06/05/2025
Conditions
Education is Power
06/05/2025
Conditions
"চেষ্টা করো, হেরে গেলে অভিজ্ঞতা হবে—জিতলে ইতিহাস।
— জাফর ইকবাল
04/05/2025
✍️ ১২টি সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থপূর্ণ গল্প (𝗦𝗜𝗫 𝗕𝗥𝗜𝗘𝗙 𝗦𝗧𝗢𝗥𝗜𝗘𝗦 𝗙𝗨𝗟𝗟 𝗢𝗙 𝗠𝗘𝗔𝗡𝗜𝗡𝗚) (জীবন গঠনের জন্য প্রতিটি গল্প এক একটি শিক্ষা)
1➡️ বিশ্বাস (𝙁𝙖𝙞𝙩𝙝):
একবার সব গ্রামবাসী মিলে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা করার সিদ্ধান্ত নিল।
প্রার্থনার দিন সবাই একত্রিত হলো, কিন্তু শুধু একটি ছোট ছেলে ছাতা নিয়ে এল।
এটাই বিশ্বাস।
2➡️ ভরসা (𝙏𝙧𝙪𝙨𝙩):
যখন আপনি বাচ্চাদের বাতাসে ছুঁড়ে দেন, তারা হাসে—
কারণ তারা জানে আপনি ধরবেন।
এটাই ভরসা।
3➡️ আশা (𝙃𝙤𝙥𝙚):
প্রতিদিন রাতে আমরা ঘুমোতে যাই,
জানিনা সকালে আর জেগে উঠবো কি না,
তবুও আমরা অ্যালার্ম ঘড়ি সেট করি।
এটাই আশা।
4➡️ আত্মবিশ্বাস (𝘾𝙤𝙣𝙛𝙞𝙙𝙚𝙣𝙘𝙚):
আমরা আগামীকাল নিয়ে বড় পরিকল্পনা করি,
যদিও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের কোনো জ্ঞান নেই।
এটাই আত্মবিশ্বাস।
5➡️ ভালোবাসা (𝙇𝙤𝙫𝙚):
আমরা পৃথিবীতে অনেক কষ্ট দেখি,
তারপরও আমরা বিয়ে করি, সন্তান নিই।
এটাই ভালোবাসা।
6➡️ দৃষ্টিভঙ্গি (𝘼𝙩𝙩𝙞𝙩𝙪𝙙𝙚):
এক বৃদ্ধের শার্টে লেখা ছিল:
"আমি ৮০ বছর বয়সী নই; আমি ১৬ বছরের মিষ্টি একটি মেয়ে, যার ৬৪ বছরের অভিজ্ঞতা আছে।"
এটাই দৃষ্টিভঙ্গি।
7➡️ নির্ভরতা (𝘿𝙚𝙥𝙚𝙣𝙙𝙚𝙣𝙘𝙚):
এক ছোট মেয়ে বাবার হাতে একটি ভাঙা খেলনা দিল ঠিক করতে।
সে জানে, বাবা ঠিক করে দিতে পারবেন।
এটাই নির্ভরতা।
8➡️ আশাবাদিতা (𝙊𝙥𝙩𝙞𝙢𝙞𝙨𝙢):
একজন কৃষক বীজ বপন করেন, জানেন না বৃষ্টি হবে কি না,
তবুও তিনি মাটি চাষ করেন।
এটাই আশাবাদিতা।
9➡️ কর্তব্যবোধ (𝘿𝙪𝙩𝙮):
একজন শিক্ষক প্রতিদিন ছাত্রদের শেখান—
জানেন না কে সফল হবে, কে হবে বিফল।
এটাই কর্তব্যবোধ।
10➡️ আত্মনির্ভরতা (𝙎𝙚𝙡𝙛-𝙧𝙚𝙡𝙞𝙖𝙣𝙘𝙚):
একটি পাখি ডালে বসে বিশ্রাম নেয়—
সে ডাল ভাঙবে কি না তা নিয়ে ভাবে না, কারণ তার ডানার উপর ভরসা আছে।
এটাই আত্মনির্ভরতা।
11➡️ উদারতা (𝙂𝙚𝙣𝙚𝙧𝙤𝙨𝙞𝙩𝙮):
এক নারী প্রতিদিন দরিদ্র শিশুদের খাওয়ান—
জানেন না আগামীকাল তার নিজের ঘরে খাবার থাকবে কি না।
এটাই উদারতা।
➡️12মানবতা (𝙃𝙪𝙢𝙖𝙣𝙞𝙩𝙮):
এক পথচারী বৃষ্টির মধ্যে এক ছাতাহীন মানুষকে নিজের ছাতার নিচে আশ্রয় দিলো।
এটাই মানবতা।
জীবন বড় নয়, গভীর।
এই ১২টি গল্প আমাদের শেখায়—
বিশ্বাস করো, ভরসা রাখো, ভালোবাসো, দায়িত্ব নাও,
আশা ও আত্মবিশ্বাসে জীবনকে আলোকিত করো।
এই মানসিক গুণগুলোই আমাদের মানুষ করে তোলে।
আই.টি.পি ভাইবা-২০২৪
ভাইভা বোর্ড আপনাকে শুধু প্রশ্ন করে না — তারা বুঝার চেষ্টা করে, কে এই মানুষটা? একজন আয়কর আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থায় তার কন্ট্রিবিউশন কি হবে!
আপনি জানেন, অনেকেই যারা লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো করেছিল, ভাইভাতে গিয়ে বাদ পড়ে গেছে। কারণ? আত্মবিশ্বাস, আচরণ, আর পরিচিতির ঘাটতি।
নিচের প্রতিটি দিকেই আপনার নজর দিতে হবে:
১. 👔 পোষাক পরিচ্ছেদ
পরিপাটি, আত্মবিশ্বাসী, অথচ বিনয়ী লুক
ফরমাল, ভালোভাবে ইস্ত্রিকৃত পোশাক
আপনি কোনো পদের জন্য আবেদনকারী নন — আপনি একজন প্রতিষ্ঠিত প্রফেশনাল, এটি আপনার লুকে ফুটে উঠবে
২. 🎯 দায়িত্বশীলতা
সময়মতো উপস্থিতি, নোটপ্যাড বা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখা
প্রশ্ন না বুঝলে বিনয়ের সাথে পুনরায় বলার অনুরোধ
আপনার কথায় বোঝাতে হবে আপনি ভবিষ্যতের ক্লায়েন্টদের জন্য প্রস্তুত
৩. 🧠 যুক্তিনির্ভরতা
অপ্রাসঙ্গিক কিছু না বলা
"যতটুকু জানি, সেটুকু স্পষ্টভাবে বলি" — এই কৌশল
সিদ্ধান্তমূলক ভঙ্গিতে উত্তর
৪. 🧘 নম্রতা ও এটিটিউড
গলার টোন নরম, কিন্তু স্পষ্ট
বোর্ডকে “opponents” নয়, “evaluators” ভাবা
প্রশ্নকর্তার চোখে চোখ রেখে সম্মানজনকভাবে কথা বলা
৫. 📚 প্রফেশনালিজম
আয়কর আইনের বেসিক বিষয়গুলি সম্পর্কে বাস্তব উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করার সক্ষমতা
“করদাতার সমস্যা হলে আপনি কী করবেন?” — এরকম প্রশ্নে আপনি যেন সমাধান-ভিত্তিক চিন্তা দেন
মুখে নয়, চিন্তায় ও আচরণে প্রফেশনালিজম ফুটে উঠুক
ভাইবা কক্ষে করণীয় ও কৌশল
✅ প্রশ্ন আসলে আগে শুনুন, ২ সেকেন্ড থামুন, তারপর উত্তর দিন
✅ আপনি না জানলে বলুন: “আমি এখন এটা নিশ্চিত না, তবে আমি রেফারেন্স দেখে নিতে পারি”
✅ উত্তর জানলে যুক্তি দিয়ে দিন — মুখস্থ উত্তর নয়
✅ আপনার পোশাক, চোখের ভাষা, বসার ভঙ্গি — সব যেন বলে “এই মানুষটা প্রস্তুত”
02/05/2025
Bar Council Exam
আপনার নিজের জন্য কি ছয়টা মাস সময় হবে?
একবার ভেবে দেখুন। শুধু ছয় মাস। খুব বেশি না।
এই ছয় মাসে নিজের জীবনের অপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সরিয়ে রেখে শুধুমাত্র নিজের জন্য সময় দিবেন।
কী করবেন এই সময়ে? নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন, নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলবেন।
আমরা প্রায়ই বলি, “সময় পাই না।” কিন্তু সত্যি কি পাই না, নাকি সময়টা এমন কাজে নষ্ট করি, যেগুলো থেকে আমাদের জীবনে কিছুই যোগ হয় না?
ফালতু আড্ডা, অর্থহীন দুশ্চিন্তা, কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করা—এসব বাদ দিলে দেখবেন, আপনার হাতে কত সময় পড়ে থাকে।
চলুন, ছয় মাসের জন্য একটা নতুন পরিকল্পনা করি। এই পরিকল্পনা যদি মেনে চলতে পারেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একেবারে অন্য রকম হয়ে যাবে।
১. ফালতু আড্ডাকে ‘না’ বলুন।
বন্ধু ফোন দিয়ে বলল, “চল, টো টো করে ঘুরি, আড্ডা দিই।” আপনি জানেন, সেই আড্ডা থেকে কোনো কাজের কথা উঠবে না, শুধু সময় নষ্ট। এখন কী করবেন?
বিনয়ের সঙ্গে বলুন, “না রে ভাই, আজ পারব না।” প্রথমে কঠিন লাগবে, কিন্তু একবার চেষ্টা করে দেখুন। প্রতিবার না বলার পর যখন দেখবেন আপনার সময়টা সৃজনশীল কাজে যাচ্ছে, তখন গর্ব অনুভব করবেন।
২. নিজের স্বপ্নটাকে গুরুত্ব দিন।
আপনার কোনো স্বপ্ন আছে, তাই না? হয়তো একটা বই লেখা, নতুন কোনো স্কিল শেখা, বা একটা ব্যবসা শুরু করা। কিন্তু দিনের শেষে সময় আর এনার্জি না থাকায় সেটাকে দমিয়ে রাখেন। এবার সেই স্বপ্নের দিকে সময় দিন।
ছোট ছোট অংশে ভাগ করে প্রতিদিন কাজ করুন। ছয় মাস পরে যখন দেখবেন, আপনার কাজ এগিয়ে গেছে, তখন নিজেকে ধন্যবাদ দিবেন।
৩. যে পরিবেশ আপনাকে গ্রো করতে দেয় না তা থেকে বের হয়ে আসুন।
আপনার আশেপাশে এমন কিছু মানুষ আছে, যারা সবসময় শুধু নেগেটিভ কথা বলে, আপনাকে হতাশ করে? কিংবা এমন পরিবেশ যেখানে বসে শুধু সময় নষ্ট হয়?
এই ছয় মাসের জন্য তাদের থেকে দূরে থাকুন। নিজেকে এমন মানুষের সঙ্গে যুক্ত করুন, যারা আপনাকে উৎসাহ দেয়, অনুপ্রাণিত করে।
৪. দৈনন্দিন কাজগুলো গুছিয়ে নিন।
দিনের কাজগুলোর একটা তালিকা করুন। সকালে উঠে ভাবুন, “আজ কি কি করব?” আর সেটা সময়মতো শেষ করুন।
রাতের শেষে যখন দেখবেন, আপনার সব কাজ শেষ হয়েছে, তখন একটা আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। আর সেই আত্মবিশ্বাস আপনাকে আরও ভালোভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
৫. নিজের শরীরের যত্ন নিন।
এটা খুব জরুরি। আপনার শরীর যদি সুস্থ না থাকে, তাহলে কোনো কাজই এগোবে না। প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।
আর মনের যত্ন নিতে প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট ধ্যান করুন। দেখবেন, আপনার মন শান্ত থাকবে, আর কাজে মনোযোগ আরও বাড়বে।
৬. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিরতি নিন।
ফেসবুক, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম—এগুলো যতটুকু দরকার ততটুকুই ব্যবহার করুন। এই ছয় মাসে ঠিক করুন, দিনে এক ঘণ্টার বেশি এদের পেছনে সময় দেবেন না।
এই সময়টা বরং কিছু শিখতে ব্যয় করুন। একটা অনলাইন কোর্স করতে পারেন, বা একটা নতুন বই পড়া শুরু করতে পারেন।
৭. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন।
নতুন কিছু শেখা মানেই নতুন দরজা খোলা। ছয় মাসের জন্য একটা পরিকল্পনা করুন। প্রতিদিন একটা নতুন স্কিল শেখার চেষ্টা করুন। হয়তো এটা কুকিং, হয়তো ডিজিটাল মার্কেটিং, কিংবা কোনো নতুন ভাষা।
ছয় মাস পরে দেখবেন, আপনি নিজেই একটা সম্পদে পরিণত হয়েছেন।
ভাবুন তো, ছয় মাস পরে আপনি কোথায় দাঁড়াবেন?
ছয় মাস খুব বেশি সময় নয়। কিন্তু এই সময়টা যদি ঠিকমতো ব্যবহার করেন, ছয় মাস পরে আপনার জীবন একদম নতুন মোড় নেবে। আপনি হয়তো নিজের স্বপ্নের একদম কাছে পৌঁছে যাবেন।
জীবনটা ছোট।
কিন্তু আমরা এটাকে আরও ছোট করি অপ্রয়োজনীয় কাজে।
ছয় মাসের জন্য নিজের হাতে নিয়ন্ত্রণ নিন।
নিজের স্বপ্ন, নিজের লক্ষ্য, নিজের ভবিষ্যতের জন্য সময় দিন।
ছয় মাস পর যখন আয়নায় নিজেকে দেখবেন, তখন একজন বদলে যাওয়া মানুষকে দেখতে পাবেন—আর সেই মানুষটি হবে আপনারই আপডেটেড ভার্সন।
তো? এই ছয় মাসের যাত্রা শুরু করবেন কবে?
আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হয়তো আজ থেকেই শুরু হতে পারে।
01/05/2025
সম্পত্তির ভাগ
01/05/2025
আলহামদুলিল্লাহ
বার কাউন্সিলের রিটেনের প্রিপারেশনের জন্য সাজেশন
১. এমসিকিউ এর জন্য যে সেকশনগুলো পড়েছেন সেগুলো ভালো করে রিভাইস করেন।
২. এইবার এমসিকিউ প্রশ্নে যে ধারা, আদেশ, বিধি, অনুচ্ছেদ থেকে প্রশ্ন এসেছে সে গুলো উদাহরন সহ ভালো করে পড়ুন।
৩. যে টপিকস গুলো কোর্ট প্রাক্টিসে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলোকে প্রায়োরিটি দিয়ে পড়ুন।
সবচাইতে ভালো পড়ার পরে প্রতিদিন ৫ টা প্রশ্নের মূল অংশ কী পয়েন্টগুলো লিখুন।
এরপরে নিচের টপিকস গুলো পড়ুন।
বার কাউন্সিল
১. বার কাউন্সিলের গঠন, ক্ষমতা কার্যাবলী
২. বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনাল গঠন, ক্ষমতা, কার্যাবলী। শাস্তির বিরুদ্ধে প্রতিকার কি
৩. বার কাউন্সিল বার এসোসিয়েশনের পার্থক্য
৪. এডভোকেট হওয়ার যোগ্যতা অযোগ্যতা
৫. সহ আইনজীবী, মক্কেল, আদালতত, সাধারন জনগনের প্রতি আচরন
তামাদি
১. বিলম্ব মওকুফ / মুসাবিদা
২. মামলা খারিজ ৩ ধারা
৩. বৈধ অপরাগতা। ব্যতিক্রম ৮ ধারা
৪. তামাদি গননা থেকে যে সময় বাদ যাবে
৫. মৃত্যুর প্রতারণা স্বীকৃতির ফলাফল
সাক্ষ্য
১. প্রমাণের ভার
২. ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা, ৩১, ৬০, ৯২ ধারা আলোচনা
৩. মৃত্যু কালীন ঘোষনা
৪. এস্টোপেল
৫. জবানবন্দী জেরা পুনজবানবন্দী ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন
বৈরী সাক্ষী সাক্ষীর বিশ্বাস যোগ্যতা হরন জেরায় আইনসম্মত প্রশ্ন অনুচিত প্রশ্ন
৬. সাক্ষীর যোগ্যতা
৭. জুডিশিয়াল নোটিশ
৮. স্বীকৃতি
৯. দেওয়ানী ফৌজদারিতে সাক্ষ্য গ্রহন সাদৃশ্য বৈশাদৃশ্য
দেওয়ানী
১. রেস জুডিকাটা, রেস সাবজুডিস
২. সাধারণ এখতিয়ার ৯
আন্চলিক এখতিয়ার
৩। মধ্যস্থততা ৮৯ ক
৪. সহজাত ক্ষমতা ১৫১,সংশোধন ১৫২
৫. মিস জয়েন্ডার, নন জয়েন্ডার
৬. সমন, প্লিডিংস, সংশোধন, আরজি ফেরত, প্রত্যাখ্যান সেট অফ
৭. বিচার্য বিষয়, মূলতবী
৮. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, রিসিভার
৯. রায় ডিক্রী আদেশ
১০. আপীল রিভিউ রিভিশন
দণ্ডবিধি
নরহত্যা খুন
দসুতা ডাকাতি বলপূর্বক চুরি
আত্মরক্ষা অধিকার
ফৌজদারি দায় বহির্ভূত কার্যাবলী
আঘাত গুরুতর আঘাত
অপরাধের যৌথদায়িত্ব
বেআইনি সমাবেশ দাঙ্গা মারামারি
ধর্ষন, জালিয়াতি, কুপ্ররোচনা
ফৌজদারি
পুলিশের ক্ষমতা
শান্তি ভঙ্গ, ভূমি বিরোধ / মুসাবিদা
ম্যাজিস্ট্রেট / দায়রা বিচার পদ্ধতি
চার্জ গঠন উদাহরন সহ
সহযোগী আসামী কে ক্ষমা
জামিন
আপীল রিভিশন
অন্তর্নিহিত ক্ষমতা
মামলা স্থানান্তর
ইনশাআল্লাহ
♦️লিখিত পরিক্ষার জন্য♦️
বৈশিষ্ট্য:
🔸১। বেয়ার এক্ট, লিখিত পরিক্ষার হ্যান্ডনোট, আইন পাঠ, ল, এক্সাম এক্সপার্ট, লিখিত মাস্টার, আইনের হাতেখড়ি, আইন বিদ্যা, লিখিত ম্যাজিক, এনরোলমেন্ট সলিউশন, এবং ৪ টা প্রথম শ্রেনীর কোচিং এর নোটস এর সমন্বয়ে তৈরীকৃত। অবশ্যই নিজের চিন্তাভাবনা, দুইটা বইয়ের মধ্যে ধারা এবং অন্যান্য বিষয়বস্তুতে অমিল থাকলে সেটাকে যাচাই করে নিজের বুদ্ধি দিয়ে ও লেখা হয়েছে।
🔸২। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল বার কাউন্সিল পরীক্ষা এবং জুডিশিয়ারির প্রশ্নের উত্তর। অবশ্যই লিখিত পরীক্ষায় প্রশ্ন বোঝাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, তাই প্রতিটি উত্তর লেখার আগে, সেই ব্যাপারে কত ধরনের এবং কেমন প্রশ্ন আসতে পারে সকল কিছু উপরে উল্লেখ করা আছে।
🔸৩। প্রত্যেকটি সাবজেক্ট কেই, আলাদা বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে আলাদা আলাদা অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে। যেমন: ধরা যাক, ফৌজদারী কার্যবিধি: অধ্যায় এর নাম (জামিন) এই জামিন সংক্রান্ত যত বইয়ে, যত নোটস এ যত রকমের বর্ণনামূলক প্রশ্ন আছে সকল কিছু প্রথমে লিখা হয়েছে, তারপর সমস্যামূলক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়েছে, তারপর মুসাবিদা থাকলে সেটাও দেওয়া হয়েছে। সুতরাং, জামিন অধ্যায়ে জামিন সংক্রান্ত যত রকমের বর্ণনামূলক, সমস্যামূলক এবং মুসাবিদা রয়েছে সকল কিছু দেওয়া হয়েছে। এইভাবে প্রতিটি অধ্যায় আলাদা করে লেখা আছে।
🔸৪। সকল প্রশ্নের উত্তর হুবহু বই এবং নোটস থেকে কপি করা না, যেই যেই লাইনগুলো সাধারণ স্টুডেন্টরা বুঝতে পারে সেই লাইন গুলোকে তুলে দেওয়া হয়েছে, এবং যেই লাইনগুলো অতীব কঠিন কিন্তু তুলে ধরাটা প্রয়োজন সেটা সহজ ভাষায় নোটস এ লিখা আছে।
🔸৫। শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ কেস রেফারেন্সগুলি দেওয়া হয়েছে। যাতে সবাই বুঝতে পারে এবং মনে রাখতে পারে।
🔸৬। নোটস এর শুরুতেই প্রত্যেকটি ধারা বেয়ার এক্ট থেকে গুছিয়ে ছোট করে আলোচনা করা আছে।
🔸৭। দণ্ডবিধির ধারা,অপরাধ এবং শাস্তি, ছক আকারেও দেওয়া আছে।
🔸৮। তামাদি আইন এর অনুচ্ছেদ এবং দেওয়ানী কার্যবিধি এর আদেশ সুন্দর করে ছক আকারে দেওয়া আছে।
🔸৯। মুসাবিদা সুন্দর করে গুছানো আছে। আর একটা বিষয়বস্তুর ওপরে একটাই মুসাবিদা আছে। যাতে এই নোটস এর মুসাবিদা একবার বুঝতে পারলে সেই ধরনের যত মুসাবিদা আসুক লিখা যাবে।
🔸১০। দণ্ডবিধির সমস্যামূলক প্রশ্ন অনেক সুন্দর করে লিখা আছে, আপনি যত বই থেকেই সমস্যা পরেন, এই নোটস এতা লিখা আছে।
বার কাউন্সিল তালিকাভুক্তি এমসিকিউ পরিক্ষায় পাশকৃত সকলকেই জানায় অভিনন্দন।
যারা পাশ করতে পারেন নি হতাশ হবেন না চেষ্টা চালিয়ে যান।