EEE Knowledge

EEE Knowledge

Share

This page helps to Basic Knowledge of EEE

25/01/2023

একটি সাবস্টেশনের A to Z ডিজাইন করতে আসলে কি কি জানা দরকার?

ব্যাপারটা যতটা আমরা চ্যালেঞ্জিং ভাবি অতটাও নয়। অন্তত মঙ্গলগ্রহ জয় করার চেয়েও অনেক সহজ। আপনার মালিক আপনাকে প্রবল বিশ্বাস করে আপনার হাতে তুলে দিল সাবস্টেশন ডিজাইনের দায়িত্ব। উনি শুধু অর্থায়ন করবেন। এখন, আপনার সবচেয়ে বড় সফলতা হবে বিশ্বাসের মর্যাদা রেখে প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন।

আমাদের দেশে হয়কি ভিনদেশী কোম্পানিদের বা দেশীয় মানসম্মত কোম্পানিকে এই কাজটির টেন্ডার দেয়া হয়। থার্ড পার্টি এসে কাজ করে চলে যায় আর নিয়ে যায় মোটা অংকের ডলার। অথচ ইউরোপ, আমেরিকায় এই কাজগুলো নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ারদের দিয়েই করানো হয়।

একটা তালিকা প্রস্তুত করে ফেলা যাকঃ

প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে সাবস্টেশনে কি কি দরকার?

💥প্রথমত ট্রান্সফরমার। এখন ট্রান্সফরমারের মধ্যেও ধরন আছে। যদি 11/132 kV সাবস্টেশন হয় তাহলে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার, যদি 33/11 kV সাবস্টেশন হয় তাহলে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার।

💥এরপর ভোল্টেজ বাড়ালে কমালেই শেষ নয়, হাই ভোল্ট মেজারের জন্য লাগবে পটেনশিয়াল ট্রান্সফরমার। কারেন্ট মেজারের জন্য লাগবে কারেন্ট ট্রান্সফরমার।

আর রক্ষাকবচ ব্রেকার, আইসোলেটর, রিলে এগুলো ত আছেই।

সাবস্টেশনের ক্যাবল, বাসবার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রাধান্য পায় লোড।

আমরা একটি লোড ধরে নিলাম = 624.368 KW = 624.368/0.8 = 780.46 KVA সাব-স্টেশন ক্যালকুলেশন করতে ৪ টি ধাপ অনুসরন করতে হবে।

1.Transformer Selection
2. LT Switchgear Selection
3. HT Switchgear Selection
4. PFI Panel Selection

💥Transformer Selection এখানে আমাদের যত KVA লোড তার কাছাকাছি 3 Phase Transformer Selection করতে হবে।

এখানে আমাদের লোড = 780.46 KVA বাজারে সাধারনত নিম্ন মানের KVA Transformer পাওয়া যায়।

100 kVA, 200 KVA, 250 KVA, 315 KVA,400 KVA, 500 KVA, 630 KVA,750 KVA,800 KVA,1000 KVA, 1250 KVA.

সুতরাং আমাদের 800 KVA Transformer লাগবে।

💥LT Switchgear Selection:

Transformer Capacity কে 1.6 (approx.) গুন দ্বারা করলে LT Switchgear এর capacity পাওয়া যায়।

সুতরাং 800 KVA Transformer এর জন্য LT Switchgear লাগবে = 800 x 1.6=1280 A

তাহলে 1250 A MCCB or ACB নিতে হবে।

💥HT Switchgear Selection :

HT Switchgear Capacity Selection বলতে এখানে মুলত Breaker Selection কে বুঝায় । Transformer 500 KVA এর নিচে হলে LBS আর Transformer 500 KVA বা তার বেশি হলে (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং এখানে 800 KVA Transformer এর জন্য (VCB- Vacuum Circuit Breaker) ব্যবহার করতে হবে।

💥PFI Panel Selection :

Load Capacity কে 0.6(sine thita) দ্বারা গুন করলে PFI Panel এর capacity পাওয়া যায়। যদি আমার লোড ক্যাপাসিটি 600 kW হয় তাহলে এর জন্য PFI Panel হবে = 600 x 0.6= 360 kVAR

এখন অনেকেই বলবেন, 0.6 কিভাবে এল? আমরা জানি, পি এফ আই প্যানেলের ক্যাপাসিটি টোটাল লোডের 60% বা 0.6

আমরা ক্যালকুলেশনে যত এক্সপার্ট হব, কর্মক্ষেত্রেও সবার কাছে তত স্মার্ট হিসেবে পরিচিতি লাভ করব। এর পাশাপাশি আমাদের পাওয়ার সিস্টেম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্যানেল ডিজাইন, অটোমেশন, ট্রান্সফরমার নিয়ে জানাটাও জরুরি।

ব্ল্যাকআউট-ব্রাউনআউট নাকি ভূতুড়ে কারবার? - VoltageLab 04/10/2022

ব্ল্যাক আউট - ব্রাউন আউট কি? কি কারনে হয়?

মনে করুন বৃষ্টিস্নাত রাত। রুমের লাইটটা জ্বালিয়ে আপনি গল্পের বই পড়ছেন। হঠাৎ করে লক্ষ্য করলেন রুমের বৈদ্যুতিক বাতিটি মিটমিট করে জ্বলছে। কি ভয় পেয়ে গেলেন?? ভাবছেন ভূতুড়ে কারবার?? আসলে কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। এই ঘটনার মধ্যে এক ধরনের কারিগরি বাস্তবতা অন্তর্নিহিত।

এই ঘটনাটিকে তড়িৎ প্রকৌশলের ভাষায় বলা হয় ব্রাউন আউট। অর্থাৎ ব্রাউনআউট হচ্ছে যখন সাপ্লাই ভোল্টেজ কমে যায় তখন বৈদ্যুতিক বাতি উজ্জ্বলভাবে আলো দিতে পারে না। তাই ঘটনাটিকে কোন ভূত-প্রেতের কান্ড মনে করে ঘাবড়ে যাওয়ার কোনো মানে নেই। ব্রাউন এক ধরনের অনুজ্জ্বল বর্ণ। এই বর্ণের সাথে তুলনা করেই ঘটনাটির এরুপ নামকরণ করা হয়েছে।

ব্ল্যাক আউট কি?
"ব্ল্যাক" শব্দটি মূলত এখানে অন্ধকারকেই ইংঙ্গিত করছে। কোন এলাকার আওতাভুক্ত বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনগুলোতে সিনক্রোনাইজেশন এ ত্রুটি ঘটলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনাটিকে বলা হয় বব্ল্যাক আউট - ব্রাউন আউট কি? কি কারনে হয়?

মনে করুন বৃষ্টিস্নাত রাত। রুমের লাইটটা জ্বালিয়ে আপনি গল্পের বই পড়ছেন। হঠাৎ করে লক্ষ্য করলেন রুমের বৈদ্যুতিক বাতিটি মিটমিট করে জ্বলছে। কি ভয় পেয়ে গেলেন?? ভাবছেন ভূতুড়ে কারবার?? আসলে কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। এই ঘটনার মধ্যে এক ধরনের কারিগরি বাস্তবতা অন্তর্নিহিত।

এই ঘটনাটিকে তড়িৎ প্রকৌশলের ভাষায় বলা হয় ব্রাউন আউট। অর্থাৎ ব্রাউনআউট হচ্ছে যখন সাপ্লাই ভোল্টেজ কমে যায় তখন বৈদ্যুতিক বাতি উজ্জ্বলভাবে আলো দিতে পারে না। তাই ঘটনাটিকে কোন ভূত-প্রেতের কান্ড মনে করে ঘাবড়ে যাওয়ার কোনো মানে নেই। ব্রাউন এক ধরনের অনুজ্জ্বল বর্ণ। এই বর্ণের সাথে তুলনা করেই ঘটনাটির এরুপ নামকরণ করা হয়েছে।

ব্ল্যাক আউট কি?
"ব্ল্যাক" শব্দটি মূলত এখানে অন্ধকারকেই ইংঙ্গিত করছে। কোন এলাকার আওতাভুক্ত বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনগুলোতে সিনক্রোনাইজেশন এ ত্রুটি ঘটলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনাটিকে বলা হয় ব্ল্যাকআউট।

ব্ল্যাকআউট-ব্রাউনআউট নাকি ভূতুড়ে কারবার? - VoltageLab ব্ল্যাকআউট-ব্রাউনআউট ব্রাউনআউট হচ্ছে বৈদ্যুতিক বাতির মৃদু আলো। ব্ল্যাকআউট হচ্ছে সাবস্টেশনের ত্রুটির কারণে এল.....

26/09/2022

ইলেকট্রিক্যাল ছাত্রদের জন্য কিছু গুরুত্বপূন্য প্রশ্ন এবং উওর

1. AC ও DC এর মধ্যে মূল পার্থক্য কি ?

Ac হল দ্বিমুখী প্রবাহ আর Dc হল এক মুখি প্রবাহ
AC হচ্ছে বিদ্যুতের দ্বিমুখী প্রবাহ যা আমরা বাড়ী বা ইন্ড্রাস্ট্রিতে পাই এবং সরবরাহ করা হয় পাওয়ার ইউটিলিটি গ্রিড থেকে। DC হচ্ছে বিদ্যুতের একমুখী প্রবাহ যা আমরা পাই ব্যাটারি থেকে।
AC= Alternating Current
DC= Direct Current
AC হল পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
DC হল অপরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহ।
AC কারেন্ট একটি দিকবর্তী প্রবাহ । যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক পরিবর্তন করে থাকে । অপর দিকে DC হচ্ছ অপ্রত্যাবর্তী প্রবাহ । যা সময়ের সাথে দিক পরিবর্তন করে না ।

2.ফ্যান আস্তে অথবা জোরে যেভাবে ছাড়া হোক বিদ্যুৎ কি একই খরচ হয়?

আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি। (ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর (খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর।
ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।
অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।

3.ট্রাঞ্জডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি?

Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।

24/09/2022

ইলেকট্রিক্যাল সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

আমরা সাধারণত দুই প্রকারের ফ্যান রেগুলেটর ব্যবহার করে থাকি।
(ক) ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর
(খ) ইলেকট্রনিক রেগুলেটর।

ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর তৈরি হয় ট্যাপিং যুক্ত ইন্ডাকটরের দ্বারা। বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের রোটেশন কমে কিন্তু রেগুলেটর উত্তপ্ত হয়। এই অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম-বেশির সাথে রেগুলেটর লস যথাক্রমে বেশি ও কম হয় ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি যাই হোক, বিদ্যুৎ খরচ প্রায় একই হয়।

অন্যদিকে ইলেকট্রনিক রেগুলেটর তৈরি হয় থাইরিস্টর জাতীয় ইলেকট্রনিক সুইচিং ডিভাইস দিয়ে। এতে অপ্রয়োজনীয় উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত নগন্য থাকায় রেগুলেটর লস হয় না বললেই চলে। ফলে বৈদ্যুতিক পাখার গতি কমালে বিদ্যুৎ খরচ কমে এবং পাখার গতি বাড়ালে বিদ্যুৎ খরচ বাড়ে। তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচও কম হয় ।

ভোল্টামিটার এবং অ্যামমিটারকে বর্তনীতে কিভাবে যুক্ত করা হয় ?

তড়িৎ বর্তনীর যে দুটি বিন্দুর বিভব প্রভেদ মাপতে হবে সেই দুটি বিন্দুর সঙ্গে ভোল্টামিটারকে সমান্তরাল সমবায়ে যুক্ত করা হয় । আবার কোনো তড়িৎ বর্তনীর প্রবাহমাত্রা পরিমাপ করতে অ্যামমিটারকে তড়িৎবর্তনীতে শ্রেণি সমবায়ে যুক্ত করা হয় ।
আমিটারকে বর্তনীর সাথে সিরিজে এবং ভোল্টমিটারকে প্যারালালে সংযুক্ত করতে হয়।

ট্রাঞ্জডিউসার ও সেন্সরের মধ্যে পার্থক্য কি?

Transducer – ইহার Output সাধারনত Analog হয়। ইহা দ্বারা সাধারনত কোন কিছুর চাপ বা Pressure নির্নয় করা হয়। ইহার Output সাধারনত – 0 – 10V, 0 – 20mah হয়।
গঠন : ইহার ভিতরে Coil যুক্ত ডায়াফ্রাম থাকে একটি গোলাকার Iron বা Magnet দন্ডের চারপাশে মিলে, অর্থাৎ গোলাকার দন্ডের মধ্যে।
চাপ বা Pressure এর মাধ্যমে উক্ত ডায়াফ্রাম Core এর মধ্যে Up – Down করে Coil এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য ঘটায়। ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহের তারতম্য Calculation করে Output নির্ধারণ করা হয়।
আর সাধারন Sensor দ্বারা Digital Output পাওয়া যায়।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
যে সকল ডিভাইস এক প্রকার শক্তিকে আরেক প্রকার শক্তিতে রুপান্তর করে তাহাই ট্রান্সডিউসার।
আর ট্রাসডিউসারকে যখন বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কোন যন্ত্রের সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হয় তখ তাকে ঐ যন্ত্রের সেন্সর বলা হয়।
এ্যামপিয়ার টার্ন কি?
ম্যাগনেটিক সার্কিটের তারের পেঁচ ও প্রবাহিত কারেন্টের গুণফলকে এ্যামপিয়ার টার্ন বলে। এটি ম্যাগনেটো মোটিভ ফোর্স বা এম.এম.এফ. এর একক।
এ্যামপিয়ার টার্ন AT, কারেন্ট I এবং তারের পেঁচ সংখ্যা N হলে,
AT = IN
রিল্যাকট্যান্স কি?
ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স পথের বাধাকে রিল্যাকট্যান্স বলে।
এটি ইলেকট্রিক সার্কিটের রেজিস্ট্যান্সের মত। এর প্রতীক R এবং একক এ্যামপিয়ার টার্ন/ওয়েবার।
দৈর্ঘ্য L, এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ, ভ্যাকুয়ামে এ্যাবসলিউট পারমিয়্যাবিলিটি µ০ ক্ষেত্রফল A হলে,
R = L/µ0µA

ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড কি?

যে স্থানে একটি একক চার্জ যে বল অনুভব করে তাকে ইলেকট্রো স্ট্যাটিক ফিল্ড বলে।

বৈদ্যুতিক বল রেখার বৈশিষ্ট্য কি?
১. বৈদ্যুতিক বল রেখা পজেটিভ চার্জ হতে বের হয়ে নেগেটিভ চার্জে শেষ হয়।
২. বল রেখাগুলো খোলা ও বক্র।
৩. বল রেখাগুলো পরস্পরকে কখনও ছেদ করে না।
৪. বল রেখাগুলো দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হয়।
৫. বল রেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্ব চাপ দেয়।
**ওহমের সূত্র:- স্থির তাপমাত্রায় কোন সার্কিটের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত কারেন্ট ঐ সার্কিটের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক অর্থাৎ V∞I বা V=IR ।
**কারেন্ট:- পরিবাহির মধ্যদিয়ে ইলেক্ট্রনের প্রবাহকে বলা হয় কারেন্ট ।কারেন্টের একক অ্যাম্পিয়ার সংক্ষেপে Amp বা A দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
**ভোল্টেজ:- ইলেক্ট্রন গুলোকে স্থানচুত্য করার জন্য প্রয়োজনীয় চাপকে ভোল্টেজ বলা হয় । ভোল্টেজের একক ভোল্ট Volt বা V।
**রেজিস্টেন্স:- কোন পরিবাহির মধ্য দিয়ে কারেন্ট বা ভোল্টেজ চলাচলে যে বাধা প্রাপ্ত হয় তাই রেজিস্টেন্স, সার্কিটের মধ্যে রেজিস্টর ব্যবহার করা হয় প্রয়োজনীয় বাধা দানের জন্য। রেজিস্টেন্সের একক ওহম(Ω) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।
**এসি(AC): অলটারনেটিং করেন্ট।
**ডিসি(DC):ডাইরেক্ট কারেন্ট।
**ফ্রিকুয়েন্সি:- কোন পরিবর্তনশীল রাশি প্রতি সেকেন্ট যতগুলি সাইকেল সম্পন্ন করে তাকে ফ্রিকুয়েন্সি বলে ।
**পাওয়ার ফ্যাক্টর:- অল্টারনেটিং কারেন্ট এবং ভোল্টেজ এর মধ্যবর্তী ফেইজ অ্যাংঙ্গেল এর Cosine মানকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে অথবা এসি সার্কিটের Active Power ও Apparent Power এর অনুপাতকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে ।
**করোনা কি:- যখন দুইটি কন্ডাক্টরের স্পেসিং ব্যাসের তুলনায় বেশী অবস্থায় রেখে তাদের আড়াআড়ি এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হয় তখন এক বিশেষ পর্যায়ে কন্ডাক্টরের চার পার্শের বাতাস আয়নিত হয় এবং বাতাসের ইনসুলেশন স্ট্রেস ভেঙ্গে যায় । এই অবস্থায় কন্ডাক্টর এর চারিদিকে হালকা অনুজ্জ্বল বেগুনী রশ্মী দেখা দেয়, হিস হিস শব্দ হয় এবং ওজন গ্যাসের সৃষ্টি হয় এই ঘটনাকেই করোনা বলা হয় ।
**স্কিন ইফেক্ট কি:- এসি বিদ্যুৎ প্রবাহ কোন পরিবাহীর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহীর ভিতরে প্রবেশ না করে যে ধর্মের জন্য পরিবাহীর উপরিতল দিয়ে প্রবাহিত হয় বা হওয়ার চেস্টা করে তাকে স্কিন ইফেক্ট বলে।
স্কিন ইফেক্ট তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভরশীল :
*কন্ডাক্টর পদার্থের গুনাবলীর উপর ।
*কন্ডাক্টরের ব্যাসের উপর।
*ফ্রিকুয়েন্সির উপর।
**Puncture voltage:- যে ভোল্টেজে এ ইনসুলেটরের এর ইনসুলেসন সম্পূর্ণ ভেঙ্গে ফেলতে পারে তাকে Puncture voltage বলে ।
**Flash over voltage:- যদি পরিবাহিতে ভোল্টেজ বাড়ানো হয় এবং তা বাতাসে নস্ট হয়ে যায় এবং প্রচন্ড বিদ্যুৎ জলকের সৃষ্টি হয় তখন এই ভোল্টেজকে Flash over voltage বলা হয় ।
**সেগ বলতে কি বুঝায়:- দুইটি টাওয়ার বা পোলের যেই বিন্দুতে তার টানা বা সংযোগ করা হয় সেই বিন্দু দুইটির সংযোজনকারী আনুভূমিক কাল্পনিক রেখা হতে তারের সর্বোচ্চ ঝুলে পড়া বিন্দু পর্যন্ত দুরত্বকে সেগ বলা হয় ।
**সেফটি ফেক্টর:- আলটিমেট বা Breaking stress বা Working stress এর অনুপাতকে সেফটি ফেক্টর বলে বলা হয় ।
**ত্রি ফেইজ মোটর উল্টা ঘূর্নণ পদ্ধতি কিভাবে করা হয়:- ত্রি ফেইজ মোটরের তিনটি ফেইজের যে কোন দুইটি ফেইজ পাল্টিয়ে দিলে মোটর উল্টা ঘুরবে ।
**ট্রান্সফরমার কি ধরনের ডিভাইস:- ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রোমেগনেটিক ডিভাইস।
**ট্রান্সফরমার ওয়েলের বাণিজ্যিক নাম কি:- পাইরাণল(pyranol)।
**স্টেপ আপ ট্রান্সফরমারের কোন পাশে তারের প্যাচঁ সংখ্যা বেশি থাকে:- সেকেন্ডারিতে।
**ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ কি:- শুস্ক বাতাস ট্যাংকে প্রবেশ করানো ট্রান্সফরমারের ব্রীদারের কাজ ।
**ব্রীদারে শুস্ক বাতাস পরিবহনের জন্য তথা আদ্রতা মুক্ত।

21/09/2022

আজ আমি ট্রান্সফরমার থেকে কিছু গুরুত্বপুর্ন MCQ আপলোড করছি যা পার্ট-১।আমি ট্রান্সফরমার উপর কমপক্ষে ১০০টি MCQ দেয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।আশা করি সাথে থাকবেন।

ট্রান্সফরমার থেকে গুরুত্বপুর্ন MCQ

১।ট্রান্সফরমার কোনটি স্থানান্তিরিত করে?
ক)ফ্রিকোয়েন্সি খ)ভোল্টেজ গ)কারেন্ট ঘ)পাওয়ার

২।একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কিভাবে সংযুক্ত থাকে?
ক)বৈদ্যুতিকভাবে খ)যান্ত্রিকভাবে
গ)চৌম্বকভাবে ঘ) বৈদ্যুতিকভাবে ও চৌম্বকভাবে

৩।ট্রান্সফরমার কোন ধরনের ডিভাইস?
ক)ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক খ)ইলেক্টো-স্ট্যাটিক
গ)যান্ত্রিক ঘ)সবকয়টি

৪।ট্রান্সফরমার কোন নীতিতে কাজ করে?
ক)ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন খ)ইলেক্টো-স্ট্যাটিক
গ)ক ও খ উভয়টি ঘ)কোনটিই নহে

৫।একটি ট্রান্সফরমার একটি দক্ষ যন্ত্র,কারন এটি-
ক)একটি স্থির যন্ত্র খ) ক্যাপাসিটিভ কাপ্লিং ব্যবহার করে
গ) ইন্ডাকটিভ কাপ্লিং ব্যবহার করে ঘ) বৈদ্যুতিক কাপ্লিং ব্যবহার করে

৬।একটি ট্রান্সফরমার প্রাইমারি হতে সেকেন্ডারিতে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জী কোনটির পরিবর্তনের মাধ্যমে হয়?
ক)ফ্রিকোয়েন্সি খ)ভোল্টেজ গ)কারেন্ট ঘ)পাওয়ার

৭।ট্রান্সফরমারের তেলের বাণিজ্যিক নাম কী?
ক)Pyranol খ)silicon গ)sulfer ঘ)ক ও খ

৮। ব্রীদারের মধ্যে কি ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়?
ক)Gun Power খ)Silica gel গ)কোনটিই নয় ঘ)ক ও খ

৯।ট্রান্সফমারে কি সাপ্লাই প্রয়োগ করা হয়?
ক)এসি সাপ্লাই খ)ডিসি সাপ্লাই গ)সেলুলার সেল ঘ) কোনটিই নয়
১০।একটি ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি প্রতি টার্ণ ভোল্টেজ,সেকেন্ডারির প্রতি টার্ন ভোল্টেজের –
ক)চেয়ে বেশি খ)চেয়ে কম গ)সমান ঘ) কোনটিই নয়

১১।যদি ট্রান্সফরমারের সরবরাহ ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করা হয়,তবে আয়রন লস-
ক)বৃদ্ধি পাবে খ) হ্রাস পাবে গ) অপরিবর্তিত থাকবে ঘ) কিছুই হবে না

১২।একটি আদর্শ ট্রান্সফরমারের-
ক)ওয়াইন্ডিং এ কোন রেজিস্ট্যান্স থাকে না
খ)কোরে কোন লস থাকে না
গ)কোরে অসীম পারমিয়্যাবিলিটি থাকে
ঘ)উপরের সব কয়টি

১৩।একটি আদর্শ ট্রান্সফরমারের নো-লোড কারেন্ট I0
ক)V1 এর 900 পিছনে থাকে খ) V1 এর 900 সামনে থাকে
গ) V1 এর সাথে ইন ফেজে থাকে ঘ) V1 এর 00 হতে 900 পিছনে থাকে

১৪।ট্রান্সফরমারের বেশি সংখ্যক প্যাঁচ বিশিষ্ট ওয়াইন্ডিংকে কি বলা হয়?
ক)লো-ভল্টেজ ওয়াইন্ডিং খ) হাই-ভল্টেজ ওয়াইন্ডিং
গ)ক ও খ উভয়ই ঘ)কোনটিই নয়

১৫।দুই ওয়াইন্ডিং বিশিষ্ট ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি ইনডিউস ভোল্টেজ সর্বদাই-
ক)পরিমানে সমান থাকে
খ)পরস্পর বিপরীত ফেজে থাকে
গ)পরস্পর ইন ফেজে থাকে
ঘ)সেকেন্ডার লোড কর্তৃক নির্ধারিত হয়

১৬।একটি লোডেড স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারির সাথে তূলনা করলে প্রাইমারিতে থাকে-
ক)নিন্মতর ভোল্টেজ এবং উচ্চতর কারেন্ট
খ)নিন্মতর ভোল্টেজ এবং নিন্মতর কারেন্ট
গ)উচ্চতর ভোল্টেজ এবং নিন্মতর কারেন্ট
ঘ)উচ্চতর ভোল্টেজ এবং উচ্চতর কারেন্ট

১৭।একটি ট্রান্সফরমারের নো-লোড টেস্ট করা হয় নিন্মের কোনটির নির্ণয়ের জন্য?
ক)কপার লস খ) ম্যাগনেটাইজিং কারেন্ট
গ)ট্রান্সফরমারের দক্ষতা ঘ)ম্যাগনেটাইজিং কারেন্ট এবং লস

১৮।একটি ট্রান্সফরমারের ওপেন সার্কিট টেস্ট করা হয় নিন্মের কোনটি নির্ন্যের জন্য?
ক)কপার লস খ)কোর লস গ)ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স ঘ) দক্ষতা

১৯।কোন ধরনের লোডের জন্য ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ রেগুলেশন নেগেটিভ হয়?
ক)রেজিস্টিভ খ)ইনডাকটিভ গ)ক্যাপাসিটিভ ঘ)নো-লোড

১।বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক কি? কত প্রকার? ও কি কি?

উত্তরঃ দুই বা ততোদিক সরল সার্কিট উপাদান পরস্পর যুক্ত হয়ে যে সার্কিট গঠিত হয়, তাকে বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক বলে।
বৈদ্যুতিক নেটয়ার্ক ৪ প্রকার।
একটিভ নেটওয়ার্ক
প্যাসিভ নেটওয়ার্ক
এল- নেটওয়ার্ক
টি- নেটওয়ার্ক

২। একটিভ নেটওয়ার্ক ও প্যাসিভ নেটওয়ার্ক কাকে বলে?
উত্তরঃ

একটিভ নেটওয়ার্কঃ হচ্ছে এমন একটি সার্কিট বা নেটওয়ার্ক,যাতে এক বা একাদিক ই এম এফ এর উৎস থাকে।

প্যাসিভ নেটওয়ার্কঃ হচ্ছে এমন একটি সার্কিট বা নেটওয়ার্ক,যাতে কোন ই এম এফ এর উৎস থাকে।

৩। কারেন্ট সোর্স কি?

উত্তরঃ কারেন্ট সোর্স হচ্ছে এমন একটি সোর্স,যা লোড রেজিস্ট্যান্সের পরিবর্তন যাই হোক না কেন,এর সোর্সের প্রান্তদ্বয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমান কারেন্ট বিতরন করে।

৪। ভোল্টেজ সোর্স কি?

উত্তরঃ ভোল্টেজ সোর্স হচ্ছে এমন একটি সোর্স,যা লোড রেজিস্ট্যান্সের পরিবর্তন উপর নির্ভর না করেই,এর সোর্সের প্রান্তদ্বয়ের নির্দিষ্ট পরিমান ভোল্টেজ পাওয়া যায়।

৫। সার্কিট প্যারামিটার বলতে কি বুঝায়?
উওরঃ বৈদ্যুতিক সার্কিটে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদান বা ইলিমেন্ট (যেমনঃ রেজিস্ট্যান্স,ক্যাপাসিট্যান্স, ও ইন্ডাক্ট্যান্স) কে সার্কিট প্যারামিটার বলে।

৬। ইন্ডাকট্যান্স কাকে বলে? এর প্রতিক কি? এবং এর একক কি?
উওরঃ ইন্ডাকট্যান্স হচ্ছে কয়েলের একটি বিষেশ ধর্ম, যা কয়েলে প্রবাহিত কারেন্ট বা কয়েলের চারদিকে উৎপন্ন ফ্লাক্সের হ্রাস বা বৃদ্ধিতে বাধা দান করে।
এর প্রতিক হচ্ছে L, এবং একক হচ্ছে হেনরী (H বা h)

৭। ক্যাপাসিট্যান্স কাকে বলে? এর প্রতিক কি? এবং এর একক কি?
উওরঃ ক্যাপাসিটরের প্লেটগুলোর মধ্য যখন পটেনশিয়াল পার্থক্য বিরাজমান থাকে,অর্থাৎ যখন ভোল্টেজ আবিশিত হয়,তখন উহাতে বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চয় করে রাখা ক্যাপাসিটরের একটি বিশেষ ধর্ম,এই ধর্ম বা বৈশিষ্ট্যকেই ক্যাপাসিট্যান্স বলে।
ক্যাপাসিট্যান্সের প্রতিক হচ্ছে C এবং এর একক হচ্ছে ফেরাড বা মাইক্রো-ফেরাড (f বা µ f)

৮।ইম্পিড্যান্স কাকে বলে? এর প্রতিক কি? এবং এর একক কি?
উওরঃ এ, সি সার্কিটে কারেন্ট প্রাবাহের মোট বাধা কে ইম্পিড্যান্স বলে।

ইম্পিড্যান্সের প্রতিক হচ্ছে Z এবং এর একক ওহম।

জেনারেন বিষয়ক:

1. অক্ষি গোলকের প্রাচীরের নাম কি ? ✔উ: রেটিনা
2. অনুচক্রিকার কাজ কি ? ✔উ: রক্ত জমাট বাধায়
3. অনুচক্রিকার গড় আয়ু কতো দিন ? ✔উ: ১০ দিন
4. অ্যামাইনো অ্যাসিড ইউরিয়ায় পরিনত হয় কোথায় ? ✔উ: যকৃত এ
5. আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে কোন জারক রস ? ✔উ: পেপসিন
6. ইনসুলিন অগ্নাশয়ের কোথায় তৈরী হয় ? ✔উ: বিটা কোষে
7. একজন বয়স্ক লোক প্রতি মিনিটে কত বার শ্বাস নেয় ? ✔উ: ১২ - ১৮ বার
8. একজন সুস্থ মানুষের একটি হৃদ কম্পন সম্পূর্ণ হতে কত সময় লাগে ? উঃ ০.৪ সেকেন্ড
9. একজন স্ত্রী লোক জননকালে প্রতি মাসে কয়টি ডিম্ব উত্পাদন করে ? ✔উ: ১ টি
10. কিডনীর কার্যকরী একক কী ? ✔উ: নেফরন
11. কোন অ্যাসিড মানব দেহে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমানে আছে ? ✔উ: HCL
12. কোন গ্রন্থির রসে রক্তে গ্লুকোজ হ্রাস পায় ? ✔উ: অগ্নাশয়
13. কোন জিনিস পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী ? ✔উ: বিলিরুবিন
14. কোন সন্ধিতে সবচেয়ে বেশী Movement হয় ? ✔উ: সাইনভিয়াল সন্ধি
15. কোন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায় ? ✔উ: গ্লোকাগন
16. কোন হরমোনের অভাবে স্নায়ু ও পেশীর অস্থিরতা বেড়ে যায় ও পেশীর খিচুনী শুরু হয় ? ✔উ: প্যারা থরমোন
17. কোন হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের অঙ্গসৌষ্ঠব বৃদ্ধি পায় ? ✔উ: ইস্টজেন
18. কোনটি শিশু কালে অপসারণ করলে বামনত্ব হয় ? ✔উ: পিটুইটারি
19. ক্ষুদ্রান্ত্র এর বিশোসক একক কি ? ✔উ:ভিলাস
20. খাদ্য দ্রব্য সবচেয়ে বেশি শোষিত হয় পোস্টিক নালীর কোন অংশে ? ✔উ: ক্ষুদ্রান্তে
21. চোখে আলো প্রবেশ করে কোন অংশ দিয়ে ? ✔উ: কর্ণিয়া
22. চোখের জল নিঃসৃত হয় কোথা থেকে ? ✔উ: লেকরিমাল গ্রন্থি থেকে
23. চোখের পানির উত্স কোথায় ? ✔উ: ল্যাক্রিমাল গ্রন্থী
24. চোখের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশের নাম কি ? ✔উ: রেটিনা
25. জরায়ু সংকোচন সহায়তা করে কোন হরমোন ? ✔উ: অক্সিটোসিন
26. জীব দেহের ওজনের প্রায় ২৪ ভাগ কোন পদার্থ ? ✔উ: কার্বন
27. জীবন রক্ষাকারী হরমোন কোনটি ? উঃ অ্যালডোস্টেরন
28. ডায়াবেটিস রোগ হয় কোন প্রাণরসের অভাবে ? ✔উ: ইনসুলিন
29. ডায়োস্টোল চাপ বলতে কী বুঝায় ? ✔উ: হৃদপিন্ডের প্রসারণ
30. থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত প্রানরসের নাম কী ? ✔উ: থাইরক্সিন
31. থাইরয়েডের অবস্থান কোথায় ? ✔উ: গলায় ল্যারিংসের এর উপরে , দু পাশে
32. দাড়ি গোঁফ গজায় কোন হরমোনের জন্য ? উঃ টেস্টোস্টেরন
33. দেহে মেলানিনের প্রধান কাজ কি ? ✔উ: সূর্য রশ্নীর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেহকে রক্ষা করা
34. দেহের শক্তির প্রধান মাধ্যম কি ? ✔উ: শ্বসন

শর্ট প্রশ্নঃ পার্ট-১

১। কখন কারেন্ট সোর্সকে একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্স বলা হয়?
উত্তরঃ যখন সোর্স রেজিস্ট্যান্স অসীম হয়।

২। স্থির ভোল্টেজের উৎস বা সোর্স কি?
উত্তরঃ ব্যাটারি

৩। একটি আদর্শ ভোল্টেজ সোর্স কোনটি?
উত্তরঃ যার সোর্স রেজিস্ট্যান্স শুন্য।

৪। একটি আদর্শ ভোল্টেজ সোর্সের সোর্স রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া উচিত?
উত্তরঃ শুন্য।

৫। বৈদ্যুতিক সার্কিটে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদানকে কি বলা হয়?
উত্তরঃ প্যারামিটারস।

৬। দুই বা ততোদিক সরল সার্কিট উপাদান পরস্পর যুক্ত হয়ে যে সার্কিট হয়,তাকে কি বলা হয়।
উত্তরঃ নেটওয়ার্ক।

৭। বৈদ্যুতিক শক্তির এক বা একাদিক উৎস এবং বিভিন্ন প্রকার সার্কিট উপাদানের সম্নন্নিত যে কোন ব্যবস্থাকে কি বলা হয়?
উত্তরঃ বৈদ্যুতিক নেটওয়ার্ক।

৮। কোন ধরনের নেটওয়ার্কে এক বা একাদিক ই,এম,এফ এর উৎস থাকে?
উত্তরঃ একটিভ নেটওয়ার্কে।

৯। কোন ধরনের নেটওয়ার্কে এক বা একাদিক ই,এম,এফ এর উৎস থাকে?
উত্তরঃ প্যাসিভ নেটওয়ার্কে।

১০। ইন্ডাকট্যান্সের একক কি?
উত্তরঃ হেনরী।

Photos from EEE Knowledge's post 21/09/2022

ট্রান্সফরমারের ওপেন সার্কিট টেস্ট (NO Load Test) নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করবো।

ট্রান্সফরমারের ওপেন সার্কিট টেস্ট (No Load Test) :

ট্রান্সফমার ওপেন সার্কিট টেস্ট মূলত করা হয় লো-ভোল্টেজ সাইডের লস বের করার জন্য।
ট্রান্সফরমার লস মূলত দুই প্রকার-
No Load Loss (নো-লোড লস)
Full Load Loss (ফুল-লোড লস)

এখানে আমরা No Load Loss নিয়ে আজ আলোচনা করবো। এবং এই নো-লোড লস কে ওপেন সার্কিট টেস্ট বলা হয়।কারন এই ওপেন সার্কিট টেস্ট করে জানতে পারবো আমাদের ট্রান্সফমারের লো-ভোল্টেজ সাইডের লস কি রকম আছে।

ট্রান্সফরমার টেস্ট করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিঃ
পাওয়ার মিটার অথবা
ক্লিপন মিটার বা এ ভি মিটার
লো-ভোল্টেজের জন্য ক্যাবল
কৃত্তিম ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ার

ট্রান্সফমারের ওপেন সার্কিট টেস্টের শর্তঃ

৪১৫কেভি লো-ভোল্টেজ সাইডে সাপ্লাই দিতে হবে।
হাই-ভোল্টেজ সাইড ওপেন থাকবে।কারন নো-লোড টেস্ট মূলত লো-ভোল্টেজ সাইডে করা হয়।

কিভাবে ট্রান্সফমারের ওপেন সার্কিট টেস্ট করা হয়?
প্রথমে আমরা ট্রান্সফমারের হাই-ভোল্টেজ সাইড এবং লো-ভোল্টেজ সাইড টি দেখে নেয়।ট্রান্সফমারের কোন অংশ কে হাই-ভোল্টেজ সাইড বলে এবং কোণ অংশ কে লো-ভোল্টেজ সাইড বলে।
ট্রান্সফরমারের ওপেন সার্কিট টেস্টঃ
আমাদের পাওয়ার মিটারের ৩টা ক্যাবল থাকবে কালো,লাল,ও হুলুদ ।এই ৩টা ক্যাবল দ্বারা আমরা লো-ভোল্টেজ সাইডের টেস্ট করবো। লো-ভোল্টেজ সাইডে ৪টা পয়েন্ট থাকে আমরা সবাই জানি (a,b.c.n)।আমরা দুইটা পাওয়ার মিটার ব্যবহার করবো। টেস্ট করার সময় প্রথমে ভোল্টেজ সাপ্লাই বন্ধ রাখবো, কানেকশন শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত।

কানেকশনঃ
প্রথম পাওয়ার মিটার(P1) এর কালো ক্যাবল লো-ভোল্টেজ সাইডের (a) তে কানেকশন দিবো এবং লাল ও হুলুদ ক্যাবল কানেকশন দিবো লো-ভোল্টেজ সাইডের (b) তে।

দ্বিতীয় পাওয়ার মিটার (P2)এর কালো ক্যাবল লো-ভোল্টেজ সাইডের (c) তে কানেকশন দিবো এবং লাল ও হুলুদ ক্যাবল দিয়ে কানেকশন দিবো লো-ভোল্টেজ সাইডের (b) তে।

কানেকশন শেষ হলে,আমরা ৪১৫ভোল্ট সাপ্লাই দিবো লো-ভোল্টেজ সাইডে।এখন দুইটা মিটারে দুই রকম মান দেখাবে।তবে প্রথম মিটারে বেশি দেখাবে এবং দ্বিতীয় টা তে কম দেখাতে পারে।

ধরুন,আমাদের দুইটা মিটারের মান হলো-

P1=420watt
P2=90Vwatt
এখন
P=P1-P2
=420-90
=320watt (Loss)

তাহলে আমাদের লো-ভোল্টেজ সাইডে ৪১৫ ভোল্ট এর ক্ষেত্রে 320watt লস হয়।এই টা হলো ওপেন সার্কিট টেস্ট।এই টেস্টের মাধ্যমে আমরা মূলত লস তা বের করি।

21/09/2022

ট্রান্সফমারের সর্ট-সার্কিট টেস্টে কি কি বিষয় অর্ন্তভূক্ত থাকবে?

ট্রান্সফরমারের সর্ট-সার্কিট টেস্ট কি?
ট্রান্সফরমার সর্ট-সার্কিট টেস্ট কেন করা হয়?
ট্রান্সফরমার সর্ট-সার্কিট টেস্টে কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন?
ট্রান্সফরমার সর্ট-সার্কিট টেস্ট করার ক্ষেত্রে শর্ত কি?
কিভাবে ট্রান্সফরমার সর্ট-সার্কিট টেস্ট করা হয়?
ট্রান্সফরমার সর্ট-সার্কিট টেস্ট এর ক্যালকোলেশন?

ট্রান্সফমারের সর্ট-সার্কিট টেস্ট (Load Loss) কি?
ট্রান্সফমার সর্ট-সার্কিট টেস্ট মূলত করা হয় হাই-ভোল্টেজ সাইডের লস বের করার জন্য।আমাদের ট্রান্সফরমারের হাই-ভোল্টেজ সাইডে কি পরিমান লস থাকে তা বের করার জন্য সর্ট-সার্কিট টেস্ট করা হয়।
আমরা জানি ট্রান্সফরমার লস মূলত দুই প্রকার-
1. No Load Loss (নো-লোড লস)
2. Load Loss (লোড লস)

এখানে আমরা Load Loss নিয়ে আজ আলোচনা করবো। এবং এই ফুল-লোড লস কে সর্ট-সার্কিট টেস্ট বলা হয়। কারন এই সর্ট-সার্কিট টেস্ট করে জানতে পারবো আমাদের ট্রান্সফমারের হাই-ভোল্টেজ সাইডের লস কি রকম আছে।

ট্রান্সফমারের সর্ট-সার্কিট টেস্ট প্রয়োজনি যন্ত্রপাতিঃ
পাওয়ার মিটার অথবা
ক্লিপন মিটার বা এ ভি মিটার
হাই-ভোল্টেজের জন্য ক্যাবল
কৃত্তিম ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ার (ভোল্টেজ ভেরিয়েক)

ট্রান্সফমারের সর্ট-সার্কিট টেস্ট শর্তাবলীঃ
৪১৫ ভোল্ট হাই-ভোল্টেজ সাইডে সাপ্লাই দিতে হবে।
লো-ভোল্টেজ সাইড সর্ট-থাকবে বাসবার দ্বারা,এখানে প্রশ্ন আসতে পারে যে, আমরা জানি যে দুই বা ততোধিক ফেজ লাইন এক সাথে কানেকশন এ আসলে সর্ট-সার্কিট হয়,তাহলে এখানে ৩টা ফেইজ লাইন এক সাথে হওয়ার ফলে কেন সর্ট সার্কিট হলো না কেন।
কারন আমাদের ট্রান্সফরমার লো-ভোল্টেজ সাইডে স্টার কানেকশন থাকে,চিত্রে একটু লক্ষ্য করুন, যেহেতু স্টার কানেকশন a,b,c,n এই সব গুলো লাইনের এক প্রান্ত এক সাথে সংযুক্ত।আমরা যদি অন্য প্রান্ত গুলো এক সাথে সংযুক্ত করে দেয় তাহলে সর্ট-সার্কিট হবে না।তবে কানেকশন করার আগে পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ রাখতে হবে। এবং বাস-বার দিয়ে লো-ভোল্টেজ সাইড সর্ট করতে হয়।বাস-বার দিয়ে সর্ট করার পর পাওয়ার সাপ্লাই দিবেন।

কিভাবে ট্রান্সফমারের সর্ট-সার্কিট টেস্ট করা হয়?
এখন আমরা ট্রান্সফরমারের হাই-ভোল্টেজ সাইডের লস বা সর্ট- সার্কিট টেস্ট করবো।এই টেস্ট করার জন্য আমাদের দুইটা পাওয়ার মিটার প্রয়োজন।চিত্রে ট্রান্সফরমার টেস্ট করার জন্য দুইটা মিটার ব্যবহার করা হয়েছে।
ট্রান্সফরমারের সর্ট-সার্কিট টেস্টঃ
আমরা পাওয়ার মিটার দ্বারা ট্রান্সফরমার টেস্ট করবো। এই পাওয়ার মিটারের ৩টা ক্যাবল থাকে কালো,লাল,এবং হুলুদ ।এই ৩টা ক্যাবল দ্বারা আমরা ট্রান্সফরমারের হাই-ভোল্টেজ সাইডের সর্ট-সার্কিট টেস্ট করবো। হাই-ভোল্টেজ সাইডে ৩টা পয়েন্ট থাকে (A,B,C)।আমরা দুইটা পাওয়ার মিটার ব্যবহার করবো। টেস্ট করার সময় প্রথমে ভোল্টেজ সাপ্লাই বন্ধ রাখবো, কানেকশন শেষ না হওয়ার আগ পর্যন্ত।

কানেকশন & ক্যালকোলেশনঃ
প্রথম পাওয়ার মিটার(P1) এর কালো ক্যাবল/তার দ্বারা হাই-ভোল্টেজ সাইডের পয়েন্ট (A) তে কানেকশন দিবো এবং লাল ও হুলুদ ক্যাবল দ্বারা কানেকশন দিবো হাই-ভোল্টেজ সাইডের পয়েন্ট (B) তে।

দ্বিতীয় পাওয়ার মিটার (P2)এর কালো ক্যাবল দ্বারা হাই-ভোল্টেজ সাইডের পয়েন্ট (C) তে কানেকশন দিবো এবং লাল ও হুলুদ ক্যাবল দ্বারা কানেকশন দিবো লো-ভোল্টেজ সাইডের পয়েন্ট ( B) তে।

কানেকশন শেষ হলে,আমরা ৪১৫ভোল্ট সাপ্লাই দিবো হাই-ভোল্টেজ সাইডে।এখন দুইটা মিটারে দুই রকম মান দেখাবে।তবে প্রথম মিটারে বেশি দেখাবে এবং দ্বিতীয় টা তে কম দেখাতে পারে।
ক্যালকোলেশনঃ
ধরুন,আমাদের দুইটা মিটারের মান হলো-

P1=1550 watt (ধরা হয়ছে)
P2=140 watt
এখন
P=P1-P2
=1550-140
=1410 watt (Loss)

তাহলে আমাদের হাই-ভোল্টেজ সাইডে ৪১৫ ভোল্ট এর ক্ষেত্রে ১৪১০ watt লস হয়।এই টা হলো সর্ট- সার্কিট টেস্ট।এই টেস্টের মাধ্যমে আমরা মূলত লস টা বের করি। উপরের মান গুলো কিন্তু আমি ধরে নিয়ে কাজ করেছি।আপনারা যখন টেস্ট করবেন তখন আপনাদের পাওয়ার মিটারের মান দেখে ক্যালকোলেশন করবেন।

21/09/2022

সাবস্টেশন রিলেটেড ভাই প্রশ্ন ও সমাধান -২
প্রশ্নঃ ক্যাবলের R.M মানে কি বোঝায়?
উওরঃ RM=round conductor multi wire or stranded wire.

প্রশ্নঃ কোন ধরনের সুইচগিয়ারে ACB ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ (LT Switchgear) লো-ভোল্টেজ লাইনে ACB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কত প্রকার এবং কি কি?
উওরঃ সাবস্টেশন লাইনে মূলত চার প্রকার সার্কিট ব্রেকার ব্যভার করা হয়,
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB

প্রশ্নঃ HT/LT সুইচগিয়ারে কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ HT/LT সুইচগিয়ারে মূলত
LT Switchgear = MCB, MCCB, ACB
HT Switchgear = VCB ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ 500 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য VCB সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য কোন ধরনের সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ 350 KVA ট্রান্সফরমার HT সুইচগিয়ারের জন্য LBS ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্নঃ LBS, VCB, MCCB, MCB, ACB কি?
উওরঃ
LBS (Load break switch)
MCB (Miniature circuit breaker)
MCCB (Moulded case circuit breaker)
ACB (AIR Circuit Breaker)
VCB (Vacuum Circuit Breaker)

প্রশ্নঃ বাস-বার কি?
উওরঃ মোটামোটি সবাই জানি বাসবার হচ্ছে এক ধরনের তামা(copper) বা অ্যালুমোনিয়াম(Aluminum) এর তৈরি পরিবাহির পাত বা পরিবাহির বার অথবা পরিবাহির রড। বাসবার একাদিক ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট থেকে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি সংগ্রহ করে এবং বিতরন করে।

প্রশ্নঃ কিসের উপরের ভিত্তে করে বাস বার সিলেকশন করা হয়?
উওরঃ লাইনের কারেন্টের উপর ভিত্তি করে বাসবার সিলেকশন করা হয়।

প্রশ্নঃ কেন বাসবার সিলেকশনের ক্ষেত্রে কপার নেয়া হয়?
উওরঃ কারন কপারের ইফেসিয়েন্সি অনেক বেসি এবং লস কম হয়।

প্রশ্নঃ CT & PT কি?
উওরঃ CT কারেন্ট ট্রান্সফরমার

প্রশ্নঃ সাবস্টেশন লাইনে CT & PT কিভাবে কানেকশন করা হয়?
উওরঃ CT সিরিজে কানেকশন দেয়া হয়
PT প্যারালালে কানেকশন দেয়া হয়

প্রশ্নঃ CT কত প্রকার ও কি কি?
উওরঃ কারেন্ট ট্রান্সফরমার ৩ ধরনের,
Wound Current Transformer
Toroidal Current Transformer
Bar-type Current Transformer

প্রশ্নঃ CT 5P 20 30VA রেটিং মানে কি বোঝায়?
উওরঃ
5= % of Error
P= Protection Class
20=Multiply by 20 line current
30VA= Barden of circuit breaker

প্রশ্নঃ CT & PT কোন ধরনের ট্রান্সফরমার?
উওরঃ CT & PT হচ্ছে ইন্সট্রোমেন ট্রান্সফরমার

প্রশ্নঃ CT & PT প্রার্থক্য কি?
উওরঃ
হাই কারেন্ট পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত কারেন্ট থেকে রক্ষা করে।
হাই ভোল্টেজ পরিমাপ করে এবং লাইন কে অনাকাঙ্ক্ষিত ভোল্টেজ থেকে রক্ষা করে।

প্রশ্নঃ CT & PT তে কোন ধরনের রিলে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ IDMT Relay, Deferential relay, Directional relay etc

21/09/2022

সাবস্টেশন রিলেটেড প্রশ্ন এবং উওরঃ(পার্ট-১)

প্রশ্নঃ সাবস্টেশন কি?
উওরঃ সাবস্টেশন হচ্ছে পাওয়ার সিস্টেমের একটি অংশ যা বিদ্যুৎ উৎপাদন, পরিবহণ, সঞ্চালন, বিতরণ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ।
প্রশ্নঃ ১১কেভি সাবস্টেশনের কি কি ইকুপমেন্ট থাকে?
Ø ট্রান্সফরমার
Ø LT সুইচগিয়ার
Ø HT সুইচগিয়ার
Ø PFI প্লান্ট
প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কি?
উওরঃ সুইচগিয়ার হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি,যা বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করে থাকে।( রিলে,সার্কিট ব্রেকার,ম্যাগনেটিক কন্টাক্টর ইত্যাদি)
প্রশ্নঃ সুইচগিয়ার কত প্রকার?
Ø LT সুইচগিয়ার
Ø HT সুইচগিয়ার

প্রশ্নঃ LT & HT সুইচগিয়ার বলতে কি বুঝ?
উওরঃ LT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের লো-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে LT সুইচগিয়ার বলে।
উওরঃ HT সুইচগিয়ারঃ
সাবস্টেশনের হাই-সাইডের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থাকে সুইচিং,কন্ট্রোলিং এবং রক্ষা করার প্রক্রিয়াকে HT সুইচগিয়ার বলে।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার LT & HT ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ
LT সুইচগিয়ারঃ
MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার
HT সুইচগিয়ারঃ
VCB সার্কিট ব্রেকার
প্রশ্নঃ সার্কিট ব্রেকার কি?
উওরঃ সার্কিট ব্রেকার হচ্ছে এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস, যা দ্বারা বৈদ্যুতিক সার্কিটকে সাপ্লাই এর সাথে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা যায়। তবে সার্কিট ব্রেকারের সবচেয়ে বড় কাজ হল,যখন অতিরিক্ত কারেন্ট বা ত্রুটিপুর্ন কারেন্ট লাইনে প্রবাহিত হয়,তা থেকে সার্কিটকে অটোমেটিক রক্ষা করা।
প্রশ্নঃ কি ধরনের সার্কিট ব্রেকার সাবস্টেশনে ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ MCB, MCCB, ACB সার্কিট ব্রেকার, VCB সার্কিট ব্রেকার।
প্রশ্নঃ LT & HT সাইডের মেইন কাজ কি?
উওরঃ
HT সুইচগিয়ার মূলত ট্রান্সফরমার কে সাট-ডাউন করানো
LT সুইচগিয়ার মূলত লোড কে কন্ট্রোল করে অথবা রক্ষা করে।
প্রশ্নঃ PFI কি?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট যা পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট করে।
প্রশ্নঃ কেন PFI ব্যবহার করা হয়?
উওরঃ কারন আমাদের ট্রান্সমিশন লাইনে ভোল্টেজ এবং কারেন্ট এর কারনে একটি এঙ্গেল সৃস্টি হয় যা লস হিসাবে ধরা হয়।এই লস কে কমানোর জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ইম্প্রোভমেন্ট ব্যবহার করা হয়।
প্রশ্নঃ PFI রেটিং কিভাবে নিতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৬০% হিসাবে নিতে হয়।

প্রশ্নঃ PFI স্টেপ কি এবং কিভাবে স্টপ সিলেকশন করতে হয়?
উওরঃ
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ১০০কেভি থেকে ২৫০কেভি পর্যন্ত তাহলে ৬ স্টেপের ১টা
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ৩১৫কেভি থেকে ২০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ১টা
ট্রান্সফরমারের রেটিং যদি ২৫০০কেভি থেকে ৪০০০কেভি পর্যন্ত তাহলে ১২ স্টেপের ২টা
প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে কিভাবে লোড বের করতে হয়?
উওরঃ ট্রান্সফরমারের রেটিং এর ৮০% হিসাবে নিতে হয়।
প্রশ্নঃ সাবস্টেশনে LT & HT সাইড কোন অংশ কে বলে?
উওরঃ ৩৩কেভি থেকে ১১কেভি পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় HT সাইড এবং ১১ কেভি থেকে ০.৪কেভি (৪০০ভোল্ট) পর্যন্ত ট্রান্সমিশন লাইন কে বলা হয় LT সাইড।
প্রশ্নঃ জেনারেশন পাওয়ার এবং ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারের রেটিং দেখাও?
উওরঃ
জেনারেশন পাওয়ারঃ ১১কেভি,৩৩কেভি,১৩২কেভি,২৩০কেভি,৪০০কেভি
ডিস্ট্রিবিউশন পাওয়ারঃ ৪০০কেভি,২৩০কেভি,১৩২কেভি,৩৩কেভি,১১কেভি।

প্রশ্নঃ কেন ডিস্ট্রিবিউশন লাইনে ৪০০০কেভির বেশি ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না?
উওরঃ কারন ৪০০০কেভি উপরের ট্রান্সফরমারের জন্য সার্কিট ব্রেকার নেই তাই ব্যবহার করা হয় না।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Aftabnagar
Dhaka