This is very true..... It's better late than never!
So wake up my dear brothers!
.
#৫৫১১
আমার পরিচিত এমন অনেক পুরুষ আছেন, যারা রমযান আসলে নিজেকে গুটিয়ে ফেলতে শুরু করেন। রমযান তাদের কাছে মানসিক প্রশান্তির কোন ব্যাপার না, একটা বাড়তি মানসিক চাপ। তারা যেটুকুই আয় করেন, তার প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ব্যয় করেন পরিবারের জন্য। বুয়েট/ঢাবিতে থাকতে রীতিমত উড়েছে, এই রকম অনেককে দেখি, এখন জব লাইফে এসে কুকড়ে গেছে। মাল্টিন্যাশনালে ডলারে স্যালারি পাওয়া জব করেও কেমন যেন আতঙ্কে থাকে ভেতরে ভেতরে।
এর প্রধান কারন এটা না যে তাদের আয় সীমিত। এর প্রধান কারন হচ্ছে, আনরিওয়ার্ডিং, থ্যাংকলেস লাইফ। তাদের পরিশ্রমের কোন ভ্যালু নাই পরিবারে, একনলেজমেন্ট নাই। যাদের জন্য জান কালি করছেন, তাদের কাছে এসব ফর গ্র্যান্টেড ব্যাপার। তারা যেন এই ইফোর্ট পাবার জন্যই দুনিয়ায় এসেছে আর এই লোকগুলোর জন্ম হয়েছে ইফোর্ট দেওয়ার জন্য।
দিনশেষে, তারা নিজেদের পুরুষ হওয়াকে দোষেন।
তারা ভয় পান, সবার জন্য যথেষ্ট করতে না পারলে তাদেরকে আরো তিরস্কার করা হবে।
তারা আশা করেন, আরো বেশি দিলে হয়তো একদিন সবাই তার ওপর সন্তুষ্ট হয়ে যাবেন।
কিন্তু সময় যত যায়, দেখা যায় এসবের কোনটাই সত্যি না।
আপনি পুরুষ, এটা সমস্যা না। সমস্যাটা হচ্ছে আপনার ফ্যামিলির সাথে আপনার সম্পর্কটা ট্রাঞ্জ্যাকশনাল না। আপনি বোঝেন নাই, আপনার সাথে তাদের সো কল্ড পারিবারিক ভালোবাসাটা প্রচন্ড রকম কন্ডিশনাল, যেটা আসলে আপনিই টিকিয়ে রাখছেন। প্রানান্তকর ইফোর্ট দেয়া বন্ধ করে দিলে এই সম্পর্ক এক্সিস্টই করবে না।
আপনি আপনার হায়াতকে ক্ষয় করছেন তাদের মন যোগানোর জন্য, যারা মনে করে তাদের জন্য আপনার এই হায়াত ক্ষয় করে ফেলাটা আপনার ক্রেডিট না, তাদের এনটাইটেলমেন্ট। দে আর এন্টাইটেল্ড টু লেট ইউ গেট কিল্ড ওয়র্কিং ফর দেম।
আপনাদের ক্রাইসিসটা হচ্ছে মেইনলি,
১)যথেষ্ট সাহসী না হওয়া
২)যথেষ্ট স্ট্র্যাটেজিক না হওয়া
৩)যথেষ্ট ভাগ্যবান না হওয়া
৪)যথেষ্ট নির্দয় না হওয়া
এই ৪টা ব্যাপার একসাথে ক্লিক না করলে, শত চেষ্টার পরেও আপনারা ফ্যামিলির কাছ থেকে সামান্য একটু হাসিও পাবেন না সারাবছরের শ্রমের প্রতিদানে।
সাহসী হওয়া বলতে আমি মিন করেছি, আপনি তাদের অসন্তুষ্টিকে ফেইস করতে পারার মত সাহসী না। যেহেতু আপনি অসন্তুষ্টি ফেইস করতে সাহস পান না, তারা এটা থেকে শেখে এবং আপনার সামনে অসন্তুষ্টি দেখাতে পছন্দ করে।
স্ট্র্যাটেজিক হওয়া বলতে আমি মিন করেছি, তাদের ঠিক কি ধরনের ইফোর্ট স্যাটিসফ্যাকশান দেবে তা আপনি বোঝেন না। আপনি এটাও বোঝেন না, নিজেকে যে ভ্যালু দেয় না, তাকে অন্য কেউ ভ্যালু দেয় না।
ভাগ্যবান হওয়া বলতে মিন করেছি, কৃতজ্ঞ হৃদয় খোদার দান। যাদের মধ্যে কৃতজ্ঞতা নাই, তারা যদি আপনার ফ্যামিলি মেম্বার হয়, আপনার জীবনে হাহাকার হবে নিত্যসঙ্গী। যদি উল্টোটা হয়, আপনি ভাল থাকার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
নির্দয় হওয়া বলতে আমি বুঝিয়েছি, আপনাকে নিংড়ে শুষে নেয়ার পরেও আপনি তাদের প্রত্যাখ্যান করতে পারেন না কোন বিষয়ে, সংসারের শান্তির জন্য। শান্তির জন্য আপনি তাই ছুটে ফেরেন অশান্তির মাঝে।
আপনার ঘর্মাক্ত শার্ট, জরাজীর্ন জুতা, অপুষ্টিকর খাবার, দুর্বল শরীর আর তারচেয়েও দুর্বল মনের প্রধান কারন এটা না যে আপনি ফুরিয়ে গেছেন, বা আপনার সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেছে।
যাদের জন্য সব উজাড় করে দিয়েও আপনি সামান্য প্রশংসা আর স্বীকৃতিটুকু পাব না, তাদের ভ্যালিডেশান পাবার প্রত্যাশা থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসুন।
নিজ আয়ের অন্তত ৩০% নিজের ওপর ব্যয় করুন। অন্যদেরকে খুশি করার জন্য সারাজীবন বেচেছেন, দুইটা বছর নিজেকে খুশি করতে চেষ্টা করুন।
পুরানো বন্ধুদের সাথে দেখা করুন, হাটতে যান।
দেখবেন, ঈদ ভালো লাগে, ঈদ আসলে এতটাও খারাপ না।
Written by Muhammad Sajal vai
Faculty of Business Studies (FBS), University of Dhaka, Bangladesh
The name "Faculty of Business Studies" was initiated in 1992. Formerly was a part of Faculty of Arts that was inaugurated in 1922. (Hons.). The one-year M.Com.
The Faculty of Business Studies (FBS) (Bengali: ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ) is one of the leading faculties of University of Dhaka.The name previously was commerce faculty as the Bangla was then বাণিজ্য অনুষদ; in line with the modern concepts & updragations the name has been Faculty of Business Studies (FBS) and the Bangla been ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ. Mission
To Create Efficient Business Graduate. Descrip
বিটিআরসি চাচ্ছে, এক এনআইডি দিয়ে ২টার বেশী সিম রাখা যাবে না।
তারা প্রথমে ১০টিতে আনলো, তারপর এখন ৫টিতে যেতে চাচ্ছে।
এরপর ২টিতে তারপর ১টিতে আনবে।
আপনার মনে হতে পারে, এটা খুবই ভালো কাজ।
আসলে এইটা একটা জনবিরোধী সিদ্ধান্ত।
মোবাইল ফোন অপারেটর গুলাই টাকা পয়সা দিয়ে এই কাজ করাতে চাচ্ছে।
এতে আপনি এক দুইটি সিমের বেশী ব্যবহার করতে পারবেন না। ফলে আপনি কোনো না কোনো অপারেটরের কাছে আটকে যাচ্ছেন।
একই নাম্বার দিয়ে বারবার অপারেটর চেঞ্জ করার ঝামেলাতেও যেতে চাচ্ছেন না।
অপারেটর গুলোর নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছেনা।
তারা তখন নিজেদের গ্রাহকের সাথে যাতা অফার দিয়ে, যাতা রেইট দিয়ে চলতে পারবে। কারণ, আপনার হাতে অনেকগুলো অপশন নাই।
এটাকেই বলে সিন্ডিকেট। সবাই মিলে সিন্ডিকেট করে রাখা। সিন্ডিকেট করে গ্রাহককে তাদের হাতে বন্দী করে ফেলা।
একটা ঘটনা শুনেন।
মহেশখালী হাসপাতালের সামনে অনেকগুলো ফার্মেসী আছে। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল, রাত ১২টার পর মাত্র একটা করে ফার্মেসী খোলা থাকবে।
একটা শনিবারে, একটা রবিবারে এভাবে একেকদিন পালা অনুযায়ী একেকজন খোলা রাখবে।
প্রাথমিকভাবে আপনার মনে হতে পারে যে, রাত ১২টার পর একটা ফার্মেসী খোলা আছে, এটা তো ভালো ব্যাপার।
আসলে হচ্ছে, উল্টো।
সিন্ডিকেট না থাকলে রাতে অনেকগুলো ফার্মেসী খোলা থাকতো। এখন নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় এসে সিন্ডিকেট করায় খোলা থাকছে মাত্র একটা।
আপনার হাতে কোনো দ্বিতীয় অপশন নাই।
তার কাছে থাকা অষুধই আপনাকে কিনতে হচ্ছে। আপনার হাতে কোনো বিকল্প নাই।
ঠিক এই কাজটাই মোবাইল অপারেটর গুলো বিটিআরসিকে দিয়ে করাতে চাচ্ছে।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাত সবচেয়ে করাপ্টেড খাতগুলোর একটি।
টেলিটকের সেবা যাতে উন্নত না হয়, সে জন্য গ্রামীন এবং রবি বিটিআরসির চেয়ারম্যান সহ এই খাতে আগে বছরে কয়েকশ কোটি টাকা ঘুষ দিত।
আমরা জানতে চাই, এভাবে সিন্ডিকেট করার জন্য কত টাকা ঘুষ দেয়া হয়েছে?
দেখেন, আমরা আমাদের এনআইডি এবং বায়োমেট্রিক দিয়ে সিম কিনছি।
আমরা যদি প্রত্যেকটা অপারেটরের কয়েকটা করে সিম কিনে ইউজ করি, তাতে বিটিআরসির সমস্যা কোথায়?
আমরা তো চুরি করে সিম চালাচ্ছি না। আমাদের সিমের বিপরীতে আমাদের হাতের ছাপ, এনআইডি আছে।
আমরা কোনো অপরাধ করলে সেটা দিয়ে খুঁজে বের করতে পারবে।
একেকজন পুরুষ তার এনআইডি দিয়ে তার ফ্যামিলীর সবার সিম কিনে। বাবার এনআইডি দিয়ে মা, ভাই, বোনদের সিম কেনা থাকে।
একসাথে সব সিম বাতিল করে এক দুইটাতে নামিয়ে আনলে মানুষ প্রতিবাদ করবে। তাই তারা আস্তে আস্তে করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কৌশল নেয়।
প্রথমে দশে, তারপর পাঁচে, এরপর দুইয়ে। এভাবে।
১০টার বেশী সিম রাখা যাবেনা বলায়, কেউ কিছু বলেনি। এখন তারা চাচ্ছে, ৫টাতে আনতে। ক্রমান্বয়ে এভাবেই তারা নামাবে। আমাদেরকে বন্দী করবে সিন্ডিকেটের হাতে।
অথচ আপনার সিম কোনো বেনামী সিম না, এনআইডি আছে, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে।
চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে।
বিটিআরসি কোন যুক্তিতে আমাদের সিম ব্যবহারের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে সিন্ডিকেটের কাছে বন্দী করাতে চায়?
এই সিন্ডিকেট করতে ফোন অপারেটর গুলো কত কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছে, আমরা জানতে চাই।
(এই পোস্ট শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। সবাই জানুক বিটিআরসি আমাদেরকে সিন্ডিকেটের হাতে বন্দী করতে চায়।)
islam
26/10/2025
FINALLY THE WAIT IS OVER....
MPA Admissions for the 17th Batch are now open. Enroll now to be a part of this prestigious program.
Unlock your future in accounting and leadership with the Master of Professional Accounting (MPA) — a prestigious program from the Department of Accounting, University of Dhaka. More than a degree, it’s your launchpad to global recognition and professional excellence.
✅ Get up to 9 ACCA exemptions
✅ Learn from top-tier faculty and industry experts
✅ Build a strong, influential professional network
MPA Admissions are now open. Enroll now to be a part of this renowned program.
Visit Us at: https://mpa-ais-du.com/
Apply Now: cutt.ly/mpaform
Application Deadline: December 2, 2025
Admission Test: December 5, 2025
Step Ahead in Your Career with an MPA Edge
21/10/2025
⚠ বাংলাদেশে হিন্দু কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধ•র্ষণ, প্রেমের ফাঁদে প্রতারণা ইত্যাদির দলিলসমূহ।
A Thread (Check Comment box)
মূল পোস্টের লিংক কমেন্টে।
13/10/2025
আবু তালিবের মৃত্যুর পর রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জন্য দোয়া করেছিলেন — এ ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ঘটনার সাথে সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত সূরা আত-তাওবা (৯:১১৩) তে নাজিল হয়।
🕋 ঘটনার পটভূমি:
আবু তালিব ছিলেন রাসূলুল্লাহ ﷺ এর চাচা ও শৈশবকাল থেকেই অভিভাবকস্বরূপ। তিনি ইসলামের দাওয়াত গ্রহণ না করলেও নবী ﷺ কে সর্বতোভাবে রক্ষা ও সহযোগিতা করতেন।তার জীবদ্দশায় কাফেরদের সকল প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে তিনি রাসূল ﷺ এর জন্য ঢালস্বরূপ ছিলেন।
রাসূল ﷺ যখন তাঁকে মৃত্যুশয্যায় দেখতে গেলেন, তখন তাঁর পাশে ছিলেন আবু জাহল ও আবদুল্লাহ ইবনু উমাইয়া। নবী ﷺ তাঁকে বললেন —
“হে চাচা! আপনি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলুন, আমি কিয়ামতের দিনে এর সাক্ষ্য দেব।”
কিন্তু আবু জাহল ও অন্যরা বলল,
“হে আবু তালিব! তুমি কি তোমার পিতৃপুরুষদের ধর্ম ত্যাগ করবে?”
শেষ পর্যন্ত আবু তালিব তাঁর পূর্বপুরুষদের ধর্মেই মারা যান — অর্থাৎ ইসলামের সাক্ষ্য না দিয়েই মৃত্যুবরণ করেন।
রাসূল ﷺ গভীরভাবে ব্যথিত হলেন এবং বললেন:
“আল্লাহর কসম! আমি আপনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করব, যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ আমাকে নিষেধ না করেন।”
এরপরই নিচের আয়াত নাজিল হয় 👇
📖 নাজিলকৃত আয়াত:
سورة التوبة (৯:১১৩)
مَا كَانَ لِلنَّبِيِّ وَالَّذِينَ آمَنُوا أَنْ يَسْتَغْفِرُوا لِلْمُشْرِكِينَ وَلَوْ كَانُوا أُولِي قُرْبَىٰ مِنْ بَعْدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمْ أَنَّهُمْ أَصْحَابُ الْجَحِيمِ
🕯️ বাংলা অনুবাদ:
“নবী ও মুমিনদের জন্য সমীচীন নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে — যদিও তারা আত্মীয়স্বজন হয় — যখন এটা তাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে গেছে যে, তারা জাহান্নামের অধিবাসী।”
— (সূরা আত-তাওবা, আয়াত ১১৩)
📚 তাফসিরের সারসংক্ষেপ (ইবন কাসির, তাবারি প্রমুখ):
এই আয়াত নাজিল হয় আবু তালিবের মৃত্যুর পর, যখন নবী ﷺ তাঁর জন্য দোয়া করতে চেয়েছিলেন।
আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তা’আলা স্পষ্ট করে দিলেন যে, যারা শিরক অবস্থায় মারা গেছে, তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা বৈধ নয়, যদিও তারা ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হয়।
এরপর রাসূল ﷺ তাঁর জন্য দোয়া বন্ধ করেন।
💠 শিক্ষণীয় বিষয়:
ইসলামে আত্মীয়তার বন্ধন যত দৃঢ়ই হোক, ঈমান ছাড়া পরকালীন মুক্তি সম্ভব নয়।
মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা নিষিদ্ধ — এটি আকীদার মৌলিক নীতি।
রাসূল ﷺ এর করুণ হৃদয় ও মানবিক দিক প্রকাশ পায় এই ঘটনায়।
উৎস:
সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৩৬০
সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৪
তাফসির ইবন কাসির (সূরা আত-তাওবা ৯:১১৩)
সীরাত ইবন হিশাম
জগন্নাথ হলে ১৫ই অক্টোবর যে ভয়াবহ দুর্ঘটনা সংঘটিত হয় তা আমাদের সকলকে ব্যথিত এবং শোকাহত করে। কিন্তু পার্থিব সেই শোকের কারণে আমরা আল্লাহর সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে তার কাছে কীভাবে মোনাজাত করতে পারি? তাদের জন্য মসজিদগুলোতে দোয়া করার যে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে তা ঈমাম এবং মুসল্লীদের জন্য বিব্রতকর।নোটিশের এই অংশ সংশোধনের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
কপি
07/09/2025
এটা আমাদের সকলের দাবি
07/06/2025
ছবিতে দেখুন, কিভাবে তিতুমীর রাহিমাহুল্লাহ হয়ে উঠেছিলেন অত্যাচারী হিন্দু জমিদারদের ঘুম হারানোর কারণ।
তার মধ্যে একটা শাস্তির দিকে আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ৪নং পয়েন্ট এ লেখা, গো হ*ত্যa করলে ডান হাত কেটে যাবে।
উপমহাদেশে কুরবানী হয়ে উঠেছে প্রতিবাদের উৎসব। ইসলামের কর্তৃত্ব স্থাপনে কুরবানী হয়ে উঠে অন্যতম শিয়ার। শায়েখ সিরহিন্দি রাহিমাহুল্লাহ থেকে শুরু করে তিতুমীর রাহিমাহুল্লাহ—তারা এই কথা উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।
বাংলার জমিনে মুসলমানদের ইতিহাস নড়বড়ে না। যে তাওহীদের শক্তিতে তিতুমীর গরু জবাই করে কালো মন্দির রক্তে ভিজিয়ে দিয়েছিলো হিন্দু জমিদারদের আধিপত্য প্রতিবাদের জন্য সেই পূর্বপুরুষের সন্তান হলাম আমরা।
কলোনাইজেশন এবং মিথ্যা ইলাহ এর কাছে মাথা নত না করা আমাদের রক্তের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু আমরা সেই রক্ত কে ঔন করা শিখি নাই।
নিও-কলোনিয়াল মাইন্ডসেট থেকে রেহাই পেতে হলে আমাদের সেই রক্ত কে ঔন করা শিখতে হবে।
ঈদ মোবারক!
08/05/2025
ADMISSIONS FOR THE 7th BATCH of the Executive MBA Program are NOW OPEN!! Faculty of Business Studies (FBS), University of Dhaka, is NOW ACCEPTING APPLICATIONS for the Executive MBA Program Batch 7th. APPLY NOW at fbs-du.com/admission
Application deadline: 14 June 2025
Admission test: 20 June 2025 (Friday) at 10: 00am
ছেলেটা এনাল ওয়ার্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। বয়স আর কত হবে, এই ২২-২৩ বছর।
এনাল ওয়ার্ট কি যারা জানেন না তাদের জন্য বলি, এটা পায়খানার রাস্তায় ফুলকপির মতো দেখতে একটা গ্রোথ বা টিউমার। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণে এই রোগ হয়। মেডিকেল সাইন্স বলে,সবার এই রোগ হয় না। পায়ুপথকে যারা মিলনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে, তাদের এই রোগ হয়।
তাই সন্দেহ থেকেই ছেলেটার হিস্ট্রি নেয়া শুরু হয়। কী করে না করে ইত্যাদি! প্রথমে ইতস্তত করলেও চিকিৎসার খাতিরে সে স্বীকার করে যে, সে একজন গে! তাদের চারজনের একটা গ্রুপ আছে। তারা পরস্পর এই পায়ুপথে মিলিত হয়। এই ছেলে গুলোর একজনের পেনিসে একটা গোটা আছে! (সম্ভবত হিউম্যান প্যাপিলোমা থেকেই হবে)। পরবর্তীতে জানা গেল ছেলেটা HIV পজিটিভ। স্বভাবতই তার সকল পার্টনার HIV পজিটিভই হবে।
ছেলেটার বাসা ঢাকার পাশের এক জেলায়। প্রাইভেসির খাতিরেই এলাকার নামটা গোপন রাখলাম। সাময়িক আলাপনে যা দেখলাম, ছেলেটার বাবা একজন দাড়ি-টুপি ওয়ালা সহজ-সরল আধাশিক্ষিত মানুষ, মাও তাই। কিন্তু ছেলের এই বিষয়ে তারা জানতেন না, এখনো জানেন না। রিপোর্ট দেখে শুধু জেনেছেন ছেলে HIV পজিটিভ।
মাঝে একটা পোস্ট ভাইরাল হয়েছিল রমনা পার্ক ও এই এলজিটিভিদের দৌরাত্য নিয়ে। একটা জেলা শহরের যদি এই অবস্থা হয়, তবে ঢাকা বা বিভাগীয় শহর গুলোর কী অবস্থা!
এসব এলজিটিভিদের বিষয়ে পোস্ট দেয়ার কারণে আগেও আমার কয়েকজন এলজিটিভিদের সাথে কথা হয়েছে। আমি তাদের কাউন্সেলিং করার চেষ্টা করেছি। তবে দুঃখজনক বিষয়—এদের অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই আমি কোনো অনুশোচনা দেখতে পাই নি।
নীরবে নিভৃতে এই এলজিটিভির বিষ আমাদের সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। কথায়, গানে, নাটকে, সিনেমায় আমরা এদের স্বীকৃতি দিচ্ছি। এসব দেখে বড় হতে থাকা আমাদের আগামী প্রজন্ম ভাবছে, আরে এটা তো স্বাভাবিক ঘটনা, ভূল কিছু নয়! ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে কওমে লুতের মতো একটা প্রজন্ম।
কেউ এই বিষের বিষাক্ততা থেকে মুক্ত নয়। তাই আজই নিজের পরিবারে খোজ নিন। ছেলের মাঝে মেয়েলিপনা বা এর উল্টোটা দেখতে পেলে খতিয়ে দেখুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের শরনাপন্ন হোন। নিজের সন্তানকে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুশাসনের মধ্যে গড়ে তুলুন।
মনে রাখবেন- সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না.......💔
Dr. Nazmush Shakib Bappi
SSMCMH.
21/04/2025
Aren't they women?
Why ignoring them?
কিছু সাধারণ(অতীব গুরুত্বপূর্ণ) উপদেশঃ
---------------------------------
শরীরের যত্নঃ
----------
আমাদের দেশে একটা কমন কালচার হচ্ছে, কেউ যখন জিম করে, সবাই ভাবে সে মনে হয় 'বডি বানাইতে চায়' । এজন্য জিম করে। কিন্তু, আসলে জিম করাটা লাক্সারি না। এটা একটা নেসেসিটি।
জিম ই যে করতে হবে তা না। নিয়মিত খেলাধুলা করা, দৌঁড়ানো কিংবা অন্যান্য ফিজিক্যাল এক্টিভিটি হতে পারে। কিন্তু এসব আপনাকে করতেই হবে।
আমরা সাধারণত আমাদের শরীরকে অনেক বেশি ওভার এস্টিমেট করি। কম বয়সে শরীর এটার সাথে তাল মিলিয়ে চললেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীর হাল ছেড়ে দেয়। বিশেষ করে যারা ডেস্ক জব করে, তাদের ব্যাক পেইন শুরু হয়।
** 𝐏𝐥𝐞𝐚𝐬𝐞, 𝐩𝐥𝐞𝐚𝐬𝐞 𝐚𝐧𝐝 𝐩𝐥𝐞𝐚𝐬𝐞, 𝐝𝐨𝐧'𝐭 𝐮𝐧𝐝𝐞𝐫𝐞𝐬𝐭𝐢𝐦𝐚𝐭𝐞 𝐭𝐡𝐢𝐬. 𝐘𝐨𝐮 𝐰𝐢𝐥𝐥 𝐚𝐥𝐬𝐨 𝐟𝐚𝐥𝐥 𝐯𝐢𝐜𝐭𝐢𝐦 𝐢𝐧 𝐭𝐨 𝐭𝐡𝐢𝐬 𝐬𝐨𝐨𝐧𝐞𝐫 𝐨𝐫 𝐥𝐚𝐭𝐞𝐫. **
এই সমস্যা শুরুতেই প্রতিহত করার কিছু উপায়ঃ-
ক) সামর্থ্য থাকলে এরগোনমিক চেয়ার ব্যবহার করা। সামর্থ্য না থাকলে যেকোনো চেয়ারের উপরে বসানোর মতন কিছু জিনিস পাওয়া যায় যা হিপ এবং পিঠ কে সাপোর্ট দেয়।
খ) সামর্থ্য থাকলে স্ট্যান্ডিং টেবল কেনা যেখানে বসে এবং দাঁড়িয়ে কাজ করা যায়। না হলে একটানা অনেক বেশিক্ষণ বসে না থাকা। কিছুক্ষণ কাজ করা। তারপরে হাঁটাহাঁটি করা।
গ) নিয়মিত ব্যায়াম করা/ খেলা/ দৌঁড়ানো।
মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নঃ
-----------------
মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন মানে কেবল ব্রিদিং এক্সারসাইজ না, কিংবা ইয়োগা না। কিংবা কিছু হলেই সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়া না। (দরকার হলে অবশ্যই যাবেন)
কিন্তু আমি যেই দিকটায় ফোকাস করতে চাচ্ছি তা হলঃ-
ক) অন্তত একটা ভাল কমিউনিটি মেইন্টেইন করবেন। হতে পারে ইউনিভার্সিটি ক্লাব, হতে পারে পাড়ার কোনো সঙ্ঘ, কিংবা অনলাইন/অফ্লাইনে কোনও দৌঁড়ের গ্রুপ কিংবা এমন যেকোনো কিছু। কিংবা যেকোনো সোশাল ওয়ার্কের কমিউনিটি ইত্যাদি।
এইসব কমিউনিটি মেইন্টেইন করলে মানুষ জীবন সম্পর্কে একটা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পায়। একটা পারপাজ থাকে। হতাশার সময় এই এক্টিভিটি গুলো খুব কাজে আসে।
খ) বন্ধু বান্ধবের সার্কেল মেইন্টেইন করবেন। বন্ধুরা সাপ এই কনসেপ্ট মাথায় রাখা ই যাবেনা। মনে রাখবেন, আপনার আশেপাশে যদি সব উল্টাপাল্টা ভুগিচুগি বন্ধু হয়, তাহলে আপনার মধ্যেই সমস্যা আছে।
তাই এই সমস্যা সমাধানে আগে নিজেকে বদলান। নিজে বন্ধুদের প্রতি আন্তরিক হয়ে যান। দেখবেন যারা আন্তরিক তারা আপনার জীবনে রয়ে যাবে, আর যারা স্বার্থপর তারা অটো আস্তে আস্তে আপনার জীবন থেকে সরে যাবে। এটা সায়েন্টিফিকালি প্রুভেন একটা সমাধান।
গ) মুসলিমরা ইসলামের বেসিক একটা প্রিন্সিপল তাকদির নিয়ে পড়াশুনা করবেন। তাকদিরে আমরা সবাই ই বলি যে আমরা বিশ্বাস করি কিন্তু আসলে করিনা। আসলে আমরা জানি তাকদিরে যা আছে তাই হবে। কিন্তু মানতে পারিনা। এটা নিয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করলে এবং উপলব্ধি করার চেষ্টা করলে মানসিক স্বাস্থ্য অনেক ভাল থাকবে।
আর, আল্লাহর প্রতি ভরসা এবং তাওয়াককুল বাড়ালেও মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
ঘ) এইটা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্লিজ, নিজের পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং আন্তরিক হোন। নিজের পরিবারের প্রতি বন্ধন দৃঢ় করুন। পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় থাকলে আর কোনো সমস্যাকেই সমস্যা বলে মনে হয়না।
জুনিয়র রা অনেককেই দেখি, বয়সের কারণে কিংবা অন্য বিভিন্ন কারণে পরিবারকে গুরুত্ব দেয়না। ঝামেলা বাঁধায়ে রাখে। ইগো বিসর্জন দিয়ে এই অংশটা আস্তে আস্তে মেরামত করে সুন্দর একটা পর্যায়ে নিয়ে গেলে জীবনের ৫০% এর ও বেশি সমস্যা নিমেষেই সমাধান হয়ে যাবে।
ঙ) একটা ভাল চাকরি খুঁজুন যেখানে বেতন যতই হোক, ওয়ার্ক এনভাইরনমেন্ট ভাল। যেখানে বস প্রতি কথায় কথায় দুর্ব্যবহার করেনা। একটা মানুষ তার দিনের একটা বড় অংশ নিজের কর্মস্থলের জন্য বরাদ্ধ রাখে। সুতরাং, সেখানে এনভাইরনমেন্ট টক্সিক হলে জীবনের অন্য ক্ষেত্রে যত শান্তি ই থাকুক, লাভ হবেনা।
ফুসফুসের যত্নঃ
------------
ঢাকা শহরে যারা থাকেন, I feel pity for you. Actually I feel pity for myself too।
কারণ, আমি দীর্ঘ ৮/৯ বছর টানা ঢাকায় ছিলাম। তখন বুঝতাম না কারণ সিস্টেমের ভিতরেই ছিলাম। এখন যখন কুড়িগ্রাম/চট্টগ্রাম থেকে অনেকদিন পর পর ঢাকায় যাই, আমার কিছুক্ষণের মধ্যেই দম বন্ধ হয়ে আসে। খুব ই হাঁসফাঁস লাগে।
এই বিষয়ে সহজ কোনো সমাধান নাই। তবুও যা করা যেতে পারেঃ
ক) বাইরে সব সময় ই মাস্ক পরে থাকবেন। চাইলে বাইরে থেকে ইম্পোর্ট করা দামী কিছু মাস্ক পরতে পারেন যেগুলো দূষিত বায়ু থেকে পার্টিকেলস আলাদা করে।
খ) তুলনামূলক কম দূষিত এবং গাছপালা ভরা এলাকায় থাকার চেষ্টা করবেন।
গ) বেশি বেশি গাছ লাগাবেন। প্লিজ। যতটুকু পারেন। শুধু গাছ লাগালেই হবেনা। পরিচর্যা করতে হবে মিনিমাম একটা সময় পর্যন্ত। পাশাপাশি, বাড়ির ছাদে, বারান্দায় গার্ডেনিং করবেন।
এই জিনিস না করলে বাকি দুইটা করেও আসলে কোনো লাভ নাই।
ঘুমঃ
----
বলা হয়, একটা মানুষের সারাটাদিন কেমন যায়, সেটা জানতে হলে তার ঘুমের দিকে তাকাও। একটা মানুষের জীবনটা কেমন যাচ্ছে সেটা দেখতে হলে তার ঘুমের দিকে তাকাও। (এটা আসলে কেউ বলেনাই, আমি নিজে থেকে বললাম। বাট এটা সত্যি কথা )
একটা মানুষের খুব ভাল সাউন্ড স্লিপ হচ্ছে, কিন্তু এদিকে তার জীবনে অনেক প্যারা, এবং সে এসব নিয়ে পেরেশানিতেও আছে, এই দুইটা জিনিস একসাথে হওয়া সম্ভব না।
ঘুম আসলে অনেক বড় একটা নিয়ামত। এই জিনিস যে হারায় সে বুঝে। নিজের জীবনকে লাইনে আনতে হলে ঘুমকে লাইনে আনতে হবে। প্রপার সাউন্ড স্লিপ এর ব্যবস্থা করতে হবে।
ঘুম ভাল করার কিছু উপায়ঃ
ক) অনেকেই স্লিপ সাইকেল ঠিক করতে পারেনা। ডাক্তারদের পরামর্শে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে চায়, কিন্তু ঘুম আসেনা। ঘুম আসেনা বলে মোবাইল টিপে। আবার মোবাইল টিপে বলে ঘুম আসেনা।
এটার একটা সহজ সমাধান আছে। যদি রাতে দেরী করে ঘুম আসে তাহলে যেকোনো একদিন সারারাত না ঘুমিয়ে, দিনেও না ঘুমিয়ে একেবারে পরের রাতে ঘুমানো। মানে একটা স্লিপ সাইকেল টোটালি মিস দেয়া যাতে পরের দিন রাতে মরার মতন ঘুম আসে।
এটা আসলেই কাজে দেয়। একদিন কষ্ট হয় but worth the try।
খ) ঘুমানোর আগে সবাইকে মাফ করে দেয়া। ( এইটা নিয়ে হাদিস আছে একটা। একজন সাহাবী এই কাজ করতেন। যদিও তিনি ঘুম ভাল হবার নিয়তে করতেন না। তবুও আপনি এই নিয়তে ট্রাই করতে পারেন। হাদিসটা কমেন্টে দ্রষ্টব্য। )
গ) সারাদিন প্রচুর পরিশ্রম করা। যাতে রাতে প্রচুর টায়ার্ড লাগে।
ঘ) স্লিপ সাইকেল ঠিক করার জন্য কিছু ঘুমের ওষুধ আছে যা খুব ই হালকা রিলাক্সেন্ট টাইপের। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেগুলো কয়েকদিন খাওয়া যেতে পারে।
ঙ) জার্নালিং করা। মানে নিজের থটস গুলোকে ডায়েরিতে লেখার অভ্যাস করা।
এর বাইরে ভাল ঘুম হবার অনেক পরামর্শই আপনি পাবেন। যেমন, ঘুমানোর কয়েক ঘণ্টা আগে থেকে ফোন না ধরা, ব্যায়াম না করা ইত্যাদি। কিন্তু আমি কনভেনশনের বাইরের গুলো বললাম।
পরিশেষে ভাল ঘুম হবার জন্য আরেকটা নিনজা টেকনিক আছে। সেটা হল, মানুষের হক নষ্ট করা ছেড়ে দেয়া। তাহলে শান্তির ঘুম হবে।
হক নষ্ট কিন্তু অনেক ভাবে সম্ভব।
আমি দুর্নীতি করলাম। তাহলে সেই দুর্নীতি না করলে যারা ঠিক সেবা পেতো, তাদের হক নষ্ট করলাম। আমি মিথ্যা কথা বললাম, তাহলে অন্য একজন মানুষের সত্য জানার হক থেকে তাঁকে বঞ্চিত করলাম। এভাবে অনেক ভাবেই হক নষ্ট হতে পারে।
শুধু টাকা মেরে দেয়া, অত্যাচার, যুলুম করা মানেই হক নষ্ট করা না। তাই, অন্যের হক নষ্ট করা ছেড়ে দিন। দিন শেষে রাতে শান্তির ঘুম আসবে ইন শা আল্লাহ।
আমার আসে। আলহামদুলিল্লাহ !
---------------------- o ----------------------
[ আমি এখানে যেই উপদেশ গুলো দিয়েছি এর একটাও অন্য যেকোনো একটা থেকে কম গুরুত্বপূর্ণ না। এই জিনিসগুলোর একটা অংশও যদি কোনো মানুষের ঠিক না থাকে, সে জীবনে বহুত বড় পেরেশানিতে থাকবে। প্যারায় থাকবে। তাই মেনে চলার অনুরোধ রইল খুব দেরী হয়ে যাবার আগেই।
আমি যদি কোনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাদ দিয়ে ফেলি, জানাবেন। আমি এড করে দিব ইন শা আল্লাহ। ]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Nilkhet Road
Dhaka
1000