Online Qur'anul Kareem Academy

Online Qur'anul Kareem Academy

Share

Welcome to Online Qur'anul Kareem Academy. This is a institute for Only Islamic Education.

এই পেইজ এর কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র ইসলামিক শিক্ষা এবং সহি দ্বীন প্রচার করা। রাসূল সাঃ বলেছেন, পৌঁছে দাও অন্যের কাছে একটিমাত্র বাণী হলেও। এখানে বাণী বলতে সেটা হোক কোরআনের আয়াত বা কোন হাদীস বা কোন ইসলামিক তথ্য। তো, যারা যারা এই পেইজে জয়েন করবে, ইনশাআল্লাহ আপনারা আপনাদের পরিচিত সবাইকেও ইনভাইট করবেন। এতে করে যাকে ইনভাইট করবেন তার একটু হলেও ফায়দা হবে আর বিনিময়ে আপনি পাবেন অনেক বেশি সওয়াব। সবাই আমাদের এই পেইজের সাথে থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

24/06/2025

ইতিহাস সবার জানা উচিত, বাচ্চাদের জন্য নিজের ওয়ালে জমা রাখলাম।
# # #
ইহুদী ধর্মের জাতির পিতা এবং ইসলাম ধর্মের জাতির পিতা একজন ই, হযরত ইবরাহীম(আঃ)।
ইবরাহীম(আঃ) এর দুই পুত্র, ইসহাক(আঃ) আর ইসমাইল(আঃ)।

হয়রত ইসহাক(আঃ) এর পুত্র ছিলেন হযরত ইয়াকুব(আঃ), উনার আরেক নাম ইস/রা/ইল। এই ইয়াকুব(আঃ) এর বংশকে আল্লাহ্ তা'আলা বনি-ই/সরা/ইল নামে সম্বোধন করেছেন।

হযরত ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১জনের নাম ছিলো ইয়াহুদা। এই ইয়াহুদা এর বংশই পরবর্তীতে সবচেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে।
তাই, বনি-ই/সরা/ইল এর আরেক নাম ই/হু/দী।

ই/হু/দী ধর্ম আর বংশ দুটো আলাদা।
সব ইহুদী বংশের লোক ইহুদী ধর্মের হলেও সব ইহুদী ধর্মের লোক ই ইয়াহুদার বংশ নয়।
এই ইয়াহুদা ই কিন্তু তার আপন ভাই ইউসুফ(আঃ) কে কূপে ফেলে হত্যা করতে চেয়েছিল!

৪ হাজার বছর আগে ইসহাক(আঃ) এর মৃত্যুর পর ইয়াকুব(আঃ) আল্লাহ্‌'র নির্দেশে শামনগরী (সিরিয়া) থেকে কেনানে হিজরত করেন। এই কেনান ই বর্তমানের ফিলিস্তিন।

এরপর কেনানে (ফিলিস্তিন) দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াহুদা তার সব ভাই এর সাথে মিশরে চলে যায় এবং মিশরে বসবাস শুরু করে।

মিশরের তখনকার রাজা ছিলেন ইউসুফ(আঃ), যিনি ইয়াকুব(আঃ) এর ১২সন্তানের মধ্যে ১১তম। সেই কারণে ইয়াহুদা ও তার বংশ মিশরে অনেক দাপটের সাথে থাকতে শুরু করে।

তারপর কালের পরিক্রমায় ক্ষমতা যায় ফারাও রাজাদের হাতে। ফেরাউন এসে বনি-ই/সরা/ইলদের এত অত্যাচার শুরু করে যে এরা সারাদিন 'ইয়া নাফসী' 'ইয়া নফসী' করতো।
তখন আল্লাহ্ তাদের কাছে পাঠালেন মূসা(আঃ) আর তাওরাত কিতাব। মুসা(আঃ) ফেরাউনকে নীলনদে ডুবানোর মাধ্যমে বনি-ই/সরা/ইল মুক্তি পায়।

তারপর মূসা(আঃ) সবাইকে নিয়ে কেনানে (ফিলিস্তিন) ফিরে যান। পরে তারা সেখানে গিয়ে আল্লাহ্‌'র অশেষ রহমত পাওয়া সত্ত্বেও মুসা(আঃ) এর ওফাতের পর আবার আল্লাহ্‌ কে ভুলে যায়, গরুপূজা সহ নানা রকম অনাচার শুরু করে।

তারপর তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভে নিজেদের একতা ভেঙ্গে যায়, ভিনদেশীরা তাদের এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাদের আবার গোলাম বানিয়ে অত্যাচার করতে থাকে।
এর ১০০বছর পরে দাউদ(আঃ) আর উনার ছেলে সুলাইমান(আঃ) এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা আবারও এই অত্যাচার থেকে তাদেরকে মুক্তি দেন।

কিন্তু সুলাইমান(আঃ) এর মৃত্যুর পর ই/হু/দীরা আবার শয়তানের পূজা শুরু করে। তাদের ভিতরে থাকা ধর্ম ব্যবসায়ীরা তাওরাত কিতাবের মধ্যে নিজেদের সুবিধামত সংযোজন-বিয়োজন করার মতন ধৃষ্টতা দেখায়।
তারা তাওরাতে সংযোজন করে যে, "আল্লাহ্ তায়ালা ইসহাক(আঃ) এর স্বপ্নে কেনানকে ইহুদীদের জন্য প্রমিজ ল্যান্ড হিসেবে দিয়েছেন, এটা তাদের জয় করে নিতে হবে।"
এটাকে তারা 'জেকব লেডার ড্রিম' বলে।

তাদের এমন নির্লজ্জতা ও ধৃষ্টতার কারণে তারা বারবার আল্লাহ্‌'র শা/স্তির মুখে পড়েছে। যেমনঃ
কখনো গৃহহীন হয়ে যাযাবরের মতো ঘুরেছে,
ব্যবিলনীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা গণহ/ত্যার শিকার হয়েছে,
রোমান সাম্রাজ্যের দ্বারা সিরিয়া থেকে আরব দেশে বিতাড়িত হয়েছে।
মহানবী(সাঃ) এর সময় তারা আরব দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে চলে যায় ইউরোপে।
আর উমার(রা:) ফিলিস্তিন ও আল-আকসা বিজয় করেন।
আজ ইস/রা/য়েলের এতো ঘনিষ্ঠ বন্ধু ইউরোপও তখন তাদেরকে আশ্রয় দেয়নি।

বনি-ইস/রা/ইলের এমন পরিণতির কারণ আল্লাহ তায়ালা এর শা/স্তির পাশাপাশি তাদের ব্যবহার!
তখনকার লোকদের ভাষ্যমতে, তারা অত্যন্ত ধূর্ত প্রকৃতির মানুষ ছিল।
তাদেরকে যে জায়গায় আশ্রয় দেয়া হতো সেই জায়গাতেই তারা তাদের প্রতিবেশীর জমি দখল করতো!

ই/হু/দীরা বেশিরভাগ ব্যবসায়ী ছিল আর তাদের ব্যবসা অন্যদের থেকে কৌশলগতভাবে আলাদা ছিলো, যার কারণে যাযাবরের মতো ঘুরলেও তাদের অর্থ-সম্পদ ভালোই ছিল। সেই অর্থ-সম্পদ এর দাপট দেখিয়ে তারা সেইসব এলাকার স্থানীয় লোকদের উপরই ছড়ি ঘুরাতো।
তাই তারা সেইসব এলাকার রাজা ও বাসিন্দাদের দ্বারা বার বার বিতাড়িত হতো।

বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করার পর তারা একসময় বুঝতে পারে যে, যেকোনো সমাজকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে শিক্ষা ও অর্থের বিকল্প নেই।
তাই তারা শিক্ষা অর্জন ও অর্থ উপার্জনের উপর গুরুত্ব দেয়।
তারা বিশ্বাস করে, কেনান তাদের জন্য সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক বরাদ্দকৃত ভূমি।
তারা এটাও বিশ্বাস করে যে, একসময় তাদের একজন মসিয়াহ্‌(দাজ্জাল) এসে তাদের এই ভূমিকে উদ্ধার করে দিবে।

১৮ শতাব্দীতে ই/হু/দীরা তাদের ধর্ম-পরিচয় গোপন করে ইউরোপে বসবাস শুরু করে।
তখন থিওডোর হার্জেল নামে তাদেরই একজন ব্যবসায়ী ফিলিস্তিনকে নিজেদের দখলে আনার লক্ষ্যে ১৮৯৭ সালে জিওনিজম আন্দোলন শুরু করে ই/হু/দীদেরকে আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখানো শুরু করে।
এই আন্দোলনকে যারা সমর্থন করে, তাদেরকে জিওনিস্ট বলে।

যেহেতু ই/হু/দীরা অনেক শিক্ষা অর্জন আর অর্থ উপার্জন করেছিলো, তাই তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মানুষ ইউরোপে ধর্ম গোপন করে থাকলেও কেউ কেউ মেধার জোরে ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করতে, বিজ্ঞানী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে।
তখন তারা শুধুমাত্র পদ দখল করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে নিজেদের একটা রাষ্ট্র গঠনেও প্রচুর সমর্থন সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে থাকে।

তখন ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো, তাদেরকে আফ্রিকার উগান্ডায় থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
ঠিক এমন সময় শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে যুক্তরাজ্য নিজেদের অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য এক ধরনের গ্লিসারিন ইউজ করতো, যেটা আসতো জার্মানি থেকে।
কিন্তু যুদ্ধের সময় জার্মানি যুক্তরাজ্যের বিপক্ষে থাকায় গ্লিসারিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তখন যুক্তরাজ্যকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে চাইম ওয়াইজম্যান নামক একজন ই/হু/দী গবেষক ও ব্যবসায়ী। তিনি গ্লিসারিন এর বদলে এসিটোন দিয়ে অস্ত্র সংরক্ষণের পদ্ধতি শিখিয়ে দেন এবং যুদ্ধে প্রচুর অর্থ সহায়তা দেন।
তার এমন অভুতপূর্ব অবদানের জন্য যুদ্ধের পর যুক্তরাজ্য যখন তাকে পুরস্কৃত করতে চায়, তখন সে জানায় যে তার একমাত্র পুরস্কার হবে তাদের প্রমিজল্যান্ড মানে ফিলিস্তিনে তাদের বসবাসের সুযোগ করে দেয়া!
এখানে উল্লেখ্য, চাইম ছিলেন জিওনিজম আন্দোলনের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

ফিলিস্তিন তখন ছিল উসমানী সালতানাতের দখলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর তুরস্কের ক্ষমতা একেবারে নিঃশেষ হয়ে যায়। সেই সুযোগে ধাপে ধাপে ই/হু/দীরা ফিলিস্তিনে প্রবেশ করতে থাকে।
প্রথমে তারা ফিলিস্তিনিদের কাছে ঘর ভাড়া করে থাকতে শুরু করে, তারপর বেশি দামের লোভ দেখিয়ে সেগুলো কিনতে থাকে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি পরাজয়ের পর পুরো বিশ্বের ক্ষমতা ইউরোপের হাতে চলে যায়।
ই/হু/দীরা তখন স্থানীয় ফিলিস্তিনিদেরকে অত্যাচার-জোর-জবরদস্তি করা শুরু করলে ফিলিস্তিনিরা প্রতিবাদ করে।

তখনই ইউরোপ থেকে ঘোষণা আসে, পুরো ফিলিস্তিনের ৫৫ ভাগ থাকবে ফিলিস্তিনিদের দখলে আর বাকি ৪৫ ভাগ হবে ই/হু/দীদের।
৬লাখ ই/হু/দীর জন্য ৪৫% আর ১২কোটি ফিলিস্তিনির জন্য ৫৫% জায়গা!

জাতিসংঘ থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার পর ই/হু/দীরা ইজ/রা/য়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।নবগঠিত এই রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয় চাইম ওয়াইজম্যান।

ইজ/রায়ে/ল রাষ্ট্র গঠন হওয়ার ঠিক ৬ মিনিটের মধ্যে আমেরিকা তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়!

আর এভাবেই যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে তারা ইয়াকুব(আঃ) এর সাথে কেনানে আসা যাযাবর থেকে আজকে গাজাকে ধ্বংসকারী দানবে পরিণত হয়েছে!

আর বিশ্বের সকল মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানেরা মুখে কুলুপ এঁটে চুপ করে বসে আছেন আর চোখে ঠুঁলি পরে সবকিছুকে না দেখার ভান করছেন!

সংগৃহীত।

16/06/2025

في نار جهنم خالدين فه أبدا 🔥🔥🔥
Congratulations....
আর একটু পরেই জাহান্নাম।
জাহান্নামে দাখিল হও হে কাফিরের দল ❤️

01/06/2025

রাসূল(সাঃ) বলেন,শেষ জমানায় মানুষ আল্লাহর তৈরি সব কিছু নিয়ে মজা করবে। সামান্য কিছু লাভের জন্য সে তার দ্বীন বিক্রি করবে।💔
#জাহান্নাম_নিয়ে_মজা_করছে_কিছু_মানুষ

15/05/2025

যেসব চিহ্নের মাধ্যমে বুঝতে পারবেন, আল্লাহ আপনাকে অনেক ভালোবাসেন ❤️❤️❤️

14/05/2025

একটা ভিডিও দেখলাম মাত্র!
একজন ভদ্রমহিলা কাবা শরীফের গিলাফ ধরে কাঁদতেছেন আর বলতেছেন
" আল্লাহ আমার স্বামী যখন আমাকে গালি দেয় আমাকে মা-গী/ বে-শ্যা বলে আমার কলিজা টা ছিঁড়ে যায়। আমি সহ্য করতে পারিনা। আমি অনেক কষ্ট করে এইখানে আসছি আল্লাহ আমার মনে শান্তি লাগেনা। আমি আমার স্বামীর জন্য অনেক কষ্ট করছি কিন্তু আমি এগুলা আর সহ্য করতে পারতেছি না। তুমি আমার কলিজাটা ঠান্ডা কইরা দাও! না দেয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে যাবোনা"

আমি জানিনা এই কথাগুলো কার কাছে কতোটুকু হিট করতে পারতেছে কিংবা পারবে! আমি এটাও জানিনা আদৌ আল্লাহ ওনার কলিজা ঠান্ডা করে দিয়েছেন কিনা?!...

কিন্তু একটা জিনিস জানি সেটা হলো " ভার্বাল এবিউজ" ফিজিক্যাল এবিউজের মতোই ভয়াবহ।

শরীরের ব্যাথা একসময় উপলব্ধি করা যায় না হিল হবার পর। কিন্তু ভার্বাল এবিউজ এর ক্ষত কখনো সারেনা। এই ক্ষত কখনো ঠান্ডা হয়না এগুলো কানের কাছে বাজতে থাকে। এগুলো কারো কাছে বলা যায়না। কারো কাছে বলা যায় না নিজের স্বামী, বাপ, মা, ভাই বোন অকথ্য ভাষায় এবিউজ করে! কখনোই এটা প্রকাশ করা যায় না। কারন কারো কাছে প্রকাশ করলেও নতুনভাবে এবিউজড হবার ভয় চলে আসে। এই ক্ষত বুকের মাঝে দাউ দাউ করে জ্বলতেই থাকে কেবল।

দেখা যায় যাকে এবিউজ করে এসব ওয়ার্ড বলা হয় সে আজীবন নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকে " আমি তো এমন না আমাকে এমন কেনো বললো? আমি তো ওকে এতো ভালোবাসি আমাকে কিভাবে পারলো বলতে?"

এই কেনোর উত্তর সে আর পায় না। এই " কেনো " তার পুরো জীবনের মানসিক অশান্তির কারন হয়ে যায়।

আমি মনে মনে ওই ভদ্রমহিলার জন্য দুআা করি আল্লাহ যেনো সত্যিই ওনার মন ঠান্ডা করে দেন। এতোটাই উনি ট্রমাটাইজড যে এতো কিছু নিজের জন্য চাওয়া রেখে এই একটা কথা বলতেই কাবা শরিফ ছুয়ে বলে ফেলেছেন।

10/05/2025

যদি মন খারাপ হয় বা খুশি অনুভূত হয়, বা যে কোন কিছুই তোমার মনের অবস্থা হোক না কেনো, তুমি এই নিচের লিংক এ ক্লিক করে তোমার মনের অবস্থা অনুযায়ী দুআ পড়তে পারবে ইনশাআল্লাহ।

হয়ে যাক নতুন কিছু জানা, নতুন কিছু শেখা।
নিজেও শিখো এবং অন্যকেও উৎসাহ দাও।
ইনশাআল্লাহ।

https://www.islamestic.com/i-am-feeling/?fbclid=IwY2xjawKMfWZleHRuA2FlbQIxMQABHoeRyAyswy_0pia3rennn-mGzFM_6xsJD-mZYwOH8CRg46ehjRD3DxkgeHCF_aem_jKH75AsfWn2npvZCOd7ohg

07/05/2025

প্রতিদিন অন্তত একবার এই সূরাগুলো তিলাওয়াত করলে যা যা উপকার পাবেন-

সূরা ইয়াসীন : সকল ইচ্ছা পূর্ণ করে।
সূরা আর রাহমান : মুখের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
সূরা মূলক : ক্ববরের আযাব থেকে রক্ষা করে।
সূরা ওয়াকিআ: রিযিক বৃদ্ধি পায়।

সুবহানআল্লাহ।

06/05/2025

আমরা তো বাংলা, ইংরেজি সব ধরনের শিক্ষাতেই শিক্ষিত হচ্ছি।
আরবী পড়া কিংবা কোরআন সহি শুদ্ধ করে পড়ার গুরত্ব দিই কয়জনে ????
অথচ যদি কোরআন পড়া আমাদের সহি শুদ্ধ না হয়, আমাদের সালাত, দুআ, জিকির কোন কিছুই সহি শুদ্ধ হবে না।
এজন্য আমাদের প্রতিটা মুসলিমের কোরআন পড়া সহি শুদ্ধ করে পড়তে জানা অত্যন্ত জরুরি।

👉 যে সব আপু এবং আন্টিরা কোরআন সহি শুদ্ধ ভাবে পড়তে পারেন না কিংবা পড়লেও ভুল হয়, আপনাদের জন্য আমাদের অনলাইন কোরআনুল কারিম একাডেমি এর পক্ষ থেকে নিয়ে আসা হয়েছে ফ্রি তাজউইদ কোর্স।

🛑 এই কোর্স করলে আপনারা যা যা শিখতে পারবেন -
✅ কোরআন মাজিদ সম্পূর্ণ সহি শুদ্ধভাবে পড়ার নিয়মকানুন।
✅ প্রত্যেকটি হরফের সহি শুদ্ধ উচ্চারণ।
✅ কোরআন পড়ার খুঁটিনাটি।

🛑 কোর্সের সময়কাল এবং ডিটেইলস -
✅ কোর্সের সময় এক মাস।
✅ সপ্তাহে ৪ দিন করে এক মাসে টোটাল ১৬ টি ক্লাস।
✅ সাপ্তাহিক এবং ফাইনাল পরীক্ষা।
✅ প্রত্যেক ক্লাস শেষে হোমওয়ার্ক।
✅ মেসেঞ্জার এবং গুগল মিটে ক্লাস।
✅ প্রতিটি ক্লাস ১ ঘণ্টা করে।
✅ ক্লাস ব্যাচ এ হবে।

🛑 ভর্তি এবং মাসিক ফি -
শুধুমাত্র ভর্তি ফি ২৫০ টাকা প্রযোজ্য এবং মাসিক কোন ফি নেই। পরীক্ষা ফি এবং অন্যান্য বাকি কোন প্রকার ফি নেই।

যেসব আপুরা এই এডভান্স তাজউইদ কোর্স টি করতে চাচ্ছেন, পেইজে ইনবক্স করতে পারেন কিংবা কমেন্ট করতে পারেন। জাযাকাল্লাহু খইরান।

06/05/2025

একজন ফিলিস্তিনী ফুল সংবাদিকদের নিজের ছবি দেখাচ্ছে।
সে আগে দেখতে কেমন ছিলো, না খেতে পেয়ে তার অবস্থা কেমন হয়েছে😭😭😭
ইয়া আল্লাহ! আপনিই ওদের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান আমিন।

05/05/2025

আসসালামু আলাইকুম।

🛑 অফার! অফার! অফার!

👉 ইলমে দ্বীন অর্জন করা প্রত্যেক মুসলিমের উপর ফরজ।
যারা ঘরে বসে সহি শুদ্ধ করে কোরআন শিখতে বা পড়তে চাচ্ছেন, অথবা কোরআন মুখস্থ করতে চাচ্ছেন, আমাদের অনলাইন কোরআনুল কারিম একাডেমি এর পক্ষ থেকে আপনাদের সবার জন্য নিয়ে এসেছি আকর্ষণীয় কিছু কোর্সের অফার। আসন সংখ্যা সীমিত তাই আগ্রহী আপু বা বোনেরা অনুগ্রহ করে ইনবক্স করবেন। সবগুলো ক্লাসই অনলাইন ভিত্তিক এবং সম্পূর্ণ পর্দা মেনটেইন করে করানো হবে।

✅ নূরানী তাজউইদ কোর্স:
এই কোর্স এর মেয়াদ ১ মাস।
সপ্তাহে তিনদিন ক্লাস।
মাসে টোটাল ১২ দিন।
শুধু মাত্র ভর্তি ফি ২০০ টাকা প্রযোজ্য।
কোর্স ফি ফ্রি।
এই কোর্স করার জন্য শুধু আরবী অক্ষর চিনলেই হবে।
যে কোন বয়সের এবং যে কোন যোগ্যতার আপুরা ভর্তি হতে পারবেন।
এই কোর্স করার মাধ্যমে কোরআন সহি শুদ্ধ করে পড়ার নিয়মকানুন খুঁটিনাটি জানতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

✅ কোরআন নাজিরা কোর্স:
এই কোর্স এর মেয়াদ ৩ মাস।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস।
কোরআন মাজিদ রিডিং পড়া জানা থাকতে হবে এই কোর্স করার জন্য।
এই কোর্স করার পর কোরআন সহি শুদ্ধ করে টানা রিডিং পড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
এই কোর্স এর জন্য ভর্তি ফি ১০০ প্রযোজ্য এবং মাসিক ফি ৪০০ প্রযোজ্য।

✅ আমলের সূরা মুখস্থ কোর্স:
এই কোর্স এর মেয়াদ ৬ মাস।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস।
এই কোর্স করার জন্য কোরআন রিডিং পড়া জানতে হবে।
সূরা ইয়াসীন, আর রাহমান, মূলক ,ওয়াক্বিয়া, বাক্বরার শেষ দুই আয়াত, কাহাফ এর প্রথম এবং শেষ ১০ আয়াত, তিন কুল এগুলো সহি শুদ্ধ ভাবে মুখস্থ করানো হবে। এগুলো মুখস্থ করার মাধ্যমে এই সুরাগুলো না দেখে পড়তে পারবেন ইনশাআল্লাহ।
এই কোর্স এর জন্য ভর্তি ফি ১০০ এবং মাসিক ফি ৫০০ প্রযোজ্য।

✅ আমপারা মুখস্থ কোর্স:
এই কোর্স এর মেয়াদ ৩ মাস।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস।
এই কোর্স করার জন্য কোরআন রিডিং পড়া জানতে হবে।
কোরআন মাজিদ এর শেষ পারা (৩০ পারা) মুখস্থ করানো হবে।
এই কোর্স এর জন্য ভর্তি ফি ১০০ এবং মাসিক ফি ৫০০ প্রযোজ্য।

✅ কোরআন হিফজ কোর্স:
এই কোর্স এর জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় নেই।
যার যার মেধা ও ব্রেইন অনুযায়ী একেক জনের একেক সময় লাগতে পারে।
এই কোর্স করার জন্য কোরআন সম্পূর্ণ সহি শুদ্ধ ভাবে পড়া জানতে হবে। এই কোর্স এর উদ্দেশ্য হলো কোরআন মাজিদ সম্পূর্ণ ১ থেকে ৩০ পারা মুখস্থ করানো।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস।
এই কোর্স এর জন্য ভর্তি ফি ১০০ এবং মাসিক ফি ১০০০ প্রযোজ্য।

✅ আরবী ভাষা শিক্ষা কোর্স:
এই কোর্স এর মেয়াদ ৬ মাস।
সপ্তাহে ৩ দিন ক্লাস।
এই কোর্স এসো আরবী শিখি বই থেকে করানো হবে।
এই বইটি সম্পূর্ণ শেষ করার মাধ্যমে আরবী ভাষায় দক্ষ হতে পারবেন। কথা বলতে পারবেন এবং যে কেউ আরবী বললে বুঝতে পারবেন।
এই কোর্স এর জন্য ভর্তি ফি ১০০ এবং মাসিক ৭০০ টাকা প্রযোজ্য।

এছাড়াও আমাদের একাডেমি তে আছে, কায়দা শিক্ষা কোর্স, ইলম অর্জন কোর্স, আরবী হাতের লেখা কোর্স, কোরআন এর তাফসীর কোর্স, উর্দু কায়দা শিক্ষা কোর্স ইত্যাদি।
আমাদের একাডেমির সকল কার্যক্রম শুধুমাত্র মেয়ে এবং মহিলাদের জন্য।

👉 যারা আগ্রহী পেইজে ইনবক্স করবেন কষ্ট করে।
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই আমরা আমাদের সকল কার্যক্রম সহজ ভাবে আপনাদের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি।
আমাদের সকল ক্লাস গুগল মিট / জুম কিংবা What's app এর মাধ্যমে করা হয়। নিয়মিত স্টুডেন্ট দের কে মনিটরিং করা হয় এবং যত্ন সহ প্রত্যেক ক্লাসে পড়ানো হয়।

জাযাকিল্লাহ সবাইকে।

04/05/2025

১৭ শ্রেনীর মানুষ প্রথমবার জান্নাতে যাবে না।

১. হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী।
২. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী।
৩. প্রতিবেশীকে কষ্ট দান কারী।
৪. পিতা মাতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস।
৫. অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি।
৬. প্রতারণাকারী শাসক।
৭. অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী।
৮. খোটাদানকারী ও মদ্যপায়ী।
৯. চোগলখুর।
১০. অন্য পিতার সাথে সম্বন্ধকারী।
১১. গর্ব ও অহংকারকারী।
১২. রাসূল সাঃ এর নাফরমানকারী।
১৩. দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে ইলম অর্জনকারী।
১৪. অকারণে তালাক কামনাকারী।
১৫. কালো কলপ ব্যবহারকারী।
১৬. লৌকিকতা প্রদর্শনকারী।
১৭. ওয়ারিশ কে বঞ্চিতকারী।

(সূত্র: সহীহ বুখারী, নাসায়ী, তিরমিযী, সুনানে বাইহাকি, আবু দাউদ)

03/05/2025

নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, “দাজ্জাল ততক্ষণ পর্যন্ত বের হবে না, যতক্ষণ না মানুষ তার কথা ভুলে যাবে, মিম্বর থেকে দাজ্জালের আলোচনা উঠে যাবে।”

দাজ্জাল প্রকাশের পূর্বে মুসলমান এবং রোমান খৃষ্টানদের মধ্যে বড় ধরনের কয়েকটি যুদ্ধ সংঘটিত হবে। আল্লাহর রহমতে মুসলমানগণ চূড়ান্ত বিজয়ার্জন করবেন।

মুয়ায বিন জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) বলেছেন, “জেরুজালেমে জনবসতি বৃদ্ধি মানে মদীনার বিনাশ।
মদীনার বিনাশ মানে বিশ্বযুদ্ধের সূচনা।
বিশ্বযুদ্ধের সূচনা মানে কনষ্ট্যান্টিনোপল বিজয়।
কনষ্ট্যান্টিনোপল বিজয় মানে দাজ্জালের আবির্ভাব।-”

মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন,- “দাজ্জাল প্রকাশের পূর্বের তিন বছর মহা দুর্ভিক্ষের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হবে।

প্রথম বছর আল্লাহ আসমানকে এক তৃতীয়াংশ বৃষ্টি এবং জমিনকে এক তৃতীয়াংশ ফসল বন্ধ করে দেয়ার আদেশ করবেন।

দ্বিতীয় বছর আল্লাহ আসমানকে দুই তৃতীয়াংশ বৃষ্টি এবং জমিনকে দুই তৃতীয়াংশ ফসল বন্ধ করে দেয়ার আদেশ করবেন।

তৃতীয় বছর আল্লাহ আসমানকে সম্পূর্ণ বৃষ্টি এবং জমিনকে সম্পূর্ণ ফসল বন্ধ করে দেয়ার আদেশ করবেন। ফলে এক ফোটা বৃষ্টি-ও বর্ষিত হবে না। একটি শস্য-ও অঙ্কুরিত হবে না। মুষ্টিমেয় ছাড়া সকল ছায়াদার বস্তু ধ্বংস-মুখে পড়ে নিঃশেষ হয়ে যাবে অর্থাৎ গাছ, পালা ও বৃক্ষকুল নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ”

[ সুনানে ইবনে মাজাহ ]

এই কথা শুনে এক সাহাবী রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞেস করেন, ‘সেদিন তাহলে মানুষ কি খেয়ে জীবন ধারণ করবে হে আল্লাহর রাসূল?’ প্রশ্নের উত্তরে নবীজী (সাঃ) বললেন, "তাকবীর (আল্লাহু আকবার পাঠ) এবং তাহমিদ (আলহামদুলিল্লাহ পাঠ) মানুষের পাকস্থলিতে খাদ্যের কাজ দেবে।-”
(সুবহানাল্লাহ)

[ ইবনে মাজাহ ]

তারপর দাজ্জাল তার দলবল নিয়ে আত্নপ্রকাশ করবে। দাজ্জাল বিশ্বের প্রতিটি শহরে, প্রতিটি অঞ্চলে গিয়ে পৌঁছবে। পৃথিবীতে তার অবস্থান-মেয়াদ হবে চল্লিশ দিন। প্রথম দিনটি এক বৎসর, দ্বিতীয় দিনটি এক মাস, তৃতীয় দিনটি এক সপ্তাহ এবং অবশিষ্ট দিনগুলো স্বাভাবিক দিনের মত হবে। দুই কানের মাঝে চল্লিশ গজের ব্যবধান- এমন গাঁধায় সে আরোহণ করবে।

দাজ্জালের কিছু ক্ষমতা থাকবে যেমন মৃত মানুষকে জীবিত করা, পশু পাখির সাথে কথা বলা ইত্যাদি। সে মানুষের কাছে এসে বলবে- “আমি তোমাদের পালনকর্তা!” তার দুই চোখের মাঝে আরবীতে অবিশ্বাসী লেখা থাকবে। শিক্ষিত অশিক্ষিত সকল মুমিন সেটি পড়তে পারবে। মক্কা- মদীনা ছাড়া প্রতিটি শহরে- প্রান্তরে সে পৌঁছুবে।”

[ মুসনাদে আহমদ ]

ওই সময় ঈমান রাখা খুবিই কষ্টকর হয়ে যাবে। যাদের নড়বড়ে ঈমান তারা দাজ্জালকে বিশ্বাস করবে। দাজ্জালকে খোদা মানবে। ফলে দাজ্জাল আকাশকে বলবে বৃষ্টি দিতে, তারপর বৃষ্টি হবে। জমিনে দাজ্জালের কথায় শস্য ফলবে। ফলে দাজ্জালের কথায় বিশ্বাসি মানুষ সাময়িক সময়ের জন্যে সুখী জীবন যাপন করবে।

অন্যদিকে যারা দাজ্জালকে খোদা মানবে না, তাদের দিন কাটবে কষ্টে।

এভাবেই দাজ্জাল মানুষের ঈমান নষ্ট করবে এই ৪০ দিন ধরে।

[ সহীহ মুসলিম ]

৪০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর দাজ্জলের বিনাশ হবে কোথায়?

উহুদ পর্বতের চূড়ায় উঠে মসজিদে নববীর দিকে তাকিয়ে নবী (সাঃ) উনার অনুসারীদের বলেন, তোমরা কি ঐ সাদা প্রাসাদটি দেখতে পাচ্ছ? অর্থাৎ মসজিদে নববী। সেখানেই তার বিনাশ ঘটবে।-”

[ মুসলিম ]

আল্লাহ আমাদের দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করুন, আমীন।

©

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Matuail
Dhaka
1362

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00