Allama Yasin Islamic Research Centre

Allama Yasin Islamic Research Centre

Share

একটি কল্যাণমুখী ইসলামিক গবেষণা কেন্দ

21/03/2024

ঢাবির বর্তমান তথাকথিত প্রগতিশীলদের জানা উচিত যে, ঢাবিতে পূর্বে মুসলিম ছাত্রদের কি কি ধর্মীয় অনুষ্ঠান হতো এবং যেখানে মুসলিম ও হিন্দু শিক্ষকগণও উপস্থিত থাকতেন। সেখানে ছাত্রদের নামাজ পড়া বাধ্যতামূলক ছিল। হাউস টিউটরগণ ছাত্রদের ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। নিচের লেখাটি সকলের পড়া উচিৎ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে - বার্ষিক মিলাদ মাহফিল

ধর্মীয় আবহ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি হলে-জগন্নাথ ও মুসলিম হলে-বেশি ছিল। জগন্নাথ হলে পূজা-পার্বণ আর মুসলিম হলে নামাজ-রোজা। পরীক্ষায় ভালো ফলের চেয়ে ধর্মীয় অনুশাসন পালনের ওপর জোর ছিল বেশি। ড. মুহম্মদ আবদুর রহিম লিখেছেন : মুসলিম হলের জন্য দুইজন হাউস টিউটর নিয়োগ করা হয়। একজন ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরির সহকারী লাইব্রেরিয়ান (sub-librarian) মি. ফখরুদ্দীন আহমদ এমএ। তাঁর উপর হলের ছাত্রদের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব ন্যস্ত হয়। আর একজন হাউস টিউটর ছিলেন মি. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, এমএ বিএল; তিনি হলের ছাত্রদের ধর্মীয় শিক্ষার দায়িত্ব (House Tutor in-charge of Religious Instruction) বহন করতেন। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ধর্ম বিষয়ে বক্তৃতার ব্যবস্থা ছিল এবং ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকরা ও অন্য বক্তারা ইসলাম ধর্ম এবং সংস্কৃতি বিষয়ে বক্তৃতা দিতেন। রোববার দিন বিকেলে কুরআন ক্লাসের ব্যবস্থা হতো। প্রত্যেক আবাসিক ছাত্রের জন্য নামাজ অবশ্য- কর্তব্য (compulsory) ছিল। ['ইতিহাসের ধারায় এস এম হল']

সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের বার্ষিক মিলাদ মাহফিল ছিল একটি উল্লেখযোগ্য উপলক্ষ। বর্তমানে মিলাদুন্নবী বা কুলখানি-চেহলাম ইত্যাদিতে যে ধরনের মিলাদের আয়োজন দেখা যায়, তার সঙ্গে সেই মিলাদ মাহফিলের কোনো মিলই নেই। সে মিলাদ যতটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান ছিল, ততটাই বা তার চেয়ে বেশি ছিল সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অধিকাংশ সময় ড. শহীদুল্লাহ মুসলিম হলের মিলাদ পরিচালনা করতেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অন্য কোনো অধ্যাপক। প্রথম দিকে ড. আবদুস সাত্তার সিদ্দিকীও মিলাদ পরিচালনা করতেন।

মিলাদ মাহফিল ছিল আলোচনা সভার মতো। ওই ব্যবস্থা প্রবর্তনের প্রধান কৃতিত্ব এ এফ রহমান ও আবুল হুসেনের। হজরত মোহাম্মদ (স.)-এর জীবনের বিভিন্ন দিক এবং ইসলামের ইতিহাস ও মুসলিম ধর্মতত্ত্বের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে হলের মিলাদে আলোচনা ও রীতিমতো বিতর্ক হতো। এখন ভাবলে বিস্ময়কর মনে হবে, মুসলিম হলের মিলাদের আলোচনায় হিন্দু অধ্যাপকেরাও অংশ নিয়েছেন। বিশেষ করে বাংলা বিভাগের চারু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করেন এ ডব্লিউ মাহমুদ। বিশের দশকের শেষ দিক থেকে বহু বছর হলের বার্ষিক মিলাদে ইতিহাসের রিডার (সহযোগী অধ্যাপক) ড. কালিকারঞ্জন কানুনগো হজরত মোহাম্মদ (স.)-এর জীবন ও ইসলামের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতেন।

চট্টগ্রামের অধিবাসী ড. কানুনগো ছিলেন একজন ইসলামের ইতিহাসবিশেষজ্ঞ। কোরআন, হাদিস ও ইসলামি শাস্ত্র সম্পর্কে তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল। তাঁর Islam and its Impact on India একটি অমূল্য গবেষণামূলক গ্রন্থ। তাঁর আরেকটি বই রাজস্থান কাহিনীও গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

কালিকারঞ্জন কানুনগো, নলিনীকান্ত ভট্টশালী, চারু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ ইসলাম নিয়ে যেভাবে খোলামেলা কথা বলেছেন, আজ ৮০ বছর পর আমাদের সমাজ অথবা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তা ভাবতেও পারবে না। শহীদুল্লাহ যে বছর প্যারিস যান, সে বছর হলের আলোচনায় চারু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন: 'জ্ঞানই তো বেহেস্ত, অজ্ঞানতাই দোজখ। ইসলাম জ্ঞানসাধনার উপর জোর দিয়েছে। জ্ঞানের সাধনা করলে বাইরের বিভেদ থাকবে না। সব ধর্মের ঈশ্বর এক-বাইরের আচার-অনুষ্ঠান ভিন্ন। মহাত্মা হজরত মোহাম্মদের ধর্ম নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করলে মুসলমানরা আবার নতুন সভ্যতা সৃষ্টি করতে পারবে।' সমকালীন ভারতের মুসলমানদের ভুলভ্রান্তি নিয়েও তিনি আলোচনা করেন বলে কাজী আনওয়ার-উল হক জানান।

হরিদাস ভট্টাচার্য নিষ্ঠাবান হিন্দু বলে পরিচিত ছিলেন। তিনিও মুসলিম হলের মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত থাকতেন এবং ইসলামি নীতিবাদ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন বলে দেওয়ান আজরফ জানান। অবশ্য পরবর্তীকালে ষাটের দশকে হলের মিলাদে অথবা শহরের অন্য কোনো মিলাদ মাহফিলে গোবিন্দচন্দ্র দেবও উপস্থিত থাকতেন।
(collected)

13/02/2024

‘সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহর দরবারে আমলনামা পেশ করা হয়। আমি চাই, আমার আমলনামা রোজাবস্থায় পেশ করা হোক।’ (তিরমিজি : ৭৪৭)।

13/02/2024

যে লোক একটি দিন রোযা রাখবে, আল্লাহ তার মুখমন্ডল জাহান্নাম হতে সত্তর বছর দূরে সরিয়ে রাখবেন। (বুখারী ও মুসলিম)

13/02/2024

১৯৮২. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার মাতা) উম্মু সুলাইম (রাযি.)-এর ঘরে আগমন করলেন। তিনি তাঁর সামনে খেজুর ও ঘি পেশ করলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমাদের ঘি মশকে এবং খেজুর তার বরতনে রেখে দাও। কারণ আমি সায়িম। এরপর তিনি ঘরের এক পাশে গিয়ে নফল সালাত আদায় করলেন এবং উম্মু সুলাইম (রাযি.) ও তাঁর পরিজনের জন্য দু‘আ করলেন। উম্মু সুলাইম (রাযি.) আরয করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি ছোট ছেলে আছে। তিনি বললেনঃ কে সে? উম্মু সুলাইম (রাযি.) বললেন, আপনার খাদেম আনাস। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণের দু‘আ করলেন। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহ! তুমি তাকে মাল ও সন্তান-সন্ততি দান কর এবং তাকে বরকত দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি আনসারগণের মধ্যে অধিক সম্পদশালীদের একজন। এবং আমার কন্যা উমায়না আমাকে জানিয়েছে যে, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) বসরায় আগমনের পূর্ব পর্যন্ত একশত বিশের অধিক আমার নিজের সন্তান মারা গেছে। হুমায়দ (রহ.) আনাস (রাঃ)-কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন। (বুখারীর ৬৩৩৪, ৬৩৪৪, ৬৩৭৮, ৬৩৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৫৫ ও ১৮৫৬)

12/02/2024

মুহাম্মদ ইবনু মূসান্না (রহঃ) ... আবূ বাকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ তা‘আলা যেদিন আসমান যমীন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন থেকে সময় যেরূপে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেরূপে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। যুল-কা‘দাহ, যূল-হিজ্জাহ ও মুহাররম তিনটি মাস পরপর রয়েছে। আর এক মাস হল রজব-ই-মুযার যা জুমাদা ও শাবান মাসের মধ্যে অবস্থিত।
(বুখারী)

26/09/2023

আলী ইবন হুসাইন হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেন, ইসলামের সৌন্দর্যের মধ্যে ইহাও রহিয়াছে যে, মানুষ অপ্রয়োজনীয় কথা ও কাজ ত্যাগ করিবে।
(মুয়াত্তা,ইমাম মালেক)

08/03/2023

৪৪৫. আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ মসজিদে সালাতের পরে হাদাসের পূর্ব পর্যন্ত যেখানে সে সালাত আদায় করেছে সেখানে যতক্ষণ বসে থাকে ততক্ষণ মালাকগণ তার জন্যে দু‘আ করতে থাকেন। তাঁরা বলেনঃ হে আল্লাহ! তাকে ক্ষমা কর। হে আল্লাহ! তার উপর রহম কর। (১৭৬; মুসলিম ৫/৪৯, হাঃ ৬৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩২)

21/01/2023

হে আল্লাহ! আমরা তোমাকে তাদের মোকাবেলা করলাম [তুমিই তাদের প্রতিহত কর] এবং তাদের অনিষ্টতা হতে তোমার কাছে আশ্রয় নিলাম)। (আহমাদ ও আবূ দাঊদ)

22/11/2022
21/11/2022

বিশ্বকাপের আসরে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত কারী কে এই"গনিম-আল-মুফতাহ্"?

কাতারের সবচেয়ে প্রতিষ্ঠিত এবং বিখ্যাত একজন ব্যক্তি।। কারণ,, এনার হাত ধরেই বেজে উঠলো ফিফা বিশ্বকাপের দামামা।। 2022 সালের বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবলের আসরের উদ্বোধন করলেন গনিম-আল-মুখতাহ্।।" আল বাইয়াত ষ্টেডিয়ামের এই অনুষ্ঠান উপভোগ করলো গোটা বিশ্বের ফুটবল প্রেমী মানুষ।।

"গনিম-আল-মুখতাহ্" এর শরীরের নিচের অংশ নেই,, জন্মের আগেই দুটো পা হারিয়ে ফেলেন।। "কোডাল রিগ্রেশন সিনড্রোম" রোগে আক্রান্ত গনিমের শরীরের নিম্নাংশ না থাকা সত্বেও তিনি গোটা কাতার তথা আরব দুনিয়ার একজন রোল মডেল।। আরবের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে তাঁর ভক্ত,, সমর্থকবৃন্দ।।

তিনি একজন বিশ্ববিখ্যাত মোটিভেশনাল স্পীকার।। তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে উজ্জীবিত,, বর্ণময় হয়ে ওঠে হাজার বর্ণহীন জীবন।।

গনিম যখন মাতৃগর্ভে রয়েছেন,, তখনই আলট্রা-সাউন্ড মেশিনে ধরা পড়ে তাঁর শরীরের অবিকশিত অংশ।। ডাক্তার গর্ভপাতের নিদান দেন।। কারণ,, অপূর্ণাঙ্গ সন্তানের জন্ম দেওয়ার চেয়ে তাকে জঠরে হত্যা করে দেওয়া শ্রেয়।।

গনিমের মাতা-পিতা এই সিন্ধান্ত মেনে নিতে পারলেন না।। কারণ,, ইসলামের বিধান অনুযায়ী গর্ভপাত হলো চূড়ান্ত অপরাধ।।

মাতা "ইমান-উল-আবদেলি" এবং পিতা "মুহাম্মদ-আল-মুফতাহ্" এটাকে মহান আল্লাহর সিন্ধান্ত হিসেবে মেনে নিয়ে,, বিকলাঙ্গ সন্তানের জন্ম দিলেন।। মাতা পিতার উদ্দেশ্যে বলেন - "আমি হবো সন্তানের বাম পা,, আর,, তুমি হবে তার ডান পা।। আমরা দুজনে সন্তানকে কখনো নিম্নাংশের অভাব টেপ পেতে দেবো না।।"

5-ই মে 2002 সালে পৃথিবীর আলো দেখেন গনিম।। শিশুকাল থেকেই পদে পদে সামাজিক বঞ্চনার শিকার হয়ে পড়েন তিনি।। স্কুল,, খেলার মাঠ সহ বিভিন্ন জায়গায় তাঁকে অপমানিত করা হতো।। তিনি এসবের তোয়াক্কা না করেই এগিয়ে যেতেন নিজ পথে,, একেবারে নিজস্ব ছন্দে।। বন্ধুদের বোঝাতেন - তাঁর অসম্পূর্ণ শরীরের জন্য তিনি মোটেও দোষী নন।। আল্লাহ তাঁকে যে পরিমাণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ প্রদান করে পাঠিয়েছেন,, এর জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।।

নিজের সহপাঠী,, বন্ধুবান্ধব-কে এসব বোঝাতে বোঝাতে নিজের অজান্তেই তিনি হয়ে ওঠেন একজন মোটিভেশনাল স্পীকার।।

একদিন যাঁর ভুমিষ্ট হওয়া নিয়েই যথেষ্ট সন্দেহ ছিলো,, তাঁর হাতে উদ্বোধন হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত এক প্রতিযোগিতার আসর।।

কাতারের 20 বছর বয়সী প্রতিবন্ধী যুবক আজ সেদেশের শান্তির দূত হিসাবে গোটা বিশ্ব দরবারে পৌঁছে গেছেন।। এছাড়া তিনি একজন মোটিভেশনাল স্পীকার,, কবি,, সাহিত্যিক,, দারুণ বক্তা হিসাবে আরব দুনিয়া তথা গোটা বিশ্বের কাছে সমাদৃত।।

আজ তিনি কাতার সরকারের প্রধান প্রতিনিধি হিসাবে বিশ্বের দরবারে নিজের পরিচিতি তুলে ধরলেন।।

ধন্যবাদ,, গনিম-আল-মুফতাহ্।।"

আপনি প্রমাণ করে দিলেন,, শারিরীক প্রতিবন্ধকতা সাফল্যের পথে কোনো অন্তরাল হয়ে উঠতে পারে না।।
(কপি)

03/02/2022

ফেরাউন তার দেশে উদ্ধত হয়েছিল এবং সে দেশবাসীকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে তাদের একটি দলকে দূর্বল করে দিয়েছিল। সে তাদের পুত্র-সন্তানদেরকে হত্যা করত এবং নারীদেরকে জীবিত রাখত। নিশ্চয় সে ছিল অনর্থ সৃষ্টিকারী। (সূরাঃ আল কাসাস, আয়াতঃ ৪)

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Dhaka
1214