17/12/2021
41 BCS Preparation
it is only copy paste group
17/12/2021
বিসিএস ভাইভার প্রশ্ন--------------------
কেন আম গাছ আমাদের জাতীয় বৃক্ষ??
====================================
বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠাল, জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় মাছ ইলিশ, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় প্রাণী রয়েল বেঙ্গল টাইগার। আছে জাতীয় উদ্যানও। কিন্তু স্বাধীনতার ৩৯ বছরেও আমাদের কোনো জাতীয় বৃক্ষ ছিল না। এবার সেই অভাব ঘুচল। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভায় আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ ঘোষণা করা হয়েছে।
তবে আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ ঘোষণার পেছনে ফল আমের অবদানই বোধ হয় বেশি। কারণ, আম খেতে ভালোবাসেন না, এমন বাঙালি পাওয়া কঠিন। ২০১০ সালে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় আমের পক্ষে যেসব যুক্তি উপস্থাপন করেছিললো সেগুলো হলো—আমগাছ দেশের বেশির ভাগ মানুষ চেনে। গ্রামে আমগাছ নেই, এমন বাড়িও খুঁজে পাওয়া কঠিন। কারও বাড়িতে ১০টি গাছ থাকলে অন্তত একটি আমগাছ থাকবে। ফল সুস্বাদু হওয়ার পাশাপাশি এর কাঠ ঘর ও আসবাব তৈরিতে বেশ ব্যবহূত হয়।
এর সঙ্গে মন্ত্রিসভার আলোচনায় আরও যা যোগ হয়েছেলো তা হলো—বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও দেশপ্রেমের অনুভূতির সঙ্গে আম ও আমগাছের সম্পর্ক আছে। ১৭৫৭ সালে পলাশীর আম্রকাননে ব্রিটিশদের হাতে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ে যে বেদনার ইতিহাস সৃষ্টি হয়েছিল, ১৯৭১ সালে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আমবাগানে তার পরিসমাপ্তি ঘটে। মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৭ এপ্রিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার শপথ নেয় এই আম্রকাননে। আমাদের জাতীয় সংগীতে আছে "ওমা ফাগুনে তোর আমের বনে, ঘ্রাণে পাগল করে" এখানে আমগাছের উপস্থিতি দেশপ্রেমের অনুষঙ্গ হিসেবে। আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে অনুমোদন দিতে গিয়ে এসব কিছুকে বিবেচনা করা হয় তখন। তৎকালীন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার জানান আমগাছের পরিচিতি এর ফলের জনপ্রিয়তার কারণে। পাশাপাশি দেশের স্বাধীনতার সঙ্গে আমবাগানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করে আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে প্রস্তাব ও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় ছয়টি বৃক্ষের নাম প্রস্তাব করেছিল। সেখানে আমগাছের সঙ্গে ছিল কদম, তাল, হিজল, পলাশ ও শিমুল গাছের নাম। বৈঠকে বেশির ভাগ মন্ত্রী আমগাছের পক্ষে অবস্থান নেন। ফলে সর্বসম্মতিক্রমে আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা প্রস্তাবে ছয়টি বৃক্ষের উৎপত্তি, গুণাগুণসহ বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়। কাঠের মূল্য না থাকায় ফুল গাছগুলো আলোচনার শুরুতেই বাদ পড়ে যায়। বেশির ভাগ মন্ত্রী ফল গাছকে জাতীয় বৃক্ষ করার পক্ষে মত দেন। তবে তালগাছ দেশের সব অঞ্চলে হয় না বলে এই গাছের নাম বাদ দেওয়া হয়।
জাতীয় বৃক্ষ সম্পর্কে প্রস্তাবের জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় প্রথমে প্রধান বন সংরক্ষককে দায়িত্ব দিয়েছিল। তিনি বন অধিদপ্তরে সভা করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতামত নিয়ে বট, গর্জন ও শালবৃক্ষের নাম প্রস্তাব করেন। পরে গত ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সালে অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সভা করে। ওই সভায় কদম, তাল, হিজল ও পলাশের নাম প্রস্তাব হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়। পরে আরও কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করে আম ও শিমুলের নাম যুক্ত করা হয়।
প্রকৃতি ও পরিবেশবিষয়ক সংগঠন তরুপল্লব ১৬ মে, ২০১০ সালে জাতীয় বৃক্ষ শনাক্তকরণ ও এর প্রচারণা চালানোর জন্য পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠায়। জাতীয় বৃক্ষ নির্বাচনের বিষয়ে তরুপল্লবের সভাপতি অধ্যাপক দ্বিজেন শর্মা গত রাতে তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দিন ধরে জাতীয় বৃক্ষের অভাব বোধ করছিলাম। সে শূন্যতা আজ পূর্ণ হলো। এটা আমাদের সৌভাগ্য যে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ আমগাছকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে ঘোষণা করেনি। আমের সুখ্যাতি ও প্রয়োজনীয়তা বলার প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে আমের বনজ প্রজাতি রয়েছে। সে অর্থে আমরা আমের আদি মালিক। আমগাছ চিরসবুজ, সুদর্শন ও দীর্ঘজীবী। আম আমাদের সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ। আমপাতা হিন্দু ও বৌদ্ধরা ধর্ম ও সংস্কৃতি চর্চায় বহুলভাবে ব্যবহার করে। আম আমাদের সাহিত্য ও লোকগাথায় নিবিঢ়ভাবে যুক্ত। এমন একটি গাছকে জাতীয় বৃক্ষ করা সুসিদ্ধান্ত হয়েছে। এ জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’
পৃথিবীর অনেক দেশেরই জাতীয় বৃক্ষ রয়েছে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও জার্মানির জাতীয় বৃক্ষ হচ্ছে ওক গাছ। কানাডার ম্যাপল, ভারতের বট, পাকিস্তানের সেড্রাস ডিওডর, শ্রীলঙ্কার নাগেশ্বর, ভুটানের সাইপ্রেস, সৌদি আরব, লেবানন, আফগানিস্তান, ইতালি, নরওয়ে ও সুইডেনের খেজুরগাছ, লেবাননের সেডার এবং কিউবার জাতীয় বৃক্ষ কিউবান রয়াল পাম।
Courtesy: Choudhury sir
(Oditi Teacher/ Ex oracle teacher)
বিসিএস সহ সকল চাকরির পরীক্ষা জন্য গুরুত্বপূর্ণ
আপনারা এগুলো জানেন , তারপরও বার বার দেখে নেবেন।
1. Die of (কোন রোগে মারা যাওয়া) He died of cholera.
2. Die from (কোন কারনে মারা যাওয়া) He died from over eating.
3. Die by (আকষ্মিক বা ইচ্ছাকৃত ভাবে মারা যাওয়া) He died by su***de.
4. Die for (আত্নত্যগ করা) We are ready to die for our country.
5.Die out(বিলীন হওয়া )Morality is dying out gradually
6.Die away(দুর্বল হওয়া) The man died away for hunger.
7. Made in (কোন দেশের দারা তৈরি) This mobile is made in China.
8. Made by (কোন কোম্পানির দারা তৈরি) This mobile is made byNOKIA.
9. Made of (কোন উপাদান দারা তৈরি) This box is made of plastic.
10. Consist of (গঠিত) The committee sonsists of ten members.
11. Consist in (নিহিত)True happiness consists in contentment.
12.deal in(ব্যবসা করা) I deal in rice
13.deal with(ব্যবহার করা )You should deal with cordially
14.Call in( ডেকে আনা) Call in a doctor
15.Call at( গিয়ে দেখা করা)He called me at he hospital
Make out / see through / watch on - (বুঝতে পারা) : I cannot make out what they say .
Call:
✪ Call at – ( to visit some place / to stop at a place for a short time / কোন যায়গায় যাওয়া)-He called at my house this morning.
✪ Call for – ( to need or deserve a particular action, remark, or quality চাওয়া বা পদক্ষেপ, মন্তব্য, গুনের প্রয়োজন হওয়া )-He called for an explanation.
✪ Call forth –( to produce a particular reaction, কাজে লাগানো) You have to call forth all your energy in the ensuing examination.
✪ Call in –( send for, ডাকা)-We asked him to call in a doctor.
✪ Call off –( to cancel or postpone / to restrain ,প্রত্যাহার করা)- They had to call off the match as the ground was wet.
✪ Call on, upon –( call on someone/something to do something, কারো সাথে দেখা করা)-He called on me in the office.
✪ Call out – ( Shout,আওয়াজ করা)- He called out for help.
✪ Call over –(To ask one to come to a particular place, read out , A roll-call at school , ডাকা)-The teacher called over the names of his pupils in the class.
✪ Call up –(remember, স্মরণ করা)-I cannot call up your name.
✪ Make up one’s mind - (মনস্থির করা) : I have made up my mind to go there .
✪ Make of - (বস্তুটি যে উপাদানে তৈরি তা বুঝা যায় ) : This table is made of iron .
✪ Make from - (বস্তুটি যে উপাদানে তৈরি তা বুঝা যায় না এমন বুঝানোর জন্য লেখা হয় ) : Paper is made from wood /bamboo .
✪ Make after / run after / go after - (পিছু পিছু ধাবিত হওয়া ) : The police made after the thief.
✪ Make over- (হস্তান্তর করা) : The captain needs to make over his image.
✪ Make off- (পালিয় যাওয়া):The thief made off with ornaments.
✪ Make up for - ( ক্ষতিপূরণ করা) :We need to do more to make up for the loss.
নিজের সুবিধামতো সময়ে পড়তে শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন।
Written & Edited by : S M Shamim Ahmed.
16/01/2020
ক্লাউড সিডিং বা কৃত্রিম বৃষ্টিপাত।
আধুনিক প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বের অনেক কিছুই এখন হাতের মুঠোয়। তার মধ্যে ক্লাউড সিডিং বা কৃত্রিম বৃষ্টিপাত অন্যতম একটি। কৃত্রিম বৃষ্টিপাত হলো প্রকৃতির ওপর বৈজ্ঞানিক প্রভাব খাটিয়ে সংঘটিত জোর করে বৃষ্টি নামানো। অর্থাৎ ক্লাউড সিডিংয়ের উপাদানগুলো আকাশে উপযুক্ত স্থানে উড়োজাহাজে করে অথবা বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হয়। মেঘের ভেতর দিয়ে যখন উড়োজাহাজটি যায় তখন সিলভার আয়োডাইড ছড়িয়ে দেয় এবং এর রাসায়নিকের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দানাগুলোই মেঘের সিড হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এসব দানায় ভাসমান জলীয়বাষ্পে পানি কণাগুলো জড়ো হয়ে বড় ফোঁটায় পরিণত হয়। একসময় ওজন বেড়ে গিয়ে মহাকর্ষের টানে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে।
ক্লাউড সিডিংয়ে সাধারণ রাসায়নিক যেমন সিলভার আয়োডাইড, পটাশিয়াম আয়োডাইড অথবা শুষ্ক বরফ বা কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করা হয়। তরল প্রোপেন গ্যাসও ব্যবহার করা হয়। এ গ্যাস সিলভার আয়োডাইডের চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় বরফের স্ফটিক তৈরি করতে পারে। তবে অনেক সস্তা ও বেশ কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় এ কাজে এখন সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণের ব্যবহার বাড়ছে প্রতিনিয়ত।
ক্লাউড সিডিং পদ্ধতিতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না৷ কেননা যে পরিমাণ সিলভার আয়োডায়িড বৃষ্টির পানির সঙ্গে মাটিতে দ্রবীভূত হয়, তাতে রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থের পরিমাণ এতই সামান্য, যে তাতে পরিবেশের কোনো ক্ষতি হয় না৷
সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকাশ সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার সময় ক্লাউড সিডিং এর মাধ্যমে গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত বলে দাবী জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তরের। কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে শুষ্ক আবহাওয়াকে সহনশীল করার নজির বিশ্বের অনেক দেশেই দেখা যায়।
২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিক গেমসের ঠিক আগে ক্লাউড সিডিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টি ঝরিয়েছিল চীন, যাতে পুরো আয়োজন বৃষ্টির কারণে বিঘ্নিত না হয়। চীনই সবচেয়ে বেশি কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টি ঝরায়। এমনকি অতিমাত্রায় এ কৌশল ব্যবহারের কারণে চীনের বিরুদ্ধে বৃষ্টি চুরির অভিযোগ করে প্রতিবেশীরা।
সর্বপ্রথম ১৯৪৬ সালের ১৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো হয়। কৃত্রিম বৃষ্টির এই নীতি ভিনসেন্ট শেইফারই প্রথমে আবিষ্কার করেন।
ছবি: NCM
- কাজী ইসমাইল আলম।
সংযুক্ত আরব আমিরাত।
11/01/2020
TO DOWNLOAD CIVIL ENGINEERING QUESTION FROM 27th to 37th BCS PLEASE FOLLOWING BELOW LINK.
I expected a mail from you after download from google drive.
Please .com
Write your email here(in comment) if need permission.
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Dhaka