BAFSD×DUverse

BAFSD×DUverse Where Shaheen meets DU vibe

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশে নাম্বার কমিয়ে ভাইবাতে নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয়করণ, ঘুষ বাণিজ্য এবং দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টির ক...
08/09/2026

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশে নাম্বার কমিয়ে ভাইবাতে নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয়করণ, ঘুষ বাণিজ্য এবং দুর্নীতির সুযোগ সৃষ্টির করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল।

সময়: আজ রাত ৯ টায়
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সামনে

আয়োজনে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)

শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক NTRCA থেকে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা প্রদানের অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে...
10/08/2026

শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক NTRCA থেকে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা প্রদানের অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল।

সময়: আজ সন্ধ্যা ৭.০০টা।
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে।

সকলের উপস্থিত কামনা করছি।

আয়োজনে: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)

19/07/2026

আপনি কি জানেন, আপনার মৃত্যুর ঠিক ৪০ দিন আগে আসমানে আপনার নামে একটা ঘোষণা হয়?

সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বলতেন, মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকেই রুহের দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক আলগা হতে শুরু করে। অথচ আমরা দিব্যি খাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, প্ল্যান করছি... কিছুই টের পাই না।

কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এতটাই দয়ালু যে, বান্দাকে খালি হাতে নেন না। যাওয়ার আগে তিনি ১টি চুপচাপ ইশারা পাঠান। সেই ইশারাটা কী?

১. দুনিয়ার স্বাদ হঠাৎ ফিকে লাগা শুরু করে
কথিত আছে, মৃত্যু ঘনিয়ে এলে মানুষের অন্তরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। যে খাবারটা কালও প্রিয় ছিল, আজ সেটা বিস্বাদ লাগে। যে বন্ধুদের আড্ডা ছাড়া দিন কাটতো না, হঠাৎ তাদের সঙ্গ অসহ্য লাগে। মন শুধু একটা কথাই বলে — "কিছু একটা মিসিং"।

ইমাম গাজ্জালী রহ. তাঁর 'ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন' কিতাবে এক বুজুর্গের ঘটনা বলেন। সেই বুজুর্গ মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকে হঠাৎ চুপ হয়ে যান। পরিবার জিজ্ঞেস করলে বলেন, "আমার জিভে দুনিয়ার কোনো খাবারের স্বাদ পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে, আমাকে অন্য কোথাও দাওয়াতের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।" ঠিক ৪০ দিনের মাথায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

২. চোখের পানি কারণ ছাড়াই চলে আসে
ব্যাখ্যা ছাড়া কান্না। নামাজে দাঁড়ালে, কুরআন শুনলে, এমনকি রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে চোখ ভিজে যায়। দুনিয়ার কোনো কষ্ট না, তবুও বুকের ভেতর হাহাকার।

উলামায়ে কেরাম বলেন, এটা রুহের কান্না। কারণ রুহ বুঝে যায়, তার দুনিয়ার সফর শেষের দিকে। সে তার রবের সাথে মোলাকাতের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। কিন্তু আমরা ভাবি, "হয়তো মন খারাপ"।

৩. সেই ১টি ইশারা: "ফিরে আসার তীব্র ইচ্ছা"
এবার আসল কথাটা শুনুন।

মৃত্যুর ৪০ দিন আগে আল্লাহ বান্দার অন্তরে তওবার একটা আগুন জ্বালিয়ে দেন। হঠাৎ করে মনে হয়, "ইশ! জীবনে কত গুনাহ করলাম। যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, সব শুধরে নিতাম। যদি মা-বাবার পা ধরে মাফ চাইতে পারতাম। যদি একবার সিজদায় পড়ে মন খুলে কাঁদতে পারতাম।"

এই ইচ্ছাটাই হলো আল্লাহর পাঠানো শেষ ইশারা। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা "ওয়ার্নিং" না, এটা একটা "মার্সি কল"। তিনি চান, বান্দা যেন পাক-সাফ হয়ে তাঁর কাছে ফিরে।

সমস্যা হলো, ৯০% মানুষ এই ইশারাকে 'ডিপ্রেশন' বা 'মনের ভুল' ভেবে উড়িয়ে দেয়। দুনিয়ার কাজে আরও বেশি ডুবে যায়। আর ১০% মানুষ ঠিকই বুঝে ফেলে। তারা তওবা করে, কাদা-মাটির দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।

শেষ কথাটা কলিজায় লাগবে...
প্রিয় ভাই/বোন, আপনার-আমার মৃত্যুর ৪০ দিন কখন শুরু হবে, সেটা একমাত্র আল্লাহ জানেন। হতে পারে, আপনি এই লেখাটা পড়ছেন, আর আপনার ৪০ দিন অলরেডি শুরু হয়ে গেছে।

কুরআনে আল্লাহ বলেন: "কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন জমিনে সে মৃত্যুবরণ করবে" $Quran 31:34$

তাই এই ইশারার জন্য ৪০ দিন অপেক্ষা করবেন না। আজ, এখনই, এই মুহূর্তে যদি বুকের ভেতর তওবার ইচ্ছাটা জাগে, বুঝে নেবেন — এটাই আল্লাহর ডাক।

উঠে দাঁড়ান। ২ রাকাত নামাজ পড়ুন। মা-বাবাকে ফোন দিন। যার হক মেরেছেন, ফিরিয়ে দিন। কারণ আমরা কেউ জানি না, আমাদের নামে আসমানে ঘোষণা কবে হয়ে যাবে...

আপনি কি চান, মৃত্যুর আগে আল্লাহ আপনাকে এই ইশারাটা দিন? কমেন্টে 'আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খাতিমাহ' লিখে দুআ করুন — "হে আল্লাহ, আমাকে সুন্দর মৃত্যু দিও"।
লেখা : মাওলানা ইয়ামিনুর রহমান জিহাদি( ইসলামিক আলোচক)✍️

কিছু কিছু সম্পর্ক গড়ে ওঠে কাগজের পাতায় আঁকা সেই শৈশবের রঙ্গিন ছবির মতো, যা কখনোই ফিকে হয় না। শাহীনের সেই চেনা সুর আর ঢাব...
05/05/2026

কিছু কিছু সম্পর্ক গড়ে ওঠে কাগজের পাতায় আঁকা সেই শৈশবের রঙ্গিন ছবির মতো, যা কখনোই ফিকে হয় না। শাহীনের সেই চেনা সুর আর ঢাবির প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস মিলেমিশে একাকার হয়েছে আমাদের এই BAFSDxDUverse পেজের প্রতিটা কার্যক্রমে💖💖


শহর কখনো থামে না—এই কথাটা আমরা প্রায়ই শুনি। ব্যস্ত সড়ক, যানজট, অফিস-আদালতের দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে শহুরে জীবন যেন এক অবিরাম ছ...
07/04/2026

শহর কখনো থামে না—এই কথাটা আমরা প্রায়ই শুনি। ব্যস্ত সড়ক, যানজট, অফিস-আদালতের দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে শহুরে জীবন যেন এক অবিরাম ছুটে চলার নাম। কিন্তু এই ছুটে চলার ভিড়ের মাঝেই অদৃশ্যভাবে জন্ম নিচ্ছে এক ধরনের নিঃসঙ্গতা, যা অনেক সময় শব্দের চেয়েও বেশি গভীর।

আজকের শহরের মানুষ আগের চেয়ে অনেক বেশি সংযুক্ত—কমপক্ষে প্রযুক্তির মাধ্যমে। হাতে স্মার্টফোন, সামনে ল্যাপটপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শত শত ‘বন্ধু’। তবুও বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলো যেন ধীরে ধীরে আলগা হয়ে যাচ্ছে। একসময় সন্ধ্যা মানেই ছিল পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে আড্ডা, গল্প, হাসি। এখন সেই জায়গা দখল করে নিয়েছে ফেসবুকের নিউজফিড আর ইউটিউবের ভিডিও।

শহুরে আবাসন ব্যবস্থার দিকে তাকালে এই নিঃসঙ্গতার কঙ্কালসার রূপটি আরও স্পষ্ট হয়। এখনকার ফ্ল্যাটবাড়িগুলোতে আমরা পাশের দরজার মানুষটির নামও জানি না। লিফটে দেখা হলে বড়জোর একটা যান্ত্রিক হাসি বিনিময় হয়, কিন্তু মনের কথা বলার মতো কেউ নেই। বিকেল হলে আগে যেখানে গলির মোড়ে আড্ডা বসত, এখন সেখানে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা থাকে।

মানুষের জায়গা দখল করে নিয়েছে যন্ত্র। এমনকি ডাইনিং টেবিলে যখন পুরো পরিবার একসাথে বসে, তখনও সবার চোখ থাকে নিজের স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। খাবারের স্বাদ নেওয়ার চেয়েও তখন জরুরি হয়ে পড়ে খাবারের ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা। আমরা পাশের মানুষটির চোখের দিকে না তাকিয়ে দূর পাহাড়ের কারো 'স্টোরি' দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলি। এই যে হাতের কাছের মানুষকে অবহেলা করে ভার্চুয়াল জগতের পেছনে ছোটা—এটাই আমাদের অজান্তে মানসিকভাবে একা করে দিচ্ছে।

তবে পুরো চিত্রটি একেবারে নেতিবাচক নয়। প্রযুক্তি যেমন মানুষকে একা করছে, তেমনি আবার অনেক দূরের মানুষকেও কাছাকাছি নিয়ে আসছে। প্রবাসে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ রাখা সম্ভব হচ্ছে। জরুরি মুহূর্তে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে দ্রুত। তাই সমস্যার মূল প্রযুক্তি নয়, বরং এর অতিরিক্ত ও অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার।

এই নিঃসঙ্গতার সবচেয়ে বড় শিকার হচ্ছে আজকের শিশুরা। আগেকার দিনে বিকেল মানেই ছিল মাঠে ছোটাছুটি কিংবা দলবেঁধে খেলাধুলা। এখনকার শহরের শিশুদের শৈশব বন্দি হয়ে গেছে চার দেয়ালের ভেতর ভিডিও গেম আর কার্টুনের নীল আলোয়। তাদের কোনো খেলার সাথী নেই, তাদের বন্ধু হলো ইউটিউবের অ্যালগরিদম। ফলে তারা বড় হচ্ছে এক ধরনের সামাজিক জড়তা নিয়ে। মানুষের সাথে কথা বলতে বা মিশতে তারা ভয় পায়।

মনোবিজ্ঞানীদের মতে, 'ডিজিটাল আইসোলেশন' বা ডিজিটাল বিচ্ছিন্নতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তারা ভার্চুয়াল জগতে হাজারো লাইক-কমেন্ট পাচ্ছে ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে যখন ফোনটা অফ করে রাখছে, তখন এক গভীর একাকীত্ব তাদের গ্রাস করছে। এই একাকীত্ব থেকে বাঁচতে তারা আবার ইন্টারনেটে ডুব দিচ্ছে—তৈরি হচ্ছে এক অন্তহীন বিষচক্র।

এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। পরিবারে সময় দেওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করা, ছোট ছোট সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ—এই বিষয়গুলো মানুষকে আবার বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের জীবনধারা ভবিষ্যতের সমাজকে প্রভাবিত করবে।

একটি শহর কেবল ইট-পাথরের কাঠামো নয়; এটি মানুষের সম্পর্ক, আবেগ এবং পারস্পরিক সংযোগের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। যদি সেই সংযোগ দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে শহর যত আধুনিকই হোক না কেন, তার ভেতরে শূন্যতা থেকেই যায়।

অফিস ফেরত একজন ক্লান্ত মানুষের কথা ভাবুন। জ্যাম ঠেলে বাসায় ফিরে তার আর কারো সাথে কথা বলার শক্তি থাকে না। সে তখন বেছে নেয় সস্তা বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে স্ক্রল করা। এই যান্ত্রিকতা আমাদের সহানুভূতি কমিয়ে দিচ্ছে, রাস্তায় কেউ দুর্ঘটনায় পড়লে আমরা তাকে সাহায্য করার আগে ফোনের ক্যামেরা বের করি ভিডিও করার জন্য। আমরা মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর চেয়ে সেটাকে 'কন্টেন্ট' হিসেবে দেখতে বেশি পছন্দ করি।

মানবিক বোধের যে মৃত্যু ঘটছে, তা আধুনিক শহরের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। আমরা যত বেশি প্রযুক্তিনির্ভর হচ্ছি, তত বেশি নিজেদের চারদিকে এক অদৃশ্য দেয়াল তুলে দিচ্ছি। এই দেয়াল আমাদের নিরাপত্তা দিচ্ছে না, বরং আমাদের বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে সমাজ থেকে, সংস্কৃতি থেকে এবং সর্বোপরি নিজের সত্তা থেকে।

ডিজিটাল ভিড়ের মাঝে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হলে মাঝে মাঝে ‘ডিসকানেক্ট’ হওয়া প্রয়োজন। মাঝে মাঝে ফোনটা দূরে রেখে জানালার বাইরে আকাশের দিকে তাকানো প্রয়োজন, পাশের মানুষটার হাত ধরা প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, স্ক্রিনের নীল আলো চোখের তৃপ্তি দিলেও মনের তৃপ্তি আসে মানুষের সান্নিধ্যেই।

শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।স্থান: রাজু ...
14/02/2026

শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায় স্বামীকে বেঁধে রেখে তিন সন্তানের জননীকে ধর্ষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে।

স্থান: রাজু ভাস্কর্য
সময়: ১১:৩০ টা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে এই মিছিলে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।

এক্স-ঢাবিয়ান বা ঢাবিয়ানদের মধ্যে নির্বাচিত সাংসদ-১/ পঞ্চগড়-১➡️ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির(🌾)২/ পঞ্চগড়-২➡️ ফরহাদ হোসেন আজাদ(...
13/02/2026

এক্স-ঢাবিয়ান বা ঢাবিয়ানদের মধ্যে নির্বাচিত সাংসদ-

১/ পঞ্চগড়-১➡️ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির(🌾)
২/ পঞ্চগড়-২➡️ ফরহাদ হোসেন আজাদ(🌾)

৩/ ঠাকুরগাঁও-১➡️ মির্জা ফখরুল ইসলাম(🌾)

৪/ রংপুর-২➡️ এটিএম আজহারুল ইসলাম(⚖️)
৫/ রংপুর-৪➡️ আখতার হোসেন(🪷)

৬/ কুড়িগ্রাম-২➡️ আতিক মুজাহিদ(🪷)

৭/ বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭➡️ তারেক রহমান(🌾)

৮/ নওগাঁ-৪➡️ ফজলে হুদা(🌾)

৯/ নাটোর-১➡️ ফারজানা শারমিন পুতুল(🌾)

১০/ সিরাজগঞ্জ-২➡️ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু(🌾)
১১/ সিরাজগঞ্জ-৫➡️ আমিরুল ইসলাম খান(🌾)

১২/ ঝিনাইদহ-১➡️ মোহাম্মদ আসাদুজ্জমান(🌾)

১৩/ যশোর-৩➡️ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত(🌾)
১৪/ যশোর-৫➡️ এ্যাড. গাজী এনামুল হক(⚖️)

১৫/ মাগুরা-১➡️ মনোয়ার হোসেন খান(🌾)
১৬/ মাগুরা-২➡️ বাবু নিতাই রায় চৌধুরী(🌾)

১৭/ বাগেরহাট-৩➡️ শেখ ফরিদুল ইসলাম(🌾)

১৮/ খুলনা-৩➡️ রকিবুল ইসলাম বকুল(🌾)
১৯/ খুলনা-৪➡️ আজিজুল বারী হেলাল(🌾)

২০/ সাতক্ষীরা-৩➡️ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার(⚖️)

২১/ বরগুনা-২➡️ নূরুল ইসলাম মনি(🌾)

২২/ পটুয়াখালী-৩➡️ নুরুল হক নুর(🛻)
২৩/ পটুয়াখালী-৪➡️ এবিএম মোশাররফ হোসেন(🌾)

২৪/ ভোলা-৩➡️ হাফিজ উদ্দিন আহমেদ(🌾)
২৫/ ভোলা-৪➡️ নুরুল ইসলাম নয়ন(🌾)

২৬/ টাঙ্গাইল-১➡️ ফকির মাহবুব আনাম স্বপন(🌾)
২৭/ টাঙ্গাইল-৫➡️ সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু(🌾)

২৮/ কিশোরগঞ্জ-৩➡️ ড. ওসমান ফারুক(🌾)
২৯/ কিশোরগঞ্জ-৪➡️ ফজলুর রহমান(🌾)

৩০/ নেত্রকোনা-১➡️ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল(🌾)

৩১/ মানিকগঞ্জ-৩➡️ আফরোজা খানম রিতা(🌾)

৩২/ মুন্সিগঞ্জ-৩➡️ কামরুজ্জামান রতন(🌾)

৩৩/ ঢাকা-১➡️ খোন্দকার আবু আশফাক(🌾)
৩৪/ ঢাকা-২➡️ আমান উল্লাহ আমান(🌾)
৩৫/ ঢাকা-১০➡️ শেখ রবিউল আলম(🌾)
৩৬/ ঢাকা-১১➡️ নাহিদ ইসলাম(🪷)

৩৭/ গাজীপুর-১➡️ মুজিবুর রহমান(🌾)
৩৮/ গাজীপুর-৫➡️ ফজলুল হক মিলন(🌾)

৩৯/ নরসিংদী-১➡️ খায়রুল কবীর খোকন(🌾)
৪০/ নরসিংদী-২➡️ ড. আব্দুল মঈন খান(🌾)
৪১/ নরসিংদী-৪➡️ সরদার সাখাওয়াত হোসেন(🌾)

৪২/ নারায়ণগঞ্জ-৪➡️ এড. আব্দুল্লাহ আলামিন(🪷)

৪৩/ ফরিদপুর-৪➡️ শহীদুল ইসলাম বাবুল(🌾)

৪৪/ সিলেট-২➡️ তাহসিনা রুশদীর লোনা(🌾)

৪৫/ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪➡️ মুশফিকুর রহমান(🌾)

৪৬/ কুমিল্লা-১➡️ খন্দকার মোশাররফ হোসেন(🌾)
৪৭/ কুমিল্লা-৪➡️ হাসনাত আবদুল্লাহ(🪷)

৪৮/ চাঁদপুর-১➡️ আ ন ম এহসানুল হক মিলন(🌾)

৪৯/ নোয়াখালী-৬➡️ আব্দুল হান্নান মাসুদ(🪷)

৫০/ লক্ষ্মীপুর-৩➡️ শহিদুদ্দীন চৌধুরী এ্যানী(🌾)

এক্স-শাহীনদের তালিকা চান কিনা? চেষ্টা করবো।

🥹

এক্স-ঢাবিয়ান ও বর্তমান ঢাবিয়ানদের নির্বাচনী আসন-পঞ্চগড়: ১. সারজিস আলম — পঞ্চগড়-১(এনসিপি)২. ব্যারিস্টার নওশাদ জমির — পঞ...
11/02/2026

এক্স-ঢাবিয়ান ও বর্তমান ঢাবিয়ানদের নির্বাচনী আসন-

পঞ্চগড়: ১. সারজিস আলম — পঞ্চগড়-১(এনসিপি)
২. ব্যারিস্টার নওশাদ জমির — পঞ্চগড়-১(বিএনপি)
৩. ফরহাদ হোসেন আজাদ — পঞ্চগড়-২(বিএনপি)

ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও কুড়িগ্রাম:
৪. মির্জা ফখরুল — ঠাকুরগাঁও-১(বিএনপি)
৫. এটিএম আজহারুল ইসলাম — রংপুর-২(জামায়াতে ইসলামী)
৬. আখতার হোসেন — রংপুর-৪(এনসিপি)
৭. সাইফুর রহমান রানা — কুড়িগ্রাম-১(বিএনপি)
৮. আতিক মুজাহিদ — কুড়িগ্রাম-২(এনসিপি)

বগুড়া, নওগাঁ ও নাটোর:
৯. মাহমুদুর রহমান মান্না — বগুড়া-২(নাগরিক ঐক্য)
১০. ফজলে হুদা — নওগা-৩(বিএনপি)
১১. ফারজানা শারমিন পুতুল — নাটোর-১(বিএনপি)

ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ:
১২. অধ্যাপক জসিম উদ্দীন — ময়মনসিংহ-৬ (স্বতন্ত্র)
১৩. শাহ নুরুল কবির শাহীন — ময়মনসিংহ-৮(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
১৪. রেজাউল করিম চুন্নু — কিশোরগঞ্জ-১(স্বতন্ত্র)
১৫. ড. ওসমান ফারুক — কিশোরগঞ্জ-৩(বিএনপি)
১৬. ফজলুর রহমান — কিশোরগঞ্জ-৪(বিএনপি)
১৭. বিল্লাল আহমেদ মজুমদার — কিশোরগঞ্জ-৪(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)

গাজীপুর:
১৮. মুজিবুর রহমান — গাজীপুর-১(বিএনপি)
১৯. আলী নাছের খান — গাজীপুর-২(এনসিপি)
২০. ফজলুল হক মিলন — গাজীপুর-৫(বিএনপি)
২১. গাজী আতাউর রহমান — গাজীপুর-৫(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)

ঢাকা:
২২. আবু আশফাক — ঢাকা-১(বিএনপি)
২৩. আমান উল্লাহ আমান — ঢাকা-২(বিএনপি)
২৪. মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী — ঢাকা-৪(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
২৫. নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী — ঢাকা-৮(এনসিপি)
২৬. জাবেদ মিয়া রাসিন — ঢাকা-৯(এনসিপি)
২৭. শেখ রবিউল আলম — ঢাকা-১০(বিএনপি)
২৮. মোঃ আব্দুল আউয়াল — ঢাকা-১০(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
২৯. নাহিদ ইসলাম — ঢাকা-১১ (এনসিপি)
৩০. সাইফুল হক মিলন — ঢাকা-১২(বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি)
৩১. তাসলিমা আক্তার — ঢাকা-১২(গণসংহতি আন্দোলন)
৩২. তারেক রহমান — ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬(বিএনপি)
৩৩. মহিউদ্দীন রনি — ঢাকা-১৮(স্বতন্ত্র)

নারায়ণগঞ্জ:
৩৪. আলহাজ্ব গোলাম মসিহ — নারায়ণগঞ্জ-৩(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
৩৫. গিয়াস উদ্দিন — নারায়ণগঞ্জ-৩(স্বতন্ত্র)
৩৬. এডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন — নারায়ণগঞ্জ-৪(এনসিপি)

নরসিংদী:
৩৭. খায়রুল কবীর খোকন — নরসিংদী-১(বিএনপি)
৩৮. ড. আব্দুল মঈন খান — নরসিংদী-২(বিএনপি)
৩৯. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল — নরসিংদী-০৪(বিএনপি)

কুমিল্লা:
৪০. ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন — কুমিল্লা-১(বিএনপি)
৪১. হাসনাত আবদুল্লাহ — কুমিল্লা-৪(এনসিপি)
৪২. ব্যারিস্টার যুবাইর আহমেদ ভূইয়া — কুমিল্লা-০৫(এবি পার্টি)
৪৩. ড. রেদোয়ান আহমেদ — কুমিল্লা-৭(এলডিপি)
৪৪. ড. শফিকুল আলম হেলাল — কুমিল্লা-৮(জামায়াতে ইসলামী)

পটুয়াখালী:
৪৫. নুরুল হক নুর — পটুয়াখালী-৩(গণঅধিকার পরিষদ)
৪৬. হাসান মামুন — পটুয়াখালী-৩(স্বতন্ত্র)
৪৭. শাহ আলম — পটুয়াখালী-৩(জামায়াতে ইসলামী)
৪৮. এবিএম মোশাররফ হোসেন — পটুয়াখালী-৪(বিএনপি)

নেত্রকোনা:
৪৯. ব্যারিস্টার কায়সার কামাল — নেত্রকোনা-১(বিএনপি)
৫০. গোলাম রাব্বানী — নেত্রকোনা-১(স্বতন্ত্র)
৫১. খায়রুল গণী নিয়োগী — নেত্রকোনা-৩(বিএনপি)

ঝিনাইদহ ও যশোর:
৫২. সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুজ্জমান — ঝিনাইদহ-১(বিএনপি)
৫৩. আব্দুল জলিল — ঝিনাইদহ-৪(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
৫৪. রাশেদ খান — ঝিনাইদহ-৪(গণঅধিকার পরিষদ)
৫৫. সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (বিএনপি বিদ্রোহী প্রার্থী)
৫৬. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত — যশোর-৩(বিএনপি)
৫৭. অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসাইন — যশোর-৪(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)
৫৮. এ্যাড. গাজী এনামুল হক — যশোর-৫(জামায়াতে ইসলামী)

সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইল:
৫৯. ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু — সিরাজগঞ্জ-২(বিএনপি)
৬০. আকবর আলী — সিরাজগঞ্জ-৪(বিএনপি)
৬১. আমিরুল ইসলাম খান আলীম — সিরাজগঞ্জ-৫(বিএনপি)
৬২. সাইফ মুস্তাফিজ — সিরাজগঞ্জ-৬(এনসিপি)
৬৩. ফকির মাহবুব আনম স্বপন — টাঙ্গাইল-১(বিএনপি)
৬৪. ওবায়দুল হক নাসির — টাঙ্গাইল-৩(বিএনপি)
৬৫. সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু — টাঙ্গাইল-৫(বিএনপি)

খুলনা ও সাতক্ষীরা:
৬৬. রকিবুল ইসলাম বকুল — খুলনা-৩(বিএনপি)
৬৭. আজিজুল বারী হেলাল — খুলনা-৪(বিএনপি)
৬৮. হাবিবুর রহমান হাবিব — সাতক্ষীরা-১(বিএনপি)
৬৯. এড. ইয়ারুল ইসলাম — সাতক্ষীরা-১(কংগ্রেস)
৭০. রবিউল বাশার — সাতক্ষীরা-৩(জামায়াতে ইসলামী)

মাদারীপুর ও ভোলা:
৭১. আল্লামা কামরুল সাঈদ আনসারী — মাদারীপুর-২(স্বতন্ত্র)
৭২. মিল্টন বৈদ্য — মাদারীপুর-২(স্বতন্ত্র)
৭৩. মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ — ভোলা-৩(বিএনপি)
৭৪. নুরুল ইসলাম নয়ন — ভোলা-৪(বিএনপি)
৭৫. আবুল মোকাররম কামাল উদ্দিন — ভোলা-৪(ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আসন:
৭৬. তাহসিনা রুশদীর লোনা — সিলেট-২(বিএনপি)
৭৭. শিশির মনির — সুনামগঞ্জ-২(জামায়াতে ইসলামী)
৭৮. আফরোজা খানম রিতা — মানিকগঞ্জ-৩(বিএনপি)
৭৯. শহীদুল ইসলাম বাবুল — ফরিদপুর-৪(বিএনপি)
৮০. মাজেদুল ইসলাম —মুন্সীগঞ্জ-২(এনসিপি)
৮১. কামরুজ্জামান রতন — মুন্সিগঞ্জ-৩(বিএনপি)
৮২. মুশফিকুর রহমান — ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪(বিএনপি)
৮৩. জোনায়েদ সাকি — ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(গণসংহতি আন্দোলন)
৮৪. আ ন ম এহসানুল হক মিলন — চাঁদপুর-১(বিএনপি)
৮৫. শহিদুদ্দীন চৌধুরী এ্যানী — লক্ষ্মীপুর-৩(বিএনপি) ৮৬. আব্দুল হান্নান মাসুদ — নোয়াখালী-৬(এনসিপি)
৮৭. ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ — বরিশাল-৩(এবি পার্টি)
৮৮. নূরুল ইসলাম মনি — বরগুনা-২(বিএনপি)
৮৯. শেখ ফরিদুল ইসলাম — বাগেরহাট-৩(বিএনপি)
৯০. মনোয়ার হোসেন খান — মাগুরা-১(বিএনপি)
৯১. বাবু নিতাই রায় চৌধুরী — মাগুরা-২(বিএনপি)
৯২. বিএম নগিব হোসেন — নড়াইল-১(স্বতন্ত্র)
৯৩. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ — নড়াইল-২(এনপিপি)
৯৪. ------ ১০০,২০০,৩০০(এমপি পদপ্রার্থীর তালিকা)

Address

University Of Dhaka
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BAFSD×DUverse posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share