-বর্তমানে কোটাই কি শুধু একমাত্র বৈষম্য? আর কোন বৈষম্য নাই? আর কোন অন্যায় নেই?
- আছে, কিন্তু বর্তমানে ছাত্র সমাজ যখন নিজের স্বার্থে আঘাত লাগবে তখনই কথা বলবে। এর আগে না।
কি কি বৈষম্য থাকতে পারে বলে আপনার মনে হয়? কমেন্ট লিখতে পারেন!
Dopamine Detox
Education Consultancy Agency We are here to solving your focus. Now-a-days, students are facing more destructive issues in their student life.
We are a strong team work for our next generation those who are most prominent assets of our country is Students. So here we will solving your problem Inshallah.
Spending whole years to invest time to increase sales but forget to make products first.
Harunology
Faith is more significant than your cover,
So, don't judge to see the cover.
A reminder for me again
আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে মাত্রই ফুরফুর মেজাজে ঘুরাফেরা করছি। এক ভাই আগের থেকে পরিচয় ছিল না। হুট করে আমার সাথে পরিচিত হলেন। উনি তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ের জার্নালিজমের ছাত্র। আমাকে বললেন যে, আপনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আপনাকে অনেকে অনেক প্রলোভ দেখাবে সর্তক থাকবেন। আপনাকে দিয়ে অনেকে নিজের ফায়দা নিতে চাইবে।
কচি মনে তখন এতো কিছু বুঝে আসেনি। ভাইর কথাটা কিন্তু তখন আমার মনের কোণে দাগ কেটেছিল। আমি এখনও স্মরণ করছি উনার কথাটা কিন্তু মানতে পারিনি উনার উপদেশ। উনার কথাটা তৎক্ষনাৎ ভুলে গেলাম। আমি মজে গেলাম একটা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত একটা ট্যাগ ”আমি ঢাবিয়ান” নিয়ে।
সময় গড়িয়ে গেল, আমার কোন স্বপ্ন ছিল না। কোন স্বপ্নের জন্যে আমি ছুটে চলছি না। ছুটে চলছি কারো মন রক্ষা ও দাসত্বের পেছনে। আমি দাসত্ব শুরু করলাম আমার নিজেরই। আমার পরিবেশ আমাকে আমার দাসত্ব করতে উদ্বুদ্ধ করলো জোরালোভাবে। আমি আমাকে আমার কোন স্বপ্নে পেছনে ছুটাতে পারলাম না। অধিকন্তু, আমি জানতেই পারলাম না আমার স্বপ্ন কী?
এর পর অনেক উত্থান পতন হলো। কত কিছু হয়ে গেল। ক্যাম্পাস কেড়ে নিল আমার দেহে টিকে থাকাটা প্রতিটি প্রাণ (সম্ভাবনার অনেক প্রাণ থাকে)। বুঝে উঠার আগেই হারিয়ে গেলাম। কি করতে হবে না নিজেকে গুটিয়ে নিতে হবে তার মায়া না করেই এগিয়ে গেলাম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। প্রানপণে ছুটলাম ক্ষমতার ঐ জিয়ন কাঠির দিকে।
মিথ্যের মায়াজালে আচ্ছন্ন হয়ে গেলাম। মনে হয় মাথায় সোনার কলসি রেখে দুনিয়া ঘুরে ফিরছি। ধোঁকার আতুরঘরে আমার পদচারণা। এক মোহের পেছনে সবার দৌড়। আমার মস্তিস্ক এঁকে বেঁকে গেল। কথার ফুলঝুড়িতে আমি মোহচ্ছন্ন হয়ে গেলাম। স্বপ্ন তৈরি বদলে তৈরি হলো একরাশ হতাশা আর স্বজনের আহাজারি।
বেশিদিন আর এই অবস্থায় থাকতে হলো না। এর পর আল্লাহ আমাকে স্থির করতেই করোনা নামক মহামারির অবতারণা করলো। আমি স্থির হলাম। স্বপ্ন নিয়ে ভাবলাম। জীবনে দর্শন আসলো। নিজের দর্শন এতোই শক্তিশালি রূপ নিলো যে, আমার পিছু টানের সবকিছুকে ছাড়িয়ে গেলাম। নিজেকে আবদ্ধ করলাম স্বপ্নের এক কুঁড়েঘরে।
এখন স্বপ্নেরা আমার চারপাশে ঘুরাফেরা করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনের সবচেয়ে কঠিন পতন হলো স্বপ্ন ছাড়া একটা দেহ।
স্বপ্ন দেখো, স্বপ্ন তোমার জীবনে পরিবর্তন করবে আশানুরূপভাবে।
জীবনকে কোন প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে বিক্রি করে দিও না। নিজেই ইতিহাস গড়ার মিছিলে ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকারী হও।
#জুনিয়র্সদের_উদ্দেশ্যে।
মোহাম্মাদ হারুনুর রশিদ
পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
সেশনঃ ২০১৮-১৯
প্রিয় সদ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স প্রাপ্ত ও প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীরা❤️
✅তোমাদের উদ্দেশ্য আমার কিছু কথা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে হল জীবনটা তোমার জীবনের অভিশাপ হিসেবে না আসুক সেই দোয়া করি। (বিতর্ক করতে আসবেন না এটা নিয়া)
অর্থনীতি দোহাই দিয়ে নিজে অসহায়ত্বকে ফুটিয়ে তুলো না।
যেহেতু পাবলিকে আসতে পারছো, তোমার ভেতরে কিছু একটা আছে।
প্রথম বর্ষ থেকে উপার্জনের রাস্তা বের করো, টার্গেট নাও ৬ মাসের ভেতরে নিজের অর্থনীতিক অবস্থার পরিবর্তন করবা। হল ছেড়ে বাসা নিবা।
বাসা ছেড়ে বড় অফিস নিবা! (আমি কি বাড়িয়ে কিছু বলছি?)
এই ৬ মাস এডমিশনের মতো খেটেখুটে লেগে পরো।
এই ছয়টা মাসকে সারাজীবন মনে রাখবা।
ক্যাম্পাসে আড্ডা দিয়ে যে সময় আমরা নষ্ট করি তা যদি তোমার স্বপ্নের পেছনে নষ্ট করো তবুও তুমি সফল হবা।
প্রচুর তথ্য গুগলে আছে, গুগল, চ্যাট জিপিটি এসবকে জিজ্ঞেস করে নিজের স্কীল অর্জন করো৷
তথ্য গ্যাপের কারণে পাবলিকিয়ানদের ৯৫% হতাশায় থাকে।
সবশেষে!
বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন আসছো সেই জিজ্ঞেসটা নিজেকে করবা প্লিজ।
আমরা অন্যকে দেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দুদিন পরই হতাশায় ডুবে যাই।
আমাদের কোন লক্ষ্য আর অবশিষ্ট থাকেনা।
অগোছালো কিছু কথা বললাম।
কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানাও।
My comfort zone is try to killing me silently.
®Dopamine Detox
“The most common way people give up their power is by thinking they don’t have any.”
~ Alice Walker
আমাদের জেনারেশন আসলেই জানেনা আমাদের সামনে স্টেপ কী?
সামনের ভয়াবহতার খবর তারা জানে না,
তাদের বাস্তবতা সম্পর্কে খুব কমই জ্ঞান রাখেন।
অধিকন্তু, আমাদের গুরুজনেরা এসব নিয়ে কথাবার্তা বলেনই না।
প্রতিদিন ১০ পৃষ্ঠা করে পড়ার আন্দোলন তৈরি হোক।
আপনি যে বিষয় নিয়ে ক্যারিয়ার ফোকাস করতে চান সে বিষয় নিয়ে বুঝে বুঝে ১০ পৃষ্ঠা পড়ুন।
তাহলে বছরে ১০-১৮ টি বই শেষ করতে পারেন।
এতে কম কি?
শারীরিক অসুস্থতা মূলত আমাদেরকে বড় একটা এক্সকিউজ।
এটাকে পুঁজি করে আমরা আমাদের অক্ষমতাকে ঢেকে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাই।
যেমন!
তুমি গত পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করো নি কেন?
কারণঃ আমি ৩ বছর আগে অসুস্থ থাকায় প্রিপারেশন নিতে পারিনি!
এসব হলো সবচেয়ে কমন কিছু বাজে এক্সকিউজ যা আমরা সবসময় পুঁজি করে বেঁচে থাকতে চাই।
শারীরিক অক্ষমতা সফলতার জন্যে বাঁধা নয় এর বড় উদাহরণ স্টিফেন হকিং❤️
মহান হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করবেন না।
আপনি যদি জীবনে পরিবর্তন আনতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে নিজের পরিবর্তন আনতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka