24/05/2025
শত শত ইনডোর আউটডোর বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের পথচলা ২
আপনি আমার পৃথিবীমেট। ইয়ারমেট,ব্যাচমেটের মত।
#socialwork #familymanagement
#education #kobita #poem
#organizationalbehavior
#mismanagementbd
24/05/2025
শত শত ইনডোর আউটডোর বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের পথচলা ২
24/05/2025
শত শত ইনডোর আউটডোর বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের পথচলা ১
কেমন রাজনৈতিক দল চান?
কিছু প্রশ্ন ও উত্তর।
দলের কেন্দ্রীয় প্রধান কিভাবে নির্বাচিত হবে?
গনতান্ত্রিক ভাবে, প্রত্যক্ষ ভোটে।
কেন্দ্রীয় মহাসচিব কিভাবে নির্বাচিত?
৭০% প্রত্যক্ষ ভোট ও ৩০% দলীয় প্রধানের মনোনয়ন।
দলের কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র মহাসচিবের ক্ষমতা কি হবে ও কত বছর তারা একই পদে থাকবেন ?
প্রথম আহবায়ক কমিটি একবছর, প্রথম নির্বাচিত কমিটি দু বছর। পরবর্তী কমিটি গুলো সংসদের মেয়াদের অর্ধেক সময়।
তারা গঠনতান্ত্রিকভাবে দল পরিচালনা করবেন।
কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কিভাবে গঠিত হবে?
দলের সদস্যদের আনুপাতিক হারে।
আহবায়ক কমিটি ও প্রথম কমিটির জন্য এটা প্রযোজ্য হবেনা।
দলের নেতা হওয়ার যোগ্যতা কি কি হবে?
নুন্যতম গ্রাজুয়েশান। বিভিন্ন সামাজিক বা সংগঠন করার অভিজ্ঞতা প্রশংসনীয় হবে।
দলে কাদের নেয়া যাবে?
আজীবন দলের মিশন ভিশন স্বপ্নের সাথে একমত হওয়া ও আজীবন দলে থাকার প্রত্যয় থাকা, যোগ্যতার চেয়েও যিনি সময় দিতে ও পরিশ্রমে উৎসাহী বেশী তাকে অগ্রাধিকার দেয়া।
দলে কাদের নেয়া যাবে না?
বিভিন্ন দলে ঘুরা ফিরা করা মানুষ, লেনদেন খারাপ, সামাজিক রেপুটেশন খারাপ মানুষ। ডিফেন্সকে একমাত্র না ভাবা।
দলের হাই কমান্ড কিভাবে দলের উপর কর্তৃত্ব ধরে রাখবে?
গঠনতান্ত্রিক ক্ষমতা বলে।
দলের মাসিক নিয়মিত কাজ কি কি হবে?
পরিবেশ ও জীবন মানউন্নয়ন করা।
ইউনিয়ন কমিটির কাজ কি হবে?
পরিবেশ, কৃষি, সামাজিক ক্লাব করা।
নতুন দল বড় করার পলিসি কি হবে?
পরিবেশ ও ব্যক্তিগত রিক্রটমেন্টের তালিকা সংগ্রহ।
প্রান্তিক মানুষ ও নারীদের জীবন মান উন্নয়ন।
দল পরিচিত করার পলিসি কি হবে?
পরিবেশ
দলকে জনপ্রিয় করার পলিসি কি হবে?
পরিবেশ
দলের ফান্ড কিভাবে ম্যানেজ হবে?
দলের ফাউন্ডারদের ডোনেশন, নেতাকর্মীর ডোনেশন, শুভাকাংখীর দান।
প্রেস ব্রিফিং, মানববন্ধন, টকশো ছাড়া দলের কাজ আর কি কি হতে পারে?
পাঠচক্র, নিম্মবিত্ত স্কুল, দক্ষতা বৃদ্ধি, পরিবেশ ও নিরাপদ খাদ্য
দলের প্লাটফর্মে লাইফ টাইম থাকার বা রাখার উপায় কি?
মাসিক দার্শনিক মোটিভেশন, ওয়ান টু ওয়ান আলাপ, ডিসপুট রিকনসিলিয়েশন, আন্তরিক ব্যবহার।
দলের কাজ করে পূন্য বা সওয়াব অর্জনের উপায় কি?
ভাল কাজ সবসময় সওয়াবের।
বড় দলগুলোর সাথে জোট হবে কি?
আপাতত না।
জোট না হওয়ার কারন কি?
কাজ করে নিজেদের ভিত্তি মজবুত করার জন্য নচেৎ ফোকাস পয়েন্ট নষ্ট হয়।
শটকার্ট পথে রাজনৈতিক সফলতা আসে কি?
আসেনা, জেনারেল ইব্রাহিম।
কিংস পার্টি করে সফলতা আসেনা কেন?
জনগন ক্ষমতা কেন্দ্রীক উদ্যোগ কম বিশ্বাস করে। পিডিপি।
ডিফেন্সের মানুষের রাজনৈতিক সংগঠনে সফলতা কেমন?
খুব কম।
দলের ইনক্লুসিভনেস টা কেমন হবে?
সব মতের জন্য উন্মুক্ত বাট আমাদের দলীয় স্কুল অব থটসে বিশ্বাসী হতে হবে।
দল পিউরিটানিক বা প্লুরালিস্টিক হবে কি?
পরম বিশুদ্ধ হওয়া মানুষের জন্য সম্ভব না। বিভিন্ন মতামত ধারন করার মত ডাইভারসিটি থাকতে হবে।
দলের অভ্যন্তরে বিরোধ নিস্পত্তির উপায় কি?
পাচজনের ডিসপুট স্যাটেলমেন্ট কমিটি করা।
দলের কর্মী মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষনের উপায় কি?
মাসিক রাজনৈতিক পাঠচক্র ও সার্টিফিকেশন।
দলে বিভিন্ন ধর্ম ও লিঙ্গ এর সংযুক্তির উপায় কি?
আন্তরিক যোগাযোগ ও কাজের পরিবেশ দেয়া। অধিকতর যত্ন।
দলকে কিভাবে অধিকার আদায়ের টুলস ও ন্যায়বান, মানবিক করা যায়?
আদর্শের চর্চা ও ধারন
দলের লক্ষ্য কি?
বাংলা সভ্যতা তৈরী করা।
দলটি অন্য দল থেকে এডভান্স কিভাবে?
বাংলা সভ্যতা তৈরীর টার্গেট জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে।
দলের ফান্ডামেন্টাল থটস কি?
বাংলাবাদ
দল থেকে আশাভঙ্গ হয় কেন?
জাস্টিস না পাওয়া, ভাল ব্যবহার না পাওয়া।
গনতান্ত্রিক না হওয়া, শর্টকাট সফলতা চাওয়া। অসৎ হওয়া। টাকা ধার দিয়ে ফেরৎ না পাওয়া, দলের কর্মীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক, ব্যাবসায়িক পার্টনার হয়ে ব্যাবসা খারাপ করা। চিন্তা থাকে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের জব চেঞ্জ এর মত। ইন্সুরেন্সের কাস্টমার না পাওয়া।
আমি আমরা যে নতুন রাজনীতি দাড় করাতে চাই তার অভ্যন্তরীন পরিবেশ হবে সামাজিক সংগঠনের মত
(ক) স্বচ্ছ
(খ ) সুস্থ
(গ) মানবিক
(ঘ) আন্তরিক
( ঙ) পারস্পরিক সহযোগী
(চ) স্বস্তিদায়ক
(ছ) গনতান্ত্রিক মূল্যবোধের
(জ) সেবাধর্মী
(ঝ) সমস্যা সমাধান চেষ্টা
(ঞ) দেশের আইন ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন
(ট) জ্ঞান ও দক্ষতা ভিত্তিক
( ঠ ) গবেষনা সহায়তা
(ড) জীবন মান উন্নয়নমূলক
(ঢ ) পরিবেশ ও কৃষি সহায়ক
(ণ) নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সহায়ক
(প) বহুত্ববাদি কিন্তু পিউরিটানিক নয়।
( ফ ) বাংলা সভ্যতা ও বাংলার সার্বভৌমত্বের আহবানে
(ব)সুস্পষ্ট অপরাধ ছাড়া বহিষ্কারমুক্ত সংগঠন।
( ভ) ক্ষমতায় যেতে তাড়াহুড়া মুক্ত মননের। (ম) কুটিলতা ও জটিলতা মুক্ত।
স্পষ্ট দার্শনিক বক্তব্যের।
অতীত বাংলা সভ্যতা:
নুহের পুত্র হাম, হামের পুত্র হিন্দ, হিন্দের পুত্র বং। বং এর নামে বঙ্গ।
সম্রাট অশোকের সময়ের ব্রাম্মী লিপি।
রাজা শশাংকের সময়ে বাংলার বিভিন্ন ভূখন্ড একত্রিত হয়ে প্রথম স্বাধীন বাঙ্গালি নৃপতি হয়ে উঠা ও বঙ্গাব্দ শুরু হওয়া।
বীর আলেকজান্ডার বাংলা আক্রমনে ভীত হয়ে ফিরে গিয়েছিলেন।
পাল বংশের ৪০০ বছরের শাসন।
প্রথম গনতান্ত্রিক রাজা গোপাল।
জহির উদ্দিন বাবরের আমলে বাংলার জিডিপি ইউরোপ থেকে দশগুন বেশী ছিল।
সম্রাট আকবর বাংলা ক্যালেন্ডারকে পুনরুজ্জীবন দেন। তার সময়ে বাংলাকে সুবাহ বাংলা বলা হত।
সম্রাট শাহজাহানের তাজমহল এখনও সপ্তাচার্য।
সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় ভারত এর আয় ফ্রান্স থেকে বেশী ছিল, চীন থেকে বেশী ছিল।
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সালতানাত ই বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
বাংলার বীর ঈসা খাঁ বার ভূইয়াকে পরিচালনা করতেন।
ঢাকার মসলিন বিশ্বে বিখ্যাত ছিল।
শেরশাহের সময় টাকায় আটমন চাল পাওয়া যেত।
আধুনিক বাংলা বর্ণমালা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যা সাগরের।
ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা দিনপঞ্জিকার সামান্য সংযোজন করেন।
বাঙ্গালী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও ডক্টর ইউনুস নোবেল পান।
টিপু সুলতানের কারনে পরোক্ষভাবে আমেরিকা স্বাধীন হয়।
বাংলার টাকায় আজকের ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়।
ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে বাংলার শেরেবাংলা সোহরাওয়ার্দী ও ভাসানী তেজস্বী তিনপুরুষ।
আজকের বাংলাদেশ ৩০লক্ষ শহীদের ত্যাগের বিনিময়ে নির্মিত।
উপরের চিন্তার লাইন লেন্থে সাহিত্য তৈরী হওয়া দরকার। জাতিকে জাগাতে হলে অতীত গৌরবগাঁথা স্মরন করিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলা সভ্যতা তৈরীর ডাক দিতে হবে।
নতুন চিন্তা, নতুন রাজনীতি, নতুন রাজনৈতিক দল, নতুন উদ্যমে দেশ গঠন
জনসমাজে যে বিষয় গুলো নিয়ে বেশী বেশী কথা হয় তা নিম্মরুপ:
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দাবী:
(a)
বিরাজনীতিকরনকে দেশের এক নম্বর সমস্যা মনে করা ও বিরাজনীকরনে সরকারী বেসরকারী সকল নীতি ও আইন বাদ দেয়া।
দক্ষ চরিত্রবান উচ্চশিক্ষিতদের রাজনীতিতে আসতে পরিবেশ তৈরী করা। পেশী শক্তি ও কালোটাকাকে আইনীভাবে মোকাবেলা করা।
পেশাজীবীদের রাজনীতিতে যুক্ত করার জন্য ও দিনের আলোর ব্যবহার বৃদ্ধি ও সকালের অব্যবহৃত সময় বাচানোর জন্য অফিস টাইম গরমকালে সকাল ৭:৩০/শীতকালে ৮:০০ টা শুরু হওয়া বাঞ্চনীয়।
সাধারন জনগনের মানোযোগ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানির বিল সহনীয় রাখা ও সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখা।
(b)
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোট ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রমে প্রথমে জনগনকে সম্পৃক্ত করা।
প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট সরাসরি নির্বাচিত হওয়া।
সংসদের মেয়াদ ৪ বছর করা।
প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন করা।
জীবনে দু'বারের বেশী প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট না হওয়া।
রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নিশ্চিত করা।পলিটক্যোল পার্টি এক্ট করা।
একই সাথে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান না থাকা
পরপর দু বারের বেশী দলীয় প্রধান ও দলীয় মহাসচিব না থাকা
২০ বছরের মধ্যে ভোটের আনুপাতিক হাঁরে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন মধ্যবর্তী সময় তথা দু বছর পর পর করা
নির্বাচনকালীন সরকারকে নির্বাচিত করা এবং সেটা নির্দলীয় লোককে মধ্যবর্তী নির্বাচন তথা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়ে নির্বাচিত করে আনা।
ইউপি ও উপজেলা নির্বাচন নির্দলীয় করা।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্টি সংসদ করা।
আটটা প্রদেশ করা (সবাই একমত না)
জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।
কিছু সেক্টর ছাড়া চাকরীর বয়স সব সেক্টরে উন্মক্ত করা।
পরিবহন:
পরিবহন সেক্টরে চালকদের ট্রেনিং ও পরীক্ষা স্বচ্ছ করা।
চালকদের ডোপটেস্ট ও বিশ্রাম নিশ্চি ত করা এবং তা আইটি অটোেমেশন করা।
জনগন দ্বারা ফিটনেসবিহিন গাড়ী চেক করার জন্য সরকারী ওয়েবসাইট করা।
নিরাপদ খাদ্য:
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উৎপাদন প্রক্রিয়া মনিটরিং করা ও গাইড করা।
পরিবেশ:
পরিবেশ উন্নয়নে পলিথিন নিয়ন্ত্রন করা।
শহরের বিল্ডিং নির্মান কাজ বছরের নির্দিষ্ট সময়ে করা।
ফসলের জমির শ্রেনী পরিবর্তন করতে না দেয়া।
বনভূমি বৃদ্ধি করা।
যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা ও প্রাকৃতিক কাজ না করার মোটিভেশন দেয়া ও শহরের রাস্তাঘাটে পর্যাপ্ত সেনিটেশন ব্যবস্বা করা।
দ্রব্যমূল্য ও বাজার সিন্ডিকেট:
বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রনে সরকার কর্তৃক কৃষক থেকে সরাসরি কিনে শহরের আড়তে সরকারী পরিবহনে নিয়ে আসা।
নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রন করা ও অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম:
পার্বত্য চট্টগ্রামের সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ী বাঙ্গালীদের সমস্যা নিরসনে ধারাবাহিক বিরোধ কমানোর পলিসি নিয়ে ও মিটিং করা এবং আইন প্রয়োগ করা।
পাহাড়ের সকল পক্ষের সন্ত্রাস দমন করা।
পাহাড়ী জনগোষ্ঠীকে মূলস্রোতে আনার ব্যবস্থা করা।
জমি ক্রয়ে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরী করা।
সারা বাংলাদেশে পাহাড়ীদের জমি ক্রয়ে বিশেষ সহায়তা করা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি:
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার পলিসি তৈরী করা ও
সাম্প্রদায়িক আক্রমনের বিচারের জন্য দ্রুত প্রক্রিয়া করা।
ইউনিয়ন, উপজেলা, ডিসি অফিসে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ডেস্ক রাখা।
প্রতি ইউনিয়নে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা ও বিরোধ নিরসন কমিটি রাখা।
সকল ধর্মকে সম্মাান করা ও সকল ধর্মের পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সম্মাানজনক সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা ধর্মান্তরিত নিরুৎসাহিত করা।
সংখ্যালঘু রাজনীতিকদের বিষয়ে আইন হাতে তুলে না নিতে অধিকতর যত্নবান হওয়া।
আন্দোলন ও রিকনসিলিয়েশন:
সিস্টেমের ঘাটতিতে ও বৈষম্য নিয়ে আন্দোলন কমানো ও বিবদমান গ্রুপের জন্য জেলা পর্যায়ে রিকনসিলিয়েশন অধিদপ্তর করা।
গ্রামীন সালিশ:
গ্রামের জনগনকে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তদের দ্বারা বিচারিক জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করতে গ্রাম্য সালিশকে আইনের আওতায় আনা, প্রয়োজনে জনবল নিয়োগ দেয়া।
শিক্ষা:
সামাজিক নিরাপত্তা ও বেকারত্ব ফান্ড:
চাকরী চলে গেলে সাসটেইন করতে সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ড/ ছাত্রত্ব শেষ হলে বেকার ফান্ড করা।
নৈতিক ও কর্মমূখী শিক্ষা দেয়া /
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও গ্রাজুয়েশনে প্রাথমিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, বেসিক আইন শিক্ষা প্রদান করা।
চাকরী ও বেকারত্ব:
শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম জব তৈরী করা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস দু শিফটে করে শিক্ষার্থীদের একবেলা জব করার সুযোগ তৈরী করা।
এসএসসি ও এইচএসসিতে সকল পাশকৃত শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চিত করা।
কিছু সেক্টর ছাড়া চাকরীতে প্রবেশের বয়স সীমা উন্মুক্ত করা।
অবৈধ ও দলীয় নিয়োগ এর পরিবর্তে স্বচ্ছ নিয়োগের উপায় খোজা।
বিদেশে নতুন নতুন শ্রমবাজার খুজে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
বিচার বিভাগ:
মিথ্যা মামলাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করা।
ফৌজদারী মামলাতেও আদালতের বাইরে রিকনসিলিয়েশন সুযোগ তৈরী করা।
একজন ব্যক্তি কত মামলায় বাদী বা বিভিন্ন মামলার বাদীদের পারস্পরিক যোগসাজস মনিটরিং করা।
অপরাধীদের প্রতি জাস্টিস নিশ্চিত করা।
মব জাস্টিস বা আইন হাতে তুলে নেয়ার বিপক্ষে প্রতিবাদ করা।
দ্রুত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা।
বিচারপতির অভিশংসন ক্ষমতা সংসদ থেকে বাদ দেয়া।
পররাষ্ট্রনীতি:
ভারত রাশিয়া চীন, আমেরিকা, ইইউ, মুসলিম দেশ, সার্ক দেশের সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্পর্ক করা।
দখলদার ইসরাইলকে বয়কট করা।
প্রতিবেশী দেশের সাথে সম্পর্ক:
ভারতের সাথে পানি বন্টন,সীমান্ত হত্যা বন্ধে উদ্যোগ নেয়া।
মায়ানমারের সাথে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করা।
মাদক বিরোধিতা সহ সেন্টমার্টিন বিষয়ে দেশের পক্ষে থাকা।
স্বাস্থ্য সেবাখাত:
সরকারী স্বাস্থ্যসেবা খাতকে তিন শিফটে আউটডোর সেবা দিতে তৈরী করা।
সকল ডাক্তারী পরীক্ষায় সরকারী মূল্য নির্ধারন করে দেয়া।
মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু কমানো।
নারী:
নারীর দক্ষতা, উচ্চশিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনকে গুরুত্ব দেয়া।
নারীদের মধ্যে যাদেরকে পরিবার থেকে চাকরী করতে দেয়া হয়না সেখানে স্বামীর ১০% আয় স্ত্রীর একাউন্টে দেয়ার আইন করা।
পরিভাষা:
রাজনীতিকে জননীতি নামে অভিহিত করা
গন প্রজাতন্ত্রী শব্দকে পরিবর্তন করে জনতন্ত্রী করা।
সেকুলারিজমকে ইহজাগতকিতা নামে অভিহিত করা।
স্বাধীন গনমাধ্যম ও বাকস্বাধীনতা:
স্বাধীন গনমাধ্যম নিশ্চিত করা ও আইসিটি আইনকে বাকস্বাধীনতা বন্ধে ব্যবহার না করা।
ধর্মীয় কাজে স্বাধীনতা:
সকল ধর্মের ধর্মীয় কাজে স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিশ্বাসযোগ্যভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
তথ্য প্রযুক্তি:
তথ্য প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধি তৈরী করতে হবে।
তথ্য নিরাপত্তায় বিদেশী নির্ভরতা কমাতে হবে।
গনতন্ত্র:
বিরোধীদলের জন্য গনতন্ত্র নিশ্চিত করা।
দুর্নীতি:
১৫ বছরে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া র্অথ ফিরিয়ে আনতে র্কাযকর পদক্ষপে গ্রহণ।
পাচারের পথ বন্ধ করা।
পুলিশ বিভাগ:
জেলা পুলিশকে ডিসির আওতায় আনা।
পুলিশের উপর কাজের চাপ কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ যা পুলিশ না করলেও চলে সেই কাজ গুলোকে চিহ্নিত করে বিভিন্ন অধিদপ্তর করে জনবল নিয়োগ করা।
পুলিশের কনস্টেবলদের বেতন বাড়ানো।
কাজের প্রনোদনা দিতে কমিশন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায় কিনা ভেবে দেখা।
পুলিশকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার না করা।
জনপ্রশাসন:
রাজনৈতিক বিরোধীদের জনপ্রশাসন থেকে বাদ না দিয়ে তারা যাতে রাজনৈতিক আনুগত্যের বাইরে সঠিকভাবে, আইনের কাঠামোতে থেকে কাজ করে তার জন্য সংস্কার করা।
ফ্যাসিবাদ:
ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসার জন্য পলিসি করা ও দীর্ঘমেয়াদে কাজ করা।
সংস্কৃতি:
গান বাজনার প্রতি সহনশীল হওয়া।
ভার্স্কয ছবি বিষয়ে সহনশীল হওয়া।
অশ্লীলতার আইনী সংজ্ঞা তৈরী করা।
কৃষি সেক্টর:
নয়া কৃষি ও কৃষি উৎপাদনকে প্রটেকশন দিতে হবে।
খামারীদের ইন্সুরেন্স সুবিধা দিতে হবে।
খামারীদের হঠাৎ রোগে সর্বস্ব হারানো থেকে রক্ষা করতে প্রনোদনা দিতে হবে।
নিরাপদ ও লাভজনক কৃষি করতে হবে।
স্থানীয় সরকার
ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্মানী বাড়ানো।
স্খানীয় সরকারের সকল বরাদ্দ জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
স্থানীয় সরকারকে সরকারী দল ও বিরোধী দল সিস্টেমে পরিবর্তন করতে হবে।
বিবিধ ইস্যু:
এলজিবিটি নিয়ে দেশের মানুষকে বিক্ষুদ্ধ না করা।
নাস্তিক আস্তিক সবার বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
হিজরাদের মানবিক সকল সুযোগ দেয়া ।
কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ ভিন্ন ধর্মের জ্ঞানী গুনী ব্যক্তিদের প্রতি সৌজন্য আচরন অব্যাহত রাখা।
কেমন রাজনৈতিক দল চান?
( জনমতামত যাচাই )
কিছু প্রশ্ন:
দলের কেন্দ্রীয় প্রধান কিভাবে নির্বাচিত হবে?
কেন্দ্রীয় মহাসচিব কিভাবে নির্বাচিত? দলের কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র মহাসচিবের ক্ষমতা কি হবে ও কত বছর তারা একই পদে থাকবেন ?
কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কিভাবে গঠিত হবে?
দলের নেতা হওয়ার যোগ্যতা কি কি হবে? দলে কাদের নেয়া যাবে?
দলে কাদের নেয়া যাবে না?
দলের হাই কমান্ড কিভাবে দলের উপর কর্তৃত্ব ধরে রাখবে?
দলের মাসিক নিয়মিত কাজ কি কি হবে? ইউনিয়ন কমিটির কাজ কি হবে?
নতুন দল বড় করার পলিসি কি হবে?
দল পরিচিত করার পলিসি কি হবে?
দলকে জনপ্রিয় করার পলিসি কি হবে? দলের ফান্ড কিভাবে ম্যানেজ হবে?
প্রেস ব্রিফিং, মানববন্ধন, টকশো ছাড়া দলের কাজ আর কি কি হতে পারে?
দলের প্লাটফর্মে লাইফ টাইম থাকার বা রাখার উপায় কি?
দলের কাজ করে পূন্য বা সওয়াব অর্জনের উপায় কি?
বড় দলগুলোর সাথে জোট হবে কি?
নাকি জোট হবেনা? কারন কি?
শটকার্ট পথে রাজনৈতিক সফলতা আসে কি?
কিংস পার্টি করে সফলতা আসেনা কেন?
ডিফেন্সের মানুষের রাজনৈতিক সংগঠনে সফলতা কেমন?
দলের ইনক্লুসিভনেস টা কেমন হবে?
দল পিউরিটানিক বা প্লুরালিস্টিক হবে কি?
দলের অভ্যন্তরে বিরোধ নিস্পত্তির উপায় কি?
দলের কর্মী মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষনের উপায় কি?
দলে বিভিন্ন ধর্ম ও লিঙ্গ এর সংযুক্তির উপায় কি?
দলকে কিভাবে অধিকার আদায়ের টুলস ও ন্যায়বান, মানবিক করা যায়?
দলের লক্ষ্য কি?
আমাদের দলটি অন্য দল থেকে এডভান্স কিভাবে?
দলের ফান্ডামেন্টাল থটস কি?
দল থেকে আশাভঙ্গ হয় কেন?
ছোট দলগুলা এগুতে পারছেনা কেন?
কেমন রাজনৈতিক দল চান?
( জনমতামত যাচাই )
কিছু প্রশ্ন:
দলের কেন্দ্রীয় প্রধান কিভাবে নির্বাচিত হবে?
কেন্দ্রীয় মহাসচিব কিভাবে নির্বাচিত? দলের কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র মহাসচিবের ক্ষমতা কি হবে ও কত বছর তারা একই পদে থাকবেন ?
কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদ কিভাবে গঠিত হবে?
দলের নেতা হওয়ার যোগ্যতা কি কি হবে? দলে কাদের নেয়া যাবে?
দলে কাদের নেয়া যাবে না?
দলের হাই কমান্ড কিভাবে দলের উপর কর্তৃত্ব ধরে রাখবে?
দলের মাসিক নিয়মিত কাজ কি কি হবে? ইউনিয়ন কমিটির কাজ কি হবে?
নতুন দল বড় করার পলিসি কি হবে?
দল পরিচিত করার পলিসি কি হবে?
দলকে জনপ্রিয় করার পলিসি কি হবে? দলের ফান্ড কিভাবে ম্যানেজ হবে?
প্রেস ব্রিফিং, মানববন্ধন, টকশো ছাড়া দলের কাজ আর কি কি হতে পারে?
দলের প্লাটফর্মে লাইফ টাইম থাকার বা রাখার উপায় কি?
দলের কাজ করে পূন্য বা সওয়াব অর্জনের উপায় কি?
বড় দলগুলোর সাথে জোট হবে কি?
নাকি জোট হবেনা? কারন কি?
শটকার্ট পথে রাজনৈতিক সফলতা আসে কি?
কিংস পার্টি করে সফলতা আসেনা কেন?
ডিফেন্সের মানুষের রাজনৈতিক সংগঠনে সফলতা কেমন?
দলের ইনক্লুসিভনেস টা কেমন হবে?
দল পিউরিটানিক বা প্লুরালিস্টিক হবে কি?
দলের অভ্যন্তরে বিরোধ নিস্পত্তির উপায় কি?
দলের কর্মী মান উন্নয়ন ও মান সংরক্ষনের উপায় কি?
দলে বিভিন্ন ধর্ম ও লিঙ্গ এর সংযুক্তির উপায় কি?
দলকে কিভাবে অধিকার আদায়ের টুলস ও ন্যায়বান, মানবিক করা যায়?
দলের লক্ষ্য কি?
দলটি অন্য দল থেকে এডভান্স কিভাবে?
দলের ফান্ডামেন্টাল থটস কি?
দল থেকে আশাভঙ্গ হয় কেন?
জনসমাজে যে বিষয় গুলো নিয়ে বেশী বেশী কথা হয় তা নিম্মরুপ:
বিরাজনীতিকরনকে দেশের এক নম্বর সমস্যা মনে করা ও বিরাজনীকরনে সরকারী বেসরকারী সকল নীতি ও আইন বাদ দেয়া। দক্ষ চরিত্রবান উচ্চশিক্ষিতদের রাজনীতিতে আসতে পরিবেশ তৈরী করা। পেশী শক্তি ও কালোটাকাকে আইনীভাবে মোকাবেলা করা।
সাধারন জনগনের মানোযোগ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সহনীয় রাখা, গ্যাস বিদ্যুৎ পানির বিল সহনশীল রাখা ও সংযোগ নিরবচ্ছিন্ন রাখা।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোট ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
রাষ্ট্রীয় পদমর্যাদাক্রম তে প্রথমে জনগনকে সম্পৃক্ত করা।
প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্টকে সরাসরি নির্বাচিত হওয়া।
সংসদের মেয়াদ ৪ বছর করা।
প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতায় ভারসাম্য আনয়ন করা।
দুবারের বেশী প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট না হওয়া।
রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্র নিশ্চিত করা।
একই সাথে সরকার প্রধান ও দলীয় প্রধান না থাকা
পরপর দু বারের বেশী দলীয় প্রধান ও দলীয় মহাসচিব না থাকা
২০ বছরের মধ্যে ভোটের আনুপাতিক হাঁরে সংসদে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন মধ্যবর্তী তথা দু বছর পর পর করা
নির্বাচনকালীন সরকারকে নির্বাচিত করা। সেটা নির্দলীয় লোককে মধ্যবর্তী নির্বাচন তথা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময়ে করা।
ইউপি নির্বাচন নির্দলীয় করা
দ্বিকক্ষ বিশিষ্টি সংসদ করা
আটটা প্রদেশ করা
জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা
কিছু সেক্টর ছাড়া চাকরীর বয়স উন্মক্ত করা
------------------------
পরিবহন বাজার নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশ:
পরিবহন সেক্টরে চালকদের ট্রেনিং ও পরীক্ষা স্বচ্ছ করা।চালকদের ডোপটেস্ট ও বিশাম নিশ্চিতে আইটি অটোেমেশন করা। ফিটনেসবিহিন গাড়ী চেক করার জন্য সরকারী ওয়েবসাইট করা।
বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রনে সরকার কর্তৃক কৃষক থেকে সরাসরি কিনে শহরের আড়তে সরকারী পরিবহনে নিয়ে আসা। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রন ও অমান্যকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উৎপাদন প্রক্রিয়া মনিটরিং করা ও গাইড করা।
পরিবেশ উন্নয়নে পলিথিন নিয়ন্ত্রন,শহরের নির্মান কাজ বছরের নির্দিষ্ট সময়ে করা।ফসলের জমি শ্রেনী পরিবর্তন করতে না দেয়া। বনভূমি বৃদ্ধি করা। যেখানে সেখানে ময়লা না ফেলা ও প্রাকৃতিক কাজ না করার মোটিভেশন দেয়া ও পর্যাপ্ত সেনিটেশন করা।
-------------------
পার্বত্য চট্টগ্রামের সহাবস্থান নিশ্চিত করা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার পলিসি তৈরী করা ও সাম্প্রদায়িক আক্রমনের বিচারের জন্য দ্রুত প্রক্রিয়া করা।
আন্দোলন কমানো ও বিবদমান গ্রুপের জন্য রিকনসিলিয়েশন অধিদপ্তর করা।
গ্রাম্য সালিশকে আইনের আওতায় আনা।
------------------
চাকরী চলে গেলে সাসটেইন করতে সামাজিক নিরাপত্তা ফান্ড/ ছাত্রত্ব শেষ হলে বেকার ফান্ড করা।
শিক্ষার্থীদের জন্য পার্টটাইম জব তৈরী করা। বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস দু শিফটে করে শিক্ষার্থীদের জব করার সুযোগ তৈরী করা।
সকল পাশকৃত শিক্ষার্থীর ভর্তি নিশ্চিত করা।
কিছু সেক্টর ছাড়া চাকরীতে প্রবেশের বয়স সীমা উন্মুক্ত করা।
মিথ্যা মামলাকারীর শাস্তি নিশ্চিত করা।
ফৌজদারী মামলাতেও আদালতের বাইরে রিকনসিলিয়েশন সুযোগ তৈরী করা।
ভারত রাশিয়া চীন, আমেরিকা, ইইউ, মুসলিম দেশ, সার্ক দেশের সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে সম্পর্ক করা।
ভারতের সাথে পানি বন্টন,সীমান্ত হত্যা বন্ধে উদ্যোগ নেয়া।
রোহিঙ্গা সমস্যা, মাদক, সেন্টমার্টিন বিষয়ে দেশের পক্ষে থাকা।
সরকারী স্বাস্থ্যসেবাকে তিন শিফটে আউটডোর সেবা দিতে তৈরী করা।
সকল পরীক্ষায় সরকারী মূল্য নির্ধারন করে দেয়া।
নারীর দক্ষতা উচ্চশিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বনকে গুরুত্ব দেয়া। নারীদের মধ্যে যাদেরকে পরিবার থেকে চাকরী করতে দেয়া হয়না তাদেরকে স্বামীর ১০% আয় স্ত্রীর একাউন্টে দেয়া।
দখলদার ইসরাইলকে বয়কট করা।
রাজনীতিকে জননীতি নামে অভিহিত করা
গন প্রজাতন্ত্রী শব্দকে পরিবর্তন করা।
সেকুলারিজমকে ইহজাগতকিতা নামে অভিহিত করা।
সকল ধর্মকে সম্মাান করা ও সকল ধর্মের পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সম্মাানজনক সহাবস্থান নিশ্চিত করা।
রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা ধর্মান্তরিত নিরুৎসাহিত করা।
বিরোধীদলের গনতন্ত্র নিশ্চিত করা। অপরাধীদের প্রতি জাস্টিস নিশ্চিত করা। মব জাস্টিস বা আইন হাতে তুলে নেয়ার বিপক্ষে প্রতিবাদ করা।
দ্রুত ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা।
১৫ বছরে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া র্অথ ফিরিয়ে আনতে র্কাযকর পদক্ষপে গ্রহণ। পাচারের পথ বন্ধ করা।
অবৈধ ও দলীয় নিয়োগ এর পরিবর্তে স্বচ্ছ নিয়োগের উপায় খোজা।
পুলিশ সংস্কার/বিচার সংস্কার/দুর্নীতি কমিশন সংস্কার করা যাতে তারা সঠিকভাবে কাজ করে।
নৈতিক ও কর্মমূখী শিক্ষা দেয়া / মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও গ্রাজুয়েশনে প্রাথমিক স্বাস্থ্য শিক্ষা, বেসিক আইন শিক্ষা প্রদান করা।
রাজনৈতিক বিরোধীদের জনপ্রশাসন থেকে বাদ না দিয়ে তারা যাতে রাজনৈতিক আনুগত্যের বাইরে সঠিক কাজ করে তার জন্য সংস্কার করা।
বিদেশে নতুন নতুন শ্রমবাজার খুজে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।
ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসার জন্য দীর্ঘমেয়াদে কাজ করা।
স্বাধীন গনমাধ্যম নিশ্চিত করা ও আইসিটি আইনকে বাকস্বাধীনতা বন্ধে ব্যবহার না করা।
রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্মীয় উগ্রতা প্রতিরোধ করা, ধর্মহীনতা নিরুৎসাহিত করা, বিভিন্ন শিক্ষাপদ্ধতিতে বৈষম্য নিরসন করা।
ভুমি ব্যবস্থাপনার টোটাল অটোমেশন দরকার।
বিচার ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার অটোমেশন দরকার।
মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যু কমানো।
বিচারপতির অভিশংসন ক্ষমতা সংসদ থেকে বাদ দেয়া।
জেলা পুলিশকে ডিসির আওতায় আনা।
বিবিধ ইস্যু:
এলজিবিটি নিয়ে দেশের মানুষ বিক্ষুদ্ধ।
নাস্তিক আস্তিক সবার বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
হিজরাদের মানবিক সুযোগ দেয়া
গান বাজনার প্রতি সহনশীল হওয়া।
ভার্স্কয ছবি বিষয়ে সহনশীল হওয়া।
অশ্লীলতার আইনী সংজ্ঞা তৈরী করা।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ ভিন্ন ধর্মের জ্ঞানী ব্যক্তিদের প্রতি সৌজন্য আচরন অব্যাহত রাখা।
সংখ্যালঘু রাজনীতিকদের বিষয়ে আইন হাতে তুলে না নিতে অধিকতর যত্নবান হওয়া।
কারেন্ট ইস্যু:
অর্ন্তর্বতী সরকারের কাজের পরিকল্পনা ও রোডম্যাপ দেয়া
সংবিধান ও রাষ্ট্র সংস্কার করা
উপদেষ্টা পরিষদের পরিধি বাড়িয়ে জাতীয় সরকার করা।
পুলিশকে ফাংশানিং করা।
দ্রব্যমূল্য কমানো
মব জাস্টিস বন্ধ করা।
নিরপরাধ বিরোধীদের আইনী সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দেয়া।
ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্মানী বাড়ানো।
ব্যক্তিগত পূজি থেকে জাতীয় পূজিকে গুরুত্ব দেয়া।
সিস্টেম পরিবর্তন কে বেশী গুরুত্ব দেয়া।
নয়া কৃষি ও উৎপাদনকে প্রটেকশন দিতে হবে। খামারীদের ইন্সুরেন্স লাগবে।
স্থানীয় সরকারকে সরকারী ও বিরোধীদল ফরমেটে নিয়ে যাওয়া।
ক্লাস ক্যাপ্টেন নির্বাচন করে গনতন্ত্রকে ছোটকাল থেকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরন করা।
বাংলা সভ্যতা তৈরী করতে হবে
bengal civilization
Limon Lokman Lokman Limon
বাংলাদেশের পকেটে টাকা থাকলে তো
দেশ এগিয়ে যাবে।
ব্যক্তির পকেটে তাই বাংলাদেশের টাকা ভাগবাটোয়ারা হয়েছে। Limon Lokman