আসসালামু আলাইকুম
যেকোনো পাখি বিষয়ক সমস্যা সমাধানে আমাদের নক দিন, ইনশাল্লাহ সর্বোচ্চ হেল্প লাইন হওয়ার চেষ্টা করবো।🥰🦜🥀
Budgie Birds House
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Budgie Birds House, Education, Dhaka.
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় পাখাল ভাই ও বোনেরা!🥰🥀
22/03/2022
02/12/2021
স্ত্রী-পুরুষ বাজরীগার সনাক্ত করার উপায়ঃ
আমরা অনেকেই বাজরীগার কিনার সময় স্ত্রী-পুরুষ চেনতে ভুল করে ফেলি ফলে আমরা কেনার সময় একই লিঙ্গের দুটি পাখি কিনে ফেলি যার ফলে আমাদের আমাদের আশা অনুরুপ ফল পাই না এবং বাজরীগার পালন থেকে সরে পরি।
কিন্তু আমরা জানি না যে কিছু বিষয় জানা থাকলে বাজরীগার স্ত্রী-পুরুষ চেনা খুবই সহজ। বাজরীগার বয়স ৩ মাস হলেই ঠোঁট দেখে বাজরীগার স্ত্রী-পুরুষ সনাক্ত করা যায়। সাদা এবং হলুদ, হারলে কুইন, ইনো, ফ্যালো বর্নের বেলায়ও লাল চোখের পাখি ছাড়া যে কোন বর্ণের পাখির নাকের অংশ নীল বর্ণের হলে বুজতে হবে এটা পুরুষ পাখি, প্রথম দিকে সাদা এবং পরে ধীরে ধীরে বাদামি বা ময়লাটে হলে বুজতে হবে এটা স্ত্রী পাখি। ৮ মাস বয়সে এরা প্রজনন উপযোগী হয়।
সাদা এবং হলুদ বা এই দুই বর্ণের পাইড মিউটেশ্ন এর ক্ষেত্রে পুরুষ পাখির নাকের অংশ গোলাপি বর্ণের ও মসৃণ হয়া থাকে এবং স্ত্রী পাখির নাকের অংশ বাদামী বর্ণের ও খসখসে এবং ময়লাটে হয়।
নিম্নোক্ত ছবি দেখলে পুরুষ বাজরীগার ও স্ত্রী বাজরীগার সনাক্ত করা যাবেঃ
02/12/2021
বাজরীগার পাখির উৎপত্তিঃ
বাজরীগার পাখির উৎপত্তিবর্তমানে বাজরীগার পাখি অনেক পরিচিত একটি পাখির নাম। বাজরীগার পাখিকে সর্বপ্রথম ১৭০০ শতাব্দীতে অস্টেলীয়াতে রেকর্ডভুক্ত করা হয়। তার কিছু দিনের মধ্যেই এই পাখি নিয়ে শুরু হয় অনেক আলাপ আলোচনা। মানুষ শুরু করতে থাকে এই পাখির উপর গবেষণা। এরই মধ্যে অস্টেলীয়ার লোকজন এই পাখির প্রতিপালন করতে সুরু করে।
এবং এরপর মানুষ আস্তে আস্তে বুঝতে পারে এবং জানতে পারে এই পাখির স্বভাব-চরিত্র, খাদ্যাভাস এবং ঘন ঘন ব্রীডিং করার কথা। বাজরীগারের সংখ্যাধিকের কারনে অস্টেলীয়ার সরকার আর এই পাখি পালনের উপর আর কোন বিধি নিষেধ রাখেনি।
02/12/2021
বাজরীগার পাখির সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
বাজরিগার পাখির সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
সাধারন নামঃ বাজরীগার (Budgerigar)
বৈজ্ঞানিক নামঃ মেলোপসিট্টাকাস আনুডুলেটাস (Melopsittacus Undulatus)
আদি নিবাসঃ প্রধানত অস্টেলীয়ার পূর্ব ও দক্ষিন-পশ্চিম উপকূল অঞ্চলসহ সমগ্র বনাঞ্চল। এছাড়াও তাস্মেনিয়া এবং এর প্রতিবেশী কয়েকটি দেশেও এর বিস্তার ছিল।
শারীরিক বৈশিষ্টঃ সাধারনত বন্য বাজরীগার লম্বায় প্রায় ৬.৫ – ৭ ইঞ্চি এবং খাঁচায় প্রায় ৭ - ৮ ইঞ্চি। ওজন বন্য ২৫ - ৩৫ গ্রাম এবং খাঁচায় ৩৫ - ৪০ গ্রাম পর্যন্ত হয়।
স্ত্রী পুরুষ চেনার উপায়ঃ ৪ মাস বয়স পার হলেই নাকের বর্ন দেখে স্ত্রী- পুরুষ সহজেই চেনা যায়।
আয়ুস্কালঃ বনে গড় আয়ু ৪-৫ বছর এবং খাঁচায় ১০-১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।
প্রজননঃ বাজরীগার ৪ মাস বয়স থেকেই প্রজননে সক্ষম কিন্তু ৮ মাসে প্রজনন ক্ষমতা অনেক বেশী হয়। প্রথমবার ৪-৫ টি ডিম পারলেও এর পর থেকে ৬-৮টি পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। ১৮ দিন তা দেয়ার পর প্রথম বাচ্চা ফোটে এবং ৩০-৩৫ দিনে উড়তে শেখে।
বিভিন্ন নামঃ আমেরিকায় লিট্টল প্যারাকিট নামে পরিচিত। এছাড়াও এই পাখী বাজী বা শেল প্যারাকিট, ক্যানারী প্যারট,জেব্রা প্যারট, কমন পেট প্যারাকিট,আন্ডুলেটেড প্যারাকিট আমাদের দেশে বাজরীগার এবং পশ্চিমবঙ্গে বদরী নামেও পরিচিত।
02/12/2021
বাজরীগার (Budgerigar) খাঁচা ও উপযুক্ত পরিবেশঃ
পাখি সংগ্রহ করার পূর্বে যে ৩ টি বিষয় খেয়াল করতে হবে,
(১) সঠিক মাপের খাঁচা সংগ্রহ করা।
(২) যে স্থানে খাঁচা রাখা হবে সেই জায়গার পুরো নিরাপত্তা।
(৩) স্বাস্থ্যকর খাদ্য ও উপকরন সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এবং পর্যাপ্ত পরিমানে আলো-বাতাসের বাবস্থা থাকতে হবে। অন্যথায় বড় টিউব লাইট বা এনার্জি সেভিংস লাম্প এর বাবস্থা করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমানে আলো সরবরাহ করার জন্য। এই আলো অনধিক রাত ৮ টা পর্যন্ত জ্বালিয়া রাখা যাবে। ব্রিডিং সিজনে পাখি ঘরের তাপমাত্রা ২০-২৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস সবচেয়ে ভালো। টিক এই ভাবে গরমে কম স্পীডে বাতাসের বাবস্থা থাকতে হবে। পাখি ঘরের এক দিক দিয়ে বাতাস ঢুকে যেন অন্য দিক দিয়ে বের হয়ে যায়। যদি তেমন না থাকে তাহলে ভেন্টিলেশন ফ্যান লাগিয়ে রাখতে হবে ও লক্ষও রাখতে হবে পাখি ঘরের তাপমাত্রা ৩০-৩২ ডিগ্রী সেলসিয়াস এর উপরে না হয়।
02/12/2021
বাজরিগার (Budgerigar) বসার লাঠির গুরুত্বঃ
খাঁচা বা কলোনীর ভিতর পাখিদের বসার জন্য ১/২ ইঞ্চি বা ৩/৪ ইঞ্চি ব্যসের গাছের ডাল(ছালসহ) বা কাঠের লাঠির ব্যবস্থা করতে হবে। যা গোলাকার না হলেও চলবে, কিন্তু মসৃণ হওয়া চলবে না।
খাঁচার ভেতরে পাখি যাতে আরামে বসে তাদের মনের ভাব বিনিময় করতে পারে, সেজন্যই এই বাসার লাঠি বিশেষ প্রয়োজন। প্যারোট বা প্যারাকিট জাতের যত পাখি আছে এদের মধ্যে এই বাজরীগার পাখিই সবচেয়ে বেশী চঞ্চল, এরা বেশীর ভাগ সময়ই স্থির হয়ে এক জায়গায় বসে থাকে না। পুরুষ পাখির মধ্যেই এই প্রবণতা বেশি থাকে। খুবি ঘন ঘন এদিক সেদিক উড়াল দেয়, পক্ষনেই উড়াল দিয়ে লাঠির উপর বসা সঙ্গীর পাশে যায়। তারা দুজনেই একে অপরকে ঈর্ষনীয় কায়দায় আদর বিনিময় করতে থাকে। তাই অবশ্যই বাজরীগার বসার লাঠিটি শক্ত করে লাগাতে হবে।
বাজরীগার ঠান্ডা লাগার লক্ষন ও তার চিকিৎসা
বাজরীগার ঠান্ডা লাগাঃ
পাখিদের ঠান্ডা লাগা একটি সাধারন রোগ সব পাখিরি ঠান্ডা লাগতেই পারে।
ঠান্ডা লাগার কারনঃ
হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে, হঠাৎ বৃষ্টি হলে, বাতাসের আদ্রতার প্রমান বেরে গেলে, মোল্টিং বা পালক বদলানোর সময় বা পাখিকে সারা বাতাসের স্পর্শে রাখলে।
লক্ষনঃ
পাখির ঠান্ডা লাগলে পাখি ক্রমাগত নাক দিয়ে আওয়াজ করতে থাকে ও মাথা নাড়াতে থাকে এবং খুব জোরে মাথা নাড়ানোর সাথে সাথে নাক দিয়ে জলের মত সর্দি বেরতে থাকে। যেহেতু এই সময় পাখির নাক বন্ধ হয়ে যায় সেজন্য মুখ দিয়ে শ্বাস নেয়। চোখের উপর ও নিচের পাতা হুলে যেতে পারে, চোখের ভিতর পানি চলে আসে, চোখের পাতা প্রায় বন্ধ হয়ে আসে। খাবার প্রতি পাখির আগ্রহ কমে যায়।
চিকিৎসাঃ
যে পাখির ঠান্ডা লেগেছে তাকে বাল্বের আলো দিয়ে আলাদা করে রাখতে হবে, জতক্ষন তার ঠান্দা লাগার উপসর্গগুলো দূর না হয় (তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের জাতে কম না হয়)। পাখিকে হাল্কা কুসুম গরম পানিতে মাল্টিভিটামিন এবং মধু দেয়া যেতে পারে। এছাড়া কিছু এন্টিবায়টিক ঠান্ডার জন্য দেয়া যেতে পারে যেমন- Enrofloxacin, Doxycycline 10%, Ciprofloxacin এই এন্টিবায়টিক গুলোর যে কোন একটি হাল্কা কুসুম গরম পানির সাথে (প্রতি ১ লিটারে ১ গ্রাম) মিশিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
সবাই এই শীতে নিজেদের পাখি দের সাবধানে রাখবেন l
24/11/2021
Hi
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Telephone
Website
Address
Dhaka