25/04/2025
Evergreen Bangladesh
Educational Organization
25/04/2025
Relations with India—Cooperation or Oppression?
Unequal water distribution, civilian killings on the border, power and energy sectors full of irregularities, discriminatory tariff policies, interference in internal politics, cultural aggression, espionage, monopolistic market capture, support for separatism, and even defense agreements that threaten sovereignty—Bangladesh's relations with India have been plagued by these questionable issues for the past 53 years.
Now the question is—is protesting these injustices anti-India?
Some still blindly support India with the emotional blackmail of the Liberation War. But was India's assistance at that time selfless? How could India sleep peacefully with Pakistan on both sides? Therefore, opposing India's decisions that were against Bangladesh's interests does not become anti-India.
Talking about Bangladesh's interests is the demand of the hour.
04/04/2025
মোদির সাথে সাক্ষাতের পূর্বে
Chief Adviser GOB কে খোলা চিঠি
প্রিয় Muhammad Yunus স্যার
আমার মত নগন্য মানুষের ক্ষুদ্র কয়েকটা প্রশ্ন আছে।
অসম জলবন্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে অপরিসীম অনিয়ম, অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা না করে ট্রাঞ্জিটের নামে অনায্য সুবিধা গ্রহণ, সীমান্তে বেসামরিক হত্যা, ইচ্ছাকৃত বাণিজ্য ঘাটতি, পণ্য পরিবহনে শুল্ক ও মাশুল নির্ধারনে বৈষম্য, অভ্যন্তরীন বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ, অনৈতিক গুপ্তচরবৃত্তি, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, একচেটিয়া বাজার দখল, পাহাড়ী অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মদদ প্রদান, ধর্মীয় Uগ্রBaদke উস্কে দেয়া, সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর নামে প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে আসলে সার্বভৌমত্ত্বকে ঝুঁকিপূর্ণ করে রাখা, পছন্দের রাজনৈতিক দলকে সরকার গঠনে বেআইনি সহায়তা প্রদান এবং অতঃপর সেই নতজানু সরকারকে দিয়ে স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোপন চুক্তি করিয়ে নেয়া ...... বিগত ৫৩ বছরে আলোচনার টেবিলের বাইরে থাকা এই বিষয়গুলোকি এবার পাদপ্রদীপের আলোয় আসবে?
ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের মনেভাব নিয়ে অনেকেই অনেক কথা বলেন। আমার কথা হল, বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী ভারতীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করাকে কি কখনোই ভারত বিদ্বেষ বলা যায়? সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক আর রাজনৈতিক সম্পর্কের প্রতিটা ডাইমেনশনে চুড়ান্ত অসৌহার্দপূর্ণ আর চরম অশান্তিপূর্ন পন্থায় আন্ডার টেনশনে থাকা #বাংলাদেশ 🇧🇩 এই নিষ্ঠুর প্রতিবেশী থেকে নিজেকে ডিসইন্টিগ্রেটেড করার কথা ভাবলে সেটাকে কি ভারত বিদ্বেষ বলা যায়?
অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের ব্যাকগ্রাউন্ডে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং এর শিকার বানিয়ে ভারতকে ভালোবাসাই মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বড় চেতনা মনে করিয়ে আমদের বোঝানো হচ্ছে — নইলে আর মুক্তিযুদ্ধ হয়ে লাভ কি হলো! অথচ ভারত যে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে সাহায্য করেছে সম্পূর্ণ নিজের স্বার্থে তা বুঝতে আইনস্টাইন হতে হয় না। দুইপাশে পারমানবিক অস্ত্র সম্পন্ন দুটো পাকিস্তানকে রেখে ভারত ঘুমাতো কী করে?
তাই জীবনভর ‘স্বাধিনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন’ ভাবসম্প্রসারণ লিখতে লিখতে ক্লান্ত বাংলাদেশীদের এখন আর এই কষ্টার্জিত #স্বাধীনতা রক্ষার জন্য "মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য করেছিল" টাইপের একটা রিজনিং দাঁড় করানোর মত কুমিরের কান্নার কি কোন মানে হয়?
আমরা কি ‘মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি’র নামে আসলে ‘ভারত প্রীতি’র কৌটায় সুগার কোটেড #ললিপপ চুষছি?
আপনার স্নেহধন্য
Faatiha Aayat
27/03/2025
চমৎকার এই গানটি যে লিখেছে তাকে হাজার সালাম!
ওই কিরে কথা কঅ..|| Voice of Arafat || Dhaka || Bangladesh || ওই কিরে কথা কঅ..|| Voice of Arafat || Bangladesh || ওই কিরে কথা কঅ...ওই কিরে কথা কঅ...দিল্লির নৌকা আনতাছোসকই পাইলি এই সাহস?সেই মায়েরে জিগাই.....
20/03/2025
"আমার যেই ছেলে একটা মুরগি কাটা দেখতে পারত না, গরু কাটার সময় যাকে লুকায়ে রাখা লাগতো, সেই ছেলের শরীরে এত রক্ত আমি দেখছি! আমার মানিকটারে কে যে শেষ করে দিয়ে গেল!..."
'আন্দোলনে যাওয়ার জন্য ওইদিন শান্ত একরকম তাড়াহুড়া করেই টিউশনি শেষ করছিল। বলে আসছিল, পরের দিন বেশি সময় পড়ায়ে দিবে।
বাসার চাবি সবসময় একটা থাকতো শান্তর কাছে, আরেকটা আমার কাছে। ওর চাবিটা আমাকে কখনো দিত না। কিন্তু ওইদিন কেন জানিনা, নিজে ডেকে আমাকে চাবি দিয়ে গেছিল। হয়ত বুঝতে পারছিল, আর আসবে না৷
ওইদিন আমার ছেলের চেহারাও কেমন যেন লাগতেছিল খুব হাসিখুশি, মায়াবী মায়াবী!
পরোটা আর চা বানায়ে রেখে দিছিলাম, যেন সন্ধ্যায় এসে খায়। বাইরের কিছু তেমন খাইতে পারত না।
আমি জানতাম না আমার ছেলে নাই, গুলি লাগছে এই কথা বলে ওর বন্ধুরা আমাকে মেডিকেল নিয়ে গেছিল।
থানার ওসি যখন 'ফয়সালের আম্মু কোথায়' বলে বলে ডাকতেছিল, আমি দৌড়ায়ে গেছি। ভাবছি শান্তমনি হয়ত ওয়ার্ডে ভর্তি হইছে, আমাকে খুঁজতেছে, এই কারণে ডেকে নিয়ে যাচ্ছে।
আমাকে সবাই স্বান্তনা দিচ্ছিল শুধু, আমি বলতেছিলাম আমাকে আমার শান্তমনির কাছে নিয়ে চলেন, আমি শান্ত হয়ে যাব। কিন্তু আমাকে নেয় না৷
আমাকে যখন মৃত্যুর খবর শুনাইছে, আমি বিশ্বাস করিনাই। মনে হচ্ছিল হয়ত স্বপ্ন দেখতেছি। এখনো মাঝেমধ্যে মনে হয়, আমার শান্তমনি আছে, এগুলা সব স্বপ্ন।
আমার যেই ছেলে একটা মুরগি কাটা দেখতে পারত না, গরু কাটার সময় যাকে লুকায়ে রাখা লাগতো, সেই ছেলের শরীরে এত রক্ত আমি দেখছি! আমার মানিকটারে কে যে শেষ করে দিয়ে গেল!
আমাকে যখন লাশ দেখাইতে নিয়ে গেল, আমি তখনো ভাবছি গিয়ে দেখব অন্য কেউ শুয়ে আছে। আমার শান্তমনি হয়ত আন্দোলন থেকে কোথাও গিয়ে লুকায়ে আছে। কিন্তু স্ট্রেচারে করে আমার মানিকটারেই নিয়ে আসলো।
এর ভিতরে আবার শান্ত'র দুই বন্ধুকে এরেস্ট করে তাদেরকেই শান্ত'র হত্যামামলা দিয়ে দেয়।
ওর জন্ম চট্টগ্রামে, বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে, তবু এখানে একটা জানাজাও হইতে দিল না, পুলিশ প্রটোকলে বরিশাল নিয়ে যাওয়া লাগলো৷ দাফনও সেখানে হয়।
আমার ছেলে খতম তারাবি কোনোদিন মিস দিত না। মিস হবে ভেবে এমনকি রমজানে কোথাও বেড়াইতেও যাইত না। আর এই বছর পড়ারই কেউ নাই!
একটা ভাল মানুষ হিসাবে আমি শান্তমনিকে বড় করছি। আমি হয়ত আর ওর রক্ষণাবেক্ষণের উপযুক্ত ছিলাম না, এই কারণে আল্লাহ নিজের কাছে নিয়ে গেছে। যতদিন উপযুক্ত ছিলাম ততদিন ও আমার কাছে ছিল। সান্ত্বনা শুধু এইটুকুই, আল্লাহ যেন আমার ছেলেকে শহিদ হিসাবে কবুল করে।
জানেন, জীবন আমার কাছে এখন আর মূল্যবান কিছু না। অপেক্ষা করেই আছি কখন আমার ছেলের কাছে চলে যাব।'
রেশমা আক্তার (শহীদ ফয়সাল আহমেদ শান্ত'র মা)
10/03/2025
আজকে মেসের খালার সেহরিতে দেওয়া মিল ভাতের সাথে ডাইনোসর ভাজা!
09/03/2025
যুদ্ধে হার না মানা এক বাবা!
পাবনা থেকে রাজশাহী এসেছেন মেয়েকে নিয়ে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, পরীক্ষা কেন্দ্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। মেয়েটি পরীক্ষা দিচ্ছে বিজ্ঞান অনুষদের ড. কুদরাত-এ-খুদা ভবনে, আর ঠিক সেই ভবনের পেছনে, এক পাশে শুয়ে আছেন বাবা।
দূর থেকে দেখে মনে হলো, হয়তো ক্লান্তিতে একটু বিশ্রাম নিচ্ছেন। কাছে গিয়ে কথা বলতেই উঠে বসলেন ধীরগতিতে। ক্লান্ত কণ্ঠে বললেন, "হার্টের একটু সমস্যা আছে, শরীরটা খারাপ লাগছিল, তাই শুয়ে পড়েছিলাম। তবে এখন ভালো লাগছে।"
পেশায় তিনি একজন মাইক্রোবাস চালক। মাসে পাঁচ হাজার টাকা বেতন, ভাড়ার ওপর ২০% কমিশন—এই সামান্য আয়েই টানাটানির সংসার। কিন্তু স্বপ্ন? সেটি সীমিত আয়ের গণ্ডিতে বাঁধা নয়!
দুই ছেলে, এক মেয়ে—তাদের ভবিষ্যৎ গড়াই তার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। আজ এই মেয়েটি স্বপ্নের ডানা মেলে দিতে বসেছে ভর্তি পরীক্ষায়। মেজো ছেলে পড়ে অষ্টম শ্রেণিতে, ছোট ছেলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে। হয়তো নিজের চাহিদার কথা কখনো ভাবেন না, কিন্তু সন্তানদের জন্য তার আত্মত্যাগের কোনো সীমা নেই।
তিনি শুয়ে আছেন ময়লার পাশে, ধুলোবালির সঙ্গে। কিন্তু বুকের ভেতর বয়ে চলছে এক বিশাল স্বপ্নের সমুদ্র। সন্তানদের জীবনে আলো জ্বালানোর জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিচ্ছেন।
এই গল্প শুধু এক বাবার নয়, হাজারো বাবার। যারা নিজেদের অবহেলিত রেখে নিঃশব্দে লড়ে যান, যাতে তাদের সন্তানেরা একদিন আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারে।
শ্রদ্ধা এবং কৃতজ্ঞতা সব বাবার প্রতি—যারা নিঃস্ব হয়েও সন্তানদের স্বপ্নপূরণে ধনবান।
শখের পুরুষের
যত্ন নিয়ো, কেননা পুরুষ
কষ্ট পাইলেই নষ্ট হয়! 💔
06/03/2025
আহারে প্রজন্ম!
আমরা এক অদ্ভুত পরিবর্তনের মুখোমুখি!
বর্তমান প্রজন্মের মেয়েদের মধ্যে উচ্চশিক্ষার হার বেড়েছে, কিন্তু এর পাশাপাশি সমাজে এক নতুন সংকটও তৈরি হচ্ছে। আজকের ৭৫% উচ্চশিক্ষিত নারী ২৭ থেকে ৩০ বছর বয়সেও অবিবাহিত থাকছেন। ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে গিয়ে তারা এমন এক বাস্তবতার সামনে দাঁড়িয়েছেন, যেখানে আগামী পাঁচ বছরে লাখ লাখ নারী বৈবাহিক সম্পর্কের বাইরে থেকে যাবেন।
এই দীর্ঘসময় একা থাকার ফলে তাদের আবেগ, ভালোবাসা ও মানসিক চাহিদাগুলো অবদমিত হতে থাকে। সংসার জীবনে প্রবেশ করার পর, একজন সঙ্গীর সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার পরিবর্তে তারা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে যান। পারস্পরিক বোঝাপড়ার জায়গায় তৈরি হয় টানাপোড়েন। স্বামী যখন তার সঙ্গীর মধ্যে নারীত্বের কোমলতা, ভালোবাসা ও আনুগত্য খুঁজতে যান, তখন অনেক ক্ষেত্রেই তিনি তা খুঁজে পান না। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে কর্মক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার মনোভাব ও কঠোর বাস্তবতার সঙ্গে মানিয়ে নিতে নিতে তারা মানসিকভাবে কঠোর হয়ে উঠেছেন।
এভাবে, সম্পর্কের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে শুরু করে। একজন নারী শারীরিকভাবে নারী হলেও, মানসিকভাবে হয়ে ওঠেন শক্ত মানসিকতার—যা অনেক সময় সংসার জীবনের শৃঙ্খলা ও প্রশান্তিকে ব্যাহত করে।
এই পরিস্থিতি শুধু ব্যক্তিগত জীবনেই নয়, আধ্যাত্মিক ও মানসিক জীবনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই পরিবার, ভালোবাসা ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই শুধু ক্যারিয়ারের চিন্তা নয়, জীবনের সামগ্রিক দিকগুলোও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন—যাতে শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও পারিবারিক জীবন পরস্পরের পরিপূরক হতে পারে, প্রতিদ্বন্দ্বী নয়।
28/02/2025
মায়ের ভয়ে প্রেম করি নাই,
আর এখন মা ই বলে তোরটা তুই খুঁজে নে,পছন্দ হলে বলিস!
22/02/2025
বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে ঢাকার পরিবর্তে অন্য শহর বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে, যেমন ভৌগোলিক অবস্থান, অবকাঠামো, পরিবেশ, জনসংখ্যার চাপ, এবং প্রশাসনিক সুবিধা। কিছু সম্ভাব্য বিকল্প শহর হতে পারে—
১. রাজশাহী
তুলনামূলকভাবে কম জনসংখ্যার চাপ
পরিকল্পিত নগরায়ণ
শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ
তুলনামূলকভাবে কম দূষণ
২. খুলনা
বড় সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দর সুবিধা
সুন্দরবনের নিকটবর্তী হওয়ায় পরিবেশগত ভারসাম্য ভালো
শিল্প ও ব্যবসার জন্য উপযোগী
৩. চট্টগ্রাম
দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র
সমুদ্রবন্দর থাকায় আন্তর্জাতিক সংযোগ সহজ
পাহাড় ও সমুদ্রের সংযোগ থাকায় সুন্দর আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ
৪. ময়মনসিংহ
শিক্ষা ও কৃষিনির্ভর শহর
ঢাকার তুলনায় পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ
ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী হওয়ায় পরিবহন সুবিধা ভালো
৫. কুষ্টিয়া
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ
ভারতের সাথে ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা
তুলনামূলকভাবে কম জনসংখ্যার চাপ
৬. বরিশাল
নদীবাহিত যোগাযোগ ব্যবস্থা শক্তিশালী
সবুজ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ
কৃষি ও জলাভিত্তিক অর্থনীতি বিকাশের সম্ভাবনা
তবে, রাজধানী স্থানান্তর একটি বিশাল প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত, যা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও পরিকাঠামো উন্নয়ন ছাড়া সম্ভব নয়। চট্টগ্রাম বা রাজশাহী তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে, কিন্তু সেটি বাস্তবায়নের জন্য বহু বছর সময় ও প্রচুর বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।
উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।
কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।
এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।
কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।
একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।
পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???
============================
০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???
০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।
০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।
আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন।
কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।
অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।
সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
একজন বলেছিল-- বিয়ে প্রেম আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka