15/05/2026
সমঝোতা হয়নি—ঘটনার প্রকৃত সত্য ভিন্ন।
সোহেল খানকে শুধুমাত্র তার গালি দেওয়ার কারণে আলাদাভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে। কারণ, তিনি প্রতিমন্ত্রীকে গালি দিয়েছিলেন। অথচ আগে বলা হয়েছিল, সবার জন্য সমাধান দেওয়া হবে।
মূল শর্ত ছিল: গালি দেওয়া এবং ভুয়া স্লোগানের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে।
ঘটনাক্রমে যা ঘটে:
সোহেল ভাইয়ের গালিকেই মূল ইস্যু বানানো হয়
তার কারণে পুরো সমাধান প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া হয়
অন্য কাউকে ঠিকমতো কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি
শেষ বৈঠকে সেখানে প্রায় ৪০ জন উপস্থিত ছিল
আলোচনার সময় একজন ছবি তুললে এনএসআই সদস্য তার ফোন নিয়ে ছবি ডিলিট করে দেয়
পরে প্রতিমন্ত্রী হঠাৎ বাইরে যান
ফিরে এসে গালির ভিডিও দেখিয়ে সোহেল ভাইকে হুমকি দেন
বলেন: “তোদের সাহস কীভাবে হয় আমাকে গালি দেওয়ার? সবার নামে মামলা করবো।”
এরপর সবাইকে বৈঠক থেকে বের করে দেওয়া হয়
আর কোনো আলোচনা বা দাবি উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হয়নি
নিচে এসে সোহেল ভাই জানান:
“আমার গালি দেওয়ার কারণেই সমাধান আটকে গেছে। আগে মাফ চাইতে হবে।”
এরপর মিডিয়া সরে গেলে লাঠিচার্জ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়।
এটাই প্রকৃত ঘটনা।
অতএব, সত্য না জেনে মনগড়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন।
অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে যাতে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হয়।
বিশেষ করে একটি সিন্ডিকেট গালির ভিডিও প্রতিমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে।