নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল ল’ কলেজ

নারায়ণগঞ্জ আইডিয়াল ল’ কলেজ

Share

নারায়ণগঞ্জ আইডিয়া ল’ কলেজের সকল ছাত্?

15/11/2022

২০২২ সালের বারকাউন্সিল লিখিত পরিক্ষার রেজাল্টের জন্য অপেক্ষমাণ প্রিয় শিক্ষানবিশ আইনজীবী বন্ধুগন,হতাশ হবেন না।
রেজাল্ট যাই হোক।
আলহামদুলিল্লাহ।

23/10/2022

কিছু জরুরি সরকারি ও বেসরকারি সেবা নেয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কে Return দাখিলের প্রমানপত্র/Acknowledgement জমা দিতে হবে।
সেবা গুলো হলোঃ-
১) ৫ লাখ টাকার উপরে লোন নিতে চাইলে।
২) কোন কোম্পানির পরিচালক/শেয়ারহল্ডার হতে চাইলে।
৩) আমদানি/রপ্তানি এর জন্য লাইসেন্স (IRC/ERC)
৪) ট্রেড লাইসেন্স
5) কো-অপারেটিভ সোসাইটি লাইসেন্স
৬) সাধারণ বিমা লাইসেন্স
৭) জমি/বিল্ডিং/ফ্লাট এর বিক্রয়/স্থানান্তর/বায়নানামা এর জন্য দলিল নিবন্ধিত করন (১০ লাখ টাকার উপর হলে ও সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার মধ্যে হলে)
৮) ক্রেডিট কার্ড
৯) ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডেন্টিস্ট, উকিল, চার্টাড একাউন্টেড, সিএমএ, আর্কিটেক্ট, সার্ভেয়ার বা এরূপ পেশার মেম্বারশিপ
১০) নিকাহ নিবিন্ধক (কাজী)
১১) ট্রেড সংগঠনের মেম্বারশিপ
১২) ড্রাগ, ফায়ার, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স
১৩) গ্যাস সংযোগ সেবা
১৪) নৌ যানবাহনের সার্ভে সনদ
১৫) ইট তৈরির জন্য অনুমতি
১৬) ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি
১৭) সিটি কর্পোরেশন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এরিয়ার মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ
১৮) কোন কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটর/এজেন্সি হতে চাইলে
১৯) আর্ম/বন্ধুক লাইসেন্স
২০) আমদানির জন্য এল সি খোলার ক্ষেত্রে
২১) ৫ লাখ টাকার বেশি পোস্টাল সেভিংস একাউন্ট
২২) ১০ লাখ টাকার অধিক ব্যাংক জমাতিরিক্ত একাউন্ট খোলার ক্ষেত্রে
২৩) ৫ লাখ টাকার অধিক সঞ্চয়পত্র ক্রয়
২৪) উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসবা, সিটি কর্পোরেশন ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে
২৫) মোটর গাড়ি, স্থান, বাসস্থান বা যে কোন প্রকারের সম্পদ সরবরাহের মাধ্যমে কোন অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ।
২৬) ব্যবস্থাপনা / প্রশাসন /প্রডাকশন সুপারভাইজার হিসেবে যদি কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন গ্রহন করে।
২৬) সরকারি / স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে মাসিক ১৬০০০ টাকার ঊর্ধ্বে মূল বেতন গ্রহন করলে।
২৭) মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কোন কমিশন/ফি গ্রহন করলে।
২৮) কোন কোম্পানির কাছ থেকে কনসাল্টেন্সি সেবা, ম্যান পাওয়ার সরবরাহ সেবা, ক্যাটারিং সেবা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেবা, সিকিউরিটি সেবা।
২৯) এম পি ও ভুক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে মাসিক ১৬০০০ টাকার অতিরিক্ত টাকা গ্রহন করলে।
৩০) ইন্সুইরেন্স কোম্পানির এজেন্সি সার্টিফিকেট রেজিষ্ট্রেশন / রিনিউয়াল।
৩১) মোটর গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন /মালিকানা পরিবর্তন /ফিটনেসস রিনিউয়াল এর ক্ষেত্রে। (২/৩ চাকার গাড়ি বাদে)
৩২) বিদেশি অনুদান রিলিজ এর ক্ষেত্রে এন জি ও.
৩৩) ডিজিটাল প্লাটফর্ম (অনলাইন) এর মাধ্যমে পন্য বা সেবা বিক্রির ক্ষেত্রে।
৩৪) ক্লাব/ সোসাইটি এর মেম্বারশিপ এর জন্য আবেদন এর ক্ষেত্রে।
৩৫) টেন্ডার এর জন্য ডকুমেন্টস জমা দেয়ার ক্ষেত্রে
৩৬) আমদানি রপ্তানির ক্ষত্রে বিল অফ এন্ট্রি।
৩৭) বিল্ডিং কনষ্ট্রাকশন এর জন্য রাজউক/ সিডিএ/কেডএ/আরডিএ/ সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার অন্যান্য কর্তৃপক্ষ পক্ষ থেকে অনুমোদন নেয়ার ক্ষেত্রে।
তাই সবার প্রতি আমার পরামর্শ হলো, তাড়াহুড়ো না করে সময় নিয়ে আয়কর রিটার্ন / Income Tax return দাখিল করিবেন।
Personal Income Tax রিটার্ন সাবমিশনের জন্যসহযোগিতার জন্য আজই যোগাযোগ করুন
যোগাযোগঃ
Narayanganj Law Firm & Land Consulted
Income TAX Practitioner

11/10/2022

📜এডভোকেটশীপ ভাইভা পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রশ্ন ২১ইং
১। আপনার নাম ও বয়স:
উ: নিজের মতো করে।
২। আপনার সিনিয়রের নাম কি?
উ: নিজের মতো।
৩। আপনার বারের সভাপতি ও সেক্রেটারীর নাম কি?
উ: যার যার জেলা বারের সভাপতি ও সেক্রেটারির নাম বলবেন।
৪। সাংবিধানিক কোন পদের প্রয়োগ নাই?
উ: সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পালের কথা বলা থাকলেও এর কোন বাস্তবায়ন নাই।
৫। ডাকাতি আর দস্যুতা বলতে কি বুঝেন?
উ: বাঃ দঃ ১৮৬০ সালের ৩৯০ ধারামতে কোন এক বা একাধিক (৫ জনের কম) ব্যক্তি যদি চুরি কিংবা বলপূর্বক গ্রহণকালে কারো মৃত্যু ঘটায় বা আঘাত কিংবা আটক করে, তখন তাকে দস্যুতা বলে এবং ৩৯১ ধারামতে ৫ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিত হইয়া দস্যুতা করিলে তখন তা ডাকাতি বলে গন্য হয়।
৬। সংবিধান সর্বশেষ কোন সনে সংশোধন করা হয়েছে?
উ: ২০১৪ইং
৭। বার কাউন্সিলের কার্যকরী পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত?
উ: ৫ জন।
৮। দায়রা ও জেলা জজ বলতে কি বুঝেন?
উ: জেলার মূখ্য জজ আদালত যখন ফৌজদারী মামলা শোনেন তখন তিনি দায়রা জজ। আবার যখন দেওয়ানী মামলা শোনেন তখন তিনি জেলা জজ।
৯। কায়মোকাম কি?
উ: বাদী/বিবাদীর মৃত্যুর পর তাদের আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করাকে কায়েমোকাম বলা হয়।
১০। সনদ পেলে কোন বারে প্র্যাকটিস করবেন?
উ: যে বারে প্র্যাকটিস করতে ইচ্ছুক তার নাম।

11/10/2022

এলএল.বি ১ম পর্ব ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তির আবেদন চলছে আগামী 12-10-2022 ইংরেজী তারিখ পর্যন্ত...
ভর্তি ইচ্ছুক স্থানীয় ল’ কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য যোগাযোগ করুন...

24/09/2022

বিবাহ বিচ্ছেদ (Divorce)বাংলাদেশের প্রচলিত আইনঃ
বিবাহ বিচ্ছেদ বলতে বিবাহ চুক্তির সমাপ্তি বুঝায়।ডিভোর্স বা বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে দম্পতির সর্বশেষপন্থা যখন আর কোন মতেই এক সাথে থাকা তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না।এ সম্পর্কে নবী করিম (সঃ) বলেন ইসলামের নিকৃষ্ট হালাল কাজ হলো তালাক। বিয়ে ও তালাক রেজিষ্ট্রেশন আইন ১৯৭৪এবং মুসলিম পারিবারিক আাইন অধ্যাদেশ ১৯৬১। এই সকল আইনগুলো ইসলামি শরিয়াহ মোতাবেক গঠিত ও পরিচালিত।
#বিবাহ বিচ্ছেদ মূলত দুই ভাবে হয়ে থাকেঃ- ১। কোন পক্ষের মৃত্যু হলে ২।যে কোন এক পক্ষের পদক্ষেপের মাধ্যমে। পদক্ষেপ আবার তিন ভাবে হতে পারে (ক) স্বামী (খ)স্ত্রী (গ) পারস্পরিক সমঝোতা।
#ইদ্দতকালঃইসলামে তালাকের পর একজন মহিলাকে ইদ্দত পালন করতে হয়।ইদ্দতকালীন সময়ে একজন মুসলিম নারীর পুনঃ বিবাহ নিষিদ্ধ।
ইদ্দত দুই প্রকারঃ ১।তালাকের পর ২।স্বামীর মৃত্যুর পর
কোরআন মোতাবেক স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রীকে ৪ মাস ১০ দিন ইদ্দত কালীন সময় পালন করতে হয়।
#মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ অনুযায়ী স্বামীর প্রথম তালাক ঘোষণার পর ৯০ দিন এবং কোরআান মোতাবেক ৩টি পিরিয়ড কালীন সময় হচ্ছে ইদ্দতকাল।
# তালাক দাতাকে অবশ্যই প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কের হতে হবে। এটি হচ্ছে ডিভোর্সের পূর্বশর্ত। ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ অনুযায়ী স্বামী বা স্ত্রী যে কেউই তালাক দিতে পারে। যে কোন পদ্ধতিতে ডিভোর্স দিলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ৩টি ধাপে তারা তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের নিষ্পত্তি করতে হবে।
১।লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে ২।সালিশি পরিষদে অংশগ্রহণ করতে হবে ৩। ৯০ দিন অতিক্রম হওয়ার পরে রেজিস্ট্রারের নিকট হতে ডিভোর্স রেজিষ্ট্রেশন সাটিফিকেট নিতে হবে। ডিভোর্স রেজিষ্ট্রেশন করা বাধ্যতামুলক নয়।
#মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ ১৯৬২ অনুযায়ী লিখিত নোটিশ পাঠাতে হবে। নোটিশ প্রদান বাধ্যতামূলক এবং না পাঠালে আইনগতভাবে শাস্তির বিধান রয়েছে। নোটিশ না পাঠালে তালাক দাতার ১০,০০০/টাকা জরিমানা অথবা ১ বছরের জেল অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে।
#নোটিশ আপনি বিবাহ রেজিস্ট্রার /কাজী অথবা আপনার উকিলের মাধ্যমে পাঠাতে পারেন।এলাকার চেয়ারম্যান অথবা কাউন্সিলর নোটিশ পাবার ৩০ দিনের মধ্যে একটি সালিসি বোর্ডের গঠন করবে এবং দুই পক্ষ একই সাথে এই সালিশ বেঠকে বসবে। যদি দুই পক্ষের৷ কেউই না আসে তাহলে নোটিশ পাঠানোর ৯০ দিন পর ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যাবে।
# এই ৯০ দিন অপেক্ষাকে ইদ্দতকালবলে।স্ত্রী যদি গর্ভাবস্থায় থাকে তবে যেটির সময় বেশি তারপর তালাক কার্যকর হবে অথ্যাৎ যদি সন্তান ১০০ দিন পের হয় তবে ১০০ দিন পর ডিভোর্স কার্যকর হবে কিন্তু যদি ৮০ দিন পর হয় তবে তাহলে ৯০ দিন পরেই তালাক কার্যকর হয়।
# # ডিভোর্স ঘোষণার ৯০ দিনের মধ্যে তালাক দাতা ডিভোর্স প্রত্যাহার করতে পারে,৯০ দিন পর যদি তাদের মনে হয় ডিভোর্স নেয়াটা ঠিক হয়নি, একসাথে থাকতে চায় সেক্ষেত্রে তাদের পুনরায় বিয়ে করতে হবে।
# # ডিভোর্স এর আগে অবশ্যই স্বামীকে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে, যদি সে বিয়ের সময় দেনমোহর পরিশোধ করে না থাকে এটা স্ত্রীর অধিকার। স্বামী তার স্ত্রীকে কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই ডিভোর্স দিতে পারে।
# # যে সকল কারণে স্ত্রী তালাক দিতে পারেঃ
১।যদি চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকে ২।দুই বছর খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হয় ৩।স্বামীর সাত বছরের বেশি কারাদণ্ডাদেশ হলে। ৪বিয়ের সময় স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে ৫।স্বামী যদি দুই বছর পাগল থাকে অথবা কোন গুরুতর ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকে। এ সকল কারনে স্ত্রী তালাক দিতে পারে

22/09/2021

আমরাই প্রথম আসছে শনিবার (২৫-০৯-২০২১) নারায়ণগঞ্জে টেক্স ও ভ্যাটের ফ্রি সেমিনরা করতে যাচ্ছি....
আপনারা যারা সেমিনারে অংশ গ্রহনে আগ্রহী তারা দ্রুত যোগাযোগ করুন

06/09/2021

"বিবাহ রেজিস্ট্রি, বহুবিবাহ, তালাক এবং আপনার অধিকার"
মুসলিম পরিবার আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এই অধ্যাদেশে পারিবারিক বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সালিসী কাউন্সিল গঠনের কথা বলা হয়। স্থানীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এবং প্রতিযোগী পক্ষগণের মধ্য থেকে একজন করে প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিনিধি সমন্বয়ে এই কাউন্সিল গঠিত হবে। পৌর এলাকায় পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং মিউনিসিপাল কর্পোরেশন এলাকায় কর্পোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক সালিসী কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।এ অধ্যাদেশের অন্তর্ভুক্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সকল আইন, প্রথা বা রীতির উপর এ আইন কার্যকর হবে।
৫নং ধারায় বহুবিবাহ সম্পর্কে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এ ধারায় বলা হয়, কোন ব্যক্তির একটি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিস পরিষদের পূর্বানুমতি ছাড়া পুনরায় বিবাহ করতে পারবে না এবং এরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ সম্পন্ন হলে তা রেজিস্ট্রি করা যাবে না। বিবাহ করতে হলে সালিস পরিষদের অনুমতির জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে হবে এবং আবেদনপত্রে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণ, প্রয়োজনীয়তা এবং এ বিবাহে বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সম্মতি আছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
আবেদনপত্র পাওয়ার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারী ও তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণকে তাদের নিজ নিজ প্রতিনিধি মনোনয়ন করতে বলবেন এবং এ সালিস পরিষদ যদি মনে করে যে, প্রস্তাবিত বিবাহটি প্রয়োজন ও ন্যায়সঙ্গত তাহলে পরবর্তী বিবাহে অনুমতি প্রদান করতে পারেন। আবেদনপত্র সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় সালিস পরিষদ তার সিদ্ধান্তের কারণসমূহ লিপিবদ্ধ করবে। কোন পক্ষ নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট মহকুমা হাকিমের নিকট পুনর্বিচারের আবেদন করতে পারবে এবং মহকুমা হাকিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। এর বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
কোন পুরুষ সালিস পরিষদের অনুমতি ব্যতীত যদি আরও একটি বিবাহ করে, তাহলে তাকে (ক) অবিলম্বে তার বর্তমান স্ত্রী বা স্ত্রীগণের সমস্ত দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ করা না হলে তা বকেয়া রাজস্বের ন্যায় আদায় করা যাবে; (খ) অভিযোগক্রমে দোষী সাব্যস্ত হলে তাকে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে।
বিবাহ রেজিস্ট্রি এ আইনের মাধ্যমে প্রতিটি মুসলিম বিবাহ রেজিস্ট্রিকরণ বাধ্যতামূলক করা হয়। এ আইন অনুসারে বিয়ে রেজিস্ট্রির উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে লাইসেন্স মঞ্জুর করা হয় এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যক্তি নিকাহ রেজিস্ট্রার নামে অভিহিত হন। একটি ওয়ার্ডের জন্য একজন মাত্র নিকাহ রেজিস্ট্রার থাকবেন। এ আইন অমান্যকারীকে তিন মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা এক হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড কিংবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা যাবে। বিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে। যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় তবে তাকে যে কোন প্রকারে তালাক ঘোষণার পর যথাশীঘ্র সম্ভব চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ দিতে হবে এবং নোটিশের একটি নকল স্ত্রীকে পাঠাতে হবে। তালাক ঘোষণার পর তা প্রত্যাহার করা না হলে চেয়ারম্যানকে নোটিশ দেয়ার দিন থেকে নববই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ হবে না। নোটিশ পাওয়ার ত্রিশ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান পক্ষসমূহের মধ্যে সমঝোতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সালিস পরিষদ গঠন করবেন এবং সালিস পরিষদ এ সমঝোতার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। তালাক ঘোষণার সময় স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে ৯০ দিন সময় অথবা প্রসব না হওয়া পর্যন্ত তালাক বলবৎ হবে না। এই আইনের পর থেকে তালাক দ্বারা বিয়ে বিচ্ছেদ ঘটেছে এরূপ স্ত্রী, এটি তৃতীয়বারের বিয়ে বিচ্ছেদ না হয়ে থাকলে, মধ্যবর্তী সময়ে অন্যকোন পুরুষকে বিয়ে না করেই পুনরায় পূর্ব স্বামীকে বিয়ে করতে পারবেন। অর্থাৎ স্বামীকে বিয়ে করার ব্যাপারে অন্য পুরুষকে বিয়ে করার যে বাধ্যবাধকতা ছিল, তা এ আইনে রহিত করা হয়। তালাক কার্যকর করার ক্ষেত্রে যদি কোন ব্যক্তি তালাকের আইন অনুযায়ী কার্যসম্পাদন না করে, সে ব্যক্তি এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
তালাক ব্যতীত অন্যভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ যেক্ষেত্রে তালাকের অধিকার স্ত্রীকে যথাযথভাবে প্রদান করা হয়েছে এবং স্ত্রী সে অধিকার প্রয়োগ করতে চায়, অথবা যেক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রী তালাক ব্যতীত অন্য কোন উপায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চায়, সেক্ষেত্রে তালাকের বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ যথাসম্ভব প্রযোজ্য হবে।

30/08/2021

✒ ট্রেড লাইসেন্স।
📂🗒 ব্যবসা শুরু করার প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স । এটি অনুমোদন রাষ্ট্রের কাছ থেকে নেয়া হয় । ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স ।
📜 আমাদের দেশে
অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী আছেন, যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন । কিন্তু এটা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধী । ব্যবসার লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতি পত্র । তাই আপনার বৈধ ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক ।
🖥📜 অনলাইন কমার্স ব্যবসার জন্য লাইসেন্স অবশ্যই করতে হবে । তবে আপনি যদি অস্থায়ীভাবে কিছুদিনের জন্য ওয়েবসাইট অথবা ফেসবুকে অনলাইন ব্যবসা করতে চান, সে ক্ষেত্রে লাইসেন্স না করে ব্যবসা করা যেতে পারে । কিন্তু লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে আপনি কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারেন । বিশেষ করে ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আপনি ব্যাংকে হিসাব খুলতে পারবেন না । আপনি বেশি অ্যামাউন্ট এর কোন পণ্য অর্ডার পাওয়ার সাপ্লাই করতে পারবেন না । কোন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না । বিভিন্ন ট্রেড বডিজ, চেম্বার এর সদস্য হতে পারবেন না ।
📂📜 ট্রেড লাইসেন্স আইন বা বিধিমালা শুধুমাত্র একটি ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে । কোনোক্রমে অন্য কোন ক্যাটাগরির ব্যবসার জন্য এটি ব্যবহার করা যাবে না । নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য আপনাকে আবার নতুন করে আরেকটি ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে । একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধুমাত্র একটি ব্যবসায়ে ব্যবহার করতে পারবেন । এটি কোন অবস্থাতেই হস্তান্তরযোগ্য নয়
✒📑 আবেদনের যোগ্যতা ১৮ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সে যে কোন প্রাপ্তবয়স্ক নারী বা পুরুষ ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন । তবে তাকে অবশ্যই কোন না কোন ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকতে হবে ।
✒📜 যথাযথ কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ সিটি করপোরেশন, পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে আপনি আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন । ট্রেড লাইসেন্স নেয়ার পূর্বে দু’টি বিষয়ে সিন্ধান্ত নিনঃ
🖋 যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্বাচনের জন্য ব্যবসার অবস্থান নির্ধারণ এবং
🖋 ব্যবসার প্রকৃতি নিরূপণ ।
✒📋 আপনার ব্যবসার অবস্থান অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্বাচন করুন । যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান সিটি কর্পোরেশন এলাকা যেমনঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে হয় তা হলে আপনাকে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে ।
✒📜 যদি আপনার ব্যবসার অবস্থান কোন মিউনিসিপ্যাল (পৌরসভা) এলাকায় হয়ে থাকে তাহলে এ এলাকার মিউনিসিপ্যাল কর্তৃপক্ষ হতে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।
✒📜 অন্যান্য ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ থেকে সংগ্রহ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফরম ।
🖥 ই কমার্স ব্যবসায় ট্রেড লাইসেন্স করার সময় অনেকেই লাইসেন্সের ক্যাটাগরি নির্বাচনে ভুল করেন। লাইসেন্স করার পূর্বে, আপনার পছন্দের ক্যাটাগরি গেজেটে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করে নিন।
🖥 অনলাইন বা ই কমার্স ব্যবসায় ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি হবে "আইটি ব্যবসা" এবং ক্যাটাগরি তালিকায় এর ক্রমিক নাম্বার ২৫৩।
✒ আইটি ব্যবসা ক্যাটাগরিতে লাইসেন্স ফি, ১৫% ভ্যাট, সাইনবোর্ড চার্জ এবং লাইসেন্স বইয়ের মূল্যসহ সর্বমোট ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি হবে।
সংগৃহীত

Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Narayanganj
Dhaka