Quran Sunnah Foundation

Quran Sunnah Foundation

Share

অলাভজনক,অরাজনৈতিক ও মানবকল্যাণে নিবেদিত শিক্ষা, দাওয়াহ ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

27/05/2026

পশু কুরবানির সাথে সাথে আমাদের ভিতরে জমে থাকা পশুত্বও কোরবানি হোক।
ঈদ মোবারক!

21/05/2026

হিকমতের সেকাল ও একাল।

একালের হিকমত:

একালে হিকমত শব্দটি কিছু কিছু মানুষ
ছলচাতুরী, প্রতারণা অর্থে ব্যবহার করে।

সেকালের হিকমত :

ইমাম গাজ্জালী [১০৫৮-১১১১] বলেন,
যদি প্রশ্ন করা হয়: হিকমত বা প্রজ্ঞার প্রকৃত রূপ কী?

উত্তর: হিকমত হলো এমন একটি নূর, যা ইলহাম বা ঐশী অনুপ্রেরণা এবং শয়তানের কুমন্ত্রণার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করে দেয়।
আরো বলা হয়: হিকমত প্রতি রাতে আকাশ থেকে অবতীর্ণ হয়, কিন্তু তা মানুষের অন্তরে স্থান পায় না যদি তাতে চারটি রোগ বিদ্যমান থাকে:
১. দুনিয়ার প্রতি মোহ,
২. জীবিকার অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা,
৩. অন্যের প্রতি হিংসা, এবং
৪. পদমর্যাদা বা খ্যাতির লোভ।

আরও বলা যায়: তিনটি অবস্থায় (কথায়, কাজে ও চিন্তায়) তিনটি বিষয় স্মরণ রাখাই হলো হিকমত:

ক. যখন তুমি কথা বলো: তখন মহান আল্লাহর শ্রবণক্ষমতার কথা স্মরণ করো এবং এমন কথা বলো যা তাঁর শ্রবণের উপযুক্ত হয়।

খ. যখন তুমি কোনো কাজ করো: তখন তোমার প্রতি মহান আল্লাহর দৃষ্টির কথা স্মরণ করো এবং এমন কাজ করো যা তাঁর দর্শনের উপযুক্ত হয়।

গ. যখন তুমি কোনো বিষয়ে চিন্তা করো: তখন তোমার প্রতি মহান আল্লাহর জ্ঞানের কথা স্মরণ করো এবং এমন বিষয়ে চিন্তা করো যা তাঁর জ্ঞানের উপযুক্ত হয়।

কেননা, মহান আল্লাহ তাআলা মূসা ও হারুন আ.-কে উদ্দেশ্য করে বলেছেন: “নিশ্চয়ই আমি তোমাদের উভয়ের সাথে আছি, আমি শুনি এবং দেখি।” (সূরা ত্বহা: ৪৬)

16/05/2026

রজয়ী (ফেরতযোগ্য) তালাকের পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেবেন যেভাবে
১। মাসআলা : স্ত্রীকে স্বামী এক তালাক অথবা দু তালাক রজয়ী দিলে ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত উক্ত স্ত্রীকে তার অসম্মতিতে ফিরিয়ে রাখার ক্ষমতা স্বামীর থাকে।

উল্লেখ্য যে, এ ফিরিয়ে রাখাকে বলা হয় "রজআত" এবং যে তালাকের মাধ্যমে ফিরিয়ে রাখার ক্ষমতা থাকে তাকে "রজয়ী" তালাক বলা হয়।

রজয়ী তালাকে ইদ্দত পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী সম্মত না থাকলেও স্বামী তাকে ফিরিয়ে রাখতে পারে। এতে স্ত্রীর কোন ক্ষমতা বা অধিকার থাকে না এবং তিন তালাক হলে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে সম্মত থাকা সত্ত্বেও বিয়ে দোহরিয়ে নেয়ার অধিকার বা ক্ষমতা থাকে না।

২। মাসআলা: রজআত করার নিয়ম হল, স্বামী স্ত্রীকে বলবে যে, আমি তোমায় তালাক দিয়েছিলাম বটে কিন্তু এখন আমি রজআত করতেছি যে, তোমায় তালাক দেব না, তোমায় ফিরিয়ে রাখছি কিংবা স্ত্রীকে সম্বোধন করে স্ত্রীর সাক্ষাতে যদি মুখে বলে যে, আমি আমার স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলাম বটে কিন্তু এখন আবার তাকে ফিরিয়ে রাখলাম বা রজআত করলাম। এভাবে বললে তার রজআত বা ফিরিয়ে রাখা হয়ে যাবে এবং পুনরায় সে তার স্ত্রী হয়ে যাবে। আর যদি মুখ দিয়ে কিছু না বলে ইদ্দতের ভেতর সহবাস করে, স্বামী-স্ত্রীর মত দুজন আলিঙ্গন করে, মুখে চুম্বন করে, কিংবা কামভাবের সাথে স্পর্শ করে, তাহলেও রাজআত হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আবার বিয়ের দরকার হবে না। কিন্তু সাবধান। বায়েন তালাকে বিয়ে না দোহরিয়ে (যৌন সম্পর্কিত) কিছু করা জায়েয হবে না। রজয়ী তালাকের ইদ্দতের মধ্যে মুখ দিয়েও যদি কিছু না বলে এবং কার্যত স্বামী-স্ত্রীর আচার-ব্যবহার না করে, তাহলে ইদ্দত শেষ হয়ে গেলে বায়েন তালাক হয়ে যাবে।

৩। মাসআলা: রজআত করার সময় মুখে বলে রজআত করা এবং বলার সময় চারজন লোক সাক্ষী রাখা মুস্তাহাব। কেননা, পরে হয়ত কোন মতভেদ সৃষ্টি হতে পারে। আর যদি সাক্ষী নাও রাখে, তথাপি রাজআত বৈধ হয়ে যাবে।

৪। মাসআলা: ইদ্দত পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর আর রজআত করার অধিকার পুনরায় স্বামীর থাকে না। বিয়ে ছাড়া আর ঐ স্ত্রীকে রাখার অথবা স্ত্রী স্বামীর কাছে থাকার ক্ষমতা থাকে না, বিয়ে না দোহরিয়ে স্বামী যদি স্ত্রীকে রাখে অথবা স্বামীর কাছে স্ত্রী থাকে, তাহলে উভয়েই শক্ত পাপী হবে।

৫। মাসআলা : হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর তালাকের ইদ্দত তিন হায়েয। যখন তিন হায়েয (পিরিয়ড) পূর্ণ হয়ে যাবে তখন ইদ্দত শেষ হবে।

এখন জানার বিষয় হল, তৃতীয় হায়েয যদি পূর্ণ দশ দিন থাকে, তবে যখন রক্ত বন্ধ হয় এবং দশ দিন পূর্ণ হয় তখন ইদ্দত শেষ হয়ে যাবে। স্ত্রীর গোসল করা হোক বা না হোক স্ত্রীকে রাখার যে অধিকার স্বামীর ছিল, তা আর রইল না। আর তৃতীয় হায়েয দশ দিনের কম হয়ে থাকলে এবং দশ দিনের আগেই রক্ত বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু এখনও গোসল করেনি কিংবা কোন ওয়াজিব নামাযও তার কাজা হয়নি তবে এখনও স্বামীর ক্ষমতা বাকী রয়েছে। যদি সে সেচ্ছায় তালাক থেকে বিরত থাকে, তাহলে সে তার হয়ে যাবে। কিন্তু রক্ত বন্ধ হওয়ার পর স্ত্রী গোসল করে থাকলে অথবা গোসল করেনি কিন্তু এক ওয়াক্ত নামাযের সময় পার হয়ে গেছে, অর্থাৎ এক ওয়াক্ত নামাযের কাজা তার দায়িত্বে ওয়াজিব হয়ে গেছে, এ উভয় অবস্থায় স্বামীর অধিকার রহিত হয়ে গেল। এখন বিয়ে ছাড়া স্ত্রীকে রাখতে পারবে না।

৬। মাসআলাঃ যে স্ত্রীর সাথে বিয়ের পর স্বামী এখনও সহবাস করেনি, যদি নির্জনে স্বামী-স্ত্রী একত্রে থেকে থাকে আর তাকে এক তালাক রজয়ী দেয়, তবে রজয়ী তালাক হবে না, বরং একটি তালাকে বায়েন হবে।

৭। মাসআলা: স্বামী- স্ত্রী একত্রে নির্জন বাস করেছে, কিন্তু স্বামী বলে, আমি মিলন করিনি। এ স্বীকারোক্তির পর তালাক দিল, এখন তালাকটি বায়েন হবে, রজয়ী হবে না।

৮। মাসআলা: রজয়ী তালাকের ভেতর, অর্থাৎ এক বা দু তালাকের রজয়ীতে স্ত্রীর খুব সাজ-সজ্জা করে সুন্দরী রূপসী হয়ে থাকা উচিৎ, যেন স্বামীর মনে ভালবাসা ও আকর্ষণ সৃষ্টি হয়ে জলদি রজআত করে নিতে পারে। আর স্বামীর রজআত করার ইচ্ছে না থাকলে ঘরে প্রবেশের সময় কাশি দিয়ে বা শব্দ করে আসা উচিৎ। কেননা, কোন বে-কায়দা জায়গায় যদি নজর পড়ে যায় তাহলে হয়ত রজআত হয়ে যেতে পারে, অথচ তার রজআত করার ইচ্ছে নেই, তারপর আবার তালাক দেয়া দরকার হবে এবং ইদ্দত অনেক দীর্ঘ্য হয়ে যাবে, তাতে তার কষ্ট হতে পারে। স্ত্রী ইদ্দত পর্যন্ত স্বামীর ঘরে থেকে ইদ্দত শেষ হলে তথা থেকে বের হয়ে অন্য স্থানে গিয়ে থাকবে।

৯। মাসআলা : তালাক দিয়ে রজআত করার পূর্বে সে স্ত্রীকে নিয়ে ভ্রমণ করা বা স্ত্রী তার সাথে সফরে যাওয়া জায়েয নেই।

১০। মাসআলা : যে স্ত্রীকে এক বা দু' তালাক বায়েন দেয়া হয়েছে, সে যদি অন্য স্বামী গ্রহণ করতে চায়, তাহলে ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে পারবে না। ইদ্দতের ভেতর বিয়ে জায়েয নেই, কিন্তু প্রথম স্বামীই যদি বিয়ে করতে চায় তবে সে বিয়ে ইদ্দতের ভেতরও জায়েয হবে।

15/05/2026

অনেক বেশি যিকির করার একটি গোপন রহস্য এবং কাসিদা বুরদার একটি পংক্তি কীভাবে সুরক্ষা হয়ে দাঁড়ায় — এমনকি ফিলিস্তিনেও -
আজ তাই উল্লেখ করছি-

Shaykh Muhammad Aslam থেকে বর্ণিত-

Shaykh Nimar al-Khatib রহমাতুল্লাহ আলাইহি একবার ফিলিস্তিনে একটি গাড়িতে ছিলেন। হঠাৎ লোকেরা তাদের গাড়ির দিকে গুলি চালাতে শুরু করে। ড্রাইভার আহত হন এবং যাত্রীরা নিহত হন, কিন্তু শায়খ স্থিরভাবে বসে থাকেন।
তিনি সিরিয়ায় আমাদের শিক্ষকদের সামনে কসম করে বলেছিলেনঃ

“আমি আমার জামার দিকে তাকিয়ে দেখলাম সেখানে ৩০টি গুলির ছিদ্র! তখন আমি জামা উঠিয়ে দেখলাম — ভেতরের টি-শার্ট পর্যন্ত গুলিগুলো প্রবেশই করেনি!”

তিনি বললেনঃ
“এর কারণ হলো, আমি প্রতিদিন সকালে কাসিদা বুরদার এই লাইনটি পড়তাম।”

Waman takun bi-Rasulillahi nusratuhu
In tal qahul-usdu fee aajaa-mihaa tajimi

আর সেই লাইনের অর্থ হলোঃ

যার সাহায্যকারী ও সহায়ক হলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ,
সে যদি সিংহের গুহাতেও প্রবেশ করে, তবুও সিংহ তার ভয়ে ভীত হবে।”

পরে তিনি মদিনায় ইন্তিকাল করেন এবং জান্নাতুল বাকি’তে দাফন হন।

যেভাবে সাহাবায়ে কেরাম রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বরকতময় পোশাক, তাঁর প্রশংসা এবং তাঁর মাধ্যমে শক্তি ও সাহায্য কামনা করতেন — আমরাও তেমনিভাবে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দরুদ শরিফের মাধ্যমে বরকত ও সাহায্য কামনা করি।

30/04/2026

স্বামী তিন তালাক দেবার পর অস্বীকার করলে স্ত্রীর করণীয় কি?

উত্তরঃ
যদি স্ত্রী দাবী করে স্বামী তিন তালাক দিয়েছে, কিন্তু স্বামী তা অস্বীকার করে, তাহলে স্ত্রী নিজ দাবীর পক্ষে সাক্ষী উপস্থিত করতে পারলে স্ত্রীর কথা গ্রহণ করা হবে ও বিচ্ছেদ হবার ফতোয়া দেয়া হবে। আর সাক্ষী না থাকলে স্বামীকে কসম করতে বলা হবে তালাক না দেবার পক্ষে। যদি কসম করতে অস্বীকার করে, তাহলে স্ত্রীর কথা গ্রহণ করা হবে ও বিচ্ছেদ হবার ফতোয়া দেয়া হবে। কিন্তু যদি স্বামী কসম করে ফেলে, তাহলে স্বামীর কথা গ্রহণ করা হবে কাযাআন।

রাসূল (ﷺ) বলেন,
“যখন স্ত্রী তার স্বামী তাকে তালাক দিয়েছে বলে দাবি করে এবং এর পক্ষে একজন নির্ভরযোগ্য সাক্ষী পেশ করে, তখন তার স্বামীকে কসম খেতে বলা হবে। সে যদি কসম খায়, তবে সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল বলে গণ্য হবে। আর যদি স্বামী কসম খেতে অস্বীকার করে, তবে তার এ অস্বীকার একজন সাক্ষ্যের স্থলাভিষিক্ত হবে এবং তালাক সাব্যস্ত হয়ে যাবে।”
📚 (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২০৩৮)

কিন্তু স্বামীর কথা (কাযাআন) গ্রহণ করা হলেও স্ত্রী তো জানে তিন তালাক দিয়ে স্বামী অস্বীকার করতেছে। তাই তার জন্য উক্ত স্বামীর সাথে ঘর-সংসার করার কোন সুযোগ নেই। ইবনে আবেদীন শামী রাহ লিখেন,
والمرأة كالقاضي إذا سمعته أو أخبرها عدل لا يحل له تمكينه.
মহিলা নিজের ব্যাপারে কাযী/বিচারক এর মতো। যখন সে স্বামীর নিকট থেকে তালাক শুনবে বা তাকে কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তি তালাকের খবর পৌঁছাবে, তখন স্বামীর সাথে সংসার করা তার জন্য জায়েয হবে না।
📚 (রদ্দুল মুহতার-৩/২৫১)

তাই যেভাবেই হোক তার থেকে আলাদা হয়ে যেতে হবে। স্বামী তালাকের কথা অস্বীকার করলে, পিত্রালয়ে বা অন্য কোন নিরাপদ আশ্রয়ে পালিয়ে যাবে। অথবা সামর্থ্য থাকলে স্বামীকে টাকা-পয়সা দিয়ে মুক্তি নিবে অথবা হক্বপন্থী আলেমদের সালিশের মাধ্যমে আলাদা হয়ে যাবে। মোট কথা, যে-কোনো উপায়ে স্বামীর থেকে আলাদা হয়ে যাবে।

যদি কোন স্বামী-স্ত্রী উভয়ে তিন তালাককে অস্বীকার করে, কিন্তু দুজন সাক্ষী বলে যে তিন তালাক দিয়েছিল, তাহলে তাদের মাঝে বিচ্ছেদ করে দেয়া হবে। আর স্বামী-স্ত্রী তিন তালাক হয়েছে জানার পরও সংসার করাটা নিকৃষ্ট যেনা-ব্যভিচার, ইসলামী রাষ্ট্র থাকলে তাদেরকে পাথর নিক্ষেপ করে হত্যা করা হতো। এমন ব্যভিচারময় হারাম সংসারের প্রতিবেশীরাও বিপদগ্রস্ত হবে।

শেষ যামানায় স্বামীরা তালাক দিয়ে অস্বীকার করার ব্যাপারে হাদীসে আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে দেখুন!

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (ﷺ), কিয়ামতের কি এমন কিছু আলামত রয়েছে, যদ্বারা কিয়ামতের বিষয়ে অবগত হওয়া যাবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, হে ইবনে মাসউদ। নিশ্চয় কিয়ামতের অনেকগুলো আলামত ও নিদর্শন আছে।...হে ইবনে মাসউদ, কিয়ামতের আলামত ও নিদর্শনসমূহের একটি হলো, জারজ সন্তান বৃদ্ধি পাবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি বললাম, হে ইবনে মাসউদ, তারা কি মুসলমান? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, হে ইবনে মাসউদ, তাদের সামনে কি কুরআন থাকবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি বললাম, হে ইবনে মাসউদ, তাহলে এমনটা (জারজ সন্তানের বৃদ্ধি) কীভাবে হবে? তিনি বললেন, মানুষের সামনে এমন একটি সময় আসবে, যখন সে তার স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তা অস্বীকার করবে। অতঃপর তার সাথে সহবাসে লিপ্ত হবে। এভাবে যতদিন তারা সংসার করবে তারা ব্যভিচারী হিসেবে থাকবে।"
📚 (আল-মুজামুল আওসাত, তাবারানি—৫/১২৭, হাদীস নং-৪৮৬১, প্র. দারুল হারামাইন, কায়রো)

ফাতাওয়ার কিতাবে এসেছে —

وَالْمَرْأَةُ كَالْقَاضِي إذَا سَمِعْته أَوْ أَخْبَرَهَا عَدْلٌ لَا يَحِلُّ لَهُ تَمْكِينُهُ. وَالْفَتْوَى عَلَى أَنَّهُ لَيْسَ لَهَا قَتْلُهُ، وَلَا تَقْتُلُ نَفْسَهَا بَلْ تَفْدِي نَفْسَهَا بِمَالٍ أَوْ تَهَرُّبٍ، كَمَا أَنَّهُ لَيْسَ لَهُ قَتْلُهَا إذَا حُرِّمَتْ عَلَيْهِ وَكُلَّمَا هَرَبَ رَدَّتْهُ بِالسِّحْرِ. وَفِي الْبَزَّازِيَّةِ عَنْ الْأُوزْجَنْدِيِّ أَنَّهَا تَرْفَعُ الْأَمْرَ لِلْقَاضِي، فَإِنَّهُ حَلَفَ وَلَا بَيِّنَةَ لَهَا فَالْإِثْمُ عَلَيْهِ. اهـ. قُلْت: أَيْ إذَا لَمْ تَقْدِرْ عَلَى الْفِدَاءِ أَوْ الْهَرَبِ وَلَا عَلَى مَنْعِهِ عَنْهَا فَلَا يُنَافِي مَا قَبْلَهُ. (رد المحتار، كتاب الطلاق، مطلب فى قول البحر الخ-4\463، 3\251، 3\305، البحر الرائق-3\448، 3\257 ،وكذا فى الهندية-1\354 قديم، 1\422 جديد)

“স্ত্রী এই ক্ষেত্রে কাজীর মতো; যদি সে নিজে তালাকের কথা শুনে অথবা কোনো ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি তাকে জানায়, তাহলে তার জন্য স্বামীকে নিজের উপর কর্তৃত্ব করতে দেওয়া বৈধ নয়। তবে ফতোয়া হলো—তার জন্য স্বামীকে হত্যা করা জায়েয নয়, এবং সে নিজেও আত্মহত্যা করবে না। বরং সে নিজেকে মুক্ত করবে অর্থের বিনিময়ে অথবা পালিয়ে যাবে।
যেমন স্বামীর জন্যও স্ত্রী যখন তার জন্য হারাম হয়ে যায়, তখন তাকে হত্যা করা জায়েয নয়। আর যখনই সে (স্ত্রী) পালিয়ে যায়, স্বামী তাকে যাদুর মাধ্যমে ফিরিয়ে আনে।
আর ফাতাওয়ায়ে বাজ্জাযিয়াতে এসেছে—
স্ত্রী বিষয়টি কাজীর কাছে উত্থাপন করবে। যদি স্বামী শপথ করে অস্বীকার করে এবং স্ত্রীর কাছে কোনো প্রমাণ না থাকে, তাহলে গুনাহ স্বামীর উপরই হবে।
ইবনে আবেদীন শামী রহ. বলেন—
এটি তখন, যখন স্ত্রী মুক্তিপণ দিয়ে নিজেকে ছাড়াতে পারে না, পালাতে পারে না এবং স্বামীকে নিজের কাছ থেকে বিরত রাখতেও সক্ষম না হয়, তাহলে এ কথা পূর্বের কথার বিরোধী নয়।”
📚 (রদ্দুল মুহতার (ইবনে আবেদীন), কিতাবুত তালাক, “বাহর” গ্রন্থের বক্তব্য প্রসঙ্গে আলোচনা, ৪/৪৬৩; ৩/২৫১ ও ৩০৫; আল-বাহরুর রায়েক-৩/৪৪৮ ও ২৫৭; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৫৪; জাদীদ-১/৪২২)

* الفتاوى البزازية1/169: سمعت بطلاق زوجها إياها ثلاثا ، ولا تقدر على منعه إلا بقتله إن علمت أنه يقربها تقتله بالدواء ، ولا تقتل نفسها ، وذكر الأوزجندي أنها ترفع الأمر إلى القاضي فإن لم يكن لها بينة تحلفه فإن حلف فالإثم عليه ، وإن قتلته فلا شيء عليها ، والبائن كالثلاث . شهد أن زوجها طلقها ثلاثا إن كان غائبا ساغ لها أن تتزوج بآخر ، وإن كان حاضرا لا لأن الزوج إن أنكر احتيج إلى القضاء بالفرقة ، ولا يجوز القضاء بها إلا بحضرة الزوج . ا هـ

কোনো স্ত্রী যদি তার স্বামীর কাছ থেকে নিজের ওপর তিন তালাক হওয়া শুনে, এবং স্বামীকে নিজের থেকে বিরত রাখার কোনো উপায় না থাকে হত্যা করা ছাড়া—তাহলে যদি সে নিশ্চিত হয় যে স্বামী তার নিকটবর্তী হবে, তবে সে তাকে বিষ দ্বারা হত্যা করতে পারে। তবে সে নিজেকে হত্যা করবে না।
আওযজান্দী (রহ.) উল্লেখ করেছেন যে, স্ত্রী বিষয়টি কাজীর কাছে উত্থাপন করবে। যদি তার কাছে কোনো প্রমাণ না থাকে, তাহলে স্বামীকে শপথ করানো হবে। যদি সে শপথ করে (অস্বীকার করে), তাহলে গুনাহ তার (স্বামীর) ওপরই হবে। আর যদি স্ত্রী তাকে হত্যা করে, তাহলে তার ওপর কিছুই বর্তাবে না।
আর ‘বাইন’ তালাক তিন তালাকের মতোই। যদি সাক্ষ্য দেওয়া হয় যে তার স্বামী তাকে তিন তালাক দিয়েছে—যদি স্বামী অনুপস্থিত থাকে, তাহলে তার জন্য অন্য কাউকে বিয়ে করা বৈধ হবে। আর যদি স্বামী উপস্থিত থাকে, তাহলে বৈধ হবে না। কারণ, স্বামী অস্বীকার করলে বিচ্ছেদের জন্য বিচারকের রায় প্রয়োজন হবে। আর স্বামীর উপস্থিতি ছাড়া সেই রায় দেওয়া বৈধ নয়।”
📚 (ফাতাওয়া বাজ্জাযিয়া-১/১৬৯)

আল-বাহরুর রায়েকে এসেছে —

*البحر الرائق 4/97: وقد ذكر في القنية خلافا فرقم للاصل بأنها إن قدرت على الهروب منه لم يسعها أن تعتد وتتزوج بآخر لانها في حكم زوجية الاول قبل القضاء بالفرقة، ثم رمز شمس الائمة الاوزجندي وقال: قالوا هذا في القضاء ولها ذلك ديانة، وكذلك إن سمعته طلقها ثلاثا ثم جحد وحلف أنه لم يفعل وردها القاضي عليه لم يسعها المقام معه ولم يسعها أن تتزوج بغيره أيضا. قال – يعني البديع: والحاصل أنه على جواب شمس الاسلام الاوزجندي ونجم الدين النسفي والسيد أبي شجاع وأبي حامد والسرخسي يحل لها أن تتزوج بزوج آخر فيما بينها وبين الله تعالى، وعلى جواب الباقين لا يحل انتهى. وفي الفتاوى السراجية: إذا أخبرها ثقة أن الزوج طلقها وهو غائب وسعها أن تعتد وتتزوج ولم يقيده بالديانة والله أعلم. قال المصنف رحمه الله: وقد نقل في القنية قبل ذلك عن شرح السرخسي ما صورته: طلق امرأته ثلاثا وغاب عنها فلها أن تتزوج بزوج آخر بعد العدة ديانة. ونقل آخر أنه لا يجوز في المذهب الصحيح ا ه‍. قلت: إنما رقم لشمس الائمة الاوزجندي وهو الموافق لما تقدم عنه والقائل بأنه المذهب الصحيح العلاء الترجماني ثم رقم بعده لعمر النسفي وقال: حلف بثلاثة فظن أنه لم يحنث وعلمت الحنث وظنت أنها لو أخبرته ينكر اليمين فإذا غاب عنها بسبب من الاسباب فلها التحلل ديانة لا قضاء. وسئل الشيخ أبو القاسم عن امرأة سمعت من زوجها أنه طلقها ثلاثا ، ولا تقدر أن تمنعه نفسها هل يسعها أن تقتله في الوقت الذي يريد أن يقربها ، ولا تقدر على منعه إلا بالقتل فقال لها أن تقتله ، وهكذا كان فتوى الإمام شيخ الإسلام عطاء بن حمزة أبي شجاع ، وكان القاضي الإمام الإسبيجابي يقول ليس لها أن تقتله ، وفي الملتقط ، وعليه الفتوى في فتاوى الشيخ الإمام محمد بن الوليد السمرقندي في مناقب أبي حنيفة عن عبد الله بن المبارك عن أبي حنيفة أن لها أن تقتله ، وفي المحيط في مسألة النظم ، وينبغي لها أن تفتدي بمالها ، وتهرب منه فإن لم تقدر قتلته متى علمت أنه يقربها ، ولكن ينبغي أن تقتله بالدواء ، وليس لها أن تقتل نفسها قلت قال في المنتقى ، وإن قتلته بالآلة يجب عليها القصاص. اهـ.
📚 (বাহরুর রায়েক- ৪/৯৭)

হাম্বলী মাযহাবের বিখ্যাত ফতোয়াগ্রন্থ "আল-মুগনীতে" এসেছে —

* المغني لابن قدامة: 7\503، المكتبة الشاملة: فَإِذَا طَلَّقَ ثَلَاثًا وَسَمِعَتْ ذَلِكَ وَأَنْكَرَ أَوْ ثَبَتَ ذَلِكَ عِنْدَهَا بِقَوْلِ عَدْلَيْنِ لَمْ يَحِلَّ لَهَا تَمْكِينُهُ مِنْ نَفْسِهَا وَعَلَيْهَا أَنْ تَفِرَّ مِنْهُ مَا اسْتَطَاعَتْ وَتَمْتَنِعَ مِنْهُ إذَا أَرَادَهَا وَتَفْتَدِيَ مِنْهُ إنْ قَدَرَتْ قَالَ أَحْمَدُ: لَا يَسَعُهَا أَنْ تُقِيمَ مَعَهُ وَقَالَ أَيْضًا: تَفْتَدِي مِنْهُ بِمَا تَقْدِرُ عَلَيْهِ، فَإِنْ أُجْبِرَتْ عَلَى ذَلِكَ فَلَا تَزَّيَّنُ لَهُ وَلَا تُقِرُّ بِهِ وَتَهْرُبُ إنْ قَدَرَتْ وَإِنْ شَهِدَ عِنْدَهَا عَدْلَانِ غَيْرُ مُتَّهَمَيْنِ فَلَا تُقِيمُ مَعَهُ وَهَذَا قَوْلُ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ

যদি স্বামী তার স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, এবং স্ত্রী তা নিজে শোনে বা অস্বীকার করা সত্ত্বেও দুইজন ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীর মাধ্যমে তার কাছে তা প্রমাণিত হয়—তাহলে তার জন্য স্বামীকে নিজের উপর ক্ষমতা (সহবাস/সম্পর্ক) দিতে দেওয়া বৈধ নয়।
বরং তার করণীয় হলো, যতটুকু সম্ভব স্বামীর কাছ থেকে পালিয়ে থাকা, স্বামী তাকে কাছে চাইলে নিজেকে রক্ষা করা, সম্ভব হলে স্বামীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (খুলা) নিয়ে বিচ্ছেদ করা। ইমাম আহমদ (রহ.) বলেন, তার জন্য স্বামীর সাথে অবস্থান করা কোনোভাবেই বৈধ নয়। তিনি আরও বলেন, সে যতটুকু সম্ভব মাল দিয়ে নিজেকে মুক্ত করবে আর যদি তাকে বাধ্য করা হয় সে স্বামীর জন্য নিজেকে সাজাবে না, তার কাছে অবস্থান করবে না, সুযোগ পেলে পালিয়ে যাবে।
যদি দুইজন নির্ভরযোগ্য ও সন্দেহমুক্ত সাক্ষী তার কাছে সাক্ষ্য দেয়—তাহলে তার জন্য স্বামীর সাথে থাকা বৈধ নয় এবং এটি অধিকাংশ আলেমের মত।
📚 (আল-মুগনী—৭/৫০৩)

قَالَ جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ وَحَمَّادُ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ وَابْنُ سِيرِينَ: تَفِرُّ مِنْهُ مَا اسْتَطَاعَتْ وَتَفْتَدِي مِنْهُ بِكُلِّ مَا يُمْكِنُ وَقَالَ الثَّوْرِيُّ وَأَبُو حَنِيفَةَ وَأَبُو يُوسُفَ وَأَبُو عُبَيْدٍ: تَفِرُّ مِنْهُ وَقَالَ مَالِكٌ: لَا تَتَزَيَّنُ لَهُ وَلَا تُبْدِي لَهُ شَيْئًا مِنْ شَعْرِهَا وَلَا عَرِيَّتِهَا وَلَا يُصِيبُهَا إلَّا وَهِيَ مُكْرَهَةٌ، وَرُوِيَ عَنْ الْحَسَنِ وَالزُّهْرِيِّ وَالنَّخَعِيِّ يُسْتَحْلَفُ ثُمَّ يَكُونُ الْإِثْمُ عَلَيْهِ وَالصَّحِيحُ مَا قَالَهُ الْأَوَّلُونَ؛ لِأَنَّ هَذِهِ تَعْلَمُ أَنَّهَا أَجْنَبِيَّةٌ مِنْهُ مُحَرَّمَةٌ عَلَيْهِ فَوَجَبَ عَلَيْهَا الِامْتِنَاعُ وَالْفِرَارُ مِنْهُ كَسَائِرِ الْأَجْنَبِيَّاتِ وَهَكَذَا لَوْ ادَّعَى نِكَاحَ امْرَأَةٍ كَذِبًا وَأَقَامَ بِذَلِكَ شَاهِدَيْ زُورٍ فَحَكَمَ لَهُ الْحَاكِمُ بِالزَّوْجِيَّةِ أَوْ لَوْ تَزَوَّجَهَا تَزْوِيجًا بَاطِلًا وَسُلِّمَتْ إلَيْهِ بِذَلِكَ فَالْحُكْمُ فِي هَذَا كُلِّهِ كَالْحُكْمِ فِي الْمُطَلَّقَةِ ثَلَاثًا. *الدر المختار: 3/421
* الفتاوى الهندية : 1/537 *خلاصة الفتاوى 2/119-12

জাবির ইবনে যায়েদ, হাম্মাদ ইবনে আবু সুলাইমান এবং ইবনে সিরীন (রহ.) বলেন:
স্ত্রী তার সামর্থ্য অনুযায়ী স্বামীর কাছ থেকে পালিয়ে থাকবে এবং যতটুকু সম্ভব নিজেকে মুক্ত করবে।
সুফিয়ান সাওরী, ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ এবং আবু উবাইদ (রহ.) বলেন:
সে স্বামীর কাছ থেকে পালিয়ে থাকবে।
ইমাম মালিক (রহ.) বলেন:
সে স্বামীর জন্য সাজসজ্জা করবে না, তার সামনে চুল বা শরীরের কোনো অংশ প্রকাশ করবে না, এবং সে তার জন্য হালাল হবে না—যতক্ষণ না সে বাধ্য হয়।
হাসান বসরী, জুহরী এবং নাখাঈ (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে:
স্বামীকে শপথ করানো হবে, তারপর গুনাহ তার উপর বর্তাবে।
আর সঠিক মত হলো প্রথম দলের মত (যারা বলেছেন পালাতে হবে); কারণ স্ত্রী জানে যে সে এখন স্বামীর জন্য গায়রে মাহরাম, এবং তার জন্য স্বামীর জন্য হারাম হওয়া নিশ্চিত—তাই তার জন্য বাধ্যতামূলক হলো স্বামীর কাছ থেকে বিরত থাকা এবং পালিয়ে থাকা, যেমন অন্যান্য পরনারীদের ক্ষেত্রে করা হয়।
তদ্রূপ, যদি কেউ মিথ্যা দাবি করে কোনো নারীর সাথে বিয়ে হয়েছে বলে এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা আদালত তাকে স্বামী বলে রায় দেয়, অথবা কোনো নারীকে বাতিল বিয়ের মাধ্যমে তার কাছে সমর্পণ করা হয়—তাহলে সব ক্ষেত্রেই হুকুম একই, যেমন তিন তালাকপ্রাপ্তা নারীর ক্ষেত্রে।
📚 (আদ-দুররুল মুখতার—৩/৪২১; ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া—১/৫৩৭; খুলাসাতুল ফাতাওয়া—২/১১৯–১২০)

ইমদাদুল আহকামে এসেছে —
امداد الاحکام 2/392: اگر زوجه نے طلاق كا لفظ تين بار سن ليا هو تو اس پر واجب هے كه اپنے كو مطلقة مغلظه يعني مطلقة الثلاث سمجھے اور شوهر سے عليحده هو جائے او ر اس كو اپنے اوپر هرگز قابو نه دے۔
যদি স্ত্রী নিজে তিনবার তালাকের শব্দ শুনে থাকে, তাহলে তার জন্য ওয়াজিব হলো নিজেকে মুগাল্লাযা তালাকপ্রাপ্তা (অর্থাৎ তিন তালাকপ্রাপ্তা) হিসেবে গণ্য করা এবং স্বামীর থেকে পৃথক হয়ে যাওয়া। আর তাকে কোনোভাবেই নিজের উপর স্বামীর কর্তৃত্ব করতে দেওয়া যাবে না।”
📚 (ইমদাদুল আহকাম—২/৩৯২)

فتاوی محمودیہ: 19/252-253: صورت مسؤلہ میں مرد طلاق کا منکر ہے ، اور عورت مدعیہ ہے ، لھاذا شرعی ثبوت کی ضرورت ہے، یعنی جب تک کم از کم دو عادل یا ایک مرد اور دو عادل عورت گواہی نہ دیں ، اس وقت تک قضاء طلاق کا ثبوت نہ ہوگا-
۔۔۔ لیکن اگر عورت نے خود تین طلاق کو سنا ہے ۔۔۔ تو اس کو جائز نہیں ، کہ کسی طرح سے اس مرد کو اپنے اوپر قابو دے، بلکہ جس تدبیر سے ممکن ہو اس سے علیحدہ رہے۔ *

উক্ত মাসআলায় স্বামী তালাক অস্বীকার করছে এবং স্ত্রী দাবি করছে। তাই শরীয়তসম্মত প্রমাণের প্রয়োজন। অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত কমপক্ষে দুইজন ন্যায়পরায়ণ পুরুষ অথবা একজন পুরুষ ও দুইজন ন্যায়পরায়ণ মহিলা সাক্ষ্য না দেয়, ততক্ষণ পর্যন্ত বিচারিকভাবে (কাজীর আদালতে) তালাক প্রমাণিত হবে না।
কিন্তু যদি স্ত্রী নিজে তিন তালাকের শব্দ শুনে থাকে, তাহলে তার জন্য কোনোভাবেই জায়েজ নয় যে সে স্বামীকে নিজের উপর ক্ষমতা দিক; বরং যেভাবে সম্ভব সে তার থেকে আলাদা হয়ে থাকবে।
📚 (ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া—১৯/২৫২–২৫৩)

رحیمیہ: 8/283 ۔۔۔ تو ایسی صورت میں عورت شوہر سے خلع کرے ، کچھ دے دلاکر رہائی حاصل کرے جماعت اور برادری کے سمجھدار دیندار حضرات شوہر کو سمجھا کر طلاق کا اقرار یا طلاق دینے یا خلع کر لینے پر آمادہ کریں۔ *

এমন অবস্থায় স্ত্রীকে উচিত হবে স্বামীর কাছ থেকে "খুলা" গ্রহণ করা এবং কিছু অর্থ বা বিনিময় দিয়ে নিজেকে মুক্ত করে নেওয়া।
এছাড়া সমাজ ও এলাকার জ্ঞানী ও দ্বীনদার ব্যক্তিরা স্বামীকে বুঝিয়ে তাকে তালাক স্বীকার করতে অথবা তালাক প্রদান করতে কিংবা খুলা করতে সম্মত করানোর চেষ্টা করবেন।
📚 (ফাতাওয়ায়ে রহিমিয়া—৮/২৮৩)

দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়ায় বলা হয়েছে —
فتاوی دارالعلوم دیوبند 9/237: اگر اس کو یقین طلاق مغلظہ یا بائنہ کا ہے تو جہاں تک اس سے ہو سکے وہ اس مرد سے علیحدہ رہے

যদি কোনো নারীর নিশ্চিত বিশ্বাস হয় যে তার উপর মুগাল্লাযা (তিন তালাক) বা বাইন তালাক কার্যকর হয়েছে, তাহলে যতটুকু তার সাধ্য থাকে সে ওই পুরুষ থেকে আলাদা হয়ে থাকবে।
📚 (ফাতাওয়া দারুল উলুম দেওবন্দ—৯/২৩৭)
والله تعالى أعلم بالصواب

26/04/2026

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা
-------------------------------------------------------------------
১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?
‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?
৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?

🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-
নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।
তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।

স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।

যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।

ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,
وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।

🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-
চারপাশের লোমও কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]

পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।
যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।
তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।

☞ আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)

🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-
নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)

ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।

فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة

যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)

❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
☞ ছাটা না ক্লিন?
☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত।
☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না।
☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।
তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।

▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—
وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।
১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)

▪️মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,
(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.
ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।
ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।

🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,

وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً

অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

📌 আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা, দোয়া কবুলের গল্প, অত্যাচার সহ্য করা, নসিহতসহ ইসলামের যে কোনো বিষয় শেয়ার করতে পারেন আমাদের। আমরা তা প্রচার করে দিবো।

📌 ইসলাম প্রচারের স্বার্থে পোস্টটি শেয়ার দিয়ে দিবেন ইংশাআল্লাহ্।

23/03/2026

انا لله وانا اليه راجعون-
কুরআন সুন্নাহ আলিম মাদরাসার ছাত্র হাফেজ মোহাম্মাদ আশরাফুল আলম ফরাজী তার গ্রামের বাড়িতে আজ দুপুরে নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যায়! পরবর্তীতে ডুবুরী এসে তার লাশ উদ্ধার করে! সকলে দোয়া করবেন আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন এবং ওর পরিবার-পরিজনের সকলকে সবরে জামিল ইখতিয়ার করার তৌফিক দান করেন এবং ওর উছিলায় আমাদেরকেও ক্ষমা করেন।
(-অ্যাডমিন পোষ্ট)

21/03/2026

ঈদ মোবারক

20/03/2026

কুরআন সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে দেশ প্রবাসের সকলকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।

Photos from Quran Sunnah Foundation's post 01/03/2026

আজ ১১ই রমজান, চট্টগ্রামে PHP ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সাহেবের প্রতিষ্ঠিত "মিজানুস সালাম ইসলামিক একাডেমি" পবিত্র ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এই বরকতময় মাহফিলে দোয়া ও নসীহত পেশ করেন
আমীরে শরীয়ত ও তরীকত, আমীরে হিযবুল্লাহ,
মাওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.),
পীর সাহেব, ছারছীনা দরবার।

তাঁর প্রজ্ঞাপূর্ণ বয়ান ও হৃদয়স্পর্শী দোয়া উপস্থিত সবার অন্তরে ঈমানী জাগরণ সৃষ্টি করে এবং রমজানের তাৎপর্য আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করার অনুপ্রেরণা জোগায়।

📍 স্থান: মিজানুস সালাম ইসলামিক একাডেমি, মুরাদনগর, চট্টগ্রাম।
📅 তারিখ: ০১ মার্চ ২০২৬ ইং
🗓 ১১ রমজান | রোজঃ রবিবার

আল্লাহ তাআলা এই মাহফিলকে কবুল করুন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে দুনিয়া ও আখিরাতে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমীন 🤲

28/02/2026

আপনার জাকাত ও ফিতরা হোক দ্বীনি শিক্ষার পাথেয়! 🌙
আল-হামদু লিল্লাহ, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া ইসলামিয়া ও ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত নেছারিয়া দীনিয়া, সম্পূর্ণ আবাসিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে ছারছীনা লিল্লাহ বোর্ডিং ও ইয়াতীমখানায় প্রায় চার হাজার তালিবে এলেম সুন্নাত তরিকার ওপর আমল করে সম্পূর্ণ ফ্রি খোরাকী পেয়ে দ্বীনি এলেম শিক্ষা করছে। এই বিশাল সংখ্যক ছাত্রদের পেছনে বছরে প্রায় ৭ হাজার মণ চাল লাগে এবং অন্যান্য খরচ বাবদ প্রতি মাসে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়।
তালিবে এলেমদের এই খিদমতে শরিক হওয়া আমাদের সবার জন্য সওয়াবের কাজ। আপনার জাকাত, ফিতরা ও কোরবানির চামড়ার একাংশ এই প্রতিষ্ঠানে দান করুন।
💰 সরাসরি দান করার মাধ্যমসমূহ:
📍 ডাকযোগে টাকা পাঠানোর ঠিকানা:
ছারছীনা দরবার শরীফ, পো: দারুচ্ছুন্নাত-৮৫২১, উপজেলা: নেছারাবাদ, জেলা: পিরোজপুর।
যোগাযোগ: ০১৭২৮-৪১৪৫২৪
🏦 ব্যাংক অ্যাকাউন্ট (পুবালী ব্যাংক, ছারছীনা শাখা, পিরোজপুর):
ছারছীনা লিল্লাহ বোর্ডিং: চলতি হিসাব নং- ২১৪১৯০১০১২৯২৮
নেছারিয়া দীনিয়া মাদরাসা: চলতি হিসাব নং- ২১৪১৯০১০০৫১৫৩
জামে মসজিদ ও মিনার: চলতি হিসাব নং- ২১৪১৯০১০১২১৬০
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “দান সম্পদ কমায় না।” (মুসলিম)
📢 সওয়াবের এই মহৎ কাজে শরিক হতে এবং অন্যদের জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন। আপনার একটি শেয়ার হয়তো অন্য কারো দানের উছিলা হতে পারে। ইনশাআল্লাহ!
#জাকাত #ফিতরা #ছারছীনা_শরীফ #লিল্লাহ_বোর্ডিং #ইলমে_দ্বীন #সদকাহ #ইসলামিক_পোস্ট

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka
DHAKA