16/06/2020
ফেসবুক মার্কেটিংয়ের জন্য ৭০-২০-১০ রুল 🔥
একবার আপনার পেজ অপটিমাইজ করা হয়ে গেলে এবার আসে কন্টেন্ট তৈরীর পালা। কন্টেন্ট তৈরীর ব্যাপারে অবশ্যই আপনাকে কৌশলী হতে হবে। আপনার যদি এ ব্যাপারে বুঝতে কোন সমস্যা থাকে, তাহলে ৭০-২০-১০ রুল ফলো করা শুরু করুন-
⭕ ৭০% সময় অরিজিনাল কন্টেন্ট পোষ্ট করুন।
⭕ আপনার ফলোয়ারগণ যে বিষয়ে আগ্রহী তা নিয়ে ২০% পোষ্ট করুন।
⭕ নিজস্ব প্রোমোশনমূলক ১০% পোষ্ট করুন।
একজন মার্কেটার হিসেবে আমি জানি যে, একটি ফেসবুক পেইজকে প্রতিষ্ঠিত করা কতটা কঠিন। কিন্তু একই সাথে এটাও আমাদের সবার জানা যে, এটা চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব কোন কাজ নয়। তথ্য নির্ভর কন্টেন্ট, সঠিক অডিয়েন্স টার্গেট করা, কন্টেন্ট পোষ্টিংয়ের জন্য সঠিক সময় নির্বাচন করাসহ কিছু ছোট ছোট বিষয়ে একটু কৌশলী হলেই ফেসবুক মার্কেটিংয়ে সফল হওয়া সম্ভব। ফেসবুক মার্কেটিং টিপসটি আপনাদের কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। বেশি ভালো লাগলে তো শেয়ার অবশ্যই 🤘 ধন্যবাদ ❤
16/06/2020
🔥
আপনি যেই সেক্টরেই থাকুন না কেন, আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে ভাইরাল মার্কেটিং ও কনটেন্টের গুরুত্ব বলে হয়তো শেষ করা যাবেনা। ছবি বা লেখাকে প্রোমোট করতে আপনার আর তেমন খাটনি করার প্রয়োজন হবে না। মানুষই ( CORONA ) ভাইরাসের মত কনটেন্টটি ছড়িয়ে দেবে। এই ধরণের কনটেন্ট তৈরী ও প্রকাশ করার পরে আপনার কাজটি হল তার দিকে নজড় রাখা, যেমন ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি প্রায় সকল সোশ্যাল মিডিয়াতেই ইনসাইট বা এ্যানালিটিকস রয়েছে যা দিয়ে আপনি একটি কনটেন্ট কতোটা ভালো পারফর্ম করছে বা না করলে কি সমস্যার কারণে করছে না ইত্যাদি জানতে পারেন। দিন শেষে, একটি কথা না বললেই নয়! তা হল ভালো কনটেন্ট তৈরী করুন। ক্যাপশান, পোস্ট করার সময়, প্রিভিউ ইমেজ ইত্যাদির উপরেও অনেকাংশে ভাইরালিটি নির্ভর করে।
তবে ভাইরাল মার্কেটিং করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী মাধ্যম হচ্ছে ফেসবুক 💣 ধন্যবাদ 🤘
16/06/2020
একটা বিজনেস শুরু করার জন্য, প্রোডাক্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর প্রোডাক্ট সিলেকশন এতটাও সহজ না। তবে হাইপার নিস নিয়ে কাজ করলে প্রফিট অনেক বেশি হয়। কিভাবে হাইপার নিস সিলেক্ট করা যায় তার একটা ডেমো দেয়া হলো আশা করি সঠিক প্ল্যান নিয়ে কাজ করবেন। ধন্যবাদ ❤🔥
16/06/2020
ফেসবুকে ‘এনগেজমেন্ট’ বাড়ানোর সহজ কৌশল 😏
এনগেজমেন্ট বাড়ানোর একটি ভালো উপায় হলো ফ্যান-ফলোয়ারদের কাছে প্রশ্ন রাখা। এজন্য আপনি ফিল ইন ব্ল্যাঙ্ক ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন। আবার পপআপ টাইপের প্রশ্ন করতে পারেন। যেমন একটা উদাহরণ দেই। লাক্সারি গাড়ির কথা মনে হলে, আপনার কোন গাড়ির কথা প্রথমে মাথায় আসে? ফ্যানদের কাছে এরকম প্রশ্ন করুন। দেখবেন, তারা আপনার পোস্টে কমেন্ট করতে শুরু করেছে।
Am'I Right..? OR Am'I Right...?? 😁
16/06/2020
ফেসবুকে ‘এনগেজমেন্ট’ বাড়ানোর আরেকটি সহজ কৌশল
👇
ফেসবুককে মার্কেটিং টুলস হিসেবে ব্যবহার করতে চান? চমৎকার। তবে, ফেসবুক-কে শুধু পণ্য বিক্রির মাধ্যম বানাবেন না! আপনি আপনার কর্মীদের ছবি দিন। ক্রেতারা আপনার পণ্য ব্যবহার করে কি বলে, সেটা তুলে ধরুন। কিভাবে এবং কোথায় আপনার পণ্য তৈরি হয় তার ভিডিও চিএ তুলে ধরুন৷ যে শহরে আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সেখানকার কিছু কিছু বিষয় তুলে আনুন। দেখবেন, এনগেজমেন্ট অনেক বেড়ে গেছে 🔥✌
16/06/2020
ফেসবুকে ‘এনগেজমেন্ট’ বাড়ানোর সহজ কৌশল 🙄🤗
সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে স্থির থাকুন। ছোট্ট একটা গবেষণা করুন। আপনার দেওয়া আগের পোস্টগুলো দেখুন। সেখানে দেখুন কোন পোস্টগুলো লোকজন লাইক দিয়েছে, কমেন্ট করেছে, শেয়ার দিয়েছে। সেই ধরনের পোস্ট বেশি করে দিন। ফেসবুক অ্যালাগারিদম আপনাকে বেশি বেশি অর্গানিক রিচ এনে দেবে। যেমন আপনারা আমার পেইজের এই পোস্ট গুলো বেশি পছন্দ করেন তাই এই পোস্ট গুলো দিচ্ছি 😁
16/06/2020
কনটেন্টের ভাইরালিটি কি ভাগ্যের খেলা, নাকি অন্য কিছু?
না! ভাইরালিটি কোন জুয়ার দান নয়। এর পেছনে অবশ্যই কিছু ফ্যাক্টর রয়েছে। প্রোফেসর জোনাহ্ বার্গার এই ফ্যাক্টরগুলোকে একসাথে বলেন STEPPS, যা ছয়টি বৈশিষ্টের একটি লিস্ট। একটি কনটেন্ট এই ছয়টি বৈশিষ্টের যতগুলোর সাথে সন্ধি করবে, কনটেন্টটি ততটাই ভাইরাল হবে। আর যেমনটি আগেও বলা হয়েছে, ভাইরাল কনটেন্ট আপনার ব্র্যান্ড বা পণ্যকে নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করবে। লাভ কিন্তু দিন শেষে আপনারই।
STEPPS এর শর্তগুলো এমনঃ
Social Currency
Triggers
Emotion
Public
Practical Value
Stories
বিস্তারিত জানতে আমাদের কোর্সে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
01/06/2020
ফেসবুকে লিংক শেয়ার করা মানেই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং না 🤔
অনেকের ধারণা শুধুমাত্র ফেসবুকে লিংক শেয়ার করা মানেই হচ্ছে এসএমএম বা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং হচ্ছে। এজন্য সেটুকু জ্ঞান নিয়েই কাজ শুরু করে দেয়। এব্যাপারে সবার পরিস্কার ধারণা থাকা দরকার। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং যদি শিখা শুরু করেন, শেষ করতে পারবেননা। যে বিষয়ে মার্কেটিং করবেন সেই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে আগে নিজেকে influencer হিসেবে তৈরি করতে হয়। তারপর মার্কেটিং করতে হয় অবশ্যই টেকনিক নিয়ে, সেই মার্কেটিংকে আবার মনিটরিং করার পদ্ধতিও জানা থাকতে হয়। কোয়ালিটি কনটেন্ট লিখার জ্ঞান থাকতে হয়, তাহলেই অন্যকে আকৃষ্ট করতে পারবেন। টার্গেট ক্লায়েন্ট আগে খুজে বের করতে হয়, সেই ক্লায়েন্টদের চিন্তাভাবনা, চাহিদাগুলো নিয়ে আগে গবেষণা করতে হয়। তারপর মার্কেটিং পরিকল্পনা সেট করতে হয়। বিষয়টি এত সহজ বিষয়না। বিষয়গুলো আগে শিখতে হয়, অনেকদিন নিজে চর্চা করতে হয়, তারপরই মাঠে নামতে হয়। তাহলেই শুধুমাত্র সফল হওয়া যায় সহজে 🤘🔥❤
01/06/2020
খুব সহজেই টাকা ইনকাম করুন 💰 থামুন 🖐
আগেই টাকা টাকা করলে জীবনেও টাকা ইনকাম করতে পারবেন না। আপনি যদি টাকা ইনকাম করতে চান আগে আপনাকে শিখতে হবে। একজন হাতুঁড়ে ডাক্তার প্রতিদিন বসে থাকে রোগীর আশায়। তাও তার ইনকাম আর কত হয়। কিন্তু যারা এক্সপার্ট ডাক্তার তারা একটা অপারেশন করেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করেন। এখন আপনারাই বলুন, এক্সপার্ট ডাক্তার কি অপারেশনের আগেই টাকা ইনকামের কথা চিন্তা করে.? প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়মটা একই। ধন্যবাদ ❤
27/05/2020
✌️✌️✌️
যেই মুহূর্তে তুমি হাল ছেড়ে দিবে, সাথে সাথেই হেরে যাবে ⚡
19/05/2020
😍😍😍
ফেসবুকে নাকি করবেন.?
দুইটার মধ্যে পার্থক্য কি। আসুন জানি !! 😬
অনেকের ধারনা ফেসবুকে বুস্ট করলে পেইজে মানুষের উপস্থিতি বাড়বে তাহলেই বিক্রি বাড়বে। আসলে ধারনাটি ভুল।
বুস্ট আপনি আপনার পেইজের যেকোনো পোস্টকে করতে পারবেন। কিন্তু সব পোস্টে কি কাস্টমার পাবেন?? কখনই না। আপনি তখনই কাস্টমার পাবেন যখন ব্যবসায়িক উদ্দ্যেশে মার্কেটিং করবেন। বুস্টিং যেকোনো ভাবেই আপনি করতে পারেন কিন্তু মার্কেটিং এ থাকে একটি সঠিক প্ল্যান।কিভাবে নির্দিষ্ট কাস্টমার পাবেন.? কিভাবে তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি করবেন.? এবং তাদেরকে মানিয়ে নিজের ব্যবসা বৃদ্ধি করবেন। আর এখন যেহেতু ডিজিটাল যুগ সেহেতু এ কাজটি খুব সহজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফেসবুক মার্কেটিং এর মাধ্যমে করে সম্ভব। একটি সঠিক মার্কেটিং প্ল্যান বদলে দিতে পারে আপনার ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ। তাই অযথা খরচ না করে সঠিক ডিজিটাল মার্কেটিং করুন 🤘