একটি শোক সংবাদ,,, বাংলাদেশ ব্যাংক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ১০ ম শ্রেনির(SSC Candidate-21) ছাত্র মেহেদি হাসান সাগর( বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও BBAHS Science Club এর সদস্য )ও আয়াজ আহমেদ আলভি( বানিজ্য বিভাগের ছাত্র) কাল
(১৬/০৬/২০২১)সকাল সারিঘাটের খালে ডুবে মৃত্যুবরণ করেন।।।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রাজিউন।।
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত,"নবি করিম (স.) বলেছেন, পানিতে ডুবে,কলেরায়,প্লেগে ও ভুমিধসে চাপা পরে মৃত ব্যক্তিরা শহীদ।"( সহিহ বুখারী,হাদিস -৭২০).
BBAHS Science Club এর পক্ষ থেকে আন্তরিকভাবে শোক জানানো হচ্ছে তাদের এই অকাল মৃত্যুর জন্য।।
সকলে তাদের জন্য দোয়া কবেন যাতে মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।।
BBAHS Science Club
Official page of BBAHS science club.
21/04/2021
Earth Day বা ধরিএী দিবস একটি বার্ষিক অনুষ্ঠান, যা ২২ এপ্রিল পালিত হয়। পরিবেশ রক্ষার জন্য সমর্থন প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে দিবসটি পালিত হয় এবং বতর্মানে Earth Day বা ধরিএী দিবস নেটওয়ার্ক কর্তৃক বিশ্বব্যাপী সমন্বিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়। বতর্মানে ১৯৩ সংখ্যারও অধিক দেশে প্রতি বছর পালন করা হয়ে থাকে। মূলত উত্তর গোলাধের দেশগুলিতে বসন্তকালে আর দক্ষিন গোলার্ধের দেশগুলিতে শরতে ধরিএী দিবস পালিত হয়।
BBAHS Science Club এর পক্ষ হতে সকলকে জানাই ধরিএী দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
20/04/2021
|| আলোর দর্শন || পর্ব-০২
বিষয়ঃ চাকা
মানুষ তার সৃষ্টির পর থেকে বিভিন্ন সময় তার জীবনকে সহজ করতে নানা জিনিস তৈরি করেছে তার মধ্যে চাকা একটি। চাকা তৈরির পর থেকে মানুষের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। চাকার আবিস্কারের ফলে মানুষের জন্য দূর-দূরান্তের পথ পারি দেওয়া সহজ হয়ে যায়। নানা কাজ, যেমন- জিনিস বিভিন্ন উচ্চতায় উঠানো, নানা যন্ত্রাংশ চালানো ইত্যাদি সহজ হয়ে গিয়েছে। আজ এই চাকার কারণে আমরা অনেক দূরের পথ সহজে পার করতে পেরেছি। আদিকালে যেখানে মানুষের কোথাও যেতে পায়ে হেটে কয়েক দিন লাগাত, তা আজ আমরা কয়েক ঘণ্টায় পার করতে পেরেছি চাকার কারণে।
চাকাঃ অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে প্রাচীন মেসোপটেমিয়াতে চাকা আবিষ্কৃত হয়েছিল। শুরুতে কুমোরদের কাজে এটি ব্যবহৃত হত। খ্রীস্টপূর্ব ৪র্থ সহস্রাব্দ নাগাদ চাকার ব্যবহার ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার ছড়িয়ে পড়ে। ভারতীয় উপমহাদেশের সিন্ধু সভ্যতায় চাকার ব্যবহার শুরু হয় খ্রীস্টপূর্ব ৩য় সহস্রাব্দের দিকে। শুরুর দিকে চাকা কাঠের চাকতি দিয়ে তৈরি করা হতো, যার কেন্দ্রে অক্ষদণ্ডের জন্য একটি গর্ত করা হতো। স্পোক যুক্ত চাকা অনেক পরে উদ্ভাবিত হয়। প্রায় ২০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের সমকালীন আন্দ্রোনভ সংস্কৃতিতে স্পোকযুক্ত চাকার ব্যবহার পাওয়া যায়। খ্রীস্টপূর্ব ১ম সহস্রাব্দ নাগাদ কেল্টিদের রথগুলোতে এমন চাকা ব্যবহার করা হতো যার পরিধি বরাবর লোহার বেষ্টনী দেওয়া থাকত। ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে চাকায় নিউম্যাটিক টায়ার ব্যবহার শুরু হয়।সামগ্রিক ভাবে চাকার আবিষ্কার কেবল পরিবহন ব্যবস্থায় নয়, বরং প্রযুক্তির নানা দিকে নতুন নতুন যন্ত্র উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। চাকা ব্যবহার করে জল চক্র (পানি তোলার এবং পানি হতে শক্তি আহরণের চাকা), গিয়ার চাকা, চরকা, ইত্যাদি তৈরি করা হয়। সাম্প্রতিক কালের প্রপেলার, জেট ইঞ্জিন, জাইরোস্কোপ, এবং টারবাইন—এর সবই চাকারই পরিবর্তিত রূপ।
19/04/2021
|| আলোর দিশারী || পর্ব -০২
বিজ্ঞানীঃ আবুল হুসসাম
অধ্যাপক আবুল হুসসাম একজন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী।তিনি ১৯৫২ সালে বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) কুষ্টিয়া জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন গবেষণা করে কম খরচে ভূ-গর্ভস্থ আর্সেনিকযুক্ত পানি পরিশোধনের যন্ত্র সোনো আর্সেনিক ফিল্টার আবিষ্কার করেছেন।
আবুল হুসসাম ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি এবং ১৯৭৬ সালে এমএসসি সম্পন্ন করেন। ১৯৭৮ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার উদ্দ্যেশে গমন করেন। ১৯৮২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনালিটিক্যাল রসায়নে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন। এই সময় তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
অধ্যাপক হুসসাম তার কর্মজীবনের এক বৃহৎ অংশ কাটিয়েছেন সেন্টারভাইলস্থ ভার্জিনিয়াতে। সেখানে তিনি বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারতীয় ভূখণ্ডের ভূগর্ভস্থ পানিতে থাকা আর্সেনিক ও এর প্রতিকার নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে আর্সেনিক নিয়ে তার গবেষণা শুরু করেন। নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে তিনি পানিতে থাকা আর্সেনিকের মাত্রা প্রায় নির্ভুল ভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম যন্ত্র আবিষ্কার করেন। চূড়ান্ত সাফল্য এলো একটি সরল ও সহজ রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা সম্পন্ন পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্র বা ছাঁকনির মাধ্যমে। এই পানি বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রটি মূলত একটি ফিল্টার বা ছাঁকনি বিশেষ যা পানিতে থাকা আর্সেনিক ও আরও কিছু ক্ষতিকর খনিজ পদার্থকে পরিস্রাবণ করার মাধ্যমে পানিকে পানযোগ্য করে তোলে। এই বিশুদ্ধকরণ যন্ত্রে বালি, কাঠ কয়লা, ক্ষুদ্র ইটের খোয়া ও কাস্ট আয়রন (ঢালাই লোহা) ব্যবহার করা হয়। ফিল্টার বা ছাঁকনিটি আর্সেনিক দোষিত পানির প্রায় সমস্ত আর্সেনিক অবমুক্ত করার ক্ষমতা রাখে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও প্রখ্যাত জার্নালে অধ্যাপক হুসসামের প্রায় শতাধিক প্রকাশনা রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও অনুষ্ঠানে তার উপস্থাপনা রয়েছে।
তিনি ২০০৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টর অব সায়েন্স, ২০০৭ সালেন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং, গ্রেইঞ্জার চ্যালেঞ্জ পুরস্কার, স্বর্ণপদক,বাংলাদেশ আমেরিকান সোসাইটি অফ হিউম্যানিটি পুরস্কার, টাইম ম্যাগাজিন, গ্লোবাল হিরোস অফ দি এনভায়রনমেন্ট পুরস্কার, ২০০৮ সালে ডিস্টিংগুইশড এলুমনি পুরস্কার (রসায়নবিদ্যা বিভাগ। পিটসবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়),ডিস্টিংগুইশড স্পিকার সিরিজ পুরস্কার (কালামাযু ম্যাথ এ্যান্ড সায়েন্স সেন্টার, কালামাযু, মিশিগান),আউটস্ট্যান্ডিং আমেরিকান বাই চয়েস পুরস্কার, ইউএস সিটিজেনশিপ এ্যান্ড ইমিগ্রেশন্স সার্ভিস ও ২০১০
সালে মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফাউন্ডেশান পুরস্কার ইন দি ফিল্ড অফ সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি বাংলাদেশ অর্জন করেন
16/04/2021
||আলোর দর্শন|| পর্ব -০১
বিষয়ঃ ক্রেসকোগ্রাফ
এই পৃথিবীতে জীবের বেঁচে থাকার জন্য উদ্ভিদ একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। উদ্ভিদ আমাদের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য জোগান দেয় যার দ্বারা মানুষের শারিরীক ও মানসিক বৃদ্ধি হয়। মানুষের এই পরিমাপ করার নানা যন্ত্র রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন জাগতে পারে যে উদ্ভিদ এর বৃদ্ধি মাপার যন্ত্র আছে কি না। উদ্ভিদেরও বৃদ্ধি মাপার যন্ত্র আছে। বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাঙালি বিজ্ঞানি জগদীশচন্দ্র বসু ক্রেসকোগ্রাফ নামের একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার দ্বারা উদ্ভিদ এর বৃদ্ধি পরিমাপ করা যায়
ক্রেসকোগ্রাফঃ জগদীশচন্দ্র বসু ঘড়ির যন্ত্রাংশ ও ধোঁয়া সিঞ্চিত কাচের প্লেটের মাধ্যমে ক্রেসকোগ্রাফ তৈরি করেন যার দ্বারা উদ্ভিদের অগ্রভাগের বৃদ্ধি পরিমাপ করা যায়। উদ্ভিদের বৃদ্ধির পরিমাণ ভালোভাবে বোঝার জন্য এই যন্ত্র দশ হাজার গুণ বিবর্ধন করে দেখাতে পারে। বর্তমানের বৈদুতিক ক্রেসকোগ্রাফ এক ইঞ্চির দশ লক্ষ ভাগ পর্যন্ত পরিমাপ করতে সক্ষম। বিভিন্ন উদ্দীপক, যেমনঃ তাপমাত্রা, রাসায়নিক পদার্থ, গ্যাস ইত্যাদির উপস্থিতিতে বৃদ্ধি কীরূপ হয় তার প্রদর্শনও তিনি করেছিলেন। উদ্ভিদের বৃদ্ধি লিপিবদ্ধ করতে বৈদুতিক ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রটি ১০,০০০,০০০ পরিসরের ছোত আন্দোলন বা গতিবিধিও পরিমাপ করতে সক্ষম।
আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর এই আবিস্কারের ফলে আজ আমরা উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপ করতে সক্ষম হয়েছি। আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর আবিষ্কৃত ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্রটির একটি মডেল বসু বিজ্ঞান মন্দিরে সংরক্ষিত আছে।
14/04/2021
পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।এ দিনটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয় নানা উৎসব ও আয়োজনে। চারুকলা অনুষদ থেকে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয়। ব্যাবসায়িক মহলে ও এটি পুরোনো হিসাব চুকিয়ে নতুন শুরুর দিন। নববর্ষ বাঙালি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করে।
হে নূতন,এসো তুমি সম্পুর্ণ গগন পূর্ণ করি পুঞ্জ পুঞ্জ রূপে- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
BBAHS Science Club এর পক্ষ হতে সকল কে জানাই বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ এর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
13/04/2021
রোযা ইসলামের ৫টি স্তম্ভের মধ্যে ১টি। প্রতিবছর আরবি মাস অনুসারে রামাদান মাস হলো রোযার মাস।এই মাসে বিশ্বের সকল মুসলিমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিয়তের সাথে পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকে। প্রকতপক্ষে, মুসলিমদের রোযা রাখার মূল উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া ( আল্লাহভীতি ) অর্জন করা। তাছাড়া রোযা হলো কোনো ব্যক্তি ও তার মন্দ কাজের ঢাল স্বরুপ। এই বিষয় মহানবি (স.) বলেছেন:-
"সাওম (রোযা) ঢালস্বরুপ।" (বুখারি ও মুসলিম)
এ পবিত্র মাসের জন্য BBAHS Science Club এর পক্ষ থেকে সকল মুসলিমদের আন্তরিক শুভেচ্ছা (Ramadan Mubarak) এবং দোয়া রইল যাতে মহান আল্লাহ তায়ালা সকলকে রোযা রাখার তৌফিক দান করুক।
09/04/2021
||আলোর দিশারী|| পর্ব-০১
বিজ্ঞানীঃ মোবারক আহমেদ খান
মোবারক আহমেদ খান একজন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী যিনি পাটের বানিজ্যিক ব্যবহার ও অন্যান্য নানাবিধ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপান্তর এর লক্ষ্যে ১৯৯০ এর দশক থেকে গবেষণা শুরু করেন । এছাড়াও তার বিভিন্ন আবিষ্কার এর মধ্যে উল্লেকযোগ হলো:পাটের তৈরি জুটিন নাম ঢেউটিন,পাটের তৈরি হেলমেট ও টাইলস।বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা ডাটাবেজ স্কোপাসের তথানুসারে বৈশ্বিকভাবে পাট বিষয়ক গবেষনায় তাকে প্রধান একজন বিজ্ঞানী বলে মনে করা হয়।
তিনি তার শিক্ষাজীবনে রসায়নে স্নাতক ও স্নাতকত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পর পলিমার ও তেজস্ক্রিয় রসায়নে পিএচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশের পরমানু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ছিলেন এবং বতমানে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা হিসেবে কমরত রয়েছেন।
তার আবিষ্কারের মধ্যে অন্যতম হলো পাটের তৈরি ঢেউটিন যা তিনি ২০০৯ সালে উদ্ভাবন করেন যা তৈরিতে তিনি পাটের সঙ্গে ব্যবহার করেন পরিমারের মিস্রণ।এছাড়াও তিনি ২০১৬ সালে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক ফরমালিনের বিকল্প হিসাবে অতিক্ষতিকারক চিতোজান তৈরি করেন।সম্প্রতি তিনি পাট থেকে পরিবেশবান্ধব সোনালী বাগ তৈরি করেছেন যা বতমানে বানিজিকভাবে উৎপাদন সম্ভব।
পাট গবেষণায় সীৃকৃতিসরুপ বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি মোবারক আহমেদকে ২০১৫ সালে সণপদক প্রদান করেন।এছাড়া তিনি ২০১৬ সালে জাতীয় পাট পুরুস্কার ও ২০১৭ সালে ফেডারেশন অব এশিয়ান কেমিক্যাল সোসাইটি পুরুস্কারে ভুষিত হন। ১৯৯৮ সালের গুরুত্বপূর্ণ বাক্তিদের তথ্যসুত্রের প্রকাশনা "হুজ হতে" তার নাম প্রকাশ করা হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সদ্য অবসর গ্রহণকারী সকলের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় সিনিয়র শিক্ষক জনাব গোলাম রাব্বানী (স্যার) কিছুক্ষণ আগে ০৫/০৪/২০২১ তারিখে আনুমানিক রাত 11 টায় ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি এবং সকলের নিকট তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি। যেন মহান আল্লাহ তায়ালা তার সকল গুনাহসমূহ মাফ করে দিয়ে তাকে জান্নাতবাসী করেন।
01/04/2021
|| বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব || পর্ব-১
বিষয়ঃ ডার্ক ম্যাটার
ডার্ক ম্যাটার, শব্দটার সাথে আমরা সবাই ই কম বা বেশি পরিচিত। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এটা কি?আমাদের মহা বিশ্বে ভর সম্পন্ন এমন কিছু পদার্থ আছে যা আমরা প্রত্যক্ষভাবে শনাক্ত করতে পারি না, সেটাই ডার্ক ম্যাটার।
এখন তাহলে প্রশ্ন হলো আমরা যদি এটা শনাক্ত না ই করতে পারি,তাহলে এটার উপস্তিতির কথা জানলাম কেমন করে?
১৯৩০ সালে সুইস বিজ্ঞানী ফ্রিটজ জুইকি লক্ষ করেন আমাদের মহাবিশ্বে যে পরিমাণ জ্যোতিষ্ক বিদ্যমান সেগুলো ধরে রাখতে বিপুল পরিমাণ মহাকর্ষ বলের প্রয়োজন। কিন্তু, সেখানে আমরা যে পরিমাণ পদার্থ দেখতে পাই,তার দ্বারা কোনভাবেই এত বিপুল পরিমাণে মহাকর্ষ বলের উৎপত্তি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তখন তিনি একটি তত্ত্ব দেন যে মহাবিশ্বে এমন কিছু পদার্থের উপস্তিতি আছে যা আমরা শনাক্ত করতে পারি না,কিন্তু সেটার ভর আছে এবং আমাদের বিপুল পরিমাণ মহাকর্ষ বলের জোগান দিয়ে থাকে।
এখন প্রশ্ন আসতেই পারে, এই বলের উৎস যে অন্য কোন ভাবে কিছু না তা কিভাবে নিশ্চিত? আসলে তার এই থিওরি টা গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং এবং অন্যান্য পরীক্ষার ভিত্তিতেই প্রণীত এবং সঠিক প্রমাণিত হয়েছে।
বর্তমানে ও আমরা এর উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারার মতো প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে পারিনি।আমাদের মহাবিশ্বের প্রায় ২৫℅ দখলে করেছে এই ডার্ক ম্যাটার।
অবাক করা বিষয় হচ্ছে, এটি কোনরূপ আলো বিকিরণ করে না এবং কোন পদার্থের সাথেও সংঘর্ষে লিপ্ত হয় না।অর্থাৎ, আমাদের শরীরের ভিতর দিয়ে বিপুল পরিমাণ ডার্ক ম্যাটার চলে গেলেও আমরা কিছুই টের পাব না।
31/03/2021
||বিজ্ঞান সমাচার || পর্ব -১
|| পপকর্নের রসায়ন ||
সাধারণ মানুষের কাছে হয়তবা শক্ত হলুদ ভূট্টার দানা ভাজার পর যে মুচমুচে রূপ নেয় তা হলো পপকর্ণ।কিন্তু ১৯৭০ সাল থেকে বিজ্ঞানীরা পপকর্নের স্বাদ ও গন্ধ নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।
তারা প্রথমে আবিষ্কার করেন ২- অ্যাসিটাইল পাইরাজিন পপকর্নে থাকে,কিন্তু তা গন্ধে খুব একটা অবদান রাখে না।মূলত ২- অ্যাসিটাইল-১ পাইরোলিন পপকর্নের সুগন্ধের জন্য অবদান রাখে।এছাড়াও পাইরিডিন ও ফেনেলের মতো উপাদানও সামান্য পরিমাণে থাকে।
এদিকে পপকর্নে স্বাদ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ফ্লেভার দেওয়া হয়।যেমন মাখনের ফ্লেভারের জন্য ২,৩- বিউটানেডায়োন বা ২,৩ পেন্টানেডায়োন ব্যবহার করা হয়।
★মনে এই প্রশ্নও জাগতে পারে যে পপকর্ন কেন "পপ" করে উঠে কেন? তার উত্তরও রয়েছে। বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে দেখা যায় ভূট্টার দানার ভেতরে ১৪ শতাংশ পানি থাকে।পপকর্ন বানানোর সময় এ পানি বাষ্প হয়ে যায়। কিন্তু তা ভেতরে আটকা পড়ে ক্রমাগত চাপ বৃদ্ধির ফলে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় দানা ভেঙে যায়। এই দানা ভেঙে যাওয়ার সময় যে শব্দ হয় তা মূলত চাপে থাকা বাষ্প বেরিয়ে আসার শব্দ।
25/03/2021
২৬শে মার্চ!
সে এমন এক দিন যখন এদেশ অস্তিত্ব লাভ করেছিল। সামনের পথ কণ্টকাকীর্ণ জেনেও অত্যাচারীকে প্রতিরোধ করতে যে বাঙালি পিছপা হয়না তার প্রমাণ এই ২৬শে মার্চ।এদিন আমাদের দিয়েছে এ ভূখন্ড, এ পতাকা।সেদিন বাঙালি রক্তের বিনিময়ে তার অধিকারকে ক্রয় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিল।আজ সে স্বাধীনতার ৫০তম জয়ন্তী।
এ মহান দিনে BBAHS SCIENCE CLUB এর পক্ষ থেকে সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা এবং স্বাধীনতায় ভূমিকা রাখা সকলের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
IG Gate, Bank Colony
Dhaka