01/09/2024
নতুন শিক্ষাক্রম।
Our school is the best school in Borhanuddin Upazila.
01/09/2024
নতুন শিক্ষাক্রম।
২৬/০৬/২০২৪ ইং থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেনি কার্যক্রম সহ সকল কাজ চলবে।সুতরাং সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীবৃন্দকে স্কুলে আসার নির্দেশ প্রদান করা হলো।
প্রবল চন্দ্র দে, প্রধান শিক্ষক
দক্ষিণ টবগী মাশরেকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়
কুন্জের হাট,বোরহানউদ্দিন,ভোলা।
04/06/2024
12/05/2024
ডিটিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৫টা A+ সহ ৫০টি A গ্রেড নিয়ে ঐতিহাসিক ফলাফলের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
যেখানে সারা দেশের পাসের হার প্রায় ৮০% কাছে, সেখানে আমাদের বিদ্যালয়ের পাসের হার প্রায় ৯০%।
যারা পাস করেছো তাদের জন্য শুভকামনা থাকলো,
আর যারা পাস করতে পারো নাই,ভেঙে পরো না,ধর্য্য ধারণ করে আবার চেষ্টা করো ইনশাআল্লাহ ভালো কিছু হবে।
30/04/2024
অভিনন্দন.. অভিনন্দন...অভিনন্দন...
মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০২৪ এ উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে #দক্ষিন_টবগী_মাশরেকী_মাধ্যমিক_বিদ্যালয়ের
সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র ঋক দে এবং উপজেলায় মাধ্যমিক পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গার্লস গাইড শিক্ষিকা সুবর্ণা রানী সমাদ্দার (সিনিয়র শিক্ষিকা)
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ডি.টি.এম স্কুলের স্কাউট দল।
26/03/2024
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে উপজেলায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে ডি.টি.এম স্কুলের স্কাউট দল।
07/10/2023
বার্ষিক সামষ্টিক মূল্যায়ন রুটিন-২০২৩
07/10/2023
ডিসেম্বরে প্রশিক্ষন পাবে ৪ লাখ শিক্ষক।
অধ্যাপক মশিউজ্জামান বলেন, নতুন শিক্ষাক্রমের সঠিক সুফল পেতে এবং এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সকল শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। একটা অভিন্ন শিক্ষাক্রম রূপরেখার আওতায় এবারই প্রথম শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করা হচ্ছে প্রাক-প্রাথমিক থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত।
২০২২ খ্রিষ্টাব্দে একসাথে প্রথম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেকটা শ্রেণির শিক্ষাক্রম পরিবর্তন হয়েছে এক দিনে। ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রথমে আমরা পাইলটিং করেছি, তারপর চলতি বছরের ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম,দ্বিতীয়,ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি; ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে তৃতীয়,চতুর্থ,অষ্টম ও নবম শ্রেণি; ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে চালু হবে নতুন শিক্ষাক্রম। পরে একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে এবং দ্বাদশ শ্রেণিতে ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে নতুন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) এই কর্মকর্তা জানান, দেশের সব স্তরের শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা অনলাইনের মাধ্যমে শুরু হয়েছে। বছরের শুরুতেই সারাদেশের সকল শিক্ষকেদের ফেস টু ফেস প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিছু প্রমোশনাল ভিডিও তৈরি করা হয়েছে। শিক্ষক বাতায়ন ও অন্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সেগুলো শিক্ষকদের কাছে পৌছেছে। শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনতে শিক্ষাক্রম ও অন্যান্য বিষয়ে সহায়তা দিচ্ছে এনসিটিবি। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে শিক্ষা কার্যক্রমের নতুন শিখন সম্পর্কে দক্ষতা অর্জনের জন্য মাধ্যমিক স্তরভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিক্ষক প্রশিক্ষণ গ্রহণ থেকে বাদ পড়েছিলেন । তারা প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। নতুন শিক্ষাক্রমের আওতায় দ্বিতীয়,অষ্টম এবং নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পাঠগহণ করবে বিধায় শিক্ষকদের পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণ দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনিমার্ণে একটি দক্ষ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে থাকে শিক্ষকরা। তারা যথাযথ প্রশিক্ষিত হলে তার সুফল পাবে শিক্ষার্থীরা। এই লক্ষ্যে দেশের এমপিও.ননএমপিও ও ইআইআই নম্বর ধারী সেসব প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট সংখ্যক শিক্ষককে শুধু প্রশিক্ষণ দেয়া হতো প্রজেক্টের আওতায়। এবার বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,কিন্ডারগার্টেনসহ যে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যদি এমপিও বা ইএমআই না থাকে বা যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র শিক্ষার্থী রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। আমরা এসব শিক্ষকদের তালিকাভূক্ত করে প্রশিক্ষণের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। এছাড়া যারা পার্ট টাইম শিক্ষকতা করেন তাদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার চেষ্টা করছি। আমরা চাই শিক্ষকদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ তাই প্রশিক্ষণবিহীন কোন শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে পাঠাতে চাইছি না। সেজন্য আমরা শিক্ষাসংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোর সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরর,মাদরাসা অধিদপ্তর ও কারিগরী অধিদপ্তরগুলোর সঙ্গে বারবার মিটিং করেছি, তাদেরকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের ৬৪ জেলাকে ৩৬ টি ক্লাষ্টারে ভাগ করা হয়েছে। প্রতি ক্লাস্টারের ১১ টি সাবজেক্টের জন্য (সবার জন্য ১০ টা সাবজেক্ট ও হিন্দু ধর্ম ও ইসলাম ধর্ম মিলিয়ে ১১ টা সাবজেক্ট) ,বাংলা, ইংরেজী,গণিত,বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান,জীবন ও জীবিকা,স্বাস্থ্য সুরক্ষা,ডিজিটাল ও প্রযুক্তি, শিল্প ও সংস্কৃতি এই নয়টা সাবজেক্ট সবার জন্য কমন এবং ইসলাম,হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রীস্টান ধর্ম সহ মোট দশটি শিক্ষার্থীদের আর শিক্ষকদের ক্ষেত্রে চার ধর্ম সহ মোট তেরটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ হবে।
উল্লেখ্য, দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠদান করা হয়েছিল বছরের প্রথম দিন। ষষ্ঠ ও সপ্তম এবং অন্যান্য শ্রেণির জন্য ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে পর্যায়ক্রমে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করছে। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটিয়ে পঠন ও পাঠন যেন দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী গ্রহণ করেন সেজন্য প্রথমেই শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে।
জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতা ২০২২-২৩ ডি.টি.এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় উপজেলা পর্যায়ে ১২ টি প্রথম পুরস্কার
| Monday | 09:00 - 16:00 |
| Tuesday | 09:00 - 16:00 |
| Wednesday | 09:00 - 16:00 |
| Thursday | 09:00 - 16:00 |
| Saturday | 09:00 - 16:00 |
| Sunday | 09:00 - 16:00 |