20/11/2022
একটি হরিণ এক ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যেতে পারে। আর একটি বাঘ যেতে পারে এক ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। তাহলে অঙ্কের হিসাবে বাঘ কখনো হরিণ কে ধরার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা। বাঘের হাতে হরিণ কে কাবু হতে হয়।
কারণ টা কী ? কারণ হলো দৌড়াতে দৌড়াতে কখনো কখনো পিছনে ফিরে তাকায় বাঘের চাইতে কতটুকু এগিয়ে আছে তা বুঝার জন্য। আর এটাই হয় সর্বনাশের কারণ। পেছনে ফিরতে গিয়ে তার বেগ কমে যায় । অপরদিকে বাঘ ঠিকই তার বেগ ঠিক রেখে হরিণের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
★ শিক্ষাঃ চলার পথে কখনোই পিছনে তাকাতে নেই, লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে হবে । তাহলেই তুমি সফল হবে
03/10/2022
অনুপ্রেরণা....
সেই আদি আমল থেকে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্প আমরা সবাই জানি। কিন্তু মজার বিষয় হল আমরা ১ম অধ্যায়টাই বেশি শুনেছি। কিন্তু এই গল্পের আরো ৩ টি অধ্যায় আছে। যা হয়তো আমরা কেউ শুনেছি, কেউ শুনিনি।
১ম অধ্যায়ঃ এই অধ্যায়ে খরগোশ ঘুমিয়ে যায়, আর কচ্ছপ জিতে যায়। প্রথমবার হেরে যাওয়ার পর খরগোশ বিশ্লেষণ করে দেখল তার পরাজয়ের মূল কারণ 'অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস।' তার মানে অতি আত্মবিশ্বাস যে কারো জন্যই ক্ষতিকর। আর কচ্ছপ বুঝল, লেগে থাকলে সাফল্য আসবেই!
২য় অধ্যায়ঃ হেরে যাওয়ার পর এবার খরগোশ আবারো কচ্ছপকে দৌড় প্রতিযোগিতায় চ্যালেঞ্জ করল আর কচ্ছপও রাজী হল। এবার খরগোশ না ঘুমিয়ে দৌড় শেষ করল এবং জয়ী হল। খরগোশ বুঝল, মন দিয়ে নিজের সামর্থের পুরোটা দিয়ে কাজ করলে দ্রুত সফল হওয়া যায়। আর কচ্ছপ বুঝল, ধীর স্থিরভাবে চলা ভালো, তবে কাজে উপযুক্ত গতি না থাকলে প্রতিযোগীতামূলক পরিবেশে জয়ী হওয়া অসম্ভব!
৩য় অধ্যায়ঃ কচ্ছপ এবার খরগোশকে আরেকবার দৌড় প্রতিযোগিতার আমন্ত্রন জানালো। খরগোশও নির্দ্বিধায় রাজী হয়ে গেল। তখন কচ্ছপ বলল, "একই রাস্তায় আমরা ২ বার দৌড়েছি, এবার অন্য রাস্তায় হোক।" খরগোশও রাজী। অতএব নতুন রাস্তায় দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হল। যথারীতি খরগোশ জোরে দৌড় শুরু করে দিল। কচ্ছপও তার পিছন পিছন আসতে শুরু করল। কচ্ছপ যখন খরগোশ এর কাছে পৌঁছাল, দেখল খরগোশ দাঁড়িয়ে আছে, কিন্তু দৌড়ের শেষ সীমানায় যেতে পারেনি। কারন দৌড়ের শেষ সীমানার আগে একটি খাল আছে। কচ্ছপ খরগোশ এর দিকে একবার তাকালো, তারপর তার সামনে দিয়ে পানিতে নেমে খাল পার হয়ে দৌড়ের শেষ সীমানায় পৌছে প্রতিযোগিতা জিতে গেল। খরগোশ বুঝল, শুধু নিজের শক্তির উপর নির্ভর করলেই হবে না, পরিস্থিতি আর বাস্তবতা অনুধাবন করাও ভীষণ প্রয়োজনীয়! আর কচ্ছপ বুঝল, প্রথমে প্রতিযোগীর দূর্বলতা খুজে বের করতে হবে, তারপর সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করতে হবে।
গল্প কিন্তু এখানেই শেষ নয়
চতুর্থ অধ্যায়ঃ এবার খরগোশ কচ্ছপকে আরেকটি দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য আহবান জানালো এই একই রাস্তায়। কচ্ছপ ও রাজী। কিন্তু এবার তারা ঠিক করল, প্রতিযোগী হিসেবে নয়, বরং এবারের দৌড়টা তারা দৌড়াবে সহযোগী হিসেবে!
শুরু হল প্রতিযোগিতা। খরগোশ কচ্ছপকে পিঠে তুলে দৌড়ে খালের সামনে গিয়ে থামলো। এবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠ থেকে নেমে খরগোশকে নিজের পিঠে নিয়ে খাল পার হল। তারপর আবার কচ্ছপ খরগোশ এর পিঠে উঠে বাকী দৌড় শেষ করল আর এবার তার দু'জনই একসাথে জয়ী হল।
আমরা শিখলাম, ব্যক্তিগত দক্ষতা থাকা খুবই ভালো। কিন্তু দলবদ্ধ হয়ে একে অপরের দক্ষতাকে কাজে লাগাতে পারলেই আসে সত্যিকারের সাফল্য যেখানে সবাই বিজয়ীর হাসি হাসতে পারে।
- Collected
29/05/2022
সাইকোলজি টেস্ট : যেকোনো তিনটি বেছে নিন :
শিক্ষা, টাকা, সম্পদ, সুখ, ক্ষমতা, সুস্বাস্থ্য, মেধা, সুন্দরী বউ।
20/05/2022
.!!মূর্খ যখন বিত্তবান হয়..!!!
একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে । কোন খাবার না পেয়ে একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরের চুরি যাওয়ার কারণে রাজ-প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে যায়। রাজা মশাই জ্যোতিষীকে ডেকে পাঠায় । জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইদুরে খেয়ে ফেলেছে।
সেনাপতি রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে। একজন শিকারীকে খোঁজ করে ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিকারি যখন ইঁদুর মারতে ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয় তখন সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে। শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে, আর তার পেট চিরে হীরে বের করে, রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন ।
রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন, "হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে..??"
শিকারি জবাবে বলে,
"খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতীর সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
মূর্খ ইঁদুরটা ঠিক তাই করেছিল, হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা দিয়েছিল।"
বর্তমান সমাজে কিছু কিছু ব্যক্তিদের মাঝে এমন আচরন পরিলক্ষিত হয়!
যেটা পাওয়ার যোগ্যতা তার কখনোই ছিলনা এমন কিছু পেয়ে গেলে তার মাঝে ব্যাপক অহংকার পরিলক্ষিত হয়..
20/05/2022
" সুন্দর চেহেরাও একদিন বৃদ্ধ হবে, কিন্তু সুন্দর ব্যবহার কখনোই বৃদ্ধ হবে না।"
তোমরা মানুষের সাথে সুন্দর ব্যবহার এবং অনুগ্রহ করো।
---(সূরা বাকারা আয়াত: ০২: ১৯৫)
20/05/2022
#প্রেরণামূলক
ভালো কাজ করার সময় কারোর থেকে কোনো আশা
রাখবেন না। কারণ আপনার ভালো কাজের প্রতিদান মানুষ নয়, উপর ওয়ালা আপনাকে দেবে।
জীবন পাওয়াটা আপনার ভাগ্য, কিন্তু মৃত্যু হওয়াটা সময়ের ব্যাপার, এবং মৃত্যুর পরেও লোকের মুখে আপনার নামটা বেঁচে থাকা আপনার কর্মের উপরে নির্ভর করে।
নাম এবং বদনামের পার্থক্য কি?
নাম নিজেকে অর্জন করতে হয়। আর বদনাম লোক আপনাকে ফ্রি-তে দিয়ে দেয়।
আজ আমাদের সমাজ এমনভাবে বদলে গেছে, মানুষ গরু চড়াতে লজ্জা পায়, কিন্তু কুকুরকে সাথে নিয়ে ঘুরতে গর্ব অনুভব করে।
বন্ধুকে কেবল ততো টাকাই ধার দিবেন, যেটা আপনার ভূলে যাওয়ার ক্ষমতা আছে।
আগে মানুষ মরে যতো এবং আত্মা ঘুরে বেড়াতো। কিন্তু এখন আত্মা আগেই মারা যায় আর মানুষ ঘুরে বেড়ায়।
আমার একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন,
যা আপনার সেটা আপনার কাছে থেকে কখনোই যাবে না। আর যা চলে গেছে সেটা কখনোই আপনার ছিলো না।
আপনার বিশ্বাস যতো গভীর হবে, আপনি ধোঁকাও ততো বেশি পাবেন।
মিষ্টি কথা এবং ভালো ব্যবহারই মানুষকে রাজা তৈরি করে। কেবল টাকা দিয়েই ধনী হওয়া যায় না। আসলে ধনী তো সে, যার ভালো চিন্তা, ভালো ব্যবহার এবং ভালো বন্ধু আছে।
কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে, বয়স ও জীবনের পার্থক্য কি?
আমি বলি, আপনজন ছাড়া যে সময়টা কাটে সেটাই হলো বয়স, আর যা আপন জনের সঙ্গে কাটে সেটাই হলো জীবন।
জীবন হলো একটি যাত্রা। কান্না করে কাটালে এটাকে অনেক বড় মনে হবে। আর হেসে কাটাতে থাকলে, কখন পূর্ণ হয়ে যাবে বুঝতেই পারবেন না।
যদি শান্তি চান? তাহলে কখনোই অন্যকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করবেন না। যেমন মাটি থেকে বাঁচতে পায়ে জুতা পরা ভালো, কিন্তু মাটিতে কার্পেট বিছানো নয়!
যখন আপনি আঘাত পেয়েও না পরে যাবেন তখন বুঝে নিবেন দোয়া আপনাকে আটকে রেখেছে।
সম্মান সব সময় সম্মানীয় লোকের কাছ থেকেই পাওয়া যায়। যার নিজেরই সম্মান নেই, সে অন্যকে কিভাবে সম্মান দেবে?
©
ধন্যবাদ সবাইকে।
20/05/2022
জিনিসপত্রের দাম কেনো বাড়ছে জানতে চান? আসুন একটু জেনে নেয়া যাক....
মুদ্রাস্ফীতির সাথে খেলাপী ঋণ ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
প্রথেমেই বুঝতে হবে মুদ্রাস্ফীতি জিনিস টা আসলে কি? খুব সহজভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছি।
মুদ্রাস্ফীতিঃ কোন দেশে সর্বোপরি যতটুকু সম্পদ আছে তার মূল্য ওই দেশের বর্তমানের মোট মুদ্রামাণের(টাকা) সমান। মনে করুন, বাংলাদেশে সর্বমোট ১৫ টাকা আছে এবং এই দেশের সম্পদ বলতে সাকুল্যে আছে ৫ টি কমলা। আর কিছুই নেই। যেহেতু দেশের মোট সম্পদের মূল্য মোট মুদ্রামানের সমান, সেহেতু এই ৫ টি কমলার মূল্য ১৫ টাকা। অর্থাৎ, প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকা। এখন যদি আরো ৫ টা ছাপানো হয়, তাহলে মোট মুদ্রামান হয়ে যাবে ১৫+৫ = ২০ টাকা। কমলা কিন্তু বাড়েনি। তারমানে এখন[নতুন করে ৫ টাকা ছাপানোর পর] ৫ টি কমলার মোট মূল্য হয়ে গেল ২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি কমলার বর্তমান মূল্য ৪ টাকা।
এই যে সম্পদ না বাড়িয়ে অতিরিক্ত টাকা ছাপানোর ফলে কমলার দাম ৩ টাকা থেকে ৪ টাকা হয়ে গেল, এইটাই সহজ ভাষায় "মুদ্রাস্ফীতি"। একই পণ্য আগের থেকে বেশি দামে ক্রয় করা মানেই মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে।
অর্থাৎ, আমরা বলতে পারি "কোন দেশের সম্পদের পরিমাণ না বাড়িয়ে টাকা ছাপালে মুদ্রাস্ফীতি হবে।"
এইবার আসি খেলাপী ঋণের প্রসঙ্গে। সহজ ভাষায় ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করলে সেই ঋণ কে খেলাপী ঋণ বলা যায়। আবার সেই ১৫ টাকা এবং ৫ কমলায় ফিরে আসা যাক।
মনে করুন, এই ১৫ টাকা থেকে এক ব্যক্তি ৫ টাকা ঋণ নিল। যতক্ষণ পর্যন্ত ঋণের ৫ টাকা দেশের মধ্যেই থাকছে, ততক্ষন দেশের মোট মুদ্রামান ১৫ টাকাই থাকে। মানে প্রতিটি কমলার মূল্য ৩ টাকাই থাকে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি এখন পর্যন্ত ঘটেনি।
এইবার ধরুন ওই ব্যক্তি ঋণের ৫ টাকা ডলারে কনভার্ট করে বিদেশে গিয়ে খরচ করে ফেলেছে এবং সে ঋণ পরিশোধ করতে অক্ষম। ডলারে কনভার্ট করার মানে হচ্ছে ওই ৫ টাকা এখন আর টাকা নাই। ধরুন ১ ডলার হয়ে গেছে[ধরি, ১ ডলার = ৫ টাকা]। এখন ওই ১ ডলার কিন্তু আর বাংলাদেশে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। যে দেশের মুদ্রা শুধুমাত্র সে দেশেই ব্যবহার করা যায়। মানে ওই ৫ টাকা বাংলাদেশের মধ্যে আর নাই!! অথচ খাতা কলমের হিসাবে বাংলাদেশের মোট টাকার মান এখনো ১৫ ই আছে!!! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আছে ১০ টাকা। ওই খেলাপী ৫ টাকার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আবার ৫ টাকা অতিরিক্ত ছাপানো হয়। অর্থাৎ খাতাকলমে মোট মুদ্রামান হয়ে যায় ২০। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ১৫ টাকা থাকে।
এইখানে দুইটা ভয়কংর ঘটনা ঘটেঃ
১)যেহেতু টাকা ছাপানো হয় নতুন করে, সেহেতু মুদ্রাস্ফীতি হবে। অর্থাৎ একই কমলার দাম আগে ছিল ৩ টাকা। এখন হয়ে যাবে ৪ টা।
২)উপরের সমস্যা টাও খুব একটা প্রভাব ফেলত না যদি সত্যি সত্যি দেশে ২০ টাকা থাকত। তাহলে পণ্যের দাম বাড়ার সাথে সাথে মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও বাড়ত। কিন্তু সেটা তো হচ্ছে না। কারন দেশে তো ২০ টাকা নাই। আছে ১৫ টাকা। ৫ টাকা গায়েবুল হাওয়া হয়ে গেছে। মানে আমাদের কাছে ১৫ টাকা। কিন্তু পণ্য কিনতে হচ্ছে এমন দামে যেন আমাদের ২০ টাকা আছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বর এর পর মোট খেলাপী ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা। এর অর্থ এই হিউজ পরিমাণ টাকা আমাদের দেশে নাই। অথচ আমাদের পণ্য ক্রয়ের সময় এমন দাম দিতে হচ্ছে যেন ওই এক লাখ এক হাজার ১৫০ কোটি টাকাা আমাদের মুদ্রামাণে যুক্ত আছে। কি ভয়ংকর!!! এইসব হিসাবেই গ্যাসের সিলিন্ডার আজ ১৪০০ টাকা, অথচ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সেই ৭০০ টাকা ই আছে।
ভয়ংকর ব্যাপার। আপনাকে টাকা না দিয়ে বলা হচ্ছে টাকা দিয়েছি, আছে তোমার পকেটে, বেশি দাম দিয়ে চাল, ডাল, তেল কিনবা। নাহলে না খেয়ে মরবা।
©
20/05/2022
একফোঁটা মধু মাটিতে পড়ে আছে!
পাশ দিয়ে ছোট্র একটি পিপীলিকা যাচ্ছিল!
মধুর ঘ্রাণ নাকে ঢুকতেই থমকে দাঁড়াল!
ভাবলো একটু মধু খেয়ে নেই!
তারপর না হয় সামনে যাবো!
এক চুমুক খেলো! বাহ্! খুব মজা তো!
আর একটু খেয়ে নেই! আরেক চুমুক খেলো!
তারপর সামনে চলতে লাগলো!
হাটতে হাটতে ঠোঁটে লেগে থাকা মধু চেটে চেটে খাচ্ছিল!
ভাবলো,এত মজার মধু আরেকটু খেয়ে নিলে কি হয়?
আবার পিছনে ফিরলো!
পূর্বে মধুর একপাশ থেকে খেয়েছিল!
এবার চিন্তা করলো ভিতরে মনে হয় আরও মজা!
এবার আস্তে আস্তে বেয়ে বেয়ে মধু ফোঁটার উপরে উঠে গেল!
বসে বসে আরামছে মধু খাচ্ছে! খেতে খেতে এক পর্যায়ে পেট ফুলে গেল!
ঐ দিকে আস্তে আস্তে পা দুটো মধুর ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে!
তখনই হঠ্যাৎ টনক নড়লো তার!
কিন্তু কতক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে!
মধু থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চলছে!
কিন্তু নাহ্! মধুতে তার সমস্ত শরীর মাখামাখি অবস্থা!
অনেক চেষ্টা করেও নিজেকে আর উদ্ধার করতে সক্ষম হলো না!
নাকে মুখে মধু ঢুকে দম বন্ধ হয়ে যেতে লাগল!
অবশেষে.. পিপীলিকাটি মধুর ভিতরে আটকে পড়েই মৃত্যু বরণ করল!!
এই বিশাল বড় দুনিয়াটাও এক ফোটা মধুর মত!
যে এই মধুর পাশে বসে হালাল ও অল্পতে তুষ্ট থাকবে সেই বেঁচে গেল!
আর যে এই স্বাদের মধ্যে ডুব দিতে গিয়ে হালাল-হারাম বাচ-বিচার না করে শুধু খেয়েই গেল,আরেকটু আরেকটু করতে করতে একদিন সে এর মায়াজালে আটকা পড়েই মারা যাবে! তখন আর কেউই উদ্ধার করতে পারবে না! ধ্বংস অনিবার্য!
20/05/2022
👉গল্পটা পুরো পড়ুন!
-একটি ইঁদুর এক চাষীর ঘরে বাসা বেঁধে ছিল।
একদিন ইঁদুরটি দেখলো চাষী আর তার স্ত্রী থলে থেকে কিছু একটা জিনিস বের করছেন।
ইঁদুর ভাবলো থলের ভিতর নিশ্চয়ই কোনো খাবার আছে, তাই সে গুটি গুটি পায়ে এগুলো।
এগিয়ে দেখলো সেটা খাওয়ার কিছু নয়, সেটা ছিল একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ।
-ফাঁদ দেখে ইঁদুর পিছাতে থাকলো। ইঁদুরটি বাড়ির পিছনের খোপে থাকা পায়রাকে গিয়ে বলল- জানো আজ বাড়ির মালিক একটা ইঁদুর ধরার ফাঁদ এনেছে !! এটা শুনে পায়রা হাসতে থাকলো আর বলল-
তাতে আমার কি?
আমি কি ওই ফাঁদে পড়তে যাব না কি?
-নিরাশ হয়ে ইঁদুরটি মুরগীকে গিয়ে একই কথা বলল। মুরগী ইঁদুরকে হেয় করে বলল- 'যা ভাই, এটা আমার কোনো সমস্যা নয়।'
-ইঁদুরটি হাঁপাতে হাঁপাতে মাঠে গিয়ে ছাগলকে শোনালো। ছাগল শুনে হেসে লুটোপুটি খেতে থাকলো আর বললো, এটা তোকে মারার ফাঁদ, আমিতো আর সেখানে আটকা পড়ে মরবো না, যা এখান থেকে!!!
কেউ তার কথার গুরুত্ব দিলনা, তার সহযোগীতায় কেউ এগিয়ে এলোনা।
-সেই দিন রাত্রে 'ফটাস' করে একটি শব্দ হলো, ফাঁদে
একটি বিষাক্ত সাপ আটকে গিয়েছিল। অন্ধকারে চাষীর স্ত্রী সাপের লেজকে ইঁদুর ভেবে বের করলো, আর সাপটি তাকে ছোবল মারল।
-অবস্থা বেগতিক দেখে চাষীটি ওঝাকে ডাকলো।
ওঝা তাকে পায়রার মাংস খাওয়ানোর পরামর্শ দিল।
পায়রাটি এখন রান্নার হাঁড়িতে।
-চাষীর স্ত্রীর এই সংবাদ শুনে তার বাড়িতে আত্মীয়
স্বজন এসে হাজির হল। তাদের খাওয়ার বন্দোবস্তের
জন্য মুরগীকে জবাই করা হল।
মুরগী বেঁচারিও এখন রান্নার হাঁড়িতে।
-দিন দুই পর চাষীর স্ত্রী মারা গেল। আর তার অন্তোষ্টিক্রিয়ার কিছু দিন পরে ছাগলটিকেও জবাই করা হল।
ছাগলও হাঁড়িতে রান্নার জন্য চলে গেল।
ইঁদুর তো আগেই পালিয়ে ছিল, দুর..বহুদূর।
#কি শিক্ষা পেলাম আমরা ...??
যদি কেউ আপনাকে তার সমস্যার কথা শোনায় আর
আপনি ভাবেন যে এটাতো আমার সমস্যা নয়, যার সমস্যা তার ব্যাপার!
তবে একটু দাঁড়ান, আর একবার ভালো করে
চিন্তা করুন, আপনার অবস্থাও কখনো এমন হতে পারে.!!! মানুষ মাত্রই সমাজবদ্ধ জীব। সমাজের একটা
অংশ, একটি ধাপ বা পর্যায়। একজন নাগরিক যদি বিপদে থাকেন তবে পুরো দেশ বিপদে পড়তে পারে!!
মনে রাখবেন,
মানুষ মানুষের জন্য
আর মানবতা সবার জন্য!
(Collected)