মের জন্য পরিবাহীর উপরিতল দিয়ে প্রবাহিত হয় বা হওয়ার চেস্টা করে তাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
👉স্কিন ইফেক্ট তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল :
*কন্ডাক্টর পদার্থের গুনাবলীর উপর ।
*কন্ডাক্টরের ব্যাসের উপর।
*ফ্রিকুয়েন্সির উপর।
👉Puncture voltage:- যে ভোল্টেজে এ ইনসুলেটরের এর ইনসুলেসন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলতে পারে তাকে Puncture voltage বলে ।
👉Flash over voltage:- যদি পরিবাহিতে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় এবং তা বাতাসে নস্ট হয়ে যায় এবং প্রচন্ড বিদ্যুৎ জলকের সৃষ্টি হয় তখন এই ভোল্টেজকে Flash over voltage বলা হয় ।
👉সেগ বলতে কি বুঝায়:- দুইটি টাওয়ার বা পোলের যেই বিন্দুতে তার টানা বা সংযোগ করা হয় সেই বিন্দু দুইটির সংযোজনকারী আনুভূমিক কাল্পনিক রেখা হতে তারের সর্বোচ্চ ঝুলে পড়া বিন্দু পর্যন্ত দুরত্বকে সেগ বলা হয় ।
👉সেফটি ফেক্টর:- আলটিমেট বা Breaking stress বা Working stress এর অনুপাতকে সেফটি ফেক্টর বলে বলা হয় ।
👉ত্রি ফেইজ মোটর উল্টা ঘূর্নণ পদ্ধতি কিভাবে করা হয়:- ত্রি ফেইজ মোটরের তিনটি ফেইজের যে কোন দুইটি ফেইজ পাল্টিয়ে দিলে মোটর উল্টা ঘুরবে ।
👉ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস:- ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ডিভাইস।
👉ট্রান্সফরমার ওয়েলের বাণিজ্যিক নাম কি:- পাইরাণল(pyranol)।
👉স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের কোন পাশে তারের প্যাচঁ সংখ্যা বেশি থাকে:- সেকেন্ডারিতে।
👉ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ কি:- শুস্ক বাতাস ট্যাংকে প্রবেশ করানো ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ ।
👉ব্রীদারে শুস্ক বাতাস পরিবহনের জন্য তথা আদ্রতা মুক্ত বাতাস পরিবহনের জন্য ব্রীদারে কি পদার্থ ব্যবহার করা হয়:- সিলিকা জেল ।
👉সিলিকা জেল নস্ট হলে কি রং এ পরিণত হয়: – কাল ।
সংগৃহীত
#আলহামদুলিল্লাহ আজ শিখবো সাব-স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়-
Distribution Sub-station কাকে বলে?
উওরঃ
বাসা-বাড়ি, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মসজিদ ইত্যাদি সাধারন ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ যেখান থেকে করা হয়, সেটাই ডিস্ট্রিবিউশন সাব-স্টেশন বলে।
প্রশ্নঃ ১১কেভি সাব-স্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?
উওর:
১. ট্রান্সফরমার
২. LT সুইচগিয়ার
৩. HT সুইচগিয়ার ও
৪. PFI প্যানেল।
প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?
উওর: ২ প্রকার.....
১. LT সুইচগিয়ার
২. HT সুইচগিয়ার
প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ
সাব-স্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষাবেক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।
উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ
সাব-স্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষাবেক্ষণ করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ
MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার
HT সুইচগিয়ারঃ
VCB,LBS সার্কিট ব্রেকার।
প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল,যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ণ কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়,তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাব-স্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB & LBS সার্কিট ব্রেকার।
প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?
উওরঃ
HT সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো LT সুইচগিয়ার মূলত লোড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ PFI কি?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।
প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।
প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টেপ সিলেকশন করতে হয়?
উওরঃ
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০কেভি থেকে ২৫০কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা,
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫ কেভি থেকে ২০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা &
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০কেভি থেকে ৪০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা
প্রশ্নঃ সাব-স্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?
উওরঃ ৩৩কেভি থেকে ১১কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪কেভি (৪০০ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।
প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উওরঃ কারন ৪০০০কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।
ইলেকট্রিক্যাল বেসিক কিছু প্রশ্ন ও উত্তর।
👉সাইকেল কি?
অলটারনেটিং কারেন্ট কোন একদিকে প্রবাহিত হয়ে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে এবং বিপরীতক্রমে শূন্য হতে সর্বোচ্চ অবস্থানে, সর্বোচ্চ অবস্থান হতে আবার শূন্য অবস্থানে ফিরে আসে তাকে সাইকেল বলে।
👉ফ্রিকোয়েন্সী কি?
কোন পরিবর্তনশীল রাশির প্রতি সেকেন্ডে যতগুলি সাইকেল সস্পন্ন হয় তাকে ফ্রিকোয়েন্সী বলে।
একে f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। টাইম পিরিয়ড T হলে,
F = 1/T
👉পিরিয়ড কি?
কোন পরিবর্তনশীল রাশির এক সাইকেল সম্পন্ন হতে যে সময়ের প্রয়োজন তাকে পিরিয়ড বলে।
একে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। ফ্রিকোয়েন্সী f হলে,
T = 1/f
👉ফেজ কি?
পরিবর্তনশীল রাশির কোন নির্দিষ্ট সময়ে এর কৌণিক অবস্থানকে ফেজ বলে।
👉ফেজ অ্যাঙ্গেল কি?
এ.সি. সার্কিটে ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যবর্তী কোণকে ফেজ অ্যাঙ্গেল বলে।
👉অলটারনেশন কি?
পরিবর্তনশীল রাশির অর্ধ সাইকেলকে অলটারনেশন বলে।
👉ফর্ম ফ্যাক্টর কি?
কোন সাইন ওয়েভের আর.এম.এস. এবং গড় মানের অনুপাতকে ফর্ম ফ্যাক্টর বলে।
একে Kf দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
Kf = আর.এম.এস./ গড় মান
👉পিক ফ্যাক্টর কি?
কোন ওয়েভের সর্বোচ্চ মান ও আর.এম.এস. মানের অনুপাতকে ক্রেস্ট ফ্যাক্টর বা পিক ফ্যাক্টর বা এ্যামপ্লিচুড ফ্যাক্টর বলে।
একে Ka দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
Ka = সর্বোচ্চ মান / আর.এম.এস. মান
👉পাওয়ার ফ্যাক্টর কয় প্রকার?
পাওয়ার ফ্যাক্টর তিন প্রকারঃ
১. ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Lagging Power Factor)
২. লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর (Leading Power Factor)
৩. ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর (Unity Power Factor)
👉পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
এ.সি. সার্কিটে কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণের কোসাইন মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
অথবা
অ্যাকটিভ পাওয়ার ও আপাত পাওয়ারের অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
কারেন্ট ও ভোল্টেজের মধ্যবর্তী কোণ ϴ হলে,
পাওয়ার ফ্যাক্টর (pf) = Cosϴ
👉ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
এ.সি. সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাকটিভ লোড বেশী হলে, কারেন্ট ভোল্টেজের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ইন্ডাকটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
E L I
ই.এম.এফ.(E) ইন্ডাক্টর(L) কারেন্ট(I)
L তে ইন্ডাকটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ইন্ডাকটিভ সার্কিটে ভোল্টেজ আগে, কারেন্ট পরে।
👉লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশী হলে, ভোল্টেজ কারেন্টের পরে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট বলে।
মনে রাখার সহজ উপায়:
I C E
কারেন্ট(I) ক্যাপাসিটর(C) ই.এম.এফ.(E)
C তে ক্যাপাসিটিভ সার্কিট, E তে ই.এম.এফ., I তে কারেন্ট।
ক্যাপাসিটিভ সার্কিটে কারেন্ট আগে, ভোল্টেজ পরে।
👉ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
এ.সি. সার্কিটে ইন্ডাকটিভ লোড ও ক্যাপাসিটিভ লোড সমান হলে, ভোল্টেজ ও কারেন্ট একসাথে অবস্থান করে, সার্কিটের এই অবস্থায় পাওয়ার ফ্যাক্টরকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে।
এই সার্কিটকে রেজিস্টিভ সার্কিট বলে। ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর সার্কিটের পাওয়ার ফ্যাক্টর 1 হয়।
👉ইলেকট্রিক ফ্লাক্স ডেনসিটি কি?
প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যে পরিমাণ ইলেকট্রিক ফ্লাক্স অতিক্রম করে তাকে ইলেকট্রিক ডেনসিটি বলে।
এর প্রতিক D এবং একক কুলম্ব/বর্গ মিটার।
👉ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ কি?
ডাই ইলেকট্রিক শব্দের অর্থ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, মুক্ত ইলেকট্রন নেই এবং বৈদ্যুতিক শক্তিকে সঞ্চয় করে রাখতে পারে তাকে ডাই ইলেকট্রিক পদার্থ বলে।
👉ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট কি?
একটি ক্যাপাসটরের প্লেট সমূহের মধ্যবর্তী বৈদ্যুতিক বলরেখা গুলোকে কেন্দ্রীভূত করার ডাই ইলেকট্রিক পদার্থের সামর্থকে ডাই ইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট বলে।
👉এক ফ্যারাড কাকে বলে?
এক ভোল্ট বিভব পার্থক্যর কারণে যদি ডাই ইলেকট্রিকে এক কুলম্ব ইলেকট্রিক চার্জ সঞ্চিত হয়, তবে ঐ পরিমাণ ক্যাপাসিট্যান্সকে এক ফ্যারাড বলে।
👉ইলেকট্রলাইট কি?
সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য যে তরল বা পেস্ট ব্যাবহার করা হয় তাকে ইলেকট্রলাইট বলে।
ইলেকট্রলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, এ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, এ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ইত্যাদি ব্যাবহার করা হয়।
ড্রাই সেলে পেস্ট ইলেকট্রলাইট এবং লিকুইড সেলে তরল ইলেকট্রলাইট ব্যাবহার করা হয়।
👉প্রাইমারী সেল কি?
যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় না তাকে প্রাইমারী সেল বলে।
অল্প পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত প্রাইমারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ঘড়ি, রিমোট কন্ট্রোল, খেলনা ইত্যাদি।
👉সেকেন্ডারী সেল কি?
যে সেলের শক্তি শেষ হয়ে গেলে পুনরায় একে কর্মক্ষম করা যায় তাকে সেকেন্ডারী সেল বলে।
বেশি পাওয়ারের প্রয়োজন এমন যায়গায় সাধারণত সেকেন্ডারী সেল ব্যাবহার করা হয়। যেমনঃ ইমার্জেন্সি লাইট, আই.পি.এস. ইউ.পি.এস. ইত্যাদি।
১। ইলেকট্রন এর কত মুখী সঞ্ছারক কে তড়িৎ প্রবাহ বলে?
(ক) দ্বিমুখী (খ) ত্রিমুখী (গ) একমুখী (ঘ) বহুমুখী
উঃ (ক) দ্বিমুখী।
২। তড়িৎ শক্তি মাপার একক কি?
(ক) অ্যাম্পিয়ার (খ) কিলোওয়াট ঘণ্টা (গ) হেনরি (ঘ) ওহম
উঃ (ক) অ্যাম্পিয়ার।
৩। যে যন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে কি বলে?
(ক) মোটর (খ) জেনারাটর (গ) অল্টারনেটর (ঘ) ট্রানজিস্টর
উঃ (ক) মোটর।
৪। যে যন্ত্র যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে কি বলে?
(ক) মোটর (খ) জেনারাটর (গ) অল্টারনেটর (ঘ) ট্রানজিস্টর
উঃ(খ) জেনারাটর
৫। উচ্চ চাপের লাইনের করনা হলে লাইনের পাওয়ার কি হবে?
(ক) ক্ষতি হবে (খ) বেশি হবে (গ) কিছুই হবে না (ঘ) দ্বিগুণ হবে
উঃ (ক) ক্ষতি হবে।
৬। ট্রান্সফরমার এ প্রাইমারী ও সেকেন্ডারি তে ফ্রিকোয়েঞ্চি কেমন হবে?
(ক) দ্বিগুণ (খ) সমান (গ) তিনগুন (ঘ) চারগুণ
উঃ (খ) সমান
৭। একটি ডায়োড সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় –
(ক) রেজিস্ট্যান্স হিসেবে (খ) রেক্টিফায়ার হিসেবে (গ) ট্রান্সফরমার হিসেবে (ঘ) ক্যাপাসিটর হিসেবে
উঃ (খ) রেক্টিফায়ার হিসেবে
৮। নিচের কোনটি সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধ- পরিবাহী
(ক) রাবার (খ) জারমেনিয়াম (গ) কাঁচ (ঘ) গন্ধক
উঃ (খ) জারমেনিয়াম
সংগৃহীত
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Green Road
Dhaka
1205