17/12/2025
Learning with Bellal
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Learning with Bellal, Education, Dhaka.
17/12/2025
13/09/2025
ইন্টারেস্টিং ব্যাপার।
হামাS জন্য গায়েবী রহমতো মদদ।
হামাS নেতাদের মিটিং চলছে কাতাrrরের রাজধানী দোhhহাতে।
মিটিংয়ে শীর্ষ নেতাদের একসাথে হttত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তেল আবীব থেকে।
কাtতারে হাmলা করার কথা যেহেতু কেউ ভাববে না, তাই সবাইকে একসাথেই পাওয়া যাবে।
এমন সুযোগ বারবার আসেনা।
কমান্ড সেন্টারে ঢুকলেন শুআরের বাচ্চা নেংটানিয়াহু।
হামাS নেতারা সব একরুমে আছেন, সেটা নিশ্চিত হওয়া গেছে তাদের সেলফোনের সিগনাল ট্র্যাক করে।
সবগুলো ফোন এক রুমেই দেখাচ্ছে। অর্থাৎ সবাই একসাথে আছে।
এভাবেই ট্র্যাক করে হtত্যা করা হয়েছিল ইড়ানী হাই প্রোফাইল অফিশিয়ালদের।
নেংটানিয়াহু গ্রীন সিগন্যাল দিলেন।
এয়ারস্ট্রাইক চালানো হলো সেই ঘর লক্ষ্য করে।
সফল স্ট্রাইকে উল্লসিত কমান্ড সেন্টার।
সেখান থেকে বের হয়ে হাmলার কথা সরাসরি স্বীকার করে নিল নেংটানিয়াহু।
ওয়াশিংটN থেকে দোhহায় ফোন করে স্যরি বলা হলো। বললো, তারা কিছুই জানতো না।
বিল্ডিংয়ের একপাশ, যে রুমে মিটিং চলে, সেটা মাটিতে ধ্বসে পড়েছে।
সফল এয়ারস্ট্রাইক।
কমান্ড সেন্টারে যখন নেংটানিয়াহু হাmলার গ্রীন সিগনাল দিল, তখন দোহায় অন্য একটি ঘটনা ঘটে গেছে।
দোহায় তখন আজান হয়ে গেছে।
সবাই মিটিং রুমে ফোনগুলো রেখে নামাজ পড়ার জন্য চলে যায়।
ফলে হিজ্রাইল যখন সেলফোন গুলো ট্র্যাক করে, তখন সেখানে শুধু ফোন গুলোই ছিল।
ফোনের মালিকেরা চলে গেছিল জামায়াতের সাথে আল্লাহকে হাজিরা দিতে।
ফলে সফল এয়ারস্ট্রাইকের পরও বেচে যায় হামাS এর নেতারা।
হিজ্রাইলী টার্গেটে থাকা হা লীডাররা বেঁচে গেলেও, এই স্ট্রাইকে একজন কাতারী সিকিউরিটি অফিসার সহ ৬ জন শহীD হয়।
কিন্তু মিটিং রুমে ফোন রেখে নামাজে চলে যাওয়ায় বেঁচে যায় মিটিংয়ের জন্য আসা টপ লীডাররা।
©
11/09/2025
সম্প্রতি কাবুলের গভর্নরের এই ছবিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
দেখেন কত সাদাসাপটা জীবন তাদের।
না আছে কোন অহংকার আর না কোন সিকিউরিটি।
শ*রী*য়াহ'র শাসনের আওতাধীন রাষ্ট্রে সরকারী কমকর্তারা হয় জনগণের সেবক। আর তন্ত্র-মন্ত্রের দূ*র্নী*তিগ্রস্তের আওতাধীন রাষ্ট্রে সরকারি কর্মকর্তারা হয় শোষক।
আমরা খেজুর পাতায় বসে গোটা বিশ্ব শাসন করা জাতি।
হ্যা, আমরাই সেই সে জাতি।
— মুসান্না আল ফাইয়াজ
#সীরাহ
10/09/2025
গর্ভাবস্থায় বাচ্চার ছবি দেখতে কেন MRI নয়, Ultrasound ব্যবহার করা হয়? 🤰🤔
গর্ভাবস্থায় শিশুর অবস্থা জানতে আলট্রাসাউন্ড (Ultrasound) সবচেয়ে পরিচিত একটি পদ্ধতি। কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবেছেন, কেন ডাক্তাররা সাধারণত এমআরআই (MRI) ব্যবহার করেন না? এর পেছনে নিরাপত্তা এবং ছবির ধরণ—দুটিই বড় কারণ।
আলট্রাসাউন্ডে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, যা মা ও শিশু উভয়ের জন্যই সম্পূর্ণ নিরাপদ। এটি দ্রুত, সহজলভ্য এবং শিশুর হৃৎস্পন্দন, নড়াচড়া ও বৃদ্ধির রিয়েল-টাইম ছবি দেখায়।
অন্যদিকে, এমআরআই-তে গর্ভের শিশুর ছবি দেখলে আপনি হয়তো অবাক হবেন! আলট্রাসাউন্ডের পরিচিত ছবির মতো না হয়ে, এমআরআই-তে শিশুর কঙ্কাল, নরম টিস্যু এবং অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের এক অতি-বিস্তারিত, কিছুটা ভৌতিক বা কঙ্কালসার ছবি ফুটে ওঠে। 👻 এই ধরনের ছবি প্রথমবার বাবা-মায়ের জন্য বেশ অস্বস্তিকর হতে পারে।
তবে, বিশেষ কোনো জটিলতা নির্ণয়ের জন্য ডাক্তাররা এমআরআই ব্যবহার করেন যা আলট্রাসাউন্ডে পুরোপুরি বোঝা যায় না।
এই পার্থক্যটিই দেখিয়ে দেয়, প্রযুক্তি কীভাবে মানুষের প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়। ✨
মজার তথ্য: মানব ভ্রূণের প্রথম আলট্রাসাউন্ড ছবিটি ১৯৫০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল, যা প্রসবপূর্ব যত্নকে এক নতুন যুগে নিয়ে যায়। 👍
©
10/09/2025
কেন আপনার মস্তিষ্কের জন্য স্ট্রেস দরকার – এড়িয়ে যাওয়ার নয়
স্ট্রেস আসলে মস্তিষ্কের জন্য বিকাশের উদ্দীপনা। পরিমিত চাপ ছাড়া মস্তিষ্ক অলস হয়ে পড়ে, নতুন স্নায়ু-সংযোগ তৈরি হয় না এবং তীক্ষ্ণতাও কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, স্ট্রেস সক্রিয় করে নিউরোপ্লাস্টিসিটি—যা মস্তিষ্ককে শেখা, মানিয়ে নেওয়া ও বিকশিত হওয়ার ক্ষমতা দেয়। চাপ ছাড়া অগ্রগতি সম্ভব নয়।
মানসিক ফিটনেসও শরীরের পেশীর মতো; যেমন শরীর শক্তি গড়তে প্রতিরোধ চায়, তেমনি মস্তিষ্কও শক্তিশালী হতে স্ট্রেসকে প্রয়োজন করে। তাই স্ট্রেসকে ভয় না পেয়ে, বরং সঠিকভাবে ম্যানেজ করে কাজে লাগাতে হবে। কারণ চিরস্থায়ী আরাম ভালো লাগলেও তা বিরক্তি, প্রেরণার অভাব ও ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণের দিকে ঠেলে দেয়।
👉 লক্ষ্য হলো স্ট্রেস দূর করা নয়, বরং এটাকে ম্যানেজ করা, ব্যবহার করা এবং এর মধ্য দিয়েই বেড়ে ওঠা।
আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, কঠিন সময়ে আপনার মস্তিষ্ক আরও তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে? একমত হলে একটি 🧠 দিন!
ট্যাগস: স্ট্রেস ও মস্তিষ্ক, নিউরোপ্লাস্টিসিটি ও স্ট্রেস, স্ট্রেসের উপকারিতা, মানসিক বিকাশে স্ট্রেস, কগনিটিভ রেজিলিয়েন্স, স্ট্রেস ও ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট, মানিয়ে নেওয়া ও বেড়ে ওঠা, চাপের মধ্যে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য।
© Health বার্তা
08/09/2025
আজকের দিনের হিরো হবার কথা ছিল ডাঃ শীর্ষ শ্রেয়ানের। প্রতিটা নিউজ মিডিয়ার একটা করে ক্যামেরা খাড়া থাকার কথা ছিল তার দিকে। ইন্টারভিউ দিতে দিতে তার অবস্থা হতে পারতো পাগলপ্রায়।
ভাগ্যিস, তার কিছুই হয়নি। কেন ভাগ্যিস, পরে বলছি। শ্রেয়ানের কীর্তিটা আগে জানিয়ে দিই।
স্ট্রোকের রোগী এখন ঘরে ঘরে। ধরুন আপনার বাবা বা মা মাথা ঘুরে পড়ে গেছেন। আপনি হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাবেন। সিটি স্ক্যান, এমআরই হবে। ডাক্তার জানাবেন, আপনার বাবা/মা স্ট্রোক করেছেন। শরীর প্যারালাইজড। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। খাওয়া দাওয়া দেয়া হচ্ছে নাকের নলে। প্রচণ্ড অসহায় সময়। আপনি ডাক্তারকে ভীষণ আশা নিয়ে জিজ্ঞেস করবেন, আমার রোগী সুস্থ হবে তো?
ডাক্তাররা তখন আপনাকে দেবেন ভয়ানক এক নির্মম উত্তর।
"স্ট্রোক ভালো করার কোনো চিকিৎসা নেই।"
আপনি ধাক্কা খাবেন। কথাটা বিশ্বাস হতে চাইবেন না। এত কমন রোগ, চিকিৎসা নেই মানে? কিন্তু নির্মম হলেও এটাই সত্যি। স্ট্রোকের সরাসরি চিকিৎসা হয় না। আপনার আপনজন স্যালাইন হাতে শুয়ে শুয়ে ভাগ্য গুণবে। মূলত মৃত্যুর অপেক্ষা। দেহের মৃত্যু হলে তো ভালোই। প্যারালাইজড হয়ে টিকে গেলে মরতে হবে প্রতিদিন।
এই রোগের অনেক রোগীই হাতে পায়ে সেন্স ফিরে পায়, ভাগ্যে থাকলে কেউ কেউ পুরোদমে স্বাভাবিক জীবনেও ফেরে। এটা শরীরের নিজস্ব মেকানিজমের কারণে হয়। মেডিসিন শুধু স্ট্রোক প্রতিরোধ করতে পারে, নিরাময় নয়। শরীরের বল ও সেন্স কিছুটা উদ্ধার করে ফিজিওথেরাপি। সেটাও এক দু দিনে নয়। মাসের পর মাস বছরের পর বছর থেরাপীর ধৈর্য ও সক্ষমতা থাকলে তারপর উন্নতির আশা।
প্রবাদ আছে, টাকায় বাঘের দুধও পাওয়া যায়। জ্বি, স্ট্রোকের মেডিসিন একেবারেই নেই কথাটা সত্যি নয়। আঘাতটা যদি হেমোরেজিক না হয় এবং স্ট্রোক করার পর দ্রুত হাসপাতালে নেয়া যায় তাহলে একটা উপায় আছে। নতুন শতাব্দীতে একটা ঔষধ এসেছে। কিছু প্যারামিটার ঠিক থাকলে এবং ভাগ্য সহায় হলে এই বাঘের দুধ স্ট্রোক প্রায় পুরোপুরি সারিয়ে তুলতে সক্ষম।
বাঘের দুধের জেনেরিক নাম Alteplase। এই মেডিসিন বাংলাদেশে বানায় একটামাত্র কোম্পানী, র্যাডিয়েন্ট ফার্মা।
ও হ্যাঁ, দাম?
৫০ মিগ্রা এর ইনজেকশন ও ইনফিউশনের পার ভায়াল দাম মাত্র ৫০ হাজার টাকা। ডোজ ব্যাপারে শিওর বলতে পারব না। তবে রোগী ৬০ কেজির বেশি হলে দুই ভায়াল লাগার কথা। অর্থাৎ এক লাখ টাকা।
অর্থাৎ এই মেডিসিন গরীব তো বটেই, অধিকাংশ মধ্যবিত্তের নাগালেরও বাইরে। স্ট্রোকের চিকিৎসা স্বপ্নের বাইরে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডাঃ শীর্ষ শ্রেয়ানের কল্যাণে রাজশাহী অঞ্চলের গরীব রোগীরা স্বপ্ন দেখার একটা সুযোগ পেয়েছেন। এই অল্প বয়সী জেদী ছেলেটা নেদারল্যান্ডস থেকে ১৭ কোটি টাকার Alteplase নিয়ে এসেছে দেশে। এই ১৭ কোটির মালিক এখন রাজশাহী অঞ্চলের গরীব লোকজন।
১৭ কোটির ঔষধ শ্রেয়ান কীভাবে ম্যানেজ করেছে বিস্তারিত জানা নেই। তার আইডিতে গিয়ে ট্যাগ করা পোস্ট থেকে দেখছি এসবের জন্য সে যোগাযোগ করেছে World Stroke Organization এবং Direct Relief ও Angels Initiative এর মতো এনজিওর সাথে।
WSO কাউকে ডোনেশন দেয় না, দেয় ডিরেক্ট রিলিফ। শ্রেয়ান সম্ভবত তিনটা সংস্থার সঙ্গে কোলাবরেশন করে কাজ উদ্ধার করেছে। প্রচণ্ড দক্ষ, দাঁত ভাঙা শপথ না থাকলে এসব সম্ভব না। অবশ্য একটা বাচ্চা ছেলের হাতে ১৭ কোটি টাকা কেউ এমনি এমনি দেয় নাকি? আমি চিন্তা করছি এই ডোনেশনের জন্য তার ঠিক কতটা মেইল করতে হয়েছে, কতবার চেক করেছে রেস্পন্স। কজনের পক্ষে এসব সম্ভব জানি না।
একটা ২৩-২৪ বছরের ছেলে বিসিএসের পড়া বাদ দিয়ে বা পড়ার ফাঁকে, জেনজির রাজনৈতিক ডামাঢোল উপেক্ষা করে এবং সমস্ত ঘৃণাবাদকে দূরে সরিয়ে বিদেশী সংস্থার কাছে ধর্ণা দিচ্ছে দেশের গরীব মানুষ বাঁচানোর জন্য!
কী অসাধারণ ব্যাপার! কী অস্বাভাবিক ব্যাপার!
দুই দিন অপেক্ষা করে দেখলাম, এই অতুলনীয় খবরটি কোনো নিউজ মিডিয়ায় জায়গা পায়নি। ডাক্তার ও ডাক্তারদের কয়েকটা ফেসবুক পেজ ছাড়া কোথাও কেউ শীর্ষ শ্রেয়ানকে ধন্যবাদ দেবার দরকার মনে করছে না। ডাক্তারদের বহু দোষ আছে, বদনাম আছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে এদেশের ডাক্তাররা মিরাকল ঘটিয়ে ফেলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। আমি প্রতিবারই দেখি এসব মিরাকল ডাক্তার প্রচার করছে, ডাক্তারই লাইক দিচ্ছে, ডাক্তারই ডাক্তারকে শুভেচ্ছা, ধন্যবাদ, শুভকামনা জানাচ্ছে। অন্য কেউ পুছেও না। আমার তখন এক প্রকার কৌতুকময় করুণা কাজ করে।
শুরুতে যেটা বলছিলাম, আজকের নিউজফিড ডাঃ শীর্ষ শ্রেয়ানের দখলে থাকার কথা ছিল। কোথাও ছেলেটা নেই।
নিউজফিড ও নিউজ জুড়ে ডাকসু। শিবিরের সাদিক কায়েম হাসছেন, এটা অভাবনীয় নিউজ...ছাত্রদলের আবিদ ক্যান্টিনে খাচ্ছেন এটা বিস্ময়কর সংবাদ। এক জিএস সিগারেটের পুটকীতে আগুন জ্বালিয়েছে, দেশ দুইভাগে বিভক্ত। আরেক ভিপি সুন্দর স্পিচ দিচ্ছেন, দেশের মানুষের দিন ভালো যাচ্ছে। একজনের বাড়ির সামনে মাইক নিয়ে গালাগাল হচ্ছে, সব মিডিয়ার ক্যামেরা সেখানে। ঢাবিয়ানরা রাগ করিয়েন না। ডাকসু ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের জন্য উৎসবের ঘটনা, ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে ডাকসু নিয়ে এত আগ্রহের কারণ কী, আমি বুঝতে অক্ষম।
একচুয়ালি মিডিয়ার একেবারেই দায় নেই। মিডিয়া সন্ন্যাসীদের আখড়া না৷ টিভির বুম ধরে যে হাত তার ভাতের দরকার আছে, ক্যামেরা যে কাঁধে রাখে তার কাঁধে আছে পরিবার। এদের বেতন যে লোক দিচ্ছে, নিউজ থেকে টাকা তুলেই তবে সেটা দিতে হয়। মসজিদ মন্দিরে দোয়া প্রার্থনা চাইতে গেলেও আগে কিছু টাকা দেবার অলিখিত নিয়ম আছে।
১৭ কোটি টাকার জীবনদায়ী ঔষধে মানুষের যদি আনন্দ হতো, যদি আগ্রহ থাকতো কিংবা ন্যূনতম কৃতজ্ঞতা...টিভি ও মিডিয়া ক্যামেরা ঠিকই খোঁজে বের করতো ডাঃ শীর্ষ শ্রেয়ানকে।
ভাগ্যিস, কেউ এখনো দরকার মনে করছে না।
একবার ক্যামেরা যাকে পেয়ে যায়, তার পরিণতি দুইটা। বাটপার অথবা ভিলেন। শীর্ষ নীরবে কাজ করেছেন। ক্রেডিটের লোভে এত দূর যাওয়া কারো পক্ষে সম্ভব না। এদেশে ক্রেডিট পাওয়া খুবই সহজ। বহু তরিকা আছে, যেগুলোর সফলতা পরীক্ষিত।
শীর্ষের বয়স এখনো কম। হুট করে বিখ্যাত বনে গেলে মিডিয়ার সার্ভেলেন্সে পড়ে যাবে। তারপর হঠাৎ একদিন ভুল কিছু বলে ফেলল অথবা ঠিকই বলেছে কিন্তু অনেকের কাছে ভুল মনে হলো...দেশের জনতা স্রেফ নরক বানিয়ে দেবে জীবন। ১৭ কোটি অভিশাপ দিয়ে দেবে একদিনে। তার এনে দেয়া মেডিসিনে যে লোকটা হাতে পায়ে বল পেয়েছে, সেও পা দাপিয়ে হাত উচুঁ করে ছুটবে শীর্ষকে মারতে।
ক্রেডিটের দরকার নেই, গুণকীর্তন নিষ্প্রয়োজন। আপাতত মিডিয়া ও প্রশাসন এই বিরল ও ভীষণ দরকারি ঔষধগুলোর ন্যায্য বিতরণে কাজ করুক। ধনীদের সর্বগ্রাসী পেটে যেন এগুলো অন্তত না ঢুকে।
অভিনন্দন ও ভালোবাসা ডাঃ শীর্ষ শ্রেয়ান। তোমার প্রচেষ্টার ফলাফল যেন জীবনে পেয়ে যাও। আশা করি এই উদ্যম তুমি ধরে রাখবে। যে দেশে এক রাতে এক হাজার কোটি টাকার বিদ্যুতের তার চুরি হয়, যে দেশে ছাত্রনেতাদের সম্পদ হয় হাজার কোটির স্কেলে...সেখানে ১৭ কোটি টাকার মূল্য সবার কাছে নাও থাকতে পারে। এসবে হতাশ হইয়ো না।
কিন্তু অল্প হলেও এখনো কিছু মানুষ আছে যারা ভালো মানুষকে ভালোবাসে, সম্মান করে। জীবন্ত জীবাশ্মের মতোই কিছু লোক এখনো ধারণ করে কৃতজ্ঞতার মতো বিরল স্বভাব।
তাদের সম্মান ও ভালোবাসার আলোয় তুমি পথ দেখো।
08/09/2025
ডিপ্লোমাধারীদের একটা বড় দাবি, তারা হাতে-কলমে বেশি কাজ শিখে।
অথচ বাস্তবতা হলো, পলিটেকনিকে এমন কোনো ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ নেই যেটা দিয়ে তারা দেশের অন্যান্য পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের চেয়ে বেশি দক্ষতা অর্জন করতে পারবে।
ডিপ্লোমাধারীরা যদি এর বিরোধিতা করতে চান, তাহলে প্রমাণ দিন আপনাদের ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চেয়ে বেশি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka