26/10/2016
★★ ধলিয়া হাই স্কুল★★
♠♠♠এটি একটি ঐতিহ্যবাহী স্কুল♠♠♠
----------=====------------=====----------
======----------======----------======
বাবু গুরুদাশ করের দেয়া জমিতে ১৯৪৪ সালে গড়ে উঠে এ স্কুলটি। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি শ্রী গুরুদাশ কর এই ব্যক্তিত্বকে। (যিনি ফেনী কলেজ-এর জন্যও জায়গা দিয়েছেন।)
১৯৪৯ সন থেকে এ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা ম্যাট্রিক /এস.এস.সি পরীক্ষা দেয়া শুরু করে। সে ১৯৪৯ ইং হতে অদ্যাবধি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা জেলা সদরের কোন স্কুল বা ফেনী কলেজ সেন্টারেই বোর্ড পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। কি নিদারুণ কষ্টই না করতে হয় ছাত্র-ছাত্রী তথা অভিভাবকদের।
শুনে অবাক হলাম, মনে হচ্ছে এখনো আমরা আদিকালে আছি। কি করে সম্ভব? এতটি বছরেও কি স্কুলটি এস.এস.সি সেন্টার পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে নাই? কেন? নাকি কোন অবহেলা? গ্রামের স্কুল হলেও বেশ নামডাক বা সুনাম আছে বলেই জানি। এও জানি এই স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা এখন অনেকে, অনেক সরকারি বড় পদ মর্যাদায় চাকুরীরত, কেউ অবসরে, হয়তো কেউ মারা গেছেন। ছাত্র-ছাত্রীদের দিক থেকে সংখ্যায়ও একেবারে কম না। ফলাফলও অসন্তুষ্ট হওয়ার মতো নয়। বর্তমানে শতভাগ বা একেবারে কাছাকাছি পর্যায়ে। শিক্ষক মণ্ডলীর সংখ্যাও পর্যাপ্ত। ভবনও আছে বেশ চমৎকার। মিনি স্টেডিয়ামের মতো আছে খেলার মাঠ।
তবে নাই কি?
তাই কৌতূহল হলো স্কুলটি দেখে আসার। সুদূর ঢাকা থেকে আসলাম, দেখলাম, অনেকের সাথে চুপিসারে আলাপ করে কিছু জানলাম, বুঝলাম। অতঃপর ভাবলাম-------মনে হয় স্কুলের সীমানা প্রাচীর নাই বলেই কি এস.এস.সির সেন্টার দিচ্ছেনা, পাচ্ছে না? জানিনা---- কারন।
তবুও আমজনতা পর্যায়ের মানুষ হিসেবে আমার মনে হলো সেন্টারের নিরাপত্তা বিধানে সীমানা প্রাচীর না থাকায় হয়তোবা হচ্ছে না। আমি শুধু বলতে পারি সীমানা প্রাচীর জরুরী এবং এটা করার জন্য বর্তমান সরকারের ফেনী-২ আসনের সরকার দলীয় মাননীয় সাংসদ আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে এবং অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী (আজ যারা সরকারি বড় কর্মকর্তা আছেন) বা ফেনীর সন্তান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে-উনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এটা হওয়া সম্ভব।
এটার গুরুত্ব অনুধাবন করে সকলেই আন্তরিক হবেন। যার যার অবস্হান থেকে ভূমিকা রাখবেন। এটা বিনীতভাবে অনুরোধ এবং বলতে পারেন গ্রামের হতদরিদ্র অভিভাবকদের সন্তানদের পক্ষে আমার আবদার।
মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী এল.জি.ই.ডি থেকে অথবা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে অথবা যে কোন ভাবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের মাধ্যমে বা উপজেলার কোন বরাদ্দ থেকেও ব্যবস্হা নিতে পারেন। পারেন আপনার সন্তান-সন্তানাদির জন্য অত্র বিদ্যালয়ের একটা উদাহরণ হয়ে থাকতে। পারেন কোন শিল্পপতি বা প্রবাসী ধনাঢ্য ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে করে দিতে। বর্তমান সময়ে ইউনিয়ন পরিষদেও অনেক বরাদ্দ(টি,আর-এলজিএসপি-১%--এডিপি)আসে,সেখান থেকেও পর্যায়ক্রমে করার মানসিকতা থাকলে করা একেবারেই সহজ।
আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রয়োজন আম, সেটা যে মাসেরই হোক না কেন।
আশাকরি যার যার অবস্হান থেকে আন্তরিক হবেন।অতীতের তুলনায় বর্তমানে স্কুলটি খুবই ভাল চলছে।একজন যোগ্য ব্যক্তি সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।ভৌত অবকাঠামো সহ শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে যথেষ্ট অবদান আছে।শুনেছি তিনি নাকি আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টানের সাথেও জড়িত।যার যে অবদান সেটা সেটাকে স্বীকার করতেই হবে।গোবিন্দপুর স্কুলে ভবন করে দিয়েছেন,বাগের হাট স্কুলের ভবন করে দিয়েছেন।বালুয়া চৌমুহনি স্কুলের প্রথম পর্বের ভবন গুলো বিদ্যুতায়ন সহ রাজনগরে মানুষের কল্যানে ডায়বেটিক হাসপাতাল,ব্যাংকের শাখা, প্রগতি বালিকা বিদ্যানিকেতন নামে একটি স্কুল পরিচালনা করেন।মহতি এসব উদ্যোগের জন্য উনার প্রতিও রইল আমার স্যালুট।
পরিশেষে শুধুই বলবো ধলিয়া স্কুলে আপনার আমার আমাদের স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রীদের সহ পাশবর্তী এলাকার স্কুলের সকলের সুবিধার্থে ধলিয়া স্কুলে এস,এস,সি পরীক্ষার সেন্টার দেয়া বা পাওয়ার ব্যবস্হা হোক।সবার সহযোগিতা দরকার,প্রয়োজন সুন্দর মানসিকতার,দরকার গভীরে অনুধাবন করা।
সবার জন্য শুভ কামনা----------কার্টেসী (কাজী নুর আলম সাবু(সাবেক চেয়ারম্যান ৮ নং ধলিয়া ইউনিয়ন )