💠বাংলা সাহিত্যে কবিদের কিছু উপাধি:
১) প্রশ্ন: আব্দুল কাদির এর উপাধি কি ?
উ: ছান্দসিক কবি |
২) প্রশ্ন: আলাওল এর উপাধি কি ?
উ: মহাকবি |
৩) প্রশ্ন: আব্দুল করিম এর উপাধি কি ?
উ: সাহিত্য বিশারদ |
৪) প্রশ্ন: ঈশ্বর গুপ্ত এর উপাধি কি ?
উ: যুগসন্ধিক্ষণের কবি।
৫) প্রশ্ন:ঈশ্বরচন্দ্র এর উপাধি কি ?
উ: বিদ্যাসাগর |
৬) প্রশ্ন: কাজী নজরুল ইসলাম এর উপাধি কি ?
উ: বিদ্রোহী কবি |
৭) প্রশ্ন: গোবিন্দ্র দাস এর উপাধি কি ?
উ: স্বভাব কবি |
৮) প্রশ্ন: গোলাম মোস্তফা এর উপাধি কি ?
উ: কাব্য সুধাকর |
৯) প্রশ্ন: জসীম উদ্দিন এর উপাধি কি ?
উ: পল্লী কবি |
১০) প্রশ্ন: জীবনানন্দ দাশ এর উপাধি কি ?
উ: রূপসী বাংলার কবি, তিমির হননের কবি, ধুসর পান্ডুলিপির কবি |
১১) প্রশ্ন: ডঃ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ এর উপাধি কি ?
উ: ভাষা বিজ্ঞানী |
১২) প্রশ্ন: নজিবর রহমান এর উপাধি কি ?
উ: সাহিত্যরত্ন |
১৩) প্রশ্ন: নূরন্নেসা খাতুন এর উপাধি কি ?
উ: সাহিত্য স্বরসতী, বিদ্যাবিনোদিনী |
১৪) প্রশ্ন: ফররুখ আহমদ এর উপাধি কি ?
উ: মুসলিম রেনেসাঁর কবি |
১৫) প্রশ্ন: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায় এর উপাধি কি ?
উ: সাহিত্য সম্রাট |
১৬) প্রশ্ন: বাহরাম খান এর উপাধি কি ?
উ: দৌলত উজীর |
১৭) প্রশ্ন: বিহারীলাল চক্রবর্তী এর উপাধি কি ?
উ: ভোরের পাখি |
১৮) প্রশ্ন: বিদ্যাপতি এর উপাধি কি ?
উ: পদাবলীর কবি |
১৯) প্রশ্ন: বিষ্ণু দে এর উপাধি কি ?
উ: মার্কসবাদী কবি |
২০) প্রশ্ন: ভারতচন্দ্র এর উপাধি কি ?
উ: রায় গুনাকর |
২১)প্রশ্ন: মধুসূদন দত্ত এর উপাধি কি ?
উ: মাইকেল |
২২) প্রশ্ন: মালাধর বসু এর উপাধি কি ?
উ: গুণরাজ খান |
২৩) প্রশ্ন: মুকুন্দরাম এর উপাধি কি ?
উ: কবিকঙ্কন |
২৪) প্রশ্ন: মুকুন্দ দাস এর উপাধি কি ?
উ: চারণ কবি |
২৫) প্রশ্ন: মোজাম্মেল হক এর উপাধি কি ?
উ: শান্তিপুরের কবি |
২৬) প্রশ্ন: যতীন্দ্রনাথ বাগচী এর উপাধি কি ?
উ: দুঃখবাদের কবি |
২৭) প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর উপাধি কি ?
উ: বিশ্বকবি, নাইট |
২৮) প্রশ্ন: রামনারায়ণ এর উপাধি কি ?
উ: তর্করত্ন |
২৯) প্রশ্ন: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এর উপাধি কি ?
উ: অপরাজেয় কথাশিল্পী |
৩০) প্রশ্ন: শেখ ফজলুল করিম এর উপাধি কি?
উ: সাহিত্য বিশারদ, রত্নকর |
৩১) প্রশ্ন: শ্রীকর নন্দী এর উপাধি কি ?
উ: কবিন্দ্র পরমেশ্বর |
৩২) প্রশ্ন: সমর সেন এর উপাধি কি ?
উ: নাগরিক কবি |
General Knowledge - সাধারণ জ্ঞান
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from General Knowledge - সাধারণ জ্ঞান, Education Website, Dhaka.
●বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় >>. ১৯৬৯ সালে
●বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয় === ১৯৯৩ সালে।
●বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার জন্য উন্মুক্ত হয় === ১৯৯৬ সালে।
●বাংলাদেশে 3g চালু হয় ===========14 OCTOBER, 2012
বাংলাদেশে ৪জি চালু হয় ===========১৯ ফেব্রুয়ারি , ২০১৮
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন ======= ১২ মে , ২০১৮ ।
✿----------------------✿
●বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটার ‘‘ IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয় বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪ সালে
●২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের ঝিলং জা তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়।
✿----------------------✿
●বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা প্রথমাবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন করেছেন==মহিষের
●২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন>. ড. মাকসুদুল আলম
✿----------------------✿
১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন । নাম=অসবর্ন-১
বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি অবস্থিত=যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়
✿----------------------✿
●বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশত‘‘ চালু হয় == ২৮ফে:২০১৩
●বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী প্রথম ল্যাপটপ --এর নাম== দোয়েল
●জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু করে=২১ ফ্রেব্রু:২০১৩
✿----------------------✿
●বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন ‘‘ পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় == ১৩ এপ্রিল, ২০১৩
●বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট ‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June, 2009, Banglalion
✿----------------------✿
●বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার ক্যাফে চালু হয়=== ১৯৯৯ সালে, বনানীতে।
●বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন কোম্পানীর নাম == সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩ সাল।
✿----------------------✿
●বাংলাদেশে কবে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয়=== ৪ জানুয়ারী, ১৯৯০।
●বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন চালূ হয়=== ১৯৯২ সালে।
✿----------------------✿
●প্রথম ডিজিটার জেলা>. যশোর
●প্রথম ওয়াই ফাই নগর> সিলেট
●সাইবার সিটি< সিলেট
●প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ> মিঠাপুকুর ,রংপুর।
21/10/2023
আমরা প্রাই সময় দেশের বিভিন্ন বাহিনী গুলোর পদমর্যাদা নিয়ে দ্বিধা দন্ধে ভুগি। আমাদের দেশে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের মধ্যে শ্রেনীবিন্যাস আনতে পদক্রম বা warrent of presidency বিদ্যমান।
আসলে দেখুন বাহিনীগুলোে ব্যাজ একইরকম।সেম বেতন,সেম পদমর্যাদা। তবে কিছু ঐচ্ছিক সুবিধার একটু হেরফের হয়।বাংলাদেশের একজন আর্মির মেজর,পুলিশের এসপি,নেভীর লেঃ কমান্ডার,বাফের স্কোয়াড্রণ লিডার এদের সেম বেতন সেম পদমর্যাদা।আর তাই তারা একে অপরকে অর্ডার দিতে পারেনা।
পুলিশের একজন এসপিকে আর্মির সৈনিক টু ক্যাপ্টেন স্যালুট করতে বাধ্য।আবার আর্মির মেজরকে পুলিশের কনস্টেবল টু এডিশনাল এসপি স্যালুট দিতে বাধ্য থাকে।
আবার একজন লেঃজেনারেল সচিবকে স্যালুট করতে বাধ্য।ঠিক তেমনি একজন উপ-সচিব লেঃজেনারেলকে স্যার ডাকতে বাধ্য।
একজন জেনারেল কোন মন্ত্রীকেই অর্ডার দিতে পারেনা।কিন্তু একজন মন্ত্রীর অর্ডার শুনতে একজন জেনারেল বাধ্য।
একজন পুলিশের আইজিপিকে আর্মির সৈনিক টু লেঃজেনারেল স্যালুট করতে বাধ্য।আবার একজন জেনারেলকে পুলিশের আইজিপি স্যালুট করতে বাধ্য।কারণ আইজিপি 3 স্টারের, আর জেনারেল 4স্টারের।আর একজন পুলিশের ডিআইজি হলেন আর্মির একজন কর্ণেল পদমর্যাদার।
#প্রজেক্টসমূহ_উদ্বোধনের_তারিখ
▪️বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট:
➡️উৎক্ষেপণ: ১২ মে ২০১৮
▪️পদ্মাসেতু:
➡️উদ্বোধন: ২৫ জুন ২০২২
▪️মেট্রোরেল:
➡️উদ্বোধন: ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
® রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ইউরেনিয়াম হস্তান্তর - ৫ অক্টোবর, ২০২৩
▪️বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল:
➡️উদ্বোধন: ৭ অক্টোবর ২০২৩
▪️পদ্মা রেলসেতু:
➡️উদ্বোধন: ১০ অক্টোবর ২০২৩
® মুজিব: একটি জাতির রূপকার
★ উদ্বোধন - ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
® ৩৯ জেলায় ১৫০টি সেতু ও ওভারপাস
★ উদ্বোধন - ২০ অক্টোবর, ২০২৩
▪️মেট্রোরেল আগারগাঁও থেকে মতিঝিল
➡️উদ্বোধন: ২৯ অক্টোবর ২০২৩
▪️বঙ্গবন্ধু টানেল:
➡️উদ্বোধন: ২৮ অক্টোবর ২০২৩
20/10/2023
বাংলাদেশ ব্যাংক AD এর প্রশ্ন:
বিভিন্ন স্থানের ভৌগোলিক উপনাম!
________________________
০১। মুক্তার দেশ — কিউবা
০২। প্রাচীরের দেশ — চীন
০৩। নীলনদের দেশ — মিশর
০৪। ধীবরের দেশ — নরওয়ে
০৫। পবিত্র দেশ — ফিলিস্তিন
০৬। ভাটির দেশ — বাংলাদেশ
০৭। বজ্রপাতের দেশ — ভূটান
০৮। সিল্ক রুটের দেশ — ইরান
০৯। পিরামিডের দেশ — মিশর
১০। সূর্যোদয়ের দেশ — জাপান
১১। ভূমিকম্পের দেশ — জাপান
১২। শ্বেতহস্তীর দেশ — থাইল্যান্ড
১৩। চির সবুজের দেশ — নাটাল
১৪। পঞ্চনদের দেশ — পাকিস্তান
১৫। নিশীথ সূর্যের দেশ — নরওয়ে
১৬। দ্বীপের মহাদেশ — অস্ট্রেলিয়া
১৭। লিলি ফুলের দেশ — কানাডা
১৮। ম্যাপল পাতার দেশ — কানাডা
১৯। নীরব খনির দেশ — বাংলাদেশ/রাশিয়া
২০। শান্ত সকালের দেশ — কোরিয়া
২১। হাজার হ্রদের দেশ — ফিনল্যান্ড
২২। হাজার দ্বীপের দেশ — ইন্দোনেশিয়া
২৩। অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ — আফ্রিকা
২৪। সোনালী আঁশের দেশ — বাংলাদেশ
২৫। সোনালী প্যাগোডার দেশ — মায়ানমার
২৬। নীরব শহর — রোম
২৭। চির শান্তির শহর — রোম
২৮। সাত পাহাড়ের শহর — রোম
২৯। মসজিদের শহর — ঢাকা
৩০। মন্দিরের শহর — বেনারস
৩১। বাতাসের শহর — শিকাগো
৩২। গোলাপী শহর — রাজস্থান(জয়পুর)
৩৩। ঝর্ণার শহর — তাসখন্দ
৩৪। সাদা শহর — বেলগ্রেড
৩৫। বাজারের শহর — কায়রো
৩৬। উদ্যানের শহর — শিকাগো
৩৭। সম্মেলনের শহর — জেনেভা
৩৮। রৌপ্যের শহর — আলজিয়ার্স
৩৯। গ্র্যানাইডের শহর — এভারডিন
৪০। রাজপ্রাসাদের শহর — কলকাতা
৪১। মোটর গাড়ির শহর — ডেট্রয়েট
৪২। নিশ্চুপ সড়ক শহর — ভেনিস
৪৩। পোপের শহর — ভ্যাটিকান
৪৪। দূর্গের শহর — এডিনবার্গ
৪৫। গগণচুম্বী অট্টালিকার শহর—নিউইয়র্ক
৪৬। সোনালী তরুণের শহর—সানফ্রান্সিসকো
৪৭। রাতের নগরী — কায়রো
৪৮। নিষিদ্ধ নগরী — লাসা
৪৯। নিমজ্জমান নগরী — হেগ
৫০। স্বর্ণ নগরী — জোহান্সবার্গ
৫১। হীরক নগরী — কিম্বার্লী
৫২। রাজপ্রাসাদের নগর — ভেনিস
৫৩। চির বসন্তের নগরী — কিটো
৫৪। জাঁকজমকের নগরী — নিউইয়র্ক
৫৫। ভারতের রোম — দিল্লী
৫৬। মুক্তার দ্বীপ — বাহরাইন
৫৭। লবঙ্গ দ্বীপ — জাঞ্জিবার
৫৮। ব্রিটেনের বাগান — কেন্ট
৫৯। ইউরোপের বুট — ইতালি
৬০। পবিত্র ভূমি — জেরুজালেম
৬১। আগুনের দ্বীপ — আইসল্যান্ড
৬২। পান্নার দ্বীপ — আয়ারল্যান্ড
৬৩। বাংলার ভেনিস — বরিশাল
৬৪। প্রাচ্যের ভেনিস — ব্যাংকক
৬৫। দক্ষিণের রাণী — সিডনি
৬৬। উত্তরের ভেনিস — স্টকহোম
৬৭। সমুদ্রের বধু — গ্রেট ব্রিটেন
৬৮। বিগ আপেল — নিউইয়র্ক শহর
২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন ওবায়দুল হাসান। প্রধানবিচারপতিকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি
✓✓কে কাকে শপথ বাক্য পাঠ করান এ নিয়ে কিছু তথ্য✓✓
১. রাষ্ট্রপতিকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ স্পিকার
২. স্পিকার কে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ রাষ্ট্রপতি।
৩. প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ- মন্ত্রীকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ রাষ্ট্রপতি।
৪. সংসদ সদস্যদের কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ স্পিকার।
৫. প্রধান বিচারপতিকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ রাষ্ট্রপতি।
৬.সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের শপথ বাক্য কে পাঠ করান?
উঃ প্রধান বিচারপতি।
৭. জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ প্রধানমন্ত্রী।
৮. সিটি করপোরেশনের মেয়রদের কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ প্রধানমন্ত্রী।
৯. সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
১০. জেলা পরিষদের সদস্যদেরকে কে শপথ বাক্য পাঠ করান?
উঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
১১. জেলা পরিষদের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান কে?
উঃ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
১২.উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানদের সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান কে?
উঃ বিভাগীয় কমিশনার।
১৩.পৌরসভার মেয়র পৌরসভার কাউন্সিলরদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
উঃ বিভাগীয় কমিশনার
১৪.ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
উঃ জেলা প্রশাসক (ডিসি)
১৫.ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারদের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
উঃ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ এন ও)
****রাষ্ট্রপতি যাদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করান,
১.প্রধানমন্ত্রীকে
২.মন্ত্রীদেরকে
৩.উপমন্ত্রীদেরকে
৪.প্রতিমন্ত্রীদেরকে
৫.স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে
৬.প্রধান বিচারপতি কে।
****প্রধানমন্ত্রী যাদের কে শপথ বাক্য পাঠ করান,
১. সিটি করপোরেশনের মেয়রদেরকে ২.জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদেরকে
****স্পিকার যাদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করান,
১. রাষ্ট্রপতিকে
২.সকল সংসদ সদস্যকে।
****প্রধান বিচারপতির যাদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করান,
১.সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের
২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার কে
৩. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যদেরকে
৪.হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রণকে
30/09/2023
বাংলা ব্যাকরণ। বিষয়বস্তু : কারক।
12/09/2023
01/09/2023
বিখ্যাত মাটির বিস্কুট, 'ছিকর'
মাটির বিস্কুট এখনো আফ্রিকার অনেক দরিদ্র দেশ খেয়ে থাকে। তবে জানেন কি? ৭০-৯০ এর দশকে বাংলাদেশের মানুষও ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে মাটির বিস্কুট খেত। বিষয়টি অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি।
এই বিখ্যাত পোড়ামাটির বিস্কুট তৈরি হত হবিগঞ্জসহ সিলেট এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়ার বেশ কিছু অঞ্চলে। তবে এই বিস্কুট খাওয়া হত ব্রাক্ষণবাড়িয়া সহ সিলেট অঞ্চলে।
এসব অঞ্চলে এই বিস্কুট কে ডাকা হয় ছিকর বিস্কুট নামে। ছিকর, শব্দটি এসেছে ফারসি শব্দ ছিয়াকর থেকে। যার বাংলা করলে দাড়ায়, কালো মাটি।
সিলেট অঞ্চলের মানুষের ধারণা ছিল, গর্ভবতী নারীদের কাছে ছিকর অতি পছন্দের খাবার ছিল। এটি খেলে নাকি রোগ-বালাই হতে রক্ষা পাওয়া যাবে। সেইসঙ্গে পেটের বাচ্চা সুস্থ থাকবে। যদিও এই ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বা প্রমাণ আছে কিনা তা জানা যায়নি।
পাহাড়ি টিলায় গর্ত খুঁড়ে লম্বা বাঁশের সাহায্যে গভীর থেকে এক ধরনের মিহি মাটি সংগ্রহ হত। তারপর তা মাখিয়ে খাই বানিয়ে ছাঁচে ফেলে প্রথমে তৈরি করা হতো মন্ড। তারপর তা পছন্দ মত কেটে টুকরো করা হত।
পরে বিশেষ এক পদ্ধতিতে সেই টুকরো আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করা হতো ছিকর। ছিকর বিভিন্ন আকৃতির করে তৈরি করা হত। কোনোটি দেখতে বিস্কুটের মতো আবার কোনোটি ললিপপের মতো লম্বা ছিল।
বিভিন্ন এলাকার ছিকর বিভিন্ন স্বাদের ছিল। কোনো এলাকার ছিকরে খাই মাখানোর সময় গোলাপজল, আদার রস ইত্যাদি মেশানো হত। যা মাটির সঙ্গে পোড়ানোর পর ভিন্ন এক স্বাদ হত।
বর্তমান সময়ে এই ছিকর বিস্কুট বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
01/09/2023
❓ Did you know...
A U.S. Aircraft Carrier weighs 100,000 tons.
That’s the equivalent of approximately 667 Blue Whales 🐋 🐋 🐋 🐋 🐋 🐋
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka