23/04/2026
মিথ্যা বলার স্বভাব মানুষের চেহারাকে
কুৎসিত বানিয়ে দেয়।
- ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ.
সূত্র: আ’লামুল মুওক্বিঈন, ১/১১৪
ইসলাম ও সুন্দর জীবনের পথে...
23/04/2026
মিথ্যা বলার স্বভাব মানুষের চেহারাকে
কুৎসিত বানিয়ে দেয়।
- ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রহ.
সূত্র: আ’লামুল মুওক্বিঈন, ১/১১৪
বর্তমান যুবকদের মাঝে গুনাহ প্রকাশ করে দেওয়ার প্রবণতা বেশি লক্ষ্য করা যায় ।
বন্ধুদের সাথে আড্ডায় একসাথে হলেই চলে গুনাহ করার প্রতিযোগিতা ।
এবং গুনাহ প্রকাশ করে হাসাহাসি মজা নেওয়াটাও একটা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে ।
দোস্ত আজকে অমুক মুভিটা দেখলাম, সেই ছিলো,
দোস্ত ঐ মেয়েটার সাথে কাল সারারাত কথা বললাম ।
ঐ মেয়েটা কিন্তু দেখতে সেই ।
ঐ শিল্পীর নতুন গানটা শুনেছিস?
সেই ছিলো ।
নাটকটা কিন্তু আমার দেখা হয়ে গেছে ।
নতুন একটা রিলেশনশিপ এ জড়িয়েছি ।
একটা লোকের কাছ থেকে পাঁচশ টাকা মেরে দিয়েছি ।
বর্তমান আড্ডায় গীবত, হিংসাত্বমূলক কথা তো থাকেই, আরো থাকে নিজের গুনাহের কথা প্রকাশ করে মজা নেওয়া, অন্যকে হাসিয়ে রাখা ।
উপরের যে কথাগুলো বললাম, সবগুলাই বড় ধরনের কবিরাহ গুনাহ ।
বা এর চেয়ে খারাপ খারাপ গুনাহের কথা প্রকাশ পায় বন্ধুদের আড্ডায় ।
অন্যকে নিজের গুনাহের কথা বলা মানে আরেকটা সাক্ষী তৈরি করা ।
তাই গুনাহ করেছেন, গোপনেই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান ।
আল্লাহ আপনাকে গোপনেই ক্ষমা দিবেন ইনশাআল্লাহ ।
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, নিজের অপরাধ প্রকাশকারী ছাড়া আমার সমস্ত উম্মাতের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে। নিজের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করার মানে হচ্ছে এই যে, মানুষ রাতে কোন্ ধরনের অপরাধজনিত কাজ করে, তারপর সকাল হয় আর তার পালনকর্তা সেটা লুক্কায়িত রাখেন। এতদ্সত্ত্বেও সে বলে, হে অমুক! গতরাত্রে আমি এ কাজ করেছি। অথচ রাতে তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রেখেছেন এবং অবিরত তার পালনকর্তা সেটাকে গোপন রাখছিলেন আর সে রাত অতিবাহিত করছিল। কিন্তু সকালে সে তার পালনকর্তার গোপনীয় বিষয়টিকে উন্মোচন করে দেয়।
সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭৩৭৫
আপনি যদি গুনাহ গোপণ রাখেন, আল্লাহ তায়ালা আপনার গুনাহ গোপণ রেখে, কি পুরস্কার দিবেন দেখেন ।
সফ্ওয়ান ইবনু মুহ্রিয (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
যে, এক লোক ইবনু ‘উমার (রাঃ) -কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি ‘নাজওয়া (ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ ও তাঁর মু‘মিন বান্দার মধ্যে গোপন আলোচনা)। ব্যাপারে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে কী বলতে শুনেছেন? বললেন, তিনি বলেছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি তার প্রতিপালকের এত কাছাকাছি হবে যে, তিনি তার উপর তাঁর নিজস্ব আবরণ টেনে দিয়ে দু‘বার জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। আবার তিনি জিজ্ঞেস করবেনঃ তুমি এই এই কাজ করেছিলে? সে বলবেঃ হাঁ। এভাবে তিনি তার স্বীকারোক্তি গ্রহণ করবেন। এরপর বলবেনঃ আমি দুনিয়াতে তোমার এগুলো লুকিয়ে রেখেছিলাম। আজ আমি তোমার এসব গুনাহ ক্ষমা করে দিলাম ।
[ সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬০৭০ ]
আল্লাহ আপনাদের গুনাহ গোপণ রাখার তাওফিক দান করুন ।
এবং প্রকাশ্য গুনাহগুলোও ক্ষমা করুন ।
সব গুনাহের জন্য রাসুল সা. এভাবে দোয়া করতেন ।
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদায় গিয়ে বলতেন, “ আল্ল-হুম্মাগফিরলী জাম্বি কুল্লাহ্ দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু ওয়া আও-ওয়ালাহু ওয়া আ-খিরাহু ওয়া আলা-নিয়্যাতাহু ওয়া সির্রাহু” (অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি আমার সকল ছোট-বড়, আগের-পরের, গোপনীয় ও প্রকাশ্য গুনাহ মাফ করে দাও।
মুসলিম ৪৮৩, আবূ দাঊদ ৮৭৮, সহীহ ইবনু হিব্বান ১৯৩১, মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং ৮৯২।
-
✍️ : আমিরুল ইসলাম
17/02/2026
রমাদানে অনেক বড় বড় কিছু করার পরিকল্পনা না করাই ভালো। সারাবছর ফেসবুকে লম্বা লম্বা, তাফসির পড়া, সীরাত পড়া—সব রোজার জন্য তুলে রাখবেন না।
রমাদানে মূলত এই কয়েকটি আমলই যথেষ্ট—
১- রমাদানে রোজা রাখুন।
মুখের, হাতের ও অন্তরের—পরিশুদ্ধ রোজা।
২- কোরআন তিলাওয়াতে করুন।
অর্থ বোঝার চাপ এই মাসে না নিয়ে, তা এগারো মাসের জন্য রাখুন।
৩- তাসবীহ পড়ুন।
চলতে ফিরতে, কাজের ফাঁকে, মুখে ও অন্তরে বেশি বেশি তাসবিহ পড়ুন।
৪- ঘরের লোকদের যত্ন নিন।
সাওয়াবের নিয়তে যত্ন করে ইফতার ও খাবার তৈরি করুন।
বুড়ো ও বাচ্চাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করবেন না—এটা অনেক বড় আমল।
সবর করে সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলুন।
৫- সাধ্যানুযায়ী দান করুন।
৬- দোয়া করুন।
মনে মনে, প্রকাশ্যে, নামাজে ও মুনাজাতে। সারাক্ষণ আল্লাহর সাথে কথা বলার অভ্যাস করুন।
৭- রাগ কন্ট্রোল করুন। কারও সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না। কারও প্রতি রাগারাগি প্রকাশ করবেন না।
এই সাতটি আমল ঠিকভাবে করতে পারলে, অন্য কিছু না করলেও আপনার রমাদান সফল।
নামাজ তো সারাবছরই যত্ন করে পড়ার কথা—উপরের আমলগুলোতে গুরুত্ব দিলে নামাজ নিজেই আপনাকে টেনে নেবে।
ইফতার বানাতে গিয়ে আসরের নামাজ শেষ ওয়াক্তে নিবেন না।
রমাদানে যত লোভনীয়ই হোক, সব ধরনের কোর্স ও অনলাইন কার্যক্রম থেকে দূরে থাকুন।
আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন।
- সংগৃহীত।
শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফজিলত, কী করবেন আর কী করবেন না ‼️
১. শবে বরাত কি বিশেষ কিছু? এটি কি সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত?
➤ জ্বী, এই রাতটি ফযিলতপূর্ণ; এর বিশেষত্ব আছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "আল্লাহ তায়ালা মধ্য শাবান (১৪ তারিখ দিবাগত রাত, অর্থাৎ শবে বরাত)-এর রাতে তাঁর সৃষ্টির প্রতি (রহমতের) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষনকারী ব্যতীত সকলকে ক্ষমা করে দেন।'
রেফারেন্স: সহীহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫, শায়খ আলবানি, আরনাউত্ব, আওয়ামাসহ মুহাদ্দিসগণ হাদিসটি সহিহ বা হাসান বলেছেন।
[ সুতরাং ক্ষমা পাওয়ার এত বড় একটা সুযোগকে ঘুমিয়ে থেকে হাতছাড়া করা উচিত নয়।]
২. এই রাতের কি বিশেষ কোনো আমল আছে?
➤ জ্বী না, সহীহ সনদে এই রাতের কোনো বিশেষ আমল নেই। যে কোন নফল আমল এই রাতে করা যেতে পারে।
৩. এই রাতে আমরা কী করব?
➤ যেহেতু সহিহ হাদিস অনুসারে এই রাতটি ফযিলতপূর্ণ সেহেতু এই রাতে আমরা
(১) নফল নামাজ পড়তে পারি,
(২) সুন্নাহসম্মত বিভিন্ন যিকর করতে পারি,
(৩) দু'আ করতে পারি,
(৪) রাসূল (সা.) এর উপর দরুদ পড়তে পারি
(৫) তাওবাহ-ইস্তেগফার করতে পারি
(৬) দান-সাদাকাহ্ করতে পারি।
(৭) কাজা নামাযগুলো আদায় করতে পারি।
এসব নফল ইবাদত এই রাতে বৈধ ও মুস্তাহাব হওয়ার পক্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রায় সকল আলেম একমত।
রাতটির বিশেষত্ব আছে বলেই এ রাতে যে কোনো নফল ইবাদত করা যায়। তবে এগুলো সুন্নাত মনে করা যাবে না বা যারা এসব ইবাদত করবে না তাদেরকে নিন্দা করা যাবে না।
৪. শবে বরাতের কোনো রোযা আছে?
➤ দুর্বল একটি হাদীসে এসেছে রোযার কথা। তবে যেহেতু নবীজি শাবান মাসে খুব বেশি পরিমাণে সিয়াম (রোযা) রাখতেন সেহেতু এই মাসে বেশি বেশি রোযা রাখা উত্তম।
আর প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোযা রাখা তো সুন্নাত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে (নিয়তে) রোযা রাখলে কোনো সমস্যা নেই।
★ তাই যারা সিয়াম রাখতে চান তাঁরা (সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার)- মোট তিনটি সিয়াম রাখুন।
প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে রোযা রাখা সুন্নাত, সেই হিসেবে চলমান শাবান মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ ঈসায়ী হিসেবে ২, ৩ ও ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ হয়।
৫. এই রাতে কি ভাগ্য পরিবর্তন হয়?
➤ এই রাত ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্যরজনী হলো, লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। প্রয়োজনে দেখুনঃ সূরা আল কদরের তাফসীর, যেকোনো তাফসীরগ্রন্থ থেকে।
[শব্দটি মূলত শবে "বরাত" না, শবে "বারাআত"। বারাআত মানে মুক্তি। যেহেতু এই রাতে গোনাহ থেকে মুক্তির সুসংবাদ এসেছে তাই এই নাম।
৬. এই রাতে কি হালুয়া-রুটি করা ভালো?
➤ জ্বী না। বরং এটি একটি নিকৃষ্ট প্রথা, যা আমাদের সমাজে চালু হয়েছে। তেমনি হৈ-হুল্লোড়, আতশবাজি ফুটানো -- এগুলো খুবই বাজে প্রথা। যা কোনো হাদীসেই নেই।
৭. এই রাতে গোসলের কোনো ফযিলত আছে?
➤ না, এটি একটি বাজে প্রথা। এই রাতে গোসলের কথা হাদিসে আসেনি। কেউ সুন্নাত মনে করে এই রাতে গোসল করলে সেটি হবে বিদ'আত (দ্বীনে নবআবিষ্কার)।
এই রাতের আমল হবে একাকী, সম্মিলিত নয়। এই রাতে বিশেষ সূরা বা বিশেষ বাক্য দিয়ে যেসব নামাযের কথা বলা হয় সেগুলো ভিত্তিহীন, বানোয়াট।
#শবেবরাত
12/12/2025
ওসমান হাদির মতো জুলাইকে এতোটা সাচ্চাভাবে আর কেউ ধারন করেছে কিনা জানি না। জীবনদাতার কাছে তার জীবন ভিক্ষা চাচ্ছি।
আয় আল্লাহ! এই চোখের পানি, এই মাথার রকত আপনি কবুল করুন। এই কুরবানি ও সংগ্রাম কবুল করুন। আমাদের বিপ্লবীদের দীর্ঘ নেক হায়াত দান করুন। পরিপূর্ণ সুস্থ রূপে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন।
❝আমার শায়খ হযরত আরেফি রহ. এর নিত্যনৈমিত্তিক আমল ছিল, তিনি পবিত্র রমাযান মাসে আসর নামাযের পর থেকে মাগরিব নামাযের পূর্ব পর্যন্ত মসজিদে অবস্থান করতেন। এ সময় প্রথমে তিনি তার নিজের মামুলাতগুলো আদায় করতেন।
এরপর বাকি সময় দুআয় অতিবাহিত করতেন। ইফতার পর্যন্ত হাত তুলে মুনাজাত করতেন। সেই দুআর মাঝে তিনি তাঁর দুনিয়ার সকল প্রয়োজন, আখিরাতের সকল চাওয়া, নিজের প্রয়োজন, ঘরের লোকজনের প্রয়োজন, আত্মীয়-স্বজনের প্রয়োজন, শুভানুধ্যায়ীদের প্রয়োজন, এভাবে তিনি একেকজনের নাম ধরে ধরে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন।
আমাদের মধ্য হতে কেউ হযরতের সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি বলতেন, ‘ভাই, আমি তোমার নাম নিয়ে তোমার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করেছি।❞
-মুফতী তাকী উসমানী
কুরআনি দুআউঁ কি তাশরিহ
পৃষ্ঠা : ১৭
জামাতে ইসলামির সাথে ঐক্য নিয়ে শায়খ হারুন ইজহারের কথাগুলো শুনতে পারেন।
জানা ও বুঝা জরুরী।
আপনার দুআ কখনোই হারায় না।
যে দুআ আপনি রাতের নীরবতায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, বিনয়ের সাথে আল্লাহর দরবারে ফিসফিস করে বলছেন সেই দুআ জীবন্ত, আল্লাহ তা শুনছেন, এবং তিনি তা লিখে রাখেন একটি সময়ের জন্য, যা আপনার কল্যাণে সর্বোত্তম।
ইস্তিগফার চালিয়ে যান।কারণ রহমতের দরজা ইস্তিগফারের মাধ্যমেই খুলে।
যদি মনে হয় বহু দিন ধরে হাত তুলছেন, তবুও পরিবর্তন আসছে না—এক মুহূর্তের জন্যও ভাববেন না যে আল্লাহ আপনাকে উপেক্ষা করছেন। তিনি কারো দুআ ফেরত দেন না; তিনি শুধু তা লিখে রাখেন—সর্বোত্তম সময়ে, সর্বোত্তম রূপে।
আপনার জীবন, আপনার যাত্রার প্রতিটি খুঁটিনাটি আল্লাহ নিজ হিকমতে সাজিয়ে দিচ্ছেন।
প্রতিটি বাঁক, প্রতিটি অপেক্ষা, এমন কল্যাণ লুকিয়ে আছে, যা হয়তো এখন আপনার চোখে দেখা যায় না কিন্তু আপনার রব সব দেখেন, সব জানেন।
অপেক্ষা করাটা নিজেই রহমত। যদি মন ক্লান্ত হয়ে পড়ে বা হাল ছেড়ে দিতে ইচ্ছে করে—থেমে যান। হয়তো আল্লাহই চান আপনি আবার তাঁর দিকে ফিরে আসুন। আবার তাঁর নাম নিন। আবার দুআ করুন নতুন ভরসায়।
দুঃখকে বুকে বাসা বাঁধতে দেবেন না। প্রতিদিন নিজেকে বলুন—“আমার দুআ আসমানের পথে আছে। আমার রব আমার জন্য যথেষ্ট।”
মনে রাখবেন,শয়তানের একমাত্র লক্ষ্য হলো আপনাকে আপনার দুআ থেকে হতাশ করা।
তার ফিসফিসানি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিন। সবর করুন। তাওয়াক্কুল দৃঢ় রাখুন।
কারণ— আল্লাহ সেই রব, যিনি অসম্ভবকেও সহজ করে দেন।
বাউল সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই
প্রত্যেক বাবা-মায়ের জন্য শোনা জরুরি।
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ فَجْأَةِ الْخَيْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فَجْأَةِ الشَّرِّ
আল্লাহুম্মা ইন্নী আস'আলুকা মিন ফাজ'আতিল খায়রি ওয়া আয়ূযুবিকা মিন ফাজ'আতিশ শাররি।
হে আল্লাহ! 'হঠাৎ করে' আসা সুসংবাদগুলো চেয়ে নিচ্ছি তোমার কাছে। আর আশ্রয় ও পানাহ চাচ্ছি 'হুটকরে' চলে আসা দুঃসংবাদগুলো থেকে।