⚡ Ohm’s Law – Electrical System-এর মৌলিক ভিত্তি।
ইলেক্ট্রিক্যাল সার্কিটে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে:
Voltage (V), Current (I) এবং Resistance (R)।
Voltage হলো বৈদ্যুতিক চাপ, যা ইলেকট্রনকে চলতে বাধ্য করে।
Current হলো সেই ইলেকট্রনের প্রবাহ, যা তারের মাধ্যমে লোডে পৌঁছে কাজ সম্পন্ন করে।
Resistance হলো সেই বাধা, যা কারেন্টের প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে।
এই তিনটির সম্পর্ককে বলা হয় Ohm’s Law:
V = I × R
অর্থাৎ, যদি ভোল্টেজ বাড়ে তাহলে কারেন্ট বাড়বে, আর যদি রেজিস্ট্যান্স বেশি হয় তাহলে কারেন্ট কমে যাবে।
এই সূত্র ব্যবহার করে সহজেই সার্কিটের কারেন্ট, ভোল্টেজ এবং রেজিস্ট্যান্স হিসাব করা যায়, যা ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইন, মেইনটেন্যান্স এবং ট্রাবলশুটিং-এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
EEE Knowledge
ইলেট্রিক্যালের গুরুত্বপূর্ণ সব বিষয় জানতে পেইজটি ফলো দিয়ে সাথে থাকুন,⚡
ধন্যবাদ।🌺
সুপারভাইজার লাইসেন্স ভাইভা প্রশ্নোত্তর
১. আপনার নাম, রোল, কোথা থেকে এসেছেন এবং কোথায় কাজ করেন?
২. আপনার প্রতিষ্টানের পাওয়ার ট্রান্সফরমারের রেটিং কত?
উত্তর: আমাদের প্রতিষ্টানের পাওয়ার ট্রান্সফরমারের রেটিং হলো ৭০/৮০ MVA, 132/33 kV। এখানে ৭০ MVA হলো nominal capacity এবং ৮০ MVA হলো maximum overloading capacity।
৩. ট্রান্সফরমারের ভেক্টর গ্রুপ কী?
উত্তর: ভেক্টর গ্রুপ বোঝায় ট্রান্সফরমারের হাই ও লো ভোল্টেজ উইন্ডিংয়ের কানেকশন টাইপ এবং তাদের মধ্যকার ফেজ শিফট। এটি IEC 60076 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়।
৪. ভেক্টর গ্রুপ নির্ণয় করতে হয় কেন এবং কীভাবে?
উত্তর: ভেক্টর গ্রুপ নির্ণয় করা হয় প্যারালাল অপারেশন, সিস্টেম সিনক্রোনাইজেশন এবং ফেজ শিফট বোঝার জন্য। ভেক্টর গ্রুপ নির্ণয় করা হয় ফেজ টেস্ট করে বা ট্রান্সফরমারের নামপ্লেট থেকে।
৫. আপনার ট্রান্সফরমারের ভেক্টর গ্রুপ কী?
উত্তর: আমাদের ট্রান্সফরমারের ভেক্টর গ্রুপ হলো Ynd11।
৬. Ynd11-এ “11” বলতে কী বোঝায়?
উত্তর:
HV side: Star (Y )
LV side: Delta (d), neutral grounded
“11” মানে HV ও LV ফেজগুলোর মধ্যে ১১ x ৩০° = ৩৩০° ফেজ শিফট, অর্থাৎ LV side ৩০° পিছিয়ে (lagging) থাকে।
৭. %Z (Percentage Impedance) কী? এটি কেন নির্ণয় করা হয়?
উত্তর: %Z হলো ট্রান্সফরমারের rated voltage-এ rated current প্রবাহিত করার জন্য যে ইম্পিডেন্স দরকার, তার শতাংশ। এর মাধ্যমে short circuit current, voltage regulation, এবং fault level নির্ধারণ করা যায়।
৮. আপনার ট্রান্সফরমারের %Z কত?
উত্তর: আমাদের ট্রান্সফরমারের পার্সেন্টেজ ইম্পিডেন্স হলো ১৪%।
৯. %Z যদি ১৪% এর বেশি হয় তবে কী হয়? কেন এটি ২৫% করা হয় না?
উত্তর: %Z বেশি হলে শর্ট সার্কিট কারেন্ট কমে, তবে লোড অবস্থায় ভোল্টেজ ড্রপ বেড়ে যায়, সেজন্য অতিরিক্ত %Z এড়িয়ে চলা হয়।
২৫% করলে ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ রেগুলেশন খারাপ হবে ও efficiency কমে যাবে।
১০. পিজিবি পিএলসি ৪০/১০০ MVA ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে, আপনারটা ৭০/৮০ MVA—পার্থক্য কেন?
উত্তর: পিজিবি পিএলসি বড় গ্রিড নেটওয়ার্কে ব্যবহার করে বলে high fluctuation ও reserve margin বিবেচনায় higher spread (40–100) রাখে।
আমাদের system design অনুযায়ী ৭০/৮০ যথেষ্ট।
১১. 132kV সাইডে কানেকশন কী ধরনের?
উত্তর: 132kV সাইডে Star (Y ) কানেকশন থাকে এবং এতে neutral point available থাকে, যা grounding ও protection-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
১২. তাহলে ট্রান্সমিশন লাইনে নিউট্রাল তার থাকে না কেন?
উত্তর: Transmission লাইন সাধারণত three-phase, three-wire system, যেখানে line-to-line voltage ব্যবহৃত হয়। নিউট্রাল grounded থাকে সাবস্টেশনে, লাইন বরাবর নেয়া হয় না।
১৩. আপনার সাবস্টেশন কী ধরনের?
উত্তর: আমাদের সাবস্টেশন হলো GIS (Gas Insulated Substation), যা কম জায়গায় বেশি নিরাপদ ও কম maintenance চাহিদা সম্পন্ন।
১৪. GIS-এ SF₆ গ্যাস ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তর: SF₆ (Sulphur Hexafluoride) হলো একটি inert, non-toxic গ্যাস যার dielectric strength এবং arc quenching ability খুব বেশি, যা breaker ও GIS-এর জন্য উপযুক্ত।
১৫. CRT ট্রান্সফরমারের উইন্ডিং কী দিয়ে তৈরি?
উত্তর: CRT বা অন্যান্য ট্রান্সফরমারের উইন্ডিং সাধারণত electrolytic grade copper বা aluminium দিয়ে তৈরি হয়।
১৬. শর্ট সার্কিট কারেন্ট নির্ণয়ের সূত্র কী?
উত্তর: Isc = Irated/%Z ×100
১৭. IDMT রিলে কী এবং কোথায় ব্যবহার হয়?
উত্তর: IDMT (Inverse Definite Minimum Time) রিলে হলো ওভারকারেন্ট রিলে যার response time কারেন্টের উপর নির্ভরশীল। এটি Distribution এবং Transmission Substation-এর feeder protection-এ ব্যবহৃত হয়।
১৮. এই বক্সটি কী? (স্টার্টার দেখিয়ে)
উত্তর: এটি একটি Star-Delta Starter। এটি ইন্ডাকশন মোটর এর starting current কমাতে ব্যবহৃত হয়।
সাধারণত ৫.৫kW–১৫kW মোটরে ব্যবহৃত হয়।
১৯. সিঙ্ক্রোনাস মোটরের under, normal, over excitation-এর ফেজর ডায়াগ্রাম দেখান।
উত্তর:
২০. আপনি কি হাউজ ওয়্যারিং পারেন?
উত্তর: জি স্যার, আমি হাউজ ওয়্যারিং, DB connection, light, fan, socket, earthing সহ মোট ওয়ারিং সিস্টেম বুঝি ও করতে পারি।
২১. এই রুমে কী ধরনের ওয়্যারিং আছে?
উত্তর: এই রুমে concealed wiring ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে PVC পাইপ, MCB DB board, modular switch/socket ব্যবহার হয়েছে।
সংগ্রহীত
জেনারেটর স্টার্ট দেওয়ার আগে চেক করতে হবে:
১. জ্বালানী – পর্যাপ্ত ডিজেল/পেট্রোল আছে কিনা।
২. ইঞ্জিন অয়েল – লেভেল ও অবস্থান ঠিক আছে কিনা।
৩. কুল্যান্ট/পানি – পর্যাপ্ত আছে কিনা, লিক আছে কিনা।
৪. ব্যাটারি – চার্জ আছে কিনা, টার্মিনাল পরিষ্কার কিনা।
৫. এয়ার ফিল্টার – পরিষ্কার আছে কিনা।
৬. ওয়্যারিং/কানেকশন – সব ঠিকঠাক ও নিরাপদ কিনা।
৭. লোড ব্রেকার পজিশন – OFF আছে কিনা, No Load Condition।
৮. আশপাশের পরিবেশ – ভেন্টিলেশন ঠিক আছে কিনা, আগুনের ঝুঁকি নেই কিনা।
EEE Knowledge
Md Nayan Khan
Bsc in EEE
সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমারে থ্রী ফেজ লাইন দেওয়া যায়?
সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার দিয়ে সরাসরি থ্রি ফেজ লাইন দেওয়া যায় না। কারণ, সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার শুধুমাত্র দুইটি তার (লাইভ ও নিউট্রাল) নিয়ে কাজ করে, যেখানে থ্রি ফেজ সিস্টেমে তিনটি লাইভ ফেজ (R, Y, B) থাকে।
তবে, কিছু নির্দিষ্ট কনফিগারেশনে একাধিক সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে থ্রি ফেজ সিস্টেম তৈরি করা যায়। যেমন:
১. ডেল্টা-ডেল্টা বা ডেল্টা-স্টার কানেকশন:
তিনটি সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার একত্রে থ্রি ফেজ ট্রান্সফরমার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
২. ওপেন ডেল্টা (V-V) কানেকশন:
শুধুমাত্র দুইটি সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে কম লোডের জন্য থ্রি ফেজ সাপ্লাই দেয়া সম্ভব।
৩. বাকী অপশন:
সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমারের আউটপুট দিয়ে যদি শুধুমাত্র একটি ফেজের কাজ চালানো হয়, তাহলে থ্রি ফেজ লাইনের একটি ফেজ থেকে সিঙ্গেল ফেজ সাপ্লাই নেয়া যেতে পারে, কিন্তু পুরো থ্রি ফেজ পাওয়ার দেয়া যাবে না।
সারাংশ:
না, একটি সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার দিয়ে সরাসরি থ্রি ফেজ লাইন দেয়া যায় না। তবে তিনটি সিঙ্গেল ফেজ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে থ্রি ফেজ ট্রান্সফরমার বানানো সম্ভব।
EEE Knowledge
Md Nayan Khan
Bsc in EEE
EARTH TESTER:
আর্থ মেগার (Earth Megger) বা আর্থ টেস্টার মিটারে সাধারণত ৩টি টার্মিনাল থাকে:
১. E (Earth Electrode) – মেইন আর্থিং রডের সাথে সংযুক্ত হয় (যেটার রেসিস্ট্যান্স পরিমাপ করা হবে)
২. P (Potential Electrode) – মেইন আর্থ রড থেকে ৫ থেকে ১০ মিটার দূরে স্থাপন করা হয়
৩. C (Current Electrode) – P ইলেক্ট্রোড থেকে আরও ১০ মিটার দূরে স্থাপন করা হয়.
সংক্ষেপে স্থাপনের বিন্যাস:
E —— 5-10m —— P —— 10m —— C
এই তিনটি টার্মিনালের মাধ্যমে থ্রি-পয়েন্ট মেথডে আর্থ রেসিস্ট্যান্স পরিমাপ করা হয়।
সাধারণ আর্থ মেগারের সর্বনিম্ন পরিমাপক ক্ষমতা: ≈ ০.০১ ওহম (১০ মিলিওহম)
EEE Knowledge
Md Nayan khan
Bsc in EEE
LT ক্যাবল সিলেকশনের বিবেচ্য বিষয়সমূহ:
১. লোডের পরিমাণ: মোট কারেন্ট (Amp) কত হবে।
২. ভোল্টেজ রেটিং: সাধারণত ১.১ কেভি।
৩. ক্যাবলের দৈর্ঘ্য: দূরত্ব অনুযায়ী ভোল্টেজ ড্রপ হিসাব করতে হয়।
৪. ভোল্টেজ ড্রপ সীমা: সাধারণত ২–৫% এর মধ্যে রাখা হয়।
৫. ইনস্টলেশন পদ্ধতি: ট্রে, কনডুইট বা আন্ডারগ্রাউন্ড হলে derating প্রযোজ্য।
৬. টেম্পারেচার: আশপাশের পরিবেশের তাপমাত্রা।
৭. শর্ট সার্কিট সহ্যক্ষমতা: নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সহ্য করতে সক্ষম হতে হবে।
৮. ক্যাবলের ধরন: PVC/XLPE, Armoured/Unarmoured, Copper/Aluminium।
৯. পাওয়ার ফ্যাক্টর ও হারমনিক্স: Inductive লোড ও হারমনিক্স বিবেচনায় রাখতে হবে।
১০. নিরাপত্তা ও স্ট্যান্ডার্ড: BNBC, IEC বা স্থানীয় কোড অনুসরণ।
EEE Knowledge
Md Nayan khan
Bsc in EEE
HT কেবল সিলেকশনে কোন কোন বিষয় বিবেচনা করতে হয়?
১. লোড কারেন্ট (I=P/√3*V*pf)
২. কেবল কারেন্ট বহন ক্ষমতা(চার্ট অনুযায়ী)
৩. শর্ট সার্কিট কারেন্ট
সহ্য ক্ষমতা(Ish=A*√T/k)
৪. %ভোল্টেজ ড্রপ (Vd%=√3*I*L* (Rcos@+Rsin@)*100/V
৫. কেবল দৈর্ঘ্য ও রুটিং
৬. Correction Factor
মাটি/বাতাসের পরিবেশ অনুযায়ী
৭.ক্যাবল টাইপ ও ইনসুলেশন রেটিং ইত্যাদি। XLPE,PVC etc
৮.সেইফটি ও স্টান্ডার্ড অনুসরণ ( IEC 60502, BS 5467, NEC)
বি:দ্র: HT কেবল সিলেকশনে শুধু লোড কারেন্ট না, বরং শর্ট সার্কিট, ভোল্টেজ ড্রপ, দৈর্ঘ্য, রুটিং, correction factor, কেবল টাইপ, ইনসুলেশন রেটিং, আর্থিং, ভোল্টেজ গ্রেড,স্ট্যান্ডার্ড ও ফল্ট লেভেল — সব একসাথে বিবেচনায় রাখতে হয়।
EEE Knowledge
Bsc in EEE
প্রশ্ন: HT (High Tension) কেবল সিলেকশন কিভাবে করা হয়?
উত্তর:
HT কেবল সিলেকশন করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ও কারিগরি বিষয় বিবেচনা করতে হয়। নিচে ধাপে ধাপে তা উল্লেখ করা হলো:
১. লোড নির্ণয় (Load Calculation):
প্রথমে মোট লোড কতো হবে, তা নির্ণয় করতে হয়। লোড হতে পারে মোটর, লাইট, মেশিন ইত্যাদি।
সূত্র:
P = √3*V*I*pf
P = পাওয়ার (Watt বা kW)
V = ভোল্টেজ (Volt)
I= কারেন্ট (Ampere)
Pf = Power Factor
এখান থেকে আমরা কারেন্ট বের করতে পারি:
I =P/√3*V*Pf
২. ভোল্টেজ গ্রেড নির্ধারণ (Voltage Level Selection):
HT কেবলের ভোল্টেজ গ্রেড হতে পারে 3.3kV, 6.6kV, 11kV, 33kV ইত্যাদি।
সিস্টেম ভোল্টেজ অনুযায়ী সঠিক গ্রেড বাছাই করতে হয়।
৩. কেবলের দৈর্ঘ্য ও ভোল্টেজ ড্রপ (Voltage Drop Calculation):
দূরত্ব বেশি হলে ভোল্টেজ ড্রপও বেশি হয়। তাই ভোল্টেজ ড্রপ নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে কেবল সাইজ বড় করতে হতে পারে।
সূত্র:
VD% = √3*I*L*(Rcos@+Rsin@)*100/V
Vd= ভোল্টেজ ড্রপ (Volt)
I = কারেন্ট (Ampere)
L= কেবলের দৈর্ঘ্য (Meter)
X = প্রতি মিটার রেজিস্ট্যান্স (Ohm/m)
ভোল্টেজ ড্রপ সাধারণত মোট ভোল্টেজের 3–5% এর মধ্যে রাখতে হয়।
৪. কারেন্ট বহন ক্ষমতা (Current Carrying Capacity):
লোডের কারেন্ট অনুযায়ী এমন কেবল নির্বাচন করতে হবে, যা সেই কারেন্ট নিরাপদে বহন করতে পারে এবং অতিরিক্ত গরম না হয়।
এর জন্য কেবল প্রস্তুতকারক কোম্পানির Cable Rating Chart অনুসরণ করা হয়।
৫. ইনসুলেশন টাইপ (Type of Insulation):
HT কেবলে সাধারনত নিচের দুই ধরনের ইনসুলেশন ব্যবহৃত হয়:
XLPE (Cross Linked Polyethylene)
PILC (Paper Insulated Lead Covered)
আজকাল অধিকাংশ ক্ষেত্রেই XLPE ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি হালকা, উচ্চ তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে এবং মজবুত।
৬. ইনস্টলেশন পদ্ধতি (Installation Method):
কেবল কোথায় ও কীভাবে স্থাপন করা হবে, তা জানাও গুরুত্বপূর্ণ:
Underground (মাটির নিচে)
Overhead (খোলা আকাশে)
Duct, Tray, বা Pipe দিয়ে
এ অনুযায়ী Derating Factor প্রয়োগ করে কেবল সাইজ বেছে নিতে হয়।
৭. শর্ট সার্কিট ও ফল্ট লেভেল (Short Circuit Rating):
শর্ট সার্কিটের সময় কেবল কত সময় এবং কত কারেন্ট সহ্য করতে পারবে, সেটিও কেবল নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র:
Ish= A*√T/k
Ish = শর্ট সার্কিট কারেন্ট (kA)
A= কেবল এরিয়া (sqmm)
T= শর্ট সার্কিট সময় ( 1-3 sec)
K = কনস্ট্যান্ট (material নির্ভর, যেমন XLPE তামার জন্য = 143,অ্যালুমিনিয়ামের জন্য = 94)
PVC তামার =115 ও Al = 76
৮. সেফটি ও স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ:
IEC 60502, BS 6622, বা PDB-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী HT কেবল সিলেকশন করতে হয়।
উদাহরণ (Example):
একটি 11kV সিস্টেমে 500kVA ট্রান্সফরমারের জন্য কেবল নির্বাচন:
কারেন্ট নির্ণয়:
I = 500*1000/1.732*11000*0.8 =32.8A
এই কারেন্ট অনুযায়ী আমরা 3C 70sqmm XLPE HT Cable বেছে নিতে পারি।
উপসংহার:
HT কেবল সিলেকশনের জন্য কারেন্ট, ভোল্টেজ, দূরত্ব, ইনসুলেশন টাইপ, শর্ট সার্কিট ক্ষমতা এবং স্থাপন পদ্ধতি সব বিবেচনায় নিয়ে প্রকৌশলভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
EEE Knowledge
Md_Nayan_khan
Bsc in EEE
১. 500 KVA ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি কারেন্ট বের করুনঃ
ধরা যাক ট্রান্সফরমারটি ১১ কেভি / ৪০০ ভোল্ট, ৩-ফেজ।
Primary Voltage = 11,000 V
Power = 500 KVA = 500,000 VA
প্রাইমারি কারেন্ট (Line current) হিসাব করবঃ
I = 500000/√3*11000 =26.24A
উত্তরঃ প্রায় 26.24 A (Primary Current at 11kV side)
২. VCB এবং MOCB এর মধ্যে পার্থক্যঃ
VCB=Vacuum Circuit Breaker
MOCB=Minimum Oil Circuit Breaker
সংক্ষেপে: VCB বেশি আধুনিক, নিরাপদ এবং রক্ষণাবেক্ষণ কম লাগে। MOCB পুরনো ধরণের ও বেশি জায়গা নেয়।
৩. GIS Substation কেন ব্যবহার করা হয়?
GIS (Gas Insulated Substation) ব্যবহারের কারণঃ
*জায়গা কম লাগে (কমপ্যাক্ট ডিজাইন)
*দূষণ ও পরিবেশগত ঝুঁকিতে কম *সংবেদনশীল
*রক্ষণাবেক্ষণ কম
*উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা
*সিটি এরিয়ার জন্য উপযুক্ত
GIS-এ ব্যবহৃত গ্যাসঃ
*SF₆ (Sulfur Hexafluoride) গ্যাস
উচ্চ ডাই-ইলেকট্রিক শক্তি arcquenching ক্ষমতা অনেক বেশি
Md Nayan Khan
Bsc in EEE
৩-ফেজ ট্রান্সফরমারের HT (High Tension) সাইডে মেগার টেস্ট (IR টেস্ট) করার সঠিক পদ্ধতি:
*প্রস্তুতি:
1.ট্রান্সফরমার ডি-এনার্জাইজ করুন (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সব টার্মিনাল ভোল্টেজমুক্ত নিশ্চিত করুন)।
2. গ্রাউন্ডিং: ট্রান্সফরমার বডি/আর্থ টার্মিনালে ভালো গ্রাউন্ড কানেকশন দিন।
3. মেগার সেটআপ:
মেগারের ভোল্টেজ রেটিং নির্বাচন করুন (সাধারণত 1000V, 2500V বা 5000V, ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ লেভেল অনুযায়ী)।
প্রোব কানেক্ট করুন:
লাল প্রোব (লাইভ):টেস্ট করা টার্মিনালে।
কালো প্রোব (গ্রাউন্ড): ট্রান্সফরমার বডি/আর্থে।
*টেস্ট পদ্ধতি (৩টি HT টার্মিনালের জন্য):
*১. ফেজ-টু-গ্রাউন্ড (Phase-to-Earth) IR টেস্ট:
প্রতিটি HT টার্মিনাল আলাদাভাবে গ্রাউন্ডের বিপরীতে টেস্ট করুন।
ফেজ R → গ্রাউন্ড
ফেজ Y → গ্রাউন্ড
ফেজ B → গ্রাউন্ড
সাধারণ মান: ≥100 MΩ (নতুন ট্রান্সফরমারের জন্য 1000 MΩ+ আশা করা যায়)।
*২. ফেজ-টু-ফেজ (Phase-to-Phase) IR টেস্ট:
প্রতিটি ফেজ জোড়ার মধ্যে ইনসুলেশন রেজিস্ট্যান্স মাপুন:
R → Y
Y → B
B → R
সাধারণ মান: ≥100 MΩ (ফেজ-টু-ফেজ ইনসুলেশন সাধারণত ফেজ-টু-গ্রাউন্ডের চেয়ে বেশি হয়)।
*৩. সমস্ত HT টার্মিনাল শর্ট করে গ্রাউন্ডের বিপরীতে টেস্ট (ঐচ্ছিক):
R, Y, B টার্মিনাল শর্ট করুন → তারপর গ্রাউন্ডের বিপরীতে মাপুন।
এটি ওয়াইন্ডিং-টু-গ্রাউন্ড সামগ্রিক IR দেখাবে।
রেকর্ড ও বিশ্লেষণ:
1.রিডিং রেকর্ড করুন (1 মিনিট পরের মান নিন, Polarization Index-এর জন্য 10 মিনিটও মাপা যেতে পারে)।
2. তুলনা করুন:
নতুন ট্রান্সফরমার:1000 MΩ+ (গিগা-ওহম রেঞ্জ)।
পুরানো/নোংরা ট্রান্সফরমার: 10–100 MΩ (তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার প্রভাব মাথায় রাখুন)।
3.অস্বাভাবিক রিডিং (≤1 MΩ):ইনসুলেশন ফেইলুর(ময়লা, তেলের কন্টামিনেশন, ময়েশ্চার)।
ফিজিক্যাল ড্যামেজ (ক্র্যাকড বুশিং, কার্বন ট্র্যাকিং)।
সতর্কতা: ডি-এনার্জাইজেশনের পর CAPACITIVE ডিসচার্জ করুন (HT টার্মিনালগুলো শর্ট করে গ্রাউন্ড করুন কিছুক্ষণ)।
মেগার টেস্টের পর টার্মিনাল ডিসচার্জ করুন(মেগারের নিজস্ব ডিসচার্জ ফাংশন ব্যবহার করুন)।
*টিপস
IEEE 43 স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী, Polarization Index (PI) = 10 মিনিটের IR / 1 মিনিটের IR >2.0 হওয়া উচিত (গুরুত্বপূর্ণ ইনসুলেশন হেলথ ইনডিকেটর)।
তাপমাত্রা সংশোধন: IR মান সাধারণত প্রতি 10°C তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে অর্ধেক হয় (রেফারেন্স টেম্পারেচার 20°C বা 40°C)।
✅ **সঠিক পদ্ধতিতে মেগার টেস্ট করলে** ট্রান্সফরমারের ইনসুলেশন হেলথ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়!
স্যাগ (Sag) কাকে বলে? এর সুবিধা ও অসুবিধা কী?
স্যাগ (Sag) হচ্ছে দুইটি বৈদ্যুতিক খুঁটির মাঝে ঝুলন্ত কন্ডাক্টরের নিচের দিকে নেমে আসা বা ঝুলে পড়া অংশ। এটি তারের ওজন, দৈর্ঘ্য, আবহাওয়া ও তাপমাত্রার কারণে সৃষ্টি হয়।
স্যাগের সুবিধা:
১. স্যাগ থাকার ফলে কন্ডাক্টর অতিরিক্ত টান পড়ে না, ফলে তার ছেঁড়া বা খুঁটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।
২. তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে কন্ডাক্টর প্রসারিত হলে জায়গা পায়, তাই চাপ সৃষ্টি হয় না।
৩. হাওয়া ও ঝড়ের সময় কন্ডাক্টর কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
স্যাগের অসুবিধা:
১. বেশি স্যাগ হলে কন্ডাক্টর নিচে নেমে এসে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করে।
২. কম স্যাগ রাখলে অতিরিক্ত টান পড়ে, ফলে কন্ডাক্টর ছিঁড়ে যেতে পারে।
৩. স্যাগ ঠিকমতো ডিজাইন না করলে বিদ্যুৎ পরিবহণে সমস্যা হতে পারে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka
Opening Hours
| Monday | 09:00 - 18:00 |
| Tuesday | 09:00 - 18:00 |
| Wednesday | 09:00 - 18:00 |
| Thursday | 09:00 - 18:00 |
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 18:00 |
| Sunday | 09:00 - 18:00 |