আমার নিজের জন্যই
আমার সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়।
কারণ আমি দেখি, প্রতিদিন আমিই
আমাকে ঠকিয়ে যাচ্ছি
নিজের ইচ্ছে, নিজের সত্য, নিজের অনুভূতি গুলোকে
জীবন্ত মাটিচাপা দিয়ে বেঁচে আছি।
বাইরে থেকে মানুষ ভাবে,
হয়তো কোনো সম্পর্ক ভেঙেছে,
কোনো মানুষ ছেড়ে গেছে, তাই এমন।
কিন্তু মানুষ হারানোর কষ্টের বদলে
আরেকজন মানুষকে খুঁজে পাওয়া যায়।
সম্পর্ক ভাঙলে নতুন সম্পর্কও গড়া যায়।
অথচ নিজের ভেতরে যে বিচ্ছেদ,
মন আর শরীরের যে লড়াই,
আত্মার সঙ্গে নিজের যে দূরত্ব,
তার বিকল্প আসলে কোথায়?
~সন্ধ্যাবাতি
Maryam Ayaat
Products/service Education, Motivation, Religion, etc
21/02/2026
পুরুষ মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় আফসোস কি জানেন "বউ",,,🙊
কেউ বউ এনে আফসোস করতেছে, আবার কেউ আনার জন্য আফসোস করতেছে,,,,😵💫
কেউ প্রেমিকাকে বউ বানাতে পারছে না বলে আফসোস করতেছে, কেউ আবার প্রেমিকাকে বউ বানিয়ে আফসোস করতেছে,,, 🙄
কেউ সুন্দরী বউ পায় না বলে আফসোস করতেছে, কেউ সুন্দরী বউ পেয়ে আফসোস করতেছে,,,🤧
কেউ অন্য মানুষের বউকে দেখে আফসোস করতেছে, কেউ আবার নিজের বউকে দেখে আফসোস করতেছে,,,,🥺
ইস কি চেয়েছিলাম আর কি পেলাম,,, 😹
আবার যেই বেডা নিজের বউকে দেখে আফসোস করতেছে, এই বেডার বউকে দেখে আবার অন্য পাঁচবেডা আফসোস করতেছে,,,,, 😹🤣
বেডা মানুষ,,,, 🤣
পুরুষ তার জীবনের প্রথম ভাগে প্রেমে পড়ায় যত এফোর্ট দেয় , সে এফোর্ট কখনো তার জীবনে ম্যাচিউর ভাগে আসা নারীর প্রতি দেয় না। কারন প্রথমবার তার সাথে যদি কোন দ্বিচারিনীর দেখা হয় , তবে সে ভেবে নেয় নারী বলতেই খারাপ ।দ্বিতীয়বার যদি সে কোন মেয়ের সাথে রিলেশনে যায় , কিছু পুরুষ সে সম্পর্কটা হাল্কা ভাবেই নেয় । সেখানে প্রেম থাকে না , থাকে কেবল টাইম পাসের কোন মাইন্ড গেইম ।
সে গেইমে সে দ্বীতিয়বার প্রখর খেলারী থাকে । সেকেন্ড টাইম সে প্রভাবিত হয় গুড ওমেনের প্রতি । আর মেয়ে গুলো বুঝতেই পারে না , ভয়ংকর ভাবে সে নারী গুলো ফেঁসে যায় তার তখন সে পুরুষ পুরোপুরি রোমিও হয়ে গেছে । এবার সে পুরুষ আর ভুল করে না দ্বিতীয় বার সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে চুজি হয় । বেছে বেছে অনেক ভালো ও ইমোশনাল মেয়ে গুলিকে চুজ করে । যাতে করে পুরো গেইম কনট্রোলটা সে নিজে করতে পারে । আগে আসা নারীরা তার জীবনে ছলা কলায় শিখিয়ে দিয়ে যায় নারী বলতে ইজি এক্সেস । চাইলেই শুয়ে পরা যায় ।চাইলেই টাকা দিয়ে কেনা যায় । সম্মানটা সে ভুলে যায় ।
দ্বিতীয় নারীটি যখন প্রচন্ড ভালোবাসে , তাকে সমস্ত জীবনের জমানো ভালোবাসাও যদি দান করে , পুরুষটি তাও নারীটিকে স্বস্তাই ভাবে ।তার অতীত জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা পরে নারীটিকে খেসারত হিসেবে দিতে হয় ।তখন শুরু হয় সম্পর্কের ভাটা । সম্পর্কে যখন নারীটি জেনে যায় তাকে কেবল মাত্র ব্যবহার করা হইছে হিল করার জন্য তখন নারীটি অসহায় বোধ করে ।নারীটি ট্রমায় চলে যায় , তার কাছে কাকুতি মিনতি করে । কিন্তু তখন পুরুষটির মন গলে না।
একদিন সে পুরুষটি হিল হয়ে ফিরে যায় নিজের গন্তব্যে , আর যাওয়ার সময় নিয়ে যায় , ভয়ংকর ইমোশনাল একজন মেয়ের হাসি , বিশ্বাস , তার বেঁচে থাকা ও তার অহম ॥
আসলে আমি জানি না পুরুষকে সৃষ্টি করতে গিয়ে , সৃষ্টিকর্তা কতটুকুন দায়িত্ববান বানিয়ে ছিলেন । sorry to say যদি কোন নারী জানতো তার গর্ভে কোন এক ভালো কোন নারীর জীবন ধ্বংসকারী ভয়ংকর পুরুষ তিলে তিলে বড় হচ্ছে তবে আমি নারী হিসেবে জানি , ও নারী কখনোই এমন পুরুষকে দুনিয়ার আলো দেখাতো না , যে কোন নারীর দম বন্ধ কান্নার কারন হবে । কারন যে পুরুষ একজন নারীর দমবন্ধ কান্নার কারন হয় সে পুরুষ না ।
এবারের রামাদানকে জীবনের শ্রেষ্ঠ রামাদান বানাতে আমরা যেভাবে রামাদান কাটাবো:
১) প্রতিদিন ন্যূনতম ৪ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় করবো এবং কিছু সময় আন্তরিকভাবে দু‘আয় কাটাবো। শেষ রাতের দু‘আ ও ইস্তিগফার আল্লাহর কাছে অত্যন্ত প্রিয়।
২) সারা মাসে কমপক্ষে একবার কুরআন পড়ে শেষ করবো। বিশেষভাবে রাতের বেলা কিছু সময় তিলাওয়াত করবো। রাতের তিলাওয়াতের মর্যাদা অনেক বেশি।
৩) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আওয়াল ওয়াক্তে (ওয়াক্তের শুরুতেই) পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে আদায় করবো। পুরুষরা অবশ্যই জামাতের সাথে পড়তে চেষ্টা করবো। ধীরে-সুস্থে তারাবির নামাজ আদায় করবো। বাসায় তারাবি পড়লে জামাতের সাথে পড়বো এবং নারীদেরকেও শামিল রাখার চেষ্টা করবো। তাঁদের কাতার হবে সবার শেষে। নারীদের কাতারে কোনো পুরুষ থাকবে না।
৪) গুনাহ থেকে বেঁচে থাকবো: বিশেষত রোজা অবস্থায় চোখ, কান এবং জিহ্বা দিয়ে কোনো ছোট গুনাহও করবো না। টেলিভিশনে সতর্কতার সাথে ইসলামি অনুষ্ঠানগুলো দেখা যেতে পারে। এর বেশি কিছু অবশ্যই না।
৫) প্রয়োজন ব্যতীত অনলাইনে আসবো না। কারণ অনলাইন হলো গুনাহের মহাসমুদ্র। ইউটিউব, ফেইসবুক, টিকটকে ডুবে যাবো না।
৬) সারা মাসে অন্তত একবার আত্মীয়দের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করবো অথবা ফোন করে খোঁজ-খবর নেবো। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ফরজগুলোর একটি।
৭) প্রতিদিন অন্তত তিন ঘণ্টা সময় কুরআনের তিলাওয়াত, কুরআন মুখস্থকরণ এবং কুরআনের অর্থ ও তাফসির পাঠে ব্যয় করবো। সম্ভব হলে সম্মিলিতভাবেও এই কাজটি করা যায়।
৮) সাধ্যানুযায়ী পুরো মাস জুড়ে অসহায় ও দরিদ্রদের দান-সাদাকাহ করবো। এক্ষেত্রে নিজ আত্মীয়দের প্রাধান্য দেবো। এটিই ইসলামের নির্দেশনা। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে এমন অনেক পরিবার খাদ্যসংকটে আছে, যারা লজ্জায় কারও কাছে হাত পাতে না; তাদেরকে খুঁজে বের করে সাধ্যানুযায়ী হেল্প করবো। এটি বিরাট নেকির কাজ হবে। বিশেষ করে তাদের সাহরি ও ইফতারের ভালো-মন্দ খোঁজ নেবো।
৯) মনের সংকীর্ণতা দূর করে উদারচিত্তে সবাইকে ক্ষমা করে দেবো। বিনিময়ে আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। কুরআন ও হাদিসে এই ওয়াদা আছে।
১০) রামাদানের শেষ দশকে ইবাদাতে ডুবে যাবো এবং লাইলাতুল কদর তালাশ করবো; শুধু ২৭ তম রাতেই নয়, শেষ দশকের পুরোটাতেই। বিশেষত বিজোড় রাতগুলোতে।
১১) সাহরি ও ইফতারে খাবারের অপচয় করবো না এবং খাবার নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা, কথা-বার্তা ও হৈ-হুল্লোড় করবো না। খাবার তৈরিতে বাসার নারীদের যথাসাধ্য সহযোগিতা করবো এবং কোনো খাবার পছন্দ না হলে মেজাজ দেখাবো না। কেউ ইচ্ছা করে খাবার বিস্বাদ করে না। কারণ যে রাঁধে, সে নিজেও খায়।
১২) নামাজের পর, সকাল-সন্ধ্যায় ও ঘুমের আগে-পরের মাসনুন যিকরগুলো গুরুত্বের সাথে পড়বো। বিশেষভাবে চাশতের নামাজে অভ্যস্ত হবো। প্রতিদিন অন্তত ৪ রাকাত পড়বো।
১৩) সারা মাস তাওবাহ এবং ইস্তিগফারে লেগে থাকবো। সাহরি ও ইফতারের সময়ে দু‘আয় কিছু সময় কাটাবো। এ দুটো সময়ে দু‘আ কবুল হয়। মনে রাখতে হবে, রামাদানে মুমিনের প্রধান টার্গেটই হলো, নিজের গুনাহ মাফ করানো।
১৪) আমরা যারা গিবত, গান শোনা, নাটক-মুভি দেখা, পর্নোগ্রাফি, কুদৃষ্টি, কুধারণা, লালসা, হিংসা, অহংকার এসব গুনাহ থেকে বের হতে পারছি না, বরং এগুলো জীবনের সাথে মিশে গেছে এবং অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, তারা রামাদানের দীর্ঘ এক মাসের কঠিন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। যারা অনলাইনে গেইম খেলায় আসক্ত, তারাও নিজেদের সংশোধন করে নিতে পারি। খেলা দেখে নিজের মহামূল্যবান সময় ও আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করবো না।
১৫) এই রামাদানই হতে পারে আমাদের অনেকের জীবনের শেষ রামাদান। তাই, হাসি-ঠাট্টা, ফূর্তিবাজি ও গতানুগতিক উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন বাদ দিয়ে যথাসাধ্য তাকওয়া, বিনয় ও গাম্ভীর্যের সাথে এমনভাবে এই রামাদান কাটানো, যেন সবাই আমরা মৃত্যুপথযাত্রী। এই অনুভূতি ধারণ করে দিনগুলো কাটাবো।
মহান রব আমাদের এই কাজগুলো সঠিকভাবে করার তাওফিক দিন, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করুন এবং তাঁর সন্তুষ্টির উপর মৃত্যু দিয়ে কবরবাসী করুন। আমিন।
সবাইকে রামাদানের শুভেচ্ছা। আল্লাহ্ আমাদের নেক আমলগুলো কবুল করুন।
©️©️©️
১. আবেগ নয়, আত্মনিয়ন্ত্রণ—প্রথম ও সবচেয়ে জরুরি প্রতিশোধ
প্রতারণার পর একজন মেয়ের ভেতরে ঝড় বয়ে যায়। রাগ, অপমান, আত্মসম্মান ভাঙার যন্ত্রণা—সব একসাথে আসে। এই মুহূর্তেই সবচেয়ে বড় বিপদ হলো আবেগের কাছে হেরে যাওয়া। কারণ আবেগ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রায়ই জীবনের জন্য মারাত্মক হয়।
যে মানুষ প্রতারণা করেছে, সে চায় তুমি ভেঙে পড়ো, ভুল করো, নিজের ক্ষতি করো। কিন্তু তুমি যদি নিজেকে সামলাতে পারো, নীরব থাকতে পারো, তবে সেখানেই তার প্রথম পরাজয়। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা মানেই শক্তিশালী হয়ে ওঠা, আর এটাই প্রতিশোধের প্রথম ধাপ।
২. সত্যকে মেনে নেওয়া—নিজেকে দোষ না দেওয়া
অনেক মেয়ে প্রতারণার পর নিজেকেই দোষী ভাবে—“আমি বুঝতে পারিনি”, “আমি যথেষ্ট ভালো ছিলাম না”। এই ভাবনাই সবচেয়ে ভয়ংকর।
প্রতারণা কারো ভুল বোঝার ফল নয়, এটা প্রতারকের চরিত্রের ফল। সত্যটা পরিষ্কারভাবে মেনে নিতে হবে—ভুলটা তার, তোমার নয়। এই উপলব্ধি একজন মেয়েকে ভেতর থেকে শক্ত করে তোলে। নিজেকে নির্দোষ ভাবতে শেখাই মানসিক মুক্তির শুরু, আর সেটাই নীরব কিন্তু শক্ত প্রতিশোধ।
৩. সম্মান রেখে সম্পর্ক ছিন্ন করা—চুপচাপ চলে যাওয়ার শক্তি
সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ প্রতিশোধ হলো কোনো নাটক না করে, কোনো অভিযোগের লিস্ট না বানিয়ে, চুপচাপ নিজেকে সরিয়ে নেওয়া।
আর ফোন নয়, আর ব্যাখ্যা নয়, আর সুযোগ নয়।
যে মানুষ তোমার অনুভূতিকে খেলনা ভেবেছে, তাকে আর একটি কথাও না বলা মানে—নিজের আত্মসম্মানকে সর্বোচ্চ স্থানে রাখা। অনেক সময় নীরব বিচ্ছেদ এমন আঘাত দেয়, যা হাজার কথাতেও দেওয়া যায় না।
৪. আইনি পথে দাঁড়ানো—ন্যায়ের মাধ্যমে প্রতিশোধ
যদি প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকে—
বিয়ের মিথ্যা আশ্বাস
অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ
শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন
ভয় দেখানো বা ব্ল্যাকমেইল
তাহলে আইনের সাহায্য নেওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সাহসের পরিচয়। আইন এমন প্রতিশোধ দেয় যেখানে তোমার চরিত্র কলঙ্কিত হয় না, বরং অপরাধী তার কাজের ফল ভোগ করে। ন্যায়ের মাধ্যমে প্রতিশোধই সবচেয়ে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী।
৫. নিজেকে গড়ে তোলা—সাফল্যই সবচেয়ে বড় জবাব
যে মেয়ে প্রতারণার পর ভেঙে না পড়ে—
নিজের পড়াশোনা বা কাজ চালিয়ে যায়
আত্মনির্ভরশীল হয়
আত্মবিশ্বাস নিয়ে সামনে এগোয়
তার জীবনই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্ত জবাব।
প্রতারক তখন বুঝতে পারে—সে শুধু একজন মানুষকে হারায়নি, বরং একজন শক্ত মানুষ তৈরি করে দিয়েছে। তোমার উন্নত জীবনই তার ব্যর্থতার প্রমাণ।
৬. চরিত্র নষ্ট করার পথে না যাওয়া—নিজেকে রক্ষা করা
অনেকেই প্রতিশোধ নিতে গিয়ে নিজের সীমা ভেঙে ফেলে—ভুল সম্পর্ক, ভুল সিদ্ধান্ত, আত্মসম্মানহীন আচরণ।
কিন্তু এতে প্রতারকের কিছু যায় আসে না, ক্ষতি হয় শুধু মেয়েটিরই। সমাজ প্রশ্ন তোলে তাকেই, আঙুল ওঠে তাকেই।
নিজের চরিত্র রক্ষা করাই সবচেয়ে বড় আত্মরক্ষা। কারণ সম্মান হারালে প্রতিশোধ অর্থহীন হয়ে যায়।
৭. বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সাথে কথা বলা—চুপ না থাকা
সব কষ্ট একা বইতে গেলে মানুষ ভেঙে পড়ে। তাই একজন বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সাথে কথা বলা জরুরি—পরিবার, ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা পেশাদার কাউন্সেলর।
কথা বললে কষ্ট হালকা হয়, চিন্তা পরিষ্কার হয়, সিদ্ধান্তে দৃঢ়তা আসে। সহায়তা নেওয়া দুর্বলতা নয়, এটা সুস্থতার লক্ষণ।
৮. ক্ষমা—নিজের শান্তির জন্য, তার মুক্তির জন্য নয়
ক্ষমা মানে ভুলে যাওয়া নয়, ফিরে যাওয়া তো নয়ই।
ক্ষমা মানে নিজের হৃদয়কে বিষমুক্ত করা।
প্রতারক তোমার জীবনের অধ্যায় ছিল, পুরো গল্প নয়। তাকে ক্ষমা করে সামনে এগিয়ে গেলে, তুমি নিজেকেই মুক্ত করো। এটাই পরিণত মানুষের প্রতিশোধ।
উপসংহার
প্রতারণার জবাবে প্রতারণা নয়,
অপমানের জবাবে আত্মসম্মান,
কষ্টের জবাবে শক্ত জীবন।
সবচেয়ে ভয়ংকর প্রতিশোধ হলো—
প্রতারককে দেখিয়ে দেওয়া,
সে তোমার জীবন ধ্বংস করতে পারেনি।
আপনার একটি ছোট আচরণ আপনার প্রিয় নারীর স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে!
মেয়েরা হঠাৎ রাগ বা হতাশ হয় কেন?
👉 কারণ তার ইমোশনাল রিমোট কন্ট্রোল থাকে তার প্রিয় মানুষের হাতে।
আপনি যখন অবহেলা বা অসম্মান দেখান,
তার শরীরের স্ট্রেস হরমোন বেড়ে যায়।
সে খিটখিটে হতে চায় না, তবে তার শরীর বাধ্য করে।
💡 তাকে দোষ দেবেন না, পরিবেশ বদলান।
একটা আলিঙ্গন, একটু মনোযোগ—এটাই তার মনের ও শরীরের সবচেয়ে বড় মেডিসিন।
নারীদের মুড সুইং নাটক নয়,
এটা বাস্তব জীবনের বায়োলজি।
Estrogen বা Progesterone-এর ওঠানামা কম গুরুত্বপূর্ণ,
তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ তার মানসিক নিরাপত্তা।
✨ নিরাপদ অনুভব করলেই সে পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মানবী।
ভালোবাসা কোনো বিলাসিতা নয়,
এটা তার জীবনের অক্সিজেন।
🖊️ Dilruba Akter
-
মানুষরে ঠ'কান। জীবনে যত বেশি “ভালো” থাকতে চান, তত বেশি মানুষরে ঠ'কান। বিশ্বাস করেন! আজ যাকে ঠ'কাচ্ছেন, তাতে আপনার কিছুই হবে না। একদম কিছুই না। আপনি দিব্যি ভালো থাকবেন। বরং আরও ভালো ভালো মানুষ আপনার জীবনে আসবে। কারণ পৃথিবীটা তো আপনাদেরই। এখানের সুখ, শান্তি, সুযোগ-সুবিধা, চাওয়া-পাওয়া সব আপনাদের জন্যই বানানো।
কেড়ে নিয়েই ভালো থাকবেন।
কারও চোখের জল, কারও ভাঙা বিশ্বাস, কারও নিঃস্ব হয়ে যাওয়া—এসব আপনাদের উন্নতির পথে কোনো বাধাই না। আপনারা জানেন কীভাবে দায় এড়িয়ে যেতে হয়, কীভাবে নির্লজ্জভাবে নিজের সুবিধাটুকু ঠিক রেখে সামনে এগোতে হয়। তাই চিন্তা করারও কিছু নেই। আপনারা “সাকসেসফুল”, আপনারা “প্র্যাকটিক্যাল”, আপনারাই এই দুনিয়ার বুদ্ধিমান মানুষ।
সমস্যাটা আসলে আমাদের মতো মানুষগুলারে নিয়া। যারা ঠ'কাতে পারে না বলেই বারবার ঠ'কে। যারা মানুষকে বিশ্বাস করে, কথা রাখে, বিবেকের সাথে আপস করে না, তারাই সবচেয়ে বেশি কড়া দামে মাশুল দেয়। আমাদের ভালো মানুষি এখানে দুর্বলতা হিসেবে ধরা হয়। এই দুনিয়ায় সোজা হয়ে হাঁটলে লা'থি খাওয়াটাই নাকি স্বাভাবিক।
হ্যাঁ, আমরা চাইলে আপনাদের মতো হতে পারি।
আমরাও চাইলে শিখে নিতে পারি কীভাবে কথা ঘুরাতে হয়, কীভাবে স্বার্থে আঘাত করতে হয়, কীভাবে মানুষ ব্যবহার করে ফেলে দিতে হয়।
যেদিন আমরা আপনাদের মতো ঠ'কাতে শিখবো, সেদিন হয়তো আমরাও তথাকথিত “ভালো” থাকব। টাকা থাকবে, সুযোগ থাকবে, চারপাশে সুবিধাভোগী মানুষের ভিড় থাকবে।
কিন্তু ট্রাস্ট করেন! ওই ভালো থাকাটা আমাদের দরকার নাই। আমাদের দরকার শান্তির ঘুম, আয়নায় নিজের চোখের দিকে তাকানোর সাহস, আর অন্তত এটুকু আত্মসম্মান যে, আমরা কাউকে ঠ'কিয়ে বাঁচিনি।
আপনারা আপনাদের পৃথিবীটা রাখেন।
আমরা আমাদের মানুষ থাকাটাই রাখবো।
আমার স্বামী আর আমি—দুজনেই বাবা–মা হয়েছি।কিন্তু একইভাবে না। 😌আমার স্বামী কাজে ফিরে গেছে।আর আমি সবকিছু ছেড়ে পিছনে রয়ে গেছি।সে টাকা উপার্জন করে।আর আমি দিই আমার সময়,আমার ঘুম,আমার শরীর।তবুও—এই ত্যাগের যেন কোনো মূল্য নেই।আমার স্বামীর এখনও শখ আছে,স্বাধীনতা আছে,নিজের একটা জীবন আছে।আর আমি যদি একটু বাইরে যেতে চাই—
তাহলে প্রশ্ন আসে,“বাচ্চার সাথে কে থাকবে?”“কেন যাচ্ছো?”যেন মা হওয়ার পর আমি আর মানুষ নই।আমার স্বামী রাতে নিশ্চিন্তে ঘুমায়।আর আমি রাত কাটাই দুধ খাওয়াতে, কোলে নিতে,প্রতিটা শব্দে জেগে থাকতে।ঘুমাই—টুকরো টুকরো করে।সে সকালে উঠে সতেজ।আর আমার দিন শুরু হয় আগেই ক্লান্ত হয়ে।সে শান্তিতে গোসল করে।আর আমি তাড়াহুড়ো করি—জানি, নাম ধরে ডাকার আগেই শেষ করতে হবে।তার কাজের সময় শেষ হয়।আমার কাজ কখনো শেষ হয় না—মা হিসেবে,স্ত্রী হিসেবে,একজন নারী হিসেবে।তবুও আমাকে বলা হয়—“সে তো কিছুই করে না।”আমার স্বামী গর্ভধারণের ওজন বহন করেনি।জীবন বহন করেনি।জন্ম দেয়নি।ভেঙে গিয়েও নিজেকে জোড়া লাগানোর চেষ্টা করেনি।
তাই না—আমরা বাবা–মা হিসেবে সমান নই।
কারণ একজনের জীবন এগিয়ে চলে,
আর অন্যজনের জীবন
নীরবে থেমে যায়।মাতৃত্ব হলো পূর্ণসময়ের,বেতনহীন কাজ—আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ।এখন আমি অন্য নারীদের বুঝি।তাদের ক্লান্তি,তাদের নীরবতা।তারা এই মানবজাতিকে ধরে রেখেছে।আমরা যদি সত্যিই শিশুদের ভালো চাই,তাহলে আমাদের তাদের মায়েদেরও যত্ন নিতে হবে।কারণ একজন মায়ের এই ভালোবাসা,এই ত্যাগ,এই মাতৃত্ব—সবকিছুর পরেও অমূল্য। ❤️
প্রত্যেক পুরুষের পড়া উচিত..!
যাদের যৌবন আপনার জন্য উৎসর্গ করেছেন, সেই নারীদের পরিত্যাগ করবেন না।
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) একবার এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলেন, যে তার স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছিল।
"তুমি কেন তাকে তালাক দিতে চাচ্ছ?”
লোকটি উত্তর দিল, "আমি তাকে ভালোবাসি না।"
ওমর (রা.) বললেন,
"প্রতিটি সংসার কি কেবল ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করেই টিকে থাকবে? আনুগত্য, বিশ্বস্ততা এবং কৃতজ্ঞতাবোধের কী হবে? আর যখন তুমি তাকে বিয়ে করেছিলে, তখন কি কেউ তোমাকে বাধ্য করেছিল?"
এরপর তিনি একটি ভাষণ প্রদান করেন, যেখানে তিনি বলেন,
"হে পুরুষগণ! আমরা যখন বিয়ে করি, তখন স্ত্রীদের একটি পবিত্র অঙ্গীকার দেই। একজন নারী সন্তান ধারণ করেন এবং গর্ভাবস্থার অবর্ণনীয় কষ্ট ও শারীরিক দুর্বলতার মধ্য দিয়ে যান।
তারপর তিনি শিশুকে দুধ খাওয়ান এবং অসুস্থদের সেবা করতে গিয়ে রাতের পর রাত জেগে থাকেন, তাদের পানাহার ও পুষ্টির জোগান দেন। এই সব
কিছুই সম্পন্ন হয় তার নিজের স্বাস্থ্য এবং যৌবনের বিনিময়ে।
তাহলে এটা কতটা ইনসাফপূর্ণ যে, যখন সে বার্ধক্যে পৌঁছাবে, তখন তার স্বামী তাকে পরিত্যাগ করবে?
সে যদি তার ঘর ও পরিবারের দেখাশোনা অবহেলা করে কেবল নিজের যত্ন আর বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে ব্যস্ত থাকত, তবে এই স্বামীই বলত- 'সে কতই না মন্দ গৃহিণী এবং মা!'
এখন সে কোথায় যাবে? কোথায় গেল তোমাদের ধার্মিকতা আর বিশ্বস্ততা?
তোমাদের স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো!” (আল-বায়ান ওয়াত তাবিইয়িন, ২/১০১ এবং ফরায়েদুল কালাম, পৃষ্ঠা ১১৩)
সংসার কেবল আবেগের ওপর নয়,
বরং দায়িত্ব এবং দীর্ঘদিনের ত্যাগের স্বীকৃতির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।
আপনার মহা-উপকারের জন্য পেইজটা ঘুরে আসার অনুরোধ।
ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!
#পুরুষ
বাবার বাড়ির কোনো দূর্বলতা থাকলে বা এমন অবস্থা যদি হয় যে.. মেয়ের পাশে দাঁড়ানোর মত শক্ত কেও নাই, প্রটেস্ট করার মত তেমন কেও নাই বা অর্থনৈতিকভাবে খুব স্ট্রং না বাবার বাড়ি তাহলে স্বয়ং হাজবেন্ডও ওই মেয়েকে ভোগাতে পিছ পা হয়না।
বাবার বাড়ি স্ট্রং হলে হাজবেন্ডের ভালোবাসাই অন্যরকমের বেড়ে যায়। শশুর বাড়ির সবাই হিসাব করে চলে।
অথচ স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটাকে ভালোবাসার, মোহাব্বতের, বোঝাপড়ার, অর্ধেক ভাগ করে নেয়ার সম্পর্ক বলা হয়, বোঝানো হয়, মানা হয়।
হাজবেন্ডের অপারগতার দিনে, বিপদের দিনে একটা মেয়েকে তার পাশে থাকতে উপদেশ দেয় এই সমাজ। হাজবেন্ডকে তার দূর্বলতাগুলো মনে না করিয়ে তাকে সাহস দেয়া, তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা স্ত্রীর দায়িত্ব।
হাজবেন্ডের অপারগতা না মনে করিয়ে তার ভালো দিক তার সামনে বলে তার আত্মসম্মান বৃদ্ধি করাই স্ত্রীর দায়িত্ব আর ভালোবাসার জায়গা।
একটা মেয়েকে এমনটাই তো পরামর্শ দেয় এই সমাজ। এইগুলো স্ত্রীর কাছে স্বামী হিসেবে পুরুষের সম্পর্কের দাবী, ভালোবাসার আর মোহাব্বতের দাবী।
অপরদিকে স্ত্রীর কী সম্পর্কের কোনো দাবী নেই? ভালোবাসার বা মোহাব্বতের কোনো দাবী নেই?
স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কটা কি পার্টনারশীপের না? দুইজনের দূর্বলতা, অপারগতা, ভালো, খারাপ সব ভাগ করে নেয়াই কি এই সম্পর্কের দাবী হওয়া উচিত না ❓
স্ত্রীর যদি বাবার বাড়ি থেকে স্ট্রং সাপোর্ট না পেয়ে মনকষ্ট থাকে সেটাকে শান্তনা দিয়ে কম করে দেয়া কি স্বামীর দায়িত্ব না? স্বামীর কি উচিত না পার্টনার হয়ে কষ্টগুলো ভাগ করে নেয়া? সাধ্যমত অপ্রাপ্তির জায়গাগুলো ভুলিয়ে রাখা ❓
স্বামী তা না করে সেটার সুযোগ নিয়ে স্ত্রীর কষ্ট আরও বাড়িয়ে দেয়া কি পার্টনারশীপের রুলের মধ্যে পরে?
তাহলে এই সমাজ স্বামীর কাছে স্ত্রীর প্রতি মোহাব্বতের, ভালোবাসার দাবী কি নির্ধারণ করে দিলো?
স্বামীকে কেনো এই সমাজ স্ত্রীর কমতিগুলো ভাগ করে নেয়ার পরামর্শ দেয় না?
উল্টো আরও বলা হয়,, “মেয়ের বাবার বাড়ির জোর নাই.. স্বামী সুযোগ পাইছে একটু তো ভোগাইবই”!!!
আমার জানতে ইচ্ছে করে... বিছানার বাইরে যার সাথে শত্রুর মত সম্পর্ক মেইনটেইন করেন, বিছানায় গিয়ে কিভাবে তার বন্ধু হয়ে যান?
এটা আসলে কেমন স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক!! একই দেহে আপনাদের এমন আলাদা রুপ কিভাবে ধারন করেন?
~KF~
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Mirpur DOHS
Dhaka
1216