Astronomy Bangla

Astronomy Bangla প্রতিদিন মহাকাশ সম্বলিত রোমাঞ্চকর সব তথ্য পেতে পেজে লাইক দিয়ে Astronomy Bangla'র সাথেই থাকুন।

29/01/2022

এই ভিডিওতে আমরা বিজ্ঞানের এক অনন্য নিদর্শন James webb স্পেস টেলিস্কোপের সম্পূর্ণ কার্যপদ্ধতি ও লোকেশন সম্পর্কে আলোচনা করেছি। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে। ভাল লাগলে শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ করে দেবার অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ।
কৃতজ্ঞতায়ঃ Perception

05/11/2021

আপনাদের জানার আগ্রহ আমাদের কাজকে তরান্বিত করতে সাহায্য করে। তাই অনেকদিন পর নতুনরূপে ফিরে এলাম আপনাদের মাঝে। এই ক্লিপটিতে সহজে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আপনাদের মূল্যবান মতামত কাম্য। ধন্যবাদ।

পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম মজাদার একটি টপিক হল টাইম ডাইলেশন। যা আমাদের কল্পনাকে গভীর থেকে আরও গভীরে নিয়ে যায়। টাইম ডাইলেশন ...
16/10/2020

পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম মজাদার একটি টপিক হল টাইম ডাইলেশন। যা আমাদের কল্পনাকে গভীর থেকে আরও গভীরে নিয়ে যায়। টাইম ডাইলেশন যদি হয় এক বাটি তরকারি তবে সময় ও গ্র্যাভিটি সেখানে মূল উপাদান। লাইট স্পিড আর অতি ভারী বস্তুর গ্র্যাভিটি কেন সময়কে স্লো করে দেয় সেটাই একটু ঘেটে দেখি চলুন।
টাইম ডাইলেশন বুঝতে হলে আমাদেরকে জানতে হবে সময় সম্পর্কে। সময় কি?
আমরা সময়কে বুঝতে পারি তার মুভমেন্ট এর কারনে। যখন একটি বস্তু এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় তখন আমরা বুঝতে পারি কতটা সময় হল। এখন ঐ বস্তুটি ঘড়ির কাটা হতে পারে,চাঁদ হতে পারে,সূর্য হতে পারে অথবা ব্যাটারি চালিত কোনো ডিজিটাল ঘড়িও হতে পারে, যেখানে তার ব্যাটারির ইলেকট্রন মুভ করছে। তো এভাবেই আমরা মুভমেন্ট এর আঁধারে সময়ের অনুমান করি।
আর এই মুভমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে আমরা সময়ের বিভিন্ন নাম দিয়েছি। যেমনঃ সেকেন্ড, ঘন্টা, দিন, মাস,বছর ইত্যাদি।
তো আমরা বুঝতে পারলাম সময় কোনো কিছুর মুভমেন্ট।
এই মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু মুভ করছে তা সে যত ক্ষুদ্র পরিমানই হোক না কেন। আর যখন কোনো বস্তু মুভ করে তা ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়। যেমনটা একটা ঘড়ির ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। এমনকি আমাদের শরীরও এর বড় উদাহরণ। এর জন্যই আমরা বুড়ো হই।

আর প্রতিটি বস্তু বা প্রাণীর জন্য সময়ের আলাদা আলাদা ডেফিনেশন থাকে। যেমন ধরুন একটি মাছি। এর সময় মানুষের থেকে অনেকটাই ফাস্ট হয়ে থাকে। আমাদের মাত্র এক ঘন্টা মাছির কাছে হয়তবা এক বছরের মত হতে পারে। আমাদের একটি ঘন্টার মধ্যেই মাছি তার জীবনের অনেকটা সময় অতিবাহিত করে। আর মাছির ফাস্ট মুভমেন্টের কারনে আমরা মাছিকে সহজে ধরতে পারি না। কারন আমাদের মুভমেন্ট মাছির তুলনায় অনেক স্লো। একটি মাছির জীবনকাল আমাদের কাছে খুবই কম। কিন্তু মাছির কাছে তার জীবনকাল ঠিকঠাকই রয়েছে। আসল কারন এখানে গতি। অপরদিকে কচ্ছপের গতি আমাদের থেকে অনেক স্লো তাই তারা ২০০ বছর বা তার বেশি সময় বেঁচে থাকে।
স্যার আইনস্টাইনের রিলেটিভিটি তত্ত্ব থেকে আমরা জানতে পারি সময় ধীর বা দ্রুত গতির হতে পারে। সময় হল ফোর্থ ডাইমেনশনাল।

এখন জানব, তবে কেন আলোর গতিতে ছুটলে সময় স্লো হয়ে যায়? যা টাইম ডাইলেশন নামে পরিচিত।
থিওরি অব রিলেটিভিটি অনুসারে আমরা আলোর গতিতে ছুটলে সময় স্লো হয়। আর সেটা ভালভাবেই প্রমানিত। অর্থাৎ আলোর গতিতে ছুটে চলা কোনো যানে যদি একটি ঘড়ি রাখা হয় যা পৃথিবীর সময়ের সাথে মেলান হয়েছিল এবং তা যদি পৃথিবীকে ঐ গতিতে এক বছর অরবিট করে এবং পুনরায় পৃথিবীতে ফিরে আসে তবে দেখা যাবে ঐ ঘড়ি অনুযায়ী নভোযানটি এক বছর চললেও পৃথিবীতে দশ বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে। এটি গেল গতির সাপেক্ষে টাইম ট্রাভেল।

আর একটা কারনে এই ধরনের ফেনমেনন পরিলক্ষিত হয় আর সেটার কারন হল গ্র্যাভিটি। আমরা যতই কোনো উচ্চমাত্রার গ্র্যাভিটি সম্পন্ন বস্তুর কাছে যাব আমাদের সময় তত ধির গতির হয়ে যাবে। আবিষ্কৃত সবচেয়ে বেশি গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স বিশিষ্ট বস্তু হল ব্ল্যাকহোল। তাই আমরা যদি ব্ল্যাকহোলের ইভেন্ট হরাইজনে পৌঁছাতে পারি তবে সময় সেখানে অতি মাত্রায় ধীরগতির হয়ে যাবে। সেটা তখন আর সেই লাইট স্পিডে চলা নভোযানের একবছর পৃথিবীর দশবছর, এই গন্ডির ভিতরে থাকবে না। সেটা কত হবে তা নির্ভর করছে ঐ ব্ল্যাকহোলের গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্সের উপর। যত বেশি গ্র্যাভিটি ততবেশি ধীরগতির সময়।

স্পেস এবং টাইম একে অপরের সাথে জুড়ে আছে। আর লাইটের স্পিড কন্সট্যান্ট। তাই স্পেস কখনোই লাইটের স্পিডে বাঁধা দেয় না কিন্তু সময়ের উপরে প্রভাব ফেলে। মহাশূন্যে যে বস্তুর ভর যতবেশি তা স্পেস টাইমকে তত বেশি কার্ভ করে বা বাকিয়ে দেয়। তদ্রূপ ব্ল্যাকহোল স্পেস-টাইমকে অনেক অনেক বেশি কার্ভ করে ফলে ইভেন্ট হরাইজনে সময় ধীরগতিতে চলে। এটা ঐ ব্ল্যাকহোলকে আবর্তন করা প্ল্যানেটের উপরও প্রভাব ফেলে যেটা ইন্টারস্টেলার মুভিতে আমরা দেখতে পাই। যেখানে ব্ল্যাকহোলকে আবর্তন করা ঐ গ্রহটির গ্র্যাভিটেশনাল ফোর্স এতটাই বেশি থাকে যে ঐ গ্রহের এক ঘন্টা পৃথিবীর প্রায় দশবছরের সমান। এটাই সেই রিলেটিভিটি বন্ধুরা। আর এভাবেই টাইম ডাইলেশন সংঘটিত হয়।

সল্প কথায় টাইম ডাইলেশন বোঝানোর কথা ভাবাটাও বোকামি। তবুও যতটুকু পেরেছি চেষ্টা করেছি। 😊

তথ্য সূত্রঃ Google

এনসেলাডাস শনির ৬ষ্ঠ বৃহৎ উপগ্রহ। ব্যাস মাত্র ৫০০ কিলোমিটারের মত। উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮৯ সালে উপগ্রহটি আবিষ্কার করেন। আয়তনে...
21/09/2020

এনসেলাডাস শনির ৬ষ্ঠ বৃহৎ উপগ্রহ। ব্যাস মাত্র ৫০০ কিলোমিটারের মত। উইলিয়াম হার্শেল ১৭৮৯ সালে উপগ্রহটি আবিষ্কার করেন। আয়তনে ছোট হলেও এটি সৌরজগতের গুরুত্বপূর্ণ বস্তুগুলোর একটি। কারন সৌরজগতে পৃথিবী বাদে এখানে প্রানের সন্ধান পাবার সম্ভাবনা প্রবল।

কিন্তু সূর্য থেকে এতটা দূরে কিভাবে প্রান টিকে থাকা সম্ভব?

এনসেলাডাসের উপরিভাগ বিশুদ্ধ বরফে আবৃত। পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় -২০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে পৃষ্ঠে প্রান টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব।
১৯৮০ সালের আগ পর্যন্ত বিজ্ঞানীনা এই উপগ্রহ সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। ভয়েজার-১ ১৯৮০ সালে এবং ভয়েজার-২ ১৯৮১ সালে এই উপগ্রহের পাশ দিয়ে ফ্লাইবাই সম্পন্ন করে। দুটি নভোযানই এনসেলাডাসের খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য প্রেরণ করে।
২০০৫ সালে ক্যাসিনি উপগ্রহটিতে তরল পানির ফোয়ারা আবিষ্কার করে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০০ টি ফোয়ারা থেকে ২০০ কেজিরও বেশি পানি নির্গত হচ্ছে। অধিকাংশ পানি আবার তুষার আকারে এনসেলাডাসেই ফিরে আসে। অবশিষ্টাংশ শনির বলয়ে যুক্ত হয়। ২০১৪ সালে নাসা ঘোষনা দেয় উপগ্রহটির দক্ষিণ গোলার্ধে বরফ পৃষ্ঠের নিচে তরল পানির সমুদ্র রয়েছে। যার গভীরতা প্রয় ১০ কিলোমিটার। ২০১৮ সালের ২৭ জুন ক্যাসিনি পানির ফোয়ারাতে জটিল জৈবযৌগের সন্ধান পায়। যা এনসেলাডাসের পানিতে জীবনের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

তরল পানি পৃথিবীতে জীবন টিকে থাকার সবচেয়ে বড় নিয়ামক। পৃথিবীতে যেখানেই পানি রয়েছে সেখানেই গড়ে উঠেছে জীবনের মহাসমারোহ। ফলে এনসেলাডাসের ভূগর্ভস্থ সাগরে প্রানের সম্ভবনা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

সালটা তখন ১৬১০। গ্যালিলিও গ্যালিলি নামে একজন একটা টেলিস্কোপ তাক করেন আকাশে। আর বদলে যায় মানব জাতির হুলিয়া। একেরপর এক আবি...
17/09/2020

সালটা তখন ১৬১০। গ্যালিলিও গ্যালিলি নামে একজন একটা টেলিস্কোপ তাক করেন আকাশে। আর বদলে যায় মানব জাতির হুলিয়া। একেরপর এক আবিষ্কার করতে থাকেন গ্রহ।
গ্যালিলিও সর্বপ্রথম শনি ও শনির বলয় দেখতে পান। তবে তিনি তখন খুব একটা বিশদভাবে বর্ননা করতে পারেননি।
১৬৫৫ সালে ক্রিশ্চিয়ান হাইগেন্স এই বলয় নিয়ে কিছুটা বিস্তারিত বলেন।

শনির কোনো শক্ত পৃষ্ঠতল নেই। এটি একটি গ্যাসীয় গ্রহ। মূল উপাদান হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম। আমাদের পৃথিবীর সাইজের ৭৬৪ টা গ্রহ দিব্যি এটে যাবে শনির ভিতর। কিন্তু এত বড় হওয়া সত্বেও ভর পৃথিবীর ৯৫ গুন। তাছাড়া শনির ঘনত্ব এতটাই কম যে এটি পানিতে দিব্যি ভাসতে পারবে।

শনির বলয় নিয়ে আমাদের সবারই অনেক কৌতুহল। হবে নাই বা কেন। আমাদের সোলার সিস্টেমের সবচেয়ে ইউনিক প্লানেট যে এই শনি। শনির এই বলয়ের ব্যাসার্ধ ৬০,৩০০ কিলোমিটার। পুরু মূলত ৯ মিটারের মত কিন্তু কাসিনি হাইগেন্স স্পেস ক্র্যাফট সম্প্রতি এটা আবিষ্কার করেছে যে এই রিং পার্টিকেল কোনো কোনো যায়গায় ৩ কিলোমিটার পর্যন্ত পুরু।
এগুলো সাইজে কয়েক মাইক্রোমিটার থেকে কয়েক মিটার পর্যন্ত আছে। বেশিরভাগই তৈরি হয়েছে জমাট বাঁধা বরফ দিয়ে। কিন্তু এই বরফ আবার বিভিন্ন মূল্যবান ধাতুর প্রলেপযুক্ত।

সূর্যের রং মূলত সাদা। এটি খুব ভাল বোঝা যায় যদি স্পেস থেকে দেখা হয়। কারন সেখানে কোনো বায়ুমন্ডল নেই। সূর্যের আলো আমাদের বা...
14/09/2020

সূর্যের রং মূলত সাদা। এটি খুব ভাল বোঝা যায় যদি স্পেস থেকে দেখা হয়। কারন সেখানে কোনো বায়ুমন্ডল নেই। সূর্যের আলো আমাদের বায়ুমন্ডলে যত বেশি বাধাপ্রাপ্ত হয় আমরা সূর্যকে তত বেশি লাল দেখি। একারনে দিনের মধ্যভাগে সূর্যের দিকে খালি চোখে তাকানো যায় না এর উজ্জ্বলতা অনেক বেশি থাকে। কারন তুলনামূলকভাবে তখন বায়ুমন্ডলে আলোকরশ্মি কম বাঁধা পায় তাই অন্য রঙগুলো ফিল্টার ও কম হয়।

আবার সূর্য যখন দিগন্ত বরাবর থাকে অর্থাৎ সূর্যদয় ও সূর্যাস্তের সময় আমরা সূর্যকে সময়ের সাথে যথাক্রমে লাল, কমলা ও হলুদ দেখি। কারন তখন অনেক বেশি বায়ুমন্ডল ভেদ করে আলো আমাদের চোখে পৌঁছায়। লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি তাই এই দুই সময় শুরুতে আমরা সূর্যকে লাল দেখি। বাকি ৬টি রং বায়ুমন্ডলে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এরপর যখন খানিকটা উপরে ওঠে তখন দেখি কমলা তারপর হলুদ।

অপরদিকে নীল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম আর বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি। তাই এই রং বিক্ষিপ্ত হবার কারনে আবার আমরা আকাশ নীল দেখি।

গত পোস্টে আমরা জেনেছি আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্রহ রয়েছে। তাহলে এলিয়েনরা কোথায়? এটাই হল ফার্মির প...
11/09/2020

গত পোস্টে আমরা জেনেছি আমাদের অবজার্ভেবল ইউনিভার্সে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্রহ রয়েছে। তাহলে এলিয়েনরা কোথায়? এটাই হল ফার্মির প্যারাডক্স। এখন আমরা সংক্ষেপে এই প্যারাডক্সের সম্ভাব্য সমাধানের খোঁজ চালাব। দেখব আমরা কি ধ্বংস হতে চলেছি নাকি পরম সৌভাগ্য আমাদের জন্য অপেক্ষায় আছে?

মহাকাশ যাত্রা করা আমাদের কাছে এখনও অনেক কঠিন কাজ। যতটুকুও বা সম্ভব হয়েছে তারপরও অন্য নক্ষত্রে যাত্রা করাটা মস্ত বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। প্রচুর প্রচুর জ্বালানি প্রয়োজন তার সাথে রয়েছে সময়। এছাড়া যদি আমরা যেতে সফলও হই তবে এটাও হতে পারে দূর থেকে ঐ প্লানেটকে যেমনটা ভাল মনে হচ্ছিল তেমনটা না। যেখানে আমাদের যেতেই এতটা কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে এর পরে যদি ঐ প্লানেটের আক্রমণ ঠেকাতে হয় তবে সেটা অসম্ভব বৈকি।

সেই সাথে সময়ের বিবেচনা করে দেখুন। এই মহাবিশ্ব অনেক পুরনো। যেখানে পৃথিবীতে প্রান টিকে আছে ৩৬০ কোটি বছর ধরে। বুদ্ধিমান মানুষ বাস করছে আড়াই লক্ষ বছর ধরে। কিন্তু কেবল এক শতকের মত সময় আমরা অসামান্য দূরত্ব পেরিয়ে যোগাযোগ স্হাপনের প্রযুক্তি হাতে পেয়েছি।
তো এক্ষেত্রে এমন অনেক এলিয়েন সাম্রাজ্যে থাকতে পারে যারা হাজারো কৌশলকে রপ্ত করেছে আর মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে টিকে আছে। কিন্তু আমার তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারছি না। আর না পারছে তারা।

দূর জগতে হয়তো ধ্বংসের স্মৃতিচিহ্নের ঢেউ খেলে যাচ্ছে। যেমন পৃথিবীর জীব বৈচিত্রের ৯৯ ভাগই ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই এটাও বোঝা যাচ্ছে যে আজ হোক আর কাল আমাদের ভাগ্যেও এটাই রয়েছে। তাই বুদ্ধিমান প্রানী উন্নত হয়ে বিভিন্ন মন্ডলীতে ছড়িয়েও পড়তে পারে বা তার আগে বারংবার মরেও যেতে পারে। তো এখান থেকে সেই উত্তর পাওয়া যায় যে " তারা কোথায়?"

তাছাড়া এলিয়েনদেরকে আমাদের মত মনে করার কোনো কারনই নেই। আমাদের যুক্তি তাদের ক্ষেত্রে নাও খাটতে পারে। হতে পারে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বড়ই আদিম বা সেকেলে তাই এমনটা হচ্ছে।
ভাবুন যে আপনি মোর্স কোড দিয়ে হাজারবার দূর গ্রহের কারো সাথে যোগাযোগ করতে চাচ্ছেন কিন্তু তারা এই মোর্স কোড কি তাই জানে না বা তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ আলাদা। আমরা এমনই থেকে যাব যতদিন না আমরা সঠিকপন্থায় যোগাযোগ করতে শিখব।

যেমন একটি কাঠবিড়ালিকে আপনি কোনোভাবেই আপনার সোসাইটি সম্পর্কে বোঝাতে পারবেন না। সর্বোপরি কাঠবিড়ালির দিক থেকে গাছ হল তার বেঁচে থাকবার মত কিছু একটা। তাই সে জানে গাছ কেটে ফেলা পাগলামির মতো কিছু একটা কিন্তু তার মানে এই নয় যে আমরা কাঠবিড়ালিকে ঘৃনা করি। আমাদের সম্পদ দরকার তাই গাছ কাটি। ঐ কাঠবিড়ালির প্রার্থনা বা তার টিকে থাকার ব্যাপার আমাদের কাছে উদ্বেগের কিছু নয়।

অনুরূপভাবে একটা টাইপ থ্রি সিভিলাইজেশ্যনের অনেক অনেক সম্পদ,খনিজ বা জ্বালানি দরকার তাই তারা অন্যান্য প্লানেট থেকে এগুলো আহরন করে। যা আমাদের জন্য ঐ কাঠবিড়ালির মত হুমকি স্বরূপ। তারা তাদের সম্পদ আহরণের জন্য হয়ত হুট করে আমাদের সব সমুদ্রের জল বাষ্পীভূত করে ফেলল সব বিল্ডিং ধ্বংস করে মাটি খুঁড়ে সব খনিজ নিয়ে গেল আর কোনো এক এলিয়েন হয়ত এক সেকেন্ডের জন্য ভাবল এরা কত ছোট আর কত কত সব কংক্রিটের কাঠামো বানিয়েছে। ওকে এবার এরা সব ধ্বংস হয়ে গেল। আর এই ধরনের সিভিলাইজেশ্যন কতটা পাওয়ারফুল আর উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন তা আমরা কল্পনাও করতে পারব না এমতাবস্থায় যোগাযোগ বা ডিফেন্স তো সেখানে দুর কি বাত।

এরা চারটি স্টেপ মেনে চলে সব সময়।

১---> প্রান আছে এমন একটি গ্রহ খুঁজে বের কর।

২---> ঐ গ্রহের সবকিছুকে ভেঙে প্রাথমিক উপাদানে ভাগ করে ফেল।

৩---> উপাদান গুলোকে নতুন মহাকাশযান বানাতে ব্যাবহার কর।

৪---> উপরের সমগ্র প্রক্রিয়াটি পুনরায় কর।

এধরনের সিভিলাইজেশ্যন কয়েক লক্ষ বছরে একটা গ্যালাক্সি চষে বেড়িয়ে তা নির্জীব করে দিতে সক্ষম। আমরা আজও এমন সিভিলাইজেশ্যনের মুখোমুখি না হবার আরেকটি কারন হলো ডাইমেনশনের অমিল। বা আমরা এতটাই ক্ষুদ্র যে তাদের কিছু যায় আসে না আমাদের নিয়ে।

তাছাড়া সময়ের ব্যাপার তো আছেই। আলোর গতিও এসকল ক্ষেত্রে খুবই কম। কারন সেই গতিতেও আমাদের গ্যালাক্সি পার করতে হাজার হাজার বছর লেগে যাবে আর মহাবিশ্ব বর্ধিত হবার সমস্যা তো আছেই।

তবে যাই হোক ফার্মির প্যারাডক্সে একটা প্রবলেম রয়েছে। তা হল আমরা জানিনা আমাদের মানব সভ্যতা টিকে থাকা অব্দি আমাদের প্রযুক্তি কতদূর পৌছঁবে। তাই হয়তো আমাদের সামনে এমন অনেক কিছুই আসবে যা এই প্যারাডক্সের কোনো চিহ্নই রাখবে না। মহাজাগতিক এ খেলাই খুবই সামান্য জ্ঞান আমাদের। আমরা এখনও অনেকটা ভ্রুণ অবস্থায় আছি। ধীরে ধীরে বড় হচ্ছি। প্রাপ্ত বয়স্ক হতে কতটা সময় লাগবে তা নির্ভর করছে আমাদের প্রযুক্তির উপর।

কৃতজ্ঞতায়ঃ Kurzgesagt

চলুন শুরু করা যাক আমাদের জানামতে যেখানে গোড়া সেখান থেকে।তো আজ থেকে প্রায় ১৩.৮৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে সংঘটিত হয় বিগব্যাং বা স...
08/09/2020

চলুন শুরু করা যাক আমাদের জানামতে যেখানে গোড়া সেখান থেকে।
তো আজ থেকে প্রায় ১৩.৮৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে সংঘটিত হয় বিগব্যাং বা সেই মহা সম্প্রসারণ। 🎇
তার প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছর পর জন্ম হয় আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির। অর্থাৎ ফর্মিং শুরু হয় আমাদের মিল্কিওয়ের। তার ৮.৯ বিলিয়ন বছর পর জন্ম হয় আমাদের নক্ষত্র সূর্যের। সূর্যের জন্মের প্রায় ১০০ মিলিয়ন বছর পর তার হ্যাবিটেবল জোনে জন্ম হয় পৃথিবীর। হ্যাবিটেবল জোন হলো নক্ষত্র থেকে এমন দূরত্ব যেখানে প্রানের সঞ্চার সম্ভব। অর্থাৎ অতিরিক্ত গরমও না এবং খুব বেশি ঠান্ডাও না এমন একটা পজিশন।🌞▪▪🌍

আসুন এবার আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাপ্তি বা সাইজ সম্পর্কে জানি। আমাদের গ্যালাক্সির ব্যাপ্তি প্রায় ১ লক্ষ আলোকবর্ষ। অর্থাৎ আপনি যদি আমাদের গ্যালাক্সির একপ্রান্ত থেকে আলোর গতিতে অন্য প্রান্ত অব্দি যেতে থাকেন তবে সময় লাগবে ১ লক্ষ বছর। পৃথিবী থেকে গ্যালাকটিক কোর বা গ্যালাক্সির মিড্ল পর্যন্ত দূরত্ব ২৫,০০০ আলোকবর্ষ। তারপরও নাসা জানিয়েছে এবং অনেক বিজ্ঞানীগনও বলেন কিছু কিছু গ্যালাক্সির কাছে আমাদের গ্যালাক্সি একটা মার্বেল স্বরূপ। 🙈🙊 যেমন আছে IC-1101 নামক এক জায়ান্ট গ্যালাক্সি। যা সাইজে আমাদের মিল্কিওয়ের থেকে সাড়ে ৫০ গুন বড়। যার ব্যাপ্তি প্রায় সাড়ে ৫০ লক্ষ আলোকবর্ষ।😱😱

তো আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে এ যাবৎ আবিষ্কৃত মোট গ্রহের সংখ্যা ৫০ বিলিয়ন। তন্মধ্যে নক্ষত্রের হ্যাবিটেবল জোনে থাকা গ্রহের সংখ্যা ৫০০ মিলিয়ন। এখনো এই মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অনেকটায় আমাদের এক্সপ্লোর করা বাকি। তারমানে গ্রহও আবিষ্কার করা বাকি অনেক। এখনই অবাক হবেন না। আরো অনেক কিছু বাকি আছে।😀

এটা তো গেল শুধু আমাদের বসবাস করা মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির হিসাব।

আমাদের সর্ববৃহৎ স্পেসটেলিস্কোপ হাবল দিয়ে এপর্যন্ত আমাদের ওবজার্ভেবল ইউনিভার্সে আমরা খুঁজে পেয়েছি মাত্র ১০০ বিলিয়নের মত গ্যালাক্সি। হাবল কতৃপক্ষ জানিয়েছেন ভবিষ্যতে টেলিস্কোপ টেকনোলজির উন্নয়ন হলে এই গ্যালাক্সির সংখ্যা নিমেষেই গিয়ে দাঁড়াবে ২০০ বিলিয়নে বা তার থেকেও বড় কোনো সংখ্যায়। এবার ভাবুন এত এত গ্যালাক্সিতে কত সংখ্যক হ্যাবিটেবল প্লানেট থাকতে পারে আর তাতে কি প্রান ধারনের কোনো সম্ভাবনাই থাকতে পারে না? আমরা মানুষই কি এই অসীম সীমানার মিল্কিওয়ে নামক কোনো একটা গ্যালাক্সির ছোট্ট একটা নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হওয়া অতি ক্ষুদ্র একটা আর্থ নামক প্লানেটে জীবনধারণ করা একমাত্র প্রাণী?🤔🤔🧐

হুম এবার হয়ত আপনার মনে প্রশ্ন আসবে যে,তাহলে অন্য কোনো প্লানেটে থাকা প্রাণীদের আমরা কেন খুঁজে পায়না বা তারা কেন যোগাযোগ করে না? এটা আসলে একটা প্যারাডক্স।
বিজ্ঞানী এনরিকো ফার্মির প্যারাডক্স নামে পরিচিত এটি। পরবর্তীতে এই প্যারাডক্স ও এর খন্ডন নিয়ে আলোচনা করা হবে।✌

তথ্যসূত্রঃ nasa.gov and Google.com

১৬১০ সালে প্রথম গ্যালিলিও এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন। চাঁদ ও সূর্যের পরে আকাশে দৃশ্যমান উজ্জ্বলতম বস্তু হল ভেনাস বা শুক্র গ...
05/09/2020

১৬১০ সালে প্রথম গ্যালিলিও এই গ্রহটি আবিষ্কার করেন। চাঁদ ও সূর্যের পরে আকাশে দৃশ্যমান উজ্জ্বলতম বস্তু হল ভেনাস বা শুক্র গ্রহ। প্রাচীন রোমান দেবী ছিলেন ভেনাস। তিনি ছিলেন সৌন্দর্য, উর্বরতা ও ভালবাসার দেবী। তার নামানুসারেই এই গ্রহের নামকরণ। দেবী ভেনাস একদা এ্যাডোনিস নামের এক সুদর্শন শিকারী যুবকের প্রেমে পড়েন আর তা নিয়ে রোমান মিথে অনেক সুন্দর গল্পও রয়েছে।
তাছাড়া প্রায় একই রকম সাইজ ও ভরের কারনে শুক্রকে পৃথিবীর বোনও বলে অনেকে।

আমাদের সোলার সিস্টেমের সবচেয়ে উজ্জ্বল এবং সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ ভেনাস। সূর্য থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও সব থেকে নিকটতম গ্রহ বুধের থেকেও এর তাপমাত্রা বেশি। পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় ৩৯৩°C যা শীশা গলানোর জন্য যথেষ্ট। ভেনাসের বায়ুমন্ডল খুবই ঘন এবং অ্যাসিডিক। এর বায়ুমন্ডল কার্বন ডাই-অক্সাইড দিয়ে তৈরি।

ভেনাসের এমন উত্তপ্ততার কারন হল এটি সূর্য থেকে উত্তাপ গ্রহন করে কিন্তু এর পুরু বায়ুমন্ডল ও মেঘের কারনে তাপ আটকে যায় এবং তা আর স্পেসে ফিরে যেতে পারে না। যেমনটা মাঝে মাঝে হয় আমাদের পৃথিবীতেও। দেখবেন গ্রীষ্মের যেদিনে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে সেদিন আবহাওয়া বেশি গরম অনুভূত হয়। কারন ঐটায়। তাপ আটকে যায় মেঘে।

যাইহোক এখনো কোনো মানুষের যাওয়া সম্ভব হয়নি এই গ্রহে। একদা একটি স্পেস ক্র্যাফট পাঠানো হয়েছিল বটে কিন্তু ভেনাসের অতিরিক্ত পৃষ্ঠ তাপমাত্রার কারনে তা বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেনি।

তথ্যসূত্রঃ nasa.gov and google.com

আমরা এমতাবস্থায় আমাদের সবথেকে হাইটেক ও লার্জ রকেট বুস্টার নিয়ে রওনা দিলেও মঙ্গলে পৌঁছাতে সময় লাগবে কমপক্ষে ৭ মাস। এমন দী...
03/09/2020

আমরা এমতাবস্থায় আমাদের সবথেকে হাইটেক ও লার্জ রকেট বুস্টার নিয়ে রওনা দিলেও মঙ্গলে পৌঁছাতে সময় লাগবে কমপক্ষে ৭ মাস। এমন দীর্ঘ যাত্রা পথে এধরনের স্লিপিং চেম্বার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার থেকেও বড় বিষয় দেহের শক্তি কম খরচ করা। যা বাঁচাবে অতিরিক্ত খাবার পরিবহনের খরচ।

অনুরূপ ভাবে আমাদের চাঁদ লুনাও প্রতিবছর পৃথিবী থেকে ৩.৮ সেন্টিমিটার দূরে সরে যাচ্ছে।
01/09/2020

অনুরূপ ভাবে আমাদের চাঁদ লুনাও প্রতিবছর পৃথিবী থেকে ৩.৮ সেন্টিমিটার দূরে সরে যাচ্ছে।

মহাকাশবিদ্যার ইতিহাস শুরু হওয়ার বহু আগেই বৃহস্পতি গ্রহ মানুষের নজরে আসে এর বৃহৎ আকার এবং উজ্জ্বলতার কারনে। কিন্তু সত্যিক...
29/08/2020

মহাকাশবিদ্যার ইতিহাস শুরু হওয়ার বহু আগেই বৃহস্পতি গ্রহ মানুষের নজরে আসে এর বৃহৎ আকার এবং উজ্জ্বলতার কারনে। কিন্তু সত্যিকারের বৃহস্পতিকে জানা শুরু করতে আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে টেলিস্কোপ আবিষ্কার এর জন্য, ইউরোপে রেনেসা বিপ্লব সংঘটিত হওয়ার জন্য এবং সবশেষে মহান বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলির জন্মের জন্য। ১৬১০ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও বৃহস্পতির চারপাশে চারটা উপগ্রহ (আইও, ইউরোপা, গ্যানিমেড, ক্যালিস্টো) আবিষ্কার করেন। সেই থেকেই বৃহস্পতির উন্মোচনের যাত্রাটা শুরু।

পৃথিবীর চেয়ে তের হাজার গুন বড় এই গ্রহ জন্ম নেয় প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগতের প্রথম জন্মানো গ্রহ হিসাবে৷ সৌরজগতের বৃহত্তম এই গ্রহটির কিছু চমকপ্রদ দিক আছে। এটি মুলত গ্যাসীয় একটি গ্রহ। এতে কোন শক্ত ভূমি গঠিত হয় নি। এমনকি অন্যান্য গ্রহের মত এর কেন্দ্রাচল বা কোর সলিড না; বরং অবিশ্বাস্য ঘনত্বের লিকুইড হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম এর নারকীয় সাগর বিস্তৃত এর কোর জুড়ে৷

বৃহস্পতির যে ফেনোমেনা টা সবার নজর কাড়ে সেটা হল 'দি গ্রেট রেড স্পট'। বৃহস্পতির ছবিতে লক্ষ্য করলে অবিরত মেঘমালার হুলস্থুল এই এরিয়া সবার নজর কাড়ে। এটি আর কিছু না বরং তিনশ বছর ধরে চলমান এক বিশাল আকারের ঝড় যেটা গ্রহটির উপরিতলের গ্যাসীয় মেঘে অনরবত ঘটে চলেছে। এ ঝড়ের বেগ ঘন্টায় প্রায় ৪০০ মাইল, যা কিনা ক্যাটাগরি ফাইভ হারিকেন এর চেয়েও আড়াইগুন বেশি।

সর্বাধিক সংখ্যক চাঁদ এর বহর আছে এই বৃহস্পতিরই। এখন পর্যন্ত আবিষ্কার হিসাবে ৭৯ টি। এর ভিতর গ্যালিলিওর আবিষ্কৃত ৪ টি চাঁদ বৃহত্তর।
আইওঃ এটি মূলত সালফার আর পাথরের তৈরী, অসংখ্য জলন্ত আগ্নেয়গিরির অভয়ারণ্য।
ইউরোপাঃ বরফে ঢাকা রুপালী উপগ্রহ।
গ্যানিমেডঃ এটা শুধু বৃহস্পতিরই নয়; বরং সৌরজগতের সবচেয়ে বড় উপগ্রহ।
ক্যালিস্টোঃ ইউরোপা আর গ্যানিমেডের মত এটাও অন্যান্য উপাদানের সাথে বরফের স্তরে বিন্যাস্ত।

Address

N/A
Dhaka
1203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Astronomy Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category