Know authentic islam - বিশুদ্ধ ইসলাম জানুন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Know authentic islam - বিশুদ্ধ ইসলাম জানুন

Know authentic islam - বিশুদ্ধ ইসলাম জানুন বিশুদ্ধ ইসলাম জানতে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন।
বিশুদ্ধ ইসলাম জানুন এবং মেনে চলুন

27/04/2026

প্রস্রাব আটকিয়ে নামাজ পড়া যাবে কি?

অথচ এই মেয়েকে সম্মানের সাথে ঘরে তুলতে একজন ছেলেকে বছরের পর বছর রোদ-বৃষ্টি এক করে লড়াই করতে হয়!একটা ভিডিও দেখলাম যেখানে উ...
31/03/2026

অথচ এই মেয়েকে সম্মানের সাথে ঘরে তুলতে একজন ছেলেকে বছরের পর বছর রোদ-বৃষ্টি এক করে লড়াই করতে হয়!

একটা ভিডিও দেখলাম যেখানে উক্ত হিজাবী(?) মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ড কে নিয়ে একটু কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করতে লেডিস ওয়াশরুমে ঢুকে এবং সেখানে মোল্লাদের জন্য নারী ডাক্তার হওয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকে তাও আবার রোজার মাসে৷
এধরণের চিত্র, ঘটনা অহরহ হচ্ছে৷ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে স্কুলের বারান্দা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে এই অশ্লীলতার বিষবাষ্প।
এখন স্কুলের শিশুরাও(?) পিছিয়ে নেই নারী ডাক্তার বানানোর প্রতিযোগিতায়। তাদের ব্যাগের ভিতরেও Kন্ডম পাওয়া যায়, পিল পাওয়া যায়, বান্ধবীরা একি সাথে বসে পorn দেখে, পরবর্তীতে নিজেদের মধ্যে প্রাক্টিসও করে।
যৌ--ন চাহিদা যা খুবই নেচারাল। বয়ঃসন্ধিকাল আসলেই এই চাহিদার উদ্রেক হয় কিন্তু সমাজ এই চাহিদা কে নির্দিষ্ট বয়সের সাথে যুক্ত করে দেয় আর বলে যে আঠারোর আগে সবাই কচি শিশু, তাদের বুঝজ্ঞান হয় না, তারা ভালোমন্দ বুঝতে পারে না এজন্য বিয়ে দেয়ার দরকার নেই৷
তবে তারা চাইলে কন্সেন্টের মাধ্যমে একে অপরের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে বায়োলজি শিখতেই পারে এবং পরবর্তীতে যখন পেট ফুলে যাবে, তখন এবরশন করে ফেলবে কিন্তু এটা কিন্তু মানবহ--ত্যা-- হবে না।
এ-যুগে লেখাপড়ার থেকে বেশি হয় অশ্লীলতা। স্কুলের একজন বাচ্চার (?) ফোন চেক করলে বুঝতে পারা যাবে যে তারা কি আদৌ বাচ্চা হয়ে আছে না-কি পুরোদস্তুর এডাল্ট।
আমার এক বন্ধুর ছাত্রী ছিলো, জ্বী ছাত্রী ক্লাস ফোরে, তার ক্রোম হিস্ট্রি তে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প--র্ণ-এর সয়লাব ছিলো অথচ তার বয়স কিন্তু হবে ১০-১১ বছর৷ সেই বন্ধুরই আরেকটা ছাত্র সে সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো এজন্য লেখাপড়াও হতো না৷ তার মা নোটিস করে সে রাত ১ টার দিকে বাথরুম থেকে গোসল করে বের হয়৷ পরবর্তীতে যা বুঝার তা বুঝেই গিয়েছে৷
স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যতধরণের স্ক্যান্ডাল ভাইরাল হয়েছে, যত অকাজের কথা বের হয়েছে; এর মধ্যে মেজরিটির দেখা যাবে হিজাব বা বোরখা আছে৷ গাছের চিপা থেকে শুরু করে লিটনের ফ্ল্যাট কিংবা কোনো রেস্টুরেন্টের গোপন খুপরিতে এদের দৌরাত্ন বিদ্যমান।
নিজের পরিচয় লুকাতে, নির্বিঘ্নে যাতে এসব কাজ করতে পারে এজন্য হিজাব/ বোরখা পড়ে থাকে আর এসব চরিত্রহীনা মেয়ের জন্য নাম খারাপ হয় এবং সন্দেহের উৎপত্তি হয় ভালো মেয়েদের উপর৷
অবশ্য এদের আবার কমন ফতোয়া হচ্ছে, পাস্ট ইজ পাস্ট। অনলি আল্লাহ কেন জাজ মি৷ এরপরে আর কিছু বলতে পারে না পুরুষ সমাজ৷ আর পুরুষ সমাজ ও আরেক কাঠি উপরে। যাচ্ছেতাই এসব করবে, একেকজনের বিছানায় একেকদিন যাবে কিন্তু সিম্পিং করা কমাবে না।
বাপ-মা কেও দোষারোপ না করে পারা যায় না এবং কিছুক্ষেত্রে বাপ-মা কেই প্রধান আসামি হিসেবে সাব্যস্ত করাই যেতে পারে৷
বাপ-মা জানে মেয়ের যৌবনকাল চলছে, শরীরে কি পরিবর্তন হচ্ছে তা সম্পর্কে ওয়াকিফ থাকে কিন্তু এখানেই তারা ছাড় বেশি দেয়৷ স্কুলে চুলে বেণি করে নিজে যেয়ে দিয়ে আসলেও কলেজে উঠার সাথে সাথে আর দেখাশোনা, খোঁজখবর নেয়ার প্রয়োজন বোধ করে না৷
যেই বয়সে মেয়ে বিপথে বেশি যাবে, সেই বয়সেই মেয়েকে ছাড় দিয়ে দেয়, এরপরে যা হবার তা-ই হয়। যৌ-ন চাহিদা হালাল ভাবে তো পরিবার, সমাজ মেটাতে দিচ্ছে না এজন্য হারাম উপায়ে মিটিয়ে ফেলে৷
অনেকে প্রশ্ন করতে পারে কেন শুধু নারীদের বললাম, এখানে তো পুরুষও দায়ী। মেয়েরা সতীত্বহীন হয় আরেকটা ছেলে দ্বারা।
তাহলে কেন মেয়েদের দায়ী করা হয়?
গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে, আগেই বলে নেই মন্তব্য করার আগে প্রতিটি লাইন, প্রতিটি কথা খুব ভালো করে, মনোযোগ দিয়ে পড়বেন, বুঝার চেষ্টা করবেন। আবেগের বশে, অল্প পড়ে বা ভাসাভাসা বুঝে মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন৷ ...................................................................................
কিছু বেইসিক বায়োলজি বুঝা প্রয়োজন যে, ' নারী-পুরুষের স্ট্রাকচার, সাইকোলজি, বায়োলজি সবকিছুতে রয়েছে ডিফারেন্স। এই ডিফারেন্স কে মেনে নিলে অনেক কিছুই বুঝতে সহজ হয়ে যায়৷
একজন নারী বছরে একটি সন্তান ধারণ করতে পারে, কিন্তু পুরুষ একই সময়ে হাজারো সন্তান জন্ম দিতে পারে। নারীর ডিম্বাণু সীমিত, কিন্তু পুরুষের শুক্রাণু বিলিয়নের কাছাকাছি।নারীর দেহের ডিম্বাণু ' চুজ' করে, ' এক্সেস' দেয় কাকে সে গ্রহণ করবে আর কাদের কে রিজেক্ট করবে৷
নারী স্বভাবগতভাবে সিলেক্টিভ, পুরুষ অপরচুনেস্টিক হয়ে থাকে৷ তাই, নারী নিজের শরীরের ‘এক্সেস’ যাকে দেবে, তার মান ও দায়বদ্ধতা নির্বাচন করেই দেবে। সতীত্ব তাই নারীর সবচেয়ে মূল্যবান প্রজনন সম্পদ, যা একবার দিলে আর ফেরানো যায় না।
নারীদের শরীরে শারীরিক সম্পর্কের সময় অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণ হয় কারণ এই হরমোনের কাজ গভীর আবেগ এবং সম্পর্ক তৈরি করা।
পুরুষের ক্ষেত্রে ডোপামিন প্রাধান্য পায়—তাৎক্ষণিক আনন্দ, কিন্তু আবেগের গভীরতা কম নারীদের তুলনায়।এজন্য, নারী
শরীর দেয়ার আগেই মন দেয়; অপরদিকে পুরুষ মন দেয়ার আগেই শরীর নিতে চায়।
ইসলাম নারীকে ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে তার নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষার্থে; অপ্রেশন হিসেবে নয়, প্রিজারর্বেশন হিসেবে৷
ইতিহাসের প্রতিটি উন্নত সভ্যতায় নারীর সামাজিক ভূমিকা সংরক্ষিত ও গৃহস্থালিকেন্দ্রিক ছিল। কারণ ঘরের বাইরে নারীর উপস্থিতি মানেই নিরাপত্তাহীনতা, উত্তেজনা ও সমাজের মূল কাঠামোয় ফাটল।
ধরা যাক, একজন পুরুষ কোনো নারীকে জ্বিনায় প্রলুব্ধ করল। পুরুষ অপরাধী হবে, কিন্তু নারী যদি নিজ ইচ্ছায় রাজি হয়, তাহলে সে তার সতীত্বের দায়িত্ব নিজে নেয়।
এটা ঠিক অনেকটা সেরকম, কোনো একজন বাবা হারাম উপার্জন করে পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিলে, বিচারে সেই বাবাই গোনাহগার হবে। সন্তান ও স্ত্রী দায়ী হবেন না—কারণ তারা ডিসিশন মেইকার নয়৷
তেমনই সতীত্বের মূল ডিসিশন মেইকার যেহেতু নারী, সে যেহেতু বলে ' হ্যাঁ', ' কন্সেন্ট রয়েছে' সেহেতু তাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করাই যৌক্তিক ও ন্যায্য।
পুরুষ এক রাতের সম্পর্কে প্রজনন ঘটিয়ে “অবসরে” যেতে পারে, কিন্তু নারী একটি শরীর ভোগ করলেই ৯ মাস বয়ে বেড়ায় সন্তান, মানসিক পরিবর্তন, সামাজিক বদনাম।
তাই, তার সতীত্ব সমতার জন্য না, সুরক্ষার জন্য আলাদা মর্যাদা পায়।
সতীত্ব হারানো মানে নারী শুধু দেহ দেয় না, সে নিজেই ভেঙে পড়ে পুরুষ ভুল করলেও তাকে দায়ী করা হয়—কিন্তু তার দেহে চিহ্ন থাকে না, তার সম্ভ্রম "পরিমাপযোগ্য" নয়।
নারীর ভুল চিরস্থায়ী, কারণ তার শরীরে, মানসিকতায়, ভবিষ্যতে এবং সন্তান উৎপাদনে তার প্রভাব পড়ে।
তাই সতীত্ব হারালে নারীকেই আলাদা করে দায়ী করা হয়—এটা কেবল নৈতিক বা ধর্মীয় নয়, বরং জৈবিক ও বৈজ্ঞানিক দায়।
একজন নারী যখন দেহ দেয়, সে শুধু একজন পুরুষকে উপভোগের অধিকার দেয় না—সে নিজেই তার ভবিষ্যৎ, সম্ভ্রম এবং সমাজের ভিত্তি দিয়ে দেয়।
©

16/03/2026

ফিতরা দেওয়া কাদের উপর ফরজ? - শায়েখ মঞ্জুর ই ইলাহী

#ফিতরা #যাকাতুল_ফিতর #ফিতরা_ফরজ

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ কি আমরা বাঁচিয়ে তুলব না?রমজান মাস এলে আমরা ফিতরা আদায় করি, কিন্তু আমরা ক...
15/03/2026

রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর একটি হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ কি আমরা বাঁচিয়ে তুলব না?
রমজান মাস এলে আমরা ফিতরা আদায় করি, কিন্তু আমরা কি জানি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ও তাঁর সাহাবীগণ (রাঃ) কীভাবে এবং কতটুকু ফিতরা আদায় করতেন?

​আজকাল আমরা কেবল টাকার হিসেবে ফিতরা দিয়ে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু মূল সুন্নাহ হলো খাদ্যদ্রব্যের মাধ্যমে 'এক সা' (১ সা') পরিমাণ ফিতরা আদায় করা। আর এই 'সা' হলো মদীনার সেই বরকতময় পরিমাপ যা স্বয়ং নবীজী (সাঃ) ব্যবহার করতেন।

​📊 সহজ হিসাব (নাজিরশাইল চালের হিসেবে):
​১ মুদ = ৭০০ গ্রাম (প্রায়)
​১ সা’ (৪ মুদ) = ২৮০০ গ্রাম বা ২.৮ কেজি।

​"রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যাকাতুল ফিতর হিসেবে এক সা' খেজুর বা এক সা' যব ফরজ করেছেন।" (সহীহ বুখারী: ১৫০৩)

​কেন আমরা এই সুন্নাহ পালন করব?
১. এটি সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর অনুসৃত পদ্ধতি।
​২. খাদ্যশস্য দিয়ে ফিতরা দিলে মিসকিনদের সরাসরি খাবারের ব্যবস্থা হয়।
৩. হারিয়ে যাওয়া একটি সুন্নাহকে জিন্দা করার সওয়াব পাওয়া যায়।

​এই রমজানে আসুন আমরা অন্তত নিজের পরিবারের পক্ষ থেকে চাল বা খাদ্যশস্যের মাধ্যমে এই সঠিক মাপে (২ কেজি ৮০০ গ্রাম প্রতি জন) ফিতরা আদায় করার চেষ্টা করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুন্নাহর ওপর আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

​ #যাকাতুল_ফিতর

স্পষ্ট হারাম বিষয় এখন সমাজে চালু হয়ে গেছে..  #মা_শিশু_স্বাস্থ্য                #
14/03/2026

স্পষ্ট হারাম বিষয় এখন সমাজে চালু হয়ে গেছে..

#মা_শিশু_স্বাস্থ্য #

14/03/2026
ফিলিস্তিনসহ সকল মুসলিমদের জন্য দু'আ...
02/03/2026

ফিলিস্তিনসহ সকল মুসলিমদের জন্য দু'আ...

21/02/2026

আমাদের স্লোগান 😍😍 সেদিন লক্ষ জনতার কণ্ঠে উচ্চারিত হিয়েছিলো...

12/02/2026

বেশি ক্ষতি থেকে বাচতে ভোট দেওয়া জায়েজ - শায়েখ আবু বকর জাকারিয়া

03/02/2026

তুলনামূলক ভালো বেছে নেওয়ার জন্য ভোট দেওয়া জায়েজ || শায়েখ মতিউর রহমান মাদানী

Address

Dhanmondi Dhaka
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Know authentic islam - বিশুদ্ধ ইসলাম জানুন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share