◈ দেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয়– ২০১২ সালে
◈ দেশে বর্তমানে পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা– ১১১টি।
Bcs or Bank: Our Goal
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bcs or Bank: Our Goal, Educational consultant, Dhaka University, Dhaka.
আপডেট তথ্য
১।বর্তমানে দেশে মোট নদী বন্দর কয়টি?৪৬টি।সর্বশেষ সুলতানগঞ্জ নদী বন্দর।
২। NAM এর ১২১তম সদস্য দক্ষিণ সুদান।
৩।রাবার বাগানের সংখ্যা ১৮ টি।
৪।চা বাগানের সংখ্যা কত টি?১৬৮টি
৫। জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের তথ্য মতে,বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী – পদ্মা (দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিমি)।২য় দীর্ঘতম নদী – ইছামতি ,দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কিমি)।
৬। LDC ভুক্ত বর্তমান দেশ কয়টি? ৪৫টি ।LDC থেকে এ পর্যন্ত বের হয় - ৭ টি দেশ ( সর্বশেষ বের হয় - ভুটান, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩)
বাংলাদেশ, লাওস ও নেপাল বের হবে ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ বের হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক মুক্ত সুবিধা পাবে ।
৭। বিশ্বব্যাংকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বাঙ্গা (ভারতীয় বংশদ্ভূত)
৮। Climate Change Performance Index -2024:
শীর্ষ দেশ: ডেনমার্ক
সর্বনিম্ন দেশ: সৌদি আরব
৯। BIMSTEC'র Secretary General: Indra Mani Pandey (ভারত).
১০। বৈশ্বিক ভাষাচিত্র রিপোর্ট -২০২৪
👉 সংস্থা/ প্রতিষ্ঠান: Ethnologue
👉প্রকাশকাল: জানুয়ারি ২০২৪
👉বর্তমানে,বিশ্বে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা :৭১৬৪টি
👉 সর্বাধিক ভাষার দেশ: পাপুয়া নিউগিনি
👉 বিশ্বে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষার সংখ্যা: ৪৯২টি
👉 বিশ্বে সাক্ষরতার হার: ৮৬%
👉 সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা: ইংরেজি (১৫০০ মিলিয়ন)
👉 মাতৃভাষা হিসেবে স. ব্যবহৃত ভাষা - মান্দারিন
👉 বাংলাদেশের অবস্থান: মাতৃভাষা হিসেবে - ৫ম এবং ব্যবহারকারীর দিক থেকে - ৭ম এছাড়া, বাংলাদেশে ৩৬ টি ভাষা রয়েছে।
১১। ফোর্বস ম্যাগাজিনের বিশ্বের প্রভাবশালী/ক্ষমতাধর ১০০ নারীর তালিকা-২০২৩:
শীর্ষ: উরসুলা ভন ডার লেন ( ইউরোপীয় কমিশনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট)
শেখ হাসিনার অবস্থান:৪৬তম
১৩। 🌸আমার গ্রাম,আমার শহর প্রকল্প:
🆔একনেকে পাস হয়: ১৮ জুলাই, ২০২৩
🆔মেয়াদ: জুলাই,২০২৩- জুন,২০২৬
১৪। জিডিপির নতুন ভিত্তিবছর:
🆔GDP'র নতুন ভিত্তি বছর ধরা হয়: ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে
🆔GDP'র নতুন খাত: ২৪টি [২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ধরা হচ্ছে ]
🆔মূল্যস্ফীতির নতুন ভিত্তি বছর: ২০২১-২২
১৫।🚙🚙🚙বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন: 🚀🚀🚀
🆔উদ্বোধন করা হয়: ১৮ মার্চ ২০২৩
🆔মেয়াদ: ১৫বছর
🆔দৈর্ঘ্য: ১৩১.৫৭ কি.মি [বাংলাদেশ অংশ: ১২৬.৫৭ কি.মি এবং ভারত অংশ: ৫ কি.মি]
🔰 #আন্তর্জাতিক_পরিবেশগত_ইস্যু_ওকূটনীতি
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি অধ্যায়টি যে কোন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পড়ার সুবিধার্থে এই ভাগটিকে ছোট ছোট ১৫টি অংশে ভাগ করে নিলাম।
১) পরিবেশ সম্পর্কিত কিছু তথ্য
২) বাংলাদেশ ও পরিবেশ
৩) গ্রিন হাঊজ গ্যাস
৪) ওজোন স্তর
৫) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
৬) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দশক
৭) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক বর্ষ
৮) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস
৯) আন্তর্জাতিক পরিবেশ বিষয়ক কূটনীতি-
১০) পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন
১১) ধরিত্রী সম্মেলন
১২) পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সনদ
১৩) অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী
১৪) একনজরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী
১৫) বিগত বছরের ৭৫টি MCQ
⭕১) পরিবেশ সম্পর্কিত কিছু তথ্য
আমাদের চারপাশে যা কিছু আছে তাই নিয়ে গঠিত- পরিবেশ। পরিবেশ দু’ভাগে বিভক্ত-১) জড় পরিবেশ ২) জীব পরিবেশ।
জৈব ও অজৈব পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং সম্পর্ক সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি আলোচনা করা হয়— ইকোলজি বা বাস্তুবিদ্যায়।
বেচে থাকার প্রয়োজনে কোনো এলাকায় জীব ও জড়ের মধ্যে যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে উঠে তাকে বলে-ইকোসিস্টেম বা বাস্তুসংস্থান।
একই ধরনের জলবায়ু, মাটি, উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন বৃহৎ ও পৃথক বাসযোগ্য ইকোসিস্টেম হলো - বায়োম।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে-প্রাকৃতিক পরিবেশ।
কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনভূমি থাকা প্রয়োজন– ২৫%
বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ– ১৭%।
পুকুরের ইকোসিস্টেমের একটি বড় উপাদান হচ্ছে— অক্সিজেন।
পরিবেশ দূষণ প্রধানত চার প্রকার– বায়ু দূষণ,পানি দূষণ, মাটি দূষণ ও শব্দ দূষণ।
প্রাকৃতিক পরিবেশ নষ্ট হওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী—মানুষ।
পরবর্তী ৫০ বছরে জাতিসংঘের পূর্বাভাস ৫০ বছরে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা ৩ ফুট বাড়লে-
ক) বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী একটি অংশ প্লাবিত হবে;
খ) প্রায় ১৭% ভূমি পানির নিচে চলে যাবে;
গ) আনুমানিক ৩ কোটি মানুষ ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।
IPCC এর তথ্যমতে,
ক) ২০৩০ সালের পর নদীর প্রবাহ নাটকীয়ভাবে কমে যাবে;
খ) এশিয়ায় পানির স্বল্পতা দেখা দেবে;
গ) ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
⭕২) বাংলাদেশ ও পরিবেশ
বাংলাদেশের পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন হলো— বাপা
পরিবেশ আইনজীবি সমিতির নাম— বেলা (BELA),
বাংলাদেশে পরিবেশ আদালত— ৩টি পরিবেশ
আপিল আদালত— ঢাকা ।
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি ঘোষিত হয়– ১৯৯২ সালে
পরিবেশ সংরক্ষণ আইন গৃহীত হয়— ১৯৯৫ সালে (সর্বশেষ সংশোধন—২০১০)
পরিবেশ বিধিমালা গ্রহণ করা হয়— ১৯৯৭ সালে ।
জাতিসংঘের ২০১৫ অধিবেশনে পরিবেশ বিষয়ক চ্যাম্পিয়ন অব দি আর্থ পুরস্কার লাভ করেন—শেখ হাসিনা।
বিশ্ব জলবায়ু সূচক ২০১৯ অনুযায়ী সবচেয়ে ঝুকিপূর্ণ দেশ পুয়ের্তোরিকো বাংলাদেশ ৯ম ঝুকিপূর্ণ দেশ।
⭕ ৩) গ্রিন হাঊজ গ্যাস
গ্রিন হাউজ গ্যাসের প্রভাবে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধিকে বলা হয়— গ্লোবাল ওয়ারমিং (বৈশ্বিক উষ্ণতা)।
গ্রিন হাউজ শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন— ১৮৭৬ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ সোভনটে আরহেনিয়াস।
গ্রিন হাউজ হলো— কাচের তৈরি ঘর যার ভিতরে গাছপালা লাগানো হয়
গ্রিন হাউজ ব্যবহার করা হয়- শীত প্রধান দেশে তীব্র ঠাণ্ডা থেকে গাছপালাকে রক্ষা করার জন্য।
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর যে ক্ষতি হবে— সমুদ্রের পানি উচ্চতা বেড়ে গিয়ে নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী গ্যাসমূহ হলো—
ক) কার্বন ডাই অক্সাইড- ৪৯%
খ) মিথেন- ১৮%
গ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন /ফ্রেয়ন/CFC- ১৪%
ঘ) নাইট্রাস অক্সাইড- ০৬%
ঙ) অন্যান্য (জলীয় বাষ্প)- ১৩%
⭕৪) ওজোন স্তর
ওজোন স্তরের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে— ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC);
CFC সক্রিয় থাকে ৮০-১৭০ বছর।
CFC আবিষ্কার করেন-Professor T. Midgley;
CFC বিহীন ফ্রিজকে বলা হয়— পরিবেশবাদী ফ্রিজ।
পরিবেশ দূষণরোধ করার জন্য বর্তমানে CFC’র পরিবর্তে যে গ্যাস ব্যবহার করা হয় - গ্যাজোলিয়াম।
CFC বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর ধ্বংসের কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়- ১৯৭৩ সালে।
CFC ব্যবহৃত হয়- রেফ্রিজারেটরের কম্প্রেসার, এয়ারকন্ডিশন, ইনহেলার, এরোসলে।
⭕৫) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য মঞ্জুর করেছে– ১০০ মিলিয়ন ডলার।
গ্রীন ফ্লাইমেট ফাণ্ড গঠনের অঙ্গীকার করা হয়— কোপেন হেগেনে (COP-এর ১৫তম সম্মেলনে)।
COP -১৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুন শহরে। এই সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়।
২০০৯ সালে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে এ COP-১৫ সম্মেলন হয়, যেখানে ভৃ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ক্ষতিগ্রস্থ দরিদ্র দেশগুলোর সহায়তায় প্রতিবছর ১০০বিলিয়ন ডলার প্রদান করা হবে—২০২০ সাল হতে।
⭕ ৬) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দশক
২০০৫ -২০১৪- দ্বিতীয় বিশ্ব আদিবাসী দশক, টেকসই উন্নয়নে জন্য শিক্ষা দশক, জীবনের জন্য পানি দশক
২০০৬-২০১৬ – সমস্যা সঙ্কুল অঞ্চলে টেকসই উন্নয়ন ও পুনর্গঠন দশক
২০১০-২০২০- খরা ও মরুকরুনণের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দশক
২০১১-২০২০- নিরাপত্তা সড়ক দশক, জীব বৈচিত্র দশক ,তৃতীয় আন্তর্জাতিক ঔপনিবেশিক সুলভ আচরন দূরীকরুনণ দশক
⭕৭) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক বর্ষ
২০১৪- আন্তর্জাতিক পারিবারিক খামার বর্ষ
২০১৩- আন্তর্জাতিক কিনুয়া, আন্তর্জাতিক পানি সহযোগিতা বর্ষ
২০১২-সকলের জন্য টেকসই জ্বালানি বর্ষ
২০১১- আন্তর্জাতিক বন বর্ষ
২০১০- আন্তর্জাতিক বাঘ বর্ষ
২০০৯- আন্তর্জাতিক প্রাকৃতিক আঁশ বর্ষ
২০০৮- ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অফ প্ল্যানেট আর্থ, আন্তর্জাতিক আলু বর্ষ,আন্তর্জাতিক স্যানিটেশন বর্ষ,
২০০৬- আন্তর্জাতিক খরা ও মরুভুমি বর্ষ
২০০৪- আন্তর্জাতিকধান বর্ষ
২০০৩- আন্তর্জাতিক জীবাণুমুক্ত বর্ষ
২০০২- আন্তর্জাতিক পর্বত বর্ষ ,আন্তর্জাতিক ইকোট্যুরিজম বর্ষ
১৯৯৮- আন্তর্জাতিক সমুদ্র বর্ষ
⭕৮) পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক দিবস
বিশ্ব জলাভূমি দিবস– ২ ফেব্রুয়ারি,
বন দিবস– ২১ মার্চ
পানি দিবস – ২২ মার্চ
আবহাওয়া দিবস– ২৩ মার্চ
ধরিত্রী দিবস– ২২ এপ্রিল
জীববৈচিত্র দিবস– ২২ মে
মরুকরুনণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস– ১৭ জুন
হাইড্রোগ্রাফিক দিবস– ২১ জুন,
বাঘদিবস—২৯ জুলাই,
ওজন স্তর সংরক্ষণ দিবস– ১৬ সেপ্টেম্বর
দুর্যোগ প্রশমন দিবস– ১৩ অক্টোবর
টয়লেট দিবস– ১৯ নভেম্বর
কীটনাশক ব্যবহার বন্ধ দিবস– ৩ ডিসেম্বর।
আর্থ আওয়ার— মার্চের শেষ শনিবার
আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস– এপ্রিলের যে কোন বুধবার।
⭕ ৯) পরিবেশ বিষয়ক কূটনীতি-
পরিবেশ বিপর্যয় ও তার পরিপতি সম্পর্কে মানুষের ক্রমবর্ধমান সচেতনতা থেকেই উৎপত্তি লাভ করে—পরিবেশ কূটনীতির ধারণা।
পরিবেশ বিপর্যয়ে সবচেয়ে বেশি দায়ী— শিল্পোন্নত বিশ্ব।
পরিবেশ কূটনীতির ধারণা উদ্ভবে মাইলফলকের ভূমিকা পালন করে— ধরিত্রী সম্মেলন।
জাতিসংঘের উদ্যোগে বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে।
পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক বেসরকারি সংস্থা Green Belt Movement প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
এর প্রতিষ্ঠাতা ওয়াঙ্গেরি মাথাই যিনি ২০০৪ সালে শান্তিতে নোবেল পান।
পরিবেশ সচেতনতা এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে জার্মানির পরিবেশবাদী সংগঠন German Watch
পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে GEF বা Global Environment Facility
পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা Green Cross International প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালে।এর প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ
তেজস্ক্রিয় পদার্থ তথা পারমাণবিক বোমা তৈরিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় CTBT বা Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
নাগোয়া প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয় ২০১০ সালে।এটি কার্যকর হয় ২০১৪ সালে।
১২ নভেম্বর, ২০১৪ সালে USA এবং China র মধ্যে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ চুক্তি হয়। এই চুক্তিতে USA ২০২৫ সালের মধ্যে তারা ২০০৫ সালের তুলনায় ২০-২৮% গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে আনার কথা বলে।
অপরদিকে চীন কোনরূপ লক্ষ্য ঠিক না করে ২০৩০ সালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে আনার কথা বলে।বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশী গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ করে China এবং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে USA.
✅ UNEP
UNEP-এর পূর্ণরূপ – United Nations Environment Programme
প্রতিষ্ঠা-১৯৭২ সালে
সদর দপ্তর— নাইরোবি, কেনিয়া।
✅ IUCN
IUCN এর পূর্ণ রূপ– International Union for Conservation of Nature
প্রতিষ্ঠা- ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮ সালে
সদরদপ্তর-Gland, Switzerland
IUCN’র কাজ হলো – পরিবেশ সংরক্ষণকারী সংস্থা।
✅ IMO
IMO এর পূর্ণ রূপ– International Maritime Organization
প্রতিষ্ঠা- ১৯৪৮ সালে
IMO’র কাজ হলো – নৌ চলাচল সংক্রান্ত বিষয়াবলী।
✅ IPCC
IPCC এর পূর্ণরূপ – Intergovernmental Panel on Climate Change.
IPCC শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে— ২০০৭ সালে।
WMO এবং UNEP-এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়— IPCC (১৯৮৮ সালে)
জলবায়ু সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেলের নাম – IPCC
এটি জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থা।
✅ WMO
WMO এর পূর্ণ রূপ– World Meteorological Organization
প্রতিষ্ঠা- ১৯৫০ সালে
সদরদপ্তর-Gland, Switzerland
প্রতিষ্ঠাকালীন নামঃ International Maritime Organization (IMO)
WMO’র কাজ হলো – জাতিসংঘের আবহাওয়া বিষয়ক বিশেষয়িত সংস্থা।
✅ Green Peace
টেকসই পরিবেশ উন্নয়নকল্পে ১৯৭১ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে Green Peace
পরিবেশবাদী সংগঠন Greenpeace যে দেশের – আর্মস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
✅ World Watch
বিশ্বব্যাপী পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে ১৯৭৪ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ভিত্তিক পরিবেশবাদী গ্রুপ World Watch
✅ WWF
WWF এর পূর্ণরূপ –World Wide Fund for Nature (পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংস্থা)
প্রতিষ্ঠা -২৯ এপ্রিল, ১৯৬১ সালে।
সদর দপ্তর-Gland,Switzerland
✅ Fund For Wild Nature
প্রতিষ্ঠা -১৯৮২ সালে।
সদরদপ্তর- পোর্টল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।
✅ Water Aid
প্রতিষ্ঠা-১৯৮১ সালে।
কাজ- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করা।
সদর দপ্তর- ব্রিটেন
✅ UNFCCC
UNFCCCএর পূর্ণ রূপ -UNFCCCবা United Nations Framework Convention on Climate Change.
জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত হয় (ধরিত্রী সম্মেলন, রিও ডি জেনিরো, ব্রাজিল)
এটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালে।
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ১৯৯২ সালে এবং অনুমোদন করে ১৯৯৪ সালে।
সদর দপ্তর- বন, জার্মানি।
দুটি চুক্তি গৃহীত হয়-
ক) কিয়োটো প্রটোকল (১৯৯৭)
খ) প্যারিস চুক্তি- ২০১৫
⭕ ১০) পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন
১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত হয়— জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন (UNCHE)
২০০০ সালে বিশ্ব পরিবেশ বিষয়ক হেগ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে।
২০০৭ সালে বালি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন শহর বালি দ্বীপে।
বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কোপ-১৫ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়—ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে।
জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত ১৬তম কানকুন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়— মেক্সিকোর কানকুন শহরে।
⭕১১) ধরিত্রী সম্মেলন
পরিবেশ ও উন্নয়ন নিয়ে ১৯৯২ সালের (৩-১৪) জুন পর্যন্ত ব্রাজিলের রিওডিজেনেরিও তে বিশ্বের প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন হয়।
একবিংশ শতাব্দীর পরিবেশের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক দলিল প্রনয়ন করা হয় ১৯৯২ সালে যা Agenda-21 নামে পরিচিত।
জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিবছর বিশ্ব জলবায়ু অনুষ্ঠিত হয় যা সংক্ষেপে COP বা Conference Of the Parties নামে পরিচিত।
COP -১ প্রথম সম্মেলন হয় ১৯৯৫ সালে জার্মানির বার্লিনে।
১৯৯২ সালের ৩-১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (UNCED) অনুষ্ঠিত হয়, যা—ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন– ধরিত্রী সম্মেলন+৫ ৷
বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন- (World Summit on Sustainable Development) অনুষ্ঠিত হয়—২০০২ সালে রিও+১০ ।
২০১২ সালে অনুষ্ঠিত হয় রিও+২০ (ব্রাজিলে), যার মূল নাম– ইউনাইটেড নেশন কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল ডেভলপমেন্ট’।
⭕ ১২) পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি ও সনদ
✅ কিয়োটো প্রটোকল
১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়োটো নগরীতে COP এর তৃতীয় বৈঠকে Kyoto Protocol স্বাক্ষরিত হয় উন্নত দেশগুলো ১৯৯০ সালকে ভিত্তি বছর ধরে গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ৫.২% হারে কমাবে।
COP-১৮ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে।
COP-১৮ সম্মেলনে Kyoto Protocol এর মেয়াদ ২০১২ থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালে উন্নীত করা হয়।
একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।
কিয়েটো প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়— ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭;
কার্যকরুন হয়— ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫;
মেয়াদ– ২০২০ পর্যন্ত
✅ মন্ট্রিল প্রটোকল
মন্ট্রিল প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়- ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭।
মন্ট্রিল প্রটোকল হলো— বায়ুমণ্ডলের স্ট্যাটোস্ফিয়ারিক স্তরে অবস্থিত ওজনস্তর ক্ষয়কারী গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রন বিষয়ক প্রটোকল।
✅ ভিয়েনা কনভেনশন
১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ– অস্ট্রিয়ায় জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণে ঐতিহাসিক ভিয়েনা কনভেনশন গৃহীত হয়।
✅ বাসেল কনভেনশন
১৯৮৯ সালের ২২ মার্চ– সুইজারল্যান্ডের বাসেল কনভেশন গৃহীত হয় যার লক্ষ্য বিপজ্জনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং এদের নিয়ন্ত্রণ।
বাংলাদেশ বাসেল কনভেনশন সমর্থন করে– ১৯৯৩ সালে।
✅ কার্টাগোনা প্রটোকল
২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি— কানাডার মন্ট্রিলে কাটাগোনা প্রটোকল গৃহীত হয় এবং ২০০৩ সাল হতে কার্যকর হয়।
এটি কার্যকর হয় ২০০৩ সালে।
বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।
কার্টাগোনা প্রটোকল হচ্ছে— জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি।
✅ জীব বৈচিত্র্য কনভেনশন
৫ জুন, ১৯৯২– ব্রাজিলে জীব বৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৯৩ সালে কার্যকরুন হয়।
বাংলাদেশ– ১৯৯২ সালে জীববৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন স্বাক্ষর করে এবং ১৯৯৪ সালে অনুমোদন করে।
✅ রামসার কনভেনশন
রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় ১৯৭১ সালে এবং এটি কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালে
✅ আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন
জাতিসংঘের উদ্যোগে ১৯৮২ সালে প্রনীত হয় আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন UNCLOS বা United Nations Convention on the Law Of the sea
✅ আন্তর্জাতিক নদী আইন
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক নদী আইন হলো-The convention on the law of non-navigational Watercourses.
জাতিসংঘ আইনটি প্রণয়ন করে- ১৯৯৭ সালে।
কার্যকর হয় -২০১৪ সালে।
✅ প্যারিস চুক্তি
COP-২১ সম্মেলন হয় ২০১৫ সালে প্যারিসে এবং এ সম্মেলনে প্যারিস জলবায়ু চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্বাক্ষর হয়নি
তা স্বাক্ষরিত হয় ২২ এপ্রিল ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক সিটিতে।
প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি বা তার নীচে রাখার সময় সীমা নির্ধারণ করা হয়– ২১০০ সাল পর্যন্ত।
২ জুন, ২০১৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন।
⭕ ১৩) অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী
জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সমুদ্রের গভীরে মন্ত্রিসভার বৈঠক করে– মালদ্বীপ ২০০৯ সালে।
হিমালয়ের চূড়ায় বৈঠক করে— নেপাল।
ই-৮ হলো- পরিবেশ দুষণকারী ৮টি দেশ ।
বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই অক্সাইডের স্বাভাবিক পরিমাণ— ০.০৩ শতাংশ।
কোনো প্রাণী বাচতে পারেনা বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ– ২৫% এর বেশি হলে ।
বায়ুদূষণের জন্য প্রধান দায়ী কার্বন-মনোক্সাইড, গাড়ি নির্গত কালো ধোয়ায় বিদ্যমান বিষাক্ত গ্যাস হচ্ছে কার্বন মনোঅক্সাইড।
শব্দদূষণ সৃষ্টি হয় শব্দের মাত্রা -৮০ ডেসিবেলের বেশি হলে
সর্বোচ্চ যে শ্রুতিসীমার ওপরে মানুষ বধির হতে পারে— ১০৫ ডেসিবেল ।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী দেশ– চীন।
আর্কটিক-এর বরফ গলে যাওয়ার কারণ–বৈশ্বিক উষ্ণতা
যে জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে - ডিজেল।
পরিবেশ দূষণকারী ৮টি দেশকে একত্রে বলা হয় - ই-৮ ।
Fridays For Futureআন্দোলনের সূচনা করে - গ্রেটা থানবার্গ।
⭕⭕ এক নজরে এই অধ্যায়ের রিভিউ
⭕ গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো মনে রাখার উপায়ঃ
১৯৪০-১৯৫০:
১) IMO-1948
২) IUCN-1948
১৯৫০-১৯৬০:
১) WMO-1951
১৯৬০-১৯৭০:
১) WWF-1961
১৯৭০-১৯৮০:
১) Greene Peace-1971
২) UNEP-1972
৩) World Watch- 1974
১৯৮০-১৯৯০:
১) Water Aid-1981
২) Fund for Wild Nature-1982
৩) IPCC- 1988
১৯৯০-২০০০:
১) UNFCCC-1992
⭕ গুরুত্বপূর্ণ কপ সম্মেলন এবং কেন গুরুত্বপূর্ণঃ
১) প্রথম কপ-১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৯৫ সালে, বার্লিন, জার্মানিতে। এটি কপের প্রথম সম্মেলন।
২) কপ-১৫ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ২০০৯ সালে, কোপেনহেগেন, ডেনমার্কে। এই সম্মলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করার অঙ্গিকার করা হয়।
৩) কপ-১৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ২০১০ সালে,কানকুন, মেক্সিকো। এই সম্মলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠন করা হয়।
৪) COP-১৮ সম্মেলনে (কাতারের রাজধানী দোহাতে) Kyoto Protocol এর মেয়াদ ২০১২ থেকে বাড়িয়ে ২০২০ সালে উন্নীত করা হয়।
একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।
৫) কপ-২১ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ২০১৫ সালে,প্যারিস, ফ্রান্সে। এই সম্মেলনে প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়। সদস্য-১৯৫ টি দেশ।
৬) কপ-২৫ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় - ২০১৯ সালে,মাদ্রিদ, স্পেনে। প্রথমে এই সম্মেলনটি চিলির সান্টিয়াগোতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
৭) কপ-২৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে – নভেম্বর ২০২০ সালে, গ্লাসগো, ব্রিটেনে। সাম্প্রতিক তথ্য।
⭕ বাংলাদেশের পরিবেশের নীতি , আইন, বিধিমালা মনে রাখার উপায়ঃ
নআবি –
নীতি-১৯৯২
আইন-১৯৯৫
বিধিমালা-১৯৯৭
⭕ কার্বন কর বনাম কার্বন সূচকঃ
অস্ট্রেলিয়া ২০১২ সালে কার্বন ট্যাক্স চালু করলেও ২০১৪ সালে তা প্রত্যাহার করে নেয়।
কার্বন সূচক চালু করে ভারত।
সিঙ্গাপুর ২০১৯ থেকে এই কার্বন কর আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারও কার্বন কর চালু করার কথা চিন্তা করছে।
পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে জলবায়ু ট্রাস্ট গঠন বাংলাদেশ, ২০১০ সালে।
⭕ কোন চুক্তি ও প্রটোকলের কি কাজ?
বিপজ্জনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং এদের নিয়ন্ত্রণ? -বাসেল কনভেনশন।
তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি বা তার নীচে রাখার সময় সীমা নির্ধারণ করা হয়?- প্যারিস চুক্তি (সবচেয়ে বড় চুক্তি)।
গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ৫.২% হারে কমাবে ও কার্বন নিঃসরণ কমাবে- কিয়োটো প্রটোকল।
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি- কার্টাগোনা প্রটোকল।
ওজনস্তর ক্ষয়কারী গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রন বিষয়ক প্রটোকল- মন্ট্রিল কনভেনশন।
জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণে -ভিয়েনা কনভেনশন।
জীব বৈচিত্র্য সংক্রান্ত কনভেনশন- জীব বৈচিত্র্য কনভেনশন।
পরিবেশ সংরক্ষণকারী সংস্থা-IUCN
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশ্বের সর্বোচ্চ সংস্থা- IPCC (UNEP+WMO)
জাতিসংঘের আবহাওয়া বিষয়ক বিশেষয়িত সংস্থা-WMO।
⭕১৫) বিগত বছরের প্রশ্নঃ
১) গ্রিনপিস একটি-
ক. যুদ্ধ জাহাজ
খ. পরিবেশ আন্দোলন গ্রুপ ✅
গ. সবুজ বিপ্লবের নাম
ঘ. বন সৃষ্টিতে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান
২) ২৬তম জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন বা COP-26 এর আয়োজক দেশ কোনটি?
ক. জার্মানি
খ. জাপান
গ. ব্রিটেন ✅
ঘ. ফিজি
৩) ‘V20’ গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
ক. কৃষি উন্নয়ন
খ. দারিদ্র বিমোচন
গ. জলবায়ু পরিবর্তন ✅
ঘ. বিনিয়োগ সম্পর্কিত
উত্তরঃ গ
৪) ‘গ্রিনপিস’ যাত্রা শুরু করে-
ক. ১৯৪৫
খ. ২০১১
গ. ২০১৩
ঘ. ১৯৭১✅
৫) ‘Law of the Sea Convention’ অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone’ হিসেবে গণ্য?
ক. ২২ নটিক্যাল মাইল
খ. ৪৪ নটিক্যাল মাইল
গ. ২০০ নটিক্যাল মাইল ✅
ঘ. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
৬) বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
ক. ওয়শিংটন
খ. নিউইয়র্ক
গ. জেনেভা ✅
ঘ. রোম
৭) ২০১৫ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত কপ-২১ এ কত সংখ্যক জাতি অংশগ্রহণ করেছিল?
ক. ১৯৩
খ. ১৬৮
গ. ১৯৯
ঘ. ১৯৬ ✅
৮) জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
ক. ১৯৭৯ সালে
খ. ১৯৮২ সালে ✅
গ. ১৯৮৩ সালে
ঘ. ১৯৯৮ সালে
৯) W.R.I’ কি?
ক. জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচী
খ. বন সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান ✅
গ. প্রকৃতি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী
ঘ. জাতিসংঘের পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে গৃহীত কর্মসূচী
১০) UNEP এর সদর দপ্তর-
ক. ম্যানিলা
খ. ওয়াশিংটন
গ. ভিয়েনা
ঘ. নাইরোবি ✅
১১) ২০০২ সালে দ্বিতীয় ধরিত্র শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় কোথায়?
ক. চীনের বেইজিংয়ে
খ. ভারতের নয়াদিল্লিতে
গ. দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গে ✅
ঘ. জাপানের হিরোশিমায়
উত্তরঃ গ
১২) ‘মিস আর্থ’ প্রতিযোগিতার উদ্দেশ্য কি?
ক. নারী সচেতনতা বৃদ্ধি
খ. সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি
গ. স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি
ঘ. পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি ✅
১২) প্রতি বছর অক্টোবর মাসের কোন দিন বিশ্ব প্রতিবেশ দিবস পালিত হয়ে থাকে?
ক. প্রথম সোমবার ✅
খ. দ্বিতীয় সোমবার
গ. তৃতীয় সোমবার
ঘ. চতুর্থ সোমবার
১৪) আন্তর্জাতিক আলোক বর্ষ কোন সাল?
ক. ২০১৯ সাল
খ. ২০২০ সাল
গ. ২০১৮ সাল
ঘ. ২০১৫ সাল ✅
১৫) নিম্নলিখিত কোনটি International mother Earth day?
ক. ১৮ এপ্রিল
খ. ২০ এপ্রিল
গ. ২২ এপ্রিল ✅
ঘ. ২৪ এপ্রিল
১৬) কোন তারিখে আন্তর্জাতিক পরিবেশ দিবস পালিত হয়?
ক. ৫ জুলাই
খ. ২১ মার্চ
গ. ৫ জুন ✅
ঘ. ২১ জুন
১৭) আন্তর্জাতিক ওজোন দিবস কোন মাসে কত তারিখে পালিত হয়?
ক. ২২ জুলাই
খ. ২৮ জুলাই
গ. ১৭ জুলাই
ঘ. ১৬ সেপ্টেম্বর ✅
১৮) বিশ্ব সুনামি সচেতনতা দিবস কবে?
ক. ৫ নভেম্বর ✅
খ. ১৫ অক্টোবর
গ. ১৫ নভেম্বর
ঘ. ১০ অক্টোবর
১৯) বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস কবে?
ক. ২৮ শে ফেব্রুয়ারী
খ. ২৭ শে ফেব্রুয়ারী
গ. ১ মার্চ ✅
ঘ. ২ মার্চ
২০) রিওডি জেনিরিওতে অনুষ্ঠিত ‘ধরিত্রী সম্মেলন’ -এ কত দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেছিলেন?
ক. ১৫০
খ. ১৫৬
গ. ১৭৮ ✅
ঘ. ১৭৯
২১) ক্রমহ্রাসমান হারে ওজোনস্তর ক্ষয়কারী উপাদান বিলীনের বিষয়টি কোন চুক্তিতে বলা হয়েছে?
ক. মন্ট্রিল প্রোটকল ✅
খ. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন চুক্তি
গ. IPCC চুক্তি
ঘ. কোনটিই নয়
২২) কোন দেশ সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার আশংকায় অন্যদেশে জমি ক্রয়ের চিন্তা করছে-
ক. শ্রীলংকা
খ. মালদ্বীপ ✅
গ. ফিজি
ঘ. কোনটিই নয়
২৩) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?
ক) ৮০ বিলিয়ন ডলার
খ) ১০০ বিলিয়ন ডলার ✅
গ) ১৫০ বিলিয়ন ডলার
ঘ) ২০০ বিলিয়ন ডলার
২৪) বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে ?
ক) ৩০% ✅
খ) ৪০%
গ) ৫০%
ঘ) ৬০%
২৫) গ্রিন হাউজ ইফেক্টের কারণে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
ক) উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
খ) বুষ্টিপাত কমে যাবে গ) নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে✅
ঘ) সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
২৬) জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমন্ডলে যে গ্রিন হাউজ গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশী বৃদ্ধি পাচ্ছে-
ক) জ্বালানি বাষ্প
খ) ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড ✅
ঘ) মিথেন
২৭) “কার্টাগেনা প্রোটকল” হচ্ছে -
ক) জাতিসংঘের যুদ্ধ মোকাবিলা সংক্রান্ত চুক্তি
খ) জাতিসংঘের শিশু অধিকার বিষয়ক চুক্তি
গ) জাতিসংঘের নারী অধিকার বিষয় প্রটোকল
ঘ) জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি✅
২৮) গ্রীস পিস (Green Peace) কোন দেশ ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থা?
ক) নরওয়ে
খ) পোল্যান্ড
গ) নিউজিল্যান্ড
ঘ) নেদারল্যান্ড✅
২৯) IUCN এর কাজ হল বিশ্বব্যাপী -
ক) প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা ✅
খ) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন করা
গ) পানি সম্পদ সংরক্ষণ করা
ঘ) মানবাধিকার সংরক্ষণ করা
৩০) মাথাপিছু গ্রিন হাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশী দায়ী নিচের কোন দেশটি?
ক) রাশিয়া
খ) যুক্তরাষ্ট্র
গ) চীন✅
ঘ) জার্মানি
৩১) জাতিসংঘ পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ?
ক) IPCC ✅
ক) MIGA
গ) Green Peace
ঘ) Paris Pact
৩২) সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫ সে.মি বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাত বাংলাদেশে “Climate Refugee” হবে?
ক) ৩ কোটি ✅
খ) ৩.৫০ কোটি
গ) ৪ কোটি
ঘ) ৪.৫০ কোটি
৩৩) গ্রিণ হাউজ কী?
ক) কাচের তৈরি ঘর ✅
খ) সবুজ আলোতে আলোকিত ঘর
গ) সবুজ ভবনের নাম
ঘ) সবুজ আলোর গাছপালা
৩৪) বৈশ্বিক জলবায়ু সুচকে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
ক)নবম ✅
খ)দশম
গ)ত্রয়োদশ
ঘ)চতুর্দশ
৩৫) ICAN কোন ধরনের সংস্থা?
ক)পরিবেশ সংস্থা ✅
খ)স্বেচ্ছাসেবি সংস্থা
গ)মানবাধিকার সংস্থা
ঘ)পরমাণু অস্ত্র বিরোধী জোট
৩৬) প্যারিস চুক্তি কার্যকর হয় কবে?
ক) ১ নভেম্বর, ২০১৬
খ) ৪ নভেম্বর, ২০১৬ ✅
গ) ১৫ নভেম্বর, ২০১৬
ঘ) ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
৩৭) Climate & Clean Air Coalition চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়-
ক)বাংলাদেশ
খ)মেক্সিকো
গ)কানাডা
ঘ)যুক্তরাজ্য ✅
৩৮) বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন মতে, ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে কত ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে??
ক)১ থেকে ১.৫ ডিগ্রি ✅
খ)১.৫ থেকে ২ ডিগ্রি
গ)২ থেকে ২.৫ ডিগ্রি
ঘ)২.৫ থেকে ৩ ডিগ্রি
৩৯) কিয়োটো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়–
ক. জাপানে ✅
খ. ব্রাজিলে
গ. ইন্দোনেশিয়ায়
ঘ. কোরিয়ায়
৪০) বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২ ডিগ্রির নিচে রাখার পরিকল্পনা গৃহীত হয় কোন চুক্তিতে?
ক)অটোয়া চুক্তিতে
খ)প্যারিস চুক্তিতে ✅
গ)নাগোয়া চুক্তিতে
ঘ)মন্ট্রিল চুক্তিতে
৪১) ১৯৮৭ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল?
ক. পরমাণু
খ. পরিবেশ ✅
গ. বাণিজ্য
ঘ. নিরস্ত্রীকরণ
৪৪) সর্বপ্রথম পানি দূষণ চিহ্নিত করেন–
ক. ডাল্টন
খ. গোর্কী
গ. বেনথাম
ঘ. হিপোক্রিটাস ✅
৪৫) Environmental Performance Index অনুসারে নির্মল বায়ুর শীর্ষ দেশ-
ক)সুইডেন
খ)সুইজারল্যান্ড
গ)অস্ট্রিয়া
ঘ)অস্ট্রেলিয়া ✅
৪৬) Carbon Trade এর ধারণা দেয় কোন প্রটোকল/ চুক্তি?
ক)প্যারিস চুক্তি
খ)কিয়োটো প্রোটকল ✅
গ)মন্ট্রিল প্রটোকল
ঘ)কপ-১৫
৪৭) COP-25 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়—
A. মাদ্রিদ, স্পেন ✅
B. জেনেভা,সুইজারল্যান্ড
C. বার্লিন, জার্মান
D. প্যারিস,ফ্রান্স
৪৮) বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় পরিবেশ নীতি ঘোষিত হয়–
A. ১৯৯১ সালে
B. ১৯৯২ সালে ✅
C. ১৯৯৫ সালে
D. ১৯৯৯ সালে
৪৯) পরিবেশ সংরক্ষণ আইন গৃহীত হয়—
A. ১৯৯১ সালে
B. ১৯৯২ সালে
C. ১৯৯৫ সালে ✅
D. ১৯৯৯ সালে
৫০) পরিবেশ বিধিমালা গ্রহণ করা হয়—
A. ১৯৯১ সালে
B. ১৯৯৭ সালে ✅
C. ১৯৯৫ সালে
D. ১৯৯৯ সালে
৫১) ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয় পরিবেশ বিষয়ক সম্মেলন–
A. ধরিত্রী সম্মেলন+৫ ✅
B. ধরিত্রী সম্মেলন+ ৬
C. ধরিত্রী সম্মেলন+৭
D. ধরিত্রী সম্মেলন+৮
৫২) বিশ্ব প্রাণী দিবস পালিত হয় কবে?
A. ১৪অক্টোবর
B. ৫ জুন
C. ২২ এপ্রিল
D. ৪ অক্টোবর ✅
৫৩) ই-৮ হলো-
A. পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনকারী সংস্থা
B. পরিবেশ দুষণকারী ৮টি দেশ✅
C. পরিবেশ রক্ষাকারী আটটি দেশ
D. পরিবেশবাদী দল
৫৪) বিশ্ব জলাভূমি দিবস পালিত হয় কবে?
A. ২ ফেব্রুয়ারি ✅
B. ২১ মার্চ
C. ২২ মার্চ
D. ২২ এপ্রিল
৫৫) বন দিবস পালিত হয় কবে?
A. ২ ফেব্রুয়ারি
B. ২১ মার্চ ✅
C. ২২ মার্চ
D. ২২ এপ্রিল
৫৬) পানি দিবস পালিত হয় কবে?
A. ২ ফেব্রুয়ারি
B. ১ মার্চ
C. ২২ মার্চ✅
D. ২২ এপ্রিল
৫৭) আবহাওয়া দিবস পালিত হয় কবে?
A. ২ ফেব্রুয়ারি
B. ১ মার্চ
C. ২৩ মার্চ✅
D. ২২ এপ্রিল
৫৮) জীববৈচিত্র দিবস পালিত হয় কবে?
A. ১৭ জুন
B. ২২মে ✅
C. ২৯ জুলাই
D. ১৩ অক্টোবর
৫৯) বাঘ দিবস পালিত হয় কবে?
A. ১৭ জুন
B. ২১ জুন
C. ২৯ জুলাই✅
D. ১৩ অক্টোবর
৬০) আর্থ আওয়ার পালিত হয় কবে?
A. আগস্টের শেষ শনিবার
B. মার্চের শেষ রবিবার
C. মার্চের শেষ শনিবার ✅
D. আগস্টের শেষ রবিবার
৬১) “আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস”পালিত হয় কবে?
A. আগস্টের শেষ শনিবার
B. মার্চের শেষ রবিবার
C. মার্চের শেষ শনিবার
D. এপ্রিলের যে কোন বুধবার ✅
৬২) বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পরিবেশ দূষণকারী দেশ–
A. ভারত
B. রাশিয়া
C. চীন✅
D. যুক্তরাষ্ট্র
৬৩) “আন্তর্জাতিক বাঘ বর্ষ” কত সালে ছিল?
A. ২০১০✅
B. ২০১৩
C. ২০১২
D. ২০১১
৬৪) “সকলের জন্য টেকসই জ্বালানি বর্ষ” কোনটি ?
A. ২০১০
B. ২০১৩
C. ২০১২✅
D. ২০১১
৬৫) “UNFCCC” এর পূর্ণ রূপ কি?
A. United Nations final Convention on Climate Change
B. United Nations Framework Convention on Climate Change✅
C. United Nations Framework Council on Climate Change
D. United Nations Framework Convention on Climate Challenge
৬৬) UNFCCC সদরদপ্তর—
A. দিল্লি,ভারত
B. জেনেভা,সুইজারল্যান্ড
C. বন, জার্মানি ✅
D. নিউইয়রক,আমেরিকা
৬৭) UNEP-এর পূর্ণরূপ –
A. United Nations Executive Programme
B. United Nations Environment Plan
C. United Nations Environment Programme✅
D. United Nations Environmental Petition
৬৮) UNEP-এর সদরদপ্তর—
A. দিল্লি,ভারত
B. জেনেভা,সুইজারল্যান্ড
C. বন, জার্মানি
D. নাইরোবি, কেনিয়া✅
৬৯) IUCN- এর পূর্ণ রূপ–
A. International Union for the Conservation of the Nations
B. International Unity for the Conservation of the Nature
C. International Union for the Conservation of the Nature✅
D. International Union for the Council for the Nature
৭০) IUCN- এর সদরদপ্তর—
A. দিল্লি,ভারত
B. জেনেভা,সুইজারল্যান্ড
C. গ্রাণ্ড, সুইজারল্যান্ড✅
D. নাইরোবি, কেনিয়া
৭১) IPCC নোবেল পুরস্কার লাভ করে—
A. ২০০৮ সালে
B. ২০১১ সালে
C. ২০০৭ সালে✅
D. ২০১২ সালে
৭২) WMO এবং UNEP-এর সম্মিলিত নাম—
1. IUCN
2. IPCC✅
3. UNFCCC
4. WWF
৭৩) WWF এর পূর্ণরূপ –
A. World Wide Future for Nature
B. World Wide Foundation for Nature
C. World Wide Fund for Nations
D. World Wide Found for Nature✅
৭৪) COP-এর পূর্ণরূপ-
A. Conference of the Parties✅
B. Conference of the people
C. Council of the Parties
D. Commission of the Parties
৭৫) ১৯৯৫ সালে প্রথম COP সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়—
A. দিল্লি,ভারত
B. জেনেভা,সুইজারল্যান্ড
C. বার্লিন, জার্মানি✅
D. নাইরোবি, কেনিয়া
সংগৃহীত। (কিছু পুরাতন তথ্য থাকতে পারে)
বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
🎯 পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারে - ৩৩তম
🎯 মেট্রোরেল - ৬০তম
🎯 সাবমেরিন - ৪১তম
🎯 বায়োমেট্রিক সিম রেজিস্ট্রেশন - ২য়
🎯 আল্ট্রা সুপার ক্রিটিকাল ট্যাকনোলজি - ১৩তম
🔰বিশ্বে বাংলাদেশ
☑️রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে ৭ম,
☑️পারমাণবিকে ৩৩তম,
☑️মেট্রোরেল ৩৬তম,
☑️সামরিক শক্তিতে ৩৭তম,
☑️সাবমেরিনে ৪১তম,
☑️সামরিক ব্যায়ে ৫০তম,
☑️স্যাটেলাইটে ৫৭তম,
☑️নারী ক্ষমতায়নে ৫৯তম।
26/12/2023
প্রাচীন বাংলার শাসনামল (A To Z)
#মৌর্য_বংশ :
প্রতিষ্ঠাতা : চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
রাজধানী : মহাস্থানগড়
শ্রেষ্ঠ শাসক : অশোক
#গুপ্ত_বংশ :
প্রতিষ্ঠাতা : চন্দ্রগুপ্ত
রাজধানী : গৌড়
শ্রেষ্ঠ শাসক : সমুদ্রগুপ্ত
#গৌড়_বংশ :
প্রতিষ্ঠাতাঃ শশাঙ্ক
রাজধানী : কর্ণসুবর্ণ
শ্রেষ্ঠ শাসক : শশাঙ্ক
#পাল_বংশ :
প্রতিষ্ঠাতাঃ গোপাল
শ্রেষ্ঠ শাসক: ধর্মপাল (সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা)
#সেন-বংশ :
প্রতিষ্ঠাতাঃ হেমন্তসেন
রাজধানী : নদীয়া
শ্রেষ্ঠ শাসক: বিজয়সেন
==================
© যে সম্রাটের আমলে এ দেশে বৌদ্ধ ধর্মের প্রসার ঘটে - সম্রাট অশোকের আমলে।
©রাজা শশাঙ্কের শাসনামলের পর বঙ্গ দেশ যতটি জনপদে বিভক্ত ছিল - ৩টি। যথা- পুন্ড্রু, গৌড়, বঙ্গ।
©প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রের রাজধানীর ধ্বংশাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের কোথায় পাওয়া যায় - বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে।
©দেশবাচক নাম হিসেবে বাংলা শব্দের ব্যবহার কখন প্রয়োগ হয় - মুসলিম শাসনামলের প্রথম দিকে।
©Bengal এবং Bangla কোন শব্দের রূপান্তর
-ফারসি 'বাঙ্গালাহ' শব্দের।
©সমগ্র বাংলাদেশ 'বঙ্গ' নামে ঐক্যবদ্ধ হয় কোন আমলে - পাঠান আমলে।
© প্রাচীন কর্তসুবর্ণ বলতে যে অঞ্চলকে বুঝায় - আধুনিক মুর্শিদাবাদ জেলার রাঙামাটি গ্রামকে।
©আর্যগণ কবে বাংলাদেশে আগমন করে - ২০০০ খ্রি. পূর্বাব্দে।
©আর্যগণ আগমনের পূর্বে এ দেশে কাদের বসবাস ছিল - অনার্যদের।
©দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের উপাধি ছিল - বিক্রামাদিত্য।
©চীনা বৌদ্ধ পন্ডিত হিউয়েন সাঙ ভারতে আসেন যে রাজার আমলে - হর্যবর্ধন।
©ভারত বর্ষ থেকে কোন রাজা গ্রিকদের বিতাড়িত করেন - মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত।
©ইন্ডিকা (Indika) নামক বিবরণমূলক গ্রন্থের লেখক - মেগাস্থিনিস।
© 'অর্থশাস্ত্র' গ্রন্থটির লেখক - কৌটিল্য।
© কৌটিল্য আসলে - চন্দ্রগুপ্তের প্রধান পরামর্শদাতা ও সাহায্যকারী চানক্য ও বিষ্ণুগুপ্ত।
©অশোক কলিঙ্গ জয়ে বের হন খ্রিস্ট পূর্বাব্দে
- ২৬০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে
©মৌর্য যুগে বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী ছিল - পুন্ড্রনগর।
© গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা - ১ম চন্দ্রগুপ্ত (শ্রী-গুপ্ত)।
© গুপ্ত সাম্রাজ্যের গোড়া পত্তন হয় - ৩২০ খ্রিঃ পূর্বাব্দে।
©গুপ্তযুগে বঙ্গের ভাগ ছিল - দুটি।
© গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা - সমুদ্রগুপ্ত।
©বিক্রমাদিত্য উপাধী ছিল - দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
© অজান্তার গুহাচিত্র যে যুগের সৃষ্টি - গুপ্তযুগের।
©যে সম্রাটকে ভারতীয় নেপোলিয়ন বলা হতো - সমুদ্রগুপ্তকে।
©সর্ব প্রথম যে চীনা পরিব্রাজক ভারতবর্ষে আগমন করেন - ফা-ইয়েন।
©ফা-হিয়েন যার সময়ে ভারতবর্ষ পরিভ্রমণ করেন - দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত।
©ফা-হিয়েনের ভারত পরিভ্রমণের কারণ ছিল - বৌদ্ধ ধর্মপুস্তক 'বিনায়াপিটক'-এর মূল রচনা সংগ্রহ করা।
©ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে অবস্থান করেন - তিন বছর।
★★ বাংলায় মুসলিম রাজত্ব.........
১. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি কবে বাংলা জয় করেন ----------১২০৪ খ্রিস্টাব্দেl
২. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়া খিলজি কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন ---------- আফগানিস্তান।
৩. কোন শতকে বাংলায় মুসলিম আধিপত্য প্রতিষ্টিত হয় --------- ত্রয়োদশ।
৪. স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা হয় কবে--------- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে।
৫. স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা হয় কোথায়----------- সোনারগাঁ।
৬. স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা কারী কে --------- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।
৭. বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন কে--------- সুলতান ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ।
৮. বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান ছিলেন কে --------- সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ।
৯. স্বাধীন সুলতানি যুগের সময়কাল কত---------১৩৩৮-১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
১০. বিখ্যাত ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মিত হয় কোন আমলে ------- সুলতানী আমালে ; খান জাহান কর্তৃক।
১১. ভারতীয় উপমহাদেশে তুর্কি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্টিতা কে ----------- মুহম্মদ ঘুরী।
১২. ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ----- মুহম্মদ ঘুরী ( কিন্তু বাংলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা --- বখতিয়ার খলজি)
১৩. মুহম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজের মধ্যে কোন যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় ------------ ত্বরাইনের প্রথম যুদ্ধ।
১৪. পরিব্রাজক ইবনে বতুতা কার সময়ে দিল্লি আসেন -------- মুহাম্মদ বিন তুঘলক ( কিন্তু ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন ------ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে)
১৫. ইবনে বতুতা কোন দেশের অধিবাসী অধিবাসী ছিলেন -------- মরক্কো।
১৬. পূর্বে বোলঘকপুর বা বিদ্রোহের দেশ নামে পরিচিত ছিল ---------- বাংলা।
১৭. দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম মুসলিম নারী কে ---- সুলতানা রাজিয়া।
১৮.সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন কত বার --------১৭ বার।
১৯. সুলতান মাহমুদ কোন সালে প্রথম ভারত আক্রমণ করেন --------১০০০ সালে।
২০. সুলতান মাহমুদ কে ছিলেন ----------- গজনির অধিপতি।
২১. সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন ------------ মহাকবি ফেরদৌস।
২২. মহাকবি ফেরদৌস কর্তৃক রচিত মহাকাব্যের নাম কী -------- শাহনামা।
২৩. নামকরা দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ আল বিরুনি কার রাজসভায় কর্মরত ছিলেন -------------- সুলতান মাহমুদের।
২৪. কে বাংলাকে ধনসম্পদপূর্ণ নরক বা দোজখপুর নিয়ামত বলে আখ্যায়িত করেছেন ------------- ইবনে বতুতা ( কিন্তু বাংলাকে জান্নাতাবাদ বলে আখ্যায়িত করেছেন -------- মোঘল সম্রাট হুমায়ূন)
২৫. ইবনে বতুতা কেন বাংলাদেশকে ধনসম্পদপূর্ণ নরক বা দোজখপুর নিয়ামত বলেন ----------- সম্পদের প্রাচুর্য ও প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য।
২৬. বাংলার অপরূপ বর্ণনা পাওয়া যায় ইবনে বতুতার কোন গ্রন্থ -------------কিতাবুল রেহালা।
২৭. সুলতান মাহমুদের বার বার ভারত আক্রমণের কারণ কি ছিল- ধনসম্পদ লুট করার জন্য।
২৮. দিল্লি হতে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে ------------- মুহম্মদ বিন তুঘলক।
২৯. ভারতীয় উপমহাদেশে কে সর্বপ্রথম প্রতীকী মুদ্রার প্রচলন করেন ----------- মুহম্মদ বিন তুঘলক। ( কিন্তু ভারতবর্ষে প্রথম মুদ্রার প্রচলন করেন --------- সুলতান ইলতুতমিশ)
৩০. ভারতে কে সর্বপ্রথম তুর্কী সাম্রাজ্য বিস্তার করেন --------------- মুহাম্মদ ঘুরী।
৩১. ভারতে তুর্কী সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে -------- কুতুবউদ্দিন আইবেক।
৩২. কোন সুলতান সুলতানই আজম খেতাবে ভূষিত হন ------------ সুলতান ইলতুৎমিশ।
৩৩. দিল্লির কুতুব মিনার কে নিমার্ণ করেন --------------- কুতুবউদ্দিন আইবেক।
৩৪.দিল্লির সিংহাসন আরোহী প্রথম নারী কে ---------------- সুলতানা রাজিয়া।
৩৫. কাকে শাহ- ই- বাঙাল উপাধিতে ভূষিত করা হয় ------------- সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহকে।
৩৬.বাংলার সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ সুলতান কে ছিলেন --------আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।
৩৭. কার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলায় মহাভারত রচিত হয় ------- পরাগল খান ও ছুটি খান।
৩৮. কোন মুসলমান সুলতান সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলার অধিপতি হন -------------- শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ।
৩৯. কার শাসনামল থেকে সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল বাঙ্গালাহ নামে পরিচিত হতে থাকে------------ শামসু্দ্দীন ইলিয়াস শাহ।
৪০.কোন শাসনামলে সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল বাঙ্গালাহ নামে পরিচিত হতে থাকে ----------- মুসলিম শাসনামলে।
৪১. ভারতের মালদহের বড় পান্ডুয়ার বিখ্যাত আদিনা মসজিদ কে নির্মাণ করেন -------------- সিকান্দার শাহ।
৪২. গৌড়ের কদম রসুল ও বড় সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন কে ------------- নুসরত শাহ।
৪৩. কার শাসনামলে পির খানজাহান আলী খুলনা অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচারে নিয়োজিত হন ---------------- নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ।
৪৪. বাংলার কোন শাসনকর্তার সময় হযরত শাহজালাল ( রহ.) ধর্ম প্রচারে বাংলায় আসেন --------------- সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ।
৪৫. আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজধানী ছিল কোথায় --------------- একডালা।
৪৬. সুলতানী আমলে লোকেরা বেচাকেনার জন্য ব্যবহার করত -------------- রৌপ্য মুদ্রা।
৪৭. কোন বিজেতা অশ্ববিক্রেতার বেশে নদীয়া আক্রমণ করেন ------------------- বখতিয়ার খলজি।
৪৮. কতজন সৈন্য নিয়ে বখতিয়ার খলজি বাংলাদেশ জয় করেন ------------১৭ জন।
৪৯. বখতিয়ার খলজি কোন স্থানে মৃত্যুবরণ করেন ------------- দেবকোটে।
গৌড়ের বড় সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন- নূসরত শাহ
©গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ কে নির্মান করেন – আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
©বড় কাটরা কে নির্মান করেন- সুবেদার ইসলাম খান
©গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড কে তৈরী করেন – শেরশাহ
©ঘোড়ার ডাকের প্রচলন করেন কে –শেরশাহ
7.আগরতলা ষড়যন্ত্র মাম
©মুসলীম লীগের প্রস্তাবক কে –নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
©দ্বিজাতি তত্বের প্রবক্তা কে – মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
©দ্বিজাতি তত্ব ঘোষনা করা হয় কবে -১৯৩৯ সালে
©লাহোর প্রস্তাব কে কবে ঘোষনা করেন – এ কে ফজলুল হক, ২৩ মার্চ ১৯৪০
©তমুদ্দিন মজলিশ প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম – পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
©মুসলিম লীগ কখন প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯০৬ সালে
©পঞ্চাশের মন্বন্তর কখন হয়েছিল – ১৩৫০ বাংলায় এবং ১৯৪৩ ইং সালে
©ঢাকা গেইট কে নির্মান করেন – মীর জুমলা
©বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে – মুর্শিদকুলী খান
©জিজিয়া কর কে রহিত করেন – সম্রাট আকবর
™দিল্লীর লাল কেল্লা কে নির্মান করেন –শাজাহান
©আইন-ই-আকবরী গ্রন্থটি কার লেখা – আবুল ফজল
©বর্গী নামে পরিচিত ছিল কারা – মারাঠারা
©বিধবা বিবাহ আইন” প্রচলন করেন কে- লর্ড ডালহৌসী
©উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রেল যোগাযোগ চালু করেন কে – লর্ড ডালহৌসী, ১৮৫৩ সালে
©আলীগড় আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন – সৈয়দ আহমেদ খান
©উপমহাদেশের প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন করেন কে- লর্ড ক্যানিং
©দোলাই খাল কে খনন করেন – ইসলাম খান
©চট্রগ্রাম- এর নাম “ইসলামাবাদ” রাখেন কে –শায়েস্তা খান
©বাংলায় দ্বৈত শাসন কে রহিত করেন – ওয়ারেন হেস্টিংস
©দশশালা বন্দোবস্ত” (১৭৯০) কে চালু করেন – লর্ড কর্ণওয়ালিস
©দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের সমাধি কোথায় – রেঙ্গুন (মায়ানমার)
©বাংলার আকবর বলা হয় কাকে –আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
©বাংলাদেশের মুসলিম সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ কে – আলাউদ্দিন হোসেন শাহ –উনি চট্রগ্রাম হতে আরাকানদের বিতাড়িত করেন
©শাহ মুহম্মদ সগীরকে “ইউসুফ জোলেখা” লিখতে পৃষ্ঠপোষকতা করেন কে- গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ –তার আমলে চীন থেকে মা-হূয়ান >দূত হিসেবে আসেন
©দাম মুদ্রা কে চালু করেন – মুহম্মদ বিন তুঘলক
©.ইবনে বতুতার প্রকৃত নাম কি –আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ
©.সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন – ফেরদৌসি
©ইবনে বতুতা কোন দেশ থেকে বাংলায় আসেন – মরক্কো – তিনি ফখরুউদ্দিন মুবারক শাহ এর আমলে বাংলায় আসেন
©.ইবনে বতুতা বাংলাকে কি বলেছেন –দোযখপুর নিয়ামত
©সুলতানী আমলে প্রথম নারী শাসক কে ছিলেন – ইলতুৎমিশের কন্যা সুলতানা রাজিয়া
©লক্ষন সেনের সময়ে শ্রেষ্ঠ সভাকবি ছিলেন কে – হলায়ূধ মিশ্র
©হযরত শাহ জালাল কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন –তুরস্ক –তিনি সুলতান শামসুদ্দিন ফিরুজ শাহের আমলে বাংলায় আসেন
©বখতিয়ার খলজী কোথায় রাজধানী স্থাপন করেন – গৌড়ে ও দেবকোটে (দিনাজপুর)
©কে কৌলিণ্য প্রথা চালু করেন – বল্লাল সেন
Important পোস্ট:(confusing questions)
""""""""""""""""""""" ”"""""""""""""""""""
© বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ?
= ফকরুদ্দিন মোবারক শাহ
©বাংলার শেষ স্বাধীন সুলতান কে ?
=গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
©বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ?
= মুর্শিদ কুলি খান
© বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব কে ?
= সিরাজউদ্দৌলা
©ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা
করেন ?
= মুহম্মদ ঘুরি
©বাংলায় সর্বপ্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ?
= ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি
© কোন মুসলমান শাসক প্রথম দক্ষিণ ভারত জয়
করেন ‘?
= আলাউদ্দিন খিলজি ।
© কোন মুসলমান প্রশাসক সর্বপ্রথম দাক্ষিণাত্য জয়
করেন ?
= মালিক কাফুর ।
© বাংলার শেষ হিন্দু রাজা কে ছিলেন ?
= লক্ষণ সেন ।
©সেন বংশের সর্ব শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ?
= বিজয়সেন ।
© কোন মুসলিম সেনাপতি স্পেন জয় করেন ?
= তারিক
© মুসলমানদের মধ্যে কে প্রথম সিন্ধু বিজয়
করেন ?
= মুহাম্মদ বিন কাশিম
© উপমহাদেশে স্থায়ী মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা
কে?
= কুতুবউদ্দিন আইবেক ।
________________________________________________________
©পাটালিপুত্র রাজধানী ছিল - : মৌর্যদের
©. অশোক কোন বংশের রাজা ছিলেন? : মৌর্য বংশের
©কোন যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণাম দেখে মহারাজ অশোক বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন? : কলিঙ্গ যুদ্ধের
©বৌদ্ধ ধর্মের কনস্ট্যান্টাইন বলা হয় : সম্রাট অশোক
©প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত : গুপ্তযুগ
©বাংলায় প্রথম চীনা পরিব্রাজক আসেন : ফা হিয়েন (৪০১-৪১০ খ্রিষ্টাব্দে)।
©মেগাস্থনিস কার রাজসভার গ্রিক দূত ছিলেন? : চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
© প্রাচীনকালে এদেশের নাম ছিল - : বঙ্গ
©প্রাচীন জনপদগুলোকে একত্রিত করে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন- : শশাঙ্ক
©বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা হলেন : শশাঙ্ক
©একসময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজধানী মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন নাম ছিল - : গৌড়
©শশাঙ্ক প্রথম জীবনে ছিলেন - : সামন্ত
©হিউয়েন সাঙ বাংলায় এসেছিলেন - : হর্ষবর্ধনের আমলে
©নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় - : পঞ্চম শতকে
©‘মাৎস্যন্যায়’ কোন সময়কাল নির্দেশ করে - : ৭ম – ৮ম শতক
©বাংলার প্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের নাম কি? : পাল বংশ
© পালযুগের পুঁথিচিত্র কোন বস্তুর উপর আঁকা হয়েছিল? : তালপাতার উপর
©দিনাজপুরের রামসাগর দীঘি খনন করেন কে? : রামপাল (পাল বংশের রাজা)
©বাংলার শেষ হিন্দু রাজা : লক্ষ্মণ সেন
©প্রাচীন কোন রাজবংশ হিন্দু ধর্মালম্বী ছিল? : সেন বংশ
©স্পেন বিজয়ী মুসলিম সেনাপিত : তারিক বিন যিয়াত
©সিন্ধু বিজয় করে : মুহাম্মদ বিন কাসিম
© সুলতান মাহমুদ ভারত আক্রমণ করে : ১৭ বার
©তরাইনের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় : ১১৯১ সালে
©তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে কে পরাজিত হন? : পৃথ্বীরাজ
© কুতুবমিনারের নামকরণ করা হয় - : কুতুব উদ্দীনের নামে
© ভারতবর্ষে সর্বপ্রথম মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন : মুহাম্মদ ঘোরি
©দিল্লী সালতানাতের প্রকৃতি প্রতিষ্ঠাতা : শামসউদ্দিন ইলতুতমিশ
©দিল্লির সিংহাসনে অধিষ্ঠিত প্রথম মুসলিম নারী- : সুলতানা রাজিয়া
©. কোন মুসলিম প্রশাসক প্রথম দক্ষিণ ভারত জয় করেন? : আলাউদ্দীন খলজি
© ভারতে প্রথম প্রতীক মুদ্রা প্রবর্তন করেন : মুহাম্মদ বিন তুঘলক
©দিল্লী থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন : মুহাম্মদ বিন তুঘলক
©তৈমুর লঙ ভারত আক্রমণ করেন - : ১৩৯৮ সালে
©মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা - : জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৫২৬)
©মুঘল সাম্রাজ্যের সূচনা হয়- : পানিপথের প্রথম যুদ্ধের মাধ্যমে
©মারাঠা শাসকের উপাধি ছিল- : পেশোয়া
©বাবর – হুমায়ুন – আকবর – জাহাঙ্গীর – শাহজাহান – আওরঙ্গজেব – এটা কীসের ক্রম? : মুঘল শাসকদের
©বাদশাহ আলমগীর নামে পরিচিত ছিলেন : সম্রাট আওরঙ্গজেব
©ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ছিল : উত্তর প্রদেশে (অযোধ্যা)
©বাংলায় শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হন : সম্রাট হুমায়ুন
©আকবর দিল্লির সিংহাসনে বসেন : ১৩ বছর বয়সে
©প্রথম মুঘল সম্রাট হিসেবে বাংলা জয় করেন : সম্রাট আকবর (১৫৭৬ সনে)
©দীন-ই- ইলাহী প্রতিষ্ঠা করেন : সম্রাট আকবর
©টোডরমেলের নাম জড়িত : রাজস্ব সংস্কারের সাথে
©জিজিয়া কর’ রহিত করেন : সম্রাট আকবর
© ‘বুলবুল –ই –হিন্দ’ বলা হয় : তানসেনকে
©সম্রাট আকবরের সমাধি : সেকেন্দ্রা
© এ দেশের সরকারি কাজে ফারসি ভাষা চালু করেন : সম্রাট জাহাঙ্গীর
©সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমাধি : লাহোরে
©আগ্রার তাজমহলের নির্মাতা : সম্রাট শাহজাহান ©Prince of Builders বলা হয় : সম্রাট শাহজাহানকে
©জিন্দাপীর, আলমগীর নামে পরিচিত : সম্রাজ আওরঙ্গজেব
©কোহিনুর মনি ও ময়ুর সিংহাসন লুট করেন : নাদির শাহ (পারস্যের)
©দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নির্বাসিত করা হয় : রেঙ্গুনে
©ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম ডাক সার্ভিস চালু হয় : শের শাহের আমলে (আফগান শাসক)
©শেরশাহ হুমায়ুনকে পরাজিত করেন : চৌসারের যুদ্ধে
© ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক’ রোডের নির্মাতা : শেরশাহ
©কবুলিয়ত ও পাট্টা প্রথার প্রবর্তক : শেরশাহ
©হযরত শাহজালাল যে শাসককে পরাজিত করে সিলেটে আযান ধ্বনি দিয়েছিলেন : গৌর গোবিন্দ
© বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ছিলেন : ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
©বাঙ্গালাহ নামের প্রচলন করেন : শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
©কবি হাফিজকে বাংলায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন : গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
©বাংলা গজল ও সুফি সাহিত্য সৃষ্টি হয় : হোসেন শাহী আমলে
©বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত : আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
©গৌড়ের সোনা মসজিদ নির্মিত হয় : হোসেন শাহের আমলে।
© ফ্রান্সের রাজা চতুর্দশ লুই এর ন্যায় কোন সুলতান ঘোষণা করেন ‘আমিই রাষ্ট্র’ : আলাউদ্দীন খলজী
©ইবনে বতুতা : মরক্কোর পর্যটক
©ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন : চতুর্দশ শতকে
© ইবনে বতুতার গ্রন্থের নাম : রেহেলা
© ইবনে বতুতা বাংলায় এসেছিলেন : হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাতের জন্য
©বাংলাদেশে বার ভূঁইয়াদের অভ্যুত্থান ঘটে : সম্রাট আকবেরর সময়
© মানসিংহকে পরাজিত করেন : ঈশা খাঁ
©বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও এর পত্তন করেছিলেন : ঈশা খাঁ
©বাংলায় বারো ভুইঞাদের সুবেদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন : ইসলাম খান
©পর্তুগীজদের চট্টগ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেন : শায়েস্তা খান
© ঢাকার চক বাজারে বড় কাটরা নির্মাণ করেন : শাহ সুজা
© ঢাকা গেট নির্মাণ করেন : মীর জুমলা
©মোঘল আমলে ঢাকার নাম ছিল : জাহাঙ্গীর নগর
★★ উপনিবেশিক শাসন★★
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
© বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল - পর্তুগিজরা।
©ইউরোপ থেকে সমুদ্র পথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কৃত হয় কত সালে -------১৪৮৭ সালে।
©পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো- ডা- গামা ভারতবর্ষে আসেন কত সালে -----১৪৯৮ সালে।
©ইংরেজরা ভারতবর্ষে আসেন কত সালে ----১৬০৮ সালে।
©পর্তুগিজরা কবে বাংলায় ব্যবসা বাণিজ্য আরম্ভ করে--- ১৫৮০ সালে।
©পর্তুগিজদের পর কারা বাণিজ্যের জন্য বাংলায় আসেন --- ওলন্দাজরা।
©কোন সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয় -----১৬০০ সালে।
©উপমহাদেশে ব্যর্থ হয়ে ওলন্দাজরা কোথায় বাণিজ্য স্থাপন করে----- ইন্দোনেশিয়ায়।
© ইংরেজরা বাংলায় প্রথম কোন স্থানে কুঠি স্থাপন করে---- সুরাটে।
©কোন মোঘল সম্রাট ইংরেজদের বাণিজ্যক কুঠি স্থাপনের অনুমতি দেন--- সম্রাট জাহাঙ্গীর।
©কোন মোঘল সম্রাটের সাথে চুক্তির ফলে ইংরেজ কোম্পানি বিনা শুল্কে বাংলাদেশ ও মোঘল সাম্রাজ্যের সর্বত্রে বাণিজ্য করার অধিকার লাভ করে---- সম্রাট জাহাঙ্গীর।
©কোন চুক্তির ফলে ইংরেজরা বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে--- এলাহাবাদ চুক্তি।
©বাংলায় ইংরেজদের কোন কুঠিটি সবচেয়ে সুরক্ষিত ছিল----কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কুঠি
©কলকাতা নগরী কে প্রতিষ্ঠা করেন----ইংরেজ কর্মচারী জন চার্নক।
©ইংরেজরা কোন সালে বাংলা আক্রমণ করে----১৬৮৬ সালে।©পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয় -----২৩শে জুন, ১৭৫৭ সালে।©নবাব মীর কাশিম ও ইংরেজদের মধ্যে কোন সালে যুদ্ধ বাধে.....-১৭৬৪ সালে বক্সার যুদ্ধ।
©উপমহাদেশের প্রথম ব্রিটিশ গর্ভনর কে l.. লর্ড ক্লাইভ।
©দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রর্বতন করেন কে---------- লর্ড ক্লাইভ।
©দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কবে চালু করা হয়----------১৭৬৫ সালে।
©দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কবে বাতিল করা হয়----১৭৭২ সালে।
© বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কে রহিত করেন-- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
© দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন কর্তৃত্ব কার ওপর ন্যস্ত হয়--- নবাবের।
©দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় শাসন রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত হয়---- লর্ড ক্লাইভ।©নিলাম সূত্রে কে জমি বন্দোবস্তের প্রথা চালু করেন---- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
©চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করেন কে-- লর্ড কর্নওয়ালিস।
©কত সালে চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত প্রথা প্রবর্তন করা হয়--১৭৯৩ সালে।
© চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে ভূমির প্রকৃত মালিক হন কে-- জমিদারগণ।
© সূর্যাস্ত আইন কীসের সাথে যুক্ত---- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত।
©ছিয়াত্তরের মন্বন্তর এর মূল কারণ কী ছিল--- লর্ড ক্লাইভের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা। ©ছিয়াত্তরের মন্বন্তর এর সময় বাংলার গর্ভনর ছিলেন কে---- জন কার্টিয়ার।©বাংলা কত সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল---১১৭৬ খ্রিস্টাব্দে।
©ইংরেজি কত সালে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর হয়েছিল --১৭৭০ সালে।
©পঞ্চাশের মন্বন্তর কখন হয়েছিল---১৩৫০বঙ্গাব্দে এবং ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে।
©বাংলায় নীল চাষ শুরু হয় কবে----১৭৭০ সালে।
©বাংলায় প্রথম নীল চাষ শুরু করে কোন ব্রিটিশ শাসক-- জন কার্টিয়ার।
©বাংলায় নীলচাষ চিরতরে বন্ধ করেন কোন ব্রিটিশ শাসক -- লর্ড ল্যাস্নডাউন ( ১৮৯২ সালে)
©অন্ধকূপ হত্যাকান্ড এর কল্পিত কাহিনির মূল হোতা কে--- ইংরেজ সেনাপতি জে. জেড হলওয়েল।
©কে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থাপন করেন--- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
©বর্গী নামে কারা পরিচিত ছিল--- মারাঠারা।
©ইংরেজদের সাথে মীর কাসিমের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল কোথায় ---- বক্সারে।
©বক্সারের যুদ্ধ হয়েছিল কোন সালে---১৭৬৪ সালে।
©উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন কোন ইংরেজ শাসক-- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
©পাঁচশালা বন্দোবস্ত কে প্রবর্তন করেন---- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
© আদালতে ফার্সি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রচলন করেন কোন ইংরেজ শাসক---- লর্ড বেন্টিঙ্ক।
© কত সালে আদালতে ফার্সি ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রচলন শুরু হয়---১৮৩৫ সালে।
©উপমহাদেশে সংস্কৃত ও ফরাসি পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন কে-----লর্ড বেন্টিঙ্ক।
©সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন কে--- লর্ড বেন্টিঙ্ক।
©সতীদাহ প্রথার বিলোপ করা হয় কত সালে--- ১৮২৯ সালে।
©কোন বাঙালি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন--- রাজা রামমোহন রায়।
©বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন করেন কে--লর্ড ডালহৌসি।©কত সালে বিধবা বিবাহ আইন প্রচলন করা হয়--১৮৫৬ সালে।
©কোন বাঙালি বিধবা বিবাহ আইন প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন--- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
©উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রেল যোগাযোগ চালু করেন---লর্ড ডালহৌসি।
©উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রার কে প্রচলন করেন---- লর্ড ক্যানিং।
© উপমহাদেশে ব্রিটিশ বিরোধী সিপাহী বিপ্লব কোন সালে ও কোথায় সংঘটিত হয়---১৮৫৭ সালে, বঙ্গদেশের ব্যারাকপুরে।©ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকারী প্রথম বাঙালি কে--- সৈয়দ মীর নেসার আলী ( তিতুমীর).
©ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রথম বিদ্রোহ কোনটি--- ফকির বিদ্রোহ
৪১তম বিসিএস প্রিলি প্রস্তুতি
সাধারণ জ্ঞান
#ভারতবর্ষে_ব্রিটিশ_শাসনামলের_উল্লেখযোগ্য_শাসক :
#লর্ড_ক্লাইভ
★১৭৬৫
★দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক
★ভারতবর্ষের প্রথম ব্রিটিশ গভর্ণর
#লর্ড_কার্টিয়ার
★১৭৭০সাল(১১৭৬ব:)
★তার সময়ে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর সংগঠিত হয়
#ওয়ারেন_হেস্টিংস
★১৭৭২
★দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা বিলোপ করেন
★পাচঁশালা ও একশালা বন্দোবস্ত করেন
★রাজধানী মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করেন
★রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন
#লর্ড_কর্নওয়ালিস
★দশশালা বন্দোবস্ত করেন
★সূর্যাস্ত আইন পাস
★সিভিল সার্ভিস পরিক্ষা চালু করেন
#উইলিয়াম_বেন্টিষ্ক
★১৮২৯
★সতীদাহ প্রথা বিলোপ আইন পাস করেন (রাজা রামমোহন রায় এর প্রচেষ্টায় ১৮২৯)
#লর্ড_ডালহৌসি
★রেল যোগাযোগ স্থাপন
★বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ১৮৫৪)
★স্বত্ববিলোপ নীতি চালু করেন
#লর্ড_ক্যানিং
★কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন ১৮৫৭
★সিপাহি বিদ্রোহ ১৮৫৭
★পুলিশ সার্ভিস চালু ১৮৬১
#লর্ড_মেয়ো
★ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারী হয় ১৮৭২
#লর্ড_কার্জন
★কার্জন হলের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন ১৯০৪
★বঙ্গভঙ্গ করেন ১৯০৫
#লর্ড_হার্ডিঞ্জ
★বঙ্গভঙ্গ রদ করেন ১৯১১
★রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তর করেন
★হার্ডিঞ্জ ব্রিজ স্থাপন করেন
#লর্ড_লিনলিথগো
★ভারত ছাড় আন্দোলন তার সময়ে সংগঠিত হয়
★পঞ্চাশের মন্বন্তর ১৯৪৩(১৩৫০ব:)
#মাউন্ট_ব্যাটেন
★ভারত স্বাধীনতা আইন পাস ১৯৪৭
★ভারত পাকিস্তানের স্বাধীনতা হস্তান্তর ১৯৪৭
Collected post
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Dhaka University
Dhaka
1312