#কোর্সকরতেচাইলেjahirsir01711337019
প্যারা মেডিকেল ও ফার্মা কোর্সে ভর্তি চলিতেছে
-গনপ্রজাতন্রী বাংলাদেশসরকার অনুমোদিত প্রতিষ্টানে -ভর্তি-অনলাইনক্লাস + সরাসরি ক্লাস+ প্রাইভেট ক্লাস+ প্রাইভেট পরীক্ষা
৩/৬/১২/২৪ মাস মেয়াদ
১.কেয়ারগিভার্স প্যারামেডিক CGP
16000tk
২ সার্টিফিকেট প্যারামেডিক PCT
32000tk
৩.কমিনিটি হেলথ ওয়ার্কারস CHW
32000tk
৪.কমিউনিটি প্যারামেডিক CCP
64000 tk
৫.ফার্মা সি PCR ফার্মেসী লাইসেন্স এর কোর্স
৬..LMAF পল্লী চিকিৎসা 6000tk
7.RMP 6000 tk
© CMS ১ বৎসর ১২০০০ টাকা
© CHW 1200 taka
8.DMA /DMS কোর্স 13000tk
9. CLT pathology 32000tk
10. CDT Dental 32000tk
11. CPh.T Physiotherapy 32000tk0
12. LHMP Homoeo 6000 tk
13. LVMP Herbal 6000tk
৪ বৎসরএর কোর্স সায়েন্সর ছাত্রদের জন্য
★ফামাসিস্ট, ★প্যারামেডিকেল, ★ডেন্টাল
,★প্যাথলজী ★ফিজিওথ্যারাপী, ★এক্স-রে, ★নার্সিং কেয়ার গিভার্স★ রেডিওলজী
★অপটোমেট্রি ★ অডিওমেট্রি
♦ যোগ্যতা S.S.C জিপি২.৫০ যে কোন বিভাগ
♦ ভর্তি ফি ৬ হাজার টাকা
বোর্ড ফি আলেদা/ কাউন্সিল ফি আলেদা
★সরকারী বা আধা সরকারী বা প্রাইভেট কোর্স রয়েছ
★সরকারী ও আধা সরকারী বা প্রাইভেট চাকুরীতে আবেদন করা যাবে
★ভর্তির
সময় যে কাগজ পত্র-লাগবে
1.Biodata 1.copy/বায়োডাটা / জীবন বৃন্তান্ত
2.S.S.CCertificate photocophyএস.এস.সি পাস পাস এর সার্টিফিকেটের ফটোকপি
৩.স্কুল পাস করার পসংসা পত্র
৩..NiD/BRC / জন্ম নিবন্ধন এর ফটো কপি
৪. ৬ কপি ছবি/.pic/PP siz
উত্তরা ইন্টিগ্রেটেড প্যারামেডিকেল কলেজ
Uttara Inteegrated Paramedical College
------------------
ঢাকা অফিস
বাড়ী-১২ রোড-৩৩ সেক্টর৭ উত্তরা
ঢাকা ০১৭১১৩৩৭০১৯
সিলেট অফিস
সহিদ ভিউ আম্বরখানা পয়েন্ট ভিউ শপিং সেন্টার ০১৭১১৯২১৪১৬
ময়মনসিংহ:অফিস-
চাইনা ব্রীজ মোড় হাসপিটাল রোড
০১৭১১৩৩৭০১৯
★Mob/whatsup.088-01711337019
সাক্ষাতের পূর্বে দিন ও সময় নির্ধারন করে ফোন করে অাসবেন
♦===========================♦
IVHT
গনপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক শিক্ষামন্ত্রানালয় ও টেকনিক্যাল বোর্ডের অধীনে
ভেটেনারী ও পোল্ট্রি কোর্সে ভতি চলিতেছে ও পরামর্শ whatsup০১৭১১৩৩৭০১৯
অনলাইন+সরসরি ক্লাস+প্রাইভেট ক্লাস
কোর্স সমুহঃ-
১. এনিমেল হেলথ & প্রডাকশন (CAHP)
২. সাটিফিকেট ইন পোল্ট্রি ফার্মিং(CPF)
৩.ভেটেনারী ফার্মেসী কোর্স
৪.কৃত্রিম প্রজনন কোর্স AI
৫.পল্লী ভেটেনারী ও পোল্ট্রি চিকিৎসা দকোর্স
৬.ক্যাটেল রিয়ারিং এন্ড ফার্মিং
৭. পোল্ট্রি রিয়ারিং কোর্স এন্ড ফার্মিং
8. কম্পিউটার অফিস
9. আউট সোর্সিং & ফ্রিল্যান্সিং
10. ফাইন আর্টস ৩/৬ মাস / 12 month
11. হোমিও & হার্বাল ভেটেনারী কোর্স
12.
৩ মাসের কোর্স ৮ হাজার
৬ মাসের কোর্স ফি ১৬ হাজার টাকা
১ বৎসরেরর কোর্স ফি ৩২০০০ টাকা
৩ মাস/৬মাস/১ বছর মেয়াদী/৪ বৎসর♦
যোগ্যতাঃ- এস/এস/সি/ সমমান/ভোকেশনাল
ক্লাস সিষ্টেমঃ-অনলাইনে বা সরাসরি ক্লাস
ভর্তির সময়ঃযা লাগবে
1-Boidata 1 coy বায়োডাটা/ জীবন বৃত্তান্ত
2. S.S.Certficate er Photocopy and mark sheet er photocophy
3. NiD/ BRC from / জন্মনিবন্মন
4. Photo 6 copy/ ৬ কপি ছবি
কাগজ পত্র ডাঃ দ্বারা সত্যায়িত করবেন
ইস্টটিটিউট ভেটেনারী হেল্থ টেকনোলজী ivht
সরকার অনুমোদিত কলেজ কোড নং- ৬১১১৫)
Ivht
♦সিলেট অফিস
৯৫/বি ওয়েভস আম্বরখানা সিলেট মোবা ০১৭১১৩৩৭০১৯
Ivht
♦ঢাকা অফিস
বাড়ী-১২ রোড-৩৩ সেক্টর ৭ উত্তরা
মোবা ০১৭১১৩৩৭০১৯
Ivht
♦ময়মনশিংহ ক্লাস -
চাইনা ব্রীজ মৌড় হসপিটাল রোড মোবা-০১৭১১৩৩৭০১৯
♦ফোন করে সাক্ষাত সময় নিবেন তার পর সাক্ষাত
করবেন
জহির স্যার মোবা-০১৭১১৩৩৭০১৯
মোবা/ওয়ার্টসআপ ০১৭১১৯২১৪১৬
=================================
IFTI
কম্পিউটার ও টেকনিক্যাল কোর্সেভর্তি চলিতেছে-
গনপ্রজাত্ন্রী বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ কারিগরী শিক্ষাবোর্ড অধীভুক্ত কলেজ কোড নং 61099
৩ মাস/৬ মাস /১ মেয়াদী কোর্স
১.♦কম্পিউটার অফিস/এমএস ওয়ার্ড টাইপিং)
২.♦ গ্রাফিক্স ডিজাইন ও আউট সোর্সিং
৩.♦অামীন শীপ ও সার্ভেয়ার
৪.♦ ইলেকিট্রিকেল হাউজ ওয়ারিং
৫.♦ iCT&Fine Art
6.♦কেয়ার গিভার্স প্যারামেডিক
৭♦ ফাইন আর্টস ৩/৬/১২ মাস
৩ মাসের কোর্স ৮ হাজার
৬ মাসের কোর্স ফি ১৬ হাজার টাকা
১ বৎসরেরর কোর্স ফি ৩২০০০ টাকা
★যোগ্যতা-এস.এস.সি/সমমান
(ক্লাস সিস্টেম:-অলাইন ক্লাস ও সরাসরি ক্লাস)
সরকারী ও বেসরকারী চাকুরীতে আৃবেদন করা যাবে
★ভর্তির সময় যে কাগজ পত্র লাগবে
1.Biodata 1.copy/বায়োডাটা ১ কপি
2.S.S.C/ পাসের সার্টি ফিকেট ও মার্কসিটের
ফটোকপি
3.NiD/BRC/ জন্মনিবন্ধন
4.pic/PP size/ ৬ কপি ছবি
♦ভর্তির সময় ৬০০০ টাকা লাগবে
♦ইবনে অাকন্দ ফাউন্ডেশন টেকনিক ইন্সটিিটিউট
♦ ঢাকা অফিস-
বাড়ী১২ রোড ৩৩ সেক্টর ৭ উত্তরা
জহির স্যার-০১৭১১৩৩৭০১৯
♦সিলেট অফিস
৯৫/বি ওয়েভস অাম্বরখানা
জহির স্যার ০১৭১১৯২১৪১৬
♦ ময়মনশিংহ অফিস:
চাইনা ব্রীজ মোড় হসপিটাল রোড
জহির স্যার০১৭১১৩৩৭০১৯
♦মোবা-০১৭১১৯২১৪১৬ ;01711337019
সাক্ষাত ও ভর্তি করতে/হইতে চাইলে ফোন করে সময় ও দিন ঠিক করে যোগাযোগ করবেন
অনলাইনে যারা ভর্তি ও ক্লাস করবেন
===================
প্রথমে whatsapp এ
Biodata ও ছবি &
Education certificate
নাগরিকতত্ব সনদ
জন্ম নিবন্মন সনদ পাঠাবেন
Whats app গ্রুফ দেওয়া হবেZoom ক্লাস করতে
হবে টাকা বিকাশে লেনদেন করতে হবে
Jahir sir বিকাশ 01711337019
Institute Of Lifestyle Medicine Technology by jahir sir 01711337019
Dr.Md.jahir uddin Akand
B.sc-BHMS-MD-MPH-LL.B-LLM
Lifestyle Management Medicine
1.Exercise
2.Food a
09/02/2021
ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে! ভর্তি চলছে!♦
♦আমাদের কোর্স সমূহ:♦
১১.কেয়ার গিভার্স কোর্স ৬/১২ মাস ১৬০০০/৩২ হাজার টাকা
১.কমিনিটি প্যারামেডিক 2 বৎসর ৬৪ হাজার টাকা
মোবাঃজহির স্যার ০১৭১১৩৩৭০১৯
২.সার্টিফিকেট প্যারামেডিক ১ বৎসর ৩২ জাজার টাকা
৩.ফার্মা সি ৩/৬/১২ মাস ১৬২০০ টাকা
৪. পল্লী ডাক্তার/LMAF(Local Mediacal Assistant & Family Planning) - মেয়াদ-৬ মাস মোট ফি ৬০০০টাকা
মোবা জহির স্যার ০১৭১১৩৩৭০১৯
৫.প্যারামেডিকেল/LDMS(Local Diploma in Medical Science)-মেয়াদ-৬ মাস/১ বছর ৬০০০টাকা/১২০০ টাকা
৬.RMP কোর্স ৩/৬ মাস ৬ হাজার
৭.RTC রিফ্রেসার্স কোর্স ২১ দিন ৭৫০০
জহির স্যার ০১৭১১৩৩৭০১৯
৮ ভেটেনারী কোর্স ৩/৬/১২ মাস ১ বৎসর
৯. হার্বাল কোর্স ৩/৬ মাস ৬০০০ টাকা
১০.ইলেট্রো হোমিও ও বায়োকেমিক ৩/৬ মাস ৬০০০ ঢাকা
মোবা ০১৭১১৩৩৭০১৯
📚 কোর্স এর বিষয়াদিঃ
👉 রোগ নির্ণয় ও রোগের বিস্তারিত চিকিৎসা সম্বন্ধে আলোচনা করা হবে।
👉বিভিন্ন প্রকার ঔষধের কার্যকারীতা ও ব্যবহার সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
👉ফার্মেসী ব্যবসা করার যোগ্যতা অর্জন করা যাবে।
👉ইনজেকশন, সেলাইন পুশ, তাপ নির্ণয়, ব্লাড প্রেসার নির্ণয়, সেলাই-ব্যান্ডেজ চিকিৎসা পদ্ধতি, ইত্যাদিসহ হাতে কলমে এমবিবিএস ডাক্তারদ্বারা প্রশিক্ষণ দিয়ে শিখানো হয়।
✅ প্রশিক্ষণের সুবিধাঃ
▶ বাংলা ভাষায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
▶M.B.B.S/ মেডিকেল টেক: ডাক্তার দ্বারা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
▶ প্রাক্টিক্যাল যন্তপাতি প্রতিষ্টান সরবরাহ করবে।
▶ কোর্স শেষে পরীক্ষায় উওীর্ণ ছাএ-ছাএীদেরকে সরকার অনমোদিত সনদ (Certificate) প্রদান করা হবে।
ঢাকা অফিস বাড়ী ১২ রোড ৩৩ সেক্টর ৭
=============================
👉 ক্লাস সপ্তাহে একদিন (শুক্রবার)বা শনিবার
♦সরাসরি ক্লাস বা অনলাইন ক্লাস
♦সিলেট ক্লাস বুধবার/ বৃহ্স্পতিবার
♦ ময়মনসিংহঃ- সোমবার?/ মংগলবার
🎓ভর্তির যোগ্যতা : যেকোন সালে ও যে কোন গ্রুপ থেকে এস,এস,সি/এইচ,এস, সি/সমমানের পাশ হতে হবে।
👉 ভর্তি ও অন্যান্য তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
মোবাইল: জহির স্যার ০১৭১১৩৩৭০১৯
[email protected]
09/12/2020
এল্কানাইন বা ক্ষারীয় পানি কি? এর উপকারিতা কি? কিভাবে এই পানি তৈরি করা হয়।
সব খাবার ও পানীয়তেই একটি নির্দিষ্ট এসিডের মাত্রা রয়েছে, যাকে পিএইচ দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি হাইড্রোজেনের শক্তি প্রকাশ করে। পিএইচ স্কেল এক থেকে ১৪ পর্যন্ত মাত্রায় প্রকাশিত হয়। কোনো বস্তু বা পানীয় ১-এ সবচেয়ে এসিডিক এবং ১৪-এ সবচেয়ে কম এসিডিক বলে ধরা হয়। অধিকাংশ পানিতে পিএইচ-এর মাত্রা ৬-৭, যা স্বাভাবিক বিষয়।
আলকালাইন ওয়াটারের ক্ষেত্রে পিএইচ-এর মাত্রা হয় ৮ থেকে ৯-এর মধ্যে।
এলকানাইন পানি
বিজ্ঞানীদের মতে , এলকানাইন পানি খেলে বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যায়; যেমনঃ
১. শরীরকে রিহাইড্রেট করে ,
২. কো লন পরিষ্কার করতে সাহায্য করে,
৩. পানির স্বাদ ও ঘন্ধ বাড়ায়,
৪. স্কিন এর উজ্জলতা বাড়ায়
৫. ইমুইন সিস্টেম কে বাড়িয়ে তোলে
৬. ওজন কমাতে সাহায্য করে,
৭. ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে,
৮. শরীরকে বিষ মুক্ত করে,
৯. শরিরে এন্টি অক্সিডেন্ট দ্রুত সরবরাহ করে,
১০. শরীরের পি এইচ লেভেল ঠিক রাখে।
#তাই_আর_দেরি_নয়।
মানুষের স্বাস্থ্য সেবার উদ্দেশ্যে নামমাত্র মূল্যে বাংলাদেশের স্বনামধন্য ন্যাচারাল রিসার্চার ডক্টর ইয়াসির মোস্তফা স্যারের গবেষণায় আবিষ্কৃত পানি বিশুদ্ধকরণ অ্যালকালাইন ড্রপ আসছে। অপেক্ষায় থাকুন যাদের লাগবে তারা ইনবক্সে মোবাইল নাম্বার সহ নক দিয়ে রাখুন।
কিটো ডায়েট সম্পর্কে যা জানা উচিৎ, সাম্প্রতিক সময়ে কিটো ডায়েট নিয়ে হচ্ছে তর্ক বিতর্ক তার সমাধান খুজতে খুব সহজ ভাষায় আজকের লেখাঃ
===========>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
Therapeutic Nutrition.এই কোর্সের একটা চ্যাপ্টার আছে নিউরোলজিকাল ডিসওর্ডার নামে।আর নিউরোলজিকাল ডিসওর্ডার এর একটা ডিসওর্ডার হচ্ছে এপিলেপসি যাকে আমরা বাংলায় বলি মৃগীরোগ।ব্রেইনের এক্টিভিটি এবনরমাল হবার কারণে হঠাৎ করে বেহুশ হয়ে যাওয়াকে আমরা মৃগী রোগ বলে থাকি।
মানুষ এই কারণেই বেহুশ হয়ে যায় যে ব্রেইনের ইলেক্ট্রিক্যাল এক্টিভিটি খুব ফাস্ট বা মস্তিষ্ক হঠাৎ করে খুব উত্তেজিত হয়ে পড়ে।আর এই কারণে মস্তিষ্ক ঠান্ডা বা নরমাল করতে এপিলেপসির জন্য খাদ্য তালিকায় কার্বোহাইড্রেট ৫%, ফ্যাট ৭৫%,প্রোটিন ২০%এর দেয়া হয়।যাকে বলা হয় কিটোজেনিক ডায়েট(keto diet)।এছাড়াও আলজেইমার,পারকিনসন্স ডিসওর্ডার এর ক্ষেত্রেও এই ডায়েট দেয়া হয়।
আর কিটো ডায়েটের কারণে যে কিটোন (Acetoacetate,Beta Hydroxy Butyrate,Acetone) উৎপন্ন হয় তা মস্তিষ্ককে শান্ত করে।এছাড়াও GABA(Gamma Amino Butyric Acid) তৈরি করে যা ব্রেইনের উত্তেজনাকে কমিয়ে আনে।আরো কিছু কারণ আছে যার মধ্যে হলো হাই ফ্যাট বিশেষ করে পলি আন স্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড (PUFA) যা ব্রেইনের সেলকে উত্তেজনা হতে রক্ষা করে।
♦উপরে যা বললাম এই পর্যন্ত কিটোজেনিক ডায়েট ভালো ছিল এখন আসি এর নেগেটিভ ইফেক্ট কি হতে পারে তা দেখি।
♦এমন কোন মোটা মানুষ নেই যারা সোস্যাল মিডিয়ায় আছেন তারা এই ব্যাপারে জানেন না।
কিন্তু দুঃখের বিষয় কিটোজেনিক ডায়েট যে অনেক রকম আছে যেখানে কার্বোহাইড্রেট খাওয়া যায়, সেটা কিন্তু অনেকেই জানেন না।সাইক্লিক কিটোজেনিক ডায়েট নামে একটা কিটো ডায়েট আছে যেখানে আপনি পাচ দিন কিটো ডায়েট করে বাকি দুই দিন হাই কার্বোহাইড্রেট খেতে পারবেন।এতে মোটামুটি ভাবে শরীরের ব্যালান্স হয়।কিন্তু দ্রুত ওজন কমানের জন্য আপনারা ফলো করেন স্ট্যান্ডার্ড কিটো ডায়েট(ক্ষেত্র বিশেষ সর্বনাশা ডায়েট)
♦কার্বোহাইড্রেট হচ্ছে মানুষের মূল চালিকা শক্তি বা মেইন বডি ফুয়েল।যখন আপনি কার্বোহাইড্রেট খাবেন না, তখন শরীর বিকল্প উপায়ে ফ্যাট এবং প্রোটিন ভাংগতে শুরু করবে।আর এই সময় আপনি নিজেও টের পাবেন যেটা হলো ঝিমঝিম লাগবে,মাথা ঘুরবে,অনেকক্ষন বসে থেকে যখন দাড়াতে চেষ্টা করবেন,দেখবেন মাথাটা চক্কর দিবে।আর ক্ষেত্র বিশেষ বমি বমি লাগবে।
♠তো এই অবস্থার কারণ কি? কারণ হলো আপনার মেইন ফুয়েল তো নাই চালাচ্ছেন বিকল্প উপায়ে,ধরেন আপনার একটা মোটর সাইকেলে আছে সেখানে আপনি অক্টেন দিয়ে একে চালান,আর এর কারণে মোটরসাইকেল তীব্র গতিতে চলে এবং শক্তি হয় অনেক বেশি।কিন্তু হঠাৎ করে কেরোসিন দিয়ে চালাতে গেলেন।মোটর সাইকেল কিন্তু ঠিকই চলবে সমস্যা হবে কি জানেন,এর সাইলেন্সর পাইপ দিয়ে কালো ধোয়া বের হবে,আর ভয়ানক আওয়াজ বের হবে।বেশ কিছুদিন পরে দেখবেন আপনার মোটর সাইকেলের ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাবে।এমনকি আমরা এখন দেখি গাড়িতে সিএনজি ব্যবহার হচ্ছে তেল এর পরিবর্তে খরচ কম হলেও গাড়ির যে শক্তি তা কিন্তু থাকেনা।
এখন আপনার শরীরকে এই মোটর সাইকেল বা গাড়ির সাথে তুলনা করেন তাহলেই বুঝে যাবেন এর পরিস্থিতি কি হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে।
♦কিটো ডায়েট এর কারণে আপনার কি কি সমস্যা হতে পারে তা দেখে সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি এই ডায়েট করবেন কিনা কোন নিউট্রিশনিস্ট বা ডায়েটিশিয়ান এর পরামর্শ ব্যাতিত।
*আপনার কিটো ফ্লু হতে পারে আর যার বাজে দিকগুলো হচ্ছেঃ
-কোষ্টকাঠিন্য (Constipation)
-অবসাদগ্রস্ততা(Fatigue)
-মাথাঘোরানো(Dizziness)
- বমি বমি ভাব বা বমি(Nausea,vomiting)
*কিডনিতে পাথর হওয়া।
*হাই কোলেস্টেরল
*হাড়ের ক্ষয়
*শরীরের বিকাশে বাধাপ্রাপ্ত হওয়া
*ভিটামিন এবং খনিজ লবন ( মিনারেলস) এর ঘাটতি।
*রক্তে প্রোটিনের আধিক্য।
*কথা বলার সময় মুখ থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়া এবং প্রশ্রাবে দুর্গন্ধ।
*চুল,ত্বক সহ দেহের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়া।
♦যাদের জন্য কিটো ডায়েট উচিৎ নাঃ
*যাদের ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস (Type 1 Diabetes)আছে তাদের এই ডায়েট নিষিদ্ধ এই ডায়েটের কারণে ইনসুলিন সৃষ্টি হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
*যাদের কিডনিতে সমস্যা আছে
* প্যানক্রিয়েটিস আছে
*প্রেগন্যানসি এবং ব্রেস্টফিডিং এর সময়।
*টাইপ টু ডায়াবেটিস(Non insulin dependent Diabetes) এর জন্য যারা মেডিকেশন নেন তাদের জন্য এই ডায়েটের কারণে কিটো এসিডোসিস অর্থাৎ রক্তে এসিডের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
♦ভাই এবং আপারা আপনার আমার ওজন কিন্তু ১মাস দুই মাসে ১০-২০ কেজি বাড়ে নাই,সুতরাং আপনি ১ মাসে কেন ৫-৬ কেজি কমাতে চান??
♦তাই ধৈর্য্য ধারণ করে ডায়েটিশিয়ান বা নিউট্রিশনিস্ট বা খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের সহায়তায় আপনি আপনার ডায়েট প্ল্যান করে নিয়ে ওজন কমানো বা বাড়াতে পারেন।
সংগৃহীত
20/11/2020
কিটো ডায়েট কি?
বর্তমান সময়ে একটি প্রচলিত খাদ্যাভ্যাসের নাম হলো কিটো ডায়েট। শরীরের ওজন কমানোর ডায়েট হিসেবে কিটো ডায়েট এখন বেশ জনপ্রিয়। কী এই কিটো ডায়েট? এই ডায়েটের মূল ফর্মুলা হলো- কার্বোহাইড্রেটকে বাদ দিয়ে ফ্যাট এবং প্রোটিনকে গুরুত্ব দেওয়া। অর্থাৎ যেসব খাবারে কার্বোহাইড্রেট বিদ্যমান সেসব খাবারকে বাদ দিয়ে, বেশি করে খেতে হবে ফ্যাট এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার।
বাঙালিদের প্রধান খাবার ভাত। যার ৯০ ভাগই কার্বোহাইড্রেট। আমাদের শরীর তাই কার্বোহাইড্রেট খাবারে অভ্যস্তও বেশি। যেটি আমাদের ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। মানবদেহের প্রধান খাদ্য কিংবা জ্বালানি হলো গ্লুকোজ। কোনো কারণে যদি এই খাদ্য শেষ হয়ে যায়, তবে দেহ একটি বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করে। সেই বিকল্প জ্বালানিকে বলা হয় 'কিটোন বডি'। আর এই কিটোন বডি থেকেই এসেছে কিটোজেনিক ডায়েট বা কিটো ডায়েট।
এই কিটো ডায়েটের মূল লক্ষ্য হলো গ্লুকোজের বদলে কিটোন বডিগুলোকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা।
এবার অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, কিটোন বডিকে জ্বালানি হিসেবে ব্যাবহার করলে কীভাবে শরীরের ওজন কমবে?
ফ্যাটি টিস্যু ভাঙনের ফলে তৈরি হয় কিটোন বডি। সুতরাং যখন শরীরে গ্লুকোজের সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় তখন শরীর বিকল্প উপায় ব্যবহার করার ফলে ফ্যাটি টিস্যু ভাঙা শুরু করে দেয়।
কিটোন বডির মধ্যে রয়েছে, এসিটো-এসিটিক অ্যাসিড, এসিটোন এবং বিটা হাইড্রক্সি-বিটারেট।
কিটো ডায়েট কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত ডায়েট হিসেবেও বেশ পরিচিত। শরীরে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কমে গেলে শরীর একটি বিশেষ মেটাবলিক স্টেজে চলে যায়। চিকিৎসার ভাষায় যার নাম, 'কিটোসিস'। কিটোসিস থেকেই এই কিটো ডায়েট নামকরণ করা হয়েছে।
জনপ্রিয় এই কিটো ডায়েট নিয়ে আগ্রহের অন্ত নেই। শরীরের পুষ্টি উপাদান ঠিক রেখে মেদ কমানোর এই পদ্ধতির উপকারিতা অনেক, যদি তা সঠিকভাবে মেনে চলা যায়। কারণ যে কোনো ডায়েটের সফলতা নির্ভর করে একটা নির্দিষ্ট সিস্টেমের ওপর।
কিটো ডায়েট করতে এবং এর ফল পেতে হলে খাদ্য তালিকা থেকে সবার আগে বাদ দিতে হবে কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার।
# যেসব খাবার খাওয়া যাবে না,
- মিষ্টিজাতীয় যে কোনো খাবার বাদ দিতে হবে। ফলের জুস, কেক, চকোলেট, আইসক্রিম, যে কোনো ধরনের মিষ্টি।
- সব ধরনের ফল নিষেধ
- ভাত, পাস্তা, নুডুলস, ওটস, কর্নফ্লেক্সসহ আটার তৈরি খাবার বাদ।
- সব ধরনের ডাল নিষেধ। কারণ ডালে প্রোটিনের পাশাপাশি রয়েছে কার্ব।
- যে কোনো ধরনের প্রসেস ফুড একদম বাদ।
- মাটির নিচে হয় এমন সবজি যেমন- আলু, মুলা, গাজর, কচু সব বাদ।
# যে সব খাবার খেতে পারেন,
- মাংস : মুরগি, গরু, ডিম, বাটার, ঘি, সব ধরনের মাছ। যে কোনো হেলদি অয়েল : ওলিভ অয়েল, কোকোনাট অয়েল।
যে কোনো লাল-সবুজ সবজি, লাউ, ব্রকলি, বাঁধাকপি, মোটামুটি সব ধরনের মসলা, ফলের মধ্যে স্ট্রবেরি, লেবু, জলপাই খেতে পারেন। কিটো ডায়েটে ফল খেতে হবে খুব বেছে।
সবকিছুরই সুবিধা এবং অসুবিধার দিক রয়েছে। কিটো ডায়েটের ক্ষেত্রেও তাই।
সুবিধা
ষ কিটো ডায়েট ব্লাড প্রেশার, ব্লাড সুগারের রিস্ক কমায়।
ষ পিসিওএস রোগীদের জন্য এই ডায়েট বেশ কার্যকর।
ষ ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য খুবই ইফেক্টিভ। এই ডায়েট শুধুই ওজন কমানো নয়, ইনসুলিন আর ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে আনে।
ষ হৃদরোগ কমাতে এই ডায়েট উপযোগী।
ষ অনেক বেশি প্রোটিন থাকার ফলে ক্ষুধা লাগে না। ক্ষুধা সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য কিটো ডায়েটের বিকল্প নেই।
অসুবিধা
ষ নরমাল ডায়েট থেকে কিটোজেনিক ডায়েটে গেলে শরীরে একটা মেটাবলিক শিফট হয়। এটাকে বলে কিটো ফ্লু। এটার জন্য মানসিকভাবে শক্ত হতে হয়। এই কিটো ফ্লুর জন্য আপনার বমি ভাব, কাশি হতে পারে। মাথাব্যথা এবং ক্লান্তি ভাবও আসতে পারে।
ষ এই ফ্লুর প্রতিক্রিয়া ৩-৪ দিন থাকে। ডায়েট চলতে থাকলে এটা ঠিকও হয়ে যায়।
ষ ডায়েট শুরুর প্রথম দিকে আপনার সাধারণ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। শরীরে পানি এবং লবণের ভারসাম্যতা হারাতে পারে।
- যেহেতু কিটো ডায়েটে কার্বোহাইড্রেট বাদ দিয়ে ফ্যাট এবং প্রোটিনযুক্ত খাবারের জন্য বলা হয়, তাই অতিরিক্ত ফ্যাট গ্রহণের ফলে শরীরে মিনারেল ও পানির প্রয়োজনীয়তা কমে যেতে পারে। এর ফলে রক্তচাপও কম-বেশি হতে পারে। তাই লবণ খাওয়া বাদ দিতে হতে পারে।
প্রচলিত একটা কথা আছে, 'শরীরের নাম মহাশয়, যাহা সহাবে, তাহাই সয়।'
তাই যে কোনো ধরনের ডায়েটের ক্ষেত্রেই প্রথম প্রথম সমস্যা হলেও নিয়মিত ওয়ার্ক আউটের ফলে তা ঠিক হয়ে যায়।
কিটো ডায়েট এখন বেশ জনপ্রিয় ঠিকই। ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, এই কিটো ডায়েট শুরু হয়েছিল মৃগীরোগ সারানোর জন্য। ১৯২০ এবং ৩০-এর দশকে জনপ্রিয় হলেও মৃগীরোগের ওষুধ বের হওয়ার পর এই ডায়েটে ধস নামে। ওষুধের সাহায্যেই রোগী খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারতেন তবে ২০-৩০ শতাংশ রোগী বিভিন্ন ওষুধ ব্যবহারের ফলেও নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হন। এদের জন্য এবং বিশেষ করে বাচ্চাদের মৃগীরোগ সারানোর জন্য এই কিটোজেনিক ডায়েট আবারও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
কিটো ডায়েট নিয়ে অনেক কথা হলো। এই ডায়েটটা তাদের জন্যই, যারা অনেক বেশি ডেডিকেটেডভাবে ডায়েট করতে পারবেন। তবে অবশ্যই সবটা জেনে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে এই ডায়েট করা উচিত।
ফাস্টিং বা উপবাস কি স্বাস্থ্যকর?
বর্তমান সময়ে ওজন কমানোর সহজ উপায় হিসেবে খানিকটা বিরতি দিয়ে না খেয়ে থাকার ব্যাপারটি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কিন্তু বাস্তবে কতটা সাহায্য করে এই উপবাস? খাবার না খাওয়ার এই পদ্ধতি কি আমাদেরকে সুস্বাস্থ্য পেতে সাহায্য করে, নাকি অসুস্থ করে তোলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক মাউন্ট এলিজাবেথ নোভেনা হসপিটালের গ্যাস্ট্রিওলোজিস্ট ডক্টর ডেসমন্দ ওয়াইয়ের কাছ থেকে।
jachai
পুষ্টিবিদদের মতে না খেয়ে থাকা মূলত কী?
niet
ফাস্টিং বা না খেয়ে থাকা মূলত পানি ও খাবার ছাড়া দিন পার করাকেই বোঝায়। এই ব্যাপারটি মানুষ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বহু বছর ধরে করে আসছে। তবে সম্প্রতি কেবল ধর্ম নয়, স্বাস্থ্যগত কারণেও মানুষ ফাস্টিং করছে। প্রতিদিন একজন মানুষকে তার এক কেজি ওজনের জন্য ২২ কিলোক্যালোরি গ্রহণ করতে হয়। এই হিসেবে, একজন মানুষের ওজন ৮০ কেজি হলে তাকে প্রতিদিন গ্রহণ করতে হবে ১৭২০ কিলোক্যালোরি।
পুষ্টিবিদদের মতে, দিনে সবচাইতে কম কিলোক্যালোরি গ্রহণ করা বলতে বোঝায় ৮০০-১২০০ কিলোক্যালোরি গ্রহণ করা। আর এরচাইতে কম খাবার গ্রহণ করলে সেটাকে বলে ফাস্টিং।
উপবাস বা ফাস্টিং কি শরীরের বিষাক্ত উপাদান দূর করে?
আমরা যা এবং যখনই খাই না কেন, আমাদের কিডনি ও ফুসফুস নিজ থেকেই যেকোনো বিষাক্ত পদার্থকে শরীর থেকে বের করে দিতে সক্ষম। এর জন্য বাড়তি কিছুর প্রয়োজন পড়ে না। শুধু ফুসফুস বা কিডনির রোগীদের জন্যই এই বাড়তি সাহায্যর দরকার পড়ে।
উপবাস করলে বা খাবার না খেয়ে থাকলে কি ওজন কমে?
হ্যাঁ, চিকিৎসকেরা মানুষের খাবার গ্রহণ এবং এর পরবর্তী ফলাফলকে লক্ষ্য করে জানিয়েছেন যে, ৮০০ কিলোক্যালোরির কম গ্রহণ করলে বা না খেয়ে থাকলে মানুষ দ্রুত ওজন কমাতে সক্ষম হয়। তবে, এক্ষেত্রে বাড়তি কিছু ঝামেলা দেখা দেয়। সেগুলো হল-
১। ডায়াবেটিসের রোগী এবং রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তবে এসময় সঠিক ওষুধ গ্রহণ করলে প্রভাব কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব।
২। দ্রুত ওজন কমাতে গিয়ে এসময় পেশী ক্ষয় হয়ে যায়।
৩। শরীরে ঠান্ডাভাব, চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়া এবং অতিরিক্ত চুলপড়ার মতো ব্যাপারগুলো ঘটে।
৫। যতটা দ্রুত ওজন কমে, ঠিক ততটাই দ্রুত ওজন বাড়ে পরবর্তীতে। ওজন কমার ব্যাপারটিও খুব বেশি সময় স্থায়ী হয় না।
৬। এতে করে গ্যালস্টোন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।
উপবাস বা ফাস্টিং কি চিকিৎসায় কোন সাহায্য করে?
অনেকসময় খাবার না খাওয়ার ফলে গ্লুকোজ, রক্তচাপ এবং ওজনের তারতম্য হয়। যা কিনা গ্যাস্ট্রিক, ফুসফুস এবং হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথাসহ নানারকম চিকিৎসার কাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকেরা ওজন কমানোর জন্য বা অসুস্থ রোগীর শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য তাকে ফাস্টিং করতে বলে থাকেন। তবে সেটার ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম থাকে।
ফাস্টিংয়ের ফলে হজমে কি কোনো সমস্যা হতে পারে?
অনেকে ভেবে থাকেন যে, অনেকক্ষণ খাবার না খেলে শরীর চর্বি জমা করে রাখে। মূলত এমন কিছু নয়। কোনরকম খাবার বা পানীয় শরীরে না প্রবেশ করলে শরীরের জমে থাকা চর্বি ভেঙ্গে যায়। এতে করে মানুষ ওজন হারায় খুব দ্রুত। তবে একইসাথে তার পেশীর ভর কমে যাওয়ায় শরীরের হজম করার ক্ষমতাও কমে যায়।
কম ক্যালোরির খাবার গ্রহণ বা ফাস্টিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব কোনগুলো?
রক্তচাপ কমে যাওয়া, গ্লুকোজ কমে যাওয়া, চুল পড়া, শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, খিঁচুনি লাগা, ডায়রিয়ার মতো ব্যাপারগুলো ফাস্টিংয়ের ফলে হয়ে থাকে।
ওজন কমানো বা ফাস্টিংয়ের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়-
মূলত এক্ষেত্রে তিনটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে। সেগুলো হল-
১। কম ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। তবে একেবারে কম নয়।
২। নিয়মিত শরীরচর্চা করতে হবে।
৩। খাবার গ্রহণের তালিকা মেনে চলতে হবে। ঝোঁকের বশে বেশি বা কম খেয়ে ফেলা যাবে না।
আপনিও কি ভাবছেন না খেয়ে ওজন কমানোর কথা? তাহলে আরো একটু বেশি ভাবুন। সময় নিন এবং ঠিক করুন যে, আপনি কোনটি করবেন।
যারা শরীরের মেদ ও চর্বি কমিয়ে অতিরিক্ত ওজন কমাতে চাচ্ছেন তাদের ডায়েটিং, ব্যায়ামসহ নানা প্রচেষ্টার অন্ত নেই৷ কিন্তু সফলতার হার খুবই কম। এর সমাধানে বর্তমান সময়ে একটি ডায়েটিং পদ্ধতি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। মূলত সফলতার হার থেকেই এ জনপ্রিয়তা অর্জিত হয়েছে।
যারা দীর্ঘদিন বিভিন্ন কসরত করেও এতটুকু ওজন কমাতে পারেননি তারা এই ডায়েট পদ্ধতি অনুরসণ করে অল্প সময়ে বেশ সফলতা অর্জন করেছেন। এ পদ্ধতিটির নাম ‘কিটো ডায়েট’ বা ‘কিটোজনিক ডায়েট’।
কিটোজেনিক ডায়েট হল সুপার লো-কার্ব ডায়েট। এই ডায়েটে কার্ব এক্সট্রিম (extreme) লেভেলে কম থাকবে আর ফ্যাট অনেক হাই থাকবে আর প্রোটিন মিড লেভেলে (mid level) থাকবে। আমাদের নরমাল ডায়েটে ৫০% কার্বোহাইড্রেট থাকে, ২০% প্রোটিন আর ৩০% ফ্যাট থাকে। টিপিক্যাল কিটোজেনিক ডায়েটে টোটাল ক্যালোরিক নিডের কার্ব ৫%, প্রোটিন ২৫% আর ফ্যাট থাকে ৭০%। মানে আপনি সারাদিন যতটা খাবার খাবেন তার মধ্যে খাবারের পার্সেন্টেজ এমন হবে। এ জন্য আপনাকে জানতে হবে কোন কোন খাবারে কী পরিমাণ কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট ইত্যাদি থাকে।
# আপাতত মোটেও খাওয়া যাবে না:
১) চালের তৈরি সব কিছু ( ভাত, চাউলের রুটি, চাল দিয়ে বানানো দ্রব্যাদি)।
২) গমের তৈরি সব কিছু (রুটি, পাওরুটি, বিস্কুট যে কোন প্রকার, গম দিয়ে বানানো অন্যান্য দ্রবাদি)
৩) কোন প্রকার ডাল খাওয়া যাবে না
৪) আলু, মিষ্টি আলু, গাছ আলু বা আলু সাদৃশ্য অন্যান্য আলু, যা শর্করা জাতীয় সবজি যেমন: মূলা।
৫) এছাড়া চিনি এবং চিনি দিয়ে বানানো দ্রব্যাদি পৃথিবীতে যা কিছু আছে তা খাওয়া যাবে না।
৬) দই, টক দই, দুধ এবং সরাসরি দুধ দিয়ে বানানো দ্রবাদি।
৭) মধু এবং মিষ্টি ফলমূল খাওয়া যাবে না। কেন খাওয়া যাবেনা সেটা পরে ব্যাখ্যা করছি।
৮) সয়াবিন তৈল, সূর্য মুখী তেল, রাইস ব্যান ওয়েল, ক্যানোলা ওয়েল, এবং সাধারণ কোন তেলে রান্না করা কিছু খাওয়া যাবে না।
৯) ফার্মের মুরগি, যে মুরগিগুলো টেনারির বর্জ্য থেকে উৎপাদিত খাদ্য খাওয়ানো হয়, সয়া খাওয়ানো হয়।
১০) গরুর মাংস, যে গরু বা ষাঁড় গুলো ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মোটা তাজা করা হয়। খাসির ব্যাপারেও একই কথা।
# যা খেতে বাঁধা নেই:
১) সবুজ শাক, সবজি৷ (গাজর, কচি সবুজ মিষ্টি কুমড়া খেলে অল্প পরিমাণ)
২) টক জাতীয় ফল। যেমন, জলপাই, আমলকী, একটি কচি ডাবের পানি।
৩) মাছ, যে কোন প্রকার খেতে পারবেন৷ তবে তৈলাক্ত দেশিয় মাছের ভেতর পাংকাশ, বোয়াল, ইলিশ সরপুঁটি, ব্রীগেড, গ্রাসকার্প, বাইম মাছ উত্তম৷ তৈলাক্ত বা সাগরের মাছ হলে আরো ভালো।
৪) গরু এবং খাসির মাংস খাওয়া যাবে তবে তা হতে হবে ইঞ্জেকশান মুক্ত এবং ঘাস, লতা পাতা বা খড় কুটো খেয়ে লালিত পালিত৷ তবে বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে না।
৫) গরু, বা খাসির পায়া খাওয়া যাবে। যেটা খাওয়া এই সময়ে খুবই উপকারী৷ এটাও অল্প পরিমানে খেতে হবে।
৬) মুরগির ডিম খেতে পারবেন৷ ফার্ম হলে সমস্যা নেই, তবে ওমেগা ৩ বা দেশি মুরগি বা হাস হলে বেশী ভালো।
৭) মাছের ডিমও খেতে চেষ্টা করবেন যথা সম্ভব।
৮) ঘি, অর্গানিক বাটার, এক্সট্রা ভার্জিন ওলিভয়েল, MCT ওয়েল, অর্গানিক Extra virgin cold pressed কোকোনাট ওয়েল৷ এগুলো সব ভাল শপে পাওয়া যায়, তবে নিজে তৈরী করাটাই শ্রেয়।
৯) যে কোন প্রকার বাদাম। চিনাবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তা বাদাম, অন্যান্য বাদাম যা আছে৷ চাইলে বাদাম ব্লেন্ড করে সাথে উপরে উল্লেখিত নারকেল তেল দিয়ে বানাতে পারেন পিনাট বাটার৷ যেটা খেতে তুলনাহীন৷ তবে খাবেন অল্প পরিমাণে।
১০) রং চা বা কফি খেতে পারেন দুধ চিনি ছাড়া। গ্রীণ টি এর সাথে লেবু, আদা, সামান্য লবন মেশাতে পারেন। কফির সাথে, MCT ওয়েল, মাখন বা ঘি, এবং অর্গানিক কোকোনাট অয়েল মিশিয়ে বাটার কফি বানিয়ে খেতে পারেন৷ এতে ভালো কাজ হবে।
# কীভাবে ডায়েট শুরু করবেন--
> সকালের নাস্তা:
১) যাদের সকালে খাওয়ার অভ্যাস তারা আটটা বা সাড়ে আটটার দিকে দুধ চিনি ছাড়া এক কাপ চা খেতে পারেন। চায়ের মধ্যে যা দেবেন, আদা, লেবু, সামান্য লবণ।
২) অ্যাপেল সিডার ভিনেগার বা কোকনাট ভিনেগার খেতে পারেন কুসুম গরম পানির সাথে।
৩) এবং কুসুম গরম পানির সাথে লেবু চিপে খেতে পারেন।
সকাল আটটায় নাস্তা খেলে দেড়টার ভেতর দুপুরের খাবার খেতে হবে। এছাড়া যাদের দেরিতে নাস্তা খাওয়ার অভ্যাস তারা এগারোটার দিকে উপরোক্ত পদ্ধতিতে নাস্তা করবেন এবং দুপুরের খাবার আড়াইটা তিনটায় খাবেন।
> দুপুরের খাবার:
১) দুপুরের খাওয়ার আগে অবশ্যই অ্যাপেল সিডার ভিনেগার এক চামচ এক গ্লাস পানির সাথে মিশিয়ে খাবেন। এতে আপনার গ্যাসের সমস্যা হবে না এবং চর্বি কাটতে সাহায্য করবে।
২) দুপুরের খাবারের ম্যানুতে শাক, সবজি, মাছ অথবা মাংস , ঘি এ ভাজা ডিম, ঘি'য়ে ভাজা বাদাম সাথে বাটার রাখতে পারেন এবং অবশ্যই টমেটো, গাজরসহ শসা বা শসার সালাদ রাখবেন।
৩) শাক, সবজি অবশ্যই এক্সট্রা ভার্জিন ওলিভয়েল দিয়ে রান্না করবেন। মাছ ভাজলে (ডীপ ফ্রাই থেকে বিরত থাকবেন এতে খাদ্যগুন নস্ট হয়) বা রান্না করলে এই তেল দিয়েই করবেন। সবজি যতটুকু সম্ভব কম সেদ্ধ করবেন। যেন সবজির গুণগত মান ঠিক থাকে।
৪) ডিম কুসুম সহ ঘি বা মাখন দিয়ে ভেজে খাবেন। এক দিনে সর্বোচ্চ ছয়টা ডিম কুসুম সহ খেতে পারবেন কোন সমস্যা নেই। কারণ ডিম প্রোটিন এবং ভালো ফ্যাটের উৎস তবে একবার ফ্যাট এ্যাডাপটেশন হয়ে গেলে চাইলেও এত খেতে পারবেন না।
৫) দেশি মুরগি খেতে পারেন, এক দুই টুকরো অথবা উল্লিখিত গরুর মাংস । মাছ খেলে মাংস খাবেন না। মাংস খেলে মাছ খাবেন না। তবে প্রবাসে অবস্থানকরীগণ ফার্মের মুরগি এক টুকরো করে খেতে পারেন৷ কারণ সেখানে ফার্মের মুরগিকে আদর্শ খাবার খাওয়ানো হয় (যদিও মুরগী ব্যায়াম করে না যেটা দেশী মুরগী করে )।
৬) দুম্বা, উট, ভেড়ার মাংস খেলে এক টুকরোর বেশি নয়।
> বিকেলের নাস্তা:
বিকেলে ক্ষুধা লাগলে উপরে উল্লেখিত চা, বাটার কফি এবং বাদাম খাবেন যে কোন প্রকার মাখন বা ঘি দিয়ে ভাজা বা মেশানো।
> রাতের খাবার:
১) রাতের খাবারের পূর্বেও ভিনিগার মিশ্রিত এক গ্লাস পানি খেয়ে নিবেন।
২) রাতের খাবার দুপুরের অনুরূপ খাবেন। আইটেম দুই একটা কম বেশি হোক কোন সমস্যা নেই।
৩) রাত আটটার আগেই সমস্ত খাবার শেষ করুন। এরপর আর পানি ছাড়া কিছুই খাবেন না।
# যে বিষয় গুলো মানতেই হবে:
১) রাত দশটা বা সর্বোচ্চ এগারোটার ভেতর আপনাকে ঘুমিয়ে যেতে হবে৷ কারণ রাত দশটা থেকে দুইটার ভেতর আমাদের শরীরে গ্রোথ হরমোন নি:সরন হয়৷ এবং এই গ্রোথ হরমোনগুলো ফ্যাট বার্নিং এ প্রচুর সহায়তা করে। আপনি যদি এই প্রাকৃতিক বিষয়টি অগ্রাহ্য করেন তবে আপনার ডায়েট অসম্পূর্ণ থেকে যাবে এবং ভাল ফল পেতে ব্যর্থ হবেন।
২) খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠবেন৷ নামাজ পড়ে (মুসলমানেরা) হাঁটতে বের হবেন।খালিপেটে হাটা ফ্যাট বার্ণিং এর জন্য অত্যান্ত কার্যকরী । হাঁটার গতি নির্ভর করবে আপনার বয়স অনুসারে। বয়স যদি চল্লিশের উর্ধ্বে হয় স্বাভাবিক গতিতে হাঁটুন ৪০/৬০ মিনিট। বয়স যদি চল্লিশের নিচে হয় তবে জগিং করুন নয়তো জোরে জোরে হাঁটুন ৪০/৬০ মিনিট। তবে খেয়াল রাখবেন হাঁটতে হাঁটতে যেন হাঁপিয়ে না যান বা শ্বাস কষ্ট না হয়। যতটুকু হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন শরীরের সাথে মানিয়ে করুন।
৩) দ্রুত মেদ ভুরি কমানোর জন্য ইয়োগা করতে পারেন৷ ইয়োগা করার পদ্ধতি YouTube এ দেখে নিন।
৪) উপরে লিখিত পদ্ধতিতে সাত থেকে আট দিন নিয়ম করে চলুন। এই সময়টায় আপনার শরীর ফ্যাট বার্নিং বা চর্বি গলাতে শিখে যাবে৷ এটা হচ্ছে আপনার ডায়েটিং এর প্রথম ধাপ।
৫) এবার দ্বিতীয় ধাপে শুরু করুন রোজা রাখা৷ সেহরীতে শুধু পানি খেয়ে রোজা রাখা আরম্ভ করুন৷ স্বাভাবিক রোজার মতো দিনে পানি এবং সমস্ত কিছু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
৬) ইফতার করবেন বাদাম, মাখন এবং শসা দিয়ে৷ সাথে অন্যান্য সালাদ কিংবা টক ফল রাখতে পারেন।
৭) ভিনেগার মিশ্রিত পানি খেয়ে রাতের খাবার উপরে উল্লিখিত অনুরূপ খাবেন এবং অবশ্যই আটটার আগে সমস্ত খাবার শেষ করুন। বেশী ভালো ফল পেতে ইফতারের এক ঘন্টার ভেতর খাবার শেষ করুন এরপর পানি খেতে থাকুন।
৮) রোজা রাখা শুরু করলে বসা থেকে দাঁড়াতে মাথা সামান্য ঘুরতে পারে৷ সেক্ষেত্রে সামান্য লবন মিশ্রিত পানি খাবেন প্রতিদিন৷ এছাড়া ডাবের পানি খেতে পারেন৷ প্রতিদিন একটি কচি ডাব খাওয়া খুবই জরুরি।
৯) একটানা যতগুলো ফাস্টিং (রোজা) করতে পারবেন আপনি তত দ্রুত ফল পেতে থাকবেন। তবে ৭ দিন পর দুইদিন রোজা বিরতি দিবেন৷ ঐ দুইদিনও দুইবেলা খাবেন চার ঘন্টার ব্যাবধানে৷ খাদ্য মেনু আগেরগুলাই৷ বাকী সময় ওয়াটার ফাস্টিং করবেন৷ অর্থাৎ ভিনেগার, লেবু, গ্রীন টি, লবন মিশ্রিত পানি এগুলো খাবেন।
১০) যদি এক টানা রোজা রাখতে না পারেন তবে সপ্তাহে অন্তত দুইটা করে রোজা রাখুন৷ আর যাদের পুরো দিনে রোজা রাখতে সমস্যা আছে তারা উপরের ম্যানুগুলো অনুসরণ করে খাদ্যবিরতির সময়টা দীর্ঘ করবেন৷ অর্থাৎ আংশিক ফাস্টিং করে যাবেন৷ দুইবেলা খাবেন চার ঘন্টার ব্যাবধানে৷ খাদ্য মেনু আগেরগুলাই৷ বাকী বিশ ঘন্টা ওয়াটার ফাস্টিং করবেন৷ অর্থাৎ ভিনেগার, লেবু, গ্রিন টি, লবন মিশ্রিত পানি এগুলো খাবেন৷ সে সাথে নিয়মিত হাঁটুন এবং ব্যায়াম করুন। আশা করা যায় দেড়, দুই মাসের ভেতরেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে গেছেন।
# আরো কিছু বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়:
১) যতটুকু সম্ভব টেনশন ফ্রী থাকার চেষ্টা করবেন।
২) হাসি খুশি থাকবেন।
৩) প্রতিদিন হাঁটার সময় বা হাঁটার পরে সকালের স্নিগ্ধ রোদ গায়ে লাগানোর চেষ্টা করবেন৷ কারণ রোদে থাকা ভিটামিন ডি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।
৪) রাত আটটার ভেতর সমস্ত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যাবহার থেকে বিরত থাকুন এতে করে আপনার ঘুমের কোয়ালিটি ভালো হবে।
৫) মুসলমান হলে নিয়মিত নামাজ পড়বেন। বেশি বেশি নফল নামাজ পড়বেন। এতে আপনার ফরজ আদায় হওয়ার পাশাপাশি শারীরিক কিছু ব্যায়াম হবে৷ যা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অন্য ধর্মের হলে নিজ নিজ ধর্মের রীতি অনুসারে ইবাদত করুন। আর সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন এবং ভরসা রাখুন। অবশ্যই আপনি সফলকাম হবেন।
৬) বাহিরের সকল খাবার পরিহার করুন।
৭) তরকারির জন্য প্যাকেটজাত মসলা না কিনে নিজেরা গোটা মসলা মেশিনে ভাঙ্গিয়ে নিন৷ সকল প্রকার প্যাকেটজাত দ্রব্য পরিহার করার চেষ্টা করুন।
৮) রান্নায় সয়াবিন তেলের পরিবর্তে এক্সটা ভার্জিন অলিভওয়েল ব্যবহার করতে না পারলে আপাতত মন্দের ভালো হিসেবে শরিষার তৈল ব্যবহার করুন৷ সেটাও প্যাকেটজাত না কিনে পারলে নিজেরা মেশিনে প্রক্রিয়া করে তৈরি করে নিন।
AMC Dr.jahir akand
01711921416
19/11/2020
কিটো ডায়েট কি ও যেভাবে করবেন
dr.jahir Akand 01711337019
নানারকম ডায়েটের মধ্য থেকে অনেকেই কিটো ডায়েটকে বেছে নিচ্ছেন। কিটো ডায়েট করে নিজের আমূল পরিবর্তন করেছেন বলে জানাচ্ছেন অনেকেই।
কিটো ডায়েটে মূলত কার্বোহাইড্রেটকে এড়িয়ে চলা হয়। কিটো ডায়েটের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে কার্বোহাইড্রেটকে পুড়িয়ে ফেলা। চর্বি পোড়ানো শেষ হয়ে গেলে শরীর জমানো কার্বোহাইড্রেট পোড়ানো শুরু করে, ফলে ওজন কমে যায়।
আমাদের শরীরের প্রধান খাদ্য বা জ্বালানি হলো গ্লুকোজ। কিটো ডায়েটের প্রধান উদ্দেশ্য থাকে গ্লুকোজের বদলে কিটোন বডিগুলো জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা।
কিটো ডায়েট হল সুপার লো-কার্ব ডায়েট। এই ডায়েটে কার্ব এক্সট্রিম লেভেলে কম থাকবে আর ফ্যাট অনেক হাই থাকবে আর প্রোটিন মিড লেভেলে থাকবে। টিপিক্যাল কিটোজেনিক ডায়েটে টোটাল ক্যালোরিক নিডের কার্ব ৫%, প্রোটিন ২৫% আর ফ্যাট থাকে ৭০%।
মানে আপনি সারাদিন যতটা খাবার খাবেন তার মধ্যে খাবারের পার্সেন্টেজ এমন হবে। আমাদের নরমাল ডায়েটে ৫০% কার্বোহাইড্রেট থাকে, ২০%প্রোটিন আর ৩০%ফ্যাট থাকে। ধরা যাক আপনি ১২০০ ক্যালরি খাবেন সারাদিনে। তার ৫০% কার্ব মানে আপনাকে ৬০০ক্যালরির কার্ব খেতে হবে।
কিটো ডায়েট অনেক ইফেক্টিভ ফ্যাট লস ডায়েট। কিটো ডায়েটে মেইনলি প্রোটিন খাওয়াই মূল উদ্দেশ্য। তবে শুধুমাত্র প্রোটিন থেকে ডেইলি ক্যালরি রিকোয়ারমেন্ট পূরণ করা ফলে টোটাল ক্যালরি নিডের মাত্র ২০-৩০% প্রোটিন আর ৫% কার্ব বাকিটা ফ্যাট দিয়ে চাহিদা পূরণ করতে হবে।
কিটো ডায়েট চার প্রকার
১. স্ট্যান্ডার্ড কিটোজনিক ডায়েট: এটাতে কার্ব ৫%, প্রোটিন ২৫ % আর ফ্যাট ৭০% থাকে।
২. সাইক্লিক্যাল কিটোজনিক ডায়েট: এই কিটো তে সপ্তাহে দুদিন হাই কার্ব খাওয়া যায়।
৩. টার্গেটেড কিটোজনিক ডায়েট: এই কিটোতে ওয়ার্ক আউটের আগে বা পরে কার্ব খেতে পাওয়া যায়।
৪. হাই প্রোটিন কিটো ডায়েট: এটা অনেকটা স্ট্যান্ডার্ড কিটো ডায়েটের মতোই, শুধু প্রোটিন ২৫% থেকে বেড়ে ৩৫% হয়ে যায়। এটাতে ফ্যাট ৬০%, প্রোটিন ৩৫% আর ফ্যাট ৫%. বডি বিল্ডার বা এথেলেট রা এটা করে থাকে।
কিটো ডায়েট: যেসব খাবার খেতে পারবেন না
# চিনি বা মিষ্টিজাতীয় কোনো কিছু একদম বাদ। কোক, ফলের জুস, কেক, আইসক্রীম, চকলেট, স্মুদি, যেকোনো ধরনের মিষ্টি।
# আটার তৈরি কোনো কিছু, ভাত, পাস্তা, নুডলস, ওটস, কর্ন ফ্লেক্স সব বাদ।
# সব ধরনের ফল নিষেধ।
# সব ধরনের ডাল নিষেধ, ডালে প্রোটিনের পাশাপাশি ভালো পরিমাণ কার্ব থাকে।
# মাটির নিচে হয় এমন সব সবজি যেমন: আলু, মুলা, গাজর, কচু সব বাদ।
# যে কোনো ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার একদম বাদ।
কিটো ডায়েট: যেসব খাবার খাওয়া যাবে
* মাংস: গরু, মুরগি=* সব ধরনের মাছ
* ডিম=* বাটার=* বাদাম=* হেলদি ওয়েল– যেমন অলিভ ওয়েল, কোকনাট ওয়েল, ক্যানলা ওয়েল
* ঘি=* সবুজ যে কোনো সবজি, পালং, ব্রকলি, বাঁধাকপি এসব।
* মোটামুটি সবধরনের মশলা।=যে কারণে কিটো ডায়েট ভাল
# অল্প সময়ে প্রচুর ফ্যাট কমানো যায়।= # ফ্যাট আর প্রোটিন খাবেন তাই পেট খালি থাকবে না।
# শরীরে পেশীর পরিমাণ কমবে না কিন্তু মেদ কমে যাবে।
# অনেক বেশি প্রোটিন থাকাতে সহজে ক্ষুধা লাগবে না। আপনি সহজে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন।
# এক গবেষণাতে দেখা গেছে, কিটো ডায়েট করা মানুষ টিপিক্যাল লো-ফ্যাট ক্যালরি রেস্টিক্টেড ডায়েটের চেয়ে ২.২ গুণ বেশি ওজন কমিয়েছে।
# কিটো ডায়েট হার্ট ডিজিজ, ব্লাড প্রেশার, ব্লাড সুগারের রিস্ক কমায়।
# পিসিওএস রোগীদের জন্য ইফেক্টিভ ডায়েট।
# ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক ইফেক্টিভ একটা ডায়েট, শুধু ওজন কমানো না ব্লাড সুগার আর ইনসুলিন লেভেল নিয়ন্ত্রণে আনে।
ভেজিটেরিয়ানদের জন্য কিটো ডায়েট বেশ কষ্টকর ব্যাপার হবে। কারণ, কিটো ডায়েটে প্রোটিন খুব কম পরিমাণে গ্রহণ করতে হলেও শাক-সবজি থেকে সেই প্রোটিন পাওয়াটা খুব কঠিন ব্যাপার। এছাড়া, সবজিতে প্রোটিনের সঙ্গে সঙ্গে শর্করাও থাকে যা ডায়েটে বিঘ্ন তৈরি করতে পারে।
কিটো ডায়েট মানেই প্রচুর পরিমাণ মাংস গ্রহণ এমন নয়। কিটো ডায়েটের ক্ষেত্রে ক্যালোরির উৎসকে মোট তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। ৭৫ শতাংশ ফ্যাট, ২০ শতাংশ প্রোটিন এবং ৫ শতাংশ কার্ব- মোট মিলিয়ে এভাবেই কিটো ডায়েট সাজানো হয়।
ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট মানে কী?
‘ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট’ নামের একধরনের ডায়েট চর্চা এখন গোটা পৃথিবীতেই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এই ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট আসলে কী?
ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট হচ্ছে সপ্তাহে বা দিনে একটা নির্দিষ্ট সময় না খেয়ে থাকার ডায়েট। নারী ও পুরুষভেদে এই না খেয়ে থাকার সময়সূচি আলাদা। সহজ কথায় বললে এটি সপ্তাহে এক দিন, দুই দিন বা কখনো কখনো টানা তিন দিন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শুধু পানি আর ফলের রস পান করে থাকার ডায়েট। যেমন সপ্তাহে দুই দিন মানে ৪৮ ঘণ্টা শুধু পানি বা চিনি ছাড়া ফলের রস পান করা আর পাঁচ দিন স্বাভাবিক খাবার খাওয়া। ওই দুই দিন সারা দিনে ৫০০-৬০০ ক্যালরি খাওয়া যাবে। আবার এক দিন (২৪ ঘণ্টা) না খেয়ে পরদিন স্বাভাবিক খাওয়াদাওয়াও করা যায়।
এটি একধরনের উপবাস বা ফাস্টিং। একে বলে লিন গেইন প্রটোকল। ইন্টারমিটেন্ট ডায়েটের জনপ্রিয় ছয় ধরনের ডায়েট আছে। এর প্রতিটিই একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খাবার না খেয়ে এরপর খাওয়ার পদ্ধতি। সাধারণত আমরা যে ধরনের খাবার খাই, তা আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজন এবং এর সঙ্গে অভ্যস্ততার ব্যাপার আছে। সব ধরনের স্বাস্থ্যকর ও পরিমিত খাবারই শরীরের জন্য উপকারী।
ইন্টারমিটেন্ট ডায়েটে লম্বা সময় ধরে না খেয়ে থাকলে শরীর খারাপ করতে পারে। তা ছাড়া এ ধরনের ডায়েট শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ওজন কমেছে মনে হলেও পরবর্তী সময়ে এর ফল ভালো হয় না। এতে চুল পড়া, চেহারায় ভাঁজ পড়ে যাওয়া, বয়সের ছাপ, তলপেট বড় হয়ে যাওয়া, কিছুদিন পর হুট করে ওজন বেড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটতে পারে। অনিয়মিত খাবার খাওয়ার জন্য অনেক সময় খাবার হজমে সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া খাবার খাওয়ার পর বমি, পেট খারাপ, প্রেশার বেড়ে বা কমে যাওয়ার মতো সমস্যাও হয়। নিয়মিত খাবার খেয়ে একটু শারীরিক পরিশ্রম করলে ওজন কমে। কিন্তু কখনো কখনো খাবার খেয়ে এরপর না খেয়ে থাকলে ওজন কমার থেকে শরীরে নানা অসুখের বাসা বাঁধার আশঙ্কাই প্রবল।
সাধারণত কোথাও দাওয়াতে যাওয়ার আগে ওয়ারিয়র ডায়েটের প্রতি সবার আগ্রহ দেখা যায়। এটি হচ্ছে সারা দিন না খেয়ে রাতে এক বেলা ইচ্ছামতো খাওয়ার ডায়েট। তবে এতে ভালোর থেকে খারাপের আশঙ্কাই বেশি। অনেক সময় বাড়িতে কোনো বিশেষ অনুষ্ঠানের আগে অনেকে হুট করে ওজন কমাতে চাইলে এক সপ্তাহ বা দুই সপ্তাহ এ ধরনের ডায়েট করেন। খেয়াল রাখতে হবে, এ ধরনের ডায়েটের আগে অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। আর যেকোনো ধরনের ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট করতে হবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে।
যাদের জন্য নয়
*গর্ভবতী
*উচ্চ বা নিম্নরক্তচাপ ও ডায়াবেটিসের রোগী হৃদ্রোগে আক্রান্ত যে কেউ
*বুকের দুধ খাওয়ানো মা
*রক্তশূন্যতার রোগী এবং
*২৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য এই ইন্টারমিটেন্ট ডায়েট নয়।
ডায়াবেটিক কিটো এসিডোসিস
ডায়াবেটিস রোগের বড় ধরনের জটিলতার নাম ডায়াবেটিক কিটো এসিডোসিস। এ ক্ষেত্রে রোগীর রক্তে সুগারের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে গিয়ে কিটো এসিড নামের একধরনের এসিড অতিরিক্ত তৈরি হতে থাকে। এটি একটি জরুরি অবস্থা, যাতে মৃত্যুঝুঁকিও থাকে।
যেভাবে হয়
ইনসুলিন হরমোনের কাজ সুগার (গ্লুকোজ) ভেঙে শক্তি উৎপাদন করা। কোনো কারণে শরীরে পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি না হলে বিকল্প উপায়ে ফ্যাট ভেঙে সেই শক্তি জোগান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় উপজাত হিসেবে তৈরি হয় কিটো এসিড। খুব বেশি মাত্রায় যখন কিটো এসিড তৈরি হয়, তখন শরীরে হঠাৎ করে নানা রকম প্রতিক্রিয়া হয়। এটাই ডায়াবেটিক কিটো এসিডোসিস।
কারণ
ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হলেই মূলত এটি হয়। তবে টাইপ ১ ডায়াবেটিক রোগীদের ডায়াবেটিক কিটো এসিডোসিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হতে পারে। যেমন—
♦ ডায়াবেটিক রোগীরা ঠিকমতো ইনসুলিন না নিলে
♦ কোনো ইনফেকশন হলে
♦ হার্ট অ্যাটাক হলে
♦ মদ্যপান করলে
♦ স্টেরয়েড নিলে।
লক্ষণ
♦ প্রচণ্ড তৃষ্ণা
♦ ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ
♦ বমি ভাব অথবা বমি হওয়া
♦ শ্বাসকষ্ট
♦ ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা
♦ দুর্বলতা, ক্ষুধামান্দ্য, অবসাদ
♦ পেটে বা বুকে ব্যথা
♦ নিঃশ্বাসে এক প্রকারের দুর্গন্ধ
♦ সংজ্ঞাহীন হয়ে যাওয়া।
পরীক্ষা
♦ রক্তে সুগারের মাত্রা
♦ প্রস্রাবে কিটোনের মাত্রা।
করণীয়
ওপরের লক্ষণগুলো দেখা দিলেই দ্রুত গ্লুকোমিটারে ব্লাড সুগার চেক করা উচিত। ঘরে বসে প্রস্রাবের কিটো এসিড মাপার কিট রয়েছে। এগুলো ব্যবহার করে মাত্রা দেখা যেতে পারে। ওপরের লক্ষণগুলোর সঙ্গে রক্তের সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হলে (১৬.৭ মিলিমোল/ডেসিলিটারের বেশি) এবং প্রস্রাবে কিটোনের উপস্থিতি থাকলে রোগীকে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। বেশি করে স্যালাইন খাওয়াতে হবে।
হাসপাতালে নিয়ে রোগীকে পর্যাপ্ত স্যালাইন দিতে হবে, বিশেষ পদ্ধতিতে শিরায় ইনসুলিন দিতে হবে। দ্রুত চিকিৎসা দিতে না পারলে এ রোগে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
অধ্যক্ষ ডাঃ মোঃ জহির উদ্দিন আকন্দ 01711337019
Alternaive Paramedical Technology College
Institute Of Lifestyle Medicine Technology by jahir sir 01711337019
Dr.Md.jahir uddin Akand
B.sc-BHMS-MD-MPH-LL.B-LLM
Lifestyle Management Medicine
1.Exercise
2.Food a
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
33
Dhaka
3100