ভূ-রাজনীতিতে 'রিমল্যান্ড তত্ত্ব' (Rimland Theory) একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ধারণা, যা মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বশক্তির ভারসাম্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই তত্ত্বটি মার্কিন ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নিকোলাস জে. স্পাইকম্যান (Nicholas J. Spykman) ১৯৪৪ সালে তার 'The Geography of the Peace' গ্রন্থে উপস্থাপন করেন।বিংশ শতাব্দীর শুরুতে হ্যালফোর্ড ম্যাকিন্ডার তার 'হার্টল্যান্ড তত্ত্ব' (Heartland Theory) দিয়ে বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ইউরেশিয়ার অভ্যন্তরীণ অংশকে চিহ্নিত করেছিলেন। কিন্তু স্পাইকম্যান ম্যাকিন্ডারের এই ধারণার সাথে দ্বিমত পোষণ করেন। তিনি মনে করতেন, কেবল ইউরেশিয়ার কেন্দ্র নয়, বরং তার চারপাশের উপকূলীয় অঞ্চল বা রিমল্যান্ড বিশ্ব রাজনীতিতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
🎯 রিমল্যান্ড কী?
স্পাইকম্যান ইউরেশিয়ার প্রান্তীয় অঞ্চলগুলোকে (যেমন: পশ্চিম ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়া) 'রিমল্যান্ড' হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই অঞ্চলগুলো একদিকে যেমন সমুদ্রের সাথে যুক্ত, অন্যদিকে তেমনি হার্টল্যান্ডের (রাশিয়া ও মধ্য এশিয়া) সাথে সীমান্ত ভাগ করে নেয়।
🎯 স্পাইকম্যানের মূল সূত্র :
ম্যাকিন্ডারের সূত্রের বিপরীতে স্পাইকম্যান একটি নতুন সূত্র প্রদান করেন: "যিনি রিমল্যান্ড শাসন করবেন, তিনি ইউরেশিয়া নিয়ন্ত্রণ করবেন ; যিনি ইউরেশিয়া নিয়ন্ত্রণ করবেন, তিনি বিশ্বের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করবেন "
🎯রিমল্যান্ড তত্ত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
-উভয়মুখী বিপদ: রিমল্যান্ড অঞ্চলটি স্থল এবং সমুদ্র,উভয় দিক থেকেই আক্রমণের শিকার হতে পারে। তাই এই অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলোকে সবসময় শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে হয়।
-বাফার জোন হিসেবে ভূমিকা: এটি মূলত হার্টল্যান্ড এবং সমুদ্রশক্তির (যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য) মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল বা বাফার জোন।
-সম্পদ ও জনসংখ্যা: স্পাইকম্যান যুক্তি দেন যে, হার্টল্যান্ডের তুলনায় রিমল্যান্ডে জনসংখ্যা বেশি, শিল্পায়ন উন্নত এবং প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য রয়েছে।
🎯 রিমল্যান্ড তত্ত্বের গুরুত্ব ও প্রভাব:
রিমল্যান্ড তত্ত্ব আধুনিক ভূ-রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে, বিশেষ করে স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন।
-সংযমন নীতি (Policy of Containment): যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন সোভিয়েত বিরোধী নীতি মূলত রিমল্যান্ড তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নকে (হার্টল্যান্ড) চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলার জন্য রিমল্যান্ড অঞ্চলে বিভিন্ন সামরিক জোট গঠিত হয়।
-সামরিক জোট গঠন: রিমল্যান্ড রক্ষা করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র NATO (ইউরোপ), CENTO (মধ্যপ্রাচ্য) এবং SEATO (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) গঠন করে।
-বর্তমান প্রেক্ষাপট: বর্তমান সময়ে দক্ষিণ চীন সাগরে আধিপত্য বিস্তার বা ভারত মহাসাগরে প্রভাব খাটানোর লড়াই রিমল্যান্ড তত্ত্বেরই একটি আধুনিক সংস্করণ।
🎯সীমাবদ্ধতা:
অনেকে মনে করেন, আধুনিক দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশপথের আধিপত্য এবং সাইবার যুদ্ধের যুগে ভৌগোলিক সীমারেখার গুরুত্ব আগের চেয়ে কমে গেছে। এছাড়া বর্তমান বিশ্ব কেবল একটি অঞ্চলের ওপর ভিত্তি করে নিয়ন্ত্রিত হয় না।
পরিশেষে বলা যায়, স্পাইকম্যানের রিমল্যান্ড তত্ত্ব বিশ্ব রাজনীতিতে সমুদ্রশক্তির গুরুত্বকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। হার্টল্যান্ডকে কোণঠাসা করার জন্য রিমল্যান্ডের রাষ্ট্রগুলোর সাথে কৌশলগত মিত্রতা আজও বিশ্ব শক্তির ভারসাম্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয়।
সংগৃহীত
Sure Success care for Bcs & Bank
To become updated,you should follow this page.Besides best online exam platform in Bangladesh.
শহিদ জিয়ার পররাষ্ট্রনীতি
(প্রিলি, লিখিত, ভাইভার জন্য গুরুত্বপূর্ণ)
#জাতিসংঘে বাংলাদেশ
- ১৯৭৮ সালে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হয় বাংলাদেশ জাপানকে হারিয়ে।
- ২০টি আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্য হয় বাংলাদেশ।
#সার্ক ও বাংলাদেশ
- স্বপ্নদ্রষ্টা বা উদ্যোক্তা ছিলেন জিয়াউর রহমান।
- সার্ক পদক একবারই প্রদান করা হয়েছে সেটা ২০০৪ সালে। পেয়েছেন শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। গ্রহণ করেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
#ভারতের কাছ থেকে অধিকার আদায়
- জাতিসংঘের ৩১তম অধিবেশনে ফারাক্কা ইসু উপস্থাপন
- ১৯৭৭ সালে ভারতের সাথে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি
- তালপট্টি দ্বীপের মালিকানা দাবি প্রতিষ্ঠা করেন।
#মধ্যপ্রাচ্যের সাথে সম্পর্ক
- ইসলামি সলিডারিটি ফান্ডের স্থায়ী কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ
- ফিলিস্তিন বিষয়ক আল কুদস কমিটিতে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি
- ইরাক ইরান যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী কমিটির সদস্য।
লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক নিয়েই জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে জনবল নিয়োগের উদ্যোগ
একুশে পদক ২০২৬
লাভ করে: ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান।
৯ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হচ্ছেন -
১। ববিতা (চলচ্চিত্র)
২। অধ্যাপক আবদুস সাত্তার (চারুকলায়)
৩। মেরিনা তাবাশ্যুম (স্থাপত্যে)
৪। আইয়ুব বাচ্চু (সংগীতে)
৫। ইসলাম উদ্দিন পালাকার (নাট্যকলায়)
৬। সাংবাদিক শফিক রেহমান (সাংবাদিকতায়)
৭। অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার (শিক্ষায়)
৮। তেজশ হালদার যশ (ভাস্কর্যে)
৯। অর্থী আহমেদ (নৃত্যে)
আর ১টি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে:
১। ওয়ারফেজ (ব্যান্ড মিউজিকে)
২৮ জানুয়ারি থেকে প্রাইমারি ভাইভা শুরু। প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব, ধৈর্য এবং উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য সাধারণত যেসব প্রশ্ন করা হয়, সেগুলোর উত্তর কেমন হওয়া উচিত, আমি লিখলাম।
১. আপনার নিজের সম্পর্কে বলুন।
➤উত্তর: আপনার নাম, শিক্ষাগত যোগ্যতা (সর্বশেষ ডিগ্রি), নিজ জেলা এবং বর্তমানে কী করছেন তা সংক্ষেপে এবং স্পষ্টভাবে বলুন। অপ্রাসঙ্গিক কথা এড়িয়ে যাবেন।
২. আপনি কেনো শিক্ষকতাকে পেশা হিসেবে নিতে চান?
➤উত্তর: আমি শিশুদের পছন্দ করি এবং তাদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়ায় সরাসরি অবদান রাখতে চাই। শিক্ষকতা একটি মহৎ পেশা যেখানে শেখার এবং শেখানোর সুযোগ সবসময় থাকে।
৩. একজন আদর্শ শিক্ষকের প্রধান গুণ কী হওয়া উচিত?
➤উত্তর: ধৈর্য, অগাধ জ্ঞান এবং শিক্ষার্থীর প্রতি মমত্ববোধ। একজন শিক্ষককে অবশ্যই ভালো শ্রোতা এবং আদর্শ রোল মডেল হতে হবে।
৪. আমরা আপনাকে কেনো নিয়োগ দেবো?
➤উত্তর: আমি ধৈর্যশীল, শিশুদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে পারি এবং নতুন নতুন কৌশলে পাঠদান করতে ভালোবাসি। আমার একাডেমিক যোগ্যতা এবং শিক্ষকতার প্রতি আগ্রহ আমাকে এই পদের জন্য যোগ্য করেছে।
৫. ক্লাসে কোনো ছাত্র খুব দুষ্টুমি করলে আপনি কী করবেন?
➤উত্তর: তাকে বকাঝকা বা শাস্তি দেবো না। তাকে সামনের বেঞ্চে এনে বসাবো এবং ক্লাসের কোনো দায়িত্বপূর্ণ কাজ (যেমন: বোর্ড পরিষ্কার করা বা খাতা জমা নেওয়া) দিয়ে তাকে ব্যস্ত রাখবো।
৬. যদি কোনো শিক্ষার্থীর প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকে, তবে কী করবেন?
➤উত্তর: ভুল তথ্য দেবো না। বিনয়ের সাথে বলবো, "খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছো, এই মুহূর্তে বিষয়টি আমার সঠিক মনে পড়ছে না। আমি কাল অবশ্যই জেনে তোমাকে বুঝিয়ে বলবো।"
৭. ক্লাসের গড়পড়তা ছাত্রদের সাথে মেধাবী ছাত্ররা বিরক্ত বোধ করলে কী করবেন?
➤উত্তর: আমি মেধাবী ছাত্রদের একটু কঠিন কাজ বা অতিরিক্ত টাস্ক দেবো যাতে তারা চ্যালেঞ্জ বোধ করে এবং পিছিয়ে থাকা ছাত্রদের সাহায্য করার জন্য তাদের উদ্বুদ্ধ করবো।
৮. হঠাৎ ক্লাসে দুই ছাত্র মারামারি শুরু করলে আপনার ভূমিকা কী হবে?
➤উত্তর: দ্রুত তাদের শান্ত করে আলাদা করবো। তাৎক্ষণিক রাগান্বিত না হয়ে পরে একান্তে ডেকে মারামারির কারণ জানবো এবং বিষয়টি সুন্দরভাবে মীমাংসা করে দেবো।
৯. ‘আনন্দদায়ক পাঠদান’ বলতে আপনি কী বোঝেন?
➤উত্তর: মুখস্থবিদ্যার বদলে ছবি, গল্প, গান বা খেলার মাধ্যমে হাতে-কলমে শেখানোকেই আনন্দদায়ক পাঠদান বলে।
১০. একটি ছোট শিশুকে ‘শূন্য (০)’ এর ধারণা কীভাবে দেবেন?
➤উত্তর: তাকে বলবো—তোমার হাতে ৩টি চকলেট ছিল, ৩টিই তুমি খেয়ে ফেলেছো। এখন হাতে কয়টি আছে? কিছুই নেই। এই 'কিছুই নেই' অবস্থাটিই হলো শূন্য।
১১. প্রাথমিক স্তরে ‘সহ-শিক্ষা কার্যক্রম’ কেনো জরুরি?
➤উত্তর: এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ ঘটায়, তাদের লাজুক ভাব দূর করে এবং নেতৃত্বের গুণাবলী ও সামাজিকতা শিখতে সাহায্য করে।
১২. মাল্টিমিডিয়া ক্লাস কেনো প্রয়োজন?
➤উত্তর: শিক্ষার্থীরা কানে শোনার চেয়ে চোখে দেখলে দ্রুত বুঝতে পারে এবং বিষয়টি অনেকদিন মনে থাকে। এটি ক্লাসকে একঘেয়েমি থেকে মুক্ত করে।
১৩. বর্তমান প্রাথমিক শিক্ষা কারিকুলামের মূল লক্ষ্য কী?
➤উত্তর: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করা এবং জীবনমুখী ও অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলা।
১৪. উপবৃত্তি (Stipend) দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য কী?
➤উত্তর: ঝরে পড়া (Dropout) রোধ করা এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিশুদের শিক্ষার মূল ধারায় ধরে রাখা।
১৫. বাংলাদেশের সংবিধানে শিক্ষা নিয়ে কী বলা হয়েছে?
➤উত্তর: সংবিধানের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
১৬. যদি আপনাকে দুর্গম কোনো এলাকায় পোস্টিং দেওয়া হয়, আপনি কি যাবেন?
➤উত্তর: অবশ্যই যাবো। সরকারি কর্মচারী হিসেবে দেশের যেকোনো প্রান্তে সেবা দেওয়া আমার দায়িত্ব। তাছাড়া দুর্গম এলাকার শিশুদের সুশিক্ষার অধিকার আরও বেশি।
১৭. একজন শিক্ষক যদি শ্রেণিকক্ষে দেরিতে আসেন, আপনি কী বলবেন?
➤উত্তর: আমি নিজে সময়মতো ক্লাসে গিয়ে উদাহরণ তৈরি করবো। পরে সুযোগ বুঝে তাকে বিনয়ের সাথে সময়ের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলবো।
১৮. আপনি কি মনে করেন প্রাইমারিতে শারীরিক শাস্তি দেওয়া উচিত?
➤উত্তর: একদমই না। শারীরিক শাস্তি শিশুর মনে ভীতির সৃষ্টি করে এবং তাদের প্রতিভা বিকাশে বাধা দেয়। বর্তমান আইনেও এটি নিষিদ্ধ।
১৯. শিক্ষক হিসেবে আপনার জীবনের লক্ষ্য কী?
➤উত্তর: আমার শিক্ষার্থীরা যেনো ভবিষ্যতে সৎ, দেশপ্রেমিক এবং সুনাগরিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে—এটাই আমার বড় পাওয়া হবে।
২০. প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) পরিচিতি:
✔প্রতিষ্ঠা: ১ মার্চ, ১৯৮১ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
✔সদর দপ্তর: ‘মিরপুর-২, ঢাকা’ (এটি ‘শিক্ষা ভবন’ নামেও পরিচিত)।
✔প্রধান ব্যক্তি: এর প্রধানকে বলা হয় মহাপরিচালক (Directorate General - DG)।
✔ বর্তমান মহাপরিচালক- আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান।
২১. সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান:
⊕NCTB (জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড): প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও কারিকুলাম তৈরি করে।
⊕NAPE (জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি): ময়মনসিংহে অবস্থিত। এটি প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং গবেষণার প্রধান কেন্দ্র।
⊕BNFE (উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো): যারা স্কুলের বাইরে (ঝরে পড়া বা বয়স্ক) তাদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করে।
২২. সাংগঠনিক কাঠামো (একনজরে):
প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের স্তরগুলো নিচের ক্রমানুসারে সাজানো থাকে:
⇨কেন্দ্রীয় পর্যায়: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় -> প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)।
⇨বিভাগীয় পর্যায়: উপ-পরিচালকের কার্যালয়।
⇨জেলা পর্যায়: জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস (DPEO)।
⇨উপজেলা পর্যায়: উপজেলা শিক্ষা অফিস (UEO)।
⇨মাঠ পর্যায়: সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিস (ATEO) — যারা সরাসরি স্কুল পরিদর্শন করেন।
(এই লেখাটা তাদের সহায়তা করবে যাদের প্রাইমারির ভাইভা সন্নিকটে!)
বিষয়: প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক প্রিলিমিনারি পরীক্ষা
প্রথমত, সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আয়োজনের ক্ষেত্রে এতো তড়িঘড়ি করার কোনো অর্থই ছিল না। ১০/১৫ লাখ পরীক্ষার্থীর এই বিশাল অংশগ্রহণ এই মুহুর্তে ম্যানেজমেন্ট সঠিকভাবে করতে পারবে কিনা সে বিষয়ে যথেষ্ট আশংকা রয়েছে।
বাংলাদেশে প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি অভূতপূর্ব ক্রেজ রয়েছে। সারা বছরই এই নিয়োগ পরীক্ষার জন্য লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থীগণ অপেক্ষায় থাকে। সুতরাং প্রস্তুতির জন্য আরও একটু সুযোগ সকলের জন্য প্রাপ্যই ছিল।
এতদস্বত্তেও, পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি যেহেতু সম্পন্ন হয়েছে, সেহেতু প্রশ্নফাঁস, অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে কতৃপক্ষের কঠোর অবস্থান নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পরীক্ষা নিলেই হবে না বরং যোগ্য-মেধাবিরা যেনো তাদের নিজেদের যোগতায় চাকরি পায় এই অধিকার কতৃপক্ষের নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি জেলায় জেলায় পরীক্ষা নেওয়া অনেক চ্যালেঞ্জিং। পরীক্ষা সংক্রান্ত কাজ শুধমাত্র অধিদপ্তরের এখতিয়ারভুক্ত নয়। এই কাজের সাথে জেলার ডিসি অফিসের টপ টু বটম স্টাফ, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, আয়া, পিওন সকলে সম্পর্কিত। সুতরাং সকল পক্ষকে সমন্বয় করে তবেই পরীক্ষা কার্যক্রম গ্রহণ করা উচিত।
বি:দ্র: প্রশ্নফাঁস, অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধের নিশ্চয়তা দিয়ে যথাসময়েই পরীক্ষা নিতে পারেন। অন্যথায় দূর্বল ব্যবস্থাপনা, সীমাবদ্ধতা থাকলে পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়ে পূণরায় ভাবুন। হাতে এখনো পর্যাপ্ত সময় আছে। পরিশ্রমী-মেধাবিদের আশাহত করবেন না।
মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।।
যারা বিজয় দিবস মানেনা তাদের বিষয়ে এক লাইন জানতে চাই।।।
🔥 সামনে যেকোনো পরীক্ষায় আসার সম্ভাবনা প্রবল
✳️ বাংলাদেশে সংগঠিত বিগত কয়েক বছরের ভূমিকম্প:
➡️ ২০২৫ সালে ২১ নভেম্বর নরসিংদীতে, মাত্রা — ৫.৭ মাত্রার।
➡️ ২০১১ সালে ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে, মাত্রা — ৬.২ মাত্রার।
➡️ ২০০৩ সালে রাঙামাটিতে, মাত্রা — ৫.৭ মাত্রার। নিহত হয় ৩ জন।
➡️ ১৯৯৯ সালে মহেশখালীতে, মাত্রা — ৫.২ মাত্রার।
➡️ ১৯৯৭ সালে চট্টগ্রামে, মাত্রা — ৬ মাত্রার।
➡️ ১৯১৮ সালে শ্রীমঙ্গলে, মাত্রা — ৭.৬ মাত্রার।
✴️ গত ১০০ বছরে সংগঠিত ভূমিকম্পের মধ্যে এটাই সবচেয়ে শক্তিশালী।
➡️ ১৮৯৭ সালের ১২ জুন ❝গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়াক❞, মাত্রা — ৮ মাত্রার। এতে অবিভক্ত বাংলার প্রায় ১৫০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। চট্টগ্রাম, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র, সুরমা ও কুশিয়ারার নদীর প্রবাহ পরিবর্তন হয়ে যায়।
➡️ ১৭৮৭ সালের ডাউকি ভূমিকম্প, মাত্রা — ৮.৭ মাত্রার। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যায়, যমুনা নামে একটি নতুন নদী সৃষ্টি হয়।
➡️ ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল ভূমিকম্প, মাত্রা —৮.৫ থেকে ৮.৮ মাত্রার। সীতাকুণ্ডে দুটি আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছিল। কক্সবাজারের কাছে কয়েক শ মানুষকে নিয়ে একটি দ্বীপ সমুদ্রের গভীরে তলিয়ে গিয়েছিল। এই ভূমিকম্পের ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জন্ম হয়। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দ্বীপটি ৩ মিটার উপরে উঠে আসে।
✴️ ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে ২০০৪ পর্যন্ত বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে ১০০’রও বেশি ভূমিকম্প। এর মধ্যে ৬৫টিরও বেশি ঘটেছে ১৯৬০ খ্রিষ্টাব্দের পরে।
বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা মানে যার যা ইচ্ছে তাই বলতে ও করতে পারা নয় বরং যার যা ইচ্ছে তাই করতে ও বলতে না পারাই হচ্ছে বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতার পরিধি..! গণতন্ত্র মানে নিয়ন্ত্রণ, নিয়ন্ত্রণহীন স্বাধীনতা নয়..! কিন্তু ’ক্ষমতা’ ও ’মূর্খতা’ তা বোঝে না!
একটা কোচিং এ ফাইনাল মডেল টেস্টের খাতা দেখতাম। তো যেদিন প্রশ্ন সহজ হতো সবার খাতা ফুল আন্সার করা এবং অনেক বেশি লেখা থাকতো। সেটা দেখতে অনেক বেশি সময় লাগতো।
যেদিন কঠিন হতো, সেদিন অধিকাংশ খাতা ফাঁকা থাকতো। যারা ফুল আন্সার করতো তারাও টেনেটুনে অল্প সল্প লিখত। খাতা কাটা সহজ হতো।দ্রুত হতো। আমিও খুশী হয়ে যেতাম।
না, এমনি বললাম আর কি!
১ বছরে ১ বিসিএস🤔
সংগৃহীত
03/12/2025
৪৭ তম লিখিত বাংলাদেশ বিষয়াবলি প্রশ্ন আমাদের ব্যাচের প্রশ্ন প্রনয়নের সাথে সম্পর্কিত।।।
৪৪ তম লিখিত ফাইনাল মডেল টেস্ট থেকে কমন আসছে😆
এবার মডেল টেস্ট নেইনি।।এবার নিলে রেকর্ড কমন দেখাতাম।।।
PSC চাকুরিপ্রত্যাশীদের সাথে তামাশায় নেমেছে। যেভাবে ইচ্ছা পরীক্ষা নিচ্ছে আর রেজাল্ট দিচ্ছে,
মেধাবীরা আরো অনেক কিছু দেখবে সামনে।।।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka