সূরা আল বাকারা, আয়াত নং- ২৩৮,
{ حَٰفِظُواْ عَلَى ٱلصَّلَوَٰتِ وَٱلصَّلَوٰةِ ٱلۡوُسۡطَىٰ وَقُومُواْ لِلَّهِ قَٰنِتِينَ }
অর্থ- তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের এবং আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে তোমরা দাঁড়াবে বিনীতভাবে।
তাফসীর : এই আয়াতে আল্লাহ তা'আলা নামাযের তাগিদ দিয়েছেন। নামায এমন একটি ইবাদত, যা মানুষের মধ্যে আল্লাহর ভয়, সততা, সৎকর্মশীলতা ও পবিত্রতার আবেগ এবং আল্লাহর বিধানের আনুগত্যের ভাবধারা সৃষ্টি করে এবং তাকে ন্যায়ের ওপর প্রতিষ্ঠিত রাখে। মানুষের মধ্যে এ বস্তুগুলো না থাকলে সে কখনো আল্লাহর বিধানের আনুগত্য করার ক্ষেত্রে অবিচল নিষ্ঠার পরিচয় দিতে পারতো না।
মানুষ সৃষ্টির উদ্দেশ্য সম্পর্কে কুরআন মাজীদে বলা হয়েছে, 'জিন এবং ইনসানকে আমি শুধু আমার ইবাদতের জন্যেই সৃষ্টি করেছি'। আর ইবাদাত শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সকল আচার-আচরণই ইবাদাতের অন্তর্ভুক্ত। যে কাজে আল্লাহর প্রতি মনোনিবেশ করা হয়, যে কাজে আল্লাহর আনুগত্যই উদ্দেশ্য, তাই-ই ইবাদাত। 'তোমরা তোমাদের নামাযসমূহের ব্যাপারে (গভীর) যত্নবান হও মধ্যবর্তী নামাযসহ....... তখন (ধীরে ধীরে শান্তিপূর্ণভাবে নামাযের মাধ্যমে) আল্লাহ তায়ালাকে স্মরণ করো, যেভাবে আল্লাহ তায়ালা তোমাদের (তাকে স্মরণ করার নিয়ম) শিখিয়েছেন, কিছুই তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না ।' এখানে সব নামায হেফাযত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ যথাসময়ে নামায আদায় করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, নামাযের আরকান ঠিকমতো আদায় করতে বলা হয়েছে, নামাযের শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করে নামায আদায় করতে বলা হয়েছে। কতিপয় হাদীসের প্রমাণ অনুসারে অধিকাংশ আলেমের মতে মধ্যবর্তী সালাতের অর্থ হচ্ছে আসরের সালাত। কেননা, এর একদিকে দিনের দু'টি সালাত – ফজর ও যোহর এবং অপরদিকে রাতের দুটি সালাত - মাগরিব ও এশা রয়েছে। এ সালাতের জন্য তাকীদ এ জন্য দেয়া হয়েছে যে, অনেক লোকেরই এ সময় কাজকর্মের ব্যস্ততা থাকে।আসরের সালাতের গুরুত্বের বর্ণনায় রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যার আসরের সালাত ছুটে গেল তার যেন পরিবার-পরিজন এবং ধন-সম্পদ সবই ধ্বংস হয়ে গেল’[বুখারীঃ ৫৫২] । এরপর বিনয়াবনত হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, আল্লাহর সামনে বিনয়ের সাথে দাড়ানো এবং নামাযে আল্লাহর স্মরণে একান্তমনে মনোনিবেশ করা। ইতিপূর্বে তারা নামায আদায় কালে বিশেষ জরুরী প্রয়োজনে কথা বলতেন। এ আয়াতটি নাযিল হলে তারা জানতে পারলেন যে, আল্লাহর সমীপে বিনয়াবনত হওয়া এবং একান্তভাবে নিবিষ্ট চিত্তে তার সমীপে দাড়ানো ছাড়া নামাযে অন্য কোনো কাজ করা যাবে না।
(তাফসীর- তাফহীমুল কুরআন, ফী জিলালিল কুরআন, আবু বাকার যাকারিয়া।)
Online Al-Quran Teaching
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ - اللَّهُ الصَّمَدُ - لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ - وَلَمْ يَكُن لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ
10/04/2022
20/12/2021
পড়ো, পড়তে পড়তেই মোহাব্বত জাগবে।
আল্লাহ ইসলামের জন্য যার বক্ষ খুলে দিয়েছেন, ফলে সে তার প্রতিপালকের দেওয়া আলোতে এসে গেছে ( সে কি কঠোর হৃদয় ব্যক্তিদের সমতুল্য হতে পারে?) হ্যাঁ যাদের অন্তর কঠোর হওয়ায় আল্লাহর যিকির থেকে বিমুখ, তাদের জন্য ধ্বংস। এরূপ লোক সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে রয়েছে (যুমার ২২)।
أَفَمَن شَرَحَ ٱللَّهُ صَدۡرَهُۥ لِلۡإِسۡلَـٰمِ فَهُوَ عَلَىٰ نُورࣲ مِّن رَّبِّهِۦۚ فَوَیۡلࣱ لِّلۡقَـٰسِیَةِ قُلُوبُهُم مِّن ذِكۡرِ ٱللَّهِۚ أُو۟لَـٰۤىِٕكَ فِی ضَلَـٰلࣲ مُّبِینٍ
মাশাআল্লাহ ♥️♥️♥️
হে মুমিনগণ! তোমরা যথার্থভাবে আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং তোমরা মুসলিম (পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণকারী) না হয়ে কোন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করো না।
_আল কোরআন
মধুর সুরে কোরআন তেলাওয়াত, শুণুণ মনে প্রশান্তি আসবে ইনশা-আল্লাহ।
07/08/2021
কলবের জন্য চিন্তা-ভাবনার সাথে কুরআন তিলাওয়াতের চেয়ে উপকারী কিছু নেই।
ইমাম ইবনুল কাইয়িম রহ.
01/08/2021
আবু মুসা আশআরী রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
( مَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ الْأُتْرُجَّةِ رِيحُهَا طَيِّبٌ وَطَعْمُهَا طَيِّبٌ وَمَثَلُ الْمُؤْمِنِ الَّذِي لَا يَقْرَأُ الْقُرْآنَ كَمَثَلِ التَّمْرَةِ لَا رِيحَ لَهَا وَطَعْمُهَا حُلْوٌ).
“যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে তার দৃষ্টান্ত কমলালেবুর মত, যা সুস্বাদু ও সুঘ্রাণযুক্ত। আর যে মোমিন কুরআন তিলাওয়াত করে না, তার দৃষ্টান্ত খেজুরের ন্যায় যার ঘ্রাণ নেই, কিন্তু মিষ্টি।
(মুসলিম)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka