HOTS-Higher Order Thinking Skills
Improve your analytical skill
22/01/2024
হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিষ্টান সবার উচিৎ উনাকে ভাইরাল করে প্রতিবাদ জানানো।
we want Justice......?
20/07/2022
সিএনএনের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মেলানিনের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় বলে ত্বক ফর্সাকারী পণ্যগুলোতে দীর্ঘসময় যাবত মার্কারি ব্যবহার করা হচ্ছে। মেলানিন এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ যা আমাদের ত্বকের রঙ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে। এর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে তা থেকে দেহে প্রচুর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে।
30/04/2022
ভেজাল মেহেদী চিনবেন কী করে?
মেহেদীর রঞ্জকঃ মেহেদী পাতায় কমলা রং এর এক ধরণের রঞ্জক পদার্থ থাকে যাকে লসোন(Lawsone/Hennotannic acid) বলে।
একমাত্র ল্যাব টেষ্টেই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব মেহেদীতে কোন কোন কেমিক্যাল মেশানো হয়েছে। আসল মেহেদী চেনার উপায়ও আছে।
১। খাঁটি মেহেদী কখনোই কালো রং এর হয়না।সকল কালো মেহেদীই ভেজাল বা কেমিক্যাল মিশ্রিত।
২। প্রাকৃতিক মেহেদী কখনোই ৫মিনিটে গাঢ় টুকটুকে রং দেয়না।মেহেদীর রং হাতে ঢুকতে কয়েকঘন্টা সময় Mলাগে এবং পরবর্তী ২৪-৪৮ঘন্টায় তা অক্সিডাইজড(বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে) হয়ে গাঢ় রং হয়।
৩। মেহেদীর রসের স্বাভাবিক রং ন্যাচারাল কমলা(CI-75480)।মেহেদী হাত দিয়ে ধরা মাত্রই যদি হাত লাল বা খয়েরী লাল হয়ে যায় না।
মেহেদীতে কী কী ভেজাল মেশানো হয়ঃ--
১। কার্বোলিক এসিডঃ এটা ফেনল বা সাপ তাড়ানোর ঔষধ হিসাবে বেশী পরিচিত। এটা ত্বকের কোষগুলোকে মেরে ফেলে এবং এর প্রতিরোধক ক্ষমতাকে ধ্বংস করে;ফলে মেহেদীর রং সহজেই ত্বকে প্রবেশ করে ও দ্রুত রং দেয়।
২। পিপিডিঃ Para-Phenylene-Diamine এটা কালির রং।সকল কালো রং এর মেহেদীতে পিপিডি আছে। ন্যাচারাল মেহেদী কখনোই কালো রং এর হয়না। পিপিডি মারাত্মক অ্যালার্জি তৈরী করতে পারে।
৩।রেড অক্সাইডঃএটা ফার্নিচারের রং করার কাজে ব্যবহৃত লালচে খয়েরী রং এর পাউডার।
৪।ক্ষতিকর দ্রাবকঃ কেরোসিন,গ্যাসোলিন,তার্পিন তেল,কর্পুর... ইত্যাদি। এসব দ্রাবক মেহেদীর রঞ্জক লসোনের ঘনত্ব বাড়ায়,ফলে মেহেদীর রং গাঢ় হয়।
৫।কেমিক্যাল ডাইঃমেহেদীর রং গাঢ় ও দ্রুত করার জন্য কাল,লাল বা খয়েরী লাল রং এর ডাই ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব কেমিক্যালের ক্ষতিকর দিকগুলো কী কী?-
১।ত্বকের অ্যালার্জিঃ-এই ক্ষতিটা সবচেয়ে বেশী দেখা যায়।এতে ত্বক চুলকায়,লাল হয়,ফুলে উঠে,চামড়া উঠে যায় বা ফোস্কা পড়ে(contact dermatitis)। পরবর্তীতে ত্বকে কালো দাগ(post inflammatory hyperpigmentation) ও scarring হতে পারে।অনেক সময় তাৎক্ষণিক কোন সমস্যা না হলেও ১-৬ সপ্তাহ পরও সমস্যা হতে পারে(delayed hypersensitivity reaction)।এমনকি প্রথমবার লাগিয়ে কিছু না হলেও দ্বিতীয়বার লাগানোর পরে প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে (sensitization)।
২। ত্বক পুড়ে যাওয়াঃ-ফেনল ত্বক পুড়িয়ে দিতে পারে।কম ঘনত্বের ফেনল ত্বক না পুড়ালেও ত্বকের কোষকে মেরে ফেলতে পারে।
৩। ফেনল,কেরোসিন,তারপিন,পিপিডি ইত্যাদি ত্বক থেকে দ্রুত শোষিত হয়ে সারাদেহে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষতঃ কিডনী ও লিভারের জন্য এরা মারাত্মক ক্ষতিকর।
৪। কর্পুরের ঘ্রাণ তাৎক্ষণিকভাবে শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি করে। বমিও হতে পারে।
৫। টেক্সটাইল ডাই ক্যান্সারসহ নানারকম অসুখ তৈরী করে বলে খাদ্য ও প্রসাধনীতে এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।
৬। মৃত্যুঃ Anaphylactic reaction বা তীব্র মাত্রার অ্যালার্জি হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মারা য়েতে পারে।পিপিডির কারণে এভাবে রোগী মারা যাওয়ার ইতিহাস রয়েছে।
হাতে মেহেদী লাগানো একটা শৈল্পিকচর্চ্চা। ধৈর্য্ধারণ ও নির্ভেজাল হওয়া শিল্পচর্চ্চার পূর্ব শর্ত।আসুন আমরা তাজা মেহেদী হাতে লাগাই আর কেমিক্যালযুক্ত মেহেদী বর্জন করি।
16/04/2022
প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।WiFi থেকে এখন.....
LiFi, এর বড় সুবিধা হচ্ছে আলোর ব্যবহার। LiFi সংযোগগুলি প্রায় তাত্ক্ষণিক ভাবে ঘটে। কারণ, আলো অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ভ্রমণ করে। এর ফলে ডাটা দ্রুত ট্রান্সমিশন হয় এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ হয় – ওয়াইফাই দ্বারা অর্জন করা গতির চেয়ে প্রায় 100 গুণ দ্রুত।
দোষ শুধু হিরো আলম আর জায়েদ খানের। এদেশের বুড্ডিজীবি, ষাড়, গরুরা কই এরা কী করে?
বাংলাদেশের শিক্ষার মান ১৩৮ টি দেশের মধ্য ১১২ তম এবং এশিয়ার মধ্য সর্বনিম্ন!
03/02/2022
আচ্ছা আপনার বাড়িতে সর্বোচ্চ কত স্পীডে ইন্টারনেট চলে? গড়ে একজন সাধারণ মানুষের বাড়িতে প্রায় ২৫mbps এ ইন্টারনেট চলে। কিন্তু বিখ্যাত স্পেস রিসার্চ সেন্টার NASA- র ইন্টারনেট স্পীড কত জানেন? ৯১ gbps। কি আপনার বাড়িতে যদি এত স্পীডের ইন্টারনেট দেওয়া যায়, তাহলে কেমন হত?
শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকারক 5G নেটওয়ার্ক ? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা, জেনে নিন:
· ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়বে
· সেলুলার স্ট্রেস
· বায়ুমণ্ডলে ক্ষতিকর মুক্ত কণা ছড়িয়ে পড়বে
· জিনগত সমস্যা দেখা দেবে
· প্রজনন প্রক্রিয়ায় কাঠামোগত ও গুনগত বৈকল্যতা
· স্মৃতিভ্রম
· স্নায়ুবিক বৈকল্যতা
· প্রাণী মানব সমাজের উপর নেতিবাচক প্রভাব ইত্যাদি।
৩৫টি দেশের ১৮০ জন বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক ৫জি ‘র কার্যক্রম বন্ধের জন্য একটি পিটিশনের সই করেন। তাদের সমর্থনে ৪১টি দেশের আরও ২৩০ বিজ্ঞানী একটি আপিল আবেদন করেন। তাতে ৫জি প্রকল্পের ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার জন্য নিম্নোক্ত সুপারিশ পেশ করেন-
শিশু ও গর্ভবতী নারীদের সুরক্ষা দিতে হবে।
পরিচালনা ও নির্দেশনার জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের শক্তিশালী কমিটি গঠন করতে হবে।
নিরাপদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে।
স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি’র বিষয়টি জনস্বার্থে প্রকাশ করতে হবে।
ইলেকট্রম্যাগনেটিক শক্তির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে বাঁচতে চিকিৎসকদের আরও জ্ঞান আরোহন ও উচ্চতর গবেষণা করতে হবে।
এজন্য সরকার থেকে আলাদা তহবিল ঘোষণা করতে হবে।
গণমাধ্যমে প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন লোকবল নিয়োগ করতে হবে।
বিকিরণমুক্ত এলাকা ঘোষণা করতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka