Ummah Reborn

Ummah Reborn

Share

বলুন, আমার সালাত, আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহরই জন্য। - (সুরা আনআম -১৬২)

28/10/2025

কনস্টান্টিনোপল: ৮ বার চেষ্টার পর নবীর ভবিষ্যদ্বাণীর পূর্ণতা!

১৪৫৩ সালের ২৯ মে - ইতিহাসের সেই দিন, যেদিন এক তরুণ সুলতান, মুহাম্মদ আল-ফাতিহ (রহঃ), বিশ্বকে দেখিয়ে দিলেন — বিশ্বাস, অধ্যবসায় ও নেতৃত্বের সমন্বয় মানেই অলৌকিক জয়!

কিন্তু এই বিজয় এক দিনে আসেনি।
মুসলমানরা প্রায় ৮ বার কনস্টান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তাম্বুল) জয় করার চেষ্টা করেছিলেন।
প্রথমবার চেষ্টা হয় হযরত উসমান (রা.)-এর সময়, শেষবার সফল হন সুলতান মুহাম্মদ ফাতিহ।

প্রতিটি ব্যর্থ প্রচেষ্টা ছিল একেকটি প্রস্তুতি, একেকটি ইমানের পরীক্ষা।
শেষে রাসুলের (ﷺ) ভবিষ্যদ্বাণী সত্যে পরিণত হয়—

> “তোমরা অবশ্যই কনস্টান্টিনোপল বিজয় করবে। সে সেনাপতি কতই না উত্তম, আর সে সেনাবাহিনী কতই না উত্তম।”
- (মুসনাদ আহমদ, হাদীস: ১৮১৮৯)

সেই দিন থেকেই ইসলামিক ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয় - ইউরোপের দরজা খুলে যায় ইসলামী সভ্যতার জন্য।

একজন মুসলমানের ব্যর্থতা শেষ নয় - প্রতিটি চেষ্টা হয় ঈমানের নতুন প্রমাণ।
যদি নিয়ত সৎ হয়, আল্লাহ একদিন সেই চেষ্টাকেই বিজয়ে রূপ দেন।

15/10/2025

মুসলিম দেশগুলোর ভিতরে মুসলিমদের আকিদার নাম দিয়ে যুগের পর যুগ বিভক্তি চালু রেখেছে।
যদিও ঈমান আনার পর কেবল আল্লাহ যা বলেছেন তা করে গেলেই হয়। এত আকিদার জ্ঞান আমার দরকারই নাই।

অন্যদিকে এক মুসলিম দেশ যখন অপর মুসলিম দেশের সাথে অন্য কোন শক্তির প্ররোচনায় যুদ্ধে লিপ্ত হয় তখন আবার কোন আকিদা বিভক্তি থাকে না। এই যেমন, পাকিস্তানের সব জনগণ এখন শিয়া সুন্নী, বেরেলভি, সালাফি আকিদা ভুলে পাকিস্তানি হিসেবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এক হয়ে গেছে।
একিরকম পাঠান, তাজিক, সালাফি, দেওবন্দি সবাই এখন আফগান জাতীয়তাবাদী। এখন তারা ভারতের সাহায্যে পাকিস্তানকে পরাজিত করতে চায়। তাদের আর ইসলাম দরকার নাই।

এইসব বিভক্তির পিছনে আসল কলকাঠি সব আমেরিকার এটা যে কেউ বুঝতে পারবে।

কিন্তু এদেশের মাথামোটাদের বুঝার দরকার নাই। এক যুগ আগে যখন আইএস নামক দলটি হঠাৎ গজিয়ে উঠল তখনও এদেশের কিছু ইমুশনাল ইডিয়ট তখনকার তরুণদের উস্কানি দিয়ে তাদেরকে ধ্বংস করেছে। এখনও আফ-পাক যুদ্ধে তারা দ্বীন খুঁজে পায়, জিহাদ খুঁজে পায়। আদতে এটা সুস্পষ্ট ফিতনা।

সীমান্তের দুইপারে দুইদল নামাজের সময় নামাজ পড়ছে আবার একজন অপরজনের পোস্ট গুড়িয়ে দিয়ে আল্লাহু আকবর বলে স্লোগান দিচ্ছে। এরচেয়ে দুঃখজনক কি হতে পারে।

এদিকে ইমুশনাল ইডিয়টগুলোর আবার অদ্ভূত আর্মিবিদ্বেষ আছে। তারা আর্মিকে মুরতাদ ঘোষণা করে তা যে দেশেরই হোক।
এখন কুফর দ্বারা চালিত রাষ্ট্রের আর্মি যদি সরকারী আদেশ মানতে গিয়ে মুরতাদ ঘোষিত হয়। তবে তো দেশের আর একজন মানুষও মুসলিম থাকে না।

কারণ, প্রত্যেকে যার যার পজিশন অনুযায়ী ঐ আদেশই তো পালন করছে। সরকারী, বেসরকারী চাকুরীজীবী থেকে স্বাধীন ব্যবসায়ী সবাই মুরতাদ। খালি তোরা শুয়োরগুলা মুসলিম।

অথচ আমাদের উচিত ছিল জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্রের মত মতাদর্শগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলা যার কারণে আমরা বিভক্ত। এইপারে যে আফগান যোদ্ধা মারা গেল সে যেমন মুসলিম, ঐ পারের পাকিস্তান আর্মির সৈনিকটিও মুসলিম। তাদের প্রত্যেকের পরিবার আছে, সন্তান আছে। এক ভয়ঙ্কর শয়তানী সিস্টেম তাদেরকে এক আজব যুদ্ধে লাগিয়ে দিয়েছে। তারা কেউ কাউকে চিনে না, কোন ব্যক্তিগত শত্রুতাও নেই। কিন্তু একে অপরকে কি আক্রোশেই না মারছে।

কিন্তু বিক্রী হয়েছে কারা?
একদিকে পাক জেনারেলরা, আরেকদিকে তালেবানের নেতারা দোহা কনফারেন্সে নিজেদের ঈমান বেচে এসেছে। তারপর থেকে তাদের কোন ইসলামী ইস্যু নাই। সব জাতীয়তাবাদী বর্ডারে বন্দী হয়ে গেছে।

কিন্তু সাধারণ সৈনিক, যোদ্ধাদের দোয়াদরূদ, কালেমা পড়িয়ে যুদ্ধে নামিয়ে দিচ্ছে। তারাও জান্নাতের আশায় যুদ্ধে নেমে গেছে। অথচ, এই ফিতনায় নিহত কেউ জান্নাতি না।

কিছুদিন আগে টিটিপির হয়ে বাংলাদেশী এক তরুণও নিহত হবার খবর এসেছে। কিভাবে গেল এই ছেলে? কারা এসব জিনিসে উৎসাহ দেয়? ঠিক তারাই যারা এক যুগ আগে আইএসের গ্ল্যামার দেখিয়ে তরুণদের পথভ্রস্ট করেছিল।

আল্লাহর রাসুল (সা) উনার জীবনে প্রতিটি বিষয় একদম ক্লিয়ারলি দেখিয়ে গেছেন। পৃথিবীতে যখন ইসলাম থাকবে না তখন কিভাবে দাওয়াহ করতে হবে তাও দেখিয়ে দিয়েছেন।
কেউ একবারও প্রশ্ন করে না, কেন সমস্ত জিহাদ মদীনা রাষ্ট্র হবার পরে হলো?
কারণ, জিহাদের জন্যেও অথরিটি লাগে, বিশেষ করে অফেন্সিভ জিহাদে। এরআগে সাহাবীরা (রা) অনুমতি চেয়েও পাননি।

আইএসের উত্থানের সময় যখন এরকম আলট্রা ইডিয়ট শুয়োরগুলো বিভিন্ন ভিডিয়ো দিয়ে প্রচারণা চালাতো, তখনও এসবের বিরোধিতা করলে আমাদের মুনাফিক বলতো। অথচ, দুদিন পর দেখা গেল এসবের প্রচারকরাই তওবা করে ভাল হয়ে গেছে। কিন্তু ততদিনে ড্যামেজ যা হওয়ার হয়ে গেছে। কত ছেলেপেলে নষ্ট হয়েছে।
আর এই সুযোগ সেকুলার সরকার দারুণভাবে নিয়েছে। নিজেরাই জঙ্গী নাটক সাজিয়ে দোষ চাপিয়েছে নিরীহ মুসলিমদের ওপর।

হলি আর্টিজানের ঘটনাকেও কিছু বদমাশ জিহাদ বলে গ্লোরিফাই করে ফেসবুকে ঝড় তুলেছিল। এখন জিজ্ঞেস কর, শিয়াদের মত তাকিয়া করবে। সরাসরি অস্বীকার করবে।
এই মিথ্যুকের দল আবার যুদ্ধক্ষেত্রের হাদিস টানবে যে, যুদ্ধ হলো প্রতারণা। এখন যেমন, ভারতের সাথে প্রতারণামূলক বন্ধুত্ব করছে আরকি।

কেন এই বিষয়গুলো নিয়ে বারবার লিখছি?
কারণ সেই একযুগ আগে আইএসের উত্থানের সময় দেখেছি আমরা। কিভাবে তরুণদের নষ্ট করা হয়েছে। এখনকার তরুণরা তো তখন শিশু। তারা জানে না কি ঘটেছিল তখন। সেই পুরনো শকুনগুলোই আবার একিরকম গ্ল্যামার দেখিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে।

তাদের সামনে রাসুলুল্লাহর (সা) সীরাতের কোন মূল্য নেই। কারণ তারা নিজেরা হয় ইডিয়ট নয়তো ভয়ঙ্কর বদমাশ যারা কারো মিশন সফল করতে মাঠে নামে।

এই উম্মাহ অবশ্যই বিজয়ী হবে। আল্লাহর রাসুলের (সা) আদর্শেই বিজয়ী হবে। ইমাম মালিকের (র) ভাষায় বলতে হয়, "এই উম্মাহর শেষ অংশ পরিশুদ্ধ হবে তা দিয়ে, যা দ্বারা এই উম্মাহর প্রথম অংশ পরিশুদ্ধ হয়েছিল।"

আমার তরুণ মুসলিম ভাইদের অনুরোধ করবো সীরাত পড়েন আর বুঝেন আল্লাহর রাসুলের (সা) পদ্ধতি। যাতে কোন মাথামোটা শুয়োরশ্রেনীর কেউ আপনাদের জীবন ধ্বংস করতে না পারে। আল্লাহ এই উম্মাহকে, এই উম্মাহর তরুণদের হেফাজত করুন।

© Raheel A Rahman

15/10/2025

বাঙ্গু জাশি রা যেমন তার দলের প্রতি অন্ধ, দলের কোনো ভুল তাদের চোখে পড়ে না, তেমনি এই বাঙ্গু তালিবপ্রেমিরা ও তালিবের প্রেমে অন্ধ।
তালিবের কোনো ভুল ই নাই। অথচ তারা-

১. সুদভিত্তিক(ডলার) অর্থব্যবস্থা চালু রেখেছে,

২. যেই আমেরিকাকে জিহাদ করে বের করেছে সেই আমেরিকা থেকেই স্বীকৃতি চাচ্ছে।

৩. ৪ বছর হয়ে গেলো ক্ষমতায় আছে, কিন্তু ফিলিস্তিনের জন্য কিছুই করলো না। জাতীয়তাবাদী বর্ডারে বসে আছে আর মায়াকান্না দেখাচ্ছে। এই কথা তাদের বললে তারা বলে - "তোমরা বসে বসে কি করছো?" আরে ভাই, আমার কাছে তো স্টেইট পাওয়ার নাই। তাদের কাছে থাকা সত্ত্বেও তারা তা প্রয়োগ করছে না। আল্লাহর থেকে কাফিরদের বেশি ভয় পায়। অথচ আল্লাহ সুবহানুওয়াতায়ালা বলেন- "এবং আল্লাহ কখনও মু’মিনদের বিরুদ্ধে কাফিরদেরকে বিজয়ী করবেননা।" - সুরা নিসা-১৪১।

৪. ভারতের মতো কাফির মুশরিকদের সাথে বন্ধুত্ব করেছে। অথচ আল্লাহ সুবহানু ওয়াতায়ালা বলেন-
"যারা ঈমান এনেছে তাদের প্রতি মানুষের মধ্যে ইয়াহূদ ও মুশরিকদেরকে তুমি অবশ্যই সবচেয়ে বেশি শত্রুতাপরায়ণ দেখতে পাবে," - সুরা মায়িদাহ-৮২।

৫. তারা শরীয়া প্রতিষ্ঠা করেছে বলে, কিন্তু তা আসলে শরীয়া না। আংশিক কিছু শরীয়া আইন বাস্তবায়ন করছে।

আল্লাহ সুবহানু ওয়াতায়ালা বলেন- "তাহলে কি তোমরা কিতাবের কিছু অংশকে বিশ্বাস কর এবং কিছু অংশকে প্রত্যাখ্যান কর? অতএব তোমাদের যারা এমন করে তাদের পার্থিব জগতে লাঞ্ছনা ও অবমাননা ছাড়া আর কী প্রতিদান হতে পারে? এবং ক্বিয়ামাতের দিন তারা কঠিন শাস্তির মধ্যে নিক্ষিপ্ত হবে, আর তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ গাফেল নন।" - সুরা বাকারা-৮৫।

৬. তাদেরকে একটি হকপন্থী দল খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার আহবান করলে তারা তা অগ্রাহ্য করে। খিলাফাহর কোনো স্থায়ী বর্ডার থাকে না। কিন্তু তারা সেই আফগান জাতীয়তাবাদী বর্ডার নিয়ে বসে আছে।

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি নিজেকে জাহিলিয়্যাতের(জাতীয়তাবাদ বা আসাবিয়্যাহ) গৌরবে গৌরবান্বিত করে, তাকে তার পিতার (পিতৃ-পুরুষের) বস্তুর (লজ্জাস্থানের) সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করে রাখো। আর এ কথাগুলো তাকে ইঙ্গিতে নয়; বরং পরিষ্কার ভাষায় বলে দাও।

আল্লাহ তাদেরকে হিদায়াত দিক এবং সঠিক পথে পরিচালিত করুন- আমিন।

12/08/2025

Khilā*fah will be the next global superpower, in shā’ Allāh.

Our lands are blessed with abundant natural resources, immense wealth, skilled manpower, and everything needed for strength and prosperity. Yet, nationalistic borders have divided us, weakening our unity and power.

Rise, O Ummah!
Our brothers and sisters bleed. Our lands are occupied. Our dignity is trampled. This is not the time for silence - it is the time for awakening.

We must rise from the ashes of division, unite upon the Qur’ān and Sunnah, and restore the justice and mercy that the Khilāfah once brought to the world.

The call of history is upon us. The command of Allāh awaits us.
Stand up, unite, and rebuild!

11/08/2025

আস-সফ ৬১:৮

يُرِيْدُوْنَ لِيُطْفِـُٔوْا نُوْرَ اللّٰهِ بِاَفْوَاهِهِمْ وَاللّٰهُ مُتِمُّ نُوْرِهٖ وَلَوْ كَرِهَ الْكٰفِرُوْنَ

তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নিভিয়ে দিতে চায়, কিন্তু আল্লাহ তাঁর নূরকে পূর্ণতাদানকারী। যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।

আস-সফ ৬১:৯

هُوَ الَّذِيْۤ اَرْسَلَ رَسُوْلَهٗ بِالْهُدٰي وَدِيْنِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهٗ عَلَي الدِّيْنِ كُلِّهٖ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُوْنَ

তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্যদ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।

01/08/2025

২০% ট্যারিফ - মূল্যটা কি কেবল শুল্ক? নাকি জাতীয় আত্মসমর্পণ?

বিশ্বব্যাপী পুজিবাদের ফেরিওয়ালা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুঁজিবাদের অন্যতম দর্শন মুক্তবাজার অর্থনীতি ও তার তৈরি তথাকথিত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর নিয়মকানুনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিশ্বব্যাপী “শুল্ক ঝড়” সৃষ্টি করেছে। এর মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হয়েছে যে পুঁজিবাদী ব্যবস্থা অমানবিক ও শোষণমূলক। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির জবাবে নতজানু নীতি অবলম্বন করেছে।

বাংলাদেশকে ২০% ট্যারিফের আওতায় আনতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের সরকার যা দিয়েছে, তা কেবল অর্থনৈতিক নয়, রাষ্ট্রীয় মর্যাদার বিপর্যয়:

✅ ২৫টি ব্যয়বহুল বোয়িং বিমান কিনতে হবে (যা অনেক দেশ বাতিল করছে দুর্বল পারফরম্যান্সের কারণে)
✅ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা ও এলএনজি আমদানির চাপ
✅ ৬২৬টি পণ্যে শুল্ক ছাড় ঘোষণা
✅ চায়না-রাশিয়া-ইরান - এই জোট থেকে দূরে সরে আসতে বাধ্য করা
✅ নন-ডিসক্লোজার চুক্তির মাধ্যমে জনগণকে অন্ধকারে রাখা
✅ একের পর এক গোপন বৈঠকে বাংলাদেশকে ভূরাজনৈতিক ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার।

এটা কি কেবল অর্থনৈতিক সমঝোতা? না এক নতুন উপনিবেশবাদের চুক্তিপত্র?

আল্লাহ্‌ ﷻ বলেন, “আর তারা যদি তোমাদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে পারে তবে তারা হবে তোমাদের শত্রু এবং তারা তাদের হস্ত ও রসনা প্রসারিত করে তোমাদের অনিষ্ট সাধন করবে…” [সূরা আল-মুমতাহিনা: ০২]

পুঁজিবাদী অর্থনীতিবিদরা রাজনৈতিক অর্থনীতির পাঠ নিয়েও বুঝতে পারে না, যে মার্কিন শুল্কনীতি শুধু বাজার নয়, আধিপত্যের অস্ত্র। তারা এই শোষণকে অর্থনৈতিক সমীকরণে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আত্মসমর্পণের যুক্তি খোঁজে।

12/05/2021

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় গাজার একটি বহুতল ভবন বিধ্বস্ত হয়েছে। জবাবে হামাস রকেট হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হামলা শুরুর পর এ পর্যন্ত ৬৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে তিন শতাধিক।
সোর্স -কমেন্টে।














12/05/2021

ইসরায়েলের তেল আবিব শহরে রকেট হামলা চালিয়েছে ফিলিস্তিন। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় একটি টাওয়ারে ইসরায়েলের হামলার জবাবে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো এমন হামলা চালায়। তেল আবিব লক্ষ্য করে ১৩০টি রকেট ছুড়েছে তারা। খবর বিবিসির।
সোর্স -কমেন্টে














Want your school to be the top-listed School/college in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Dhaka