SCHOOL TV

SCHOOL TV

Share

Contract for Advertise & Sponsor. আমাদের কাজসমুহঃ
১। স্কুলের বিজ্ঞাপন তৈরি
২। স্কুলের অফিসিয়াল পেজ তৈরি

19/09/2025

বিলের তাজা মাছ

27/08/2025

নিজের ফোনে তুলা একটা পিক দেন!
ফোনের নাম বলে যান!

26/08/2025

রিমোট সার্ভিস:

√ অল্প খরচে নিউজ চ্যানেল, পত্রিকা, অনলাইন ও ইউটিউব চ্যানেল এর পোস্ট, ভিডিও নিউজ কালেকশন, নিউজ এডিট, আপলোড ও মেইনটেনেন্স এর কাজ করা হয়।

√ নিউজ চ্যানেলের জন্য সকল ধরনের সাপোর্ট আমরা দিয়ে থাকি।

√ রাজনৈতিক বাইট, কুইজ, ইন্টারভিউ, প্রোমশানাল সকল ধরনের ভিডিও ও এডিটিং এর কাজ করে থাকি।

√ প্রফেশনাল ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে দেই।

√ ফেসবুক পেজের পেমেন্ট সেটআপ ও অর্গানিক ফলোয়ার বাড়ানোর কাজ করা হয়।

√ বিস্তারিত জানতে কল অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন :- মোবাইল : 01827 528 125 হোয়াটসঅ্যাপ।

25/08/2025

সেই স্বাদ তাইনা আপুরা ভাইয়ারা

25/08/2025

ছবিতে যাকে দেখছেন তার নাম হনহকিং চাপাও। জাপানিজ মেয়ে। আজ থেকে ১০ বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেছেন। ১০ বছর পর নিজের বিয়ের ছবির সাথে সেলফি তুলে স্মৃতিচারণ করেছেন।

" মানুষের বাহ্যিক সৌন্দর্য খুবই ক্ষণস্থায়ী। তাই দৈহিক সৌন্দর্য নিয়ে কখনো অহংকার করতে নেই। শুধুমাত্র সৌন্দর্য দেখে কারো প্রেমে পড়া বা জীবন সঙ্গী হিসেবে ভাবাও উচিৎ না।

সত্যিকারের জীবনসঙ্গী কখনো বাহ্যিক সৌন্দর্য দেখে প্রেমে পড়ে না। তারা প্রেমে পড়ে তার নৈতিকতার, আদর্শের এবং মনুষ্যত্বের।

"আমাদের জীবনের কোন পরিস্থিতিই স্থায়ী নয়। তাই ভালো সময় যখন আসবে তখন একান্তভাবে সেটা উপভোগ করাই উচিত। আর যদি আমরা ভাবি খারাপ সময়ে কী করব, তাহলে ভালো সময়টাও আমরা নষ্ট করে ফেলবো।

আবার যখন জীবনে খারাপ সময় আসবে, আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, এটি ও চিরকাল স্থায়ী হবে না এবং সামনে আরও ভাল দিন আসছে।

24/08/2025

কখনো এভাবে তাল কুড়িয়ে পেয়েছেন?

24/08/2025

তোমার বাসার এই মেশিনটির নাম কি?

24/08/2025

কি ফল চিনতে পারলে বুঝবো আপনার শৈশব সুন্দর ছিল।

24/08/2025

এই ফুলটি চিনতে পেরেছেন,
আপনার এলাকায় এই ফুলের নাম কি।
শৈশবের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এই ফুলের সাথে কার কার।

24/08/2025

ডিভোর্সের পর নারীরা দু'র্বল হয়ে যায় না , ডিভোর্সের পর নারীরা নিজেদের কে আরো শক্ত করে গড়ে তুলে ,🙂 নিজের সাফল্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করে এবং তারা নিজের সাফল্যে পৌঁছাতেও পারে।

তাই ছেলেরা নিজের প্রিয় মানুষটিকে ছেড়ে যাওয়ার আগে দুইবার ভেবে নিবেন , যে আপনি ডিভোর্স দিয়ে জিতে যাচ্ছেন না, আপনি হে'রে যাচ্ছেন উল্টো যাকে ছেড়ে দিচ্ছেন সে জিতে যাচ্ছে , আমি তার একটি জ'লজ্যা'ন্ত প্রমাণ

কপি পোস্ট

23/08/2025

আমার বয়স ২৮ আর আমার স্বামীর বয়স ৩০। আমাদের বিয়ে হয়েছে ২ বছর হলো । এখনও কোনো বাচ্চা নেই নি। বিয়ের আগে আমার স্বামী বলেছিল তোমাকে চাকরি করতে হবে না আমি এতে রাজি হয়ে যাই কিন্তু এত পড়াশোনা করে আমি শুধু ঘর সংসার করতে চাই নি।তাই স্বামীকে বলি যে আমি চাকরি করবো।সে প্রথম প্রথম রাজি ছিল না। পরে অনেক জোর করার পর রাজি হয়।সে বলছিলো চাকরি করলেও রান্নার আর ঘরের মেইন দায়িত্ব আমাকে করতে হবে।আমি এতে রাজি হয়ে যাই।

আলহামদুলিল্লাহ ৭ মাস আগে আমার একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে জব হয়। প্রথম প্রথম ঘর আর চাকরি একসাথে সামলাতে পারলেও ২ মাস পর হাঁপিয়ে উঠি।তাই আমি হাজব্যান্ড কে বলি রান্নার দায়িত্ব অর্ধেক নিতে।সে এতে রাজি হয় এবং আমরা সপ্তাহে তিন দিন আমি এবং সপ্তাহে তিন দিন উনি আর শুক্র বার আমরা দুই জন এই রান্না করি। কিন্তু সে যেইদিন থেকে এই কাজটি করতে শুরু করে ওইদিন থেকেই আমার কাছ থেকে অর্ধেক বাসা ভাড়া আর অর্ধেক বাজারের খরচ চায়। আমি দেই সাথে আমাকে মাঝে মাঝে বাজারে পাঠায়।কিন্তু অর্ধেক খরচ করতে গিয়ে আমার আর তেমন টাকা বাকি থাকেনা।আজকেও কাঁচাবাজার করে এনেছি, যে দাম জিনিসের। উনি আমার থেকে অনেক টাকা কামাই করেন কিন্তু কোনো কম্প্রোমাইজ করেন না।আমাকে অর্ধেক খরচ এই দিতে হয়।এখন আমি কি করবো?

উনাকে যদি বলি ভরণ পোষণের দায়িত্ব আপনার তাহলে উনি বলেন তুমি তো চাকরি করো। এই সামান্য বেতনে আমার অর্ধেক খরচ চালানো অনেক দুর্বিসহ অবস্থা। আমার ক্রিম আর ফেস ওয়াশ সাবান শ্যাম্পু কেনার টাকাও দেয় না বলে যে ওগুলো তো আমি ব্যবহার করবো না তাহলে কিনে দেবো কেন😑। উনার থেকে সাবান শ্যাম্পু ব্যবহার করতে দেয় কিন্তু আমার পছন্দের shampoo আমি কিনতে পারি না । শুধু এই না আমার কসমেটিকস গুলাও আমার নিজের টাকাতেই কিনতে হয়।আমি কিভাবে আমার হাজব্যান্ড কি ঠিক করতে পারবো? বাজে মন্তব্য না করে ভালো উপদেশ দিন।

কপি পোস্ট

23/08/2025

বিয়ের পর শোবার ঘরের দরজাটা বন্ধ হলেই কি আপনার সব দায়িত্ব শেষ? স্বামী যখন কাছে ডাকছে, আপনি নিজেকে সঁপে দিচ্ছেন। কিন্তু একবার নিজের বুকে হাত রেখে বলুন তো, আপনি কি কেবল তার শারীরিক চাহিদা মেটানোর একটি মাধ্যম হয়েই থেকে গেছেন? নাকি সেই নারী হতে পেরেছেন, যার জন্য তার হৃদয় কাঁদে, যার শরীরের মায়ায় সে বারবার বাঁধা পড়তে চায়?

আপনার হয়তো মনে হচ্ছে, "বিয়ে তো হয়েই গেছে, এখন আর এত সাজগোজ, এত ঢং করে কী হবে? ও তো আমারই।" ঠিক এই ভাবনাটাই আপনার সাজানো সংসারে ঘুণপোকা ধরিয়ে দিচ্ছে। আপনি ভুলে যাচ্ছেন, পুরুষেরা জন্মগতভাবে শিকারি। যে হরিণ সে একবার শিকার করে ফেলেছে, তার চেয়ে জঙ্গলের অধরা হরিণীর দিকেই তার নজর বেশি থাকে। আপনি নিজেকে সহজলভ্য করে তুলে সেই শিকারের উত্তেজনাকেই মেরে ফেলছেন।

একবার ভাবুন তো সেই দিনগুলোর কথা। আপনি হয়তো ছিলেন এলাকার সেরা সুন্দরী। আপনাকে পাওয়ার জন্য সে বন্ধুদের সাথে মারামারি করেছে, আপনার অন্য প্রেমিকদের সাথে প্রতিযোগিতা করে জিতেছে, কিংবা আপনার পরিবারের হাজারটা বাধা অতিক্রম করে আপনাকে আপন করে নিয়েছে। সেদিন আপনার শরীরের বাঁকে, চোখের চাহনিতে, কথার জাদুতে যে আগুন ছিল, সেই আগুনটা আজ কোথায়?

আজ আপনি তার সামনে একটা সাধারণ নাইটি পরে ঘুরে বেড়ান। সারাদিনের ক্লান্তি আর বিরক্তি আপনার মুখে স্পষ্ট। নিজেকে আকর্ষণীয়, সেক্সি বা হট করে তোলার কোনো চেষ্টাই আপনার মধ্যে নেই। অথচ আপনার স্বামী যখন ফেসবুক বা টিকটকের স্ক্রিনে চোখ রাখে, তখন হাজারো খোলামেলা, আবেদনময়ী নারীকে দেখে। তাদের দেখে সে হয়তো মুহূর্তের জন্য উত্তেজিত হয়, কিন্তু যখন আপনার দিকে তাকায়, তখন সেই উত্তেজনাটা নিভে যায়। কেন? কারণ আপনি তাকে নতুন কিছু দিচ্ছেন না। আপনি সেই পুরনো, পরিচিত খাবার, যার স্বাদ সে জানে। সে নতুন স্বাদ চায়, নতুন উত্তেজনা চায়।

ঐশ্বরিয়া রাই বা প্রিন্সেস ডায়ানাও স্বামীকে ধরে রাখতে পারেননি!

যদি ভাবেন, "আমার সৌন্দর্যই যথেষ্ট," তাহলে আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বোকার স্বর্গে বাস করছেন। বিশ্বের সেরা সুন্দরীরাও তাদের স্বামীকে পরকীয়া থেকে আটকাতে পারেনি। ঐশ্বরিয়া রাই, প্রিন্সেস ডায়ানার মতো নারীদের গল্প তো আপনার অজানা নয়। সৌন্দর্য একটা সময়ের পর ফিকে হয়ে যায়, কিন্তু যা আজীবন থেকে যায় তা হলো আপনার আবেদন, আপনার মায়া, আপনার শরীরী ভাষার জাদু। পুরুষ সেই জাদুটাই খোঁজে।

আসলে পুরুষের মনস্তত্ত্বটাই এমন। যা সে পেয়ে গেছে, তার প্রতি আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। যেটা পায়নি, বা যা হারানোর ভয় আছে, তার প্রতি তার আকর্ষণ তীব্র থেকে তীব্রতর হয়। আপনি আপনার শারীরিক আকর্ষণ, কথার মায়া, আর আদরের উষ্ণতা দিয়ে যদি তাকে বেঁধে রাখতে না পারেন, তাহলে বাইরের জগতের হাজারো প্রলোভন তাকে টানবেই

আপনি কি সারাক্ষণ তার ভুল ধরেন? তার রোজগার নিয়ে খোঁটা দেন? তাকে অন্য পুরুষের সাথে তুলনা করে ছোট করেন? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে আপনি নিজেই তার জন্য বাইরের দুনিয়ার দরজা খুলে দিচ্ছেন। একজন পুরুষ সারাদিনের যুদ্ধ শেষে ঘরে ফিরে একটু শান্তি চায়। সে এমন একজন নারীকে চায় যার বুকে মাথা রেখে সে সব ভুলে যেতে পারে। আপনি যদি সেই শান্তির বদলে মানসিক যন্ত্রণা দেন, তাহলে সে তো পালাবেই। সে এমন আশ্রয় খুঁজবে যেখানে দুটো মিষ্টি কথা শোনা যায়, যেখানে তার পৌরুষকে সম্মান করা হয়।

ভুলগুলো তো অনেক হলো। अब আসুন, নিজেকে নতুন করে গড়ার পালা। শুধু তার জন্য, আপনাদের সম্পর্কের জন্য।

১. চোখের খিদে মেটান: আপনার যত সেক্সি, উত্তেজক পোশাক আছে, সেগুলো আলমারিতে তুলে রাখার জন্য নয়। সেগুলো শুধু আপনার স্বামীর জন্য। তার সামনে সেই পোশাকগুলো পরুন। সুন্দর অন্তর্বাস পরুন এবং তাকেই খুলতে দিন। মজা করে বলুন, "আজ এটা খোলার দায়িত্ব তোমার।" দেখুন তার চোখের ভাষা কীভাবে বদলে যায়।

২. সহবাসের প্রস্তুতি নিন: সহবাস কোনো রুটিন কাজ নয়। এটা একটা উৎসব। এর জন্য মানসিক প্রস্তুতি দরকার। স্বামী ঘরে ফেরার আগে বা আপনারা একা হওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে থেকে নিজেকে প্রস্তুত করুন। তাকে একটা দুষ্টু মেসেজ দিন, "আজ তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে।" তার চুলে বিলি কেটে দিন, পিঠে হাত বুলিয়ে দিন। পুরুষরা পায়ে মাসাজ পেতে খুব ভালোবাসে। হালকা গরম তেল দিয়ে তার পায়ে আলতো করে মাসাজ করে দিন। দেখবেন, তার শরীরের সব ক্লান্তি দূর হয়ে আপনার প্রতি ভালোবাসায় রূপান্তরিত হবে।

৩. বিছানায় 'মরা মাছ' হয়ে থাকবেন না: সহবাসের সময় চুপ করে শুয়ে থাকাটা সবচেয়ে বড় অপরাধ। আপনার কোথায় ভালো লাগছে, কীভাবে আদর করলে আপনি উত্তেজিত হচ্ছেন, সেটা তাকে মুখ ফুটে বলুন অথবা শীৎকারের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিন। পুরুষরা যেমন আদর করতে ভালোবাসে, তেমনই আদর পেতেও ভালোবাসে। তাকে চুমু খান, তার সারা শরীরে হাত বোলান। তার শরীরের কোন অংশে আদর করলে সে পাগল হয়ে যায়, সেটা খুঁজে বের করুন। সেই গোপন জায়গাটাতেই বারবার আক্রমণ করুন।

৪. শব্দের জাদু তৈরি করুন: সহবাসের সময় মুখ বন্ধ রাখবেন না। গুনগুন করে আওয়াজ করুন, তার কানে কানে ভালোবাসার কথা বলুন। বলুন, "তোমাকে এভাবে পেতে আমার খুব ভালো লাগে।" তার চুল আলতো করে টেনে ধরুন, পিঠে নখের আঁচড় দিন। এই ছোট ছোট কাজগুলোই তাকে বুঝিয়ে দেবে যে আপনিও এই মুহূর্তটা কতটা উপভোগ করছেন। মনে রাখবেন, আপনার আনন্দই তার সবচেয়ে বড় উত্তেজনা।

৫. পুরুষকে সম্মান আর প্রশংসা দিন: তার পৌরুষকে সম্মান করুন। তার ছোট ছোট কাজের প্রশংসা করুন। তাকে বলুন, সে-ই আপনার জীবনের সেরা পুরুষ। এই কথাগুলো তার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে এবং সে আপনাকে খুশি করার জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত থাকবে।

কথায় আছে, পুরুষের পেট শান্তি আর ব্রেন শান্তিতে থাকলে দুনিয়া শান্তি। 'পেট শান্তি' এখানে শারীরিক বা যৌন তৃপ্তির প্রতীক, আর 'ব্রেন শান্তি' হলো মানসিক শান্তি। আপনি যদি এই দুটো জিনিস তাকে দিতে পারেন, নিশ্চিত থাকুন, সে আপনার জন্য পুরো পৃথিবী ওলটপালট করে দেবে।

একজন নারী হিসেবে যদি আপনি আপনার স্বামীকে শারীরিক সুখের শীর্ষে পৌঁছানোর কৌশল না জানেন, তাহলে আপনার নারীত্বই অসম্পূর্ণ। আপনি হয়তো একজন মেয়ে, কিন্তু পরিপূর্ণ নারী হয়ে উঠতে পারেননি।

তাই আজ রাত থেকেই নিজেকে বদলান। শুধু একজন স্ত্রী নয়, হয়ে উঠুন তার প্রেমিকা, তার খেলার সাথী, তার গোপন কল্পনার রানী। পুরুষকে সুখের স্বর্গে পৌঁছে দিন, সে আপনাকে সেই স্বর্গের রানী করে রাখবে। পুরুষকে মানসিক শান্তি দিন, সে আপনার জীবনকে শান্তিময় করে তুলবে। পুরুষকে আদরে ভাসিয়ে দিন, সে আপনাকে ভালোবাসার জন্য হাজারো বাহানা খুঁজবে।

প্রশ্নটা আপনার কাছেই। আপনি কি শুধুই একজন 'বউ' হয়ে থাকবেন, নাকি তার জীবনের সেই অদ্বিতীয় 'নারী' হয়ে উঠবেন, যাকে ছাড়া তার পৃথিবীটাই অচল? সিদ্ধান্ত আপনার।

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1216