স্বোপার্জিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • স্বোপার্জিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্বোপার্জিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় Community of the students of Dhaka University

কে কোথায় লিভ ইন করছে  না আউট করছে এইটা দেখা কি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের কাজ???এরা আসলে গেছে অন্যায়ের তকমা দিয়ে বাসা বাড়ি...
17/08/2026

কে কোথায় লিভ ইন করছে না আউট করছে এইটা দেখা কি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের কাজ???
এরা আসলে গেছে অন্যায়ের তকমা দিয়ে বাসা বাড়ির মূল্যবান মালামাল লুট করতে,,,,!!!
এরা ভবিষ্যতের পটেনশিয়াল ডাকাত
©

আজকে আমার হল এর প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন আমাকে তার রুম এ অবরুদ্ধ করে তার অনুগত স্টাফ দের নিয়ে রুম এ আমার সাথ...
16/08/2026

আজকে আমার হল এর প্রোভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন আমাকে তার রুম এ অবরুদ্ধ করে তার অনুগত স্টাফ দের নিয়ে রুম এ আমার সাথে যা করলো আমার লাইফে এমন ট্রমা কখনো ফেইস করি নাই।

আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার কারণে (যেটা আমার টাইমলাইনে আছে এবং এই গ্রুপ এ ও আছে) উনি আমাকে হল অফিসে ওনার রুম এ ডাকলো, উনি এর আগেও ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক জুনিয়রকে রুম এ ডেকে এইভাবে অনেক্ষন চিল্লাফাল্লা/ভয় ভীতি দেখিয়েছিলো পরে ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বের হয়েছিলো। আমার ওই জিনিস টা মাথায় ছিলো এইজন্য আমি রুম এ ঢুকার আগে ফোন এ অডিও রেকর্ড অন করে, ফোন পকেটে নিয়ে তারপরে রুম এ ঢুকসিলাম যাতে আমাকে যা ভয় ভীতি দেখাবে তা রেকর্ড করতে পারি।

এরপর উনি কথাবার্তা শুরু করতেসিলো এর মাঝেই হঠাৎ বলে আমার পকেট এ কোনো ফোন থাকলে সেইটা বের করতে। আমি ফোন বের করতে চাইসিলাম না এরপর উনি চিল্লায় উঠে উনার চেয়ার থেকে উঠে আসে, সাথে উনার অনুগত স্টাফ গুলা (ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ, প্রধান সহকারি আরিফ হোসেন সহ আরো ৪-৫ জন, বিশেষ করে মারুফ আমার ফোন চেক করেছে) এসে আমার থেকে আমার ফোন জোর করে কেড়ে নেয়। এমনভাবে কেড়ে নেয় যে মনে হইতেসে কয়েকটা গুন্ডা আমাকে ধরে ফেলসে, আমি লিটারেলি রুম থেকে বের হইতে চাইসিলাম আর ওই স্টাফ গুলা আমাকে ধরে রাখে আর একজন দরজা বন্ধ করে দেয়।

এরপর আমি যখন এইসব দেখে ভয় পেয়ে গেসি তখন এরপর যা হইসে তা লিখতে গিয়েও আমার কান্না আসতেছে। পুরা ১.৫ ঘন্টা আমার উপর যে মেন্টাল টর্চার করা হইসে সেইটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। প্রোভোস্ট রুম এর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই সবার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। হল এর সিট বাতিল করে দিবে এইটা তো শুরু থেকেই বলসে,,তারপর "ছাত্রত্ব বাতিল করা কোনো বিষয় না। “ভিসি স্যার কে একটা এপ্লিকেশন লিখলেই ছাত্রত্ব বাতিল করে দিতে পারবে" , সামান্য এই পোস্ট লিখার কারণে আমার বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করবে বলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে, এমন সিচুয়েশনে কি করবো কিছু বুঝতে পারতেসিলাম না। নিজেকে এতো অসহায় লাগতেসিলো।

চারপাশ থেকে সব দরজা বন্ধ করে দিয়ে এরপর সে আরেকটা যে ক্রাইম করসে সেইটা হলো তার স্টাফ দের নিয়ে একটা নিজেদের মতো স্ক্রিপ্ট বানিয়ে জোর করে ওইটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে পুরা জিনিস আমাকে দিয়ে লিখালো, এরপর আমার সাইন নিলো (আমাকে দিয়ে জোর করে যেই স্টেটমেন্ট নিয়েছে সেখানে লেখা ছিল আমি হল সংসদ এর ভিপি , জিএস, এজিএস সহ বাকিদের প্ররোচনায় পড়ে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছি)। ওই স্ক্রিপ্ট প্রোভোস্ট স্যার আবার পড়ে দেখে যখন দেখলো তার মন মতো হয় নাই তখন তিনি সেইটা নিজ হাতে আরেকটু ইডিট করে আবার আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে লিখতে বললো। এরপর আমার আম্মুকে ফোন দিলো। এইভাবে ক্রমাগত মেন্টাল ট্রমা না নিতে পেরে আমি চিল্লাইয়া কান্না করতেসিলাম অনেক্ষন।

আমার কান্না দেখে তারপর সে একটু নরম হলো, এরপর আমি ওইখান থেকে বের হইতে পারলে বাঁচি। এইজন্য বার বার ক্ষমা চাচ্ছিলাম স্যার ভুল হয়ে গেসে আর এইধরনের পোস্ট করবো না, তারপর সে একটু নরম হইসে। এরপর আমাকে পানি /ফ্রুটস ইত্যাদি খেতে দিলো, পানি খাবার সময়ও আমার হাত কাঁপতে ছিল। আমিও খেয়ে স্যারকে বলতেসিলাম আমাকে যেন ক্ষমা করে দেয়। কারণ আমাকে এইখান থেকে বের হওয়া লাগবে,এরপর আমাকে বলে এই ঘটনা যাতে কারো সাথে শেয়ার না করি।

সে বললো বাহিরে গিয়ে সবাইকে যেন বলি ঝামেলা মিটে গেসে। কিন্তু আমার সাথে এমন একটা ঘটনা ঘটছে আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি জানি না এই পোস্ট দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে কি করবে? হয়তো আমার অনেক বড়ো ক্ষতি করে ফেলবে। কিন্তু তারপর ও আমি বলতে চাই, আমার সাথে একজন জঘন্য প্রোভোস্ট ঠিক কি করলো। সে আমাকে লাস্ট এ এইটা বুঝানোর ট্রাই করলো হল সংসদ কে শেয়ার করলে কোনো লাভ হবে না তার পাওয়ার ই সর্বোচ্চ পাওয়ার।

যে ছেলেটা পিয়াস (EEE ২০-২১) এই মুল পোস্ট দিসিলো তাকেও নাকি স্যার খুজছিলো কিন্তু সে অনাবাসিক হবার কারণে তাকে পায় নাই এইজন্য আমাকে হাতের কাছে পেয়ে এমন টা করসে, প্রোভোস্ট স্যার এইটা উনি নিজের মুখে বলসে। অথচ আমি পোস্ট শেয়ার করে তেমন কিছুই লিখি নাই। উনি এরপর বললো পিয়াস কে খুজে বের করে ওকে শায়েস্তা করবে।

যৌক্তিক সমালোচনা করার কারণে হলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে একজন শিক্ষার্থীর উপরে এমনভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এর বিচার চাই। ছাত্রলীগের আমলে শিক্ষার্থীদের উপরে যেভাবে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নামক ভয়াবহ কালচার ছিল আমার কাছে আজকের ঘটনা তার চেয়েও বেশি ভয়াবহ মনে হয়েছে। সত্যি বলতে ছাত্রলীগের আমলে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নিলেও আমার কখনো এমন ভয় হইতো না,,, আর ছাত্রলীগ তো কখনো গায়ে হাত দিয়ে অবরুদ্ধ ও করেনাই স্টাফ দের হাতে,,,আমার সাথে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার বিচারের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।
(যে পোস্ট এর কারণে এতোকিছু অইটা কমেন্ট এ দিচ্ছি)

মো: ইব্রাহীম
রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং
আবাসিক শিক্ষার্থী
ফজলুল হক মুসলিম হল , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,
রুম নাম্বার: মূল ভবন ২০৭
শিক্ষাবর্ষ: ২০২০-২১

বিঃদ্রঃ এই পেইজ এর এডমিন কে ও কি স্যার তার রুমে ডাকবে ? তারা সবাই দেশের বাহিরে উচ্চতর ডিগ্রি ডিগ্রির জন্য আছে।

১৭ বছরে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রীতাইতো আপনারা  প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ দখলে নামছেন।মনসুর আল...
16/08/2026

১৭ বছরে চিকিৎসা খাতে চরম অবহেলা ও লুটপাট হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
তাইতো আপনারা প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ দখলে নামছেন।

মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, উত্তরা দিয়ে শুরু করছেন।
®
https://ekattor.tv/93810

A FAKE PROMISE! A SCAM! 🚫             গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইবনে সিনার মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি হয় যে...
16/08/2026

A FAKE PROMISE! A SCAM! 🚫
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইবনে সিনার মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি হয় যে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়মিত শিক্ষার্থীকে ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কিছু টেস্ট বাদে সকল প্যাথলজি টেস্টে ৫০% ছাড় দেবে। আমি অনেকদিন ধরে এটার বিষয়ে অবগত আছি তবে কখনো নিজে গিয়ে টেস্ট করাইনি। তো সম্প্রতি এক দুর্ঘটনায় বাম হাতের কাঁধের জয়েন্টে আঘাত পাওয়ায় ডাক্তার আমাকে একটা এক্স-রে দেয়। তো আমি ভাবলাম যেহেতু ক্যাম্পাস এর কাছেই ইবনে সিনা রয়েছে এবং ঢাবি শিক্ষার্থী হিসেবে বিশেষ ডিসকাউন্ট রয়েছে, তাই ওখান থেকেই টেস্টটা করাই। এই পরিকল্পনা করে আমি গতকাল সন্ধ্যায় ইবনে সিনা লালবাগ শাখায় যাই। যাওয়ার পর নিচের কাউন্টারে আমার টেস্টের বিষয়ে বলি, প্রেসক্রিপশন দেখাই এবং বিল জানতে চাই।

কাউন্টারের লোকটি আমাকে বলেন, "রেগুলার এক্স-রে ৯০০ টাকা, ডিসকাউন্ট দিয়ে ৬৭৫ টাকা।"

শুনে আমার একটু খটকা লাগলো। আমি তো কোনো ডিসকাউন্ট ক্লেইম করিনি। পরে উনি জানালেন এইটা ওনাদের রেগুলার ২৫% ডিসকাউন্ট। সবাইকে ওনারা এটা দেন।

তখন আমি বললাম, "আমি তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট। এটার যে ডিসকাউন্টটা সেটা কিভাবে পাব?"

উনি আমাকে বললেন, "দোতলায় ২১৬ নম্বর রুমে যোগাযোগ করেন।"

উনার কথা মতো আমি দোতলায় ২১৬ নম্বর রুমে চলে যাই, যেটি ছিল একটি কর্পোরেট কাউন্টার। কাউন্টারে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর যখন আমার সময় আসে তখন আমি আবারো বিস্তারিত টেস্টের বিষয়ে বলি এবং ডিসকাউন্ট ক্লেইম করার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইডি কার্ড শো করি। উনি আইডি কার্ড পর্যবেক্ষণ করে নতুন করে বিল করেন। এবার বিল আসে ৬৩০ টাকা, অর্থাৎ ৩০% ডিসকাউন্ট। আমি যখন কাউন্টারের লোকটিকে জিজ্ঞেস করি, যে ৫০% ডিসকাউন্ট দেয়ার কথা, উনি তখন বলেন এটাই স্টুডেন্ট ডিসকাউন্ট। তাই আমি আর কথা না বাড়িয়ে পেমেন্ট করে দেই এবং টেস্টটা সম্পন্ন করি।

এখন আমার প্রশ্ন, যদি যেকোনো সাধারণ রোগী এবং ঢাবি শিক্ষার্থীদেরকে একই ডিসকাউন্ট দিতে হয়, তবে এভাবে ঢালাও করে এটা প্রচার করা এবং মিথ্যা মার্কেটিং করার কি প্রয়োজন ছিল? এবং আপনি যেহেতু ৫০% ডিসকাউন্ট নিশ্চিত করতে পারছেন না, তবে এই লোক দেখানো চুক্তিরই বা কি মানে আছে?

ইবনে সিনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!
©

ফুটেজগিরির শেষ নেইতাদেরকে শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত করেছে প্রশাসনকে চাপ দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য। বিড়ির কোম্পা...
16/08/2026

ফুটেজগিরির শেষ নেই
তাদেরকে শিক্ষার্থীরা নির্বাচিত করেছে প্রশাসনকে চাপ দিয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের জন্য। বিড়ির কোম্পানি থেকে অনুদান আনার জন্য না। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে দুনিয়ার বেহুদা বিলাসিতায় তাদের মনোযোগ।

ছাত্রদল চাইলে কি দেশ নায়ক তারেক রহমানের কাছ থেকে এমন ১০টা বাস আনতে পারে না? ৫টি আবাসিক হলের বাজেট পাস করাতে পারে না? কিন্তু তথাকথিত ওয়েলফেয়ার পলিটিক্স করে ছাত্র রাজনীতিকে ছাত্রদল কলুষিত করেনি, করবে না।
©

সুফিয়া কামাল,মৈত্রী, ফজিলাতুন্নেছা হলের জন্য নতুন বাসডাকসুর উদ্যোগে আকিজ গ্রুপের স্পন্সরে আমরা একটি ইকো ফ্রেন্ডলি বাস নি...
15/08/2026

সুফিয়া কামাল,মৈত্রী, ফজিলাতুন্নেছা হলের জন্য নতুন বাস
ডাকসুর উদ্যোগে আকিজ গ্রুপের স্পন্সরে আমরা একটি ইকো ফ্রেন্ডলি বাস নিয়ে আসতেছি ইনশাআল্লাহ।

বাসটি আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের হল সুফিয়া কামাল থেকে কুয়েত মৈত্রী,ফজিলাতুন্নেছা হলে যাতায়াত করবে।
দীর্ঘদিন ঝুঁকি নিয়ে তারা ফিটনেসবিহীন বাস ব্যবহার করেছেন।

সুপেয় খাবার পানির ব্যবস্থা,ফায়ার এক্সটিংগুইশারসহ আধুনিক বেশ কিছু সুবিধা সম্বলিত বাসটি প্রায় প্রস্তুত, ফিনিশিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলেই নতুন লাল বাসে আমাদের বোনেরা যাতায়াত করবেন ইনশাআল্লাহ।

এই কুলাঙ্গার থেকে সাবধান।         তিতুমীরের শিক্ষার্থী উনি। পিউর ঢাবি পরিচয়ে কোচিং করাচ্ছেন। এজন্য তিতুমীরের পোলাপান ঢাব...
15/08/2026

এই কুলাঙ্গার থেকে সাবধান।
তিতুমীরের শিক্ষার্থী উনি। পিউর ঢাবি পরিচয়ে কোচিং করাচ্ছেন। এজন্য তিতুমীরের পোলাপান ঢাবি চায় তা না হলেতো মানুষকে ধোকা দিতে পারবে না।
সাবাশ তিতুমীর সাবাশ। খেটে নয় চেটেই বড় হও।
©

ছাত্রদলের ইতিহাসের সকল সভাপতিদের মধ্যে এক অনন্য অবস্থানে আছে রাকিব। রাকিব সেই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদলকে নেতৃত্ব দিয়েছে,...
14/08/2026

ছাত্রদলের ইতিহাসের সকল সভাপতিদের মধ্যে এক অনন্য অবস্থানে আছে রাকিব।

রাকিব সেই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রদলকে নেতৃত্ব দিয়েছে, যে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাসিত নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

রাকিবের সিদ্ধান্ত, সাহস - একটাও যদি নড়বড়ে হয়ে যেত, রাকিব যদি কনফিউজড হয়ে থাকত, রাকিব যদি ঘরে পালিয়ে থাকত, তাহলে অভ্যুত্থান হয়ত হত, কিন্তু ছাত্রদলের নাম সেখানে সেভাবে থাকত না। কিংবা কে জানে, অভ্যুত্থানের গতিপথও বদলে যেতে পারত।

রাকিব আমাদের সমসাময়িক। খুব সম্ভবত সে ছাত্রদলে ঢুকেছে বিএনপি ক্ষমতায় থাকতেই আর বেরিয়ে যাচ্ছে বিএনপিকে ক্ষমতায় 'এনে'। মাঝে চলে গেছে ১৭/১৮ বছর। সংগ্রামে, আশংকায়, আশায়। এখন সে বিদায় নিচ্ছে। এই বিদায় গৌরবের।

০২ টি কারনে রাকিবকে আমার ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ:

১. রাকিবের মধ্যে এক অদ্ভুত ন্যাচারাল সরলতা আছে। এই সরলতা সাধারণত পলিটিশিয়ানদের থাকে না, বা থাকতে নাই। আমি রাকিবের সেই দৃশ্যমান সরলতার ভক্ত।

২. জুলাই নিয়ে রাকিবকে বাড়াবাড়ি করতে দেখিনি। ক্রেডিটবাজি করতে তো দেখিনিই। কিন্তু মাঝে মাঝে জুলাই নিয়ে সিরিয়াসলি যখন কথা বলেছে মনে হয়েছে রাকিবের মধ্যে কিছুটা নি:স্বার্থ জুলাই রয়ে গেছে। যেটা অনেকের হৃদয় থেকেই হারিয়ে গেছে।

রাকিব নিজে চুপ থাকে কিন্তু তার মানে এই না যে আমরা তার জন্য কথা বলব না।

রাকিবের জন্য নিরন্তর শুভকামনা।
© Murad kibria

শেখ হাসিনার জমানার চেয়েও ১৩০ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি ? তাহলে কি আগের জমানায় দুর্নীতি হয়নি নাকি বর্তমান জমানায় বেশি হচ্ছে ?©
14/08/2026

শেখ হাসিনার জমানার চেয়েও ১৩০ শতাংশ ব্যয় বৃদ্ধি ? তাহলে কি আগের জমানায় দুর্নীতি হয়নি নাকি বর্তমান জমানায় বেশি হচ্ছে ?
©

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when স্বোপার্জিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share