01/08/2023
গোধুলী লগনে প্রানের প্রতিষ্ঠান!!!
Is one of the oldest school situated south side of Feni Sadar in Feni District, Bangladesh. Enter to Learn, Go Forth to Serve
01/08/2023
গোধুলী লগনে প্রানের প্রতিষ্ঠান!!!
এসএসসি’তে রসায়ন জয় করতে যা প্রয়োজন
জে.এস.সি. পরীক্ষার পর নবম শ্রেণিতে উঠে প্রথম পরিচয় হয় ‘রসায়ন’ বইটির সাথে। ব্যাপক উত্তেজনা নিয়ে পড়ালেখা শুরু করি অনেকেই। বছর শেষে হয়তো বইটির এক-তৃতীয়াংশ আত্মস্থ করতে সক্ষম হই। দেখতে দেখতে চলে আসে দশম শ্রেণির শেষ সময়। প্রিটেস্ট-টেস্টের আগ দিয়ে পণ করি, সমস্ত বই তুলে নিব মস্তিষ্কে। কিন্তু সেটা করা হয়ে ওঠে না। যার একমাত্র কারণ ভুল পন্থা অবলম্বন।
আমরা প্রথম যে ভুলটা করি, একদম প্রথম অধ্যায় থেকে পড়া শুরু করি। একেবারে ‘শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছি’ ভেবে অধ্যায়টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্ত করি। টেস্ট পেপার, নৈর্ব্যক্তিক সমাধান করি। এভাবে করে বেশ সহজ একটা অধ্যায়ের জন্য আমরা বিশদ গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় করে বসি। তাই রসায়নের প্রস্তুতি শুরু করে শেষ করার ক্ষেত্রে যা যা করবে-
ধাপ ১:
শুরুটা অবশ্যই প্রথম অধ্যায় দিয়ে করবে না। পাঠ্যে আসল পড়া শুরু হয় পদার্থের গঠন অধ্যায়টি থেকে। এই অধ্যায় পাড়ি দিতে অবশ্যই পর্যায় সারণির প্রথম ৩৬টা মৌল মুখস্থ করে ফেলতে হবে। অধ্যায়ের কিছু দূর যেতে যেতেই পেয়ে যাবে মৌলের পারমাণবিক ভর বা আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর নির্ণয়ের অঙ্কগুলো। বইয়ের উদাহরণে আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর নির্ণয়ের অঙ্ক দেয়া থাকলে দ্রুত আবিষ্কার করে ফেলো আনবিক ভর নির্ণয়ের নিয়ম।
বিভিন্ন বিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করতে গেলে দেখবে, পর্যাপ্ততার শতকরা পরিমাণ নির্ণয়ের অঙ্ক। সেগুলো চট করে সমাধান করতে হলে আবার নির্দিষ্ট মৌল সম্পর্কিত গাণিতিক মান জানা জরুরি। সেগুলো অবশ্যই মনে করে নিতে হবে। মনে রাখার কৌশল খুবই সহজ। একটা মৌল সংক্রান্ত আঙ্কিক তথ্যের সাথে আরেকটা মৌল সংক্রান্ত আঙ্কিক তথ্যের মিল খুঁজে বের করে ধারা মেনে আত্মস্থ করে ফেলা কোনো ব্যাপারই না।
ধাপ ২:
এরপর শুরু করা উচিত। যেহেতু বইয়ের বাকি অধ্যায়গুলোর তথ্যগুলো পর্যায় সারণী দ্বারা প্রভাবিত, খুব মনোযোগ দিয়ে অধ্যায়টি পড়তে হবে। মৌলের আকার পরিবর্তনের কারণ, পর্যায় ও গ্রুপ সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি শিখে নিতে হবে। ধাপ ১ আর ২ এর দুইটা অধ্যায় খুব, খুব এবং খুব সহজ। এই দুই অধ্যায় শেষ করতে বেশি সময় নেয়া যাবে না একদমই।
ধাপ ৩:
মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা অধ্যায় বুঝতে হলে অবশ্যই রাসায়নিক বন্ধন অধ্যায়টি পড়ার সময়ে কোনো প্রকার ফাঁকিবাজি করা যাবে না। শুরুতেই যোজ্যতা এবং যোজনীর মারপ্যাঁচ খুলে নাও। নির্দিষ্ট কিছু মৌলের যোজনী সংখ্যা মনে রাখার পরামর্শ শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দিয়ে ফেলেছেন, নিশ্চয়ই।
অ্যানায়ন আর ক্যাটায়নের মাঝে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে রাসায়নিক বন্ধনগুলো কীভাবে হয়, তা পড়ে ফেলো। এমনভাবে অধ্যায়টা পড়ো এবং বোঝার চেষ্টা করো যাতে “আর্গন কেন বন্ধন গঠন করতে পারে না?” কিংবা বিদ্যুৎ পরিবাহিতার পরীক্ষা প্রশ্নে দেখে ঘাবড়ে না যাও।
এখনি প্র্যাক্টিকালগুলো দেখে ফেল এই প্লে-লিস্টটি থেকে।
১০ মিনিট স্কুলের প্র্যাক্টিকাল ভিডিও!
ধাপ ৪:
এরপর আসে মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা যা শুধু পড়লেই হবে না। একদমই হবে না। বিক্রিয়ার সমতাকরণ শেখার পর একলাফে দশ-বারোটা অঙ্ক সঠিকভাবে শেষ করার মতো আত্মবিশ্বাস যতক্ষণ পর্যন্ত না আসে, ততক্ষণ এই অধ্যায়ের বিষয়বস্তু বোঝার চেষ্টা করবে।
ধাপ ৫:
রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়টি অনেকের কাছেই ভীষণ জটিল লাগতে পারে। এর কারণ হলো, এই অধ্যায়ের আগের দু’টি অধ্যায়ে কিছু বিষয় তাদের কাছে পরিষ্কার না। সেক্ষেত্রে আগের দুই অধ্যায়ের না বোঝার জায়গাগুলো আরেকবার ঝালাই করে নিলে ভালো হবে।
এরপর পুরো অধ্যায় জুড়ে থাকা বিক্রিয়াগুলোকে দরকার পড়লে খাতায় লিখে লিখে মনে করে ফেলো। আরেকটা কথা, বিক্রিয়া মুখস্থ না করে বরং বিক্রিয়ার কারণ পড়ে ফেলো। বারবার লিখে লিখে পড়লে এমনেই মস্তিষ্কে ঢুকে বসে থাকবে সেগুলো।
ধাপ ৬:
উপরের কৌশলগুলো অবলম্বন করে এগোলে রসায়ন ও শক্তি অধ্যায়টি কোনো ব্যাপারই না।
ধাপ ৭:
এই সাতটি অধ্যায় সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়ার পর হাতের কাছে যেই বিদ্যালয়ের প্রশ্নই পাও না কেন, যাচাই করে দেখো সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারো কি না। এই সাতটি অধ্যায় পড়া থাকলে কেবলই তখন বাকি অধ্যায়গুলো বুঝতে পারবে।
ধাপ ৮.
এসিড-ক্ষার ক্ষমতা অধ্যায়টি শুরু করতে করতে মাথায় ঢুকিয়ে ফেলো ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজটি। বেশ বড় এই অধ্যায়ে পাবে অনেকগুলো শিখে ফেলার মতো বিক্রিয়া। একটু বড় হলেও, মনোযোগ দিয়ে পড়লে পুরো অধ্যায় শেষ করতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।
এসএসসি’তে রসায়ন জয় করতে যা প্রয়োজন
জে.এস.সি. পরীক্ষার পর নবম শ্রেণিতে উঠে প্রথম পরিচয় হয় ‘রসায়ন’ বইটির সাথে। ব্যাপক উত্তেজনা নিয়ে পড়ালেখা শুরু করি অনেকেই। বছর শেষে হয়তো বইটির এক-তৃতীয়াংশ আত্মস্থ করতে সক্ষম হই। দেখতে দেখতে চলে আসে দশম শ্রেণির শেষ সময়। প্রিটেস্ট-টেস্টের আগ দিয়ে পণ করি, সমস্ত বই তুলে নিব মস্তিষ্কে। কিন্তু সেটা করা হয়ে ওঠে না। যার একমাত্র কারণ ভুল পন্থা অবলম্বন।
আমরা প্রথম যে ভুলটা করি, একদম প্রথম অধ্যায় থেকে পড়া শুরু করি। একেবারে ‘শেষ প্রস্তুতি নিচ্ছি’ ভেবে অধ্যায়টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুখস্ত করি। টেস্ট পেপার, নৈর্ব্যক্তিক সমাধান করি। এভাবে করে বেশ সহজ একটা অধ্যায়ের জন্য আমরা বিশদ গুরুত্বপূর্ণ সময় অপচয় করে বসি। তাই রসায়নের প্রস্তুতি শুরু করে শেষ করার ক্ষেত্রে যা যা করবে-
ধাপ ১:
শুরুটা অবশ্যই প্রথম অধ্যায় দিয়ে করবে না। পাঠ্যে আসল পড়া শুরু হয় পদার্থের গঠন অধ্যায়টি থেকে। এই অধ্যায় পাড়ি দিতে অবশ্যই পর্যায় সারণির প্রথম ৩৬টা মৌল মুখস্থ করে ফেলতে হবে। অধ্যায়ের কিছু দূর যেতে যেতেই পেয়ে যাবে মৌলের পারমাণবিক ভর বা আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর নির্ণয়ের অঙ্কগুলো। বইয়ের উদাহরণে আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর নির্ণয়ের অঙ্ক দেয়া থাকলে দ্রুত আবিষ্কার করে ফেলো আনবিক ভর নির্ণয়ের নিয়ম।
বিভিন্ন বিদ্যালয়ের পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করতে গেলে দেখবে, পর্যাপ্ততার শতকরা পরিমাণ নির্ণয়ের অঙ্ক। সেগুলো চট করে সমাধান করতে হলে আবার নির্দিষ্ট মৌল সম্পর্কিত গাণিতিক মান জানা জরুরি। সেগুলো অবশ্যই মনে করে নিতে হবে। মনে রাখার কৌশল খুবই সহজ। একটা মৌল সংক্রান্ত আঙ্কিক তথ্যের সাথে আরেকটা মৌল সংক্রান্ত আঙ্কিক তথ্যের মিল খুঁজে বের করে ধারা মেনে আত্মস্থ করে ফেলা কোনো ব্যাপারই না।
ধাপ ২:
এরপর শুরু করা উচিত। যেহেতু বইয়ের বাকি অধ্যায়গুলোর তথ্যগুলো পর্যায় সারণী দ্বারা প্রভাবিত, খুব মনোযোগ দিয়ে অধ্যায়টি পড়তে হবে। মৌলের আকার পরিবর্তনের কারণ, পর্যায় ও গ্রুপ সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি শিখে নিতে হবে। ধাপ ১ আর ২ এর দুইটা অধ্যায় খুব, খুব এবং খুব সহজ। এই দুই অধ্যায় শেষ করতে বেশি সময় নেয়া যাবে না একদমই।
ধাপ ৩:
মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা অধ্যায় বুঝতে হলে অবশ্যই রাসায়নিক বন্ধন অধ্যায়টি পড়ার সময়ে কোনো প্রকার ফাঁকিবাজি করা যাবে না। শুরুতেই যোজ্যতা এবং যোজনীর মারপ্যাঁচ খুলে নাও। নির্দিষ্ট কিছু মৌলের যোজনী সংখ্যা মনে রাখার পরামর্শ শিক্ষকরা ইতোমধ্যে দিয়ে ফেলেছেন, নিশ্চয়ই।
অ্যানায়ন আর ক্যাটায়নের মাঝে যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে রাসায়নিক বন্ধনগুলো কীভাবে হয়, তা পড়ে ফেলো। এমনভাবে অধ্যায়টা পড়ো এবং বোঝার চেষ্টা করো যাতে “আর্গন কেন বন্ধন গঠন করতে পারে না?” কিংবা বিদ্যুৎ পরিবাহিতার পরীক্ষা প্রশ্নে দেখে ঘাবড়ে না যাও।
এখনি প্র্যাক্টিকালগুলো দেখে ফেল এই প্লে-লিস্টটি থেকে।
১০ মিনিট স্কুলের প্র্যাক্টিকাল ভিডিও!
ধাপ ৪:
এরপর আসে মোলের ধারণা ও রাসায়নিক গণনা যা শুধু পড়লেই হবে না। একদমই হবে না। বিক্রিয়ার সমতাকরণ শেখার পর একলাফে দশ-বারোটা অঙ্ক সঠিকভাবে শেষ করার মতো আত্মবিশ্বাস যতক্ষণ পর্যন্ত না আসে, ততক্ষণ এই অধ্যায়ের বিষয়বস্তু বোঝার চেষ্টা করবে।
ধাপ ৫:
রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়টি অনেকের কাছেই ভীষণ জটিল লাগতে পারে। এর কারণ হলো, এই অধ্যায়ের আগের দু’টি অধ্যায়ে কিছু বিষয় তাদের কাছে পরিষ্কার না। সেক্ষেত্রে আগের দুই অধ্যায়ের না বোঝার জায়গাগুলো আরেকবার ঝালাই করে নিলে ভালো হবে।
এরপর পুরো অধ্যায় জুড়ে থাকা বিক্রিয়াগুলোকে দরকার পড়লে খাতায় লিখে লিখে মনে করে ফেলো। আরেকটা কথা, বিক্রিয়া মুখস্থ না করে বরং বিক্রিয়ার কারণ পড়ে ফেলো। বারবার লিখে লিখে পড়লে এমনেই মস্তিষ্কে ঢুকে বসে থাকবে সেগুলো।
ধাপ ৬:
উপরের কৌশলগুলো অবলম্বন করে এগোলে রসায়ন ও শক্তি অধ্যায়টি কোনো ব্যাপারই না।
ধাপ ৭:
এই সাতটি অধ্যায় সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়ার পর হাতের কাছে যেই বিদ্যালয়ের প্রশ্নই পাও না কেন, যাচাই করে দেখো সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারো কি না। এই সাতটি অধ্যায় পড়া থাকলে কেবলই তখন বাকি অধ্যায়গুলো বুঝতে পারবে।
ধাপ ৮.
এসিড-ক্ষার ক্ষমতা অধ্যায়টি শুরু করতে করতে মাথায় ঢুকিয়ে ফেলো ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজটি। বেশ বড় এই অধ্যায়ে পাবে অনেকগুলো শিখে ফেলার মতো বিক্রিয়া। একটু বড় হলেও, মনোযোগ দিয়ে পড়লে পুরো অধ্যায় শেষ করতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না।
Post Credit : Farhana Nishie
★★ ধলিয়া হাই স্কুল★★
♠♠♠এটি একটি ঐতিহ্যবাহী স্কুল♠♠♠
----------=====------------=====----------
======----------======----------======
বাবু গুরুদাশ করের দেয়া জমিতে ১৯৪৪ সালে গড়ে উঠে এ স্কুলটি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি শ্রী গুরুদাশ কর এই ব্যক্তিত্বকে। (যিনি ফেনী কলেজ-এর জন্যও জায়গা দিয়েছেন।)
১৯৪৯ সন থেকে এ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ম্যাট্রিক /এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়া শুরু করে। সে ১৯৪৯ ইং হতে অদ্যাবধি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা জেলা সদরের কোন স্কুল বা ফেনী কলেজ সেন্টারেই বোর্ড পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কি নিদারুণ কষ্টই না করতে হয় ছাত্র-ছাত্রী তথা অভিভাবকদের।
শুনে অবাক হলাম, মনে হচ্ছে এখনো আমরা আদিকালে আছি। কি করে সম্ভব? এতটি বছরেও কি স্কুলটি এস.এস.সি সেন্টার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে নাই? কেন? নাকি কোন অবহেলা? গ্রামের স্কুল হলেও বেশ নামডাক বা সুনাম আছে বলেই জানি। এও জানি এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এখন অনেকে, অনেক সরকারি বড় পদ মর্যাদায় চাকুরীরত, কেউ অবসরে, হয়তো কেউ মারা গেছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের দিক থেকে সংখ্যায়ও একেবারে কম না। ফলাফলও অসন্তুষ্ট হওয়ার মতো নয়। বর্তমানে শতভাগ বা একেবারে কাছাকাছি পর্যায়ে। শিক্ষক মণ্ডলীর সংখ্যাও পর্যাপ্ত। ভবনও আছে বেশ চমৎকার। মিনি স্টেডিয়ামের মতো আছে খেলার মাঠ।
তবে নাই কি?
তাই কৌতূহল হলো স্কুলটি দেখে আসার। সুদূর ঢাকা থেকে আসলাম, দেখলাম, অনেকের সাথে চুপিসারে আলাপ করে কিছু জানলাম, বুঝলাম। অতঃপর ভাবলাম-------মনে হয় স্কুলের সীমানা প্রাচীর নাই বলেই কি এস.এস.সির সেন্টার দিচ্ছেনা, পাচ্ছে না? জানিনা---- কারন।
তবুও আমজনতা পর্যায়ের মানুষ হিসেবে আমার মনে হলো সেন্টারের নিরাপত্তা বিধানে সীমানা প্রাচীর না থাকায় হয়তোবা হচ্ছে না। আমি শুধু বলতে পারি সীমানা প্রাচীর জরুরী এবং এটা করার জন্য বর্তমান সরকারের ফেনী-২ আসনের সরকার দলীয় মাননীয় সাংসদ আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে এবং অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী (আজ যারা সরকারি বড় কর্মকর্তা আছেন) বা ফেনীর সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে-উনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটা হওয়া সম্ভব।
এটার গুরুত্ব অনুধাবন করে সকলেই আন্তরিক হবেন। যার যার অবস্হান থেকে ভূমিকা রাখবেন। এটা বিনীতভাবে অনুরোধ এবং বলতে পারেন গ্রামের হতদরিদ্র অভিভাবকদের সন্তানদের পক্ষে আমার আবদার।
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এল.জি.ই.ডি থেকে অথবা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে অথবা যে কোন ভাবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে বা উপজেলার কোন বরাদ্দ থেকেও ব্যবস্হা নিতে পারেন। পারেন আপনার সন্তান-সন্তানাদির জন্য অত্র বিদ্যালয়ের একটা উদাহরণ হয়ে থাকতে। পারেন কোন শিল্পপতি বা প্রবাসী ধনাঢ্য ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করে দিতে। বর্তমান সময়ে ইউনিয়ন পরিষদেও অনেক বরাদ্দ(টি,আর-এলজিএসপি-১%--এডিপি)আসে,সেখান থেকেও পর্যায়ক্রমে করার মানসিকতা থাকলে করা একেবারেই সহজ।
আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রয়োজন আম, সেটা যে মাসেরই হোক না কেন।
আশাকরি যার যার অবস্হান থেকে আন্তরিক হবেন।অতীতের তুলনায় বর্তমানে স্কুলটি খুবই ভাল চলছে।একজন যোগ্য ব্যক্তি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।ভৌত অবকাঠামো সহ শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান আছে।শুনেছি তিনি নাকি আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টানের সাথেও জড়িত।যার যে অবদান সেটা সেটাকে স্বীকার করতেই হবে।গোবিন্দপুর স্কুলে ভবন করে দিয়েছেন,বাগের হাট স্কুলের ভবন করে দিয়েছেন।বালুয়া চৌমুহনি স্কুলের প্রথম পর্বের ভবন গুলো বিদ্যুতায়ন সহ রাজনগরে মানুষের কল্যানে ডায়বেটিক হাসপাতাল,ব্যাংকের শাখা, প্রগতি বালিকা বিদ্যানিকেতন নামে একটি স্কুল পরিচালনা করেন।মহতি এসব উদ্যোগের জন্য উনার প্রতিও রইল আমার স্যালুট।
পরিশেষে শুধুই বলবো ধলিয়া স্কুলে আপনার আমার আমাদের স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীদের সহ পাশবর্তী এলাকার স্কুলের সকলের সুবিধার্থে ধলিয়া স্কুলে এস,এস,সি পরীক্ষার সেন্টার দেয়া বা পাওয়ার ব্যবস্হা হোক।সবার সহযোগিতা দরকার,প্রয়োজন সুন্দর মানসিকতার,দরকার গভীরে অনুধাবন করা।
সবার জন্য শুভ কামনা----------কার্টেসী (কাজী নুর আলম সাবু(সাবেক চেয়ারম্যান ৮ নং ধলিয়া ইউনিয়ন )
16/11/2015
Shahid Ullah Sir is sick. Please everyone keep him in prayer.
02/10/2015
২০১৫ সালে ধলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশের হার ৯৬%
পাশ করেছে ৯৮ জন,ফেল করেছে ৫ জন, এ-প্লাস পেয়েছে ১ জন। অভিনন্দন সবাইকে
পরীক্ষার ফলাফল জানতে ভিজিট করুন
www.educationboardresults.gov.bd
ফলাফল জানা যাবে দুপুর ২ টার পর
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ
করা হবে ৩০ মে। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ আজ সোমবার প্রথম
আলোকে এ কথা জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই দিন সকাল ১০টায় গণভবনে
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেওয়া হবে। এরপর
বেলা একটায় সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত জানানো হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, সংবাদ সম্মেলনের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে
ফল পাওয়া যাবে।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় মার্চের শুরুর
দিকে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের ডাকা হরতালের
কারণে একটি পরীক্ষাও পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী হতে পারেনি।
সব কটি পরীক্ষা হয়েছে পরিবর্তিত তারিখে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্র ও
শনিবারে
এস এস সি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী 25-30 মে এর মধ্যে প্রকাশ হতে পারে!!!!!! সাম্ভাব্য ২৮ তারিখ!!!
26/03/2015
আজ এখানে দাড়িয়ে এই রক্ত গোধূলিতে
অভিশাপ দিচ্ছি।
আমাদের বুকের ভেতর যারা ভয়ানক কৃষ্ঞপক্ষ
দিয়েছিলো সেঁটে,
মগজের কোষে কোষে যারা
পুতেছিলো আমাদেরই আপনজনের লাশ
দগ্ধ, রক্তাপ্লুত,
যারা গনহত্যা
করেছে শহরে গ্রামে টিলায় নদীতে ক্ষেত ও খামারে
আমি অভিশাপ দিচ্ছি নেকড়ের চেয়েও অধিক
পশু সেই সব পশুদের।
ফায়ারিং স্কোয়াডে ওদের
সারিবদ্ধ দাঁড়
করিয়ে নিমিষে ঝা ঝা বুলেটের বৃষ্টি
ঝরালেই সব চুকে বুকে যাবে তা আমি মানি না।
হত্যাকে উতসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে
ক্যাম্পাসে বাজারে
বিষাক্ত গ্যাসের মতো মৃত্যুর বীভতস গন্ধ দিয়েছে
ছড়িয়ে,
আমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না
কামনা।
আমাকে করেছে বাধ্য যারা
আমার জনক জননীর রক্তে পা ডুবিয়ে দ্রুত
সিড়ি ভেন্গে যেতে আসতে
নদীতে আর বনবাদাড়ে শয্যা পেতে নিতে
অভিশাপ দিচ্ছি আজ সেইখানে দজ্জালদের।
- শামসুর রহমান
01/03/2015
রাস্তাটা কোথায় কেউ বলতে পারেন?