https://www.youtube.com/watch?v=0i85xFwmu4
আমি মর্মাহত, বাকহীন, স্তব্ধ!
Dotbench
এই পৃষ্ঠায় স্কুলের শিক্ষামূলক আলোচনা পাওয়া যাবে।
স্বাগতম।
জাপানে কোনো শিক্ষক দিবস নেই।
একদিন, আমি আমার জাপানি সহকর্মী, শিক্ষক ইয়ামামোতাকে জিজ্ঞাসা করলাম:
- আপনারা কিভাবে জাপানে শিক্ষক দিবস উদযাপন করেন?
আমার প্রশ্নে অবাক হয়ে তিনি উত্তর দিলেন:
- আমাদের শিক্ষক দিবস নেই।
আমি যখন তার উত্তর শুনেছিলাম, তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না যে আমি তাকে বিশ্বাস করব কি না। আমার মাথায় একটা চিন্তা আসলো: "যে দেশ অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এত উন্নত, শিক্ষক এবং শিক্ষকতার প্রতি এত অসম্মান কেন?"
***
একবার, কাজ শেষে, ইয়ামামোতা আমাকে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। আমরা মেট্রো নিলাম যেহেতু তাঁর বাড়ি অনেক দূরে। সন্ধ্যার পিক আওয়ার ছিল, এবং মেট্রো ট্রেনের ওয়াগনগুলিতে ছিল উপচে পড়া ভিড়। আমি ওভারহেড রেলকে শক্ত করে ধরে দাঁড়ানোর জায়গা খুঁজে বের করতে পেরেছিলাম। হঠাৎ, আমার পাশে বসা বয়স্ক লোকটি আমাকে তাঁর আসন গ্রহণ করার প্রস্তাব দিলেন। একজন বয়স্ক লোকের এই সম্মানজনক আচরণ বুঝতে না পেরে আমি প্রত্যাখ্যান করলাম, কিন্তু তিনি অনড় ছিলেন এবং আমি বসতে বাধ্য হলাম। আমরা যখন মেট্রো থেকে বের হয়েছিলাম, তখন আমি ইয়ামামোতাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে সাদা দাড়ি বৃদ্ধ লোকটি ঠিক কী করেছে। ইয়ামামোতা হেসে আমার পরা শিক্ষকের ট্যাগের দিকে ইশারা করে বললেন:
- এই বৃদ্ধ লোকটি আপনার গায়ে একজন শিক্ষকের ট্যাগ দেখেছে এবং আপনার মর্যাদার প্রতি সম্মানের প্রতীক হিসাবে আপনাকে তার আসন অফার করেছে।
যেহেতু আমি প্রথমবার ইয়ামামোতার বাড়িতে গিয়েছিলাম, তাই সেখানে খালি হাতে যেতে অস্বস্তি বোধ করছিলাম তাই আমি একটি উপহার কেনার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমি ইয়ামামোতাকে একথা বলেছিলাম, তিনি বললেন যে একটু এগিয়ে শিক্ষকদের জন্য একটি দোকান রয়েছে, যেখানে কেউ কম দামে জিনিসপত্র কিনতে পারে। আবারও, আমি আমার আবেগ ধরে রাখতে পারিনি:
- সুযোগ-সুবিধা শুধুমাত্র শিক্ষকদের দেওয়া হয়? আমি জিজ্ঞাসা করলাম .
ইয়ামামোতা বললেন:
- জাপানে শিক্ষকতা সবচেয়ে সম্মানিত পেশা এবং শিক্ষক সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি। জাপানি উদ্যোক্তারা খুব খুশি হয় যখন শিক্ষকরা তাদের দোকানে আসেন, তারা এটাকে সম্মানজনক বলে মনে করেন।
***
জাপানে থাকার সময়, আমি একাধিকবার শিক্ষকদের প্রতি জাপানিদের পরম শ্রদ্ধা লক্ষ্য করেছি। মেট্রোতে তাঁদের জন্য বিশেষ আসন বরাদ্দ রয়েছে, তাঁদের জন্য বিশেষ দোকান রয়েছে, সেখানে শিক্ষকরা যে কোনও ধরণের পরিবহনের জন্য টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়ান না। এই কারণেই জাপানি শিক্ষকদের শিক্ষক দিবস বলে একটি বিশেষ দিনের প্রয়োজন হয় না, যখন তাঁদের জীবনের প্রতিটি দিন সম্মান প্রদর্শন করে উদযাপন করা হয়।
*রুস্তম বিসেনভ*
(সংগৃহীত একটি পোস্ট, খুব ভালো লাগলো তাই share করলাম সকলের সঙ্গে।। )
ছাত্র-ছাত্রীরা,
আসসালামু আলাইকুম।
ঈদ উল আযহার পবিত্র ও মহিমান্বিত উপলক্ষে তোমাদের সবাইকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। এ ঈদ শুধু আনন্দের নয়, ত্যাগেরও শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হযরত ইব্রাহিম (আঃ) যেভাবে সর্বোচ্চ ত্যাগের নজির স্থাপন করেছিলেন, আমরাও যেন তার আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও সহানুভূতির চর্চা করতে পারি।
তোমরা সবাই পরিবার-পরিজন নিয়ে সুস্থ, সুন্দর ও আনন্দঘন ঈদ উদযাপন করো—এই কামনাই করছি। ঈদের এই শিক্ষা তোমাদের মনকে আরও উদার করুক, চরিত্রকে করুক আলোকিত, আর ভবিষ্যতের পথচলাকে করুক সফল ও অর্থবহ।
আল্লাহ তোমাদের সকলকে হেফাজত করুন ও আগামী দিনগুলোকে করুণাময় করে তুলুন।
আমাদের সময়ে মার হাতে মাইর খাওয়ার লিস্ট.....
ছোটবেলার শাসন তালিকা:
"মাইর খাওয়ার ৫০টি মহামূল্যবান কারণ!"
১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে।
২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে।
৩. না-মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে।
৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে।
৫. খেলতে গিয়ে মার খেয়ে এলে বা কাউকে মারার অভিযোগ এলে।
৬. বড়দের আড্ডায় ঢুকে পড়লে।
৭. বড়দের কথার উত্তর না-দিলে।
৮. বড়দের কথায় ত্যাড়া উত্তর দিলে।
৯. অনেকদিন মাইর না খেয়ে থাকলে।
১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান গাইলে।
১১. বাড়িতে অতিথি এলে সালাম না করলে।
১২. অতিথির সামনে খাবারের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলে।
১৩. অতিথির প্লেট থেকে খাবার তুলে মুখে দিলে।
১৪. অতিথি বাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে।
১৫. খেতে না চাইলে।
১৬. সন্ধ্যা হওয়ার পরও বাড়ি না ফিরলে।
১৭. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে চলে এলে।
১৮. জেদ ধরলে।
১৯. কারও সাথে মারামারি করে হেরে এলে।
২০. কাউকে বেশ করে পিটিয়ে এলে।
২১. স্লো মোশনে খেলে।
২২. ফাস্ট ফরোয়ার্ড স্কেলে খেলে।
২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে।
২৪. রাতে ঘুমোতে না চাইলে।
২৫. শীতকালে গোসল করতে না চাইলে।
২৬. গ্রীষ্মকালে গোসল করে ঘন্টাখানেক বাথরুম দখল করলে।
২৭. অন্যের গাছ থেকে আম-জাম পেড়ে খেলে।
২৮. স্কুলে টিচারদের কাছে মার খেয়ে বাসায় এসে ধরা খেলে।
২৯. জোরে পড়ার বদলে বিড়বিড় করে পড়লে।
৩০. পড়ার বইয়ের মধ্যে গল্পের বই লুকিয়ে পড়তে ধরা পড়লে।
৩১. পরীক্ষার আগে টিভি দেখলে।
৩২. দুধ খেতে না চাইলে।
৩৩. আচার চুরি করে খেলে।
৩৪. উষ্ঠা খেয়ে পড়ে গেলে উঠে আবার মারা হলে।
৩৫. অন্যের বাসা লন্ডভন্ড করলে।
৩৬. স্কুলের সামনে দোকান থেকে বাকিতে খেলনা কিনলে।
৩৭. দুপুরে না ঘুমালে।
৩৮. পাশের বাসার কেউ পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পেলে।
৩৯. খাতার পৃষ্ঠা নষ্ট করলে।
৪০. বইয়ে দাগাদাগি করলে।
৪১. শোকেস থেকে নতুন প্লেট-গ্লাস বের করলে।
৪২. পুকুরে ডুবে চোখ লাল করে ফেললে।
৪৩. খেলার সময় গাছ ভেঙে ফেললে।
৪৪. স্কুল থেকে ব্যাগ হারিয়ে এলে।
৪৫. ছোট ভাইবোনকে পড়াতে গিয়ে মারামারি করলে।
৪৬. ঘরের কাচের জিনিস ভেঙে ফেললে।
৪৭. বড়দের জুতো বা চশমা পরে ঘুরলে।
৪৮. টিফিনের টাকা দিয়ে আইসক্রিম খেয়ে আসলে।
৪৯. দুধের গ্লাস ফেলে দিলে।
৫০. পড়ার সময় হুট করে বাইরে খেলতে চলে গেলে।
ওইসব ছোট ছোট দুষ্টামিতে যত মাইর খেয়েছি, তত স্মৃতি জমা হয়েছে... আজও মনে হয় — আহা! কী সুন্দর ছিল সেই 'মাইর ভরা' শৈশব ।
(লিস্ট গুলো কপি করা)
09/04/2025
Wow! What a dream...
What your's?
For your country?
What....?
07/04/2025
নিন্দা, ঘৃণা এবং ঘৃণা....
07/04/2025
বিবিসি ও প্রচার করতে বাধ্য হচ্ছে!
07/04/2025
আসুন শেয়ার করি, জানিয়ে দেই বিশ্বকে!
07/04/2025
আমার দেয়া পয়সায় যেনো কোনো রক্ত না ঝরে, এই গূলো আজীবন বাদ দেয়ার আহ্বান থাকলো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
71/1 South Maniknagar, Maniknagar Link Road
Dhaka
1203
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 22:00 |
| Tuesday | 09:00 - 22:00 |
| Wednesday | 09:00 - 22:00 |
| Thursday | 09:00 - 22:00 |
| Saturday | 09:00 - 22:00 |
| Sunday | 09:00 - 22:00 |