KidyHup

KidyHup

Share

KidyHup works in children's physical and mental development. A new way of learning with joy.

12/10/2024

শিশুর আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন অভ্যাস: সচেতনতা ও প্রতিকার

শিশুর আচরণ ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে তাদের চারপাশের পরিবেশ, পরিবার এবং সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় আমরা বুঝতেও পারি না, কিন্তু কিছু অভ্যাস শিশুদের আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রভাবগুলো তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে কেবল সমস্যা তৈরি করে না, বরং তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্যের আলোকে এই নিবন্ধে আমরা আলোচনা করবো এমন কিছু অভ্যাসের ওপর, যা শিশুর আচরণে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এর থেকে পরিত্রাণের জন্য করণীয়গুলো।

১. অতিরিক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার
প্রভাব:
গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুরা যদি অতিরিক্ত সময় প্রযুক্তি বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সঙ্গে কাটায়, তবে তাদের মানসিক এবং শারীরিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী, দৈনিক এক ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন টাইম পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের জন্য ক্ষতিকর। এই অভ্যাস তাদের মস্তিষ্কের বিকাশকে ধীর করে এবং সামাজিক দক্ষতা কমিয়ে দেয়। এছাড়া, দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে কাটানোর ফলে শিশুরা একঘেয়েমি, হতাশা এবং উদ্বেগে ভুগতে পারে।

প্রতিকার:
শিশুদের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহারের সীমা নির্ধারণ করুন।
প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিবর্তে সৃজনশীল এবং শারীরিক কার্যকলাপ যেমন খেলা, ছবি আঁকা, বই পড়া ইত্যাদি উৎসাহিত করুন।
শিশুদের বাইরে সময় কাটানোর সুযোগ দিন, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা ও শারীরিক সুস্থতা বাড়াবে।

২. অতিরিক্ত শাসন বা কঠোর শৃঙ্খলা
প্রভাব:
অতিরিক্ত শাসন বা কঠোর শৃঙ্খলা শিশুদের মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলে। গবেষণা অনুযায়ী, এমন শিশুদের আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং তারা অধিক দুশ্চিন্তা ও হতাশায় ভুগতে পারে। আমেরিকান সাইকোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশন (APA) এর মতে, কঠোর শাসনের ফলে শিশুদের সামাজিক দক্ষতা কমে এবং তারা নিজেকে উপস্থাপনে সংকোচবোধ করে।

প্রতিকার:
শিশুদের আচরণ বুঝে তাদের সাথে কথা বলুন এবং কারণসহ শাসন করুন।
পজিটিভ ডিসিপ্লিন বা ইতিবাচক শৃঙ্খলা প্রয়োগ করুন, যেখানে শিশুকে তার ভুলগুলো থেকে শিখতে সুযোগ দেওয়া হয়।
শিশুর জন্য সাপোর্টিভ পরিবেশ তৈরি করুন এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্য প্রশংসা করুন।

৩. অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা বা তুলনা
প্রভাব:
শিশুকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা বা সবকিছুতে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি করা তাদের আত্মমর্যাদার ওপর প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, এমন পরিস্থিতিতে শিশুরা নিজেদের কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করতে শুরু করে, যা ভবিষ্যতে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি করে। এর ফলে তারা হতাশা ও দুশ্চিন্তায় ভুগতে পারে।

প্রতিকার:
শিশুর নিজস্ব দক্ষতা ও আগ্রহের ওপর জোর দিন।
অন্যদের সঙ্গে তুলনা না করে তাদের অগ্রগতির প্রশংসা করুন।
সাফল্য এবং ব্যর্থতার উভয় দিক সম্পর্কে শিশুদের শেখান, যাতে তারা সব পরিস্থিতি মেনে নিতে পারে।

৪. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব
প্রভাব:
গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব শিশুদের আচরণে সরাসরি প্রভাব ফেলে। আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস (AAP) এর মতে, শিশুরা পর্যাপ্ত ঘুম না পেলে তারা মেজাজে বিরক্তি, ধৈর্যশীলতার অভাব এবং মনোযোগের ঘাটতিতে ভুগতে পারে। এছাড়া, ঘুমের অভাব তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উভয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

প্রতিকার:
শিশুর জন্য নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি তৈরি করুন এবং তা অনুসরণ করুন।
শিশুকে আরামদায়ক ও শান্ত পরিবেশে ঘুমাতে দিন।
ঘুমের আগে শিশুদের শান্ত এবং স্ক্রিনমুক্ত কার্যকলাপ যেমন বই পড়া বা গল্প বলা উৎসাহিত করুন।

৫. অপর্যাপ্ত সময় এবং মনোযোগ
প্রভাব:
শিশুরা যদি পর্যাপ্ত সময় এবং মনোযোগ না পায়, তবে তারা একাকিত্ব এবং নিরাপত্তাহীনতার বোধে ভুগতে পারে। গবেষণা অনুযায়ী, সন্তানদের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় না কাটালে তাদের আচরণে বিরূপ প্রভাব পড়ে এবং তারা অবাধ্য ও রাগান্বিত হতে পারে।

প্রতিকার:
প্রতিদিন কিছু সময় শিশুর সঙ্গে কাটান, যেখানে আপনার পূর্ণ মনোযোগ থাকবে।
তাদের সঙ্গে গল্প করুন, খেলুন বা তাদের দিন কেমন কেটেছে তা শুনুন।
সময়ের মূল্য সম্পর্কে শেখান এবং শিশুরা যাতে আপনার ভালোবাসা ও যত্নে বেড়ে ওঠে তা নিশ্চিত করুন।

শিশুর আচরণ গঠনে পরিবারের সদস্যদের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিটি শিশুই আলাদা এবং তাদের আচরণও ভিন্ন রকম। তাই, তাদের আচরণের নেতিবাচক প্রভাবগুলো চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের দায়িত্ব। শিশুকে ভালোবাসা, সমর্থন এবং নিরাপত্তা প্রদান করা মানসিক স্বাস্থ্য এবং আচরণের বিকাশের জন্য অপরিহার্য। এই অভ্যাসগুলোর দিকে নজর দিয়ে আমরা তাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি।

20/09/2024

অধরা স্বপ্ন সন্তানের কাঁধে নয়! তাদের নিজেদের মতো বেড়ে উঠতে দিন!

বাবা-মা হিসেবে আমাদের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হলো, সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই যাতে তারা জীবনে সফল এবং সুখী হয়। আমরা তাদের সঠিক পথে চালিত করতে চাই—যে পথ আমরা বিশ্বাস করি তাদের জীবনের জন্য সবচেয়ে ভালো। তবে "সঠিক" পথের সংজ্ঞা অনেক সময় আমাদের নিজের ব্যক্তিগত স্বপ্ন, সমাজের প্রত্যাশা, বা ঐতিহ্যবাহী চিন্তাভাবনার ওপর নির্ভর করে। এই চিন্তা থেকে অনেক বাবা-মা সন্তানদের তাদের পছন্দমতো পথ বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা দিতে দ্বিধাগ্রস্ত হন।

কিন্তু আধুনিক গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে শিশুরা যখন তাদের স্বকীয়তা নিয়ে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়, তখন তারা জীবনে আরও বেশি সুখী, মানসিকভাবে সুস্থ এবং সৃজনশীল হয়। শিশুরা যদি তাদের নিজস্ব আগ্রহ এবং প্রতিভাকে অন্বেষণ করতে পারে, তাহলে তারা কেবল জীবনের প্রতি বেশি আগ্রহী হয় না, বরং মানসিক চাপ কমে যায় এবং তারা আত্মবিশ্বাসী মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

📊 গবেষণা কী বলে? স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যে শিশুরা তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নিতে শেখে এবং নিজেদের মতো বেড়ে ওঠে, তাদের আত্মবিশ্বাস ও সমস্যার সমাধান করার দক্ষতা অন্যান্যদের তুলনায় বেশি।

অন্যদিকে, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত আরেকটি গবেষণা অনুযায়ী, যেসব শিশুরা তাদের ব্যক্তিত্ব এবং পছন্দকে দমন করে, তারা মানসিক চাপ এবং উদ্বেগে ভুগে।

🔍 কেন স্বকীয়তাকে আলিঙ্গন করা জরুরি?

সৃজনশীলতা বৃদ্ধি পায়: শিশুদের নিজেদের মতো চিন্তা করতে দিলে তাদের সৃজনশীলতা বাড়ে।
আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠে: নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ত্রুটি থেকে শেখা তাদের আত্মবিশ্বাস তৈরি করে।
মানসিক শক্তি বৃদ্ধি: শিশুরা যখন নিজেদের মতো হয়ে বড় হয়, তখন তারা মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে এবং চাপ সামলাতে পারে।

"প্রত্যেক শিশুই তার নিজস্ব পৃথিবী তৈরি করে, আমরা কেবল তার যাত্রায় দিকনির্দেশনা দিতে পারি।"

আমাদের সন্তানেরা যেন তাদের নিজস্ব জীবনকে আলিঙ্গন করতে পারে, তাদের স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা তাদের দিতে হবে। তাদের নিজস্ব পথে চলতে দিন, কারণ সেটিই তাদের ভবিষ্যতের জন্য সর্বোত্তম।

#শিশুরস্বাধীনতা #মা_বাবারগুরুত্ব #শিশুবিকাশ

18/09/2024

শিশুর মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন অভ্যাস

আমরা সবাই চাই আমাদের সন্তানরা মানসিকভাবে সুস্থ ও সৃজনশীলভাবে বেড়ে উঠুক। কিন্তু কিছু অভ্যাস, যদিও অজান্তে, তাদের মানসিক বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। গবেষণা থেকে জানা যায়, অত্যধিক শাসন, অবহেলা, অতিরিক্ত প্রত্যাশা এবং নেতিবাচক সমালোচনা শিশুদের মানসিক বিকাশে বিরূপ প্রভাব ফেলে।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুরা বারবার নেতিবাচক সমালোচনা এবং তুলনার সম্মুখীন হয়, তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং তারা সামাজিক পরিবেশে খাপ খাওয়াতে অসুবিধা বোধ করে। এছাড়া, "Journal of Child Psychology and Psychiatry" এর মতে, অত্যধিক শাসন ও শারীরিক শাস্তির কারণে শিশুদের মধ্যে মানসিক আঘাত ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়।

💡 এমন অভ্যাস কীভাবে শিশুর উপর প্রভাব ফেলে?
১. আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি: বারবার সমালোচনা এবং তুলনা শিশুর আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়, যা তাদের সৃজনশীলতা ও মানসিক বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে।
২. সামাজিক দক্ষতা কমে যাওয়া: শারীরিক শাস্তি এবং নেতিবাচক মন্তব্য শিশুদের মাঝে নিরাপত্তাহীনতা ও হীনমন্যতা তৈরি করে, যা তাদের সামাজিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৩. মনোবিকাশের বাধা: অবহেলা এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশা শিশুদের মানসিক চাপ বাড়ায়, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

🛑 সমস্যার সমাধান কী হতে পারে?
১. প্রশংসা ও সমর্থন দিন: শিশুর সাফল্যকে ছোট না করে বরং তাদের প্রচেষ্টাকে মূল্য দিন। প্রশংসা শিশুর মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।
২. নেতিবাচক মন্তব্য পরিহার করুন: নেতিবাচক মন্তব্যের পরিবর্তে গঠনমূলক পরামর্শ দিন যা শিশুকে উদ্বুদ্ধ করবে এবং তাদের আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
৩. আবেগগত সহানুভূতি দেখান: শিশুর অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হন এবং তাদের মতামতকে গুরুত্ব দিন।
৪. শারীরিক শাস্তির পরিবর্তে আলোচনা করুন: শারীরিক শাস্তির পরিবর্তে কথা বলুন, কারণ এটি শিশুকে মনোযোগ দেওয়ার এবং তাদের অনুভূতি শেয়ার করার সুযোগ দেয়।

🎯 মনে রাখুন: "Every child is unique and deserves the right to grow in a positive and supportive environment." 🌱

Let’s create a nurturing space for our children to thrive! 🧡

16/09/2024

আপনার শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি কি সঠিক গতিতে হচ্ছে? 🏃‍♂️

শিশুর বয়স অনুযায়ী তার ওজন ও উচ্চতা ঠিক রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 🧠 শিশুরা যেমন মানসিক বিকাশে সময় নেয়, ঠিক তেমনি তাদের শারীরিক বিকাশেও বিশেষ যত্ন প্রয়োজন।

গবেষণায় বলা হয়েছে, জন্মের পর থেকে প্রথম ৫ বছর শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি সবচেয়ে দ্রুত হয়। World Health Organization (WHO) এর মতে, এই সময় সঠিক পুষ্টি ও শারীরিক ক্রিয়াকলাপ শিশুর ভবিষ্যতের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

গবেষণা অনুযায়ী: প্রতি ৫টি শিশুর মধ্যে ১টি শিশু পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে স্বাভাবিক বৃদ্ধি করতে পারে না। American Journal of Clinical Nutrition এর তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম শিশুদের হাড় শক্ত করতে এবং পেশির শক্তি বাড়াতে সহায়ক।

শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি উন্নতির জন্য করণীয়:

নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিটের শারীরিক ক্রিয়াকলাপ 🏃‍♂️ যেমন দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা খেলাধুলা শিশুর শরীরের সঠিক বিকাশে সহায়ক।

সঠিক পুষ্টি: খাবারে প্রোটিন, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার 🥗 যোগ করুন, যেমন দুধ, ডিম, এবং ফলমূল।

সঠিক ঘুম: প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম 💤 শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির জন্য জরুরি।

পর্যাপ্ত পানি পান: শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে উৎসাহিত করুন, এটি দেহের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং ত্বক ভালো রাখে। 💧

🔔 আজ থেকেই সচেতন হোন!
সন্তানের সঠিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে, তার পুষ্টি এবং শারীরিক ব্যায়ামের দিকে নজর দিন। সঠিক সময়ে সঠিক যত্ন নিলে আপনার শিশুর শারীরিক এবং মানসিক বৃদ্ধি হবে সুস্থ ও সঠিক। 🌱

14/09/2024

🌱 "শরীরের সাথে মনের বিকাশ—বাচ্চাদের সম্পূর্ণ বিকাশে কোনটা বেশি জরুরি?" 🧠

আমরা সবাই আমাদের সন্তানদের শারীরিক বিকাশ নিয়ে বেশ চিন্তিত থাকি—তারা সঠিকভাবে খাচ্ছে কিনা, ওজন ঠিক আছে কিনা, সঠিকভাবে বেড়ে উঠছে কিনা। কিন্তু, মস্তিষ্কের বিকাশ কীভাবে হচ্ছে? মনের বিকাশে আমরা কি যথেষ্ট মনোযোগ দিচ্ছি?

বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ একে অপরের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত। শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের গতি সবচেয়ে দ্রুত হয় তাদের জীবনের প্রথম কয়েক বছরে। এই সময়ে যদি তাদের মানসিক বিকাশে সঠিক সমর্থন না দেয়া হয়, তাহলে শারীরিক বিকাশ যতই ভালো হোক না কেন, জীবনে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

🧠 Harvard University's Center on the Developing Child এর গবেষণা অনুযায়ী, বাচ্চাদের জীবনের প্রথম ৫ বছরে তাদের মস্তিষ্কের ৯০% বিকাশ ঘটে। এই বিকাশ শুধু শারীরিক স্বাস্থ্য দ্বারা নয়, বরং মানসিক উদ্দীপনার মাধ্যমেও নির্ভরশীল। তাই শিশুর ব্রেইন ডেভেলপমেন্টের জন্য তাদেরকে নিরাপদ, সুরক্ষিত ও প্রেমময় পরিবেশে রাখা জরুরি।

🧠 Yale University's Child Study Center গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্নও অপরিহার্য। গবেষকরা বলেছেন, নিয়মিত আদর, আবেগের প্রকাশ এবং সংবেদনশীল সম্পর্ক শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যকে দৃঢ় করতে সাহায্য করে।

মানসিক বিকাশের উপর শারীরিক বিকাশের প্রভাব:
প্রতিদিনের খেলাধুলা, চলাফেরা, এবং শারীরিক কার্যকলাপ শিশুদের ব্রেইনের নিউরাল কানেকশনগুলোর উন্নতি ঘটায়। Dr. John Ratey, M.D. এর "Spark: The Revolutionary New Science of Exercise and the Brain" বইতে বলা হয়েছে যে, নিয়মিত শারীরিক ক্রিয়াকলাপ শুধুমাত্র বাচ্চাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে না, এটি তাদের মানসিক বিকাশেও অপরিসীম ভূমিকা রাখে।

কীভাবে মানসিক বিকাশকে সমর্থন করবেন?
1. সৃজনশীল খেলাধুলা: শারীরিক খেলা এবং সৃজনশীল কার্যকলাপ যেমন ছবি আঁকা, গল্প বলা বা মিউজিক শেখা শিশুদের মস্তিষ্কের উভয় বলয়ের বিকাশ ঘটায়। American Academy of Pediatrics (AAP) এর মতে, খেলাধুলা শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যকে ২৫% পর্যন্ত উন্নত করতে পারে।
2. শিক্ষামূলক কার্যকলাপ: নিয়মিত puzzle solving, building blocks বা team sports বাচ্চাদের critical thinking এবং social skills বাড়াতে সাহায্য করে। National Association for the Education of Young Children (NAEYC) বলছে, এই ধরনের কার্যকলাপ বাচ্চাদের ব্রেইনের নিউরাল কানেকশনগুলোকে দৃঢ় করে তুলতে সাহায্য করে।
3. সমর্থনমূলক সম্পর্ক: বাবা-মা এবং শিশুদের মধ্যে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক শিশুদের মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ। Dr. Daniel J. Siegel এবং Tina Payne Bryson তাদের বই "The Whole-Brain Child" এ বলেছেন, শিশুদের মস্তিষ্কের বাম এবং ডান বলয়ের একীভূত বিকাশের জন্য সংবেদনশীল ও সমর্থনমূলক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম।

একটি ২০ বছরের দীর্ঘ গবেষণা (conducted by Dr. George Vaillant, Harvard Medical School) বলছে, বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে প্রাথমিক পর্যায়ে সংবেদনশীলতা এবং মানসিক উদ্দীপনা সবচেয়ে বেশি প্রভাব রাখে। তারা বলেন, যারা শৈশবে সংবেদনশীল যত্ন পেয়েছিল, তারা পরবর্তীকালে জীবনে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হতে বেশি সক্ষম ছিল।
সুতরাং, আপনার সন্তানের শরীরের যত্নের পাশাপাশি মানসিক যত্ন নেয়াও সমানভাবে জরুরি। মানসিক বিকাশের জন্য শারীরিক কার্যকলাপ, সৃজনশীল খেলাধুলা এবং পারিবারিক সমর্থন বাচ্চাদের মস্তিষ্ককে পূর্ণতা দান করে।

Gravitas Plus: Why children need to be taught the art of doing nothing 02/10/2022

"Why children need to be taught the art of doing nothing"

If you're a parent, you should be able to relate to this. Imagine you're driving to the grocery store or going on a long drive, and your child is on the back seat of the car, and she just won't stop throwing tantrums. She's screaming, having a meltdown. She wants attention. Why do you think she's behaving the way she is? What makes children throw tantrums? Is it boredom? Or is there more to it? Hello and welcome to Gravitas plus Empathy. sharmao paddy. We live in times where we have it all planned out for our children. How they spend their summer vacations, which classes they take before lunch, which sport they coach, and after lunch, the activities they attend in the evening. The children simply go from one activity to another, perhaps acing each one of them, but not knowing what to do when these activities are over, they don't know what to do when there is nothing to do. The question I'm asking tonight is simple. As we teach our children to excel in all trades, have we forgotten to teach them how to champion nothingness? How to pass time when there's nothing to do? Back in the day, we knew exactly how to crack this code. Our summer vacations used to be more relaxed, perhaps more relaxed than we'd like them to be, but that's how they were. There would be days at a stretch where we had nothing to do, no activities. So we would come up with our own. We would draw squares and rectangles on the ground and then hop, skip and jump. You would play with the dog, kick a football, fly a kite, pluck flowers or just paint. We knew how to deal with boredom. Children today perhaps don't. But whose fault is it? Have we taught our children the art of being idle? Now, some of you may be thinking, isn't an idle mind a devil's workshop? Maybe it is. But that's a workshop a child cannot afford to ignore. She must learn how to conduct herself when there's nothing to do. And I will tell you why. A study found that boredom is the primary driver of backseat tantrums. It is neither hunger, nor does it have to do with the length of the journey. This study is by a certain Dr. James Hind. He says there's a formula to predict tantrums. This one here, T, stands for time, e for entertainment, f for food and S for siblings. What Dr. Hind is saying is that the chances of a tantrum are reduced by every minute. A child is entertained if she's given food, the tantrum is delayed by 15 minutes. If there's a sibling in the backseat, well, then there is trouble in paradise, because the chances of a tantrum then increase by ten minutes. The study says if you're going on a 17 minutes journey, then 32 minutes into it, a child is likely to ask, are we there yet? This question is then repeated at least four times during the rest of the ride. And it's not like the child is always eager to reach the destination. It's just that she does not know how to deal with having nothing to do in the back seat. She's not skilled to handle boredom. How about just staring out of the window? Or counting trees or lampposts? Or just appreciating the changing landscape? Today, children will count trees if there is a worksheet asking them to do that. They will also appreciate the landscape if there is an activity asking them to capture what they see from the window. But coming up with these activities on their own as a way to kill time, a lot of them can't. And why do you think that is? Because between swimming classes, martial arts, Vedic maths and science club, parents have left no scope for the child to experience boredom, to find ways to circumvent it. And we're not blaming the parents here. We get where they're coming from. Parents want the best for their children. They want them to excel, become all rounders excel in science Olympiads, while also leading the school swimming team in countries like India. Being a star performer is not really a matter of choice, it is a necessity. There is fierce competition for colleges and then for jobs. If you aren't ahead of the curve, then you're left behind. So parents do all they can to prepare their child for the future. Experts in Britain say that they too are seeing a similar trend, especially among the middle class. The schedules of children are so packed that they don't even have time to sit down with their parents. Raham Gorton is the chair of Britain's Independent Schools Association, and this is what he says it's good to be involved in activities, but I think it's really important to get the balance right. And that's exactly a point here. Here's what else Gordon says children like their own company. They lose the capability to amuse themselves if everything is put in front of them in an organized, structured and club type of way. You know, children learn the best from experience. And boredom is a great teacher. It helps in a child's emotional development. It helps her build tolerance to less than ideal experiences. Most of you would agree that life is not a perfect picture. There are bad days. Now, most of you would agree that life is not picture perfect. There are days that are bad. Most bosses are less than ideal. Same with relationships and circumstances. Boredom prepares us for those less than ideal experiences. Stephanie Lee is a senior director at an American nonprofit called Child Mind Institute. And this is what she says life requires us to manage our frustrations and regulate our emotions when things aren't going our way. And boredom is a great way to teach that skill. Boredom also helps a child find value in her own experiences, develop her own worldview. Learning number two boredom helps children strategize figure out ways to keep themselves engaged, entertained. Three boredom helps children develop problem solving skills. Four, it makes them creative. And this is something that studies have proven over and over again. Here's one example boredom fosters imagination and creativity. How do you think that happens? When a child is bored, she comes up with activities on her own, without adult supervision. She learns how to make optimum use of resources around her. She learns to express herself through what's available. And these are lessons that go a long way in life. Boredom teaches how to sit still, to be at peace today dream five it also instills a sense of independence. And that's very, very important, because when children grow up, parents won't be around to entertain them all the time or fill their schedules with engagements. A child must learn how to manage her own time. A child must learn how to motivate herself. And these are life skills that boredom can teach. I'm not saying don't enroll your child in activities. I'm making a case for balance, a balance of activities and free time. Keeping a child schedule packed is not top notch parenting, and most activities do not necessarily do good to your child. For starters, she may become exhausted or confused. She may not have the time to figure out what is it that she really likes. So there are plenty of reasons why we should not be afraid of letting our children be bored. If your child is too young, she may complain at first, even throw tantrums. But eventually, she'll find a way to keep herself occupied. Her creativity will flourish, and this journey can be life changing for her. So the next time you go on a long drive, you may find her carrying her own color pens or toys to keep herself busy. So what should you, the parent, do to get there? It's simple. Like we've been saying repeatedly, find the right balance. Set aside some free time for a child. Encourage creativity. When your young child comes to you saying she's bored, tell her she can do anything, anything that she wants. She can make a zoo with a toy animals, play with the dog, race her cars, rearrange her toy shell, dress her dolls, go out and play. Give her a nudge and let her figure out the rest if needed. Give your child an example of how to structure free time. She can start by doing an activity of her choice and take a little nap, eat some snacks and take the dog for a walk. Show her that a lot can be done when there's nothing specific to do. Show her how to deal with boredom. Even enjoy it.

It can be a gift, too.

Gravitas Plus: Why children need to be taught the art of doing nothing Gravitas Plus | Do you pack your child's schedule with activities?Does your child have no time to get bored?Did you know boredom is a great teacher?Boredom t...

25/06/2022

বাচ্চাকে সততার শিক্ষা দিন।বাচ্চাকে বলবেন সদা সত্য কথা বলতে আর সে আদেশমত বলবে ব্যাপারটা তা নয়। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিবেশের। বাচ্চা যদি অভয় পায়; তার সততার জন্য তাকে কোন শাস্তি পেতে হবে না বা তাকে হাস্যকর বানানো হবে না-তাহলেই সে নির্ভয়ে নিজের কৃতকর্মের কথা বলতে আগ্রহী হবে।
বাচ্চা কোন ভুল করেছে। আপনাকে বলতে ভয় পাচ্ছে। এর কারন দুইটি। এক, সে লজ্জিত হতে পারে; সে জন্য বলতে দ্বিধা বোধ করতে পারে। দুই, তার ধারনা হতে পারে; আপনাকে জানালে আপনি তাকে বকা দিবেন বা অপমানিত করবেন।এই দুই কারনে সচরাচর বাচ্চারা আমাদের কাছে থেকে তাদের কথা গুলো লুকিয়ে যেতে চায়।আমাদের এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেন বাচ্চা তার যেকোনো কথা আমাদেরকে নির্দ্বিধায় বলতে পারে।বাচ্চাদেরও অপমান বোধ আছে। তাই যার তার সামনে তাকে গালমন্দ করা থেকে বিরত থাকুন।

25/05/2022

বাচ্চা খুব যুক্তিবাদী নাকি খুবই আবেগী??
Is Toddler/Kid too Rationalist or emotional??
অনেক সময়েই আমরা বুঝতে পারি না আমাদের সন্তানেরা শুধু কী একইভাবে চিন্তা করে? নাকি তাদের চিন্তা, ভাবনা, কাজ বৈচিত্র্যময়?এই বিষয়ে আমরা অধিকাংশ বাবা-মা সচেতন নই।আমরা খেয়াল করি না বা খেয়াল করলেও আমলে নেই না। আমরা ভেবে বসে থাকি যে বড় হলে সব ঠিক হয়ে যাবে। বাচ্চা মানুষ তাই এমন আবেগী বা বাচ্চা মানুষ তাই এত "কেন কেন" করে বা নিজের কথা/কাজের পেছনে এত যুক্তি দেখায়। বড় হলে নিজেই সব বুঝবে।
কিন্তু ছোটো থেকে যদি মস্তিষ্কের উভয় অংশ সমান ভাবে সক্রিয় না হয় তাহলে বড় হওয়ার পর সে সমানভাবে চিন্তা করবে কীভাবে?
কঠিন কথা বলে ফেলেছি। একটু সহজ ভাষায় বলি।
আমাদের মস্তিষ্কের দুটি অংশ। একটি বাম বলয় বা গোলার্ধ, আরেকটি ডান বলয় বা গোলার্ধ। এদের দুইজনের কাজ কিন্তু আলাদা আলাদা এবং এরা চর্চার মাধ্যমে সচল ও উন্নত হয়। বাম বলয় আমাদেরকে যুক্তিবাদী করে তোলে আর ডান বলয় আবেগী করে।
বাম বলয়ের কারনে আমরা ভাষার ব্যবহার বেশি করি। অপরদিকে ডান বলয় আমাদেরকে ভাষা পরিহার করে, ভাবের দিকে মনোযোগী করে।
এখন আমরা বুঝতে চেষ্টা করি, আমাদের বাচ্চা কোন মস্তিষ্কের ব্যবহার বেশি করে?
Left or right?
LEFT BRAIN USES :Left brain is logical, literal, linguistic and linear. If your children are in charge of left brain, they are analytical in thinking and typically do well academically. Left brain user can memorise large data, have a large vocabulary and detail oriented.They appreciate directions and follow the directions strictly.
Rationalist baby নিজের ঘর গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করে। সকাল, দুপুর বা রাতের খাবারে সে একই routine মেনে চলার চেষ্টা করে। বাসায় একা একা এক রুমে পড়তে পছন্দ করে। Science, mathematics subjects বেশি ভালো বুঝতে পারে এবং স্কুলের সকল নিয়ম মেনে চলে। Puzzle বা logical খেলার প্রতি আগ্রহী।কিন্তু outdoor activities and social communication খুব কম তাই সামাজিক জটিলতায় ভোগে।আচরন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রুক্ষ।
Right Brain user:Right brain is emotional, experiential, autobiographical, holistic and nonverbal, sending and receiving signals that allow us to communicate such as facial expressions, eye contact, tone of voice, posture and gestures.Instead of details and order, right brain cares about big pictures - the meaning and feel of an experience- specializes in images, emotions and personal experiences. We get a '' gut feeling " or" heart felt senses "" from our right brains.
ডান বলয়ের বাচ্চাদের outdoor activities and social communication খুব ভালো। তারা গল্প করতে পছন্দ করে। painting, drawing, singing, dancing এসবের প্রতি আগ্রহ বেশি।
But মুখস্থ করতে পারে না তাই একাডেমিক ফলাফল ভালো হয় না। স্কুলের নিয়ম পছন্দ না হওয়ায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তারা স্কুলে অনিয়মিত।
বুঝতেই পারছেন শুধু বাম বা ডান বলয় নয়, বাচ্চাদেরকে এই সমস্যা থেকে বের করে দুই বলয়ের চার্জে আনতে হবে।
জীবন একদিকে চলে না। ভাব ও ভাষার পূর্ণ ব্যবহার ছাড়া জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি অসম্ভব।
বাচ্চা যদি খুব rationalist হয় তাহলে সে হয়তো জীবনে সফল হবে কিন্তু সম্পুর্ণ সামাজিক সুখ পাবে না। জীবন হবে কঠোর নিয়মতান্ত্রিক।
আবার বাচ্চা যদি খুব emotional হয় তাহলে খুব ছোটো ছোটো কথায় বা কাজে সে কষ্ট পাবে। সহজ সরল একটি জীবন উপভোগ করবে কিন্তু সফলতা পাওয়া দুষ্কর হয়ে উঠবে।
জীবনকে সফল ও সুখময় করার জন্য আবেগ ও যুক্তির সমান ব্যবহারে পারদর্শী হতে হবে।তবেই সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তান তার জীবনের সুখের ঠিকানায় এগিয়ে যাবে। বাবা-মা হিসেবে আমাদের এইটুকুই চাওয়া থাকে। কিন্তু সেই চাওয়াকে বাস্তবে দেখতে চাইলে বাচ্চাকে তার মস্তিষ্কের দুই বলয়ের সমান ব্যবহার শেখাতে হবে। বাম ও ডান বলয়কে একীভূত(integration) করতে হবে। আবেগ ও যুক্তির সমন্বয়ই পারবে আপনার সন্তানকে অনন্য করতে।
Integration of brain নিয়ে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত বলব। কীভাবে মস্তিষ্ককে একীভূত করা যায়? কীভাবে মস্তিষ্কের বিকাশ সম্ভব? কীভাবে বাচ্চার এই একমুখী স্বভাব পরিবর্তন করা যায় এগুলো নিয়ে আরেকটি লেখা আমরা পোস্ট করব ইনশাআল্লাহ।

বি.দ্র.: বাচ্চাদের মস্তিষ্ক নিয়ে সম্পূর্ণ ধারণা পেতে আপনারা চাইলে Daniel J. Siegel and Tina Payne Bryson এর লেখা "The Whole-Brain Child" বইটি পড়তে পারেন।

KidyHup KidyHup works in children's physical and mental development. A new way of learning with joy.

08/05/2022

★★★ বাচ্চা দেরিতে কথা বলে ★★★
পিতামাতা হিসেবে আমরা চাই আমাদের সন্তানদের সর্বোচ্চ উন্নতি হোক। বাচ্চাকে কথা শেখানো সেই ইচ্ছা পূরণের একটি অপরিহার্য অংশ। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় বাচ্চার যে বয়সে যতো টুকু কথা বলা উচিত ঠিক ততটুকু সে বলছে না। এটা ( Late to speak) একটা সমস্যা। বাচ্চার ৪/৫ বছর হয়ে গেছে কিন্তু বাচ্চা একটা দুইটা শব্দ ছাড়া কোনো সম্পূর্ণ বাক্য বলতে পারে না। এই Late speaking দুইটা কারণে হতে পারে।
১. শারীরিক অবস্থা (Physical factors) : বাচ্চা যদি শারীরিক সমস্যাজনিত কারনে কথা না বলে সে জন্য অবশ্যই Medical Treatment দিতে হবে ।
২. পারিপার্শ্বিক অবস্থা (Environmental Factors) : শারীরিক সমস্যা নেই তবুও বাচ্চা কথা বলে না এই সমস্যা সবচেয়ে জটিল। এই সমস্যা তখনই হয় যখন বাচ্চার পরিবারের সদস্যরা নিজেদের ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করতে পারেন না।
আমরা আলোচনা করব এই সামাজিক বা পারিপার্শ্বিক সমস্যা নিয়ে। পারিপার্শ্বিক অবস্থা জনিত সমস্যা কেন হয়?
i.বাচ্চার সাথে যদি পিতা মাতা খুব কম সময় ব্যয় করেন,
ii. বাচ্চার মধ্যে যে সম্ভাবনা আছে সেটা যদি বুঝতে না পারেন,
iii. বাবা-মা যদি বাচ্চার স্টাইলে আধো আধো কথা বলেন,
iv. Babysitter or caregivers যদি introvert হয় বা শুধু বাচ্চাকে শান্ত রাখতে মনোযোগী হয়,
v. বাচ্চা অন্যদের খুব disturb করে এই জন্য যদি তাকে একা একা খেলতে দেওয়া হয় বা একা রেখে দেওয়া হয়,
vi. Communal interaction যদি খুব কম হয় তাহলে বাচ্চাদের speech development দেরিতে হয় ।
কিভাবে বুঝবো বাচ্চা দেরিতে কথা বলে?
অনেক সময়ে যখন বাচ্চার বয়স ৪/৫ বছর হয় তখন আমরা খেয়াল করি যে বাচ্চা স্বাভাবিক বাচ্চাদের মত কথা বলে না। অনেক কম কথা বলে। কিন্তু আমরা আরো অনেক ছোটো থেকেই যদি খেয়াল করতাম তাহলে হয়ত বুঝতে পারতাম বাচ্চা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম কথা বলে। এই জন্য আমাদের জানতে হবে বাচ্চার বয়স কত হলে অন্তত কতটুকু কথা বলা স্বাভাবিক।
Pre-Lingual period (first year) : একটা বা দুইটা ধ্বনি যেমন বা.. বা... ম.... মা... দা.... না...।প্রথম কয়েক মাস শুধু কান্না করা এবং অর্থহীন শব্দ করাই স্বাভাবিক।
Early Lingual period (1 to 2.6 years) :একটা বা দুইটা নাম বা শব্দ বলতে পারা। বাবা, মা, নানী বা কারো/কোন কিছুর নাম।
Differential period (2.6 to 5 years) :এই সময়ে বাচ্চারা সম্পূর্ন বাক্য বলতে পারে। অনেক ধরনের প্রশ্নও করতে পারে।
Maturity period (5 years and above) : এই বয়স থেকে বাচ্চারা যে কোন অপরিচিত ব্যক্তির সাথেও কথাবার্তা বলতে পারে। গল্প বলা বা আলোচনা করাও স্বাভাবিক ভাবেই হয়ে থাকে।
কিন্তু বাচ্চা যদি এর চেয়ে কম কথা বলে তাহলে তাকে অবশ্যই ডাক্তার দেখিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন কেন বাচ্চা কথা বলে না। যদি শারীরিক সমস্যা হয় immediately medical treatment দিন ।আর যদি পরিবেশগত সমস্যা হয় তাহলে যতো দ্রুত সম্ভব বাচ্চার সাথে interaction বাড়ান।কারন এই Late speaking বাচ্চার আরো অনেক সমস্যার সৃষ্টি করবে।
বাচ্চাকে কথা বলা শেখানোর জন্য বাচ্চাকে সময় দিতে হবে এর বিকল্প নেই।বাবা মা যতটা সম্ভব সময় দিন। পরিবারের অন্য সদস্যদের বলুন বেশি বেশি কথা বলতে, গল্প বলতে। Babysitter বা caregivers যিনি থাকবেন তাকে বলবেন যেন বাচ্চাকে শান্ত রাখার জন্য শুধু খাবার না দিয়ে বা ঘুম না পাড়িয়ে, বাচ্চার সাথে ঘরের প্রতিটি জিনিস নিয়ে কথা বলতে। প্রতিদিন যে ঘটনা ঘটে যেমন আপনি যদি রান্না করেন তাহলে বলুন "আমরা এখন রান্না করব। এটা প্লেট, এটা বাটি" " ইত্যাদি ইত্যাদি সব কিছু বর্ননা করুন। আবোল তাবোল প্রশ্নে বিরক্ত না হয়ে উত্তর দিন সুন্দর করে। আমরা সবাই যে ভুল করি তা হল বাচ্চার সাথে তাদের মত আধো আধো কথা বলি। এটা অবশ্যই পরিহার করতে হবে। বাচ্চাদের সাথে সুন্দর স্বাভাবিকভাবেই কথা বলতে হবে।
বর্তমানে বাচ্চাদের কথা বলতে না পারার পেছনে মোবাইল ফোনের একটা নেতিবাচক ভূমিকা আছে।
আমরা এখন বাচ্চার ৬ মাস বয়স থেকে মোবাইলে ইংলিশ কার্টুন বা গান দেখাই। এই আশায় দেখাই যে বাচ্চা ছোট থেকেই ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করতে শিখবে। তাই শেখে। বাচ্চারা বাংলা না বলতে পারলেও Yellow /blue /wow/yummy /mango /No-no বলতে পারে। কিন্তু বাংলা বা ইংরেজির সম্পূর্ন একটু বাক্য বলতে পারে কি?পারে না। কারন বাচ্চা একবার শোনে ইংরেজি শব্দ এবং একবার পরিবারের সদস্যদের মুখে বাংলা শোনে। এই ১-৪ বছরের এত ছোট বয়সে সে এই দুই ভাষা সমন্বয় (integrate) করতে পারে না। ফলে অনেক সময়ই সে কি বলতে চাচ্ছে বা সে মনে মনে কি ভাবছে প্রকাশ করতে পারে না । সে বলতে চায় কিন্তু শব্দ পায় না।
আসুন বাচ্চাদের পরিবেশ অনুকূল করি। প্রতিযোগিতাপূর্ণ পৃথিবীতে টিকে থাকতে অনেক ভাষার দরকার আছে। তবে আগে তাকে কথা বলা শিখতে দিন।
অনেক অনেক কথা বলুন, গল্প করুন। সবার সাথে মিশতে দিন।
N.B.: বাচ্চার Speaking develop করতে বাবা মা বা পরিবারের ভূমিকা অনস্বীকার্য তবে বাচ্চার সমস্যা জটিল হলে অবশ্যই একজন মনোবিজ্ঞানী বা Speaking therapist এর সাথে consult করুন।

Child care service
Give your child a new life

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Dhaka
1000