Skills Vision BD

Skills Vision BD

Share

স্কিলস ভিশন বিডি তরুণদের জন্য তৈরি একটি স্কিল ডেভেলপমেন্টাল প্ল্যাটফর্ম।

29/05/2023

The Ten commandments of Career Satisfaction and Success

1. Honor your talents, interests, and values.
2. Choose a career that matters to you.
3. Build more competence everyday.
4. Learn from your mistakes.
5. Seek out mentors whom you respect and admire.
6. Be an individual performer and a team player
7. Strive for visibility.
8. Accept responsibility for you successes and failures.
9. Keep things in balance and perspective.
10. Cultivate a supportive network of people for the good times and the bad.

Arlene S. Hirsch


29/01/2023

“বিসিএস ভাইভার নতুন নিয়মসমূহ”

১. প্রার্থীকে হেয় বা খাটো করা হয় এমন প্রশ্ন করা যাবে না ।

২. ‘আপনি এটা জানেন না আর বিসিএস পরীক্ষা দিতে এসেছেন?' এ ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না ।

৩. প্রশ্নের উত্তর বলতে না পারার কারণে তিরস্কার করা যাবে না ।

৪. প্রার্থীকে 'তুমি' বলে সম্বোধন করা যাবে না । তাঁকে 'আপনি' করে বলতে হবে ।

৫. প্রার্থী কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তাঁর ধর্ম কী, কোন জেলায় তাঁর বাড়ি এমন প্রশ্ন করা যাবে না ।

৬. বোর্ডে প্রার্থীর রোল নম্বর ছাড়া আর কিছুই থাকবে না । যাতে তাঁর ব্যক্তিগত কোনো তথ্য কোনো পরীক্ষককে প্রভাবিত করতে না পারে ।
সংগৃহীত।।

Photos from Skills Vision BD's post 29/01/2023

We should follow these.


Skills Vision BD

27/01/2023

তুমি কি হইতে চাও, কি করতে চাও; সেটা তুমি জানো। ভালো করেই জানো। অর্থাৎ তুমি প্রোগ্রামার, বিসিএস ক্যাডার, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট, ইউটিউবার, নায়ক, গায়ক, ফুড ব্লগার, ইনফ্লুয়েন্সার, ডিজিটাল মার্কেটার, এন্টারপ্রেনার, ব্যাংকার, হায়ার স্টাডি, যেটাই হতে চাও না কেন। সেটা তুমি জানো। ভালো করেই জানো। অর্থাৎ তোমার চাওয়া পাওয়ার "WHAT" (কি চাও) সেটা তুমি জানো।

আবার তুমি যেটা চাও, সেটা এচিভ করার জন্য তোমার কী কী করতে হবে। কার কার কাছ থেকে হেল্প নিতে হবে। ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ দিলে যে টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে। কতটুকু সময় দিতে হবে। কি পরিমাণ কষ্ট করতে হবে। সেটাও তুমি জানো। ভালো করেই জানো। অর্থাৎ কিভাবে করতে হবে সেই HOW (কিভাবে করবে) সেটাও তুমি জানো।

এমনকি জিনিসটা যে তোমার নিজের জন্য দরকার। তোমার ফিউচারের জন্য ভালো। সেটাও তুমি বুঝো, মানো, ফিল করো।

তারপরেও কেন জানি কাজটা করো না।
কেন করো না?
[ আল্লাহ মালুম ]

তবে আমার কাছে মনে হয় কারণ তিনটা---
১. সবচেয়ে আদি ও অরিজিনাল কারণ হচ্ছে: মানুষ হিসেবে আমরা সবই পেতে চাই কিন্তু কষ্ট করতে চাই না।

২. দুই চারদিন কষ্ট করতে পারলেও। আমাদের বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে নিজে নিজে ধৈর্য্য ধরে লেগে থাকার মশলাটা নাই। ঠেলার মধ্যে না থাকলে আমরা ডিসিপ্লিনড থাকি না। রেগুলারিটি বা কন্সিস্টেন্সি মন থেকে আসে না। বরং কখন ছাড়মু, কখন ফাঁকিবাজি করমু, কখন নিত্য নতুন ছুতা খুঁজে বের করমু সেই চিন্তায় মন সারাক্ষন বাইকুম বাইকুম করতে থাকে।

৩. নিজের ফিউচারের জন্য সিরিয়াসলি কিছু করার নিড টা ইম্পরট্যান্ট কিন্তু আর্জেন্ট না।
আর্জেন্সি নাই দেখে, আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখলেও তেমন একটা ক্ষতি হচ্ছে না। তেমন কোন প্রেসার আসতেছে না। আজকেই করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা আসতেছে না।



এইটার পার্মানেন্ট কোন চিকিৎসা আমার জানা নাই। তবে শর্টটার্ম কিছু ফন্দি আছে। সেটা হচ্ছে নিজেকে বোকা বানিয়ে নিজের সাথে চালাকি করে কাজটা আদায় করে নেয়ার ফন্দি। সেটা কেউ করতে পারলে কিছুটা কাজ হতে পারে।

১. ফার্স্ট চিকিৎসা হচ্ছে: আম্মুর শলার ঝাড়ু :D

২. সেকেন্ড চিকিৎসা হচ্ছে নিজেকে সিরিয়াসলি জিজ্ঞেস করা। আমি আসলেই একটা কিছু করতে চাই কিনা। এইটা করার জন্য আমার ভিতরে যে রিজন আছে সেটা শক্ত কিনা। এইটা ছাড়া আমার জীবন চলবে না। এমন সিচুয়েশন কিনা। অর্থাৎ নিজের ভিতরে WHY খুঁজে বের করতে হবে।

৩. আর থার্ড চিকিৎসা হচ্ছে: আজকের দিনে একটা ঠেকা খুঁজে বের করা। একদম আনএভোয়েডবল ঠেকা। যে এই কাজটা না করলে আজকের দিনের খাওয়া, ঘুমানো, কিংবা মোবাইল ইউজ করা, কিংবা ইন্টারনেট একসেস করা বা তাকে নক দেয়া যাবে না। তাহলে সেই ঠেকা স্ট্রংভাবে মেইনটেইন করতে পারলে। আজকে ছোট একটা স্টেপ নিয়ে হালকা একটু এগুতে পারবে। এইভাবে নিজেকে ঠেক দিতে থাকলে। কিছুদিন পর হয়তো বেশ খানিকটা এগিয়ে যেতে পারবে।

নোট: উপরের লেখাটা Simon Sinek এর Start With Why বই অবলম্বনে লেখা।
- (ঝংকর মাহবুব)

09/01/2023

# **How to create a good CV?**
> **Ans by ChatGPT**

A good CV should include the following:
📌 Contact Information: Your name, address, phone number, and email address should be prominently displayed at the top of the page.
📌 Objective: A brief statement outlining your career goals and the specific degree program you are interested in.
📌 Education: List your educational background, including the name of your degree, the name of the institution you attended, and the dates of attendance.
📌 Work Experience: If you have relevant work experience, list it here, including the name of the company or organization, your job title, and the dates of employment.
📌 Skills: List any skills or competencies that are relevant to the degree program or job you are seeking.
📌 Research Experience: If you have conducted research as part of your academic or professional work, list the details here, including the title of the research project, your role, and any relevant publications or presentations.
📌 Honors and Awards: List any honors or awards you have received, including the name of the award, the organization that granted it, and the date it was awarded.
📌 Professional Memberships: If you are a member of any professional organizations, list them here.
📌 References: It is generally a good idea to include at least three references on your CV. These should be individuals who can speak to your skills, abilities, and character.

➡️ Remember to keep your CV concise and focused, and avoid including irrelevant information. Also, be sure to proofread your CV carefully to ensure that it is error-free.


21/12/2022

পড়াশোনাকে সর্বোচ্চ কর্মদক্ষতার মাধ্যমে আয়ত্ত করার উপায়-

১. একাধারে ২০-২৫ মিনিট এর বেশি না পড়া। ২০ -২৫ মিনিট পড়ার পর ২-৫ মিনিট হাটাহাটি করা বা একটু ব্রেক নিয়ে আবার পড়তে বসা

২. পড়াশোনা শুরু করার আগে একটু হাটাহাটি করা।

৩. পড়ার আগে সবসময় পুরনো পড়া একটু রিভিশন দেয়া।

৪. রাতে ঘুমানোর আগে সারাদিনে যা পড়া হয়েছে সেগুলো একবার সামারাইজ করে পড়া।। এতে শর্ট টার্ম মেমোরি থেকে পড়া লং টার্ম মেমোরিতে জমা হয়।

৫. আমাদের মস্তিষ্কের ৭৮% পানি দিয়ে গঠিত তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা। মধু খেলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায় তাই চেষ্টা করা উচিত মধু নিয়মিত খাওয়ার।

৬. একই সাবজেক্ট দিনে বেশি সময় না পড়া ভিন্ন ভিন্ন সাবজেক্ট পড়া।

৭. নিয়মিত ৬ - ৯ ঘন্টা ঘুমানো।

৮. সম্ভব হলে পড়ার জায়গা প্রায় প্রায় পরিবর্তন করা।

৯. যা আছে যতটুকু আছে ততটুকু নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা।

১০. সবসময় এই চিন্তা মাথায় রাখা যে আমি অমুক কাজটা পারবো, কাজটা আমার দ্বারা সম্ভব। তাহলে সেই কাজ সাধন করার পসিবিলিটি বৃদ্ধি পায়।



05/09/2022

♦বই, সাহিত্য, উপন্যাস কিছুই পড়ার মানসিকতা আগের মতো নেই। বই পড়ার উপকারিতা-সহ রুচি ফেরানোর উপায় কী?

হঠাৎ করেই বই পড়তে ইচ্ছে করছে না?
নিজের প্রিয় বন্ধু বই দেখলেই অনীহা কাজ করছে?
তাহলে আজকের লেখা টা আপনার জন্যই।বইপড়ুয়াদের মাঝে মাঝে বই পড়ায় অনীহা বা অরুচি দেখা দেয়।রিডার্স ব্লক বলা হয় একে।

রিডার্স ব্লক থেকে মুক্তি এবং বই পড়ায় রুচি ফেরানোর উপায়:
অবসর সময়ে আপনি কী করেন, সেটা একটু খেয়াল করুন। হয়ত গান শোনেন, নয়তো টিভি/মুভি দেখেন, কিংবা ফেসবুকে সময় কাটান। এগুলো থেকে প্রতিদিন কিছু সময় নিয়ে; হোক তা ৫ মিনিট অথবা দশ মিনিটের জন্য পছন্দনীয় কোনো একটি বই ধরেন। বইটি হতে পারে গল্প/কবিতা অথবা উপন্যাস ইত্যাদি।

৫/১০ মিনিটের জন্য উক্ত বইটি পড়ুন। অবশ্য পড়তে ভাল না লাগলে অন্য কোনো ধরণের বই পড়ার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন উপন্যাস ভাল না লাগলে কবিতা কিংবা ছোট গল্প পড়ুন। নয়তো আত্মউন্নয়নমূলক বই পড়ুন।

আসলে আপনার কী পড়তে ভাল লাগে, সেটা আপনাকেই খুঁজে নিতে হবে। কেননা সবার পছন্দ তো আর এক না! যে বই ভাল লাগে সেই বইয়ের পেছনে প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিন অন্তত ৫/১০ পৃষ্ঠা পড়ুন। দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়ার পরিমাণটা একটু বৃদ্ধি করুন। প্রতিদিন ১৫ পৃষ্ঠা করে পড়ুন। তৃতীয় সপ্তাহে আরো সময় বৃদ্ধি করুন। তবে জোর করে কিছু পড়তে যাবেন না। আবারো বলছি জোর করে কিছু পড়তে যাবেন না। কৌতূহল নিয়ে বই হাতে নিন। ভাববেন, আচ্ছা দেখি তো! ওই বইটাতে কি বলা হয়েছে- ভেবে বইটা হাতে নিন। তারপর পড়ুন। যে বইটা পড়ছেন, হঠাৎ করে ভাল না লাগলে নতুন ধরণের বই খুঁজুন। একসময় পছন্দের সাথে রুচির সাথে মিলে গেলে প্রতিদিন সময় বের করে পড়তে থাকুন। ভাল লেগে গেলে একসময় পড়ার অভ্যাস আপনিতেই চলে আসবে❤️
এবার তবে বই বন্ধুর সাথে আড্ডা হোক💝

লেখা- সাজিয়া জাহান সিনহা



10/08/2022

Let's wish a very happy birthday to founder of Skills Vision BD, Md Mostakim Rahman.

He is a marvelous as a person. His inspirational words and deeds both are enough to handle an organisation smoothly. He knows how to lead a team properly and his hard work has always been paid off greatly.

A well-skilled, disciplined person like you is an asset to Skills Vision BD. Your dedication and the way you always wholeheartedly perform your duties towards our platform with absolute perfection is an inspiration to the rest of us. We feel proud to work under your shrewd leadership. .

In this special day, Skills Vision BD wishes you a very happy birthday & prays for your success in the coming days. May you celebrate your day in a joyful environment. Enjoy your day.
Happy birthday, once again!

07/08/2022

"মানসিক শক্তি বাড়িয়ে তুলবে যে ১০টি অভ্যাস"

১. লক্ষ্য থাকবে অটুট!

ধরে নাও, তুমি কোথাও ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাক পেলে। অনেকেই আছে চাকরি খুঁজছে, সে কারণে অনেক কোম্পানীতেই সিভি জমা দিয়েছে। কিন্তু প্রত্যেকটা ইন্টারভিউয়ের জন্য আলাদা প্রিপারেশন নেওয়া, যে কোম্পানীতে ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছো তার ব্যাপারে আগে থেকে খোঁজ নেওয়া, এবং যে কোন সিচুয়েশনকে হ্যান্ডেল করে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার চেষ্টাই তোমাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে।

যে কোন কাজ করা বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই তা সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করাটা খুবই ভাল অভ্যাস। শুরুটা হতে পারে এভাবে……

কেন আমি এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি,

এর থেকে ভালো কী হতে পারতো,

সফলতার প্রোবাবিলিটি কেমন,

ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ ও তা ডিল করার উপায় কী,

কাজটির ভবিষ্যত ফলাফল কেমন হবে

এভাবেই চিন্তার সূচনা হতে পারে। আস্তে আস্তে তুমি যতো বেশি চিন্তার গভীরে যাবে, মানসিক শক্তিও বেড়ে যাবে।
সেই সাথে মনে রাখবে, বেশিরভাগ মানুষই কাজ শুরু করতে পারে কিন্তু সবাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে না। জীবনের এই অসমাপ্ত কাজগুলো সব সময়েই তোমাকে মানসিকভাবে পিছিয়ে দিবে।

প্রত্যেকবার নতুন কিছু করার সময় আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগবে। কোন কাজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা, পুরনো ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়। কিন্তু লক্ষ্যে স্থির না থাকতে পারার অভিজ্ঞতা তোমাকে বারবারই পীড়া দিবে, মনকে বলবে ‘আমি তো কোন কাজই শেষ করতে পারি না’।

তাই মানসিক শক্তি বাড়াতে হলে অবশ্যই লক্ষ্য অটুট থাকতে হবে। সেটা চাকরির ইন্টারভিউ হোক, ভার্সিটির অ্যাডমিশন টেস্ট, স্বাস্থ্যকর জীবনের প্ল্যান বা রাতে ঠিক সময়ে ঘুমাতে যাওয়া- যাই হোক না কেন!

২. সাফল্যের জন্য নিজেকে তৈরি করা

আমরা সবাই জীবনে সফল হতে চাই, কিন্তু আদতে সফলতার জন্য নিজেকে তৈরি করি না। সফলতা বলতে কিন্তু অনেক বড় কিছু করা, তা নয়। মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য জীবনে ছোট ছোট ক্ষেত্রেও সফলতার প্রয়োজন আছে।

ধরো, তুমি প্রতিদিনই ভাবো যে নিয়মিত গাছে পানি দিবে। কিন্তু কোনভাবেই তা হয়ে ওঠে না। মাঝে মাঝেই ভাবো, ক্যামেরায় ধুলো জমছে, কালকে থেকেই প্র্যাকটিস শুরু করবো। কিন্তু করবো করবো করে আর করা হয় না।

এই যে করতে চেয়েও করতে না পারা কাজগুলো, এইগুলো তোমার জীবনে সবক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। তুমি যখন ভার্সিটিতে পড়তে যাবে, ভালো রেজাল্ট করতে চাইলে নিয়মিত লেখাপড়া করতে হবে। তুমি ভালো রেজাল্ট করতে চাও ঠিকই, কিন্তু নিয়মিত পড়াশোনা করা হয়ে ওঠে না। প্রত্যেকবারই মনে হয় পরের সেমিস্টার থেকে ঠিকমতো পড়াশোনা করব।

এরপর লেখাপড়া শেষে চাকরী ক্ষেত্রেও এক অবস্থা। তুমি সরকারি চাকরি বা ব্যাঙ্কে কাজ করতে চাও, কিন্তু সেটার জন্য প্রিপারেশন নেয়া হয়ে ওঠে না। এভাবেই জীবনের সময় গড়িয়ে যায় কিন্তু কোন কাজেই ভালোভাবে করা হয়ে ওঠে না।

এই বৈশিষ্ট্যগুলো যদি থাকে তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছো তুমি সফল হতে চাও কিন্তু সফলতার জন্য নিজেকে তৈরি করতে পারো না। যে অভ্যাস ছোটবেলা থেকে শুরু হয়েছিল, তা জীবনের সব ক্ষেত্রেই বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। যে কোন কাজ করতে গেলে তোমার বারবার মনে হবে, নাহ আমার দ্বারা আসলে হবে না।

মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য নিজেকে সফলতার জন্য গড়ে তোলাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য ছোট ছোট কাজগুলোকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

তুমি প্র্যাকটিস করলে ভালো ডিবেটার হতে পারো, ভালো ক্রিকেটার হতে পারো- যেকোনো ইন্ডিভিজুয়াল স্কিল বাড়াতে পারো। কিন্তু ভুল অভ্যাসগুলো তোমার জীবনের যে কোন ইচ্ছা-উদ্যোগকে টেনে ধরে পিছিয়ে দেবে। তুমি দিন দিন কেবল মানসিকভাবে দুর্বলই হতে থাকবে।

তাই যদি হতে চাও মেন্টালি স্ট্রং, সফলতার জন্য নিজেকে করো প্রস্তুত।

৩. বড় কিছু করার জন্য ছোট ছোট অসুবিধেগুলো টলারেট করতে শেখা

কনিকার আজকে প্রেজেন্টেশন সাবমিট করতে হবে। প্রতিদিনই ক্লাসে যাওয়ার আগে তার ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে যায়। আজকেও তাই হলো। দেরিতে পৌঁছানোর কারণে সবার শেষে জমা দেওয়া, টিচারদের তিরষ্কার- সব মিলিয়ে তার কোয়ালিটির তুলনায় সে খুবই খারাপ নাম্বার পেল। অথচ কাজটাতে সে বেশ এফোর্ট দিয়েছিল। অন্যদের তুলনায় কন্সেপ্টও ভালো ছিলো।

এ ধরনের ঘটনা আমাদের জীবনেও নিত্যদিন ঘটতেই থাকে। তোমার কাজের কোয়ালিটি যে খারাপ অথবা তুমি যে পরিশ্রম করো না তা কিন্তু নয়। কিন্তু তবুও তোমার ওভারঅল পারফরমেন্স ভালো না। এমনটা কেন হয়?

এইটাই আসল কথা! জীবনে যা-ই করতে চাও না কেন ওভারঅল পারফরমেন্সটাই আসল কথা। ক্লাসে সময়মত যেতে চাইলে সকালের ঘুম বাদ দিতে হতে পারে, ইন্টারভিউয়ে ভালো করতে হলে বন্ধুদের আড্ডা মিস করতে হতে পারে। অর্থাৎ বড় কিছু পাওয়ার জন্য ছোট ছোট অনেক কিছু টলারেট করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

৪. অস্বাস্থ্যকর চিন্তাগুলো মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলা

আমরা অনেকেই নেগেটিভ চিন্তাকে অস্বাস্থ্যকর বলে মনে করি।কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে নেগেটিভ চিন্তাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কোনটা করা উচিত, কোনটা করা উচিত নয়।

কিন্তু কিছু মানুষ আছে, যারা সবকিছুতেই নেতিবাচক কিছু না কিছু খুঁজে পায়। কোন কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারে না। যেহেতু তারা কোথাওই ভালো কিছু খুঁজে পায় না, তাই যে কোন কিছুতেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।

নিজের মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য অস্বাস্থ্যকর চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে। সেই সাথে এই ধরণের মানুষকে ডিল করাও শিখতে হবে।খেয়াল করবে, এই ধরণের মানুষের সাথে থাকতে গিয়ে তুমিও যদি ফ্রাস্টেটেড হয়ে যাও, তাহলে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে। এই সময়ে অপরপক্ষের পয়েন্ট অব ভিউ বোঝার চেষ্টা করলে সমাধান করাটা সহজ হয়।

মানসিক শক্তি বাড়ানোর জন্য পজিটিভ ও নেগেটিভ চিন্তাকে ব্যালেন্স করতে শিখতে হবে। থট প্যাটার্ন বা চিন্তার কাঠামোকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, নেগেটিভ নয়, টক্সিক বা বিষাক্ত চিন্তাগুলোকে মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হবে।


৫. আবেগ ও যুক্তির সমন্বয় করতে শেখা

অনেক মানুষ আছেন যারা আবেগকে বেশি প্রশ্রয় দেন। আবার অনেকে আছেন যারা যুক্তিকেই সবকিছুর উর্ধ্বে বলে মনে করেন। দিন শেষে দুইজনের যে কেউই সফল হতে পারেন, আবার ব্যর্থও হতে পারেন।

আসল ব্যাপারটা হচ্ছে, আমরা আবেগ নির্ভর সিদ্ধান্ত নিবো, না কি যুক্তিকেই প্রাধান্য দিবো – তা পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, তার ভবিষ্যত ফলাফলও মাথায় রাখতে হবে। যে পরিণতি ভালো কিছুই বয়ে আনবে না, তাকে কন্ট্রোল করার জন্য ’বর্তমান সময়’ তোমার হাতে আছে।

অনিয়ন্ত্রিত আবেগ বা কঠোর যুক্তিনির্ভরতা- দুটোই মানুষকে মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। পরিস্থিতি অনুযায়ী মাথা খাটিয়ে কাজ করার অভ্যাসই মেন্টালি স্ট্রং করে তুলতে পারে।

৬. ব্যাখ্যাই শ্রেয়, অজুহাত নয়

অনেকে যে কোন কিছুতেই অজুহাত দাঁড় করিয়ে ফেলে। এমনকি নিজের কোন আচরণগত বা অন্যান্য সমস্যাকেও অজুহাত দিয়েই সমাধান করে ফেলবে ভাবে। আদতে কি তা হয়!

অজুহাত দেওয়ার একটা প্রধান সমস্যা হলো এটা এক সময় অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়। বারবার সব কিছুতে অজুহাত দিতে দিতে এক সময় অবচেতন মনও তা বিশ্বাস করা শুরু করে। ফলে সমস্যার গোড়াটা আসলে কোথায়, কী করলে সত্যিই সমাধান হবে- অজুহাত দেওয়া মানুষেরা এই বাস্তবতাগুলো কখনোই দেখতে পায় না।

মানসিক শক্তি বাড়াতে চাইলে অজুহাত দেওয়ার প্রবণতা বাদ দিতে হবে। যা ঘটেছে, তার সত্য ব্যাখ্যা দেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। দুর্বল ব্যক্তিরা বাস্তবতাকে এড়িয়ে গিয়ে নিজের কল্পনার জগতে বাস করে। এরপরে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে বারবার ভেঙে পড়ে, কিন্তু কোনভাবেই সমস্যার সমাধান করতে পারে না।

৭. ভুল বা ব্যর্থতাকে পরবর্তী সাফল্যের সুযোগ হিসেবে দেখা

আমরা অনেকেই নিজেদের ব্যর্থতাকে মেনে নিতে চাই না। কিন্তু মানসিকভাবে সবল লোকেরা ভুল করাকে, ব্যর্থ হওয়াকে স্রেফ একটা ডাটা হিসেবেই দেখে। তারা মনে করে, ও! এই কাজটা এভাবে হলো না, ঠিক আছে তাহলে এই ভুলগুলো পরের বার করা যাবে না।

ব্যর্থতাকে পরবর্তী সাফল্যের সুযোগ হিসেবে দেখতে হবে

প্রতিটি ব্যর্থতাই পরবর্তী সাফল্যের উৎস।ভুল থেকে পাওয়া শিক্ষাকে যদি কাজে লাগানো যায়, তাহলে আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায়।

৮. নিজেই নিজের সাফল্য ও আনন্দের সংজ্ঞা তৈরি করা

ধরো, তুমি বন্ধুর জন্মদিনে নিজে হাতে কার্ড বানিয়ে উপহার দিতে পছন্দ করো।কম দামী গিফট বলে অনেকেই হাসাহাসি করলো।এরপরের বার তুমি বেশ দামী উপহারই কিনলে।কিন্তু নিজের হাতে বানানো কার্ড দিতে না পারা, আবার যা কিনেছো তাতেও স্যাটিসফাইড হতে না পারা- এ দুয়ে মিলে মনটাই ভেঙে গেলো।

ক্যারিয়ার গড়ায়, বিভিন্ন সাফল্য-ব্যর্থতা, আনন্দ-বেদনায় কোনটাতে কিভাবে রিঅ্যাক্ট করা উচিত, তার সংজ্ঞাটা একেবারেই ব্যক্তিগত। অন্যের তৈরি করা সংজ্ঞায় নিজেকে ফিট করতে চাইলে কেবল দৌড়তেই হবে, কোন কিছুই উপভোগ করা যাবে না।

হতেই পারে, তুমি ক্রিকেটার হতে চেয়েছো, অ্যাকাডেমিক লেখাপড়ায় গুরুত্ব দেওনি তেমন। কিন্তু নানান জনের কথায় সারাক্ষণই হীনমন্যতা বোধ করো। নিজের ক্রিকেটার সত্তার সাফল্যগুলোকেও ছোট বলে মনে হয়। এখানে, লেখাপড়ায় ভালো না করাটা নয়, বরং নিজের সাফল্যের সংজ্ঞা নিজেই তৈরি করতে না পারাটাই তোমার আসল ব্যর্থতা।

৯. ‘না’ বলতে শেখা

অনেকেই প্রয়োজনীয় সময়েও ‘না’ বলতে পারে না। অনেকে আবার আমতা আমতা করে বলার চেষ্টা করে। মানসিক শক্তি বাড়াতে চাইলে নিজের উপর বিশ্বাস তৈরি করতে হবে। প্রয়োজনের সময় কোন ব্যাখ্যা ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখতে হবে। নিজের সীমাবদ্ধতাকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মেনে নিতে হবে।

১০. প্রতিটি দিনের ছোট-বড় আনন্দের ঘটনা লিখে রাখা

ডায়রি লেখা খুবই স্বাস্থ্যকর একটি অভ্যাস। মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে প্রতিদিন কিছু না কিছু ছোট বড় ঘটনা লিখে রাখতে পারো। দেখবে, মোটিভেশন খোঁজার জন্য অন্যের জীবনের চেয়েও নিজেরই বিভিন্ন সময়ের ঘটনা পড়ে আশ্চর্য হবে।

ডায়রি লেখার মাধ্যমে নিজের ছোট ছোট সাফল্যগুলো সেলিব্রেট করতে পারবে। যেহেতু প্রতি দিনের ঘটনা তুমি নিজেই লিখে রাখছো, দেখবে অনেক কাজে অবচেতনভাবেই রেসপন্সিবল আচরণ করতে শুরু করবে। যা তোমার মানসিক শক্তি বাড়িয়ে তুলবে আগের থেকে অনেক বেশি।



15/07/2022

World Youth Skills Day-2022
15 July, Friday
Theme of the day for this year is
"Transforming youth skills for the future"




09/07/2022

On the joyful day of Eid-ul-Adha, may Allah fill your life with happiness, peace and prosperity. May Allah fill your heart with love, your soul with spiritual, your mind with wisdom.
Eid Mubarak 2022.



Mobile Graphic Designing Training Program 09/07/2022

অনেকেই ভাবেন ইশ, বন্ধুর জন্মদিনে তাকে নিয়ে ডিজাইন করা একটা পোস্টার/কার্ড দিয়ে যদি উইশ করতে পারতাম!!

ফ্রি তে নিজের মনের মতো করে নিজের জন্য একটা সিভি ডিজাইন করতে পারতাম!!

নিজের জন্য একটা আইডি কার্ড বানাতে পারলে কি ভালোই না হতো!!

কিন্তু গ্রাফিক ডিজাইন না জানা এবং পিসি না থাকায় নিজের ইচ্ছেগুলো পূরণ হচ্ছে না। ৩ মাস ব্যাপী গ্রাফিক ডিজাইন কোর্স করার সময় ও নেই আপনার কাছে?
তাহলে বন্ধু আজকের লেখাটা আপনার জন্যই। আপনার হাতের স্মার্টফোন দিয়েই ঝটপট দারুণ সব গ্রাফিক ডিজাইন করে ফেলা সম্ভব। জ্বি একদম পোস্টার, ব্যানার, ফ্লায়ার, বিজনেস কার্ড, বার্থডে কার্ড, মেন্যু কার্ড থেকে শুরু করে নিজের রিজিউমি/ সিভি পর্যন্ত নিজে নিজেই পিসি ছাড়াই ডিজাইন করা সম্ভব।

আমি আপনাকে মাত্র ৫ টা ক্লাসের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইনের বিভিন্ন রকমের বিষয় গুলো সামনে নিয়ে আসবো। একদম জিরো থেকে এডভান্স ডিজাইন গুলো তৈরি করা শেখাবো। সেই সাথে কালার, ডিজাইন প্রিন্সপাল, সাইজ, টেম্পলেট সহ যাবতীয় গ্রাফিক ডিজাইন বিষয়ের একটা পিডিএফ ও দিয়ে দিবো।

কি, এবার আমার সাথে মজার গ্রাফিক ডিজাইন ক্লাস গুলো করার জন্য তৈরি তো??

ক্লাস গুলো হবে একদম কুরবানী ঈদের পর। অর্থাৎ ১৪-১৭ জুলাইয়ের মধ্যে রাতে।

মোবাইল গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে আগ্রহী হলে আজই রেজিষ্ট্রেশন করুন,

✴️রেজিষ্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/foNCfbvzgg9dSLB76

ইভেন্ট ডিটেইলসঃ https://fb.me/e/2yHDgnf6M





Mobile Graphic Designing Training Program বর্তমান সময়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্কিল গ্রাফিক ডিজাইনিং। গ্রাফিক ডিজাইনিং এর গুরুত্ব কতটা আমাদের সবার জানা। এই .....

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Dhaka