07/04/2026
সেকেন্ড টাইমার, কথাগুলো পড়ে যাও তুমি কাঁদবেই ১০০ বার বার?
ব্যর্থ সৈনিক 💔
সবাই তো সফলতার গল্প শোনায়, আমি না হয় আমার ব্যর্থতার গল্প শোনায়.... যদিও তা সবাই মিথ্যা ভাববে জে মানুষের সাথে এমনটাও হয়..! যা হাজারো সফলের গল্পকে হার মানাবে অশ্রু আসবে করুণার ছলে হলেও,প্রথম থেকেই বলি আমি ছোট থেকে পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহী ছিলাম জিএসছি পরীক্ষায় ২০২০ এ ৪.৮৬ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় তারপর ২বছর পর হাই স্কুল থেকে এসএসসি তে ২০২২ এ জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় মানবিক বিভাগ থেকে যদিও সাইন্স নিয়ে পড়ার যোগ্যতা ছিল সব দিক দিয়েই তবে পরিবার ছিল খুব কঠোর টাকা ছাড়তে হাজার বার ভাবতো তাই ছোট বেলা থেকে অনেক বুদ্ধি নিয়ে চলতাম যে এভাবে এগুলে আমি এগুতে পারবে তাই মানবিক নেই...বিশেষ দ্রষ্টব্য :ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত সবাই মারধর করে কিছু থেকে কিছু হলেই কথায় বলতে পারলাম না যদি পরিবারের ছোট ছেলে ছিলাম আমি 💔😅তারপর বন্ধুরা আমাকে ফলাফল এর আগে থেকে বলতো তুই গ্রামের কলেজে পড় আমাদের সাথে তোকে দিয়ে কিছু হবে ওরা বলতো জানত আমি কেমন তবে পরিবার থেকে শহরের কলেজে ভর্তি করে দেয় যা আমার জীবনে আঁধার নেমে আসে শহরের কলেজ এ ভর্তি হওয়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল, আসতে আসতে বুঝতেও পারি নি বাড়ি থেকে নিয়ম ছিল সপ্তাহে তিন দিন ক্লাস করবে আর সেটাই করতে হয় আমাকে এভাবে একবছর প্রাইভেট ছাড়া কলেজ যায় তারপর ১বছর প্রাইভেট সপ্তাহে তিন দিন যা ছিল খুবই কষ্টদায়ক কেননা প্রাইভেট কলেজ সময়ের ব্যবধান ছিল অনেক ফলে আমাকে অন্য কোন বন্ধু বা বড় ভাই কাকা এর মেসে সময় কাটাতে হতো তারপর প্রাইভেট পড়ে বাড়িতে আসতে হতো সকালে খেয়ে বের হতাম মা রান্না করেও শুমুর পেত না ফলে রাতের খাবার সকালে খেয়ে বের হতাম, মেসের খাবার মাঝে মাঝে খেতাম গাড়ি ভাড়া বাঁচলে এক বেলার টাকা দিয়ে আসতাম নিতে চায়তে না ওরা বুঝতো আমার কাছে আছে কি না আছে, এভাবে যাওয়া আশার ফলে শরীর অনেক দুর্বল থাকতো, কাছে নতুন ফোন দেয় কাছে ঘুম পেরে সময় কিভাবে যেত বুঝতেই পারতাম না,পরে এইচএসসি এর রুটিন দিলো আসতে আসতে পড়তে শুরু করলাম,পরীক্ষা দেওয়া পর আন্দোলন শুরু হলো ৩ টা পরীক্ষা দেওয়ার পর এক্সাম বন্ধ হয়ে গেল, আমাদের এই ব্যাচ ছিলই অভাগা যে কোন পরীক্ষা এলে ঝামেলা সামনে এসে হাজির, এভাবেই ২০২৪ এ এইচএসসি তে জিপিএ ৫ পায় মানবিক থেকে?আর আমি ছোট থেকে অন্য এর জমি কাজ করতাম টাকা রেখে দিতাম বই পড়ার বিষয়ে কখন যা লাগে বাবার থেকে চাইলে আজোবাজো কথা বলতো যা আমার ভালো লাগতো না, আর আমার জেদ ছিল, না দিল আমিই গায়ের রক্ত বেঁচে হলেও পড়বো।
পরিবারের অবস্থাও অনেক ভালো ছিল সব দিক দিয়েই 😅🥺
মেসে উঠতে চেয়ে অনেকবার অনেকভাবে বলে এত টাকা আমি দিতে পারব না জোর করে খাওয়া দাওয়া বাদ দিয়েও যেতে পারি নি ধরে মারধর করছে 🥹🤕
তারপর আসল জীবন শুরু হয় এডমিশন ভর্তি যুদ্ধ
আমাকে ভর্তি করিয়ে দেয় ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং এ তাও আমার থেকে পাওয়া টাকা দিয়ে এইচএসসি এর? কোচিং এ লেকচারের দের কতা আমার মাথায় ঢুকতো না উপর দিয়ে যায় তো, কারণ সরকারি কলেজ এ পড়তাম যদিও কোন দিন ও অপরিচিতা গল্প বুঝিয়ে পড়াই নি এসে যা তা বলে চলে গেছে এভাবেই চলতে থাকে তবে সব জায়গার টপিক বুঝতে পারতাম না সহজে তবুও বাড়িতে এসে পড়তাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর পরীক্ষা দিলাম ইংরেজি তে ফেল করলাম 💔😅বাবা মা ভাই দেখতেই পারে না বকাবাজি করে বলে আমার এত কষ্টের আয় করা টাকা কি করলি আয় করতে কি কষ্ট হয় জানিস,তারপর জেদ হল টাকা নিলেই এমন করে, পরের পরীক্ষা গুলো না হয় মেরেই ফেলবে তাই টাকা নিতাম না কাজ করা নিজের টাকা দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, গুচ্ছ পালিয়ে আবেদন করলাম পরীক্ষা দিলাম জগন্নাথ এ হলো সাবজেক্ট পেলাম না। সিরিয়াল একটু বেশি থাকায়, রাজশাহীতে হলো না, যাতায়াত এর ও টাকা নিতাম না বলতোও না টাকা লাগবে না 🥺বন্ধুরা রাজশাহী, ঢাবি, চট্টগ্রাম জগন্নাথ, গুচ্ছ সব জায়গাতেই হয়ে গেল নিজেকে সেই খারাপ ছোট লাগতো দম বন্ধ হয়ে আসতো যখন ফেসবুকে বলতো এ এত তম এ এত তম বুক পুরে যেত 🫀💔আর বলি পড়তে গেলেই কাজে বলতো কাজ না করলে ধরে মারতো ওই যে বললাম ছোট থেকে মারধর করে সবাই,🥹পালিয়ে না বলে অন্যের বাড়িতে রাতে এডমিট কার্ড রেখে এসে সকালে কাউকে না বলে পরীক্ষা দিতে গেলাম, সেখানেও হলো না 💔🥹
আর বাঁচতেই ইচ্ছা করত না? School of Excellence কে আমি ২০২৩ থেকেই চিনতাম ভালো ভাবে, অনেক ভেবে সেকেন্ড টাইম দেওয়ার চিন্তা শুরু করি পালিয়ে পালিয়ে পড়তাম রাতে,কিছুদিন যেতে না যেতে আমাকে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেয় যে তুই বিদেশ চলে যা আমি বলি হ্যাঁ যাব নে, কলেজ টাকার থেকে ভাড়া বাঁচিয়ে বাঁচিয়ে প্লাস্টিকের ব্যাংক এ জমা করতাম অনেক আগে থেকেই যদি না হয় চান্স 💔ব্যাংকের টাকা জমানো ভিডিও পেজ এ আছে,
soe ভর্তি হওয়ার পর আমার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র যে থাকতে হতো যার ফলে আমি লাইভ ক্লাস খুবই কম করতে পারতাম,🥹ঔখানে গিয়ে পালিয়ে পালিয়ে কিছুদিন ক্লাস করতাম একদিন স্যার দেখে ফেলে,তারপর রাগ করে পলে আর করতে পড়াতাম না! বাড়িতে এসেও হয়ে উঠতো না, সেই আবার কাজ কাজ। বাড়ির এ কাজ ও কাজ করতে হতো, ছোটদের জীবন এমন হয় কিভাবে বল? পড়তে পরাতাম না রাতে এসে যেটুকু পরতাম পড়তাম যা কম ছিল। আবার অনেক দিন কারেন্ট, গাছ কাটা, অন্য এর জমিতে কাজ করে টাকা গুছিয়ে রাখতাম বাবা মা ভাইকেও কখনো বলি নাই আমি সেকেন্ড টাইম দিবো আবার 🥹💔পালিয়ে পালিয়ে সব করতাম কাউকে কিছু বলতাম না। এভাবে করে রাজশাহী, কুমিল্লা, গুচ্ছতে আবেদন করলাম পালিয়ে পালিয়ে 🥺রাজশাহী পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে খালার বাড়ি যাওয়ার নাম করে মিথ্যা কথা বলে পরীক্ষা দিতে যাই তবে আবার যেখানেও হয়নি আমার, আসলে আমার কপাল টাই খারাপ 🥹তারপর কলেজের হলে থাকার নাম করে রাজশাহীতে আবার কুমিল্লার পরীক্ষা দিতে চাই যদিও সেখানে সিরিয়াল এসেছিল সাবজেক্ট পাইনি 💔
বাবার প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ানোর যোগ্যতা ছিল কিন্তু তা করতো না কখনোই তাই মুখ ফুটে ককনো বলিও নি 🤐😭
আমি তো বরাবরই বলি, অভাগা যে দিক দিয়ে যায় নদী শুকিয়ে যায় 😭😅
অভাগা কপাল পুরা মানব 💔
গুচ্ছ পরীক্ষার আগে রাত দিন আঁধার করে পড়তাম?কাজ করতে বললে না করলে মারতে বাবা মা ভাই 🥹
আবার অন্যের বাড়িতে এডমিট কার্ড রেখে এসে কাউকে কিছু না বলে না খেয়ে বের হয়?
যদি আরশের মালিক করুণার ছলে হলেও আমাকে একটা সিট দেয় 🥹
তবে তিনি আমার দিকে তাও তাকালেন না।
আমাকে হারতে হলই 🥹😅
যদিও আমি সফল হলে soe এর সফল ব্যক্তিদের থেকেও শত গুণ সাফল্যের গল্প হত আমার 🙂
স্কুল অফ এক্সিলেন্স কে আমি কিছুই দিতে পারলাম না
শিক্ষদের কাছেও চির ঋণী হয়ে রইলাম 😅
পারলে মাফ করে দিও প্রাণের প্ল্যাটফর্ম 🙂❤️🫀
হাত দিয়ে যা চেয়েছি তাই দুঃখ হয়ে গেছে 🤲😅
কি মন্তব্য করবে জানি না, শত কষ্ট জমিয়ে জমিয়ে রাখতে না পেরে তোমাদেরকে বললাম 🥺🙂
Always, I love you soe ❤️🫀