Suman Mia

Suman Mia This is the only thing I do & I do it the best.
(1)

23/06/2025

যারা অস্ট্রেলিয়া যেতে চান তাদের জন্য খুব ভালো একটি গাইডলাইন

সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা
30/03/2025

সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা

16/03/2025

চাকরি পেতে ইংরেজি

ভাইভায় ইংরেজি

অনেক বহুজাতিক কম্পানি ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরসহ বিভিন্ন করপোরেটে চাকরির ভাইভা ইংরেজিতে হয়। সেখানে প্রার্থীর ইংরেজিতে কমিউনিকেশনের লেভেল যাচাই করা হয়। ব্যাংকের চাকরির ভাইভাও ইংরেজিতে হয়। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের (পান্থপথ শাখা) সিনিয়র অফিসার রুবেল শেখ বলেন, ‘ভাইভায় বেসিকের ওপর নজর দেয়। বিষয়ের ওপর প্রশ্ন করে, অন্যান্য প্রশ্নও থাকে। বিষয়ের ওপর বেসিক প্রশ্ন ইংরেজিতে করার পর যখন বিষয়ের ওপর ডিপ প্রশ্ন করেছে, তখন উত্তর বাংলায় বুঝিয়ে বলেছি। এটা নির্ভর করে ভাইভা বোর্ডের ওপর। তবে ইংরেজিতে বলার সময় উচ্চারণে সতর্ক থাকতে হবে।’

ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা

বলা হয় বর্তমান বিশ্ব দাঁড়িয়ে আছে কমিউনিকেশনের ওপর। আর করপোরেট জগতে যোগাযোগ দক্ষতা বা উপস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রার্থীর যোগ্যতার একটি হলো যোগাযোগ দক্ষতা। বায়িং হাউসগুলোতে বিদেশি বায়ারদের সঙ্গে বিজনেস ডিল করার জন্য ইংরেজিতে কমিউনিকেশনে দক্ষ হতে হবে। তাদের পণ্য সম্পর্কে জানাতে হয়। আবার যারা ট্যুরিজম অ্যান্ড হোটেল ম্যানেজমেন্টে চাকরি করবেন, মাঝে মাঝে তাঁদের বিদেশি অতিথি আসেন। তখন তাঁদের সঙ্গে ইংরেজিতে কমিউনিকেট করতে হবে। অনেক সময় তাঁরা বিদেশে গিয়ে চাকরি করেন। তখন ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা বাধ্যতামূলক। মার্কেটিং চাকরি প্রার্থীদেরও ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা থাকা ভালো।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের প্রডাকশন অফিসার ফাহিম হোসেন বলেন, ‘ফার্মাসিউটিক্যাল সব সেক্টরেই কমবেশি ইংরেজি দরকার হয়, বিশেষ করে যাঁরা FDA TGA অ্যাপ্রুভ কম্পানিতে চাকরি করেন তাঁদের কিছুদিন পর পর অডিটের মুখোমুখি হতে হয় এবং সে ক্ষেত্রে ইংরেজিতে কমিউনিকেশনটা জরুরি। আর ফার্মাসিউটিক্যালে লোকাল ও ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটিংয়ে ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশি বায়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ কিংবা প্রডাক্ট প্রমোশন করার ক্ষেত্রে ইংরেজিতে প্রেজেন্টেশন স্কিল অবশ্যই জরুরি। আবার ব্যাংকে যাঁরা ফরেন এক্সচেঞ্জ অর্থাৎ বিদেশি ব্যাংকের সঙ্গে করেসপনডেন্ট করেন, তাঁদের ভার্বাল ও ওরাল দুটিতেই দক্ষতা অর্থাৎ ইংরেজি কমিউনিকেশনে দক্ষতা প্রয়োজন। এ ছাড়া বিভিন্ন করপোরেটে প্রজেক্ট প্রেজেন্টেশন ইংরেজিতে করতে হয়। তাই ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা ও প্রকল্প উপস্থাপনা চর্চাও রাখতে হবে।

ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ইয়াছির আরাফাত বলেন, ‘ইংরেজির চর্চাটা ছোটবেলা থেকেই করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় থেকে চাকরির প্রস্তুতির জন্য বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় আসা ইংরেজি অংশের প্রশ্ন সলভ করতে পারেন। ইংরেজির যেকোনো ভালো ব্যাকরণ বই কিনে এখন থেকেই অনুশীলন করুন। আর সপ্তাহে এক দিন বন্ধুরা মিলে স্পিকিং অনুশীলন করা যেতে পারে। বাসায় বাংলা পত্রিকার সঙ্গে একটা ইংরেজি পত্রিকা রাখতে পারেন। ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদকীয় ও সাম্প্রতিক বিষয়গুলোতে প্রতিদিন চোখ বুলিয়ে নিন। কঠিন বা বড় শব্দগুলোর নিচে দাগ দিয়ে রাখতে পারেন। পরে এর অর্থ ও উচ্চারণ দেখে নিলেন। এভাবে ধীরে ধীরে রিডিং ও স্পিকিং স্কিল বাড়াতে হবে। রাইটিং স্কিলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি শব্দসম্ভার বাড়ানো। সঙ্গে গ্রামার ঠিক রাখা। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের জন্য নিজে নিজে লিখতে হবে। শুরুতে সহজ বিষয়ে লিখুন। আপনার যে টপিক ভালো লাগে সে টপিকগুলো নিয়ে প্যারাগ্রাফ লিখে ফেলুন। ধীরে ধীরে কঠিন বিষয়ে লেখা শুরু করুন। এভাবেই ইংরেজিতে দক্ষ হয়ে উঠবেন।’

নিয়োগকর্তা বললেন

ওয়ালটনের নির্বাহী পরিচালক (মানবসম্পদ ও প্রশাসন) এস এম জাহিদ হাসান বলেন, ‘ইংরেজি একটি আন্তর্জাতিক ভাষা। এখন যেহেতু পৃথিবীটা গ্লোবাল ভিলেজ, তাই বিচ্ছিন্নভাবে চিন্তা করার সুযোগ নেই। ফলে যদি ইংরেজি জানা থাকে, তাহলে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা হয় না। এসব দিক বিবেচনা করতে গেলে ব্যবসাটাও যেহেতু বিশ্বব্যাপী, ক্ষুদ্রভাবে করা যায় না; সুতরাং চাকরি ও ব্যবসা দুটির সঙ্গেই একটা সম্পর্ক আছে। সে ক্ষেত্রে চাকরি পাওয়া এবং চাকরিরত অবস্থায় ইংরেজির গুরুত্ব রয়েছে। বিভিন্ন রকমের যোগাযোগ ইংরেজিতে করতে হয়। কিছু সিস্টেম আছে যেগুলো বাংলায় করা সম্ভব নয়। ফলে ইংরেজিতে দক্ষতাটা জরুরি। আমরা লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষার মধ্যে দিয়েই বুঝে যাই—প্রার্থীদের ইংরেজিতে দক্ষতাটা কতটুকু।’

09/03/2025

ইংরেজিতে যেভাবে দক্ষতা বাড়াবেন :
ইংরেজিতে দক্ষ হওয়া অনেকের মনেরই একান্ত ইচ্ছা । এই জন্য অনেকই Vocabulary/Grammar শেখা শুরু করেন বা Spoken/IELTS Course a ভর্তি হন, কেউ বা ইংলিশ মুভি । কিন্তু অনেকেই কিছুদিন চর্চা করার পর হাল ছেড়ে দেন ।

যেকোন ভাষায় পারদর্শী হওয়ার জন্য সেই ভাষায় চিন্তা কারার অভ্যাস গড়ে তুলতে হতে । এটা একদিনে হবে না, প্রতিদিন সঠিকভাবে প্রচুর চর্চা করতে হবে । ইংরেজির সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে । আপনি কোন কোচিং এ ভর্তি বা বাসায় টিচার রাখলে ও, কারণ এই সব কোর্স তো সীমিত সময়ের জন্য । তারপর ? এই জন্য আপনি প্রতিদিন ইংরেজি চর্চার অভ্যাস না করলে বাসায় টিচার রাখা বা কোচিং করার পরও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবেন, মানে আবার ইংরেজি ভুলে যেতে শুরু করবেন ।

প্রথমে রিডিং দিয়ে শুরু করুন । Read, Read & Read. পড়ার সময় যখনই কোন নতুন শব্দ পাবেন, সাথে সাথে সেটার অর্থ জোরে জোরে পড়ে নিজের মাথায় ভালভাবে ঢুকাতে হতে যাতে অনেকদিন মনে থাকে । এইভাবে আস্তে আস্তে আপনার না জানা শব্দের পরিমাণ কমতে থাকবে । মনে রাখবেন, ইংরেজিতে যা ই পড়েন বা শোনেন, সব সময় অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন । তা না হলে আখেরে কোন লাভ হবে না ।

একই সাথে প্রতিদিন অল্প অল্প করে ইংরেজি বলার চেষ্টা করুন । কোন পার্টনার বা কোচিং এ যাওয়া লাগবে না, নিজেই নিজের সাথে বলার অভ্যাস করুন । যে কোন একটা টপিক নিয়ে আয়নার সামনে গিয়ে দেখেন কথা বলতে পারেন কি না । প্রথম প্রথম অনেক ভুল হবে, অনেক বাধবে, কিন্তু সেজন্য কখনও কথা বলা থামাবেন না । যদি হাল ছেড়ে দেন, তা হলেই সব শেষ ।

তারপর ইংরিজেতি মোটামুটি ভাল হলে আপনি ইংলিশ মুভি দেখা শুরু করতে পারেন । প্রথমে সাবটাইটেল দিয়ে দেখুন, তারপর দেখবেন এক সময় আপনার আর সাবটাইটেল লাগছে না । ইংলিশ মুভি দেখার সময় নেটিভ এক্সপ্রেশন ধরার চেষ্টা করুন । খেয়াল করে দেখবেন একই কথা আপনি নেটিভদের থেকে ঘুরিয়ে বলেন । ওদের মত ন্যাচারালি কথা বলার চেষ্টা করুন ।

এইভাবে আস্তে আস্তে আপনি ইংরিজেতে চিন্তা করা শিখে যাবেন । তারপর দেখবেন ইংরেজি বলার সময় আপানার আর মাথায় অনুবাদ করতে হচ্ছে না।

‘অবশেষে সফল হলো আমার ৮১তম চেষ্টা’২৫ ফেব্রুয়ারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অতিথি হয়ে এসেছিলেন শারমিন ওবায়েদ–চিনয়। ...
04/03/2025

‘অবশেষে সফল হলো আমার ৮১তম চেষ্টা’
২৫ ফেব্রুয়ারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অতিথি হয়ে এসেছিলেন শারমিন ওবায়েদ–চিনয়। জন্ম পাকিস্তানে, তবে থিতু হয়েছেন কানাডায়। তিনি একজন অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সাংবাদিক। পড়ুন তাঁর লিখিত বক্তব্যের নির্বাচিত অংশ।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে অতিথি হয়ে এসেছিলেন শারমিন ওবায়েদ–চিনয়

অভিনন্দন, আজ শুধু তোমাদের শিক্ষাজীবনের বিশেষ দিনটিরই উদ্‌যাপন হচ্ছে না, আজ শুরু হতে যাচ্ছে তোমাদের জীবনের নতুন এক অধ্যায়। চেনা এই প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে যে অপার সম্ভাবনার জগতে তুমি পা রাখতে যাচ্ছ, মনে রেখো এটাই হবে তোমার জীবনের সব অধ্যায়ের মধ্য থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এই সফরের শক্তি হবে তোমার বলিষ্ঠ কণ্ঠ। যখন আওয়াজ তুলবে, সেটা যেন এমন এক ভবিষ্যৎ তৈরির জন্য হয়, যেখান সত্য ও সততা তোমাকে পথ দেখাবে। ভয়কে কখনো কণ্ঠরোধের সুযোগ দেবে না। সামনের পথ যত কঠিন আর অনিশ্চিতই হোক না কেন, নিজের প্রত্যয়কে দৃঢ় রেখো। তোমার কণ্ঠই তোমাকে ও অন্যদের অন্ধকার পেরিয়ে আলোর পথ দেখাবে।

একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আমি সব সময় গল্প বলতে চেয়েছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে নারী, পুরুষ, শিশুর গল্প তুলে এনেছি। এই গল্পগুলো তুলে আনতে গিয়ে আমি তাদের জীবনকে কাছ থেকে দেখেছি। পেয়েছি কিছু সহজ-সরল শিক্ষা, আজ সেগুলোই তোমাদের বলব।

নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকো
মাত্র ১৪ বছর বয়সে পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করি। ১৭ বছর বয়সে একটি সাহসী সিদ্ধান্ত নিই। ঠিক করি এমন এক বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করব, যে বিষয়টা কেউ ঘাঁটতে চায় না। স্পষ্ট মনে আছে, এক ঈদের দিনে আবিষ্কার করলাম বাড়ির আশপাশে স্প্রে পেইন্ট দিয়ে কেউ আমার বিরুদ্ধে গ্রাফিতি এঁকেছে। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় করা, আমাকে চুপ করানো আর ভয় দেখানোই ছিল এই গ্রাফিতির উদ্দেশ্য। কারণ, আমি শহরের কিছু প্রভাবশালীর বিপক্ষে আওয়াজ তুলেছিলাম। আমার অনুসন্ধান তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়েছিল। আমার বাবা, যাঁর প্রভাব আমার জীবনে অসামান্য, আমাকে সেদিন একটি কথাই শুধু বলেছিলেন, ‘তোমার কথাগুলো যদি সত্য হয়, আমি তোমার সঙ্গে আছি।’ এরপর নিজ হাতে সেদিন প্রতিটা দেয়াল পরিষ্কার করেছিলেন। সেদিন সেই মুহূর্তে শিখেছিলাম, পৃথিবী যতই তোমাকে ভয় দেখাক, ন্যায়ের জন্য সাহস করে দাঁড়িয়ে গেলে সেটাই হবে সবচেয়ে শক্ত হাতিয়ার। আজ যখন তুমি ভবিষ্যতের দোরগোড়ায়, মনে রেখো তোমার একেকটা সিদ্ধান্ত, একেকটা সৎ ও সাহসী পদক্ষেপ তোমাকে ভবিষ্যতের জন্য গড়ে তুলবে। এবার তুমি তোমার স্বপ্নকে অনুসরণ করো, অথবা গতানুগতিক ধারাকে প্রশ্নবিদ্ধ করো। যে পথই বেছে নাও না কেন, মাথায় রেখো—তোমার সিদ্ধান্ত শুধু তোমার একার নয়, পুরো বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকেও বদলে দিতে পারে।

23/02/2025

আপনার জীবনে ঘটে যাওয়া (ব্যক্তিগত নয়) এমন কোনো গল্প আছে কি? যা হতে আমি জ্ঞান অর্জন করতে পারবো।
চাইনিজ বাশের গল্পটা ব্যাপক।
আপনি যদি একটা বাশ চারা রোপণ করেন, প্রতিদিন একে পানি দিতে হবে, যত্ন করতে হবে, সার দিতে হবে।
এভাবে এক বছর যত্ন করার পরও দেখবেন, একটুও বড় হচ্ছে না, এক ইঞ্চিও না।।
তার পরের বছরও সারা বছর পানি দিবেন, সার দিবেন, যত্ন করবেন প্রতিদিন।
এই বছরও একটুও বড় হবে না। এভাবে একটানা চার বছর প্রতিদিন যত্ন নেয়ার পরও বাশ চারাটি বড় হবে না একটুও।
কিন্তু মিরাকল ঘটে পঞ্চম বছরে এসে,
আপনি যদি প্রতিদিন পানি দেয়া, যত্ন নেয়া চালিয়ে যান, তাহলে পঞ্চম বছরে এসে এর বৃদ্ধি শুরু হবে এবং প্রথম পাঁচ সপ্তাহে বৃদ্ধি পেয়ে ৯০ ফুট লম্বা হয়ে যাবে!! অবিশ্বাস্য।। কিন্তু এটাই ঘটবে।। অথচ প্রথম চার বছরে কোন বৃদ্ধিই হয় নাই, আর শেষ ৫ সপ্তাহে ৯০ ফুট!!
শিক্ষনীয় হলো যে লাইফে কঠিন পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে নিয়মিতভাবে। প্রথমে হয়ত আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যাবে না।। কিন্তু এই সময় হতাশ হওয়া যাবে না।। কাজ চালিয়ে যেতে হবে, ফাউন্ডেশন সৃষ্টি করতে হবে।। তারপর সময় হলে সফলতা আপনা আপনিই ধরা দিবে।। প্রকৃতিই এর প্রমাণ।।
এই প্রমাণ অকাট্য!

04/02/2025

ইংরেজিতে কথা বলা শিখুন।

02/02/2025

অভিভাবকদের বলছি—
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই ভালো ইংরেজি শেখান। খুব সিরিয়ালি বলছি। (কারো কোন সস্তা আবেগী কথায় কান দিবেন না। ইংরেজি ছাড়া এআই’র পৃথিবী আরো অচল। তাছাড়া ইংরেজি শিখলে বাংলায় খারাপ হয়না কেউ। শেখার ইচ্ছে থাকলেই হয়।)
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান শেখান। বিজ্ঞান শিখলেই ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বা বিজ্ঞানী হতে হবে, তা না। বিজ্ঞান শিক্ষা ক্রিয়েটিভিটি বাড়ায়।
সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই গণিত শিখতে আলাদা করে গুরুত্ব দিন। গণিত বুঝতে পারা একটা মানুষের জন‍্য আলাদা গুণ। গণিত মানুষের মস্তিষ্ককে প্রখর করে।
সন্তানকে ভালো কিছু শেখাতে হলে আপনাকেও শিখতে হবে। সেটা করুন। স্কুল আর টিউটর সব করে দিবে না। এটাই বাস্তব।
ধন্যবাদ

রউফুল আলমের টাইমলাইন থেকে।

যার অজুহাত নেই, সে যেকোন জায়গা থেকেই ভালো কিছু করতে পারে।
23/01/2025

যার অজুহাত নেই, সে যেকোন জায়গা থেকেই ভালো কিছু করতে পারে।

21/01/2025

শিক্ষনীয় গল্প:
একদিন একজন ইহুদী এসে হয়রত ঈসা (আঃ) কাছে আরয
করলো, “হুযুর, আমি আপনার সঙ্গে থাকতে চাই।
আপনার সংসর্গ আমার খুব ভালো লাগে।" এই কথা শুনে হয়রত ঈসা (আঃ) তাকে সঙ্গী করে নিলেন। তারা চলতে চলতে একটি ছোট্ট শহরের প্রান্তে গিয়ে পৌঁছালেন। হয়রত ঈসা (আঃ) এর সঙ্গে তিন খানা রুটি ছিল। দুজনই ক্ষুধার্ত। তৃপ্তির সঙ্গে তারা দুটো রুটি খেলেন। তৃতীয়টি ইহুদী লোকটির কাছে রেখে হয়রত ঈসা (আঃ) কিছু সময়ের জন্য অন্যত্র গেলেন। ফিরে এসে তিনি রুটির খোঁজ করলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “রুটি টি কোথায়?”
উত্তরে ইহুদী চোখে মুখে বিস্ময়ের ভাব এনে বলল,
“আমি রুটি খাইনি। আমি আপনার রুটি সম্পর্কে কোন
খবর জানি না।” ঈসা (আঃ) আর কোন কিছু না বলে ইহুদীকে সঙ্গে করে চলতে লাগলেন। সামনে এক নির্জন বন। বনের গাছপালায় ঢাকা পথ ধরে চলছেন দুজন। হয়রত ঈসা (আঃ) হঠাৎ দেখলেন, একটা হরিনী দুটো শাবক নিয়ে তার দিকে এগিয়ে আসছে। ঈসা (আঃ) একটা
ছানাকে তার কাছে ডাকলেন। ছানাটি আল্লাহর নবীর ডাক শুনে
তার কাছে ছুটে এলো। তিনি শাবকটিকে ধরে ফেললেন
এবং আল্লাহর নামে জবাই করলেন। অতপর আল্লাহর অপার মহিমায়
শাবকটি তৎক্ষনাত ভাজা হয়ে গেল। তারা দুজন পেট ভরে হরিণের কচি গোশ ত খেলেন। খেয়ে খুব তৃপ্ত ইহুদীটা। এবার হয়রত ঈসা (আঃ) বললেন, “হে হরিণ শাবক ! জীবিত হয়ে যাও তুমি।” তৎক্ষণাত ওটা জিন্দা হয়ে তার মায়ের কাছে ফিরে গেল। ব্যাপারটা দেখে ইহুদীটা একটুও
বিস্মিত হলো না। ঈসা (আঃ) এমন মুজিযা তার
কঠিন মনকে নরম করতে পারলো না। পথ চলতে চলতে ঈসা
(আঃ) ইহুদীটার হাত ধরে বললেন, “তোমাকে আল্লাহর কসম। আমার এ
অলৌকিক কাজ দেখার পরও কি তোমার মনে আল্লাহর ভয় আসছে না? সত্যি করে বলো, তৃতীয় রুটিখানার কি হয়েছে? ” কিন্তু উত্তরে পাষাণ হৃদয় ইহুদী বলল, “আমি আপনার রুটির কথা কিছুই
জানি না। “ঈসা (আঃ) তাকে আর কিছু না জিজ্ঞেস করে আবার পথ চলতে লাগলেন। তারা বন পেরিয়ে একটি
বালুকাময় প্রান্তরে পৌঁছালেন। আল্লাহর নবী কিছু বালু একত্র করে একটা
স্তূপ বানিয়ে বললেন, “হে বালুকারাশি। আল্লাহর হুকুমে সোনাহয়ে যাও।” সঙ্গে সঙ্গে বালুর ঢিবি সোনায় রুপান্তরিত হয়ে গেল। এবার আল্লাহর নবী
পিন্ডটাকে ভেঙ্গে তিন ভাগ করলেন এবং বললেন, “হে ইহুদী ! এ তিনটি
পিন্ডের একটা পিন্ড আমার, একটা তোমার আর তৃতীয় পিন্ডটা তার, যে
রুটি খেয়ে ফেলেছে।” সোনার লোভে ইহুদীর চোখ চকচক করতে লাগলো। সঙ্গে সঙ্গে নিজের পোটলা থেকে তৃতীয় রুটিখানা বের করে বললো, “এই যে আপনার রুটি । এটা এতক্ষণ আমার কাছেই ছিল।”
সোনারলোভে ইহুদী সত্য কথা বলে। তখন ঈসা (আঃ) বললেন, “তুমি যখন সত্য কথা স্বীকার করেছ, তিনটা পিন্ডই তোমার।” এ কথা বলে ঈসা (আঃ) ওকে ছেড়ে অন্য পথে চলে গেলেন। সোনার তিনটি
পিন্ড নিয়ে কিছু পথচলার পর হঠাৎ করে ইহুদীর সামনে দুজন দুর্ধর্ষ ডাকাত হাজির হলো। ডাকাতদের দেখেই ইহুদী ভয়ে কাঁপতে লাগলো। সে
তাদের বললো,“আমাকে প্রাণে মেরো না। তিনটি খন্ড তো আছেই।
কেননা আমরা একজন এক এক খন্ড করে নিয়ে যাই।” ডাকাত তাকে হুঙ্কার ছেড়ে বললো, “সে কথা পরে হবে। বেশ খিদে পেয়েছে। আগে তুই
আমাদের জন্য খাবার কিনে আন।” মনে মনে ডাকাতরা ফন্ধি আটলো যে, ইহুদীটা খাবার নিয়ে এলেই তাকে খতম করে ফেলা হবে। না হলে সে আবার সোনার ভাগ চাইবে। অন্যদিকে
ইহুদীটাও ফন্ধি আটলো। সে খাবার কিনে তাতে বিষ
মিশিয়ে দেয়। কিছুক্ষণ পর যেই ইহুদীটা
খাবার নিয়ে এলো ডাকাতরা তার কাছ
থেকে খাবার গুলো নিয়ে তাকে হত্যা করলো। এতপর তারা খাবার গুলো খেতে লাগলো। কিছুক্ষণ পর তারা বিষে ছটফট করতে লাগলো
এবং মুখেফেনা তুলে তারা দুজনই মারা গেল। তিনটি লাশ পড়ে
রইলো তিনটি সোনার পিন্ডের পাশে কিন্তু হাত বাড়িয়ে নেয়ার কেউ নেই। অতি লোভের পরিণাম যে কি ভয়াবহ তা আল্লাহ ঈসা (আঃ) এই ঘটনার মাধ্যমে আমাদের দেখিয়েছেন। "হে আল্লাহ আমাদেরকে লোভ হতে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন।আমিন।

15/01/2025

#বাস্তবতা

Sir, আমার বেতন বাড়ান 😒
Boss : সম্ভব না 😢
- তাহলে আগামীকাল থেকে আমাকে বিকাল ৫ টার পর ছুটি দিতে হবে!😒
Boss : কেন?🤔
- আমি সন্ধ্যার পর থেকে মধ্যরাতে, অটো রিকশা চালাবো।🙂
কারণ, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এই বেতন দিয়ে সংসার চালানো খুবই কষ্টকর।😰
Boss : Okey, তবে অটো চালাতে চালাতে মধ্যরাতে যদি তুমি ক্ষুধার্ত হয়ে যাও,😞
কমলাপুর রেলস্টেশনের
দক্ষিন পাশে আইসো!😊
- কেন?🤔
Boss : মধ্যরাতে আমি ঐখানে পরটা-ভাজি বিক্রি করি.!🙂

23/12/2024

স্নাতক পাস ৬৬% শিক্ষার্থীই বেকার

রাজু আহমেদ নোয়াখালী সরকারি কলেজে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে। অনার্স (সম্মান) শেষ হওয়ার পর থেকেই চাকরির জন্য চেষ্টা শুরু করেন তিনি। ২০১৮ সালে তাঁর পড়াশোনা শেষ হয়। টানা চার বছর চেষ্টা করেও চাকরি নামের সোনার হরিণ জোটেনি রাজুর কপালে। জীবিকার তাগিদে শেষ পর্যন্ত চলতি বছরের শুরুর দিকে পাড়ি জমান সৌদি আরবে।

একই কলেজে একই শিক্ষাবর্ষে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন নুরে আলম। তিনিও বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেও কোনো চাকরি পাননি। এখন টিউশনি করে কোনোমতে চলছেন। রাজু ও নুরে আলমের মতো সারা দেশে এমন অনেক শিক্ষার্থী আছেন, যাঁরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখনো চাকরি পাননি। তাই অনন্যোপায় হয়ে কেউ বিদেশে চলে যাচ্ছেন, কেউবা ইচ্ছের বিরুদ্ধে ছোটখাটো কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) এক জরিপে উঠে এসেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলো থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ৬৬ শতাংশ অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশই বেকার থাকছেন। ২১ শতাংশ শিক্ষার্থী স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর শেষ করে চাকরি পান। ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী এখনো অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর বা কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করছেন কিংবা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। ৩ শতাংশ স্ব-উদ্যোগে কিছু করছেন।

বিআইডিএস বলছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে যাঁরা বেকার থাকছেন, তাঁদের অধিকাংশই ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বাইরে অন্যান্য বিষয়ে পড়াশোনা করা। অর্থাৎ ব্যবসায় প্রশাসনে পড়া শিক্ষার্থীরাই তুলনামূলকভাবে বেশি চাকরি পাচ্ছেন। নিজস্ব উদ্যোগে কাজ করা ক্ষেত্রেও ব্যবসায় প্রশাসনের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন।

সরকারি গবেষণা সংস্থাটি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত জরিপটি পরিচালনা করে। দৈবচয়নের ভিত্তিতে দেশের ৫৪টি সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ২০১৭ সালে অনার্স (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শেষ হওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর মুঠোফোনে জরিপটি করা হয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থীরা শ্রমশক্তিতে কতটুকু অবদান রাখছেন, তা জানতে এই জরিপ করা হয়েছে। জরিপে ১ হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থী, ২০২ জন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৩৩ জন চাকরিজীবীর মতামত নেওয়া হয়।

জানতে চাইলে জরিপের সমন্বয়ক ও বিআইডিএসের গবেষক মিনহাজ মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, জরিপে উঠে এসেছে যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজগুলোতে শিক্ষার গুণগত মান ভালো নয়। তাই সময়ের প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ করে তুলতে হবে। এর সঙ্গে কলেজগুলোতে বিনিয়োগও বাড়াতে হবে।

জরিপ বলছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করে যাঁরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন, তাঁদের গড় বেতন ৩০ হাজার টাকা। আর যাঁরা বেকার রয়েছেন, তাঁদের ৬২ শতাংশই ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের বাইরে অন্যান্য বিভাগের। তবে করোনার সময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলো অনলাইন পাঠদানে বেশ ভালো করেছে। ৬১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, করোনার মধ্যে তাঁরা অনলাইনে ক্লাস করেছেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর অভিযোগ, স্নাতক শেষ করে চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে তাঁরা শিক্ষক কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো ধরনের সহযোগিতা পান না। মাত্র ৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানান, তাঁদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি খোঁজার সুবিধা রয়েছে। ৮৪ শতাংশ স্নাতক পাস করা শিক্ষার্থী চাকরি খুঁজতে ইন্টারনেট বা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখে আবেদন করেন।

জরিপে অংশ নেওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানেরা স্বীকার করেন, তাঁদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে যথেষ্ট ঘাটতি আছে। সেদিকে সরকারের আরও নজর দেওয়া এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ দেন তাঁরা।

তথ্য বলছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে এখন মোট শিক্ষার্থী আছেন ২০ লাখের মতো, আর সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে অধিভুক্ত কলেজ আছে ২ হাজার ১৫৪টি। এগুলোর মধ্যে ২৭৯টি সরকারি কলেজ। সম্মান পড়ানো হয় এ রকম সরকারি-বেসরকারি কলেজের সংখ্যা ৫৫৭।

দুই বছর আগে বহুজাতিক সংস্থা বিশ্বব্যাংকও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর একটি জরিপ করেছিল। তাতে দেখা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করা শিক্ষার্থীদের ৪৬ শতাংশ বেকার, যাঁরা তিন বছর ধরে চাকরি খুঁজছেন। এবার বিআইডিএসের জরিপে উঠে এল, বেকারত্বের হার আরও বেশি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপে দেখা গেছে, দেশে শিক্ষিত মানুষের মধ্যেই বেকারের হার বেশি। ৪৭ শতাংশ শিক্ষিতই বেকার। দেশে প্রতিবছর শ্রমশক্তিতে যোগ হচ্ছে ২০ লাখ মানুষ। কিন্তু সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান হচ্ছে না। ফলে বড় একটি অংশ বেকার থেকে যাচ্ছে।

জানতে চাইলে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে গলদ রয়েছে। শিক্ষার মান, পরিবেশ ও ভালো মানের শিক্ষক—এসবের ঘাটতি আছে। তাই এর অধীনে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতাও কম। চাকরির বাজারে তাঁদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিও ভালো নয়। তবে কিছু মেধাবী শিক্ষার্থী যে সেখানে পড়াশোনা করে না, তা-ও নয়। কিন্তু সেই সংখ্যাটা খুবই কম।

জরিপমতে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করার ১২ মাসের মধ্যে বিশেষ করে ব্যবসায় প্রশাসন, গণিত, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরাই বেশি চাকরি পান।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মসিউর রহমান বলেন, ‘আমি বলব না জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান প্রত্যাশিত। তবে সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে হারে বিনিয়োগ হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেভাবে হয় না। আমরা পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনছি। ভালো লেখকের বই আনার চেষ্টা করছি। করোনার মধ্যেও অনলাইনে ক্লাস চালু রেখেছি। ’

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Suman Mia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Suman Mia:

Shortcuts

Share