24/05/2025
যারা যারা মাইগ্ৰেশন করে পছন্দের কলেজে যেতে চান।
Nursing Admissions, Nursing Academic, Nursing licence, BPSC NonCadre Nursing Job Preparation.
24/05/2025
যারা যারা মাইগ্ৰেশন করে পছন্দের কলেজে যেতে চান।
15/05/2025
সাম্প্রতিক কিছু তথ্য কালকে ২/৩ মার্ক কমন পাবেন ইনশাআল্লাহ।
13/05/2025
আজকে (১৩/৫/২০২৫) রাজশাহী নার্সিং কলেজ ক্যাম্পাসে হসপিটালে চাকুরীরত সিনিয়র স্টাফ নার্স কর্তৃক হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন সরকারি নার্সিং কলেজ কর্তৃক আয়োজিত মশাল মিছিল কর্মসূচী... ।।।
[ আমি সকল বেসরকারি নার্সিং কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের আহ্বান জানাচ্ছি তোমরাও আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করো।]
📌 Topic: Prolonged Labour সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন 👇
🔴 Prolonged labour বা দীর্ঘমেয়াদী প্রসবকাল বলতে এমন একটি অবস্থা বোঝায়, যেখানে প্রসবের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে চলে। সাধারণভাবে,
✓ প্রসবের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ একত্রে যদি:
▪️প্রাইমিগ্রাভিডা (প্রথমবার মা): ২০ ঘণ্টার বেশি সময় নেয়
▪️মাল্টিপারা (একাধিকবার মা): ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় নেয়
তবে তাকে prolonged labour বলা হয়।
✅ Stages of Labour: প্রসবকাল সাধারণত তিনটি ধাপে বিভক্ত:
1. First Stage: Cervical dilatation (0-10 cm)
2. Second Stage: Delivery of the baby
3. Third Stage: Delivery of the placenta
✅ First Stage prolonged হলে:
▪️Primi: >12 ঘন্টা
▪️Multi: >8 ঘন্টা
✅ Second Stage prolonged হলে:
▪️Primi: >2 ঘন্টা (বা epidural থাকলে >3 ঘন্টা)
▪️Multi: >1 ঘন্টা (বা epidural থাকলে >2 ঘন্টা)
▪️Third Stage prolonged হলে: >30 মিনিট
✅ Causes of Prolonged Labour :
এই তিনটি প্রধান কারণে prolonged labour হতে পারে (3 Ps model):
1. Power (Uterine contraction):
▪️দুর্বল বা uncoordinated contraction
▪️Inadequate pushing
2. Passenger (ভ্রূণ):
▪️Fetal malpresentation (breech, face, transverse lie)
▪️Cephalopelvic disproportion (CPD)
▪️Fetal macrosomia
▪️Multiple pregnancy
3. Passage (Pelvis):
▪️Pelvic contraction বা deformity
▪️Soft tissue obstruction (tumour, fibroid)
▪️Vaginal/cervical rigidity
✅ Signs & Symptoms :
▪️প্রসব শুরু হওয়ার অনেক সময় পরও বাচ্চা না হওয়া
▪️অকার্যকর ব্যথা ও contraction
▪️প্রসূতির ক্লান্তি বা উদ্বেগ
▪️Fetal distress (ভ্রূণের হৃৎস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা)
▪️Maternal exhaustion
▪️Dehydration বা ketosis
✅ Complications :
✓ মাতৃজনিত:
▪️Uterine rupture
▪️Postpartum hemorrhage
▪️Infection (chorioamnionitis, endometritis)
▪️Fistula formation
✓ ভ্রূণজনিত:
▪️Fetal distress
▪️Birth asphyxia
▪️Neonatal sepsis
▪️Stillbirth
✅ Management :
✓ Initial steps:
▪️Vital signs চেক করা
▪️Hydration দেওয়া
▪️Fetal heart monitoring
▪️Vaginal examination (dilatation, effacement, station)
✅ Medical management:
▪️Oxytocin দিয়ে contraction বাড়ানো
▪️Amniotomy (water break করা)
▪️Epidural analgesia (যন্ত্রণা কমানো)
✅ Surgical management:
▪️যদি CPD বা fetal distress থাকে → Cesarean section (C/S)
▪️Second stage prolonged হলে → Instrumental delivery (Vacuum বা Forceps)
✅ Prevention :
▪️যথাসময়ে ANC check-up
▪️Skilled birth attendant দ্বারা ডেলিভারি
▪️Early detection of CPD বা abnormal lie
▪️Proper monitoring during labour
🔴 NURSING MANAGEMENT OF PROLONGED LABOUR -
১. Assessment :
▪️প্রসবের গতি ও অগ্রগতি মূল্যায়নে Partograph ব্যবহার করা
▪️জরায়ুর সংকোচন কতটা শক্তিশালী, কতবার হচ্ছে তা নিরীক্ষণ
▪️Fetal Heart Rate (FHR) নিয়মিত মনিটর করা
▪️মাতৃ vital signs (BP, Pulse, Temp) রেকর্ড রাখা
▪️মাতৃ ক্লান্তি, ব্যথা ও মানসিক অবস্থাও লক্ষ্য করা
২. Monitoring & Documentation :
▪️Partograph-এ প্রতিটি পর্যায়ের তথ্য সঠিকভাবে লেখালেখি
▪️Cervical dilatation, fetal descent, contraction strength নোট করা
▪️প্রসব থেমে গেলে বা ধীরগতির হলে সময়মতো রিপোর্ট করা
৩. Supportive Care :
▪️মাকে সাহস দেওয়া, উদ্বেগ কমানো
▪️Position change (squatting, side-lying) উৎসাহ দেওয়া
▪️গরম পানির ব্যাগ বা ম্যাসাজ দিয়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য
▪️Deep breathing শেখানো ও প্রশান্তি বজায় রাখা
৪. হাইড্রেশন ও বিশ্রাম:
▪️IV fluids অথবা স্যালাইন দিয়ে ডিহাইড্রেশন রোধ
▪️সম্ভব হলে তরল খাবার খেতে উৎসাহ দেওয়া
▪️ক্লান্ত মাকে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া
৫. মেডিকেল ইন্টারভেনশনে সহায়তা:
▪️চিকিৎসকের পরামর্শে Oxytocin drip দিলে সেটআপে সহায়তা
▪️প্রসব এগোয় না বা জটিলতা দেখা দিলে C-section এর প্রস্তুতি
▪️প্রয়োজন হলে Antibiotics দেওয়া (বিশেষ করে prolonged rupture হলে)
৬. সংক্রমণ প্রতিরোধ:
▪️পিভি পরীক্ষা সবসময় Aseptic Technique মেনে
▪️অপ্রয়োজনীয় Vaginal examination এড়ানো
▪️মায়ের তাপমাত্রা ও স্রাব মনিটর করে ইনফেকশনের লক্ষণ খোঁজা
৭. রিপোর্টিং ও রেফারাল:
▪️কোনো রকম fetal distress, abnormal contractions বা CPD এর লক্ষণ পেলে
তাৎক্ষণিক চিকিৎসককে রিপোর্ট করা
▪️প্রয়োজনে রোগীকে উচ্চতর সেবায় রেফার করা
৮. ডেলিভারির পরপর (Post-delivery care):
▪️PPH বা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ মনিটর করা
▪️মায়ের vital signs ও uterine tone নিয়মিত দেখা
▪️নবজাতকের অবস্থান, শ্বাস-প্রশ্বাস ও APGAR স্কোর যাচাই
▪️মাতাকে বিশ্রাম ও স্নেহের সেবা দেওয়া
#বিপিএসসি_নার্সিং_ভাইবা
13/05/2025
📌 Topic: নবজাতকের APGAR Score কী এবং একজন Nurse এটি কিভাবে নির্ণয় করবে ?
🔴 APGAR Score হল একটি দ্রুত মূল্যায়ন পদ্ধতি, যা নবজাতকের শারীরিক অবস্থার প্রাথমিক ধারণা দেয়। এটি শিশুর জন্মের পর প্রথম এবং পাঁচ মিনিটে নির্ধারণ করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে দশ মিনিটেও এটি নির্ণয় করা হয়।
◾এই স্কোর পাঁচটি মানদণ্ডের উপর নির্ভর করে নির্ধারণ করা হয়:
1. Appearance (গায়ের রং)
2. Pulse (হৃদস্পন্দন)
3. Grimace (প্রতিক্রিয়া বা রিফ্লেক্স)
4. Activity (পেশি টান)
5. Respiration (শ্বাস-প্রশ্বাস)
◾স্কোরিং সিস্টেম:
▪️প্রতিটি মানদণ্ডের জন্য ০ থেকে ২ পর্যন্ত স্কোর দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ স্কোর ১০।
◾Apgar Score এর মানদণ্ড:
1. Appearance (রং):
▪️০: সম্পূর্ণ নীল বা ফ্যাকাশে।
▪️১: দেহ গোলাপি কিন্তু হাত-পা নীল।
▪️২: সম্পূর্ণ দেহ গোলাপি।
2. Pulse :
▪️০: হৃদস্পন্দন নেই।
▪️১: প্রতি মিনিটে ১০০-এর কম।
▪️২: প্রতি মিনিটে ১০০ বা তার বেশি।
3. Grimace (প্রতিক্রিয়া):
▪️০: কোনো প্রতিক্রিয়া নেই।
▪️১: দুর্বল প্রতিক্রিয়া (মুখ ভাঙা বা অল্প নড়াচড়া)।
▪️২: শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া (কাঁদা বা ছটফট করা)।
4. Activity :
▪️০: কোনো পেশি সঞ্চালন নেই।
▪️১: দুর্বল সঞ্চালন।
▪️২: সক্রিয় নড়াচড়া।
5. Respiration :
▪️০: শ্বাস-প্রশ্বাস নেই।
▪️১: ধীর বা অনিয়মিত।
▪️২: নিয়মিত ও জোরালো (কাঁদা)।
◾স্কোরের অর্থ:
▪️৭-১০: নবজাতকের অবস্থা ভাল।
▪️৪-৬: মাঝারি সমস্যা, চিকিৎসা প্রয়োজন।
▪️০-৩: গুরুতর অবস্থা, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন।
◾একজন Nurse হিসেবে APGAR Score নির্ণয়ের প্রক্রিয়া:
1. জন্মের সাথে সাথেই সময় নির্ধারণ করুন।
2. নবজাতকের উপরের পাঁচটি দিক পর্যবেক্ষণ করে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে স্কোর দিন।
3. প্রথম এবং পাঁচ মিনিটে স্কোর নির্ধারণ করুন। যদি পাঁচ মিনিটে স্কোর ৭-এর নিচে থাকে, তবে দশ মিনিটেও স্কোর করতে হতে পারে।
4. স্কোর রেকর্ড করুন এবং চিকিৎসকের কাছে রিপোর্ট করুন।
5. স্কোরের উপর ভিত্তি করে নবজাতকের যত্ন নিশ্চিত করুন (যেমন অক্সিজেন প্রদান, শ্বাসপ্রশ্বাসে সহায়তা বা অন্যান্য চিকিৎসা)।
ভুল ত্রুটি মার্জনীয়
পোস্ট কপি করলে অবশ্যই ক্রেডিট দিবেন
ধন্যবাদ 😊
#বিপিএসসি_নার্সিং_ভাইবা
নার্সিং ভাইবা পরিক্ষা প্রশ্ন ও উত্তর : আজকের বিষয় ডায়াবেটিস।
একজন নার্স কিভাবে ডায়াবেটিস রুগি মেনেজ করবে?
উত্তর : একজন নার্স ডায়াবেটিস রোগীকে ম্যানেজ করার জন্য নিম্নলিখিত উপায়গুলো অনুসরণ করে থাকেন:
১. রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ:
নিয়মিত রক্তে গ্লুকোজ লেভেল পরীক্ষা করা।
ইনসুলিন বা ওষুধ সঠিক সময়ে দেওয়া।
হাইপোগ্লাইসেমিয়া বা হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা (যেমন মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, ঝাঁপসা দেখা)।
২. খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
রোগীকে ডায়াবেটিক ডায়েট সম্পর্কে শিক্ষা দেওয়া।
কার্বোহাইড্রেট কন্ট্রোল এবং সময়মতো খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।
৩. ব্যায়াম ও জীবনযাত্রা ব্যবস্থাপনা:
নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করার পরামর্শ দেওয়া (যেমন হাঁটা)।
স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট শেখানো (যেমন ধ্যান বা রিল্যাক্সেশন)।
৪. স্বাস্থ্য শিক্ষা:
ইনসুলিন ইনজেকশনের সঠিক পদ্ধতি শেখানো।
রক্তে শর্করা কমে গেলে কী করতে হবে – তা শেখানো (যেমন গ্লুকোজ ট্যাবলেট বা মিষ্টি খাবার রাখা)।
পায়ের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া (যেহেতু ডায়াবেটিসে পায়ের ইনফেকশন হতে পারে)।
৫. রোগীর মনোবল বৃদ্ধি:
রোগীকে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেওয়া।
রোগী ও পরিবারের সদস্যদের ডায়াবেটিস বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৬. নিয়মিত ফলো-আপ:
রোগীকে নিয়মিত চেকআপ ও ডাক্তারের পরামর্শে থাকার জন্য উৎসাহিত করা।
ডায়াবেটিস বিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর (১–২০)
১. ডায়াবেটিস কী?
ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ, যেখানে শরীর পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ করে না, ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়।
২. ডায়াবেটিস কত প্রকার?
প্রধানত তিন প্রকার – টাইপ ১, টাইপ ২, ও গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস।
৩. টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের পার্থক্য কী?
টাইপ ১: ইনসুলিন একেবারে তৈরি হয় না।
টাইপ ২: ইনসুলিন তৈরি হয় কিন্তু কাজ করে না বা কম করে।
৪. গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস কী?
গর্ভাবস্থায় প্রথমবারের মতো রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে তাকে গেস্টেশনাল ডায়াবেটিস বলে।
৫. ইনসুলিন কী?
ইনসুলিন হলো একটি হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয় এবং রক্তের গ্লুকোজকে কোষে প্রবেশে সহায়তা করে।
৬. গ্লুকোজ কীভাবে শরীরে কাজ করে?
গ্লুকোজ হলো শরীরের প্রধান শক্তির উৎস যা ইনসুলিনের সাহায্যে কোষে প্রবেশ করে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
৭. ইনসুলিনের উৎস কোথায়?
ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ (Islets of Langerhans) থেকে তৈরি হয়।
৮. ডায়াবেটিসের ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী কারা?
বংশগত ইতিহাস আছে এমন ব্যক্তি
স্থূলতা রয়েছে
শারীরিকভাবে অক্রিয়
৪৫ বছরের বেশি বয়সী
হাইপারটেনশন ও হাই কোলেস্টেরল রোগী
৯. ডায়াবেটিস কি বংশগত রোগ?
হ্যাঁ, ডায়াবেটিস বংশগতভাবে হস্তান্তর হতে পারে, বিশেষ করে টাইপ ২।
১০. হরমোন কোনটি ডায়াবেটিসে বেশি প্রভাব ফেলে?
ইনসুলিন এবং গ্লুকাগন।
১১. ডায়াবেটিসের প্রধান লক্ষণ কী?
অতিরিক্ত প্রস্রাব
অতিরিক্ত পিপাসা
অতিরিক্ত ক্ষুধা
ওজন কমে যাওয়া
ক্লান্তি
১২. পলিউরিয়া বলতে কী বোঝায়?
অতিরিক্ত প্রস্রাব হওয়া, যা ডায়াবেটিসের একটি সাধারণ লক্ষণ।
১৩. পলিডিপসিয়া কী?
অত্যধিক তৃষ্ণা অনুভব করা।
১৪. হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ কী কী?
কম্পন
মাথা ঘোরা
ঘাম হওয়া
দুর্বলতা
ঝাপসা দেখা
১৫. হাইপারগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ কী কী?
ঘন ঘন প্রস্রাব
বেশি পিপাসা
ক্লান্তি
মাথাব্যথা
ক্ষুধা
১৬. টাইপ ১ ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণ কী?
হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
অতিরিক্ত প্রস্রাব
ইনসুলিনের প্রয়োজন
১৭. টাইপ ২ ডায়াবেটিসের লক্ষণ কীভাবে প্রকাশ পায়?
ধীরে ধীরে লক্ষণ দেখা দেয় যেমন ক্লান্তি, ক্ষুধা, সংক্রমণ বৃদ্ধি, চোখ ঝাপসা ইত্যাদি।
১৮. শিশুদের ডায়াবেটিসের লক্ষণ কী?
হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
ঘন ঘন প্রস্রাব
বিছানা ভেজানো
ক্লান্তি
১৯. গর্ভবতী নারীর ডায়াবেটিসের লক্ষণ কী?
অতিরিক্ত ক্ষুধা
পিপাসা
ইউরিনে গ্লুকোজের উপস্থিতি
২০. চোখে ডায়াবেটিসের প্রভাব কী?
ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি হতে পারে, যা চোখের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।
এখানে ডায়াবেটিস সম্পর্কিত প্রশ্ন ও উত্তর (২১–৪০) দেওয়া হলো:
---
ডায়াগনোসিস (২১–৩০)
২১. ডায়াবেটিস নির্ণয়ের পরীক্ষা কী কী?
ফাস্টিং ব্লাড সুগার (FBS)
পোস্টপ্র্যান্ডিয়াল ব্লাড সুগার (PPBS)
HbA1c
ওরাল গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট (OGTT)
র্যান্ডম ব্লাড সুগার (RBS)
২২. FBS এবং PPBS কী?
FBS (Fasting Blood Sugar): না খেয়ে থাকা অবস্থায় রক্তে গ্লুকোজ পরিমাপ।
PPBS (Postprandial Blood Sugar): খাবারের ২ ঘণ্টা পর রক্তে গ্লুকোজ পরিমাপ।
২৩. HbA1c কী?
গত ৩ মাসের গড় রক্তে শর্করার পরিমাণ দেখায়। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।
২৪. HbA1c কত হলে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে?
৫.৭–৬.৪% = প্রি-ডায়াবেটিস
৬.৫% বা তার বেশি = ডায়াবেটিস
২৫. OGTT পরীক্ষার পূর্ণরূপ কী?
Oral Glucose Tolerance Test
২৬. ডায়াবেটিস রোগীর ইউরিনে কী পরীক্ষা করা হয়?
গ্লুকোজ
কিটোন
প্রোটিন
স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি
২৭. র্যান্ডম ব্লাড সুগার কত হলে ডায়াবেটিস বলা হয়?
২০০ mg/dL বা তার বেশি হলে ডায়াবেটিস ধরা হয় (লক্ষণসহ)।
২৮. প্রি-ডায়াবেটিস বলতে কী বোঝায়?
একটি অবস্থা যেখানে রক্তে গ্লুকোজ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, কিন্তু ডায়াবেটিসের সীমায় না পৌঁছেছে (FBS: 100-125 mg/dL)।
২৯. টাইমিং অনুযায়ী কোন টেস্টটি সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য?
HbA1c – কারণ এটি দীর্ঘমেয়াদি গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণের চিত্র দেয়।
৩০. গর্ভবতীদের ডায়াবেটিস কিভাবে নির্ণয় করা হয়?
OGTT এর মাধ্যমে ২৪–২৮ সপ্তাহে গর্ভাবস্থায় পরীক্ষা করা হয়।
---
চিকিৎসা (৩১–৪০)
৩১. টাইপ ১ ডায়াবেটিসে কী ধরনের ওষুধ ব্যবহার হয়?
শুধুমাত্র ইনসুলিন থেরাপি ব্যবহার হয়।
৩২. টাইপ ২ ডায়াবেটিসে ব্যবহৃত ওষুধ কী?
মেটফর্মিন
সুলফোনাইল ইউরিয়া
DPP-4 ইনহিবিটর
SGLT2 ইনহিবিটর
ইনসুলিন (প্রয়োজনে)
৩৩. ইনসুলিন থেরাপির ধরন কী কী?
শর্ট-অ্যাকটিং
ইন্টারমিডিয়েট
লং-অ্যাকটিং
প্রিমিক্সড ইনসুলিন
৩৪. ইনসুলিন ইনজেকশন কোথায় দেওয়া হয়?
উদর (পেট)
বাহুর বাইরের অংশ
উরুর সামনের অংশ
নিতম্ব
৩৫. ম
সিনিয়র স্টাফ নার্সের ভাইভা বোর্ডে ক্যাথেটারাইজেশন (Catheterization) নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তাদের উত্তর নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো, যেগুলো BPSC ভাইভায় আসতে পারে:
১. ক্যাথেটারাইজেশন কী?
উত্তর:
ক্যাথেটারাইজেশন হল একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যার মাধ্যমে রোগীর মূত্রথলি (urinary bladder) থেকে প্রস্রাব বের করার জন্য একটি টিউব (catheter) প্রবেশ করানো হয়। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন রোগী নিজে প্রস্রাব করতে অক্ষম থাকে।
২. ক্যাথেটার এর ধরনগুলো কী কী?
উত্তর:
কিছু সাধারণ ক্যাথেটার হলো:
Foley catheter (indwelling catheter)
Intermittent catheter (In and out catheter)
Suprapubic catheter
Condom catheter (external catheter)
৩. Foley ক্যাথেটার কী এবং এটি কতদিন রাখা যায়?
উত্তর:
Foley ক্যাথেটার একটি দীর্ঘমেয়াদী ক্যাথেটার যা ইউরেথ্রার মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয় এবং এর বেলুন ব্লাডারে ফোলানো হয় যাতে এটি পড়ে না যায়। সাধারণত এটি ২-৩ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যেতে পারে, তবে নির্ভর করে ডাক্তারি পরামর্শ ও রোগীর অবস্থার উপর।
৪. ক্যাথেটারাইজেশনের ইনডিকেশন (কারণে) কী কী?
উত্তর:
প্রস্রাব বন্ধ থাকা (urinary retention)
সার্জারির পর রোগী প্রস্রাব করতে না পারলে
প্রস্রাবের সঠিক পরিমাণ মাপার প্রয়োজন হলে
বেড রেস্ট থাকা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের জন্য
ইউরিন ইনকনটিনেন্স রোগে কিছু ক্ষেত্রে
৫. ক্যাথেটারাইজেশনের কনট্রা-ইন্ডিকেশন কী?
উত্তর:
ইউরেথ্রার ইনজুরি
পিরোনি’স ডিজিজ (Pe**le deformity or trauma)
ইউরেথ্রাল স্ট্রিকচার
(তবে এ ক্ষেত্রে বিকল্পভাবে suprapubic catheter ব্যবহার করা যেতে পারে)
৬. ক্যাথেটারাইজেশনের সময় কী কী জিনিস প্রস্তুত রাখতে হয়?
উত্তর:
স্টেরাইল ক্যাথেটার (সাইজ নির্ভর করে রোগীর উপর)
ইউরিন ব্যাগ
লুব্রিক্যান্ট জেলি
স্টেরাইল গ্লাভস
ডিসইনফেকট্যান্ট (betadine বা savlon)
স্পঞ্জ হোল্ডার
স্যালাইন/জল
সিঞ্জ ও পানি (Foley ক্যাথেটারের বেলুন ফোলাতে)
৭. নারী ও পুরুষ রোগীর জন্য ক্যাথেটার সাইজ আলাদা হয় কি?
উত্তর:
হ্যাঁ।
নারীদের জন্য: সাধারণত ১৪–১৬ French (Fr)
পুরুষদের জন্য: সাধারণত 16–18 Fr
(সাইজ রোগীর বয়স ও ইউরেথ্রার অবস্থার উপর নির্ভর করে)
৮. ক্যাথেটার ব্যবহারে কী ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে?
উত্তর:
ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI)
ইউরেথ্রার ইনজুরি
ব্লাডার স্প্যাজম
ক্যাথেটার ব্লক হয়ে যাওয়া
Hematuria (রক্তযুক্ত প্রস্রাব)
৯. ক্যাথেটার ব্যবহারের সময় নার্স হিসেবে কীভাবে সংক্রমণ প্রতিরোধ করবেন?
উত্তর:
সর্বদা স্টেরাইল টেকনিক অনুসরণ করা
হ্যান্ড হাইজিন মেনে চলা
ক্যাথেটারের সংযোগ স্থান পরিষ্কার রাখা
ইউরিন ব্যাগ নিচুতে রাখা, কিন্তু মেঝেতে না রাখা
নিয়মিত ক্যাথেটার ও ব্যাগ পর্যবেক্ষণ করা
ইনডুয়েলিং ক্যাথেটার বেশি দিন না রাখা
১০. Foley ক্যাথেটার অপসারণের পর রোগী প্রস্রাব করতে না পারলে কী করবেন?
উত্তর:
রোগীকে পর্যবেক্ষণ করব
উষ্ণ পানির সিটজ বাথ দিতে পারি
প্রাকৃতিকভাবে প্রস্রাবের জন্য পরিবেশ তৈরি (পানির শব্দ, গোপনতা)
যদি ৬–৮ ঘণ্টা পরও প্রস্রাব না হয়, তবে ডাক্তারকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া (পুনরায় ক্যাথেটারাইজেশন বা ব্ল্যাডার স্ক্যান)
এই প্রশ্ন-উত্তরগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে BPSC ভাইভায় ভালো প্রস্তুতি হবে।
শেয়ার করে সকলকে জানার সুযোগ করে দেন
BPSC VIVA-25
অপারেশন থিয়েটার ডিউটি
প্রশ্ন ১: অপারেশন থিয়েটার কী?
উত্তর:
অপারেশন থিয়েটার হলো একটি বিশেষায়িত কক্ষ যেখানে সার্জিক্যাল অপারেশন সম্পন্ন করা হয়। এটি জীবাণুমুক্ত (sterile) পরিবেশে রোগীর নিরাপত্তা ও চিকিৎসকের কাজের সুবিধার্থে প্রস্তুত করা হয়।
প্রশ্ন ২: OT এর ধরন কত প্রকার ও কী কী?
উত্তর:
OT সাধারণত দুই ধরনের হয়:
1. সিন্থেটিক OT – সাধারণ অপারেশনের জন্য।
2. মডার্ন OT বা মডুলার OT – উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন ও এয়ার কনট্রোল সিস্টেমসহ।
জীবাণুমুক্তকরণ ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা
প্রশ্ন ৩: Sterilization বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:
Sterilization হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যেকোনো বস্তু থেকে সব ধরণের জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং ফাঙ্গাস ধ্বংস করা হয়।
প্রশ্ন ৪: Autoclave কী এবং এটি কীভাবে কাজ করে?
উত্তর:
Autoclave একটি যন্ত্র যা উচ্চ তাপমাত্রা (প্রায় ১২১°C) ও চাপ (১৫ psi) প্রয়োগ করে জীবাণুনাশ করে। সাধারণত ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।
অপারেশন থিয়েটার প্রোটোকল
প্রশ্ন ৫: OT এ ঢোকার পূর্বে কী কী সতর্কতা নিতে হয়?
উত্তর:
1. হাত ধোয়া ও জীবাণুমুক্তকরণ
2. সঠিক OT পোশাক পরা (scrub suit, cap, mask, shoe cover)
3. জীবাণুমুক্ত গ্লাভস ব্যবহার
4. Access control মানা
প্রশ্ন ৬: Scrubbing এর নিয়ম কী?
উত্তর:
Scrubbing সাধারণত ৫ মিনিট পর্যন্ত চলে এবং এতে হাত, কবজি ও কনুই পর্যন্ত ভালভাবে antiseptic দিয়ে ঘষে ধুতে হয়।
ইনস্ট্রুমেন্ট ও যন্ত্রপাতি
প্রশ্ন ৭: কিছু Common OT ইনস্ট্রুমেন্ট এর নাম বলুন।
উত্তর:
1. Scalpel
2. Forceps
3. Scissors
4. Retractor
5. Needle holder
6. Suction machine
প্রশ্ন ৮: Instrument গুলো Sterile রাখার পদ্ধতি কী?
উত্তর:
Instrument গুলো autoclave বা chemical sterilizer এর মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করে sterile ট্রেতে সংরক্ষণ করা হয়।
---
OT সেফটি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা
প্রশ্ন ৯: OT তে রোগীর নিরাপত্তা রক্ষায় কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়?
উত্তর:
Patient identification নিশ্চিত করা
Surgical checklist ব্যবহার
Aseptic technique অনুসরণ
Anesthesia monitoring
Fire এবং ইলেকট্রিক সেফটি
প্রশ্ন ১০: OT তে ইনফেকশন কন্ট্রোলের জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়?
উত্তর:
নিয়মিত ক্লিনিং ও ফিউমিগেশন
Proper sterilization
OT staff এর হাইজিন মানা
HEPA ফিল্টার বা Laminar airflow ব্যবহারে এয়ার কন্ট্রোল
📌Topic: জেনে নিন - CV Line কেনো করা হয় ? কোথায় কোথায় করা হয় ?
🔴 Central Venous Line (CV Line) বা Central Venous Catheter (CVC) একটি চিকিৎসাগত টিউব যা বড় কোনো শিরার (central vein) ভিতরে স্থাপন করা হয়, সাধারণত internal jugular vein, subclavian vein, বা femoral vein এর মাধ্যমে।
✅ এর প্রধান কারণগুলো হলো:
1. দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ বা তরল দেওয়ার জন্য
যেমন: chemotherapy, antibiotics, বা parenteral nutrition (TPN)।
2. রক্ত গ্রহণ বা রক্তের নমুনা নেওয়ার জন্য
বারবার পুশ/ভেনিপাংচার এড়াতে CVC ব্যবহার করা হয়।
3. Central Venous Pressure (CVP) মনিটর করার জন্য
এটি fluid balance বুঝতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ICU রোগীদের ক্ষেত্রে।
4. High-risk ওষুধ দেওয়ার জন্য
যেমন: vasopressors (dopamine, norepinephrine), যেগুলো peripheral vein-এ দিলে ঝুঁকি বেশি।
5. Hemodialysis করার জন্য
কিছু central line (যেমন: tunneled catheter) ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
6. বড় অস্ত্রোপচারে anesthetic management বা intensive monitoring এর জন্য
যেমন: cardiac surgery, trauma, burn management ইত্যাদি।
✅ কোথায় কোথায় করা হয় -
Central Venous Line (CV Line) সাধারণত নিচের central vein-গুলোতে প্রবেশ করিয়ে স্থাপন করা হয়:
1. Internal Jugular Vein (IJV)
▪️গলার পাশে থাকে (neck side)
▪️Ultrasound-guided insertion বেশি নিরাপদ
▪️সহজে access করা যায়
▪️Infection এর ঝুঁকি তুলনামূলক কম
2. Subclavian Vein
▪️Collarbone-এর নিচে থাকে
▪️Long-term use এর জন্য ভালো
▪️Pneumothorax (ফুসফুসে বাতাস ঢুকে যাওয়া) এর ঝুঁকি বেশি
3. Femoral Vein
▪️Groin (কোমরের কাছে) অবস্থান
▪️Insert করা সহজ, দ্রুত emergency situation-এ
▪️Infection ও thrombosis-এর ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি
▪️Mobility কমে যায়
4. External Jugular Vein (কমন নয়)
▪️কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, তবে IJV-এর বিকল্প হিসেবে।
#বিপিএসসি_নার্সিং_ভাইবা
🌿 রাজশাহী নার্সিং কলেজে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।☘️
ব্যাপারটা হচ্ছে ভাই ভাইয়ের রক্ত ঝরাচ্ছে এখন। আসলেই মানুষগুলোর জন্যই প্রফেশনের উন্নতি হচ্ছে না। যারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করেছে তাদের উপযুক্ত শাস্তির দাবী করছি।